Kitab

আল হাশর

Chapter 59, 24 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে। তিনি পরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে; তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর তিনিই মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।

জহুরুল হক

‌র মহিমা ঘোষণা করছে যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে ও যা - কিছু আছে পৃথিবীতে, আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই কিতাবধারীদের মধ্যে যারা , তাদেরকে প্রথমবার একত্রিত করে তাদের বাড়ী - ঘর থেকে বহিস্কার করেছেন। তোমরা ধারণাও করতে পারনি যে, তারা বের হবে এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদের দূর্গগুলো তাদেরকে আল্লাহর কবল থেকে রক্ষা করবে। অতঃপর আল্লাহর শাস্তি তাদের উপর এমনদিক থেকে আসল, যার কল্পনাও তারা করেনি। তাদের অন্তরে ত্রাস সঞ্চার করে দিলেন। তারা তাদের বাড়ী - ঘর নিজেদের হাতে এবং মুসলমানদের হাতে ধ্বংস করছিল। অতএব, হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ, তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই কিতাবীদের মধ্যে যাহারা তাহাদেরকে প্রথমবার সমবেতভাবে তাহাদের আবাসভূমি হইতে বিতাড়িত করিয়াছিলেন। তোমরা কল্পনাও কর নাই যে, উহারা নির্বাসিত হইবে এবং উহারা মনে করিয়াছিল উহাদের দুর্গগুলি উহাদেরকে রক্ষা করিবে ‌ হইতে ; কিন্তু ‌র শাস্তি এমন এক দিক হইতে আসিল যাহা ছিল উহাদের ধারণাতীত এবং উহাদের অন্তরে তাহা ত্রাসের সঞ্চার করিল। উহারা ধ্বংস করিয়া ফেলিল নিজেদের বাড়িঘর নিজেদের হাতে এবং মু’মিনদের হাতেও ; অতএব হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ! তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

সমকালীন বাংলা

তিনিই কিতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা অবিশ্বাস করেছে, তাদেরকে প্রথম সমাবেশে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। তোমরা ধারণাও করনি যে তারা বের হবে, আর তারাও মনে করেছিল যে তাদের দুর্গসমূহ তাদেরকে থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু এমন দিক থেকে তাদের কাছে এসেছেন, যা তারা ধারণাও করেনি, এবং তিনি তাদের অন্তরে ভীতি নিক্ষেপ করেছেন। তারা নিজেদের ঘর নিজেদের হাতে এবং মুমিনদের হাতে ধ্বংস করছিল। অতএব, হে দৃষ্টিসম্পন্নরা, শিক্ষা গ্রহণ করো।

Note

এটি অস্বীকারকারীদের বা কাফিরদের (বনু নজিরের ইহুদিদের) সময়ের 

জহুরুল হক

তিনিই সেইজন যিনি গ্রন্থধারীদের মধ্যের যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছিল তাদের বিতাড়িত করে দিয়েছিলেন তাদের বাড়িঘর থেকে প্রথমকার সমাবেশে। তোমরা ভাবো নি যে তারা বেরিয়ে যাবে, আর তারা ভেবেছিল যে তাদের দুর্গগুলি তাদের সংরক্ষণ করবে ‌র বিরুদ্ধে, কিন্ত তাদের কাছে এসে পৌঁছেছিলেন এমন এক দিক থেকে যা তারা ধারণা করে নি, আর তিনি তাদের অন্তরে ভয় সঞ্চার করেছিলেন, তারা তাদের বাড়িঘর বিনষ্ট করেছিল তাদের নিজেদের হাত দিয়ে, আর মুমিনদের হাত দিয়ে। অতএব তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো, হে চক্ষুষ্মান্ লোকেরা!

