You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল নাজআ’ত
Chapter 79, 46 verses
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান
শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* * ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।
জহুরুল হক
ভাবো প্রচেষ্টাকারীদের প্রচন্ড - প্রচেষ্টার কথা;
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;
সমকালীন বাংলা
এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।
জহুরুল হক
আর ক্ষিপ্রগামীদের ত্বরিত এগুনোয়,
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,
সমকালীন বাংলা
আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।
জহুরুল হক
আর সন্তরণকারীদের দ্রত সন্তরণে,
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং
সমকালীন বাংলা
এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।
জহুরুল হক
আর অগ্রগামীরা এগিয়েই চলেছে,
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।
জহুরুল হক
তারপর ঘটনানিয়ন্ত্রণকারীদের কথা!
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
সমকালীন বাংলা
যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। *অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।
জহুরুল হক
সেদিন স্পন্দিত হবে বিরাট স্পন্দনে,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;
সমকালীন বাংলা
তারপর আরেকটি প্রকম্পন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* *দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।
জহুরুল হক
পরবর্তী ঘটনা তাকে অনুসরণ করবেই।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।
সমকালীন বাংলা
কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।
জহুরুল হক
হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে,
মুহিউদ্দীন খান
তাদের দৃষ্টি নত হবে।
সমকালীন বাংলা
তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।
জহুরুল হক
তাদের চোখ হবে অবনত।
মুহিউদ্দীন খান
তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -
সমকালীন বাংলা
তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,
জহুরুল হক
তারা বলছে - - ''আমরা কি সত্যিই প্রথমাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হব?
মুহিউদ্দীন খান
গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
সমকালীন বাংলা
“ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”
বয়ান ফাউন্ডেশন
যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?
জহুরুল হক
''যখন আমরা গলা - পচা হাড্ডি হয়ে যাব তখনও?’’
মুহিউদ্দীন খান
তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!
সমকালীন বাংলা
তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।
জহুরুল হক
তারা বলে - - ''তাই যদি হয় তবে এ হবে সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’’
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,
সমকালীন বাংলা
প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।
জহুরুল হক
কিন্ত এটি নিশ্চয়ই হবে একটি মহাগর্জন,
মুহিউদ্দীন খান
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
সমকালীন বাংলা
তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।
জহুরুল হক
তখন দেখো! তারা হবে জাগ্রত।
মুহিউদ্দীন খান
মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?
সমকালীন বাংলা
তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
জহুরুল হক
তোমার কাছে মূসার কাহিনী পৌঁছেছে কি? - -
মুহিউদ্দীন খান
যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
সমকালীন বাংলা
যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,
জহুরুল হক
যখন তাঁর প্রভু তাঁকে আহ্বান করেছিলেন পবিত্র উপত্যকা 'তুওয়া’তে - -
মুহিউদ্দীন খান
ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।
সমকালীন বাংলা
“ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।
জহুরুল হক
''ফিরআউনের কাছে যাও, সে নিশ্চয়ই বিদ্রোহ করেছে - -
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
“এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?
জহুরুল হক
''তারপর বলো - - 'তোমার কি আগ্রহ আছে যে তুমি পবিত্র হও?’
মুহিউদ্দীন খান
আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।
সমকালীন বাংলা
“এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’
জহুরুল হক
''আমি তাহলে তোমাকে তোমার প্রভুর দিকে পরিচালিত করব যেন তুমি ভয় করো’।’’
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।
জহুরুল হক
তারপর তিনি তাকে দেখালেন একটি বিরাট নিদর্শন।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।
সমকালীন বাংলা
কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।
জহুরুল হক
কিন্ত সে মিথ্যা আরোপ করল ও অবাধ্য হল।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
জহুরুল হক
অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
মুহিউদ্দীন খান
সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,
সমকালীন বাংলা
অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।
জহুরুল হক
অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
মুহিউদ্দীন খান
এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।
সমকালীন বাংলা
এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।
জহুরুল হক
এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।
সমকালীন বাংলা
তখন তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অবশেষে তাকে ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।
জহুরুল হক
সেজন্য তাকে পাকড়াও করলেন পরকালের ও পূর্বের জীবনের দৃষ্টান্ত বানিয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ এতে বাস্তব শিক্ষা রয়েছে তার জন্য যে ভয় করে।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
সমকালীন বাংলা
তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।
জহুরুল হক
তোমরা কি সৃষ্টিতে কঠিনতর, না মহাকাশ? তিনিই এ - সব বানিয়েছেন।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
সমকালীন বাংলা
তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।
জহুরুল হক
তিনি এর উচ্চতা উন্নীত করেছেন, আর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
মুহিউদ্দীন খান
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।
সমকালীন বাংলা
৭৯–২৯ : এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
জহুরুল হক
আর এর রাতকে তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন, আর বের করে এনেছেন এর দিবালোক।
মুহিউদ্দীন খান
পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।
সমকালীন বাংলা
এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
জহুরুল হক
আর পৃথিবী - - এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,
সমকালীন বাংলা
তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
জহুরুল হক
এর থেকে তিনি বের করেছেন তার জল, আর তার চারণভূমি।
মুহিউদ্দীন খান
পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
সমকালীন বাংলা
এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
জহুরুল হক
আর পাহাড় - পর্বত - - তিনি তাদের মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন, - -
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।
সমকালীন বাংলা
তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
জহুরুল হক
তোমাদের জন্য ও তোমাদের গবাদি - পশুর জন্য খাদ্যের আয়োজন।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।
জহুরুল হক
তারপর যখন ভীষণ দুর্বিপাক আসবে,
মুহিউদ্দীন খান
অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে
সমকালীন বাংলা
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।
জহুরুল হক
সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে যার জন্য সে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল,
মুহিউদ্দীন খান
এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,
সমকালীন বাংলা
এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,
Note
জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
جَهَنَّم (Jahannam)
الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
سَقَر (Saqar)
لَظَى (Laẓā)
الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
السَّعِير (As-Saʿīr)
الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।
জহুরুল হক
আর ভয়ংকর আগুন দৃষ্টিগোচর করানো হবে যে দেখে তার জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;
সমকালীন বাংলা
অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।
জহুরুল হক
তাছাড়া তার ক্ষেত্রে যে সীমালংঘন করেছে,
মুহিউদ্দীন খান
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
সমকালীন বাংলা
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,
জহুরুল হক
এবং দুনিয়ার জীবনকেই বেছে নিয়েছে,
মুহিউদ্দীন খান
তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
সমকালীন বাংলা
তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।
জহুরুল হক
সেক্ষেত্রে অবশ্য ভয়ংকর আগুন, - - সেটাই তো বাসস্থান।
মুহিউদ্দীন খান
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,
সমকালীন বাংলা
অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,
জহুরুল হক
পক্ষান্তরে যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াতে ভয় করে এবং আত্মাকে কামনা - বাসনা থেকে নিবৃত্ত রাখে - -
মুহিউদ্দীন খান
তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
সমকালীন বাংলা
তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।
জহুরুল হক
সেক্ষেত্রে অবশ্য জান্নাত, - - সেটাই তো বাসস্থান।
মুহিউদ্দীন খান
তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?
সমকালীন বাংলা
তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?
জহুরুল হক
তারা ঘড়ি - ঘান্টা সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে - - কখন তার আগমন হবে?’’
মুহিউদ্দীন খান
এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?
সমকালীন বাংলা
সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?
জহুরুল হক
এ - সন্বন্ধে বলবার মতো তোমার কী আছে?
মুহিউদ্দীন খান
এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।
সমকালীন বাংলা
তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,
বয়ান ফাউন্ডেশন
এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।
জহুরুল হক
এর চরম সীমা রয়েছে তোমার প্রভুর নিকট।
মুহিউদ্দীন খান
যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
সমকালীন বাংলা
তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।
জহুরুল হক
তুমি তো শুধু সতর্ককারী তার জন্য যে এ - সন্বন্ধে ভয় করে।
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।
সমকালীন বাংলা
যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
জহুরুল হক
যেদিন তারা একে দেখবে সেদিন যেন তারা মাত্র এক সন্ধ্যাবেলা বা তার প্রভাতকাল ব্যতীত অবস্থান করে নি।