Kitab

আল মারিজ

Chapter 70, 44 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান

একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -

জহুরুল হক

এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করছে অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে - -

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; একজন অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক ব্যক্তি চাহিল সংঘটিত হউক শাস্তি, যাহা অবধারিত -

মুহিউদ্দীন খান

কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।

জহুরুল হক

অবিশ্বাসীদের জন্য, এর প্রতিরোধকারী কেউ নেই - -

সমকালীন বাংলা

অস্বীকারকারীদের জন্য; যা প্রতিহত করার কেউ নেই,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করিবার কেহ নাই।

মুহিউদ্দীন খান

তা আসবে তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।

জহুরুল হক

‌র নিকট থেকে, যিনি উন্নয়নের সোপানের অধিকর্তা।

সমকালীন বাংলা

উচ্চ মর্যাদাসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা আসিবে ‌র নিকট হইতে, তিনি সুমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরেশতাগণ এবং রূহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।

জহুরুল হক

ফিরিশ্‌তাগণ ও আ‌ত্মা তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে যার পরিমাপ হলো পঞ্চাশ হাজার বছর।

সমকালীন বাংলা

ফেরেশতারা এবং রূহ তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তা এবং রূহ্ ‌র দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় এমন এক দিনে, যাহার পরিমাণ পার্থিব পঞ্চাশ হাযার বৎসর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।

জহুরুল হক

অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও এক সুমহান ধৈর্যধারণে।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি উত্তম ধৈর্য ধারণ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর, পরম ধৈর্য।

মুহিউদ্দীন খান

তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তারা একে মনে করে বহু দূরে,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তারা এটিকে দূরে মনে করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর,

মুহিউদ্দীন খান

আর আমি একে আসন্ন দেখছি।

জহুরুল হক

কিন্তু আমরা দেখছি এ নিকটে।

সমকালীন বাংলা

আর আমরা এটিকে নিকটবর্তী দেখি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু আমি দেখিতেছি ইহা আসন্ন।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।

জহুরুল হক

সেইদিন আকাশ হয়ে যাবে গলানো তামার মতো,

সমকালীন বাংলা

সেদিন আকাশ গলিত ধাতুর মতো হয়ে যাবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন আকাশ হইবে গলিত ধাতুর মত

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,

জহুরুল হক

আর পাহাড়গুলো হবে উলের মতো,

সমকালীন বাংলা

এবং পাহাড়গুলো হবে রঙিন পশমের মতো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতসমূহ হইবে রঙ্গীন পশমের মত,

মুহিউদ্দীন খান

বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।

জহুরুল হক

আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদ করবে না অন্তরঙ্গ বন্ধু সন্বন্ধে - -

সমকালীন বাংলা

এবং কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধুর খোঁজ নেবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব লইবে না,

মুহিউদ্দীন খান

যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,

জহুরুল হক

তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,

সমকালীন বাংলা

যদিও তাদেরকে একে অপরকে দেখানো হবে। অপরাধী কামনা করবে, সেদিনের শাস্তি থেকে মুক্তির বিনিময়ে দিতে তার সন্তানদের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে করা হইবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তাহার সন্তান - সন্ততিকে,

মুহিউদ্দীন খান

তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,

জহুরুল হক

আর তার সহধর্মিণীর ও তার ভাইয়ের,

সমকালীন বাংলা

তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে,

মুহিউদ্দীন খান

তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।

জহুরুল হক

আর তার নিকট - আ‌ত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,

সমকালীন বাংলা

তার সেই নিকট আত্মীয়দের, যারা তাকে আশ্রয় দিত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে, যাহারা তাহাকে আশ্রয় দিত

মুহিউদ্দীন খান

এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।

জহুরুল হক

আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সমস্তটাই, - - যেন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

সমকালীন বাংলা

এবং পৃথিবীতে সকলকে; তারপর যেন তা তাকে মুক্তি দেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পৃথিবীর সকলকে, যাহাতে এই মুক্তিপণ তাহাকে মুক্তি দেয়।

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।

জহুরুল হক

কখনোই নয়! নিঃসন্দেহ এটি এক শিখায়িত আগুন, - -

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই তা এক আগুন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, কখনই নয়, ইহা তো লেলিহান অগ্নি,

মুহিউদ্দীন খান

যা চামড়া তুলে দিবে।

জহুরুল হক

চামড়া ঝলসিয়ে খসাতে উদগ্রীব, - -

সমকালীন বাংলা

যা মাথার চামড়া তুলে নেয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা গাত্র হইতে চামড়া খসাইয়া দিবে।

মুহিউদ্দীন খান

সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।

জহুরুল হক

এ ডাকবে তাকে যে পালিয়েছিল ও ফিরে গিয়েছিল,

সমকালীন বাংলা

তা আহ্বান করবে, যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল এবং বিমুখ হয়েছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকিবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।

জহুরুল হক

আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।

সমকালীন বাংলা

এবং সম্পদ জমা করেছিল ও সঞ্চয় করে রেখেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা - - তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের। 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ তো সৃজিত হইয়াছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।

জহুরুল হক

যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,

সমকালীন বাংলা

যখন তাকে অকল্যাণ স্পর্শ করে, তখন সে অধৈর্য হয়ে পড়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন বিপদ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় হা - হুতাশকারী।

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।

জহুরুল হক

আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড় - কিপটে,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তাকে কল্যাণ স্পর্শ করে, তখন সে কৃপণ হয়ে যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যখন কল্যাণ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় অতি কৃপণ ;

মুহিউদ্দীন খান

তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা আদায় কারী।

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, - -

সমকালীন বাংলা

তবে আদায়কারীরা ব্যতীত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে আদায়কারীগণ ব্যতীত,

মুহিউদ্দীন খান

যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।

জহুরুল হক

যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,

সমকালীন বাংলা

যারা তাদের সালাতে অবিচল থাকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে

জহুরুল হক

আর যারা তাদের ধনসম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে - -

সমকালীন বাংলা

এবং যাদের সম্পদে নির্ধারিত অধিকার রয়েছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহাদের সম্পদে নির্ধারিত হক রহিয়াছে

মুহিউদ্দীন খান

যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের

জহুরুল হক

ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,

সমকালীন বাংলা

প্রার্থনাকারী এবং বঞ্চিতের জন্য,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।

জহুরুল হক

আর যারা বিচারের দিনকে সত্য বলে গ্রহণ করে,

সমকালীন বাংলা

এবং যারা প্রতিদান দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা কর্মফল দিবসকে সত্য বলিয়া জানে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।

জহুরুল হক

আর যারা তাদের প্রভুর শাস্তি সম্পর্কে খোদ ভীতসন্ত্রস্ত, - -

সমকালীন বাংলা

এবং যারা তাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীত থাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত -

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।

জহুরুল হক

নিশ্চয় তাদের প্রভুর শাস্তি প্রশান্তিদায়ক নয়;

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তাদের প্রতিপালকের শাস্তি থেকে কেউ নিরাপদ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি হইতে নিঃশংক থাকা যায় না -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে

জহুরুল হক

আর যারা নিজেরাই তাদের আঙ্গিক - কর্তব্যাবলী সম্পর্কে যত্নবান, - -

সমকালীন বাংলা

এবং যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।

জহুরুল হক

তবে নিজেদের দম্পতি অথবা তাদের ডানহাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের ছাড়া, কেননা সেক্ষেত্রে তারা নিন্দনীয় নহে,

সমকালীন বাংলা

তবে তাদের স্ত্রীদের অথবা যারা তাদের অধিকারভুক্ত তাদের ক্ষেত্রে নয়; কারণ নিশ্চয়ই তারা নিন্দনীয় নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত, ইহাতে তাহারা নিন্দনীয় হইবে না -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।

জহুরুল হক

কিন্তু যে এর বাইরে যাওয়া কামনা করে তাহলে তারা নিজেরাই হবে সীমালংঘনকারী।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যে এর বাইরে কামনা করে, তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কেহ ইহাদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করিলে তাহারা হইবে সীমালংঘনকারী -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে

জহুরুল হক

আর যারা খোদ তাদের আমানত সন্বন্ধে ও তাদের অংগীকার সন্বন্ধে সজাগ থাকে,

সমকালীন বাংলা

এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকারের প্রতি যত্নবান,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান

জহুরুল হক

আর যারা স্বয়ং তাদের সাক্ষ্যদানে সুপ্রতিষ্ঠিত,

সমকালীন বাংলা

এবং যারা তাদের সাক্ষ্যে অবিচল থাকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা তাহাদের সাক্ষ্যদানে অটল,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,

জহুরুল হক

আর যারা নিজেরা তাদের সন্বন্ধে সদা যত্নবান,

সমকালীন বাংলা

এবং যারা তাদের সালাতের সুরক্ষা করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান -

মুহিউদ্দীন খান

তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।

জহুরুল হক

তারাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়।

সমকালীন বাংলা

তারাই সম্মানিত হবে জান্নাতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারাই সম্মানিত হইবে জান্নাতে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।

জহুরুল হক

কিন্তু কি হয়েছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, যে তারা তোমার দিকে উদগ্রীব হয়ে ছুটে আসছে - -

সমকালীন বাংলা

অতঃপর অবিশ্বাসীদের কী হয়েছে যে তারা তোমার দিকে ছুটে আসে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের হইল কি যে, উহারা তোমার দিকে ছুটিয়া আসিতেছে

মুহিউদ্দীন খান

ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।

জহুরুল হক

ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে, দলেদলে?

সমকালীন বাংলা

ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে, দলে দলে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দক্ষিণ ও বাম দিক হইতে, দলে দলে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?

জহুরুল হক

তাদের মধ্যের প্রত্যেক লোকই কি আশা করে যে তাকে প্রবেশ করানো হবে আনন্দময় উদ্যানে?

সমকালীন বাংলা

তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে তাকে নেয়ামতপূর্ণ বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাহাকে দাখিল করা হইবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে?

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।

জহুরুল হক

কখনই না। নিঃসন্দেহ আমরা কি দিয়ে তাদের গড়েছি তা তারা জানে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তা থেকে, যা তারা জানে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনো না, আমি উহাদেরকে যাহা হইতে সৃষ্টি করিয়াছি তাহা উহারা জানে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!

জহুরুল হক

কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ - -

সমকালীন বাংলা

অতএব পূর্বসমূহ ও পশ্চিমসমূহের প্রতিপালকের শপথ! নিশ্চয়ই আমরা অবশ্যই সক্ষম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির - নিশ্চয়ই আমি সক্ষম,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।

জহুরুল হক

যে আমরা তাদের চেয়ে ভালোদের দিয়ে বদলে দেব, আর আমরা পরাজিত হবার নই।

সমকালীন বাংলা

তাদের পরিবর্তে তাদের চেয়ে উত্তমদের আনতে; এবং আমরা অক্ষম নই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠীকে উহাদের স্থলবর্তী করিতে এবং ইহাতে আমি অক্ষম নই।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।

জহুরুল হক

সেজন্য তাদের ছেড়ে দাও গল্পগুজব ও খেলাধুলো করতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যার সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, - -

সমকালীন বাংলা

অতএব তাদেরকে ছেড়ে দিন; তারা অর্থহীন আলোচনায় লিপ্ত থাকুক এবং খেলায় মত্ত থাকুক, যতক্ষণ না তারা সেই দিনের সম্মুখীন হয়, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব উহাদেরকে বাকবিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুকে মত্ত থাকিতে দাও, যে দিবস সম্পর্কে তাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।

মুহিউদ্দীন খান

সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

জহুরুল হক

সেইদিন তারা কবরগুলো থেকে বেরিয়ে আসবে ব্যস্তসমস্ত হয়ে, যেন তারা একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হয়েছে,

সমকালীন বাংলা

যেদিন তারা দ্রুত কবরসমূহ থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোনো লক্ষ্যের দিকে ছুটে চলেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে দ্রুতবেগে, মনে হইবে উহারা কোন উপাসনালয়ের দিকে ধাবিত হইতেছে,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।

জহুরুল হক

তাদের চোখ হবে অবনত, হীনতা তাদের আচ্ছন্ন করবে। এমনটাই সেইদিন যার বিষয়ে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করে রাখবে। এ সে দিন, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবনত নেত্রে। হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে; ইহাই সেই দিন, যাহার বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল উহাদেরকে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme