Kitab

আল শো’আরা

Chapter 26, 227 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান

ত্বা, সীন, মীম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তা - সীন - মীম।

জহুরুল হক

ত্বা, সীন, মীম।

মুহিউদ্দীন খান

এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইগুলি সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

জহুরুল হক

এসব হচ্ছে সুস্পষ্ট গ্রন্থের বাণীসমূহ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিশ্বাস করে না বলে আপনি হয়তো মর্মব্যথায় আত্নঘাতী হবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা হইতেছে না বলিয়া তুমি হয়ত মনোকষ্টে আত্মবিনাশী হইয়া পড়িবে।

জহুরুল হক

তুমি হয়ত তোমার নিজেকে মেরেই ফেলবে যেহেতু তারা হচ্ছে না।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যদি ইচ্ছা করি, তবে আকাশ থেকে তাদের কাছে কোন নিদর্শন নাযিল করতে পারি। অতঃপর তারা এর সামনে নত হয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে আকাশ হইতে উহাদের নিকট এক নিদর্শন প্রেরণ করিতাম, ফলে উহাদের গ্রীবা বিনত হইয়া পড়িত উহার প্রতি।

জহুরুল হক

যদি আমরা ইচ্ছা করতাম তাহলে আমরা তাদের উপরে আকাশ থেকে একটি নিদর্শন পাঠাতে পারতাম, তখন এর কারণে তাদের ঘাড় নুইয়ে হেটঁ করে দেয়া হত।

মুহিউদ্দীন খান

যখনই তাদের কাছে রহমান এর কোন নতুন উপদেশ আসে, তখনই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখনই উহাদের কাছে দয়াময়ের নিকট হইতে কোন নূতন উপদেশ আসে, তখনই উহারা উহা হইতে মুখ ফিরাইয়া নেয়।

জহুরুল হক

আর তাদের নিকট পরম করুণাময়ের কাছ থেকে কোনো নতুন স্মরণীয় - বার্তা আসতে না আসতেই তারা তা থেকে বিমুখ হয়ে যায়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব তারা তো মিথ্যারোপ করেছেই; সুতরাং যে বিষয় নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রুপ করত, তার যথার্থ স্বরূপ শীঘ্রই তাদের কাছে পৌছবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তো অস্বীকার করিয়াছে। সুতরাং উহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রপ করিত তাহার প্রকৃত বার্তা তাহাদের নিকট শীঘ্রই আসিয়া পড়িবে।

জহুরুল হক

তাহলে তারা প্রত্যাখ্যান করেই ফেলেছে, সুতরাং যা নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রপ করত তার সংবাদ তাদের কাছে শীঘ্রই আসছে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি ভুপৃষ্ঠের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না? আমি তাতে সর্বপ্রকার বিশেষ - বস্তু কত উদগত করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি যমীনের দিকে লক্ষ্য করে না? আমি উহাতে প্রত্যেক প্রকারের কত উৎকৃষ্ট উদ্ভিদ উদ্‌গত করিয়াছি।

জহুরুল হক

তারা কি পৃথিবীর দিকে চেয়ে দেখে না - - এতে আমরা প্রত্যেক উৎকৃষ্ট কল্পতরু কত যে জন্নিয়েছি?

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় ইহাতে আছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়!

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা তো পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আপনার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেনঃ তুমি পাপিষ্ঠ সম্প্রদায়ের নিকট যাও;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক মূসাকে ডাকিয়া বলিলেন, ‘তুমি সম্প্রদায়ের নিকট যাও,

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো! তোমার প্রভু মূসাকে ডেকে বললেন - - ''তুমি অত্যাচারী লোকদের কাছে যাও, - -

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি ভয় করে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আওনের সম্প্রদায়ের নিকট; উহারা কি ভয় করে না?’

জহুরুল হক

ফিরআউনের লোকদের কাছে। তারা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?’’

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে দেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমি আশংকা করি যে, উহারা আমাকে অস্বীকার করিবে,

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু! আমি অবশ্যই আশংকা করি যে তারা আমাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার মন হতবল হয়ে পড়ে এবং আমার জিহবা অচল হয়ে যায়। সুতরাং হারুনের কাছে বার্তা প্রেরণ করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমার হৃদয় সংকুচিত হইয়া পড়িতেছে, আর আমার জিহ্বা তো সাবলীল নাই ! সুতরাং হারূনের প্রতিও প্রত্যাদেশ পাঠাও।

জহুরুল হক

''আমার বুক সংকুচিত হয়ে পড়েছে, আর আমার জিহ্বা বাক্‌পটু নয়, সেজন্য হারূনের প্রতিও ডাক পাঠাও।

মুহিউদ্দীন খান

আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ আছে। অতএব আমি আশংকা করি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার বিরুদ্ধে তো উহাদের এক অভিযোগ আছে, আমি আশংকা করি উহারা আমাকে হত্যা করিবে।’

জহুরুল হক

''আর আমার বিরুদ্ধে এক অপরাধ তাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে, সেজন্য আমি ভয় করি যে তারা আমাকে কাতল করবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

বলেন, কখনই নয় তোমরা উভয়ে যাও আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে। আমি তোমাদের সাথে থেকে শোনব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘না, কখনই নহে, অতএব তোমরা উভয়ে আমার নিদর্শনসহ যাও, আমি তো তোমাদের সঙ্গে আছি, শ্রবণকারী।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''কখনো না! অতএব তোমরা দুজনেই আমাদের নিদর্শন সমূহ নিয়ে যাও, নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের সঙ্গে রয়েছি শুনতে থাকা অবস্থায়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব তোমরা ফেরআউনের কাছে যাও এবং বল, আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার রসূল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতএব তোমরা উভয়ে ফির‘আওনের নিকট যাও এবং বল, ‘আমরা তো জগতসমূহের প্রতিপালকের রাসূল,

জহুরুল হক

''সুতরাং তোমরা ফিরআউনের নিকট যাও আর বলো - - 'আমরা আলবৎ বিশ্বজগতের প্রভুর রসূল - -

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তুমি বনী - ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের সঙ্গে যাইতে দাও বনী ইসরাঈলকে।’

জহুরুল হক

''যে ইসরাইলের বংশধরদের আমাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দাও’।’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন - পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদের মধ্যে লালন - পালন করি নাই? আর তুমি তো তোমার জীবনের বহু বৎসর আমাদের মধ্যে কাটাইয়াছ,

জহুরুল হক

সে বললে - - ''তোমাকে কি ছেলেবেলায় আমাদের কাছেই লালনপালন করি নি, এবং তুমি কি আমাদেরই মধ্যে তোমার জীবনের বহু বৎসর কাটাও নি?

মুহিউদ্দীন খান

তুমি সেই - তোমরা অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতঘ্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তুমি তোমার কর্ম যাহা করিবার তাহা তো করিয়াছ ; তুমি অকৃতজ্ঞ।’

জহুরুল হক

''আর তোমার কাজ যা তুমি করেছ তা তো করেইছ, তথাপি তুমি অকৃতজ্ঞদের মধ্যেকার!’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, আমি সে অপরাধ তখন করেছি, যখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘আমি তো ইহা করিয়াছিলাম তখন, যখন ছিলাম অনবধান।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমি এটি করেছিলাম যখন আমি পথভ্রষ্টদের মধ্যে ছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করলাম। এরপর আমার পালনকর্তা আমাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং আমাকে পয়গম্বর করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর আমি যখন তোমাদের ভয়ে ভীত হইলাম তখন আমি তোমাদের নিকট হইতে পলাইয়া গিয়াছিলাম। তৎপর আমার প্রতিপালক আমাকে জ্ঞান দান করিয়াছেন এবং আমাকে রাসূল করিয়াছেন।

জহুরুল হক

''এরপর যখন আমি তোমাদের ভয় করেছিলাম তখন আমি তোমাদের থেকে ফেরার হলাম, তারপর আমার প্রভু আমাকে জ্ঞান দান করেছেন, আর তিনি আমাকে বানিয়েছেন রসূলদের অন্যতম।

মুহিউদ্দীন খান

আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, তা এই যে, তুমি বনী - ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা উল্লেখ করিতেছ, তাহা তো এই যে, তুমি বনী ইসরাঈলকে দাসে পরিণত করিয়াছ।’

জহুরুল হক

''আর এই তো হচ্ছে সেই অনুগ্রহ যা তুমি আমার কাছে উল্লেখ করছ যার জন্যে তুমি ইসরাইলের বংশধরদের দাস বানিয়েছ!’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কী?’

জহুরুল হক

ফিরআউন বললে - - ''বিশ্বজগতের প্রভু আবার কি হয়?’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘তিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত হও।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং তাদের মধ্যে যা - কিছু আছে তার প্রভু, - - যদি তোমরা দৃঢ়প্রত্যয়িত হও।’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, তোমরা কি শুনছ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন তাহার পারিষদবর্গকে লক্ষ্য করিয়া বলিল, ‘তোমরা শুনিতেছ তো !’

জহুরুল হক

সে তার আশপাশে যারা আছে তাদের বললে - - ''তোমরা কি শুনছ না?’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষগণেরও প্রতিপালক।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালের তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রভু।’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রাসূল তো নিশ্চয়ই পাগল।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''তোমাদের রসূলটি যাকে তোমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে সে তো বদ্ধ পাগল।’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, যদি তোমরা বোঝ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক; যদি তোমরা বুঝিতে !’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা আছে তারও প্রভু, যদি তোমরা বুঝতে পারতে।’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে ইলাহ্‌রূপে গ্রহণ কর আমি তোমাকে অবশ্যই কারারুদ্ধ করিব।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''তুমি যদি আমাকে ছাড়া অন্য উপাস্য গ্রহণ কর তবে আমি আলবৎ তোমাকে কয়েদীদের অন্তর্ভুক্ত করব।’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, আমি তোমার কাছে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে আগমন করলেও কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘আমি যদি তোমার নিকট কোন স্পষ্ট নিদর্শন আনয়ন করি, তবুও?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''কী! আমি তোমার কাছে সুস্পষ্ট কিছু আনলেও?’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে উহা উপস্থিত কর।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''তবে তা নিয়ে এস যদি তুমি সত্যবাদীদের একজন হও।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সুস্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাহার লাঠি নিক্ষেপ করিলে তৎক্ষণাৎ উহা এক সাক্ষাৎ অজগর হইল।

জহুরুল হক

সুতরাং তিনি তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, তখন আশ্চর্য! এটি এক স্পষ্ট সাপ হয়ে গেল।

মুহিউদ্দীন খান

আর তিনি তার হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে সুশুভ্র প্রতিভাত হলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং মূসা হাত বাহির করিল আর তৎক্ষণাৎ উহা দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতিভাত হইল।

জহুরুল হক

আর তিনি তাঁর হাত বের করেলন, তখন দেখো! দর্শকদের কাছে তা সাদা হয়ে গেল।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, নিশ্চয় এ একজন সুদক্ষ জাদুকর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন তাহার পারিষদবর্গকে বলিল, ‘এ তো এক সুদক্ষ জাদুকর !

জহুরুল হক

সে তার আশপাশের প্রধানদের বললে - - ''এ তো নিশ্চয়ই এক ওস্তাদ জাদুকর, - -

মুহিউদ্দীন খান

সে তার জাদু বলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। অতএব তোমাদের মত কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এ তোমাদেরকে তোমাদের দেশ হইতে তাহার জাদুবলে বহিষ্কার করিতে চায়। এখন তোমরা কী করিতে বল?’

জহুরুল হক

''সে চাইছে তার জাদুর দ্বারা তোমাদের দেশ থেকে তোমাদের বের করে দিতে, কাজেই কী তোমরা উপদেশ দাও?’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তাকে ও তার ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তাহাকে ও তাহার ভ্রাতাকে কিছু অবকাশ দাও এবং নগরে নগরে সংগ্রাহকদেরকে পাঠাও,

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তাকে ও তার ভাইকে অবকাশ দাও, আর শহরে শহরে সংগ্রাহকদের পাঠাও, - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকর কে উপস্থিত করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যেন তাহারা তোমার নিকট প্রতিটি অভিজ্ঞ জাদুকর উপস্থিত করে।’

জহুরুল হক

''যেন তারা প্রত্যেক জ্ঞানী জাদুকরদের তোমার কাছে নিয়ে আছে।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জাদুকরদেরকে একত্র করা হইল,

জহুরুল হক

সুতরাং জাদুকরদের একত্র করা হ’ল নির্দিষ্ট স্থানে বিজ্ঞাপিত দিনে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং লোকদেরকে বলা হইল, ‘তোমরাও সমবেত হইতেছ কি?

জহুরুল হক

আর লোকদের বলা হ’ল - - ''তোমরা কি জমায়েৎ হচ্ছ, - -

মুহিউদ্দীন খান

যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি - যদি তারাই বিজয়ী হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেন আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করিতে পারি, যদি উহারা বিজয়ী হয়।’

জহুরুল হক

''যেন আমরা জাদুকরদের অনুগমন করতে পারি যদি তারা নিজেরা বিজয়ী হয়?’’

মুহিউদ্দীন খান

যখন যাদুকররা আগমণ করল, তখন ফেরআউনকে বলল, যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর জাদুকরেরা আসিয়া ফিরা‘আওনকে বলিল, ‘আমরা যদি বিজয়ী হই আমাদের জন্য পুরস্কার থাকিবে তো?

জহুরুল হক

তারপর যখন জদুকররা এল তারা ফিরআউনকে বললে - - ''আমাদের জন্য কি বিশেষ পুরস্কার থাকবে যদি আমরা খোদ বিজয়ী হই?’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরা‘আওন বলিল, ‘হ্যাঁ, তখন তোমরা অবশ্যই আমার ঘনিষ্ঠদের শামিল হইবে।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''হাঁ, আর সেক্ষেত্রে তোমরা নিশ্চয়ই অন্তরঙ্গ হবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেন, নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা উহাদেরকে বলিল, ‘তোমাদের যাহা নিক্ষেপ করিবার তাহা নিক্ষেপ কর।’

জহুরুল হক

মূসা তাদের বললেন - - ''ছোড়ো যা তোমরা ছুড়ঁতে যাচ্ছ।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা উহাদের রজ্জু ও লাঠি নিক্ষেপ করিল এবং উহারা বলিল, ‘ফির‘আওনের ইয্‌যতের শপথ! আমরাই বিজয়ী হইব।’

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের দড়িদড়া ও তাদের লাঠি - লগুড় তারা ছুড়ঁলো এবং বললে - - ''ফিরআউনের প্রভাবে আমরা তো নিজেরাই বিজয়ী হব।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করল, হঠাৎ তা তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাহার লাঠি নিক্ষেপ করিল, সহসা উহা উহাদের অলীক সৃষ্টিগুলিকে গ্রাস করিতে লাগিল।

