Kitab

আল নাবাহ

Chapter 78, 40 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান

তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?

জহুরুল হক

কি সন্বন্ধে তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; তারা কী সম্পর্কে একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করছে কী বিষয়ে?

মুহিউদ্দীন খান

মহা সংবাদ সম্পর্কে,

জহুরুল হক

সেই মহাসংবাদ সন্বন্ধে - -

সমকালীন বাংলা

মহাসংবাদ সম্পর্কে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই মহাসংবাদ সম্পর্কে নাকি?

মুহিউদ্দীন খান

যে সম্পর্কে তারা মতানৈক্য করে।

জহুরুল হক

যে বিষয়ে তারা মতানৈক্যের মধ্যে রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে বিষয়ে তারা লিপ্ত রয়েছে ইখতিলাফে?

মুহিউদ্দীন খান

না, সত্ত্বরই তারা জানতে পারবে,

জহুরুল হক

না, তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! তারা শীঘ্রই জানতে পারবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

কিছুতেই (এটা ইখতিলাফের বিষয়) নয়, অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর সত্যতা)।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর না, সত্বর তারা জানতে পারবে।

জহুরুল হক

পুনশ্চ, না, তারা অতিশীঘ্রই জানতে পারবে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর কখনোই নয়! তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

পুনরায় বলছি, কিছুতেই (এটা ইখতিলাফের বিষয়) নয়, অচিরেই তারা জানতে পারবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা

জহুরুল হক

আমরা কি পৃথিবীটাকে পাতানো - বিছানারূপে বানাই নি,

সমকালীন বাংলা

আমি কি করি নাই ভূমিকে শয্যা

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি পৃথিবীকে বানাইনি শয্যা?

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালাকে পেরেক?

জহুরুল হক

আর পাহাড় - পর্বতকে খুটিরূঁপে?

সমকালীন বাংলা

আমরা কি পৃথিবীকে বিছানা বানাইনি?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পাহাড়গুলোকে (গেড়ে দেইনি) পেরেকের মতো?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদেরকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছি,

জহুরুল হক

আর আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি জোড়ায় - জোড়ায়;

সমকালীন বাংলা

এবং আমরা তোমাদের যুগলরূপে সৃষ্টি করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা কি তোমাদের সৃষ্টি করিনি জোড়ায় জোড়ায়?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী,

জহুরুল হক

আর তোমাদের ঘুমকে করেছি বিশ্রাম,

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদের নিদ্রাকে বিশ্রাম করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের নিদ্রাকে বানাইনি তোমাদের জন্যে বিশ্রাম?

মুহিউদ্দীন খান

রাত্রিকে করেছি আবরণ।

জহুরুল হক

আর রাতকে করেছি পোশাকস্বরূপ;

সমকালীন বাংলা

করিয়াছি রাত্রিকে আবরণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রাতকে কি বানাইনি (অন্ধকার দ্বারা পোশাকের মতো) আবরণ?

মুহিউদ্দীন খান

দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়,

জহুরুল হক

আর দিনকে করেছি জীবিকার সংস্থান।

সমকালীন বাংলা

এবং দিনকে জীবিকার সময় করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর দিনকে কি বানাইনি তোমাদের জীবন - সামগ্রী উপার্জনের সময়?

মুহিউদ্দীন খান

নির্মান করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত - আকাশ।

জহুরুল হক

আর তোমাদের উপরে আমরা বানিয়েছি সাত মজবুত জিনিস,

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদের ওপর সাতটি সুদৃঢ় স্তর নির্মাণ করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা বানিয়েছি তোমাদের উপরে সাতটি মজবুত (আকাশ)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি।

জহুরুল হক

আর তৈরি করেছি একটি অত্যুজ্জ্বল প্রদীপ,

সমকালীন বাংলা

এবং একটি দীপ্তিমান প্রদীপ স্থাপন করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর স্থাপন করে দিয়েছি একটি উজ্জ্বল উত্তপ্ত বাতি (সূর্য)।

মুহিউদ্দীন খান

আমি জলধর মেঘমালা থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত করি,

জহুরুল হক

আর ঝরন্ত - মেঘ থেকে আমরা বর্ষণ করি প্রচুর বৃষ্টি,

সমকালীন বাংলা

এবং মেঘমালা থেকে প্রবাহমান পানি বর্ষণ করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর বর্ষাধারী মেঘমালা থেকে বর্ষণ করেছি প্রচুর পানি।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তদ্দ্বারা উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ।

জহুরুল হক

যেন তার দ্বারা গজাতে পারি শস্য ও গাছপালা,

সমকালীন বাংলা

যাতে আমরা তার দ্বারা শস্য ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করি,

আবদুস শহীদ নাসিম

তা দিয়ে উৎপন্ন করার জন্যে শস্য, শাক - সবজি,

মুহিউদ্দীন খান

ও পাতাঘন উদ্যান।

জহুরুল হক

আর ঘনসন্নিবিষ্ট বাগানসমূহ।

সমকালীন বাংলা

এবং ঘন উদ্যানসমূহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর নিবিড় উদ্যান।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।

জহুরুল হক

নিশ্চয় ফয়সালা করার দিনের এক নির্ধারিত সময়কাল আছে - -

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই বিচারের দিন নির্ধারিত রয়েছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই ফায়সালার দিনটি তো নির্দিষ্ট হয়েই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।

জহুরুল হক

সেইদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তখন তোমরা আসবে দলে - দলে,

সমকালীন বাংলা

যেদিন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে, অতঃপর তোমরা দলে দলে আসবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যেইমাত্র শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, সাথে সাথে তোমরা এসে হাজির হবে দলে দলে।

মুহিউদ্দীন খান

আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।

জহুরুল হক

আর আকাশকে বিদীর্ণ করা হবে, সুতরাং তা হবে বহু - দরজা - বিশিষ্ট।

সমকালীন বাংলা

এবং আকাশ উন্মুক্ত করা হবে, ফলে তা হয়ে যাবে দরজাসমূহ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর উন্মুক্ত করে দেয়া হবে আকাশ এবং তাতে তৈরি হয়ে যাবে অসংখ্য দরজা।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।

জহুরুল হক

আর পাহাড়গুলো ধসে পড়বে, ফলে তা হবে বালুময় - মরীচিকা।

সমকালীন বাংলা

এবং পর্বতমালাকে চলমান করা হবে, ফলে তা মরীচিকায় পরিণত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পর্বতসমূহকে স্থানচ্যুত করে চালিয়ে দেয়া হবে, ফলে সেগুলো পরিণত হবে মরীচিকায়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ জাহান্নাম - - তা প্রতীক্ষায় রয়েছে - -

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওত পেতে রয়েছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি জাহান্নাম অতর্কিত আক্রমণের এক গোপন স্থান।

মুহিউদ্দীন খান

সীমালংঘনকারীদের আশ্রয়স্থলরূপে।

জহুরুল হক

সীমালংঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তনস্থল; - -

সমকালীন বাংলা

সীমালংঘনকারীদের প্রত্যাবর্তনস্থল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহদ্রোহী সীমালংঘনকারীদের বাসস্থান।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে।

জহুরুল হক

সেখানে তারা অবস্থান করবে যুগ যুগ ধরে।

সমকালীন বাংলা

তারা সেখানে যুগের পর যুগ অবস্থান করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যুগ যুগ ধরে (অনন্তকাল) তারা অবস্থান করবে সেখানে।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় তারা কোন শীতল এবং পানীয় আস্বাদন করবে না;

জহুরুল হক

তারা সেখানে স্বাদ গ্রহণ করবে না শীতলতার, না কোনো পানীয়ের - -

সমকালীন বাংলা

তারা সেখানে কোনো শীতলতা কিংবা পানীয় আস্বাদন করবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা না ঠান্ডা, আর না পানযোগ্য কিছু আস্বাদন করবে।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু ফুটন্ত পানি ও পূঁজ পাবে।

জহুরুল হক

শুধু ফুটন্ত জল ও হিমশীতল পানীয় ব্যতীত, - -

সমকালীন বাংলা

তবে ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে পান করবে শুধু ফুটন্ত পানি আর ক্ষত থেকে নির্গত পুঁজ।

মুহিউদ্দীন খান

পরিপূর্ণ প্রতিফল হিসেবে।

জহুরুল হক

এক যথাযথ প্রতিদান।

সমকালীন বাংলা

পূর্ণ প্রতিফলস্বরূপ,

আবদুস শহীদ নাসিম

(এ হবে তাদের কৃতকর্মের) উপযুক্ত প্রতিফল।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তারা হিসাব - নিকাশ আশা করত না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তারা হিসাবের কথা ভাবে নি,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তারা হিসাবের আশা করত না,

আবদুস শহীদ নাসিম

কারণ, হিসাব দিতে হবে - এ দৃষ্টিভংগি তারা পোষণ করতো না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার আয়াতসমূহে পুরোপুরি মিথ্যারোপ করত।

জহুরুল হক

আর আমাদের বাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল জোর প্রত্যাখ্যানে।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা আমাদের নিদর্শনসমূহকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তারা মিথ্যা বলে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত সমূহকে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষিত করেছি।

জহুরুল হক

আর সব - কিছুই - - আমরা তা লিখিতভাবে সংরক্ষণ করছি,

সমকালীন বাংলা

আর আমরা সবকিছু লিপিবদ্ধ করেছি নথিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ প্রতিটি জিনিসকেই আমরা লিখে রেখেছি গুণে গুণে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আস্বাদন কর, আমি কেবল তোমাদের শাস্তিই বৃদ্ধি করব।

জহুরুল হক

সুতরাং স্বাদ গ্রহণ করো, আমরা তোমাদের বাড়িয়ে দেবো না শাস্তি ব্যতীত।

সমকালীন বাংলা

অতএব আস্বাদন করো; আমরা তোমাদের জন্য শাস্তি ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করব না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং এখন আস্বাদন করো (তোমাদের আল্লাহদ্রোহী কৃতকর্মের প্রতিফল)। কেবলমাত্র শাস্তি ছাড়া তোমাদের জন্যে আমরা কোনো কিছুই বৃদ্ধি করবোনা। (হে ! আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন!)

মুহিউদ্দীন খান

পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য।

জহুরুল হক

ধর্মভীরুদের জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে মহাসাফল্য - -

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সাফল্য,

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিদের (যারা কঠিন হিসাবের ভয়ে আল্লাহর হুকুম অমান্য করা থেকে বিরত থেকেছিল, তাদের) জন্যে রয়েছে সাফল্য (জান্নাত)।

মুহিউদ্দীন খান

উদ্যান, আঙ্গুর,

জহুরুল হক

ফলের বাগান ও আঙুর,

সমকালীন বাংলা

উদ্যানসমূহ ও আঙুরলতা,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং উদ্যানসমূহ আর আংগুরের বাগান।

মুহিউদ্দীন খান

সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী।

জহুরুল হক

আর সমবয়স্ক ফুটফুটে কিশোর,

সমকালীন বাংলা

এবং সমবয়সী পূর্ণযৌবনা,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সমবয়সী পূর্ণ যৌবনা তরুণী দল।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পূর্ণ পানপাত্র।

জহুরুল হক

আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।

সমকালীন বাংলা

এবং পূর্ণ পেয়ালা।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং (শরাব) ভর্তি পানপাত্র।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।

জহুরুল হক

তারা সেখানে খেলো কথা শুনবে না, আর মিথ্যাকথাও নয়।

সমকালীন বাংলা

সেখানে তারা শুনবে না কোনো অসার কথা, না কোনো মিথ্যা,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা শুনবেনা কোনো বাজে কিংবা মিথ্যা কথাবার্তা।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর কাছ থেকে প্রতিফল, - - হিসাবমতো পুরস্কার, - -

সমকালীন বাংলা

এটি তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রতিদান,

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসবই দেয়া হবে) তোমার সেই মহান প্রভুর পক্ষ থেকে পুরস্কার আর হিসাব পরিমাণ দান হিসেবে,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, দয়াময়, কেউ তাঁর সাথে কথার অধিকারী হবে না।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর এবং তাদের মধ্যে যা - কিছু আছে তার প্রভু, পরম করুণাময়, তাঁর কাছে বক্তব্য রাখার কোনো ক্ষমতা তারা রাখে না।

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক, পরম করুণাময়। তারা তাঁর সামনে কথা বলার ক্ষমতা রাখবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি মহাবিশ্ব, এই পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর মালিক। পরম দয়াবান তিনি। তাঁর সম্মুখে কথা বলার শক্তি - সাহস কারোই থাকবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।

জহুরুল হক

সেইদিন আর - রূহ ও ফিরিশ্‌তাগণ সারবেঁধে দাঁড়াবে, পরম করুণাময় যাকে অনুমতি দেবেন সে ব্যতীত তাদের কেউ কথা বলতে পারবে না, আর সে সঠিক কথা বলবে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে; কেউ কথা বলবে না, তবে সে ছাড়া যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন এবং সে সঠিক কথা বলবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন রূহ (জিবরিল) এবং ফেরেশতারা দাঁড়িয়ে থাকবে সফ (সারি) বদ্ধ হয়ে। তারা কোনো কথা বলবেনা (বলার সাহস করবেনা); তবে দয়াময় রহমান কাউকেও অনুমতি দিলে (সে বলবে) এবং সে বলবে যথার্থ ও ন্যায়সঙ্গত কথা।

মুহিউদ্দীন খান

এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।

জহুরুল হক

এইটাই মহাসত্যের দিন। অতএব যে কেউ চায় সে তার প্রভুর কাছে আশ্রয়স্থল খুঁজুক।

সমকালীন বাংলা

সেই দিনই সত্য দিবস; অতএব যে ইচ্ছা করে, সে তার প্রতিপালকের দিকে প্রত্যাবর্তন করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই দিনটি (যে আসবেই তা অনিবার্য) এক মহাসত্য। সুতরাং যার ইচ্ছা সে তার মালিকের দিকে ফেরার জন্যে পথ ধরুক।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং বলবেঃ হায়, আফসোস - আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।

জহুরুল হক

নিশ্চয় আমরা তোমাদের সতর্ক করছি এক নিকটবর্তী শাস্তি সন্বন্ধে, - - যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাত দুখানা কী আগবাড়িয়েছে, আর অবিশ্বাসী ব্যক্তি বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমি যদি ধুলো হয়ে যেতাম!’’

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের নিকটবর্তী শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছি, যেদিন মানুষ দেখবে তার দুই হাত কী আগে পাঠিয়েছে, এবং বলবে, “হায়! আমি যদি মাটি হতাম!”

আবদুস শহীদ নাসিম

অত্যাসন্ন আযাব সম্পর্কে আমরা তোমাদের সতর্ক করে দিলাম; সেদিন প্রতিটি মানুষই দেখতে পাবে তার দুই হাত কী কামাই করে (অর্থাৎ - সে কি কৃতকর্ম) সম্মুখে (বিচার দিনের জন্যে) পাঠিয়েছে? আর (তখন) বলবে: ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম!’

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme