Kitab

আল ত্বালাক্ব

Chapter 65, 12 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান

হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।

জহুরুল হক

হে প্রিয় নবী! যখন তোমরা স্ত্রীলোকদের তালাক দাও তখন তাদের তালাক দিয়ো তাদের নির্ধারিত দিনের জন্য, আর ইদ্দতের হিসাব রেখো, আর তোমাদের প্রভু ‌কে ভয় - ভক্তি করো। তোমরা তাদের বের করে দিও না তাদের থাকা - ঘর থেকে, এবং তারাও যেন বেরিয়ে না যায় যদি না তারা স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়ে থাকে। আর এগুলোই ‌র সীমা। আর যে কেউ ‌র বিধান লংঘন করে সে তো তবে নিজের অন্তরা‌ত্মার প্রতি অন্যায় করেই ফেলেছে। তুমি জানো না, হয়ত এর পরে কোনো উপায় করে দেবেন।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; হে নবী, যখন তোমরা নারীদের তালাক দাও, তখন তাদেরকে তালাক দাও নির্ধারিত সময়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং নির্ধারিত সময় গণনা করো। আর তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা তাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দিও না, আর তারাও যেন বের না হয়, যদি না তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে। এগুলো আল্লাহর সীমারেখা। আর যে আল্লাহর সীমারেখা লঙ্ঘন করে, সে অবশ্যই নিজের প্রতি অন্যায় করে। তুমি জানো না, হয়তো এরপর কোনো নতুন কিছু আনবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর, উহাদেরকে তালাক দিও ‘ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া এবং তোমরা ‘ইদ্দতের হিসাব রাখিও এবং তোমাদের প্রতিপালক ‌কে ভয় করিও। তোমরা উহাদেরকে উহাদের বাসগৃহ হইতে বহিষ্কার করিও না এবং উহারাও যেন বাহির না হয়, যদি না উহারা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়। এইগুলি ‌র নির্ধারিত সীমা ; যে ‌র সীমা লংঘন করে সে নিজেরই উপর অত্যাচার করে। তুমি জান না, হয়তো ‌ ইহার পর কোন উপায় করিয়া দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।

জহুরুল হক

তারপর যখন তারা তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে যায় তখন হয় তাদের রেখে দেবে ভালভাবে অথবা তাদের ছাড়াছাড়ি করে দেবে ভালভাবে, আর তোমাদের মধ্যে থেকে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী করো, আর তোমরা ‌র উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য কায়েম করবে। এইভাবেই এর দ্বারা তাকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে যে ‌তে ও আখেরাতের দিনে বিশ্বাস করে। আর যে কেউ ‌কে ভয় - ভক্তি করে তার জন্য তিনি বেরুবার পথ করে দেন।

সমকালীন বাংলা


৬৫–২ : অতঃপর যখন তারা তাদের নির্ধারিত সময়ের শেষপ্রান্তে পৌঁছে, তখন হয় তাদেরকে যথাযথভাবে রেখে দাও অথবা যথাযথভাবে পৃথক করে দাও। আর তোমাদের মধ্য থেকে দুইজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে সাক্ষী রাখো এবং আল্লাহর জন্য সাক্ষ্য প্রতিষ্ঠা করো। এর দ্বারা উপদেশ দেওয়া হয় তাকে, যে ও শেষ দিবসে ঈমান রাখে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য একটি উত্তরণের পথ করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের ‘ইদ্দত পূরণের কাল আসন্ন হইলে তোমরা হয় যথাবিধি উহাদেরকে রাখিয়া দিবে, না হয় উহাদেরকে যথাবিধি পরিত্যাগ করিবে এবং তোমাদের মধ্য হইতে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখিবে আর তোমরা ‌র জন্য সঠিক সাক্ষ্য দিবে। ইহা দ্বারা তোমাদের মধ্যে যে কেহ ‌ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে তাহাকে উপদেশ দেওয়া হইতেছে। যে কেহ ‌কে ভয় করে ‌ তাহার পথ করিয়া দিবেন,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। তার কাজ পূর্ণ করবেন। সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।

জহুরুল হক

আর তিনি তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করেন এমন দিক থেকে যা সে ধারণাও করে নি। আর যে ‌র উপরে নির্ভর করে - - তার জন্য তবে তিনিই যথেষ্ট। নিঃসন্দেহ তাঁর উদ্দেশ্য পরিপূর্ণকারী। নিশ্চয়ই সব - কিছুর জন্য এক পরিমাপ ধার্য করে রেখেছেন।

সমকালীন বাংলা

এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে জীবিকা দেন, যা সে কল্পনাও করে না। আর যে আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয়ই তাঁর নির্দেশ কার্যকর করেন। প্রত্যেক বিষয়ের  জন্য একটি পরিমাপ নির্ধারণ করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাকে তাহার ধারণাতীত উৎস হইতে দান করিবেন রিযিক। যে ব্যক্তি ‌র উপর নির্ভর করে তাহার জন্য ‌ই যথেষ্ট। ‌ তাঁহার ইচ্ছা পূরণ করিবেনই ; ‌ সমস্ত কিছুর জন্য স্থির করিয়াছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার কাজ সহজ করে দেন।

জহুরুল হক

আর তোমাদের নারীদের যারা ঋতু সন্বন্ধে হতাশ্বাস হয়েছে, যদি তোমরা সন্দেহ কর তাহলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস, আর তাদেরও যারা ঋতুমতী হয় নি। আর গর্ভবতী নারীরা - - তাদের সময়সীমা হচ্ছে যে তারা যেন তাদের গর্ভ নামিয়ে ফেলে। আর যে কেউ ‌কে ভয় - ভক্তি করে, তিনি তার কাজকর্ম তার জন্য সহজ করে দেবেন।

সমকালীন বাংলা

আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ঋতুস্রাব সম্পর্কে নিরাশ হয়েছে, যদি তোমরা সন্দেহ কর, তবে তাদের নির্ধারিত সময় তিন মাস। আর যাদের এখনো ঋতুস্রাব হয়নি, তাদেরও তাই। আর গর্ভবতী নারীদের নির্ধারিত সময় হলো, গর্ভের সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার বিষয় সহজ করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের যে সকল স্ত্রীর আর ঋতুমতী হইবার আশা নাই তাহাদের ‘ইদ্দত সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করিলে তাহাদের ‘ইদ্দতকাল হইবে তিন মাস এবং যাহারা এখনও রজঃস্বলা হয় নাই তাহাদেরও ; আর গর্ভবতী নারীদের ‘ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। আল্লাহকে যে ভয় করে ‌ তার সমস্যা সমাধান সহজ করিয়া দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।

জহুরুল হক

এইটিই ‌র বিধান - - তোমাদের কাছে তিনি এ অবতারণ করেছেন। আর যে কেউ ‌কে ভয় - ভক্তি করে তার থেকে তিনি তার পাপসমূহ মোচন করবেন, আর তার জন্য প্রতিদান বাড়িয়ে দেবেন।

সমকালীন বাংলা

এ হলো আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার মন্দকর্মগুলো মুছে দেন এবং তার জন্য প্রতিদান মহান করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌র বিধান যাহা তিনি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন। ‌কে যে ভয় করে তিনি তাহার পাপ মোচন করিবেন এবং তাহাকে দিবেন মহাপুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও। তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।

জহুরুল হক

তাদের বাস করতে দাও যেখানে তোমরা বাস করছ, তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী, আর তাদের কষ্ট দিয়ো না তাদের অবস্থা সংকটময় করে তোলার জন্যে। আর যদি তারা গর্ভবতী হয়ে থাকে তবে তাদের জন্য খরচ করো যে পর্যন্ত না তারা তাদের গর্ভভার নামিয়ে ফেলে, তারপর যদি তারা তোমাদের জন্য স্তন্যদান করে তাহলে তাদের মজুরি তাদের প্রদান করবে, আর তোমাদের মধ্যে ভালোভাবে কাজ করতে বলো, আর যদি তোমরা অমত হও তবে তার জন্য অন্যজনে স্তন্য দিক।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেখানে তোমরা বাস করো, সেখানে তাদেরও বাস করতে দাও। আর তাদেরকে কষ্ট দেওয়ার জন্য সংকটে ফেলো না। আর যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করো। অতঃপর যদি তারা তোমাদের সন্তানের দুধ পান করায়, তবে তাদের পারিশ্রমিক দাও এবং তোমাদের মধ্যে যথাযথভাবে পরামর্শ করো। আর যদি তোমরা পরস্পরের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি করো, তবে তার জন্য অন্য নারী বুকেরদুধ পান করাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেইরূপ গৃহে বাস কর তাহাদেরকেও সেইরূপ গৃহে বাস করিতে দিবে; তাহাদেরকে উত্ত্যক্ত করিবে না সঙ্কটে ফেলিবার জন্য ; তাহারা গর্ভবতী হইয়া থাকিলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত তাহাদের জন্য ব্যয় করিবে। যদি তাহারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্য দান করে তবে তাহাদেরকে পারিশ্রমিক দিবে এবং সন্তানের কল্যাণ সম্পর্কে তোমরা সঙ্গতভাবে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করিবে। তোমরা যদি নিজ নিজ দাবিতে অনমনীয় হও তাহা হইলে অন্য নারী তাহার পক্ষে স্তন্য দান করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। কষ্টের পর সুখ দেবেন।

জহুরুল হক

প্রাচুর্যের অধিকারী যেন তার প্রাচুর্য থেকে খরচ করে, আর যার উপরে তার জীবিকা সীমিত করা হয়েছে সে যেন খরচ করে তাকে যা দিয়েছেন তা থেকে। কোনো সত্ত্বাকে কষ্ট দেন না তিনি তাকে যা দিয়েছেন তার অতিরিক্ত। অচিরেই কষ্টের পরে আরাম প্রদান করবেন।

সমকালীন বাংলা

যার সামর্থ্য আছে, সে যেন তার সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করে। আর যার জীবিকা সীমিত করা হয়েছে, সে যেন তাকে যা দিয়েছেন, তা থেকেই ব্যয় করে। কাউকে তার প্রদত্ত সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। কষ্টের পর স্বস্তি এনে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিত্তবান নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করিবে এবং যাহার জীবনোপকরণ সীমিত সে ‌ যাহা দান করিয়াছেন তাহা হইতে ব্যয় করিবে। ‌ যাহাকে যে সামর্থ্য দিয়াছেন তদপেক্ষা গুরুতর বোঝা তিনি তাহার উপর চাপান না। ‌ কষ্টের পর দিবেন স্বস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে ধৃত করেছিলাম এবং তাদেরকে ভীষণ শাস্তি দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

আর কত না জনপদ তার প্রভুর ও তাঁর রসূলদের নির্দেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, ফলে আমরা তার হিসাব তলব করেছিলাম কড়া হিসাব তলবে, আর আমরা তাকে শাস্তি দিয়েছিলাম শক্ত শাস্তিতে।

সমকালীন বাংলা

আর কত জনপদ তাদের পালনকর্তার নির্দেশ ও তাঁর রাসূলদের অবাধ্য হয়েছিল। অতঃপর আমরা তাদের কঠোর হিসাব নিয়েছিলাম এবং তাদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত জনপদ উহাদের প্রতিপালক ও তাঁহার রাসূলগণের নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল! ফলে আমি উহাদের নিকট হইতে কঠোর হিসাব লইয়াছিলাম এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম কঠিন শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করল এবং তাদের কর্মের পরিণাম ক্ষতিই ছিল।

জহুরুল হক

সেজন্য তা তার কাজের মন্দফল আস্বাদন করেছিল, আর তার কাজের পরিণাম ক্ষতিকর হয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা তাদের কাজের পরিণতি ভোগ করেছিল, এবং তাদের কাজের পরিণাম ছিল ক্ষতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা উহাদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করিল; ক্ষতিই হইল উহাদের কর্মের পরিণাম।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন।

জহুরুল হক

তাদের জন্য ভীষণ শাস্তি তৈরি রেখেছেন, অতএব ‌কে ভয় - ভক্তি করো, হে জ্ঞানবান লোকেরা - - যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের কাছে প্রেরণ করেই রেখেছেন এক স্মারক - -

সমকালীন বাংলা

তাদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রস্তুত করেছেন। অতএব, হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা, যারা ঈমান এনেছো, আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতি এক উপদেশ নাযিল করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ উহাদের জন্য কঠোর শাস্তি প্রস্তুত রাখিয়াছেন। অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর, হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ ! যাহারা ঈমান আনিয়াছ। নিশ্চয় ‌ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন উপদেশ -

মুহিউদ্দীন খান

একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে ও সৎকর্মপরায়ণদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে। তাকে উত্তম রিযিক দেবেন।

জহুরুল হক

একজন রসূল - - তিনি তোমাদের কাছে আবৃত্তি করছেন ‌র নির্দেশাবলী, সুস্পষ্টভাবে, যেন যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে তাদের তিনি বের করে আনতে পারেন অন্ধকার থেকে আলোকে। আর যে কেউ ‌তে ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, তাকে তিনি প্রবেশ করাবেন স্বর্গোউদ্যানসমূহে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি, সেখানে সে অবস্থান করবে চিরকাল। তার জন্য জীবনোপকরণকে অতি উৎকৃষ্ট করেই রেখেছেন।

সমকালীন বাংলা

একজন রাসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে তিনি যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে তাদেরকে অন্ধকারসমূহ থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তিনি তাকে এমন উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়; সেখানে তারা অনন্তকাল থাকবে। তার জন্য উত্তম জীবিকা দান করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক রাসূল, যে তোমাদের নিকট ‌র সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করে, যাহারা ও সৎকর্মপরায়ণ তাহাদেরকে অন্ধকার হইতে আলোতে আনিবার জন্য। যে কেহ আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে ; ‌ তাহাকে উত্তম রিযিক দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।

জহুরুল হক

‌ই তিনি যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান, আর পৃথিবীর বেলায়ও তাদের অনুরূপ। বিধান অবতরণ করে চলেছে তাদের মধ্যে, যেন তোমরা জানতে পার যে সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান, আর এই যে সব - কিছুকে ঘিরে রেখেছেন জ্ঞানের দ্বারা।

সমকালীন বাংলা

, যিনি সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেরকম। এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পারো যে সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান, এবং জ্ঞানের দ্বারা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন সপ্ত আকাশ এবং উহাদের অনুরূপ পৃথিবীও, উহাদের মধ্যে নামিয়া আসে তাঁহার নির্দেশ ; যাহাতে তোমরা বুঝিতে পার যে, ‌ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং জ্ঞানে সবকিছুকে পরিবেষ্টন করিয়া আছেন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme