আল কালাম , choose another chapter
আল কালাম
Chapter 68, 52 verses
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সমকালীন বাংলা
বয়ান ফাউন্ডেশন
Word by word
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ নূন - শপথ কলমের এবং উহারা যাহা লিপিবদ্ধ করে তাহার,
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; নূন। কলমের শপথ এবং তারা যা লিখে তারও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ নূন; কলমের কসম এবং তারা যা লিখে তার কসম!
Word by word
١ نٓ وَٱلْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২ আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
সমকালীন বাংলা
২ তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
Word by word
٢ مَآ أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ
মুহিউদ্দীন খান
৩ আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ তোমার জন্য অবশ্যই রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার,
সমকালীন বাংলা
৩ এবং নিশ্চয়ই তোমার জন্য রয়েছে এমন প্রতিদান, যা কখনো শেষ হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ আর নিশ্চয় তোমার জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
Word by word
٣ وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ
মুহিউদ্দীন খান
৪ আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
সমকালীন বাংলা
৪ তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ আর নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।
Word by word
٤ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
৫ সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ শীঘ্রই তুমি দেখিবে এবং উহারাও দেখিবে -
সমকালীন বাংলা
৫ অতএব অচিরেই তুমি দেখবে, এবং তারাও দেখবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ অতঃপর শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে এবং তারাও দেখতে পাবে-
Word by word
٥ فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬ কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।
সমকালীন বাংলা
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিভ্রান্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত?
Word by word
٦ بِأَييِّكُمُ ٱلْمَفْتُونُ
মুহিউদ্দীন খান
৭ আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ তোমার প্রতিপালক তো সম্যক অবগত আছেন কে তাঁহার পথ হইতে বিচ্যুত হইয়াছে এবং তিনি সম্যক জানেন তাহাদেরকে, যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।
সমকালীন বাংলা
৭ নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকই সর্বাধিক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, এবং তিনিই সর্বাধিক জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ নিশ্চয় তোমার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত।
Word by word
٧ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮ অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সুতরাং তুমি মিথ্যাচারীদের অনুসরণ করিও না।
সমকালীন বাংলা
৮ অতএব তুমি অস্বীকারকারীদের অনুসরণ করো না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ অতএব তুমি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করো না।
Word by word
٨ فَلَا تُطِعِ ٱلْمُكَذِّبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯ তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ উহারা চায় যে, তুমি নমনীয় হও, তাহা হইলে উহারাও নমনীয় হইবে,
সমকালীন বাংলা
৯ তারা চায়, যদি তুমি আপস করো, তবে তারাও আপস করবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ তারা কামনা করে, যদি তুমি আপোষকামী হও, তবে তারাও আপোষকারী হবে।
Word by word
٩ وَدُّوا۟ لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০ যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং অনুসরণ করিও না তাহার - যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,
সমকালীন বাংলা
১০ আর তুমি অনুসরণ করো না প্রত্যেক অত্যাধিক শপথকারীর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আর তুমি আনুগত্য করো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক কসমকারী, লাঞ্ছিত।
Word by word
١٠ وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
১১ যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ পশ্চাতে নিন্দাকারী, যে একের কথা অপরের নিকট লাগাইয়া বেড়ায়,
সমকালীন বাংলা
১১ নিন্দাকারী, কথা লাগিয়ে বেড়ানো ব্যক্তি,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ পিছনে নিন্দাকারী ও যে চোগলখুরী করে বেড়ায়,
Word by word
١١ هَمَّازٍ مَّشَّآءٍۭ بِنَمِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
১২ যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ যে কল্যাণের কার্যে বাধা দান করে, যে সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ,
সমকালীন বাংলা
১২ কল্যাণে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ ভাল কাজে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী অপরাধী,
Word by word
١٢ مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ রূঢ় স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত ;
সমকালীন বাংলা
১৩ কঠোরস্বভাব, তার উপর আবার বংশের দাবিদার।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ দুষ্ট প্রকৃতির, তারপর জারজ।
Word by word
١٣ عُتُلٍّۭ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এ কারণে যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ এইজন্য যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী।
সমকালীন বাংলা
১৪ কারণ সে সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ এ কারণে যে, সে ছিল ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততির অধিকারী।
Word by word
١٤ أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ উহার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হইলে সে বলে, ‘ইহা তো সেকালের উপকথা মাত্র।’
সমকালীন বাংলা
১৫ যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, সে বলে, "এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী।"
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, এগুলো পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনীমাত্র।
Word by word
١٥ إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ءَايَٰتُنَا قَالَ أَسَٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৬ আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ আমি উহার শুঁড় দাগাইয়া দিব।
সমকালীন বাংলা
১৬ অচিরেই আমরা তার নাকের উপর চিহ্ন এঁকে দেব।
Noteখুরতূম (الخرطوم): আক্ষরিক অর্থে এমন একটি শব্দ যা প্রাণীর শুঁড় বা থুতনিযুক্ত নাক/মুখের জন্যও ব্যবহৃত হয়। এখানে সম্ভবত অপমানসূচক হিসেবে ব্যবহার রয়েছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ অচিরেই আমি তার শুঁড়ের* উপর দাগ দিয়ে দেব। *অর্থাৎ নাকের উপর। বিদ্রূপাত্মক অর্থে ব্যবহৃত।
Word by word
١٦ سَنَسِمُهُۥ عَلَى ٱلْخُرْطُومِ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিয়াছি, যেভাবে পরীক্ষা করিয়াছিলাম উদ্যান - অধিপতিগণকে, যখন উহারা শপথ করিয়াছিল যে, উহারা প্রত্যূষে আহরণ করিবে বাগানের ফল,
সমকালীন বাংলা
১৭ নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের অধিকারীদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে তারা অবশ্যই ভোরবেলায় তার ফল সংগ্রহ করবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ নিশ্চয় আমি এদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের মালিকদেরকে। যখন তারা কসম করেছিল যে, অবশ্যই তারা সকাল বেলা বাগানের ফল আহরণ করবে।
Word by word
١٧ إِنَّا بَلَوْنَٰهُمْ كَمَا بَلَوْنَآ أَصْحَٰبَ ٱلْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا۟ لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ ইনশাআল্লাহ না বলে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ এবং তাহারা ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলে নাই।
সমকালীন বাংলা
১৮ এবং তারা কোনো ব্যতিক্রম রাখেনি।
Noteআল্লাহ এখানে আমাদের উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন বিবিধ কারণে বা আল্লাহ না চাইলে আমাদের প্রতিশ্রুত কাজটি আমাদের দ্বারা করা সম্ভব নাও হতে পারে; তাই কারো সাথে কোনো প্রতিজ্ঞা বা চুক্তি করার সময় "ইন শাহ আল্লাহ" বলা বা Force Majeure / Act of God Exception Clause / Option রাখা উত্তম। তবে মূল আরবীতে "ইন শাহ আল্লাহ" কথাটি উল্লেখ নেই।
এখান থেকে আমরা আরো একটি শিক্ষা পাই যে, খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করতে নেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ আর তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।
Word by word
١٨ وَلَا يَسْتَثْنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ অতঃপর তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে এক বিপর্যয় হানা দিল সেই উদ্যানে, যখন উহারা ছিল নিদ্রিত।
সমকালীন বাংলা
১৯ অতঃপর তারা যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তার উপর এক দুর্যোগ বয়ে গেল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ অতঃপর তোমার রবের পক্ষ থেকে এক প্রদক্ষিণকারী (আগুন) বাগানের ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করে গেল, আর তারা ছিল ঘুমন্ত।
Word by word
١٩ فَطَافَ عَلَيْهَا طَآئِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَآئِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২০ ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ ফলে উহা দগ্ধ হইয়া কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করিল।
সমকালীন বাংলা
২০ ফলে তা হয়ে গেল কাটা ক্ষেতের মতো।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ ফলে তা (পুড়ে) কালো বর্ণের হয়ে গেল।
Word by word
٢٠ فَأَصْبَحَتْ كَٱلصَّرِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
২১ সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ প্রত্যূষে উহারা একে অপরকে ডাকিয়া বলিল,
সমকালীন বাংলা
২১ অতঃপর তারা ভোরবেলায় একে অপরকে ডাকল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ তারপর সকাল বেলা তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
Word by word
٢١ فَتَنَادَوْا۟ مُصْبِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২২ তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ ‘তোমরা যদি ফল আহরণ করিতে চাও তবে সকাল সকাল বাগানে চল।’
সমকালীন বাংলা
২২ “যদি তোমরা ফল সংগ্রহ করতে চাও, তবে সকালেই তোমাদের ক্ষেতে চলে যাও।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ ‘তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল তোমাদের বাগানে যাও’।
Word by word
٢٢ أَنِ ٱغْدُوا۟ عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰرِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ অতঃপর উহারা চলিল নিম্নস্বরে কথা বলিতে বলিতে,
সমকালীন বাংলা
২৩ অতঃপর তারা রওনা হলো, নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কথা বলতে থাকলো,
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ তারপর তারা চলল, নিম্নস্বরে একথা বলতে বলতে-
Word by word
٢٣ فَٱنطَلَقُوا۟ وَهُمْ يَتَخَٰفَتُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ ‘অদ্য যেন তোমাদের নিকটে কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি উহাতে প্রবেশ করিতে না পারে।’
সমকালীন বাংলা
২৪ “আজ যেন কোনো দরিদ্র সেখানে তোমাদের কাছে প্রবেশ করতে না পারে।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ যে, ‘আজ সেখানে তোমাদের কাছে কোন অভাবী যেন প্রবেশ করতে না পারে’।
Word by word
٢٤ أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا ٱلْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ অতঃপর উহারা নিবৃত্ত করিতে সক্ষম - এই বিশ্বাস লইয়া প্রভাতকালে বাগানে যাত্রা করিল।
সমকালীন বাংলা
২৫ এবং তারা ভোরে রওনা হলো, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, নিজেদের সক্ষম মনে করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ আর তারা ভোর বেলা দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি নিয়ে সক্ষম অবস্থায় (বাগানে) গেল।
Word by word
٢٥ وَغَدَوْا۟ عَلَىٰ حَرْدٍ قَٰدِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ অতঃপর উহারা যখন বাগানের অবস্থা প্রত্যক্ষ করিল, তখন বলিল, ‘আমরা তো দিশা হারাইয়া ফেলিয়াছি।
সমকালীন বাংলা
২৬ অতঃপর যখন তারা তা দেখল, তারা বলল, “নিশ্চয়ই আমরা পথ ভুল করেছি।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ তারপর তারা যখন বাগানটি দেখল, তখন তারা বলল, ‘অবশ্যই আমরা পথভ্রষ্ট’।
Word by word
٢٦ فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوٓا۟ إِنَّا لَضَآلُّونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৭ বরং আমরা তো কপালপোড়া,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ ‘বরং আমরা তো বঞ্চিত।’
সমকালীন বাংলা
২৭ “বরং আমরাই বঞ্চিত হয়েছি।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ ‘বরং আমরা বঞ্চিত’।
Word by word
٢٧ بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ উহাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি বলিল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলি নাই ? এখনও তোমরা আল্লাহ্ র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছ না কেন ?’
সমকালীন বাংলা
২৮ তাদের মধ্যে মধ্যপন্থী ব্যক্তি বলল, “আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা পবিত্রতা ঘোষণা করো না?”
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা কেন (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠ করছ না’?
Word by word
٢٨ قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ তখন উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছি, আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’
সমকালীন বাংলা
২৯ তারা বলল, “আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। নিশ্চয়ই আমরাই ছিলাম অন্যায়কারী।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৯ তারা বলল, ‘আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমরা যালিম ছিলাম’।
Word by word
٢٩ قَالُوا۟ سُبْحَٰنَ رَبِّنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ অতঃপর উহারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিতে লাগিল।
সমকালীন বাংলা
৩০ অতঃপর তারা পরস্পরের দিকে ফিরে পরস্পরকে দোষারোপ করতে লাগল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩০ তারপর তারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।
Word by word
٣٠ فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَٰوَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ উহারা বলিল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম সীমালংঘনকারী।
সমকালীন বাংলা
৩১ তারা বললো, “হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩১ তারা বলল, ‘হায়, আমাদের ধ্বংস! নিশ্চয় আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম’।
Word by word
٣١ قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا طَٰغِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩২ সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ সম্ভবত আমাদের প্রতিপালক ইহা হইতে আমাদেরকে উৎকৃষ্টতর বিনিময় দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হইলাম।’
সমকালীন বাংলা
৩২ হয়তো আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন। নিশ্চয়ই আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছেই প্রত্যাশী।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩২ সম্ভবতঃ আমাদের রব আমাদেরকে এর চেয়েও উৎকৃষ্টতর বিনিময় দেবেন। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের প্রতি আগ্রহী।
Word by word
٣٢ عَسَىٰ رَبُّنَآ أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَآ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا رَٰغِبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ শাস্তি এইরূপই হইয়া থাকে এবং আখিরাতের শাস্তি কঠিনতর। যদি উহারা জানিত।
সমকালীন বাংলা
৩৩ এভাবেই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরও বড়, যদি তারা জানত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৩ এভাবেই হয় আযাব। আর পরকালের আযাব অবশ্যই আরো বড়, যদি তারা জানত।
Word by word
٣٣ كَذَٰلِكَ ٱلْعَذَابُ وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَكْبَرُ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রহিয়াছে ভোগ - বিলাসপূর্ণ জান্নাত তাহাদের প্রতিপালকের নিকট।
সমকালীন বাংলা
৩৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে বিলাসবহুল বেহেস্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৪ নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত।
Word by word
٣٤ إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ আমি কি আত্মসমর্পণ - কারীদেরকে অপরাধীদের সমতুল্য গণ্য করিব?
সমকালীন বাংলা
৩৫ তবে কি আমরা মুসলিমদেরকে অপরাধীদের মতো গণ্য করব?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৫ তবে কি আমি মুসলিমদেরকে (অনুগতদেরকে) অবাধ্যদের মতই গণ্য করব?
Word by word
٣٥ أَفَنَجْعَلُ ٱلْمُسْلِمِينَ كَٱلْمُجْرِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা এ কেমন সিদ্ধান্ত দিতেছ?
সমকালীন বাংলা
৩৬ তোমাদের কী হয়েছে? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নাও?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৬ তোমাদের কী হল, তোমরা কিভাবে ফয়সালা করছ?
Word by word
٣٦ مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ তোমাদের নিকট কী কোন কিতাব আছে যাহাতে তোমরা অধ্যয়ন কর -
সমকালীন বাংলা
৩৭ নাকি তোমাদের কাছে এমন কোনো কিতাব রয়েছে, যা তোমরা অধ্যয়ন কর?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৭ তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করছ?
Word by word
٣٧ أَمْ لَكُمْ كِتَٰبٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ যে, তোমাদের জন্য উহাতে রহিয়াছে যাহা তোমরা পসন্দ কর?
সমকালীন বাংলা
৩৮ যাতে তোমাদের জন্য যা ইচ্ছা, তাই রয়েছে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৮ যে, নিশ্চয় তোমাদের জন্য সেখানে রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?
Word by word
٣٨ إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ তোমাদের কি আমার সঙ্গে কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ এমন কোন অঙ্গীকার রহিয়াছে যে, তোমরা নিজেদের জন্য যাহা স্থির করিবে তাহাই পাইবে?
সমকালীন বাংলা
৩৯ নাকি আমাদের ওপর তোমাদের জন্য কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে—এমন কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে, যাতে তোমরা যা নির্ধারণ কর, সেটিই তোমাদের জন্য থাকবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৯ অথবা তোমাদের জন্য কি আমার উপর কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন অঙ্গীকার রয়েছে যে, অবশ্যই তোমাদের জন্য থাকবে তোমরা যা ফয়সালা করবে?
Word by word
٣٩ أَمْ لَكُمْ أَيْمَٰنٌ عَلَيْنَا بَٰلِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর উহাদের মধ্যে এই দাবির যিম্মাদার কে?
সমকালীন বাংলা
৪০ তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, তাদের মধ্যে কে এর দায়িত্ব নিতে পারে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪০ তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে এ ব্যাপারে যিম্মাদার?
Word by word
٤٠ سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ উহাদের কি কোন দেব - দেবী আছে? থাকিলে উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে উপস্থিত করুক - যদি উহারা সত্যবাদী হয়।
সমকালীন বাংলা
৪১ নাকি তাদের কোনো শরীক রয়েছে? যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে তারা তাদের শরীকদের উপস্থিত করুক।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪১ অথবা তাদের জন্য কি অনেক শরীক আছে? তাহলে তারা তাদের শরীকদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
Word by word
٤١ أَمْ لَهُمْ شُرَكَآءُ فَلْيَأْتُوا۟ بِشُرَكَآئِهِمْ إِن كَانُوا۟ صَٰدِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪২ গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ স্মরণ কর সেই দিনের কথা, যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হইবে, সেই দিন উহাদেরকে আহ্বান করা হইবে সিজ্দা করিবার জন্য কিন্তু উহারা সক্ষম হইবে না;
সমকালীন বাংলা
৪২ যেদিন পায়ের গোড়ালি উন্মোচিত হবে এবং তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪২ সে দিন পায়ের গোছা* উন্মোচন করা হবে। আর তাদেরকে সিজদা করার জন্য আহবান জানানো হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না। *এ কথার ব্যাপারে ইমাম বুখারী একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তা হল, আবু সাঈদ খুদরী রা. বলেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের রব তাঁর প
Word by word
٤٢ يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ উহাদের দৃষ্টি অবনত, হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে অথচ যখন উহারা নিরাপদ ছিল তখন তো উহাদেরকে আহ্বান করা হইয়াছিল সিজ্দা করিতে।
সমকালীন বাংলা
৪৩ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে সিজদার জন্য ডাকা হতো, যখন তারা সুস্থ-সক্ষম ছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৩ তাদের দৃষ্টিসমূহ অবনত অবস্থায় থাকবে, অপমান তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে তো নিরাপদ অবস্থায় সিজদা করার জন্য আহবান করা হত (তখন তো তারা সিজদা করেনি)।
Word by word
٤٣ خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا۟ يُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ وَهُمْ سَٰلِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ছাড়িয়া দাও আমাকে এবং যাহারা এই বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে, আমি উহাদেরকে ক্রমে ক্রমে ধরিব এমনভাবে যে, উহারা জানিতে পারিবে না।
সমকালীন বাংলা
৪৪ অতএব, আমাকে এবং এই বাণীকে যে অস্বীকার করে তাকে ছেড়ে দাও। অচিরেই আমরা তাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করব, যা তারা উপলব্ধিও করতে পারবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৪ অতএব ছেড়ে দাও আমাকে এবং যারা এ বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে। আমি তাদেরকে ধীরে ধীরে এমনভাবে পাকড়াও করব যে, তারা জানতে পারবে না।
Word by word
٤٤ فَذَرْنِى وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا ٱلْحَدِيثِ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ আর আমি উহাদেরকে সময় দিয়া থাকি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
সমকালীন বাংলা
৪৫ আর আমি তাদেরকে অবকাশ দিচ্ছি। নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত দৃঢ়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৫ আর আমি তাদেরকে অবকাশ দেব। অবশ্যই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
Word by word
٤٥ وَأُمْلِى لَهُمْ إِنَّ كَيْدِى مَتِينٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ তুমি কি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাহিতেছ যে, তাহা উহাদের কাছে দুর্বহ দণ্ড মনে হয়?
সমকালীন বাংলা
৪৬ নাকি তুমি তাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাও, ফলে তারা ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৬ তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাচ্ছ? ফলে তারা ঋণের কারণে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
Word by word
٤٦ أَمْ تَسْـَٔلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ উহাদের কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, উহারা তাহা লিখিয়া রাখে।
সমকালীন বাংলা
৪৭ নাকি তাদের কাছে অদৃশ্যের জ্ঞান রয়েছে, তাই তারা তা লিখে রাখে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৭ অথবা তাদের কাছে কি ‘গায়েব ’ (লওহে মাহফুয) আছে যে, তারা লিখে রাখছে।
Word by word
٤٧ أَمْ عِندَهُمُ ٱلْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়, তুমি মৎস্য - সহচরের ন্যায় অধৈর্য হইও না, সে বিষাদ - আচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর প্রার্থনা করিয়াছিল।
সমকালীন বাংলা
৪৮ অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না, যখন সে আহ্বান করেছিল, আর সে ছিল গভীর দুঃখে আচ্ছন্ন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৮ অতএব তুমি তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্যধারণ কর। আর তুমি মাছওয়ালার মত হয়ো না, যখন সে দুঃখে কাতর হয়ে ডেকেছিল।
Word by word
٤٨ فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ ٱلْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তাহার নিকট না পৌঁছিলে সে লাঞ্ছিত হইয়া নিক্ষিপ্ত হইত উন্মুক্ত প্রান্তরে।
সমকালীন বাংলা
৪৯ যদি না তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ তার কাছে পৌঁছাত, তবে অবশ্যই সে উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতো, নিন্দিত অবস্থায়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৯ যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে নিন্দিত অবস্থায় উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
Word by word
٤٩ لَّوْلَآ أَن تَدَٰرَكَهُۥ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ لَنُبِذَ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ
মুহিউদ্দীন খান
৫০ অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ পুনরায় তাহার প্রতিপালক তাহাকে মনোনীত করিলেন এবং তাহাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করিলেন।
সমকালীন বাংলা
৫০ অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫০ তারপর তার রব তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
Word by word
٥٠ فَٱجْتَبَٰهُ رَبُّهُۥ فَجَعَلَهُۥ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫১ কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ কাফিররা যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন উহারা যেন উহাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়াইয়া ফেলিবে এবং বলে, ‘এ তো এক পাগল!’
সমকালীন বাংলা
৫১ আর যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা যখন এই স্মারক শুনে, তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টির দ্বারা তোমাকে পিছলিয়ে দিতে উদ্যত হয়। আর তারা বলে, “সে তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫১ আর কাফিররা যখন উপদেশবাণী শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়ে ফেলবে, আর তারা বলে, ‘এ তো এক পাগল’।
Word by word
٥١ وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌ
মুহিউদ্দীন খান
৫২ অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ কুরআন তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।
সমকালীন বাংলা
৫২ অথচ এটি তো সমগ্র জগতের জন্য এক উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫২ আর এ কুরআন তো সৃষ্টিকুলের জন্য শুধুই উপদেশবাণী।
Word by word
٥٢ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَٰلَمِينَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report