জহুরুল হক

তারপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করলেন, তখন দেখো! এটি গিলে ফেলল যা তারা বুনেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন জাদুকরেরা সিজ্‌দাবনত হইয়া পড়িল।

জহুরুল হক

তখন জাদুকররা লুটিয়ে পড়ল সিজদাবনত হয়ে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, আমরা রাব্বুল আলামীনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিল, ‘আমরা ঈমান আনয়ন করিলাম জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রতি -

জহুরুল হক

তারা বললে, ''আমরা ঈমান আনলাম বিশ্বজগতের প্রভুর প্রতি, - -

মুহিউদ্দীন খান

যিনি মূসা ও হারুনের রব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যিনি মূসা ও হারূনেরও প্রতিপালক।’

জহুরুল হক

''যিনি মূসা ও হারুনেরও প্রভু।’’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে? নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘কী ! আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার পূর্বেই তোমরা উহাতে বিশ্বাস করিলে? সে - ই তো তোমাদের প্রধান যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়াছে। শীঘ্রই তোমরা ইহার পরিণাম জানিবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত এবং তোমাদের পা বিপরীত দিক হইতে কর্তন করিব এবং তোমাদের সকলকে শূলবিদ্ধ করিবই।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''তোমরা তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে আমি তোমাদের অনুমতি দেবার আগেই? সে - ই নিশ্চয় তোমাদের গুরু যে তোমাদের জাদুবিদ্যা শিখিয়েছে। সুতরাং শীঘ্রই তোমরা টের পাবে। আমি নিশ্চয় তোমাদের হাত ও তোমাদের পা আড়াআড়ি - ভাবে কেটে ফেলবই, আর তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘কোন ক্ষতি নাই, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকটই প্রত্যাবর্তন করিব।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''কোনো ক্ষতি নেই, নিঃসন্দেহ আমরা আমাদের প্রভুর কাছে প্রত্যাবর্তনশীল।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি - বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তো আশা করি, আমাদের প্রতিপালক আমাদের অপরাধ মার্জনা করিবেন, কারণ আমরা মু’মিনদের মধ্যে অগ্রণী।’

জহুরুল হক

''আমরা নিশ্চয়ই আশা করি যে আমাদের প্রভু আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন, যেহেতু আমরা মুমিনদের মধ্যে অগ্রণী।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসাকে আদেশ করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি মূসার প্রতি ওহী করিয়াছিলাম এই মর্মে : ‘আমার বান্দাদেরকে লইয়া রাত্রিকালে বাহির হও, তোমাদের তো পশ্চাদ্ধাবন করা হইবে।’

জহুরুল হক

আর আমরা মূসাকে প্রত্যাদেশ দিয়েছিলাম এই বলে - - ''আমার বান্দাদের নিয়ে রাতের মধ্যে রওয়ানা হয়ে যাও, তোমাদের অবশ্য পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর ফেরাউন শহরে শহরে সংগ্রাহকদেরকে প্রেরণ করল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ফির‘আওন শহরে শহরে লোক সংগ্রহকারী পাঠাইল,

জহুরুল হক

তখন ফিরআউন শহরে - নগরে সংগ্রাহকদের পাঠাল - -

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এরা (বনী - ইসরাঈলরা) ক্ষুদ্র একটি দল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই বলিয়া, ‘ইহারা তো ক্ষুদ্র একটি দল

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ তারা একটি ছোটখাট দল,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ‘উহারা তো আমাদের ক্রোধ উদ্রেক করিয়াছে ;

জহুরুল হক

''আর নিঃসন্দেহ আমাদের জন্য তারা তো ক্রোধ উদ্রেককারী,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমরা তো সকলেই সদাশংকিত।’

জহুরুল হক

''আর আমরা তো নিশ্চয় সজাগ - সশস্ত্র জনতা।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি ফেরআউনের দলকে তাদের বাগ - বাগিচা ও ঝর্ণাসমূহ থেকে বহিষ্কার করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরিণামে আমি ফির‘আওন গোষ্ঠীকে বহিষ্কার করিলাম উহাদের উদ্যানরাজি ও প্রস্রবণ হইতে

জহুরুল হক

কাজেই আমরা তাদের বের ক’রে আনলাম বাগানসমূহ ও ঝরনারাজি থেকে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং ধন - ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ধনভাণ্ডার ও সুরম্য সৌধমালা হইতে।

জহুরুল হক

আর ধনভান্ডার ও জমকালো বাড়িঘর থেকে, - -

মুহিউদ্দীন খান

এরূপই হয়েছিল এবং বনী - ইসলাঈলকে করে দিলাম এসবের মালিক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং বনী ইসরাঈলকে করিয়াছিলাম এই সমুদয়ের অধিকারী।

জহুরুল হক

এইভাবেই। আর এইগুলো আমরা ইসরাইলের বংশধরদের উত্তরাধিকার করতে দিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তারা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সূর্যোদয়কালে তাহাদের পশ্চাতে আসিয়া পড়িল।

জহুরুল হক

তারপর তারা এদের পশ্চাদ্ধাবন করেছিল সূর্যোদয়কালে।

মুহিউদ্দীন খান

যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলল, আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন দুই দল পরস্পরকে দেখিল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলিল, ‘আমরা তো ধরা পড়িয়া গেলাম।’

জহুরুল হক

অতঃপর যখন দুই দল পরস্পরকে দেখল তখন মূসার সঙ্গীরা বললে - - ''আমরা তো নিঃসন্দেহ ধরা পড়ে গেলাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, কখনই নয়, আমার সাথে আছেন আমার পালনকর্তা। তিনি আমাকে পথ বলে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘কখনই নহে ! আমার সঙ্গে আছেন আমার প্রতিপালক ; সত্বর তিনি আমাকে পথনির্দেশ করিবেন।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''নিশ্চয়ই না, আমার সঙ্গে আলবৎ আমার প্রভু রয়েছেন, তিনি আমাকে অচিরেই পথ দেখাবেন।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি মূসাকে আদেশ করলাম, তোমার লাঠি দ্বারা সমূদ্রকে আঘাত কর। ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসার প্রতি ওহী করিলাম, ‘তোমার যষ্টি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত কর।’ ফলে উহা বিভক্ত হইয়া প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হইয়া গেল ;

জহুরুল হক

তখন আমরা মূসার নিকট প্রত্যাদেশ দিলাম এই বলে - - ''তোমার লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত কর।’’ ফলে এটি বিভক্ত হয়ে গেল, সুতরাং প্রত্যেক দল এক - একটি বিরাট পাহাড়ের মতো হয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সেথায় অপর দলকে পৌঁছিয়ে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সেখানে উপনীত করিলাম অপর দলটিকে,

জহুরুল হক

আর অন্যদেরকেও আমরা নিয়ে এলাম সেই অঞ্চলে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং মূসা ও তাঁর সংগীদের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি উদ্ধার করিলাম মূসা ও তাহার সঙ্গী সকলকে,

জহুরুল হক

আর মূসাকে ও তাঁর সঙ্গে যারা ছিল সে - সবাইকে আমরা উদ্ধার করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জত কললাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তৎপর নিমজ্জিত করিলাম অপর দলটিকে।

জহুরুল হক

তারপর অন্যদেরকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো একটি নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের নিকট ইব্‌রাহীমের বৃত্তান্ত বর্ণনা কর।

জহুরুল হক

আর তুমি তাদের কাছে ইব্রাহীমের কাহিনী বর্ণনা করো।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে যখন তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের ‘ইবাদত কর?’

জহুরুল হক

স্মরণ করো! তিনি তাঁর পিতৃপুরুষকে ও তাঁর স্বজাতিকে বললেন - - ''তোমরা কিসের উপাসনা কর?’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা মূর্তির পূজা করি এবং আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে উহাদের পূজায় নিরত থাকিব।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা প্রতিমাদের পূজা করি, আর আমরা তাদের আরাধনায় নিষ্ঠাবান থাকব।’’

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা প্রার্থনা করিলে উহারা কি শুনে?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন, ''তারা কি তোমাদের শোনে যখন তোমরা ডাকো?

মুহিউদ্দীন খান

অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করিতে পারে?’

জহুরুল হক

''অথবা তারা কি তোমাদের উপকার করতে পারে কিংবা অপকার করতে পারে?’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এইরূপই করিতে দেখিয়াছি।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''না, আমাদের পিতৃপুরুষদের আমরা দেখতে পেয়েছি এইভাবে তারা করছে ।’’

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, কিসের পূজা করিতেছ,

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা কি তবে ভেবে দেখেছ তোমরা কিসের উপাসনা করছ, - -

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা?

জহুরুল হক

''তোমরা ও তোমাদের পূর্বগামী পিতৃপুরুষরা?

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহারা সকলেই আমার শত্রু, জগতসমূহের প্রতিপালক ব্যতীত;

জহুরুল হক

''অতএব তারা আলবৎ আমার শত্রু, কিন্ত ভূ - বিশ্বের প্রভু নন,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যিনি আমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনিই আমাকে পথ প্রদর্শন করেন।

জহুরুল হক

''যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি আমাকে পথ দেখিয়েছেন,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনিই আমাকে দান করেন আহার্য ও পানীয়।

জহুরুল হক

''আর যিনি আমাকে আহার করান এবং পান করতে দেন,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং রোগাক্রান্ত হইলে তিনিই আমাকে রোগমুক্ত করেন ;

জহুরুল হক

''আর যখন আমি রোগে ভোগি তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তিনিই আমার মৃত্যু ঘটাইবেন, অতঃপর পুনর্জীবিত করিবেন।

জহুরুল হক

''আর যিনি, আমার মৃত্যু ঘটাবেন তারপরে আমাকে পুনর্জীবন দেবেন,

মুহিউদ্দীন খান

আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি - বিচ্যুতি মাফ করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আশা করি, তিনি কিয়ামত দিবসে আমার অপরাধ মার্জনা করিয়া দিবেন।

জহুরুল হক

''আর যিনি, আমি আশা করি, বিচারের দিনে আমার ভুলভ্রান্তিগুলো আমার জন্য ক্ষমা করে দেবেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক ! আমাকে জ্ঞান দান কর এবং সৎকর্মপরায়ণদের শামিল কর।

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! আমাকে জ্ঞান দান করো, আর আমাকে সৎকর্মীদের সঙ্গে যুক্ত করো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে যশস্বী কর,

জহুরুল হক

''আর আমার জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সদালাপন সৃষ্টি করো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাকে সুখময় জান্নাতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর,

জহুরুল হক

''আর আমাকে আনন্দময় উদ্যানের ওয়ারিশানের অন্তর্ভুক্ত করো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর আমার পিতাকে ক্ষমা কর, তিনি তো পথভ্রষ্টদের শামিল ছিলেন।

জহুরুল হক

''আর আমার পিতৃপুরুষকে পরিত্রাণ করো, কেননা সে তো পথভ্রান্তদের মধ্যেকার হয়ে গেছে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাকে লাঞ্ছিত করিও না পুনরুত্থান দিবসে

জহুরুল হক

''আর আমাকে লাঞ্ছিত করো না তখন যেইদিন তাদের পুরুত্থিত করা হবে, - -

মুহিউদ্দীন খান

যে দিবসে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যেদিন ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি কোন কাজে আসিবে না ;

জহুরুল হক

''যেদিন ধনসম্পদে কোনো কাজ দেবে না, সন্তানাদিতেও নয়,

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সেদিন উপকৃত হইবে কেবল সে, যে ‌র নিকট আসিবে বিশুদ্ধ অন্তঃকরণ লইয়া।’

জহুরুল হক

''শুধু সে ব্যতীত যে নির্মল - নিস্পাপ অন্তর নিয়ে ‌র কাছে আসবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদের নিকটবর্তী করা হইবে জান্নাত,

জহুরুল হক

আর স্বর্গোদ্যানকে ধর্মভীরুদের জন্য সন্নিকটে আনা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পথভ্রষ্টদের জন্য উন্মোচিত করা হইবে জাহান্নাম ;

জহুরুল হক

আর দুযখকে খোলে দেওয়া হবে পথভ্রষ্টদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে বলা হইবে, ‘তাহারা কোথায়, তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত করিতে -

জহুরুল হক

আর তাদের বলা হবে - - ''কোথায় তারা যাদের তোমরা উপাসনা করতে - -

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌র পরিবর্তে? উহারা কি তোমাদের সাহায্য করিতে পারে অথবা উহারা কি আত্মরক্ষা করিতে সক্ষম?

জহুরুল হক

''‌কে বাদ দিয়ে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করছে, না তারা নিজেদেরই সাহায্য করতে পারছে?’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হইবে অধোমুখী করিয়া,

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের এর মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে - - তাদের এবং পথভ্রান্তদের,

মুহিউদ্দীন খান

এবং ইবলীস বাহিনীর সকলকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইব্‌লীসের বাহিনীর সকলকেও।

জহুরুল হক

আর ইবলীসের দলবল সকলকেও।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে বলবেঃ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সেখানে বিতর্কে লিপ্ত হইয়া বলিবে,

জহুরুল হক

তারা সেখানে তর্ক - বিতর্ক করতে করতে বলবে - -

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর কসম, আমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র শপথ ! আমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতেই ছিলাম,

জহুরুল হক

''‌র দিব্য, আমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতেই ছিলাম, - -

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমরা তোমাদেরকে বিশ্ব - পালনকর্তার সমতুল্য গন্য করতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যখন আমরা তোমাদেরকে জগতসমূহের প্রতিপালকের সমকক্ষ গণ্য করিতাম।

জহুরুল হক

''যখন আমরা বিশ্বজগতের প্রভুর সঙ্গে তোমাদের এক - সমান গণ্য করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদেরকে দুষ্টকর্মীরাই গোমরাহ করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদেরকে দুষ্কৃতিকারীরাই বিভ্রান্ত করিয়াছিল।

জহুরুল হক

''আর অপরাধীরা ছাড়া অন্য কেউ আমাদের বিপথে নেয় নি।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পরিণামে আমাদের কোন সুপারিশকারী নাই।

জহুরুল হক

''সেজন্যে আমাদের জন্য সুপারিশকারীদের কেউ নেই,

মুহিউদ্দীন খান

এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং কোন সহৃদয় বন্ধুও নাই।

জহুরুল হক

''আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধুও নেই।

মুহিউদ্দীন খান

হায়, যদি কোনরুপে আমরা পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেতাম, তবে আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হায়, যদি আমাদের একবার প্রত্যাবর্তনের সুযোগ ঘটিত, তাহা হইলে আমরা মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হইয়া যাইতাম!

জহুরুল হক

''হায়! আমাদের জন্য যদি আকেরবার উপায় থাকত তাহলে আমরা মুমিনদের মধ্যেকার হতাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়, এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে, কিন্তু উহাদের অধিকাংশ নহে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

নূহের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যারোপ করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহের সম্প্রদায় রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল।

জহুরুল হক

নূহের স্বজাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের কি ভয় নেই?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা নূহ্ উহাদেরকে বলিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

জহুরুল হক

দেখো! তাদের ভাই নূহ তাদের বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত বার্তাবাহক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

জহুরুল হক

''আমি নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রসূল,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তােমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা ‌কে ভয় - ভক্তি কর ও আমাকে মেনে চল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তাই দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না ; আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

জহুরুল হক

''আর আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না, আমার মজুরি তো বিশ্বজগতের প্রভুর কাছে ছাড়া অন্যত্র নয়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তােমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।’

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা ‌কে ভক্তি - শ্রদ্ধা কর ও আমার আজ্ঞাপালন কর।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, আমরা কি তোমাকে মেনে নেব যখন তোমার অনুসরণ করছে ইতরজনেরা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা কি তোমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করিব অথচ ইতরজনেরা তোমার অনুসরণ করিতেছে?’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা কি তোমার প্রতি ঈমান আনব যখন তোমাকে অনুসরণ করছে ইতরগোষ্ঠী?’’

মুহিউদ্দীন খান

নূহ বললেন, তারা কি কাজ করছে, তা আমার কি দরকার?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ বলিল, ‘উহারা কী করিত তাহা আমার নাই।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তারা কী করত সে সন্বন্ধে আর আমার জ্ঞান থাকবার নয়।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের হিসাব গ্রহণ তো আমার প্রতিপালকেরই কাজ; যদি তোমরা বুঝিতে!

জহুরুল হক

''তাদের হিসাবপত্র আমার প্রভুর কাছে ছাড়া অন্যত্র নয়, যদি তোমরা বুঝতে!

মুহিউদ্দীন খান

আমি মুমিনগণকে তাড়িয়ে দেয়ার লোক নই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘মু’মিনদেরকে তাড়াইয়া দেওয়া আমার কাজ নহে।

জহুরুল হক

''আর আমি তো মুমিনদের তাড়িয়ে দেবার পাত্র নই।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো কেবল একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।’

জহুরুল হক

''আমি একজন স্পষ্ট সতর্ককারী ভিন্ন নই।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, হে নূহ যদি তুমি বিরত না হও, তবে তুমি নিশ্চিতই প্রস্তরাঘাতে নিহত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হে নূহ্ ! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও তবে তুমি অবশ্যই প্রস্তরাঘাতে নিহতদের শামিল হইবে।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''হে নূহ! তুমি যদি না থামো তাহলে তোমাকে অবশ্যই প্রস্তরাঘাতে - নিহতদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

নূহ বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় তো আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমার সম্প্রদায়ই তো আমাকে অস্বীকার করিতেছে।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু! আমার স্বজাতি আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আমার ও তাদের মধ্যে কোন ফয়সালা করে দিন এবং আমাকে ও আমার সংগী মুমিনগণকে রক্ষা করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তুমি আমার ও উহাদের মধ্যে স্পষ্ট মীমাংসা করিয়া দাও এবং আমাকে ও আমার সঙ্গে যেসব আছে, তাহাদেরকে রক্ষা কর।’

জহুরুল হক

''অতএব আমার মধ্যে ও তাদের মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত এনে মীমাংসা করে দাও, আর আমাকে ও আমার সাথে মুমিনদের যারা রয়েছে তাদের উদ্ধার করে দাও।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গিগণকে বোঝাই করা নৌকায় রক্ষা করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে ও তাহার সঙ্গে যাহারা ছিল, তাহাদেরকে রক্ষা করিলাম বোঝাই নৌযানে।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা তাঁকে ও তাঁর সাথে যারা ছিল তাদের উদ্ধার করলাম বোঝাই করা জাহাজে।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর অবশিষ্ট সবাইকে নিমজ্জত করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তৎপর অবশিষ্ট সকলকে নিমজ্জিত করিলাম।

জহুরুল হক

তারপর আমরা ডুবিয়ে দিলাম পরবর্তী অবশিষ্টদের।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই রহিয়াছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

আদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আদ সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল।

জহুরুল হক

আর 'আদ জাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললেনঃ তোমাদের কি ভয় নেই?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা হূদ উহাদেরকে বলিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

জহুরুল হক

দেখো, তাদের ভাই হূদ তাদের বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত রসূল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

জহুরুল হক

''আমি নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রসূল,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর ও আমাকে মেনে চল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে এর জন্যে প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো পালনকর্তা দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট আছে।

জহুরুল হক

''আর আমি এ - জন্য তোমাদের কাছে কোনো মজুরি চাই না, আমার নজুরি তো ভূ - বিশ্বের প্রভুর কাছে ছাড়া অন্যত্র নয়।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা নিদর্শন নির্মান করছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি প্রতিটি উচ্চ স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করিতেছ নিরর্থক?

জহুরুল হক

''তোমরা কি প্রত্যেক পাহাড়ে অযথা স্তম্ভ নির্মাণ করছ,

মুহিউদ্দীন খান

এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা চিরকাল থাকবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা প্রাসাদ নির্মাণ করিতেছ এই মনে করিয়া যে, তোমরা চিরস্থায়ী হইবে।

জহুরুল হক

''আর দুর্গ তৈরি করছ যেন তোমরা চিরস্থায়ী হবে?’’

মুহিউদ্দীন খান

যখন তোমরা আঘাত হান, তখন জালেম ও নিষ্ঠুরের মত আঘাত হান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং যখন তোমরা আঘাত হান তখন আঘাত হানিয়া থাক কঠোরভাবে।

জহুরুল হক

''আর যখন তোমরা পাকড়াও কর তখন জবরদস্তভাবে পাকড়াও করে থাক।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''সুতরাং তোমরা ‌কে ভক্তিশ্রদ্ধা কর ও আমার আজ্ঞাপালন কর।

মুহিউদ্দীন খান

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সেসব বস্তু দিয়েছেন, যা তোমরা জান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ভয় কর তাঁহাকে যিনি তোমাদেরকে দান করিয়াছেন সেই সমুদয়, যাহা তোমরা জান।

জহুরুল হক

''আর ভয় - ভক্তি কর তাঁকে যিনি তোমাদের মদদ করেছেন যা তোমরা শিখেছ তা দিয়ে, - -

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও পুত্র - সন্তান,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদেরকে দান করিয়াছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান - সন্ততি।

জহুরুল হক

''আর তিনি তোমাদের সাহায্য করেছেন গবাদি - পশু ও সন্তান - সন্ততি দিয়ে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং উদ্যান ও ঝরণা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উদ্যান ও প্রস্রবণ;

জহুরুল হক

''আর বাগানসমূহ ও ফোয়ারাগুলো দিয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের জন্যে মহাদিবসের শাস্তি আশংকা করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য আশংকা করি মহাদিবসের শাস্তির।’

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ আমি আশংকা করছি তোমাদের উপরে এক মহাদিনের শাস্তির।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশ নাই দাও, উভয়ই আমাদের জন্যে সমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি উপদেশ দাও অথবা না - ই দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশদাতাদের মধ্যে তুমি নাই - বা হও আমাদের কাছে সবই সমান।

মুহিউদ্দীন খান

এসব কথাবার্তা পূর্ববর্তী লোকদের অভ্যাস বৈ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো পূর্ববর্তীদেরই স্বভাব।

জহুরুল হক

''এ তো সেকেলে আচরণ ছাড়া কিছুই নয়,

মুহিউদ্দীন খান

আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা শাস্তিপ্রাপ্তদের শামিল নই।’

জহুরুল হক

''আর আমরা শাস্তি পাবার নই।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলতে লাগল এবং আমি তাদেরকে নিপাত করে দিলাম। এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে প্রত্যাখ্যান করিল এবং আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিলাম। ইহাতে অবশ্যই আছে নিদর্শন ; কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

কাজেই তারা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করল, সুতরাং আমরা তাদের ধ্বংস করেছিলাম। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনার পালনকর্তা, তিনি তো প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

সামুদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সামূদ সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল।

জহুরুল হক

আর ছামূদ জাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের ভাই সালেহ, তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা সালিহ্ উহাদেরকে বলিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

জহুরুল হক

দেখো, তাদের ভাই সালিহ্ তাদের বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

জহুরুল হক

''আমি নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রসূল,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর,

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা ‌কে ভয় - ভক্তি কর ও আমাকে মেনে চল!

মুহিউদ্দীন খান

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তাই দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

জহুরুল হক

''আর আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো মজুরি চাই না, আমার মজুরি তো বিশ্বজগতের প্রভুর কাছে ছাড়া অন্যত্র নয়।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে কি এ জগতের ভোগ - বিলাসের মধ্যে নিরাপদে রেখে দেয়া হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদেরকে কি নিরাপদ অবস্থায় ছাড়িয়া রাখা হইবে, যাহা এইখানে আছে উহাতে -

জহুরুল হক

''এখানে যা আছে তাতে কি তোমাদের নিরাপদে রেখে দেওয়া হবে, - -

মুহিউদ্দীন খান

উদ্যানসমূহের মধ্যে এবং ঝরণাসমূহের মধ্যে ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উদ্যানে, প্রস্রবণে

জহুরুল হক

''বাগানসমূহে ও ফোয়ারাগুলোয়,

মুহিউদ্দীন খান

শস্যক্ষেত্রের মধ্যে এবং মঞ্জুরিত খেজুর বাগানের মধ্যে ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ও শস্যক্ষেত্রে এবং সুকোমল গুচ্ছবিশিষ্ট খর্জুর বাগানে?

জহুরুল হক

''আর শস্যক্ষেত্রে ও খেজুর - বাগানে যার ছড়িগুলো ভারী?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা পাহাড় কেটে জাঁক জমকের গৃহ নির্মাণ করছ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো নৈপুণ্যের সঙ্গে পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিতেছ।

জহুরুল হক

''তোমরা তো পাহাড় খুদে বাড়িঘর তৈরি কর নিপুণভাবে।

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''সুতরাং তোমরা ‌কে ভক্তি - শ্রদ্ধা কর ও আমার আজ্ঞাপালন কর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য কর না;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য করিও না ;

জহুরুল হক

''আর সীমালংঘনকারীদের নির্দেশ মেনে চল না, - -

মুহিউদ্দীন খান

যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, শান্তি স্থাপন করে না।’

জহুরুল হক

''যারা দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে আর শান্তিস্থাপন করে না।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্থুরেদ একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তুমি তো নিঃসন্দেহ জাদুগ্রস্তদেরই একজন।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তো আমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নও। সুতরাং যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে কোন নিদর্শন উপস্থিত কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো আমাদের মত একজন মানুষ, কাজেই তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে একটি নিদর্শন উপস্থিত কর।’

জহুরুল হক

''তুমি আমাদের মতো মানুষ ছাড়া আর কিছু নও, অতএব কোনো এক নিদর্শন নিয়ে এস যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।’’

মুহিউদ্দীন খান

সালেহ বললেন এই উষ্ট্রী, এর জন্যে আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্যে আছে পানি পানের পালা নির্দিষ্ট এক - এক দিনের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সালিহ্ বলিল, ‘এই একটি উষ্ট্রী, ইহার জন্য আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্য আছে নির্ধারিত দিনে পানি পানের পালা ;

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এই একটি উষ্টী, তার জন্য পানীয় থাকবে আর তোমাদের জন্যও পানীয় থাকবে নির্ধারিত সময়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা একে কোন কষ্ট দিও না। তাহলে তোমাদেরকে মহাদিবসের আযাব পাকড়াও করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং উহার কোন অনিষ্ট সাধন করিও না; করিলে মহাদিবসের শাস্তি তোমাদের উপর আপতিত হইবে।’

জহুরুল হক

''আর তোমরা অনিষ্ট দিয়ে ওকে স্পর্শ করো না, পাছে এক ভয়ংকর দিনের শাস্তি তোমাদের পাকড়াও করে।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাকে বধ করল ফলে, তারা অনুতপ্ত হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা উহাকে বধ করিল, পরিণামে উহারা অনুতপ্ত হইল।

জহুরুল হক

কিন্ত তারা এটিকে হত্যা করলে, পরিণামে সকাল - সকালই তারা পরিতাপকারী হল।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর শাস্তি উহাদেরকে গ্রাস করিল। ইহাতে অবশ্যই রহিয়াছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

সেজন্য শাস্তি তাদের পাকড়াও করল। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয় ।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

লূতের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূতের সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল,

জহুরুল হক

আর লূতের লোকদল রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা লূত উহাদেরকে বলিল, তোমারা কি সাবধান হইবে না?

জহুরুল হক

দেখো! তাদের ভাই লূত তাদের বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

জহুরুল হক

''আমি নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রসূল,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তােমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা ‌কে ভয়ভক্তি কর ও আমাকে মেনে চল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তা দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি ইহার জন্য তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাহি না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

জহুরুল হক

''আর আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো মজুরি চাই না, আমার মজুরি তো বিশ্বজগতের প্রভুর কাছে ছাড়া অন্যত্র নয়।

মুহিউদ্দীন খান

সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘বিশ্বজগতের মধ্যে তো তোমরাই পুরুষের সঙ্গে উপগত হও,

জহুরুল হক

''তোমরা কি মানুষজাতীর মধ্যে পুরুষদের কাছেই এসে থাক,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য যে স্ত্রীগণকে সৃষ্টি করিয়াছেন তাহাদেরকে তোমরা বর্জন করিয়া থাক। তোমরা তো সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।’

জহুরুল হক

''আর পরিত্যাগ করছ তোমাদের স্ত্রীদের যাদের তোমাদের প্রভু তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন? না, তোমরা তো সীমালংঘনকারী জাতি।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, হে লূত, তুমি যদি বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাকে বহিস্কৃত করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হে লূত ! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হইবে।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''হে লূত! তুমি যদি বিরত না হও তাহলে তুমি নিশ্চয়ই নির্বাসিতদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

লূত বললেন, আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত বলিল, ‘আমি তো তোমাদের এই কর্মকে ঘৃণা করি।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমি অবশ্যই তোমাদের আচরণকে ঘৃণাকারীদেরই একজন।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে, তা থেকে রক্ষা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক ! আমাকে এবং আমার পরিবার - পরিজনকে, উহারা যাহা করে, তাহা হইতে রক্ষা কর।

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! তারা যা করে তা থেকে আমাকে ও আমার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করো।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে রক্ষা করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে এবং তাহার পরিবার - পরিজন সকলকে রক্ষা করিলাম

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে একই সঙ্গে উদ্ধার করলাম, - -

মুহিউদ্দীন খান

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, সে ছিল ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

জহুরুল হক

এক বুড়ীকে ছাড়া, যে পেছনে - পড়ে - থাকাদের মধ্যে রয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর অন্যদেরকে নিপাত করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর অপর সকলকে ধ্বংস করিলাম।

জহুরুল হক

তারপর আমরা অন্যান্যদের বিধ্বংস করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের উপর এক বিশেষ বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। ভীতি - প্রদর্শিত দের জন্যে এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের উপর শাস্তিমূলক বৃষ্টি বর্ষণ করিয়াছিলাম, ভীতি প্রদর্শিতদের জন্য এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।

জহুরুল হক

আর তাদের উপরে আমরা বর্ষণ করেছিলাম এক বৃষ্টি, - - সুতরাং কত মন্দ এই বৃষ্টি সতককৃতদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

বনের অধিবাসীরা পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আয়কাবাসীরা রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল,

জহুরুল হক

আইকার অধিবাসীরা রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যখন শো’আয়ব তাদের কে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন শু‘আয়ব উহাদেরকে বলিয়াছিল, তোমরা কি সাবধান হইবে না?

জহুরুল হক

দেখো, শোআইব তাদের বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

জহুরুল হক

''আমি নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রসূল,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তােমরা ‌কে ভয় কর ও আমার আনুগত্য কর।

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা ‌কে ভয়ভক্তি কর ও আমাকে মেনে চল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তাই দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না। আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

জহুরুল হক

''আর আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না, আমার পারিশ্রমিক তো বিশ্বজগতের প্রভুর কাছে ছাড়া অন্যত্র নয়।

মুহিউদ্দীন খান

মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা মাপে পূর্ণ মাত্রায় দিবে ; যাহারা মাপে ঘাটতি করে তোমরা তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

জহুরুল হক

''মাপে পুরোমাত্রায় দেবে, আর তোমরা মাপে - কম - করা লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

মুহিউদ্দীন খান

সোজা দাঁড়ি - পাল্লায় ওজন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং ওজন করিবে সঠিক দাঁড়িপাল্লায়।

জহুরুল হক

''সঠিক পাল্লায় ওজন করো।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে ফিরো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘লোকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিবে না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাইবে না।

জহুরুল হক

''আর লোকজনের ক্ষতিসাধন করো না তাদের বিষয়বস্তু সন্বন্ধে, আর দুনিয়াতে বিপর্যয় ঘটিয়ো না অনিষ্টাচরণ ক’রে।

মুহিউদ্দীন খান

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তী লোক - সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং ভয় কর তাঁহাকে যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে তাহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন।’

জহুরুল হক

''আর ভয় - ভক্তি করো তাঁকে যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং পূর্ববর্তী লোকদেরও।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত ;

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তুমি তো আলবৎ জাদুগ্রস্তদের মধ্যেকার,’’

মুহিউদ্দীন খান

তুমি আমাদের মত মানুষ বৈ তো নও। আমাদের ধারণা - তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি আমাদের মতই একজন মানুষ। আমরা মনে করি, তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্যতম।

জহুরুল হক

''আর তুমি আমাদের ন্যায় একজন মানুষ ছাড়া আর কিছুই নও, আর আমরা তোমাকে মিথ্যাবাদীদের একজন বলেই তো গণনা করি।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যদি সত্যবাদী হও, তবে আকাশের কোন টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে আকাশের এক খণ্ড আমাদের উপর ফেলিয়া দাও।’

জহুরুল হক

''অতএব আকাশের একটি টুকরো আমাদের উপরে ফেলে দাও, যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।’’

মুহিউদ্দীন খান

শো’আয়ব বললেন, তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার পালনকর্তা ভালরূপে অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আমার প্রতিপালক ভাল জানেন তোমরা যাহা কর।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু ভাল জানেন কী তোমরা কর।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে দিল। ফলে তাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। নিশ্চয় সেটা ছিল এক মহাদিবসের আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে প্রত্যাখ্যান করিল, পরে উহাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের শাস্তি গ্রাস করিল। ইহা তো ছিল এক ভীষণ দিবসের শাস্তি !

জহুরুল হক

কিন্ত তারা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করল, সেজন্যে এক অন্ধকার দিনের শাস্তি তাদের পাকড়াও করল। নিঃসন্দেহ এটি ছিল এক ভীষণ দিনে শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই রহিয়াছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে, কিন্ত তাদের অধিকাংশই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

এই কোরআন তো বিশ্ব - জাহানের পালনকর্তার নিকট থেকে অবতীর্ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই আল - কুরআন জগতসমূহের প্রতিপালক হইতে অবতীর্ণ।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি নিশ্চয়ই বিশ্বজগতের প্রভুর তরফ থেকে এক অবতারণ।

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জিব্‌রাঈল ইহা লইয়া অবতরণ করিয়াছে

জহুরুল হক

রুহুল আমীন এটি নিয়ে অবতরণ করেছেন - -

মুহিউদ্দীন খান

আপনার অন্তরে, যাতে আপনি ভীতি প্রদর্শণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার হৃদয়ে, যাহাতে তুমি সতর্ককারী হইতে পার।

জহুরুল হক

তোমার হৃদয়ের উপরে, যেন তুমি সতর্ককারীদের অন্যতম হতে পার, - -

মুহিউদ্দীন খান

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবতীর্ণ করা হইয়াছে সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

জহুরুল হক

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এর উল্লেখ আছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে অবশ্যই ইহার উল্লেখ আছে।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি পূর্ববর্তীদের ধর্মগ্রন্থে রয়েছে ।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে এটা কি নিদর্শন নয় যে, বনী - ইসরাঈলের আলেমগণ এটা অবগত আছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বনী ইস্‌রাঈলের পণ্ডিতগণ ইহা অবগত আছে - ইহা কি উহাদের জন্য নিদর্শন নহে?

জহুরুল হক

একি তাদের জন্য একটি নিদর্শন নয় যে ইসরাইলের বংশধরদের পন্ডিতগণ এটি জানে?

মুহিউদ্দীন খান

যদি আমি একে কোন ভিন্নভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যদি ইহা কোন আ‘জামীর প্রতি অবতীর্ণ করিতাম

জহুরুল হক

আর আমরা যদি এটি অবতারণ করতাম কোনো ভিন্ন দেশীয়ের কাছে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি তা তাদের কাছে পাঠ করতেন, তবে তারা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহা সে উহাদের নিকট পাঠ করিত, তবে উহারা উহাতে ঈমান আনিত না ;

জহুরুল হক

আর সে এটি তাদের কাছে পাঠ করত, তাহলে তারা তাতে বিশ্বাসভাজন হতো না।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আমি গোনাহগারদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি অপরাধীদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করিয়াছি।

জহুরুল হক

এইভাবেই আমরা এটিকে প্রবেশ করিয়েছি অপরাধীদের অন্তরে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে না, যে পর্যন্ত প্রত্যক্ষ না করে মর্মন্তুদ আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ইহাতে ঈমান আনিবে না যতক্ষণ না উহারা মর্মন্তুদ শাস্তি প্রত্যক্ষ করে;

জহুরুল হক

তারা এতে বিশ্বাস করবে না যে পর্যন্ত না তারা মর্মন্তুদ শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে পড়বে, তারা তা বুঝতে ও পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে তাহা উহাদের নিকট আসিয়া পড়িবে আকস্মিকভাবে ; উহারা কিছুই বুঝিতে পারিবে না।

জহুরুল হক

সুতরাং এ তাদের কাছে আসবে আকস্মিকভাবে, আর তারা টের পাবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তখন তারা বলবে, আমরা কি অবকাশ পাব না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহারা বলিবে, ‘আমাদেরকে কি অবকাশ দেওয়া হইবে?’

জহুরুল হক

তখন তারা বলবে - - ''আমরা কি অবকাশ প্রাপ্ত হব?’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি আমার শাস্তি দ্রুত কামনা করে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?

জহুরুল হক

কী, তারা কি এখনও আমাদের শাস্তি সন্বন্ধে তাড়াতাড়ি করতে চায়?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি ভেবে দেখুন তো, যদি আমি তাদেরকে বছরের পর বছর ভোগ - বিলাস করতে দেই,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি ভাবিয়া দেখ যদি আমি তাহাদেরকে দীর্ঘকাল ভোগ - বিলাস করিতে দেই,

জহুরুল হক

তুমি কি তবে লক্ষ্য করেছ - - যদি আমরা তাদের বহু বছর ভোগ - বিলাস করতে দিই।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হত, তা তাদের কাছে এসে পড়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পরে উহাদেরকে যে বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল তাহা উহাদের নিকট আসিয়া পড়ে,

জহুরুল হক

তারপর তাদের কাছে এসে পড়ে যা তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল - -

মুহিউদ্দীন খান

তখন তাদের ভোগ বিলাস তা তাদের কি কোন উপকারে আসবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহাদের ভোগ - বিলাসের উপকরণ উহাদের কোন কাজে আসিবে কি?

জহুরুল হক

তবু যা তাদের উপভোগ করতে দেওয়া হয়েছিল তা তাদের কোনো কাজে আসবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি এমন কোন জনপদ ধ্বংস করি নাই যাহার জন্য সতর্ককারী ছিল না ;

জহুরুল হক

আর আমরা কোনো জনপদ ধ্বংস করি নি যার সতর্ককারী ছিল না।

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা উপদেশস্বরূপ, আর আমি অন্যায়াচারী নই,

জহুরুল হক

স্মারকগ্রন্থ, আর আমরা কখনও অন্যায়কারী নই।

মুহিউদ্দীন খান

এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শয়তানেরা উহাসহ অবতীর্ণ হয় নাই।

জহুরুল হক

আর শয়তানরা এ নিয়ে অবতরণ করে নি,

মুহিউদ্দীন খান

তারা এ কাজের উপযুক্ত নয় এবং তারা এর সামর্থ্য রাখে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা এই কাজের যোগ্য নয় এবং উহারা ইহার সামর্থ্যও রাখে না।

জহুরুল হক

আর তাদের পক্ষে এ সমীচীন নয়, আর তারা সামর্থ্যও রাখে না।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে তো শ্রবণের সুযোগ হইতে দূরে রাখা হইয়াছে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ শুনবার ক্ষেত্রে তারা তো অপারগ।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। করলে শাস্তিতে পতিত হবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি অন্য কোন ইলাহ্‌কে ‌র সঙ্গে ডাকিও না, ডাকিলে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি ‌র সাথে অন্য উপাস্যকে ডেকো না, পাছে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যেকার হয়ে যাও।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট - আত্মীয়বর্গকে সতর্ক করিয়া দাও।

জহুরুল হক

আর তোমার নিকটতম আ‌ত্মীয়দের সাবধান করে দাও,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনার অনুসারী মুমিনদের প্রতি সদয় হোন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা তোমার অনুসরণ করে সেই সমস্ত মু’মিনদের প্রতি বিনয়ী হও।

জহুরুল হক

আর তোমার ডানা আনত করো মুমিনদের যারা তোমাকে অনুসরণ করে তাদের প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা আপনার অবাধ্য করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, তা থেকে আমি মুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যদি তোমার অবাধ্যতা করে, তুমি বলিও, ‘তোমরা যাহা কর তাহা হইতে আমি দায়মুক্ত।’

জহুরুল হক

কিন্ত তারা যদি তোমার অবাধ্যতা করে তবে বলো - - ''আমি আলবৎ দায়মুক্ত তোমরা যা কর সে সন্বন্ধে।’’

মুহিউদ্দীন খান

আপনি ভরসা করুন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালুর উপর,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি নির্ভর কর পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু ‌র উপর,

জহুরুল হক

আর তুমি নির্ভর কর মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতার উপরে, - -

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি নামাযে দন্ডায়মান হন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি দণ্ডায়মান হও,

জহুরুল হক

যিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি দাঁড়াও,

মুহিউদ্দীন খান

এবং নামাযীদের সাথে উঠাবসা করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং দেখেন সিজ্‌দাকারীদের সঙ্গে তোমার উঠাবসা।

জহুরুল হক

এবং সিজদাকারীদের সঙ্গে তোমার উঠা - বসা করতে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তিনি - - তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে বলব কি কার নিকট শয়তানরা অবতরণ করে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে কি আমি জানাইব কাহার নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়?

জহুরুল হক

আমি কি তোমাদের জানাব কাদের উপরে শয়তানরা অবতরণ করে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট।

জহুরুল হক

তারা অবতরণ করে প্রত্যেক মিথ্যাবাদী পাপাচারীর উপরে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা শ্রুত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কান পাতিয়া থাকে এবং উহাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

জহুরুল হক

তারা কান পাতে, আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং কবিদেরকে অনুসরণ করে বিভ্রান্তরাই।

জহুরুল হক

আর কবিগণ, - - তাদের অনুসরণ করে ভ্রান্তপথগামীরা।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না উহারা উদ্‌ভ্রান্ত হইয়া প্রত্যেক উপত্যকায় ঘুরিয়া বেড়ায়?

জহুরুল হক

তুমি কি দেখ না যে তারা নিঃসন্দেহ প্রত্যেক উপত্যকায় লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ায়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং এমন কথা বলে, যা তারা করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা তো বলে যাহা তাহারা করে না।

জহুরুল হক

আর তারা নিশ্চয়ই তাই বলে যা তারা করে না? - -

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং কে খুব স্মরণ করে এবং নিপীড়িত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নিপীড়নকারীরা শীঘ্রই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল কিরূপ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা ব্যতীত, যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং ‌কে অধিক স্মরণ করে ও অত্যাচারিত হইবার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। অত্যাচারীরা শীঘ্রই জানিবে কোন্ স্থলে উহারা প্রত্যাবর্তন করিবে।

জহুরুল হক

তবে তারা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, এবং ‌কে খুব ক’রে স্মরণ করে, আর অত্যাচারিত হবার পরে প্রতিরক্ষা করে। আর যারা অন্যায় করে তারা অচিরেই জানতে পারবে কোন বিপর্যয়ের মধ্যে তারা প্রত্যাবর্তন করছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme