আল ক্বামার , choose another chapter
আল ক্বামার
Chapter 54, 55 verses
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
Word by word
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে।
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ কিয়ামত নিকটবর্তী হইয়াছে, আর চন্দ্র বিদীর্ণ হইয়াছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১ কিয়ামত করিব (নিকটবর্তী) হয়েছে এবং দ্বিখন্ডিত হয়েছে চাঁদ।
Word by word
١ ٱقْتَرَبَتِ ٱلسَّاعَةُ وَٱنشَقَّ ٱلْقَمَرُ
মুহিউদ্দীন খান
২ তারা যদি কোন নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাগত জাদু।
সমকালীন বাংলা
২ আর তারা কোনো নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, “এ তো যথারীতি জাদু।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে মুখ ফিরাইয়া নেয় এবং বলে, ‘ইহা তো চিরাচরিত জাদু।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তারা যখন কোনো নিদর্শন দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে: ‘এতো আগে থেকে চলে আসা ম্যাজিক।’
Word by word
٢ وَإِن يَرَوْا۟ ءَايَةً يُعْرِضُوا۟ وَيَقُولُوا۟ سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
মুহিউদ্দীন খান
৩ তারা মিথ্যারোপ করছে এবং নিজেদের খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করছে। প্রত্যেক কাজ যথাসময়ে স্থিরীকৃত হয়।
সমকালীন বাংলা
৩ আর তারা অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করেছে; আর প্রত্যেক বিষয়ের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ উহারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, আর প্রত্যেক ব্যাপারই লক্ষ্যে পৌঁছিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তারা প্রত্যাখ্যান করে সত্যকে এবং অনুগামী হয় খেয়াল খুশির। প্রতিটি বিষয় অবশ্যি লক্ষ্যে পৌঁছুবে।
Word by word
٣ وَكَذَّبُوا۟ وَٱتَّبَعُوٓا۟ أَهْوَآءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
মুহিউদ্দীন খান
৪ তাদের কাছে এমন সংবাদ এসে গেছে, যাতে সাবধানবাণী রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
৪ আর অবশ্যই তাদের কাছে এমন সংবাদ এসেছে, যাতে সতর্কবার্তা রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ উহাদের নিকট আসিয়াছে সুসংবাদ, যাহাতে আছে সাবধান বাণী;
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তাদের কাছে এসেছে এক মহাসংবাদ যাতে রয়েছে সতর্কবাণী।
Word by word
٤ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّنَ ٱلْأَنۢبَآءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ
মুহিউদ্দীন খান
৫ এটা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে সতর্ককারীগণ তাদের কোন উপকারে আসে না।
সমকালীন বাংলা
৫ পরিপূর্ণ প্রজ্ঞা, কিন্তু উপদেশগুলো কোনো কাজে আসে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ ইহা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে এই সতর্কবাণী উহাদের কোন উপকারে আসে নাই।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ এ এক পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান (আল কুরআন)। তবে (আহবানকারীদের) সতর্কবাণী তাদের কোনো উপকারে আসেনি।
Word by word
٥ حِكْمَةٌۢ بَٰلِغَةٌ فَمَا تُغْنِ ٱلنُّذُرُ
মুহিউদ্দীন খান
৬ অতএব, আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপ্রিয় পরিণামের দিকে,
সমকালীন বাংলা
৬ অতএব তাদের উপেক্ষা করো, সেদিন আহ্বানকারী এক ভয়ংকর বিষয়ে আহ্বান করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ অতএব তুমি উহাদের উপেক্ষা কর। যেদিন আহবানকারী আহ্বান করিবে এক ভয়াবহ পরিণামের দিকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপছন্দনীয় জিনিসের দিকে।
Word by word
٦ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُ ٱلدَّاعِ إِلَىٰ شَىْءٍ نُّكُرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৭ তারা তখন অবনমিত নেত্রে কবর থেকে বের হবে বিক্ষিপ্ত পংগপাল সদৃশ।
সমকালীন বাংলা
৭ তাদের দৃষ্টিগুলো অবনত থাকবে। তারা কবরসমূহ থেকে বের হবে, যেনো তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ অপমানে অবনমিত নেত্রে সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের ন্যায়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ অপমানে চোখ নিচু করে তারা সেদিন কবর থেকে বের হয়ে আসবে বিক্ষিপ্ত ফড়িং - এর মতো।
Word by word
٧ خُشَّعًا أَبْصَٰرُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ
মুহিউদ্দীন খান
৮ তারা আহবানকারীর দিকে দৌড়াতে থাকবে। কাফেরা বলবেঃ এটা কঠিন দিন।
সমকালীন বাংলা
৮ তারা আহ্বানকারীর দিকে দ্রুত এগিয়ে যাবে। অবিশ্বাসীরা বলবে, “এটি এক কঠিন দিন।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ উহারা আহ্বানকারীর দিকে ছুটিয়া আসিবে ভীত - বিহ্বল হইয়া। কাফিররা বলিবে, ‘কঠিন এই দিন।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে: ‘আজ এক ভয়াবহ কঠিন দিন।’
Word by word
٨ مُّهْطِعِينَ إِلَى ٱلدَّاعِ يَقُولُ ٱلْكَٰفِرُونَ هَٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌ
মুহিউদ্দীন খান
৯ তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও মিথ্যারোপ করেছিল। তারা মিথ্যারোপ করেছিল আমার বান্দা নূহের প্রতি এবং বলেছিলঃ এ তো উম্মাদ। তাঁরা তাকে হুমকি প্রদর্শন করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৯ তাদের আগে নূহের সম্প্রদায় অস্বীকার করেছিল। তারা আমাদের বান্দাকে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, “সে তো উন্মাদ।” আর তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও অস্বীকার করিয়াছিল - অস্বীকার করিয়াছিল আমার বান্দাকে আর বলিয়াছিল, ‘এ তো এক পাগল।’ আর তাহাকে ভীতি প্রদর্শন করা হইয়াছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের আগে নূহের জাতিও প্রত্যাখ্যান করেছিল (তাদের রসূলকে), তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের দাসকে এবং বলেছিল: ‘এ এক তিরস্কৃত ও ধমক খাওয়া পাগল।’
Word by word
٩ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا۟ عَبْدَنَا وَقَالُوا۟ مَجْنُونٌ وَٱزْدُجِرَ
মুহিউদ্দীন খান
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডেকে বললঃ আমি অক্ষম, অতএব, তুমি প্রতিবিধান কর।
সমকালীন বাংলা
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডাকল, “আমি পরাজিত, অতএব আপনি সাহায্য করুন।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ তখন সে তাহার প্রতিপালককে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিল, ‘আমি তো অসহায়, অতএব তুমি প্রতিবিধান কর।’
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তখন সে তার প্রভুর কাছে দোয়া করে বলেছিল: ‘আমি পরাস্ত হয়েছি, আমাকে সাহায্য করো।’
Word by word
١٠ فَدَعَا رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَغْلُوبٌ فَٱنتَصِرْ
মুহিউদ্দীন খান
১১ তখন আমি খুলে দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারিবর্ষণের মাধ্যমে।
সমকালীন বাংলা
১১ অতঃপর আমরা আকাশের দরজাগুলো প্রবলভাবে বর্ষণকারী পানি দিয়ে খুলে দিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ ফলে আমি উন্মুক্ত করিয়া দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারি বর্ষণে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ ফলে আমরা প্রবল পানি বর্ষণের জন্যে খুলে দিয়েছিলাম আসমানের দুয়ার।
Word by word
١١ فَفَتَحْنَآ أَبْوَٰبَ ٱلسَّمَآءِ بِمَآءٍ مُّنْهَمِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
১২ এবং ভুমি থেকে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ। অতঃপর সব পানি মিলিত হল এক পরিকম্পিত কাজে।
সমকালীন বাংলা
১২ আর আমরা মাটি থেকে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করে দিলাম, অতঃপর সব পানি পরিকল্পনা অনুযায়ী মিলিত হলো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ এবং মৃত্তিকা হইতে উৎসারিত করিলাম প্রস্রবণ; অতঃপর সকল পানি মিলিত হইল এক পরিকল্পনা অনুসারে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এবং জমিন থেকে উৎসারিত করে দিয়েছিলাম বিপুল প্রস্রবন। তারপর সব পানি মিলে গেলো এক নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাফিক।
Word by word
١٢ وَفَجَّرْنَا ٱلْأَرْضَ عُيُونًا فَٱلْتَقَى ٱلْمَآءُ عَلَىٰٓ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ আমি নূহকে আরোহণ করালাম এক কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত জলযানে।
সমকালীন বাংলা
১৩ আর আমরা তাকে তক্তা ও পেরেকের উপর বহন করলাম।
Noteকাঠের তক্তা ও পেরেক নির্মিত নৌকার উপরে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তখন নূহকে আরোহণ করাইলাম কাষ্ঠ ও কীলক নির্মিত এক নৌযানে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তখন আমরা নূহকে আরোহণ করিয়ে নিয়েছিলাম পাত ও পেরেক দিয়ে তৈরি করা নৌযানে।
Word by word
١٣ وَحَمَلْنَٰهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَٰحٍ وَدُسُرٍ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ যা চলত আমার দৃষ্টি সামনে। এটা তার পক্ষ থেকে প্রতিশোধ ছিল, যাকে প্রত্যখ্যান করা হয়েছিল।
সমকালীন বাংলা
১৪ যা আমাদের চোখের সামনে চলছিল, তার প্রতি প্রতিদানস্বরূপ যার সঙ্গে অবিশ্বাস করা হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ যাহা চলিত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে; ইহা পুরস্কার তাহার জন্য, যে প্রত্যাখ্যাত হইয়াছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ সেটি চলছিল আমাদের তত্ত্বাবধানে, যারা কুফুরি করেছিল, তাদের প্রতিফল দেয়ার জন্যে।
Word by word
١٤ تَجْرِى بِأَعْيُنِنَا جَزَآءً لِّمَن كَانَ كُفِرَ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ আমি একে এক নিদর্শনরূপে রেখে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৫ আর অবশ্যই আমরা সেটিকে এক নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ আমি তো ইহাকে রাখিয়া দিয়াছি এক নিদর্শনরূপে; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ আমরা সেটাকে রেখে দিয়েছি একটি নিদর্শন হিসেবে। উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
Word by word
١٥ وَلَقَد تَّرَكْنَٰهَآ ءَايَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
১৬ কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
১৬ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ কী কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ এবার ভেবে দেখো, কী যে কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং সতর্কবাণী!
Word by word
١٦ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৭ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা কুরআনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Word by word
١٧ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ আদ সম্প্রদায় মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কেমন কঠোর হয়েছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
১৮ আদ অস্বীকার করেছিল। অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Note“আদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ ‘আদ সম্প্রদায় সত্য অস্বীকার করিয়াছিল, ফলে কিরূপ ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ আদ জাতিও (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
Word by word
١٨ كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ঝঞ্জাবায়ু এক চিরাচরিত অশুভ দিনে।
সমকালীন বাংলা
১৯ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর এক অশুভ দিনে প্রচণ্ড ঝড় পাঠিয়েছিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ উহাদের উপর আমি প্রেরণ করিয়াছিলাম ঝঞ্ঝাবায়ু নিরবচ্ছিন্ন দুর্ভাগ্যের দিনে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম ঝড়ো বায়ু এক বিরামহীন দুর্ভাগ্যের দিনে,
Word by word
١٩ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِى يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
মুহিউদ্দীন খান
২০ তা মানুষকে উৎখাত করছিল, যেন তারা উৎপাটিত খর্জুর বৃক্ষের কান্ড।
সমকালীন বাংলা
২০ যা মানুষকে উপড়ে ফেলছিল, যেনো তারা উপড়ে ফেলা খেজুরগাছের কাণ্ড।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ মানুষকে উহা উৎখাত করিয়াছিল উন্মুলিত খর্জুর - কাণ্ডের ন্যায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ সে ঝড় মানুষকে উৎখাত করে রেখে দিয়েছিল সমূলে উৎপাটিত খেজুর গাছের কান্ডের মতো।
Word by word
٢٠ تَنزِعُ ٱلنَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنقَعِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
২১ অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
২১ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ কী কঠোর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
Word by word
٢١ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
২২ আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
২২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Word by word
٢٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ সামুদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
সমকালীন বাংলা
২৩ সামূদ অস্বীকার করেছিল সতর্কবার্তাগুলোকে।
Note“সামূদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ সামূদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদেরকে অস্বীকার করিয়াছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ সামুদ জাতিও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Word by word
٢٣ كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِٱلنُّذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ তারা বলেছিলঃ আমরা কি আমাদেরই একজনের অনুসরণ করব? তবে তো আমরা বিপথগামী ও বিকার গ্রস্থরূপে গণ্য হব।
সমকালীন বাংলা
২৪ তখন তারা বলেছিল, “আমরা কি আমাদের মধ্যকার একজন মানুষের অনুসরণ করব? তাহলে তো আমরা অবশ্যই বিভ্রান্তি ও উন্মাদনায় পড়বো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ তাহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা কি আমাদেরই এক ব্যক্তির অনুসরণ করিব? তবে তো আমরা পথভ্রষ্টতায় এবং উন্মত্ততায় পতিত হইব।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা বলেছিল: ‘‘একজন মানুষকে? আমাদেরই এক ব্যক্তিকে আমরা অনুসরণ করবো? তাহলে তো আমরা পথভ্রষ্ট এবং উন্মাতাল হয়ে পড়বো।
Word by word
٢٤ فَقَالُوٓا۟ أَبَشَرًا مِّنَّا وَٰحِدًا نَّتَّبِعُهُۥٓ إِنَّآ إِذًا لَّفِى ضَلَٰلٍ وَسُعُرٍ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আমাদের মধ্যে কি তারই প্রতি উপদেশ নাযিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
সমকালীন বাংলা
২৫ আমাদের মধ্য থেকে কি তার ওপরই উপদেশ নাজিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, অহংকারী।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ ‘আমাদের মধ্যে কি উহারই প্রতি প্রত্যাদেশ হইয়াছে? না, সে তো একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আমাদের মধ্যে কি কেবল তার প্রতি যিকির (অহি) নাযিল হলো? বরং সে এক উদ্ধত মিথ্যাবাদী।’’
Word by word
٢٥ أَءُلْقِىَ ٱلذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنۢ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এখন আগামীকল্যই তারা জানতে পারবে কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
সমকালীন বাংলা
২৬ তারা আগামীকাল জানতে পারবে, কে মিথ্যাবাদী, অহংকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ আগামীকল্য উহারা জানিবে, কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ কালই তারা জানতে পারবে কে উদ্ধত মিথ্যাবাদী?
Word by word
٢٦ سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَّنِ ٱلْكَذَّابُ ٱلْأَشِرُ
মুহিউদ্দীন খান
২৭ আমি তাদের পরীক্ষার জন্য এক উষ্ট্রী প্রেরণ করব, অতএব, তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ এবং সবর কর।
সমকালীন বাংলা
২৭ নিশ্চয়ই আমরা তাদের পরীক্ষা করার জন্য উটনী পাঠাব। অতএব তুমি তাদের পর্যবেক্ষণ করো এবং ধৈর্য ধরো।
Note
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ আমি উহাদের পরীক্ষার জন্য পাঠাইয়াছি এক উষ্ট্রী, অতএব তুমি উহাদের আচরণ লক্ষ্য কর এবং ধৈর্যশীল হও।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আমরা তাদের পরীক্ষার জন্যে পাঠালাম এই উটনী। সুতরাং তুমি এর ব্যাপারে তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করো এবং সবর করো।
Word by word
٢٧ إِنَّا مُرْسِلُوا۟ ٱلنَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَٱرْتَقِبْهُمْ وَٱصْطَبِرْ
মুহিউদ্দীন খান
২৮ এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানির পালা নির্ধারিত হয়েছে এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে।
সমকালীন বাংলা
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে, পানি তাদের মধ্যে বণ্টিত। প্রত্যেকের পান করার পালা নির্ধারিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ এবং উহাদেরকে জানাইয়া দাও যে, উহাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে উপস্থিত হইবে পালাক্রমে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের তুমি সংবাদ দাও, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। নিজ নিজ ভাগের পানির জন্যে প্রত্যেকে উপস্থিত হবে পালাক্রমে।
Word by word
٢٨ وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ ٱلْمَآءَ قِسْمَةٌۢ بَيْنَهُمْ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ
মুহিউদ্দীন খান
২৯ অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। সে তাকে ধরল এবং বধ করল।
সমকালীন বাংলা
২৯ অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকলো, সে উটনীটিকে ধরলো এবং হত্যা করলো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ অতঃপর উহারা উহাদের এক সঙ্গীকে আহ্বান করিল, সে উহাকে ধরিয়া হত্যা করিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারপর তারা তাদের এক সাথিকে ডাকলো, সে দায়িত্ব গ্রহণ করলো এবং ওটিকে হত্যা করে ফেললো।
Word by word
٢٩ فَنَادَوْا۟ صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৩০ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এবার দেখো, কী কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং আমার সতর্কবাণী!
Word by word
٣٠ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমি তাদের প্রতি একটিমাত্র নিনাদ প্রেরণ করেছিলাম। এতেই তারা হয়ে গেল শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত দলিত খোয়াড়ের ন্যায়।
সমকালীন বাংলা
৩১ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর একটিমাত্র প্রচণ্ড শব্দ পাঠিয়েছিলাম, অতঃপর তারা শুষ্ক খড়ের মতো হয়ে গেল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ আমি উহাদেরকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোঁয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখণ্ডিত শুষ্ক শাখা - প্রশাখার ন্যায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আমরা তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড শব্দের আযাব, তাতেই তারা হয়ে পড়লো শুকনো মোড়ানো খড়ের কাঁদির মতো।
Word by word
٣١ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَٰحِدَةً فَكَانُوا۟ كَهَشِيمِ ٱلْمُحْتَظِرِ
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৩২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Word by word
٣٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ লূত - সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৩৩ লূতের সম্প্রদায় সতর্কবার্তাগুলোকে অস্বীকার করেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ লূত সম্প্রদায় অস্বীকার করিয়াছিল সতর্ককারীদেরকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ লুতের কওমও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল,
Word by word
٣٣ كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍۭ بِٱلنُّذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আমি তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী প্রচন্ড ঘূর্ণিবায়ু; কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয়। আমি তাদেরকে রাতের শেষপ্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
সমকালীন বাংলা
৩৪ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর পাথরবাহী এক ঝড় পাঠিয়েছিলাম, তবে লূতের পরিবারকে নয়; আমরা তাদের রাতের শেষ প্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ আমি উহাদের উপর প্রেরণ করিয়াছিলাম প্রস্তর বহনকারী প্রচণ্ড ঝটিকা, কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয় ; তাহাদেরকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম রাত্রির শেষাংশে
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম পাথর বহনকারী প্রচন্ড ঝড়, তবে লুত পরিবারকে রক্ষা করেছিলাম। তাদের আমরা উদ্ধার করেছিলাম সেহেরীর সময় (শেষ রাত),
Word by word
٣٤ إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ نَّجَّيْنَٰهُم بِسَحَرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ। যারা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে, আমি তাদেরকে এভাবে পুরস্কৃত করে থকি।
সমকালীন বাংলা
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ। এভাবেই আমরা তাকে প্রতিদান দিই যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ আমার বিশেষ অনুগ্রহস্বরূপ; যাহারা কৃতজ্ঞ, আমি এইভাবেই তাহাদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে। যারা শোকর আদায় করে, আমরা এভাবেই তাদের পুরস্কৃত করি।
Word by word
٣٥ نِّعْمَةً مِّنْ عِندِنَا كَذَٰلِكَ نَجْزِى مَن شَكَرَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ লূত (আঃ) তাদেরকে আমার প্রচন্ড পাকড়াও সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। অতঃপর তারা সতর্কবাণী সম্পর্কে বাকবিতন্ডা করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৩৬ আর অবশ্যই সে তাদের আমাদের কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল, কিন্তু তারা সতর্কবার্তাগুলো নিয়ে বিতর্ক করেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ লূত উহাদেরকে সতর্ক করিয়াছিল আমার কঠোর শাস্তি সম্পর্কে; কিন্তু উহারা সতর্কবাণী সম্বন্ধে বিতণ্ডা শুরু করিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে (লুত) তাদের সতর্ক করে দিয়েছিল আমাদের কঠোর শাস্তি সম্পর্কে। কিন্তু তারা সতর্কবাণী নিয়ে সন্দেহ করে এবং হয় বিতর্কে লিপ্ত।
Word by word
٣٦ وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا۟ بِٱلنُّذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তারা লূতের (আঃ) কাছে তার মেহমানদেরকে দাবী করেছিল। তখন আমি তাদের চক্ষু লোপ করে দিলাম। অতএব, আস্বাদন কর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৩৭ আর তারা তার অতিথিদের ব্যাপারে তাকে প্রলুব্ধ করতে চেয়েছিল, অতঃপর আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি মুছে দিয়েছিলাম। সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ উহারা লূতের নিকট হইতে তাহার মেহমানদেরকে অসদুদ্দেশ্যে দাবি করিল, তখন আমি উহাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করিয়া দিলাম এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্ক - বাণীর পরিণাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তারা লুতের কাছে তার মেহমানদের দাবি করে অসৎ উদ্দেশ্যে। তখন আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করে দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম: স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাবের এবং সতর্কবাণী (অমান্য করার) পরিণতির।
Word by word
٣٧ وَلَقَدْ رَٰوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِۦ فَطَمَسْنَآ أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদেরকে প্রত্যুষে নির্ধারিত শাস্তি আঘাত হেনেছিল।
সমকালীন বাংলা
৩৮ আর অবশ্যই তাদের ওপর সকালে স্থায়ী শাস্তি নেমে এসেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ প্রত্যূষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদেরকে আঘাত করিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ একেবারে বেন বেলায়ই তাদের আঘাত করে এক অপ্রতিরোধ্য আযাব।
Word by word
٣٨ وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ অতএব, আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী আস্বাদন কর।
সমকালীন বাংলা
৩৯ সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ ‘স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাব আর সতর্ক বাণী (অমান্য করার) পরিণতির।’
Word by word
٣٩ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৪০ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
Word by word
٤٠ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও সতর্ককারীগণ আগমন করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৪১ আর অবশ্যই ফেরাউনের লোকদের কাছে সতর্কবার্তা এসেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ ফির‘আওন সম্প্রদায়ের নিকটও আসিয়াছিল সতর্ককারী;
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও এসেছিল আমাদের সতর্কবাণী।
Word by word
٤١ وَلَقَدْ جَآءَ ءَالَ فِرْعَوْنَ ٱلنُّذُرُ
মুহিউদ্দীন খান
৪২ তারা আমার সকল নিদর্শনের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল। অতঃপর আমি পরাভূতকারী, পরাক্রমশালীর ন্যায় তাদেরকে পাকড়াও করলাম।
সমকালীন বাংলা
৪২ তারা আমাদের সব নিদর্শন অস্বীকার করেছিল। অতঃপর আমরা তাদের ধরেছিলাম এক পরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমান ব্যক্তির ধরার মতো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ কিন্তু উহারা আমার সকল নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করিল, অতঃপর পরাক্রম - শালী ও সর্বশক্তিমানরূপে আমি উহাদেরকে সুকঠিন শাস্তি দিলাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ তারা আমাদের সবগুলো নিদর্শনই প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন আমরা তাদের পাকড়াও করি পরাক্রমশালী শক্তিধরের পাকড়াও।
Word by word
٤٢ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَٰهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُّقْتَدِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তোমাদের মধ্যকার কাফেররা কি তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ ? না তোমাদের মুক্তির সনদপত্র রয়েছে কিতাবসমূহে?
সমকালীন বাংলা
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি তোমাদের জন্য কিতাবসমূহে কোনো অব্যাহতি রয়েছে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ তোমাদের মধ্যকার কাফিররা কি উহাদের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না কি তোমাদের অব্যাহতির কোন সনদ রহিয়াছে পূর্ববর্তী কিতাবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তোমাদের কাফিররা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি পূর্ববর্তী কিতাবে তোমাদের অব্যাহতি লাভের কোনো সময় আছে?
Word by word
٤٣ أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُو۟لَٰٓئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَآءَةٌ فِى ٱلزُّبُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ না তারা বলে যে, আমারা এক অপরাজেয় দল?
সমকালীন বাংলা
৪৪ নাকি তারা বলে, “আমরা একটি সংঘবদ্ধ দল, আমরা বিজয়ী হবো”?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ইহারা কি বলে, ‘আমরা এক সঙ্ঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ নাকি তারা বলে: ‘আমরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
Word by word
٤٤ أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ এ দল তো সত্ত্বরই পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে।
সমকালীন বাংলা
৪৫ শীঘ্রই সেই দল পরাজিত হবে এবং তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ এই সংঘবদ্ধ দল তো শীঘ্রি পরাজিত হবে এবং পেছনে ফিরে পালাবে।
Word by word
٤٥ سَيُهْزَمُ ٱلْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ ٱلدُّبُرَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ বরং কেয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময় এবং কেয়ামত ঘোরতর বিপদ ও তিক্ততর।
সমকালীন বাংলা
৪৬ বরং তাদের প্রতিশ্রুত সময় কিয়ামত। আর কিয়ামত অধিক ভয়ংকর এবং অধিক তিক্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ অধিকন্তু কিয়ামত উহাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং কিয়ামত হইবে কঠিনতর ও তিক্ততর;
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের আসল শাস্তির প্রতিশ্রুত সময় হলো কিয়ামত। কিয়ামত হবে অধিকতর কঠিন এবং অধিকতর তিক্ত।
Word by word
٤٦ بَلِ ٱلسَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَٱلسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ নিশ্চয় অপরাধীরা পথভ্রষ্ট ও বিকারগ্রস্ত।
সমকালীন বাংলা
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা রয়েছে বিভ্রান্তিতে এবং উন্মাতাল অবস্থায়।
Word by word
٤٧ إِنَّ ٱلْمُجْرِمِينَ فِى ضَلَٰلٍ وَسُعُرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।
সমকালীন বাংলা
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে আগুনে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, “সাকারের স্পর্শ আস্বাদন করো।”
Note"সাকার" একটি দোজখের নাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ যেদিন উহাদের উপুড় করিয়া টানিয়া লইয়া যাওয়া হইবে জাহান্নামের দিকে; সেই দিন বলা হইবে, ‘জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন কর।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামে, সেদিন তাদের বলা হবে: স্বাদ গ্রহণ করো জাহান্নামের যন্ত্রণার।
Word by word
٤٨ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِى ٱلنَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا۟ مَسَّ سَقَرَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তুকে পরিমিতরূপে সৃষ্টি করেছি।
সমকালীন বাংলা
৪৯ নিশ্চয়ই আমরা প্রত্যেক বিষয় পরিমাপ অনুযায়ী সৃষ্টি করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ আমি সকল কিছু সৃষ্টি করিয়াছি নির্ধারিত পরিমাপে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমরা প্রতিটি বস্ত্ত সৃষ্টি করেছি পরিমাণ মাফিক।
Word by word
٤٩ إِنَّا كُلَّ شَىْءٍ خَلَقْنَٰهُ بِقَدَرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৫০ আমার কাজ তো এক মুহূর্তে চোখের পলকের মত।
সমকালীন বাংলা
৫০ আর আমাদের আদেশ তো একটিমাত্র, চোখের পলকের মতো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ আমার আদেশ তো একটি কথায় নিষ্পন্ন, চক্ষুর পলকের মত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আমাদের নির্দেশ তো এক কথায়ই সম্পন্ন হয়ে যায় চোখের পলকের মতো।
Word by word
٥٠ وَمَآ أَمْرُنَآ إِلَّا وَٰحِدَةٌ كَلَمْحٍۭ بِٱلْبَصَرِ
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আমি তোমাদের সমমনা লোকদেরকে ধ্বংস করেছি, অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৫১ আর অবশ্যই আমরা তোমাদের মতো লোকদের ধ্বংস করেছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ আমি ধ্বংস করিয়াছি তোমাদের মত দলগুলিকে; অতএব উহা হইতে উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ আমরা (ইতোপূর্বে) তোমাদের অনুরূপ দলগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছি। (সুতরাং) উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
Word by word
٥١ وَلَقَدْ أَهْلَكْنَآ أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৫২ তারা যা কিছু করেছে, সবই আমলনামায় লিপিবদ্ধ আছে।
সমকালীন বাংলা
৫২ আর তারা যা করেছে, সবকিছু খাতাসমূহে লিখিত রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ উহাদের সমস্ত কার্যকলাপ আছে আমলনামায়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যা করছে প্রতিটি জিনিসই রয়েছে রেকর্ডে,
Word by word
٥٢ وَكُلُّ شَىْءٍ فَعَلُوهُ فِى ٱلزُّبُرِ
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ ছোট ও বড় সবই লিপিবদ্ধ।
সমকালীন বাংলা
৫৩ আর ছোট-বড় সবকিছুই লিখিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৩ আছে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সমস্ত কিছুই লিপিবদ্ধ।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ প্রতিটি ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ (বিষয়ই) রেকর্ড করা রয়েছে।
Word by word
٥٣ وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নির্ঝরিণীতে।
সমকালীন বাংলা
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা বেহেশতসমূহ ও নদীর মধ্যে থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৪ মুত্তাকীরা থাকিবে স্রোতস্বিনী বিধৌত জান্নাতে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাত এবং নদ নদী নহরে,
Word by word
٥٤ إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّٰتٍ وَنَهَرٍ
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ যোগ্য আসনে, সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে।
সমকালীন বাংলা
৫৫ সত্যের আসনে, এক সর্বশক্তিমান সম্রাটের কাছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৫ যোগ্য আসনে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী আল্লাহ্ র সান্নিধ্যে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ যথাযোগ্য আসনে মহাশক্তিধর সর্বময় কর্তৃত্বের মালিকের কাছে।
Word by word
٥٥ فِى مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍۭ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report