মুহিউদ্দীন খান

যদি তাদের জন্যে নির্বাসন অবধারিত না করতেন, তবে তাদেরকে দুনিয়াতে শাস্তি দিতেন। আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ উহাদের নির্বাসনের সিদ্ধান্ত না করিলে উহাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাস্তি দিতেন; পরকালে উহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি।

সমকালীন বাংলা

আর যদি তাদের জন্য নির্বাসন নির্ধারণ না করতেন, তবে তিনি অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতেই শাস্তি দিতেন। আর পরকালে তাদের জন্য রয়েছে আগুনের শাস্তি।

জহুরুল হক

আর যদি এ না হতো যে তাদের জন্যে নির্বাসনের সিদ্ধান্ত করেছেন তাহলে তিনি অবশ্যই তাদের এই দুনিয়াতেই শাস্তি দিতেন। আর তাদের জন্য আখেরাতে রয়েছে আগুনের শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এ কারণে যে, তারা ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। যে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করে, তার উচিত যে, কঠোর শাস্তিদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, উহারা ‌ ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল, এবং কেহ ‌র বিরুদ্ধাচরণ করিলে ‌ তো শাস্তিদানে কঠোর।

সমকালীন বাংলা

এটি এ কারণে যে তারা ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করেছে। আর যে আল্লাহর বিরোধিতা করে, তবে নিশ্চয়ই শাস্তি প্রদানে কঠোর।

জহুরুল হক

এ এইজন্য যে তারা ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছিল, আর যে কেউ ‌র বিরুদ্ধাচরণ করে, তবে নিশ্চয়ই প্রতিফল দানে কঠোর।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে কিছু কিছু খর্জুর বৃক্ষ কেটে দিয়েছ এবং কতক না কেটে ছেড়ে দিয়েছ, তা তো আল্লাহরই আদেশ এবং যাতে তিনি অবাধ্যদেরকে লাঞ্ছিত করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে খর্জুর বৃক্ষগুলি কর্তন করিয়াছ এবং যেগুলি কাণ্ডের উপর স্থির রাখিয়া দিয়াছ, তাহা তাে ‌রই অনুমতিক্রমে ; এবং এইজন্য যে, ‌ পাপাচারীদেরকে লাঞ্ছিত করিবেন।

সমকালীন বাংলা

তোমরা যে কোনো খেজুরগাছ কেটেছো অথবা যেগুলোকে তাদের শিকড়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো, তা আল্লাহর অনুমতিক্রমেই হয়েছে এবং যাতে তিনি অবাধ্যদের লাঞ্ছিত করেন।

Note

এখানে "যেগুলোকে তাদের শিকড়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো" বলতে যেগুলোকে না কেটে রেখে দিয়েছো বুঝানো হয়েছে।

জহুরুল হক

তোমরা যে - কতক খেজুর গাছ কেটে ফেলেছ অথবা যেগুলোকে তাদের শিকড়ের উপরে খাড়া রেখে দিয়েছ, তা তো ‌রই অনুমতিক্রমে, আর যেন তিনি সত্যত্যাগীদের লাঞ্ছিত করতে পারেন।

মুহিউদ্দীন খান

বনু - বনুযায়রের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যে ধন - সম্পদ দিয়েছেন, তজ্জন্যে তোমরা ঘোড়ায় কিংবা উটে চড়ে যুদ্ধ করনি, কিন্তু যার উপর ইচ্ছা, তাঁর রসূলগণকে প্রাধান্য দান করেন। সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ ইয়াহূদীদের নিকট হইতে তাঁহার রাসূলকে যে ফায় দিয়াছেন, তাহার জন্য তোমরা অশ্বে কিংবা উষ্ট্রে আরোহণ করিয়া যুদ্ধ কর নাই ; ‌ তো যাহার উপর ইচ্ছা তাঁহার রসূলদেরকে কর্তৃত্ব দান করেন ; ‌ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

আর তাঁর রাসূলকে তাদের কাছ থেকে যা ফিরিয়ে দিয়েছেন, তার জন্য তোমরা কোনো ঘোড়া বা উট দৌড়াওনি। কিন্তু তাঁর রাসূলদেরকে যাদের উপর ইচ্ছা কর্তৃত্ব দান করেন। আর সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।

জহুরুল হক

আর যা - কিছু তাদের থেকে তাঁর রসূলকে ফাও দিয়েছেন, যার জন্য তোমরা ধাওয়া করাও নি কোনো ঘোড়া, আর না কোনো উট, কিন্ত তাঁর রসূলগণকে দখল দিয়ে থাকেন যার উপরে তিনি ইচ্ছা করে থাকেন। আর সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রসূলের, তাঁর আত্নীয় - স্বজনের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্যে, যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় কঠোর শাস্তিদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ জনপদবাসীদের নিকট হইতে তাঁহার রাসূলকে যে ফায় দিয়াছেন তাহা ‌র, তাঁহার রাসূলের, রাসূলের স্বজনগণের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্ত ও পথচারীদের, যাহাতে তোমাদের মধ্যে যাহারা বিত্তবান কেবল তাহাদের মধ্যেই ঐশ্বর্য আবর্তন না করে। রাসূল তোমাদেরকে যাহা দেয় তাহা তোমরা গ্রহণ কর এবং যাহা হইতে তোমাদেরকে নিষেধ করে তাহা হইতে বিরত থাক এবং তোমরা ‌কে ভয় কর ; ‌ তো শাস্তিদানে কঠোর।

সমকালীন বাংলা

জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রাসূলকে যা ফিরিয়ে দিয়েছেন, তা , রাসূল, নিকটাত্মীয়, এতিম, দরিদ্র এবং পথিকের জন্য, যাতে তা তোমাদের ধনীদের মধ্যেই শুধু আবর্তিত না হয়। আর রাসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তিনি তোমাদেরকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো। আর আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই শাস্তি প্রদানে কঠোর।

জহুরুল হক

তাঁর রসূলকে জনপদবাসীর নিকট থেকে যা - কিছু ফাও দিয়েছেন তা কিন্ত ‌র জন্য, আর রসূলের জন্য, আর নিকট - আ‌ত্মীয়দের জন্য, আর এতীমদের ও নিঃস্বদের ও পথচারীদের জন্য, যাতে তা তোমাদের মধ্যেকার ধনীদের মধ্যেই ঘোরাঘুরির বস্তু না হয়। আর রসূল যা - কিছু তোমাদের দেন তা তবে গ্রহণ করো, আর যা - কিছু তিনি নিষেধ করেন তোমরা বিরত থাকো। আর ‌কে ভয়ভক্তি করো, নিঃসন্দেহ প্রতিফল দানে কঠোর।

মুহিউদ্দীন খান

এই ধন - সম্পদ দেশত্যাগী নিঃস্বদের জন্যে, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টিলাভের অন্বেষণে এবং তাঁর রসূলের সাহায্যার্থে নিজেদের বাস্তুভিটা ও ধন - সম্পদ থেকে বহিস্কৃত হয়েছে। তারাই সত্যবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সম্পদ অভাবগ্রস্ত মুহাজিরগণের জন্য যাহারা নিজেদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি হইতে উৎখাত হইয়াছে। তাহারা ‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং ‌ ও তাঁহার রাসূলের সাহায্য করে। উহারাই তো সত্যাশ্রয়ী।

সমকালীন বাংলা

এটি সেই দরিদ্র প্রবাসীদের জন্য, যারা তাদের ঘরবাড়ি ও সম্পদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং ও তাঁর রাসূলকে সাহায্য করে। তারাই সত্যবাদী।

জহুরুল হক

সেইসব দরিদ্র মুহাজিরদের জন্য যাদের বের করে দেওয়া হয়েছিল তাদের বাড়িঘর ও তাদের বিষয় - সম্পত্তি থেকে, যারা কামনা করছিল ‌র কাছ থেকে অনুগ্রহ - প্রাচুর্য ও সন্তষ্টি, এবং সাহায্য করছিল ‌কে ও তাঁর রসূলকে। এরাই খোদ সত্যপরায়ণ।

মুহিউদ্দীন খান

যারা মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে মদীনায় বসবাস করেছিল এবং বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, তারা মুহাজিরদের ভালবাসে, মুহাজিরদেরকে যা দেয়া হয়েছে, তজ্জন্যে তারা অন্তরে ঈর্ষাপোষণ করে না এবং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদেরকে অগ্রাধিকার দান করে। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের জন্যও, মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে যাহারা এই নগরীতে বসবাস করিয়াছে ও ঈমান আনিয়াছে, তাহারা মুহাজিরদেরকে ভালবাসে এবং মুহাজিরদেরকে যাহা দেওয়া হইয়াছে তাহার জন্য তাহারা অন্তরে আকাঙ্খা পোষণ করে না, আর তাহারা তাহাদেরকে নিজেদের উপর অগ্রাধিকার দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্ত হইলেও। যাহাদেরকে অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত রাখা হইয়াছে, তাহারাই ।

সমকালীন বাংলা

আর যারা তাদের আগে এই স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং বিশ্বাস এনেছিল, তারা তাদের কাছে যারা দেশত্যাগ করে এসেছে, তাদেরকে ভালোবাসে। আর তাদেরকে যা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য তারা নিজেদের অন্তরে কোনো প্রয়োজন অনুভব করে না। আর তারা নিজেদের উপর তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়, যদিও তারা নিজেরাই অভাবগ্রস্ত থাকে। আর যে নিজের মনের কৃপণতা থেকে রক্ষা পায়, তারাই সফল।

জহুরুল হক

আর যারা তাদের পূর্বেই বাড়িঘর ও ধর্মবিশ্বাস সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিল তারা ভালবাসে তাদের যারা তাদের কাছে হিজরত করে এসেছে, আর তারা তাদের অন্তরে কোনো প্রয়োজন বোধ করে না তাদের যা দেওয়া হয়েছে তার জন্য, আর তারা তাদের নিজেদের চেয়েও অগ্রাধিকার দেয় যদিও বা তারা স্বয়ং অভাবগ্রস্ত রয়েছে। আর যে কেউ তার অন্তরের কৃপণতা থেকে মুক্ত রেখেছে তারাই তাহলে খোদ ।

মুহিউদ্দীন খান

আর এই সম্পদ তাদের জন্যে, যারা তাদের পরে আগমন করেছে। তারা বলেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে এবং ঈমানে আগ্রহী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না। হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি দয়ালু, পরম করুণাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা উহাদের পরে আসিয়াছে, তাহারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এবং ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং মু’মিনদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে বিদ্বেষ রাখিও না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তো দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।’

সমকালীন বাংলা

আর যারা তাদের পরে এসেছে, তারা বলে, “হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে এবং আমাদের সেই ভাইদেরকে ক্ষমা করুন, যারা ঈমানে আমাদের আগে অগ্রগামী হয়েছে। আর যারা ঈমান এনেছে, তাদের প্রতি আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না। হে আমাদের পালনকর্তা, নিশ্চয়ই আপনি অতি স্নেহশীল, পরম দয়ালু।”

জহুরুল হক

আর যারা তাদের পরে এসেছিল তারা বলে - - ''আমাদের প্রভু! আমাদের পরিত্রাণ করো আর আমাদের ভাই - বন্ধুদের যারা ধর্মবিশ্বাসে আমাদের অগ্রবর্তী রয়েছেন, আর আমাদের অন্তরে কোনো হিংসা - বিদ্বেষ রেখো না তাদের প্রতি যারা ঈমান এনেছেন; আমাদের প্রভু! তুমিই নিশ্চয় পরম স্নেহময়, অফুরন্ত ফলদাতা।’’

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি মুনাফিকদেরকে দেখেন নি? তারা তাদের কিতাবধারী ভাইদেরকে বলেঃ তোমরা যদি বহিস্কৃত হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের সাথে দেশ থেকে বের হয়ে যাব এবং তোমাদের ব্যাপারে আমরা কখনও কারও কথা মানব না। আর যদি তোমরা আক্রান্ত হও, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে সাহায্য করব। তা’আলা সাক্ষ্য দেন যে, ওরা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি মুনাফিকদেরকে দেখ নাই ? উহারা কিতাবীদের মধ্যে যাহারা করিয়াছে উহাদের সেই সব সঙ্গীকে বলে, ‘তোমরা যদি বহিষ্কৃত হও, আমরা অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে দেশত্যাগী হইব এবং আমরা তোমাদের ব্যাপারে কখনও কাহারও কথা মানিব না এবং যদি তোমরা আক্রান্ত হও আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে সাহায্য করিব।’ কিন্তু ‌ সাক্ষ্য দিতেছেন যে, উহারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।

সমকালীন বাংলা

তুমি কি তাদের দেখনি, যারা কপটতা করেছে? তারা কিতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা অবিশ্বাস করেছে, তাদের ভাইদের বলে, “তোমরা যদি বের করে দেওয়া হও, তবে অবশ্যই আমরা তোমাদের সঙ্গে বের হয়ে যাবো এবং তোমাদের ব্যাপারে কখনো কারও কথা মানবো না। আর যদি তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হয়, তবে অবশ্যই আমরা তোমাদের সাহায্য করবো।” আর সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।

Note

কপটতা means "Hypocrisy"

জহুরুল হক

তুমি কি তাদের দেখ নি যারা কপটাচরণ করছে, - - তারা গ্রন্থধারীদের মধ্যের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের তেমন ভাই - বন্ধুদের বলে - - ''তোমাদের যদি বের করে দেওয়া হয় তাহলে আমরাও নিশ্চয়ই তোমাদের সঙ্গে বেরিয়ে যাব, আর তোমাদের ব্যাপারে আমরা কারোর তাবেদারি কখনো করব না, আর তোমাদের সঙ্গে যদি যুদ্ধ করা হয় তাহলে আমরা নিশ্চয়ই তোমাদের সাহায্য করব’’? আর সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে তারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা বহিস্কৃত হয়, তবে মুনাফিকরা তাদের সাথে দেশত্যাগ করবে না আর যদি তারা আক্রান্ত হয়, তবে তারা তাদেরকে সাহায্য করবে না। যদি তাদেরকে সাহায্য করে, তবে অবশ্যই পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পলায়ন করবে। এরপর কাফেররা কোন সাহায্য পাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত উহারা বহিষ্কৃত হইলে মুনাফিকগণ তাহাদের সঙ্গে দেশত্যাগ করিবে না এবং উহারা আক্রান্ত হইলে ইহারা উহাদেরকে সাহায্য করিবে না এবং ইহারা সাহায্য করিতে আসিলেও অবশ্যই পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে ; অতঃপর তাহারা কোন সাহায্যই পাইবে না।

সমকালীন বাংলা

যদি তাদের বের করে দেওয়া হয়, তারা তাদের সঙ্গে বের হবে না। আর যদি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হয়, তারা তাদের সাহায্য করবে না। আর যদি তারা তাদের সাহায্য করেও, তবে তারা অবশ্যই পেছন ফিরে পালাবে। তারপর তাদেরকে সাহায্য করা হবে না।

জহুরুল হক

যদি তাদের বহিস্কার করা হয়, তারা তাদের সঙ্গে বেরুবে না, আর যদি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা হয় তাহলে তারা তাদের সাহায্য করবে না, আর যদিও তারা তাদের সাহায্য করতে আসে তাহলেও তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে, শেষপর্যন্ত তাদের সাহায্য করা হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমরা তাদের অন্তরে তা’আলা অপেক্ষা অধিকতর ভয়াবহ। এটা এ কারণে যে, তারা এক নির্বোধ সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রকৃতপক্ষে ইহাদের অন্তরে ‌ অপেক্ষা তোমাদের ভয়ই অধিকতর। ইহা এইজন্য যে, ইহারা এক অবুঝ সম্প্রদায়।

সমকালীন বাংলা

এদের মনে আল্লাহর চেয়ে তোমাদের ভয়ই বেশি, কারণ তারা এমন এক সম্প্রদায়, যারা বোঝে না।

জহুরুল হক

তোমরাই বরং তাদের অন্তরে ‌র চাইতেও অধিকতর ভয়াবহ। এ এইজন্য যে তারা হচ্ছে এমন এক লোকদল যারা বুদ্ধি - বিবেচনা রাখে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সংঘবদ্ধভাবেও তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারবে না। তারা যুদ্ধ করবে কেবল সুরক্ষিত জনপদে অথবা দুর্গ প্রাচীরের আড়াল থেকে। তাদের পারস্পরিক যুদ্ধই প্রচন্ড হয়ে থাকে। আপনি তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ মনে করবেন; কিন্তু তাদের অন্তর শতধাবিচ্ছিন্ন। এটা এ কারণে যে, তারা এক কান্ডজ্ঞানহীণ সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা সকলে সংঘবদ্ধভাবেও তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে সমর্থ হইবে না, কিন্তু কেবল সুরক্ষিত জনপদের অভ্যন্তরে অথবা দুর্গ - প্রাচীরের অন্তরালে থাকিয়া; পরস্পরের মধ্যে উহাদের যুদ্ধ প্রচণ্ড। তুমি মনে কর উহারা ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু উহাদের মনের মিল নাই; ইহা এইজন্য যে, ইহারা এক নির্বোধ সম্প্রদায়।

সমকালীন বাংলা

তারা সংঘবদ্ধ হয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না, তবে সুরক্ষিত নগর অথবা দুর্গ প্রাচীরের আড়ালে থেকে। তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ প্রবল। তুমি  মনে করো তারা ঐক্যবদ্ধ, অথচ ভিতরে তাদের মধ্যে মিল নাই। কারণ তারা এমন এক সম্প্রদায়, যারা বোঝে না।

জহুরুল হক

তারা সংঘবদ্ধ হয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না সুরক্ষিত জন - বসতির ভেতরে অথবা দেওয়াল দুর্গের আড়াল থেকে ব্যতীত। তাদের নিজেদের মধ্যে তাদের সংঘর্ষ অতি প্রচন্ড। তুমি তাদের ভাবতে পার ঐক্যবদ্ধ, কিন্ত তাদের অন্তর হচ্ছে বিচ্ছিন্ন। এ এইজন্য যে তারা হচ্ছে এমন এক জাতি যারা বুদ্ধিশুদ্ধি রাখে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেই লোকদের মত, যারা তাদের নিকট অতীতে নিজেদের কর্মের শাস্তিভোগ করেছে। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা সেই লোকদের মত, যাহারা ইহাদের অব্যবহিত পূর্বে নিজেদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করিয়াছে, ইহাদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

সমকালীন বাংলা

তাদের অবস্থা তাদের পূর্বসূরিদের মতো, যারা নিকট অতীতে তাদের কাজের পরিণতি আস্বাদন করেছিল; আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

জহুরুল হক

এরা তাদের মতো যারা এদের অব্যবহিত পূর্বে অবস্থান করছিল, - - তারা তাদের কৃতকর্মের কুফল আস্বাদন করেছিল, আর তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

তারা শয়তানের মত, যে মানুষকে হতে বলে। অতঃপর যখন সে হয়, তখন শয়তান বলেঃ তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি বিশ্বপালনকর্তা তা’আলাকে ভয় করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা শয়তানের মত, সে মানুষকে বলে, ‘ কর’; অতঃপর যখন সে করে তখন সে বলে, ‘তোমার সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নাই, আমি তো জগতসমূহের প্রতিপালক ‌কে ভয় করি।’

সমকালীন বাংলা

এরা শয়তানের মতো, যখন সে মানুষকে বলে, “অবিশ্বাস করো।” অতঃপর যখন সে অবিশ্বাস করে, তখন সে বলে, “নিশ্চয়ই আমি তোমার থেকে মুক্ত। নিশ্চয়ই আমি আল্লাহকে, সৃষ্টিজগতের পালনকর্তাকে ভয় করি।”

জহুরুল হক

শয়তানের সমতুল্য, দেখো! সে মানুষকে বলে - - ''অবিশ্বাস করো’’, তারপর যখন সে অবিশ্বাস করে তখন সে বলে - - ''আমি নিশ্চয়ই তোমার থেকে সম্পর্কচ্যুত, আমি অবশ্যই বিশ্বজগতের প্রভু ‌কে ভয় করি।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর উভয়ের পরিণতি হবে এই যে, তারা জাহান্নামে যাবে এবং চিরকাল তথায় বসবাস করবে। এটাই জালেমদের শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উভয়ের পরিণাম হইবে জাহান্নাম। সেখানে ইহারা স্থায়ী হইবে এবং ইহাই জালিমদের কর্মফল।

সমকালীন বাংলা

অতএব, তাদের উভয়ের পরিণতি হলো তারা আগুনে থাকবে, সেখানে চিরস্থায়ী হবে। আর এটিই জুলুমকারীদের প্রতিফল।

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের উভয়ের পরিণাম এই যে উভয়েই থাকবে আগুনে, তারা সেখানে দীর্ঘকাল অবস্থান করবে। আর এই হচ্ছে অন্যায়াচারীদের প্রতিফল।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা তা’আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। তা’আলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, তা’আলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! তোমরা ‌কে ভয় কর; প্রত্যেকেই ভাবিয়া দেখুক আগামী কল্যের জন্য সে কী অগ্রিম পাঠাইয়াছে। আর তোমরা ‌কে ভয় কর; তোমরা যাহা কর ‌ সে সম্পর্কে অবহিত।

সমকালীন বাংলা

হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যেনো দেখে যে সে আগামীকালের জন্য কী পাঠিয়েছে। আর আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, সে সম্পর্কে সব জানেন।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! ‌কে ভয় - ভক্তি করো, আর প্রত্যেকেই ভেবে দেখুক কী সে আগবাড়াচ্ছে আগামীকালের জন্য, আর ‌কে ভয়ভক্তি করো। নিঃসন্দেহ তোমরা যা করছ সে - সন্বন্ধে পূর্ণ - ওয়াকিফহাল।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তা’আলাকে ভুলে গেছে। ফলে তা’আলা তাদেরকে আত্ন বিস্মৃত করে দিয়েছেন। তারাই অবাধ্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তোমরা তাহাদের মত হইও না যাহারা ‌কে ভুলিয়া গিয়াছে ; ফলে ‌ উহাদেরকে আত্মবিস্মৃত করিয়াছেন। উহারাই তো পাপাচারী।

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা আল্লাহকে ভুলে গেছে; ফলে তিনি তাদের নিজেদেরকেই ভুলিয়ে দিয়েছেন। তারাই অবাধ্য।

জহুরুল হক

আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা ‌কে ভুলে যায়, ফলে তিনি তাদের ভুলিয়ে দিয়ে থাকেন তাদের নিজেদের সন্বন্ধে। তারাই স্বয়ং সত্যত্যাগী।

মুহিউদ্দীন খান

জাহান্নামের অধিবাসী এবং জান্নাতের অধিবাসী সমান হতে পারে না। যারা জান্নাতের অধিবাসী, তারাই ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নামের অধিবাসী এবং জান্নাতের অধিবাসী সমান নয়। জান্নাতবাসীরাই ।

সমকালীন বাংলা

আগুনের অধিবাসী এবং বেহেশতের অধিবাসী সমান নয়। বেহেশতের অধিবাসীরাই সফল।

Note

"আগুনের" অধিবাসী বলতে "জাহান্নামের" অধিবাসী এবং "বেহেস্তের" অধিবাসী বলতে "জান্নাতের" অধিবাসী বুঝানো হয়েছে।

জহুরুল হক

আগুনের বাসিন্দারা ও জান্নাতের বাসিন্দারা একসমান নয়। জান্নাতের অধিবাসীরাই স্বয়ং ।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিনীত হয়ে তা’আলার ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আমি এসব দৃষ্টান্ত মানুষের জন্যে বর্ণনা করি, যাতে তারা চিন্তা - ভাবনা করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি আমি এই কুরআন পর্বতের উপর অবতীর্ণ করিতাম তবে তুমি উহাকে ‌র ভয়ে বিনীত এবং বিদীর্ণ দেখিতে। আমি এই সমস্ত দৃষ্টান্ত বর্ণনা করি মানুষের জন্য, যাহাতে তাহারা চিন্তা করে।

সমকালীন বাংলা

যদি আমরা এই কুরআনকে কোনো পর্বতের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি অবশ্যই তাকে দেখতে যে, আল্লাহর ভয়ে তা অবনত ও বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আর এসব দৃষ্টান্ত আমরা মানুষের জন্য দিই, যাতে তারা চিন্তা করে।

জহুরুল হক

আমরা যদি এই কুরআনকে কোনো পাহাড়ের উপরে অবতীর্ণ করতাম তাহলে তুমি দেখতে পেতে ‌র ভয়ে তা নুইয়ে পড়েছে, ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। আর এই উপমা - - আমরা এটি লোকেদের জন্য বিবৃত করছি যেন তারা চিন্তা করে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা; তিনি দয়াময়, পরম দয়ালু।

সমকালীন বাংলা

তিনি , তিনি ছাড়া কোনো নেই। তিনি ও দৃশ্যমান সবকিছু জানেন। তিনি পরম করুণাময়, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

তিনিই সেই যিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, তিনি অদৃশ্যের ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। তিনি পরম করুণাময়, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্ম্যশীল। তারা যাকে অংশীদার করে তা’ আলা তা থেকে পবিত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনিই অধিপতি, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অতীব মহিমান্বিত। উহারা যাহাকে শরীক স্থির করে তাহা হইতে পবিত্র, মহান।

সমকালীন বাংলা

তিনি , তিনি ছাড়া কোনো নেই। তিনি রাজা, পবিত্র, শান্তির উৎস, নিরাপত্তাদাতা, রক্ষক, মহাপরাক্রমশালী, পরাক্রমশালী, মহিমান্বিত। তারা যাকে শরিক করে, তা থেকে পবিত্র।

জহুরুল হক

তিনিই সেই যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, - - রাজাধিরাজ, মহাপবিত্র, প্রশান্তিদাতা, নিরাপত্তা - বিধায়ক, সুরক্ষক, মহাশক্তিশালী, মহামহিম, পরম গেরবান্নিত। সকল মহিমা ‌র, তারা যা আরোপ করে তার বহু উর্ধ্বে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁহারই সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে, সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

তিনি , সৃষ্টিকর্তা, সৃষ্টির সূচনাকারী, আকৃতি-প্রদানকারী। তাঁরই জন্য রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ। আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবকিছুই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।

জহুরুল হক

তিনি ‌, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁরই হচ্ছে সর্বাঙ্গসুন্দর নামাবলী। মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা তাঁরই জপতপ করে, আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme