আল মারিজ , choose another chapter
আল মারিজ
Chapter 70, 44 verses
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা
Word by word
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ এক ব্যক্তি চাহিল সংঘটিত হউক শাস্তি, যাহা অবধারিত -
জহুরুল হক
১ এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করছে অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে - -
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; একজন অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল।
Word by word
١ سَأَلَ سَآئِلٌۢ بِعَذَابٍ وَاقِعٍ
মুহিউদ্দীন খান
২ কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করিবার কেহ নাই।
জহুরুল হক
২ অবিশ্বাসীদের জন্য, এর প্রতিরোধকারী কেউ নেই - -
সমকালীন বাংলা
২ অস্বীকারকারীদের জন্য; যা প্রতিহত করার কেউ নেই,
Word by word
٢ لِّلْكَٰفِرِينَ لَيْسَ لَهُۥ دَافِعٌ
মুহিউদ্দীন খান
৩ তা আসবে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ ইহা আসিবে আল্লাহ্ র নিকট হইতে, তিনি সুমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
জহুরুল হক
৩ আল্লাহ্ র নিকট থেকে, যিনি উন্নয়নের সোপানের অধিকর্তা।
সমকালীন বাংলা
৩ উচ্চ মর্যাদাসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে।
Word by word
٣ مِّنَ ٱللَّهِ ذِى ٱلْمَعَارِجِ
মুহিউদ্দীন খান
৪ ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ ফিরিশ্তা এবং রূহ্ আল্লাহ্ র দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় এমন এক দিনে, যাহার পরিমাণ পার্থিব পঞ্চাশ হাযার বৎসর।
জহুরুল হক
৪ ফিরিশ্তাগণ ও আত্মা তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে যার পরিমাপ হলো পঞ্চাশ হাজার বছর।
সমকালীন বাংলা
৪ ফেরেশতারা এবং রূহ তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
Word by word
٤ تَعْرُجُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُۥ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ
মুহিউদ্দীন খান
৫ অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর, পরম ধৈর্য।
জহুরুল হক
৫ অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও এক সুমহান ধৈর্যধারণে।
সমকালীন বাংলা
৫ অতএব তুমি উত্তম ধৈর্য ধারণ করো।
Word by word
٥ فَٱصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
৬ তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ উহারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর,
জহুরুল হক
৬ নিঃসন্দেহ তারা একে মনে করে বহু দূরে,
সমকালীন বাংলা
৬ নিশ্চয়ই তারা এটিকে দূরে মনে করে,
Word by word
٦ إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُۥ بَعِيدًا
মুহিউদ্দীন খান
৭ আর আমি একে আসন্ন দেখছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ কিন্তু আমি দেখিতেছি ইহা আসন্ন।
জহুরুল হক
৭ কিন্তু আমরা দেখছি এ নিকটে।
সমকালীন বাংলা
৭ আর আমরা এটিকে নিকটবর্তী দেখি।
Word by word
٧ وَنَرَىٰهُ قَرِيبًا
মুহিউদ্দীন খান
৮ সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সেদিন আকাশ হইবে গলিত ধাতুর মত
জহুরুল হক
৮ সেইদিন আকাশ হয়ে যাবে গলানো তামার মতো,
সমকালীন বাংলা
৮ সেদিন আকাশ গলিত ধাতুর মতো হয়ে যাবে,
Word by word
٨ يَوْمَ تَكُونُ ٱلسَّمَآءُ كَٱلْمُهْلِ
মুহিউদ্দীন খান
৯ এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ এবং পর্বতসমূহ হইবে রঙ্গীন পশমের মত,
জহুরুল হক
৯ আর পাহাড়গুলো হবে উলের মতো,
সমকালীন বাংলা
৯ এবং পাহাড়গুলো হবে রঙিন পশমের মতো,
Word by word
٩ وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ
মুহিউদ্দীন খান
১০ বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব লইবে না,
জহুরুল হক
১০ আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদ করবে না অন্তরঙ্গ বন্ধু সন্বন্ধে - -
সমকালীন বাংলা
১০ এবং কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধুর খোঁজ নেবে না।
Word by word
١٠ وَلَا يَسْـَٔلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا
মুহিউদ্দীন খান
১১ যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ উহাদেরকে করা হইবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তাহার সন্তান - সন্ততিকে,
জহুরুল হক
১১ তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,
সমকালীন বাংলা
১১ যদিও তাদেরকে একে অপরকে দেখানো হবে। অপরাধী কামনা করবে, সেদিনের শাস্তি থেকে মুক্তির বিনিময়ে দিতে তার সন্তানদের,
Word by word
١١ يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ ٱلْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِى مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍۭ بِبَنِيهِ
মুহিউদ্দীন খান
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ তাহার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে,
জহুরুল হক
১২ আর তার সহধর্মিণীর ও তার ভাইয়ের,
সমকালীন বাংলা
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,
Word by word
١٢ وَصَٰحِبَتِهِۦ وَأَخِيهِ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তাহার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে, যাহারা তাহাকে আশ্রয় দিত
জহুরুল হক
১৩ আর তার নিকট - আত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,
সমকালীন বাংলা
১৩ তার সেই নিকট আত্মীয়দের, যারা তাকে আশ্রয় দিত,
Word by word
١٣ وَفَصِيلَتِهِ ٱلَّتِى تُـْٔوِيهِ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ এবং পৃথিবীর সকলকে, যাহাতে এই মুক্তিপণ তাহাকে মুক্তি দেয়।
জহুরুল হক
১৪ আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সমস্তটাই, - - যেন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
সমকালীন বাংলা
১৪ এবং পৃথিবীতে সকলকে; তারপর যেন তা তাকে মুক্তি দেয়।
Word by word
١٤ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ না, কখনই নয়, ইহা তো লেলিহান অগ্নি,
জহুরুল হক
১৫ কখনোই নয়! নিঃসন্দেহ এটি এক শিখায়িত আগুন, - -
সমকালীন বাংলা
১৫ কখনোই নয়! নিশ্চয়ই তা এক প্রজ্বলিত আগুন,
Word by word
١٥ كَلَّآ إِنَّهَا لَظَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
১৬ যা চামড়া তুলে দিবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ যাহা গাত্র হইতে চামড়া খসাইয়া দিবে।
জহুরুল হক
১৬ চামড়া ঝলসিয়ে খসাতে উদগ্রীব, - -
সমকালীন বাংলা
১৬ যা মাথার চামড়া তুলে নেয়,
Word by word
١٦ نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকিবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
জহুরুল হক
১৭ এ ডাকবে তাকে যে পালিয়েছিল ও ফিরে গিয়েছিল,
সমকালীন বাংলা
১৭ তা আহ্বান করবে, যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল এবং বিমুখ হয়েছিল,
Word by word
١٧ تَدْعُوا۟ مَنْ أَدْبَرَ وَتَوَلَّىٰ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছিল।
জহুরুল হক
১৮ আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।
সমকালীন বাংলা
১৮ এবং সম্পদ জমা করেছিল ও সঞ্চয় করে রেখেছিল।
Word by word
١٨ وَجَمَعَ فَأَوْعَىٰٓ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ মানুষ তো সৃজিত হইয়াছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।
জহুরুল হক
১৯ নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা - - তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,
সমকালীন বাংলা
১৯ নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের।
Word by word
١٩ إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ خُلِقَ هَلُوعًا
মুহিউদ্দীন খান
২০ যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ যখন বিপদ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় হা - হুতাশকারী।
জহুরুল হক
২০ যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,
সমকালীন বাংলা
২০ যখন তাকে অকল্যাণ স্পর্শ করে, তখন সে অধৈর্য হয়ে পড়ে।
Word by word
٢٠ إِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ جَزُوعًا
মুহিউদ্দীন খান
২১ আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ আর যখন কল্যাণ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় অতি কৃপণ ;
জহুরুল হক
২১ আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড় - কিপটে,
সমকালীন বাংলা
২১ এবং যখন তাকে কল্যাণ স্পর্শ করে, তখন সে কৃপণ হয়ে যায়।
Word by word
٢١ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلْخَيْرُ مَنُوعًا
মুহিউদ্দীন খান
২২ তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায় কারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ তবে সালাত আদায়কারীগণ ব্যতীত,
জহুরুল হক
২২ তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, - -
সমকালীন বাংলা
২২ তবে সালাত আদায়কারীরা ব্যতীত,
Word by word
٢٢ إِلَّا ٱلْمُصَلِّينَ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,
জহুরুল হক
২৩ যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,
সমকালীন বাংলা
২৩ যারা তাদের সালাতে অবিচল থাকে,
Word by word
٢٣ ٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَآئِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ আর যাহাদের সম্পদে নির্ধারিত হক রহিয়াছে
জহুরুল হক
২৪ আর যারা তাদের ধনসম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে - -
সমকালীন বাংলা
২৪ এবং যাদের সম্পদে নির্ধারিত অধিকার রয়েছে,
Word by word
٢٤ وَٱلَّذِينَ فِىٓ أَمْوَٰلِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,
জহুরুল হক
২৫ ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,
সমকালীন বাংলা
২৫ প্রার্থনাকারী এবং বঞ্চিতের জন্য,
Word by word
٢٥ لِّلسَّآئِلِ وَٱلْمَحْرُومِ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ এবং যাহারা কর্মফল দিবসকে সত্য বলিয়া জানে।
জহুরুল হক
২৬ আর যারা বিচারের দিনকে সত্য বলে গ্রহণ করে,
সমকালীন বাংলা
২৬ এবং যারা প্রতিদান দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে,
Word by word
٢٦ وَٱلَّذِينَ يُصَدِّقُونَ بِيَوْمِ ٱلدِّينِ
মুহিউদ্দীন খান
২৭ এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ আর যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত -
জহুরুল হক
২৭ আর যারা তাদের প্রভুর শাস্তি সম্পর্কে খোদ ভীতসন্ত্রস্ত, - -
সমকালীন বাংলা
২৭ এবং যারা তাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীত থাকে।
Word by word
٢٧ وَٱلَّذِينَ هُم مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشْفِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৮ নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ নিশ্চয়ই তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি হইতে নিঃশংক থাকা যায় না -
জহুরুল হক
২৮ নিশ্চয় তাদের প্রভুর শাস্তি প্রশান্তিদায়ক নয়;
সমকালীন বাংলা
২৮ নিশ্চয়ই তাদের প্রতিপালকের শাস্তি থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
Word by word
٢٨ إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَيْرُ مَأْمُونٍ
মুহিউদ্দীন খান
২৯ এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ এবং যাহারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,
জহুরুল হক
২৯ আর যারা নিজেরাই তাদের আঙ্গিক - কর্তব্যাবলী সম্পর্কে যত্নবান, - -
সমকালীন বাংলা
২৯ এবং যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে,
Word by word
٢٩ وَٱلَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَٰفِظُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ তাহাদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত, ইহাতে তাহারা নিন্দনীয় হইবে না -
জহুরুল হক
৩০ তবে নিজেদের দম্পতি অথবা তাদের ডানহাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের ছাড়া, কেননা সেক্ষেত্রে তারা নিন্দনীয় নহে,
সমকালীন বাংলা
৩০ তবে তাদের স্ত্রীদের অথবা যারা তাদের অধিকারভুক্ত তাদের ক্ষেত্রে নয়; কারণ নিশ্চয়ই তারা নিন্দনীয় নয়।
Word by word
٣٠ إِلَّا عَلَىٰٓ أَزْوَٰجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَٰنُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩১ অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ তবে কেহ ইহাদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করিলে তাহারা হইবে সীমালংঘনকারী -
জহুরুল হক
৩১ কিন্তু যে এর বাইরে যাওয়া কামনা করে তাহলে তারা নিজেরাই হবে সীমালংঘনকারী।
সমকালীন বাংলা
৩১ অতঃপর যে এর বাইরে কামনা করে, তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।
Word by word
٣١ فَمَنِ ٱبْتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْعَادُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩২ এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ এবং যাহারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,
জহুরুল হক
৩২ আর যারা খোদ তাদের আমানত সন্বন্ধে ও তাদের অংগীকার সন্বন্ধে সজাগ থাকে,
সমকালীন বাংলা
৩২ এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকারের প্রতি যত্নবান,
Word by word
٣٢ وَٱلَّذِينَ هُمْ لِأَمَٰنَٰتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَٰعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ আর যাহারা তাহাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
জহুরুল হক
৩৩ আর যারা স্বয়ং তাদের সাক্ষ্যদানে সুপ্রতিষ্ঠিত,
সমকালীন বাংলা
৩৩ এবং যারা তাদের সাক্ষ্যে অবিচল থাকে,
Word by word
٣٣ وَٱلَّذِينَ هُم بِشَهَٰدَٰتِهِمْ قَآئِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান -
জহুরুল হক
৩৪ আর যারা নিজেরা তাদের নামায সন্বন্ধে সদা যত্নবান,
সমকালীন বাংলা
৩৪ এবং যারা তাদের সালাতের সুরক্ষা করে।
Word by word
٣٤ وَٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ তাহারাই সম্মানিত হইবে জান্নাতে।
জহুরুল হক
৩৫ তারাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়।
সমকালীন বাংলা
৩৫ তারাই সম্মানিত হবে জান্নাতে।
Word by word
٣٥ أُو۟لَٰٓئِكَ فِى جَنَّٰتٍ مُّكْرَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ কাফিরদের হইল কি যে, উহারা তোমার দিকে ছুটিয়া আসিতেছে
জহুরুল হক
৩৬ কিন্তু কি হয়েছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, যে তারা তোমার দিকে উদগ্রীব হয়ে ছুটে আসছে - -
সমকালীন বাংলা
৩৬ অতঃপর অবিশ্বাসীদের কী হয়েছে যে তারা তোমার দিকে ছুটে আসে,
Word by word
٣٦ فَمَالِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ قِبَلَكَ مُهْطِعِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ দক্ষিণ ও বাম দিক হইতে, দলে দলে।
জহুরুল হক
৩৭ ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে, দলেদলে?
সমকালীন বাংলা
৩৭ ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে, দলে দলে?
Word by word
٣٧ عَنِ ٱلْيَمِينِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ عِزِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ উহাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাহাকে দাখিল করা হইবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে?
জহুরুল হক
৩৮ তাদের মধ্যের প্রত্যেক লোকই কি আশা করে যে তাকে প্রবেশ করানো হবে আনন্দময় উদ্যানে?
সমকালীন বাংলা
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে তাকে নেয়ামতপূর্ণ বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে?
Word by word
٣٨ أَيَطْمَعُ كُلُّ ٱمْرِئٍ مِّنْهُمْ أَن يُدْخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ কখনো না, আমি উহাদেরকে যাহা হইতে সৃষ্টি করিয়াছি তাহা উহারা জানে।
জহুরুল হক
৩৯ কখনই না। নিঃসন্দেহ আমরা কি দিয়ে তাদের গড়েছি তা তারা জানে।
সমকালীন বাংলা
৩৯ কখনোই নয়! নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তা থেকে, যা তারা জানে।
Word by word
٣٩ كَلَّآ إِنَّا خَلَقْنَٰهُم مِّمَّا يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ আমি শপথ করিতেছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির - নিশ্চয়ই আমি সক্ষম,
জহুরুল হক
৪০ কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ - -
সমকালীন বাংলা
৪০ অতএব পূর্বসমূহ ও পশ্চিমসমূহের প্রতিপালকের শপথ! নিশ্চয়ই আমরা অবশ্যই সক্ষম।
Word by word
٤٠ فَلَآ أُقْسِمُ بِرَبِّ ٱلْمَشَٰرِقِ وَٱلْمَغَٰرِبِ إِنَّا لَقَٰدِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ উহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠীকে উহাদের স্থলবর্তী করিতে এবং ইহাতে আমি অক্ষম নই।
জহুরুল হক
৪১ যে আমরা তাদের চেয়ে ভালোদের দিয়ে বদলে দেব, আর আমরা পরাজিত হবার নই।
সমকালীন বাংলা
৪১ তাদের পরিবর্তে তাদের চেয়ে উত্তমদের আনতে; এবং আমরা অক্ষম নই।
Word by word
٤١ عَلَىٰٓ أَن نُّبَدِّلَ خَيْرًا مِّنْهُمْ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪২ অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ অতএব উহাদেরকে বাকবিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুকে মত্ত থাকিতে দাও, যে দিবস সম্পর্কে তাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
জহুরুল হক
৪২ সেজন্য তাদের ছেড়ে দাও গল্পগুজব ও খেলাধুলো করতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যার সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, - -
সমকালীন বাংলা
৪২ অতএব তাদেরকে ছেড়ে দিন; তারা অর্থহীন আলোচনায় লিপ্ত থাকুক এবং খেলায় মত্ত থাকুক, যতক্ষণ না তারা সেই দিনের সম্মুখীন হয়, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।
Word by word
٤٢ فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا۟ وَيَلْعَبُوا۟ حَتَّىٰ يُلَٰقُوا۟ يَوْمَهُمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে দ্রুতবেগে, মনে হইবে উহারা কোন উপাসনালয়ের দিকে ধাবিত হইতেছে,
জহুরুল হক
৪৩ সেইদিন তারা কবরগুলো থেকে বেরিয়ে আসবে ব্যস্তসমস্ত হয়ে, যেন তারা একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হয়েছে,
সমকালীন বাংলা
৪৩ যেদিন তারা দ্রুত কবরসমূহ থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোনো লক্ষ্যের দিকে ছুটে চলেছে,
Word by word
٤٣ يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ سِرَاعًا كَأَنَّهُمْ إِلَىٰ نُصُبٍ يُوفِضُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ অবনত নেত্রে। হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে; ইহাই সেই দিন, যাহার বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল উহাদেরকে।
জহুরুল হক
৪৪ তাদের চোখ হবে অবনত, হীনতা তাদের আচ্ছন্ন করবে। এমনটাই সেইদিন যার বিষয়ে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।
সমকালীন বাংলা
৪৪ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করে রাখবে। এ সে দিন, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছিল।
Word by word
٤٤ خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يُوعَدُونَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report