Kitab

আল সাফফাত

Chapter 37, 182 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,

সমকালীন বাংলা

ও যাহারা কঠোর পরিচালক

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও যাহারা কঠোর পরিচালক

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের -

সমকালীন বাংলা

এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমাদের এক ও একক।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।

সমকালীন বাংলা

যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।

সমকালীন বাংলা

আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।

সমকালীন বাংলা

এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।

সমকালীন বাংলা

ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে

মুহিউদ্দীন খান

ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।

সমকালীন বাংলা

বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।

সমকালীন বাংলা

তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি? আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এঁটেল মাটি থেকে।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

বরং আপনি বিস্ময় বোধ করেন আর তারা বিদ্রুপ করে।

সমকালীন বাংলা

তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদেরকে বোঝানো হয়, তখন তারা বোঝে না।

সমকালীন বাংলা

এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।

সমকালীন বাংলা

উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলে, কিছুই নয়, এযে স্পষ্ট যাদু।

সমকালীন বাংলা

এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা যখন মরে যাব, এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?

সমকালীন বাংলা

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের পিতৃপুরুষগণও কি?

সমকালীন বাংলা

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, হ্যাঁ এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’

মুহিউদ্দীন খান

বস্তুতঃ সে উত্থান হবে একটি বিকট শব্দ মাত্র - যখন তারা প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।

সমকালীন বাংলা

উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলবে, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটাই তো প্রতিফল দিবস।

সমকালীন বাংলা

এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’

মুহিউদ্দীন খান

বলা হবে, এটাই ফয়সালার দিন, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।

সমকালীন বাংলা

ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’

মুহিউদ্দীন খান

একত্রিত কর গোনাহগারদেরকে, তাদের দোসরদেরকে এবং যাদের এবাদত তারা করত।

সমকালীন বাংলা

ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো

মুহিউদ্দীন খান

ব্যতীত। অতঃপর তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,

সমকালীন বাংলা

ব্যতীত। অতঃপর তাদরেকে পরচিালতি কর জাহান্নামরে পথে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে থামাও, তারা জিজ্ঞাসিত হবে;

সমকালীন বাংলা

‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করছ না?

সমকালীন বাংলা

‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?

মুহিউদ্দীন খান

বরং তারা আজকের দিনে আত্নসমর্পণকারী।

সমকালীন বাংলা

বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

সমকালীন বাংলা

এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,

মুহিউদ্দীন খান

বলবে, তোমরা তো আমাদের কাছে ডান দিক থেকে আসতে।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবে, বরং তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না।

সমকালীন বাংলা

তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই ছিলে না,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কতৃত্ব ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

সমকালীন বাংলা

‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের বিপক্ষে আমাদের পালনকর্তার উক্তিই সত্য হয়েছে। আমাদেরকে অবশই স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।

সমকালীন বাংলা

‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলাম। কারণ আমরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট ছিলাম।

সমকালীন বাংলা

‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা সবাই সেদিন শান্তিতে শরীক হবে।

সমকালীন বাংলা

উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের সাথে আমি এমনি ব্যবহার করে থাকি।

সমকালীন বাংলা

অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের যখন বলা হত, ব্যতীত কোন উপাস্য েনই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করত।

সমকালীন বাংলা

তাদের যখন বলা হত, ব্যতীত কােন উপাস্য নেই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রর্দশন করত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে ‘‌ ব্যতীত কোন ইলাহ্‌ নাই’ বলা হইলে উহারা অহংকার করিত

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো নেই ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।

সমকালীন বাংলা

এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্‌গণকে বর্জন করিব?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’

মুহিউদ্দীন খান

না, তিনি সত্যসহ আগমন করেছেন এবং রসূলগণের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

সমকালীন বাংলা

বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা অবশ্যই বেদনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করবে।

সমকালীন বাংলা

তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যা করতে, তারই প্রতিফল পাবে।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।

সমকালীন বাংলা

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহারা নয় যাহারা ‌র একনিষ্ঠ বান্দা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে রয়েছে নির্ধারিত রুযি।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।

মুহিউদ্দীন খান

ফল - মূল এবং তারা সম্মানিত।

সমকালীন বাংলা

ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,

মুহিউদ্দীন খান

নেয়ামতের উদ্যানসমূহ।

সমকালীন বাংলা

সুখদ - কাননে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুখদ - কাননে

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।

মুহিউদ্দীন খান

মুখোমুখি হয়ে আসনে আসীন।

সমকালীন বাংলা

তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে স্বচ্ছ পানপাত্র।

সমকালীন বাংলা

তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে

মুহিউদ্দীন খান

সুশুভ্র, যা পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।

সমকালীন বাংলা

শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।

আবদুস শহীদ নাসিম

শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।

মুহিউদ্দীন খান

তাতে মাথা ব্যথার উপাদান নেই এবং তারা তা পান করে মাতালও হবে না।

সমকালীন বাংলা

উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।

মুহিউদ্দীন খান

যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।

সমকালীন বাংলা

তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

সমকালীন বাংলা

তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের একজন বলবে, আমার এক সঙ্গী ছিল।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,

মুহিউদ্দীন খান

সে বলত, তুমি কি বিশ্বাস কর যে,

সমকালীন বাংলা

‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলতো তুমি কি একথায় যে:

মুহিউদ্দীন খান

আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনও কি আমরা প্রতিফল প্রাপ্ত হব?

সমকালীন বাংলা

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’

মুহিউদ্দীন খান

বলবেন, তোমরা কি তাকে উকি দিয়ে দেখতে চাও?

সমকালীন বাংলা

বলবনে, তােমরা কি তাকে উকি দয়িে দখেতে চাও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিবেন, ‘তোমরা কি তাহাকে দেখিতে চাও ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?

মুহিউদ্দীন খান

অপর সে উকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে জাহান্নামের মাঝখানে দেখতে পাবে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।

মুহিউদ্দীন খান

সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

সমকালীন বাংলা

বলিবে, আল্লাহর কসম, তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বলিবে, ‌র কসম! তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

মুহিউদ্দীন খান

আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ না হলে আমিও যে গ্রেফতারকৃতদের সাথেই উপস্থিত হতাম।

সমকালীন বাংলা

‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’

মুহিউদ্দীন খান

এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।

সমকালীন বাংলা

‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তও হব না।

সমকালীন বাংলা

‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এই মহা সাফল্য।

সমকালীন বাংলা

ইহা তো মহাসাফল্য,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।

মুহিউদ্দীন খান

এমন সাফল্যের জন্যে পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত।

সমকালীন বাংলা

এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,

আবদুস শহীদ নাসিম

এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।

মুহিউদ্দীন খান

এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?

সমকালীন বাংলা

আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?

আবদুস শহীদ নাসিম

আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?

মুহিউদ্দীন খান

আমি যালেমদের জন্যে একে বিপদ করেছি।

সমকালীন বাংলা

জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।

মুহিউদ্দীন খান

এটি একটি বৃক্ষ, যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে।

সমকালীন বাংলা

এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই বৃক্ষ উদ্‌গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত।

সমকালীন বাংলা

ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা একে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে।

সমকালীন বাংলা

অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।

মুহিউদ্দীন খান

তদুপরি তাদেরকে দেয়া হবে। ফুটন্ত পানির মিশ্রণ,

সমকালীন বাংলা

তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে।

সমকালীন বাংলা

আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছিল বিপথগামী।

সমকালীন বাংলা

উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তদের পদাংক অনুসরণে তৎপর ছিল।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বেও অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের মধ্যে ভীতি প্রদর্শনকারী প্রেরণ করেছিলাম।

সমকালীন বাংলা

এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব লক্ষ্য করুন, যাদেরকে ভীতিপ্রদর্শণ করা হয়েছিল, তাদের পরিণতি কি হয়েছে।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?

মুহিউদ্দীন খান

তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।

সমকালীন বাংলা

তবে আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।

মুহিউদ্দীন খান

আর নূহ আমাকে ডেকেছিল। আর কি চমৎকারভাবে আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম।

সমকালীন বাংলা

নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ আমাকে আহ্‌বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহাসংকট থেকে রক্ষা করেছিলাম।

সমকালীন বাংলা

তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম।

সমকালীন বাংলা

তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,

সমকালীন বাংলা

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্ববাসীর মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।

সমকালীন বাংলা

সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

আবদুস শহীদ নাসিম

সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এভাবেই সৎকর্ম পরায়নদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।

সমকালীন বাংলা

এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।

মুহিউদ্দীন খান

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

সমকালীন বাংলা

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমার বান্দাদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি অপরাপর সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।

সমকালীন বাংলা

অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।

মুহিউদ্দীন খান

আর নূহ পন্থীদেরই একজন ছিল ইব্রাহীম।

সমকালীন বাংলা

আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ইব্‌রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে তার পালনকর্তার নিকট সুষ্ঠু চিত্তে উপস্থিত হয়েছিল,

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে তার পিতা ও সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমরা কিসের উপাসনা করছ?

সমকালীন বাংলা

যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি ব্যতীত মিথ্যা উপাস্য কামনা করছ?

সমকালীন বাংলা

তােমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে অলীক ইলাহগুলিকে চাও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তােমরা কি ‌র পরিবর্তে অলীক ইলাহ্‌গুলিকে চাও ?

আবদুস শহীদ নাসিম

আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বজগতের পালনকর্তা সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কি?

সমকালীন বাংলা

‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’

আবদুস শহীদ নাসিম

‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে একবার তারকাদের প্রতি লক্ষ্য করল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো

মুহিউদ্দীন খান

এবং বললঃ আমি পীড়িত।

সমকালীন বাংলা

এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তার প্রতি পিঠ ফিরিয়ে চলে গেল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন?

সমকালীন বাংলা

পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?

সমকালীন বাংলা

‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে প্রবল আঘাতে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।

মুহিউদ্দীন খান

তখন লোকজন তার দিকে ছুটে এলো ভীত - সন্ত্রস্ত পদে।

সমকালীন বাংলা

তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ তোমরা স্বহস্ত নির্মিত পাথরের পূজা কর কেন?

সমকালীন বাংলা

সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নির্মাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করেছেন।

সমকালীন বাংলা

অথচ তা তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নর্মিাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করছেনে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘প্রকৃতপক্ষে ‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যাহা তৈরি কর তাহাও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ এর জন্যে একটি ভিত নির্মাণ কর এবং অতঃপর তাকে আগুনের স্তুপে নিক্ষেপ কর।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’

মুহিউদ্দীন খান

তারপর তারা তার বিরুদ্ধে মহা ষড়যন্ত্র আঁটতে চাইল, কিন্তু আমি তাদেরকেই পরাভূত করে দিলাম।

সমকালীন বাংলা

উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তেরর সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তের সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন।

সমকালীন বাংলা

সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর।

সমকালীন বাংলা

‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হল, তখন ইব্রাহীম তাকে বললঃ বৎস! আমি স্বপ্নে দেখিযে, তোমাকে যবেহ করছি; এখন তোমার অভিমত কি দেখ। সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। ‌র ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ ( চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন পিতা - পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে শায়িত করল।

সমকালীন বাংলা

যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্‌রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,

মুহিউদ্দীন খান

তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম,

সমকালীন বাংলা

তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাহাকে আহ্‌বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্‌রাহীম!

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে! আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

সমকালীন বাংলা

‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু।

সমকালীন বাংলা

আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার জন্যে এ বিষয়টি পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিয়েছি যে,

সমকালীন বাংলা

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীমের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

সমকালীন বাংলা

ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।

মুহিউদ্দীন খান

সে ছিল আমার বান্দাদের একজন।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছি ইসহাকের, সে সৎকর্মীদের মধ্য থেকে একজন নবী।

সমকালীন বাংলা

আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্‌হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।

মুহিউদ্দীন খান

তাকে এবং ইসহাককে আমি বরকত দান করেছি। তাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মী এবং কতক নিজেদের উপর স্পষ্ট জুলুমকারী।

সমকালীন বাংলা

আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্‌হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।

মুহিউদ্দীন খান

আমি অনুগ্রহ করেছিলাম মূসা ও হারুনের প্রতি।

সমকালীন বাংলা

আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ও তাদের সম্প্রদায়কে উদ্ধার করেছি মহা সংকট থেকে।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।

সমকালীন বাংলা

আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি উভয়কে দিয়েছিলাম সুস্পষ্ট কিতাব।

সমকালীন বাংলা

আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করেছিলাম।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,

সমকালীন বাংলা

আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।

মুহিউদ্দীন খান

মূসা ও হারুনের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

সমকালীন বাংলা

মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।

মুহিউদ্দীন খান

তারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

সমকালীন বাংলা

তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা উভয়েই ছিলো আমাদের দাসদের অন্তরভুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই ইলিয়াস ছিল রসূল।

সমকালীন বাংলা

ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

যখন সে তার সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি ভয় কর না ?

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি বা’আল দেবতার এবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে।

সমকালীন বাংলা

‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?

সমকালীন বাংলা

যনিি তা তোমাদের পালনর্কতা এবং তা তোমাদের র্পূবপুরুষদরে পালনর্কতা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌কে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের - প্রতিপালক তোমাদের প্রাক্তন পূর্বপুরুষদের ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে,

সমকালীন বাংলা

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।

মুহিউদ্দীন খান

ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!

সমকালীন বাংলা

ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবেই আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।

মুহিউদ্দীন খান

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।

সমকালীন বাংলা

সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় লূত ছিলেন রসূলগণের একজন।

সমকালীন বাংলা

লূতও ছিল রাসূলদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূতও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি তাকেও তার পরিবারের সবাইকে উদ্ধার করেছিলাম;

সমকালীন বাংলা

আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু এক বৃদ্ধাকে ছাড়া; সে অন্যান্যদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সমূলে উৎপাটিত করেছিলাম।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের ধ্বংস স্তুপের উপর দিয়ে গমন কর ভোর বেলায়

সমকালীন বাংলা

তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে

মুহিউদ্দীন খান

এবং সন্ধ্যায়, তার পরেও কি তোমরা বোঝ না?

সমকালীন বাংলা

সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?

মুহিউদ্দীন খান

আর ইউনুসও ছিলেন পয়গম্বরগণের একজন।

সমকালীন বাংলা

ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।

মুহিউদ্দীন খান

যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।

সমকালীন বাংলা

পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতেন,

সমকালীন বাংলা

যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতনে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে যদি ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা না করিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাঁকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত।

সমকালীন বাংলা

তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে এক বিস্তীর্ণ - বিজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।

সমকালীন বাংলা

পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্‌গত করিলাম.

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাঁকে, লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করলাম।

সমকালীন বাংলা

তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিশ্বাস স্থাপন করল অতঃপর আমি তাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র - সন্তান।

সমকালীন বাংলা

এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?

মুহিউদ্দীন খান

না কি আমি তাদের উপস্থিতিতে ফেরেশতাগণকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছি?

সমকালীন বাংলা

অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা আমি কি ফিরিশ্‌তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?

মুহিউদ্দীন খান

জেনো, তারা মনগড়া উক্তি করে যে,

সমকালীন বাংলা

দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:

মুহিউদ্দীন খান

সন্তান জন্ম দিয়েছেন। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

সমকালীন বাংলা

সন্তান জন্ম দয়িছেনে। নিশ্চয় তারা মথ্যিাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌ সন্তান জন্ম দিয়াছেন!’ উহারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি কি পুত্র - সন্তানের স্থলে কন্যা - সন্তান পছন্দ করেছেন?

সমকালীন বাংলা

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল? তোমাদের এ কেমন সিন্ধান্ত?

সমকালীন বাংলা

তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি অনুধাবন কর না?

সমকালীন বাংলা

তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?

মুহিউদ্দীন খান

না কি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলীল রয়েছে?

সমকালীন বাংলা

তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।

সমকালীন বাংলা

তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।

মুহিউদ্দীন খান

তারা ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।

সমকালীন বাংলা

উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা বলে তা থেকে পবিত্র।

সমকালীন বাংলা

তারা যা বলে তা থাকলে পবত্রি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যাহা বলে তাহা হইতে ‌ পবিত্র, মহান -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।

মুহিউদ্দীন খান

তবে যারা আল্লাহর নিষ্ঠাবান বান্দা, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে না।

সমকালীন বাংলা

তবে যারা আল্লাহর নষ্ঠিাবান বান্দা, তারা গ্রফেতার হয়ে আসবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র একনিষ্ঠ বান্দাগণ ব্যতিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব তোমরা এবং তোমরা যাদের উপাসনা কর,

সমকালীন বাংলা

তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাউকেই তোমরা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

সমকালীন বাংলা

তাদরে কাউকইে তােমরা সর্ম্পকে বভ্রিান্ত করতে পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কাহাকেও ‌ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিতে পারিবে না -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

মুহিউদ্দীন খান

শুধুমাত্র তাদের ছাড়া যারা জাহান্নামে পৌছাবে।

সমকালীন বাংলা

কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট স্থান।

সমকালীন বাংলা

আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরাই সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান থাকি।

সমকালীন বাংলা

আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি।

সমকালীন বাংলা

‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা তো বলতঃ

সমকালীন বাংলা

উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তো বলে আসছে:

মুহিউদ্দীন খান

যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কোন উপদেশ থাকত,

সমকালীন বাংলা

পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,

মুহিউদ্দীন খান

তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম।

সমকালীন বাংলা

তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনােনীত বান্দা হতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা অবশ্যই ‌র একনিষ্ঠ বান্দা হইতাম।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

বস্তুতঃ তারা এই কোরআনকে অস্বীকার করেছে। এখন শীঘ্রই তারা জেনে নিতে পারবে,

সমকালীন বাংলা

কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।

মুহিউদ্দীন খান

আমার রাসূল ও বান্দাগণের ব্যাপারে আমার এই বাক্য সত্য হয়েছে যে,

সমকালীন বাংলা

আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,

মুহিউদ্দীন খান

অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হয়।

সমকালীন বাংলা

অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী।

সমকালীন বাংলা

এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।

সমকালীন বাংলা

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে দেখতে থাকুন। শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।

সমকালীন বাংলা

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমার আযাব কি তারা দ্রুত কামনা করে?

সমকালীন বাংলা

উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্নিত করিতে চায়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন তাদের আঙ্গিনায় আযাব নাযিল হবে, তখন যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল, তাদের সকাল বেলাটি হবে খুবই মন্দ।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।

সমকালীন বাংলা

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং দেখতে থাকুন, শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।

সমকালীন বাংলা

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।

মুহিউদ্দীন খান

পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।

সমকালীন বাংলা

উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

সমকালীন বাংলা

শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সালাম রসূলদের প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।

সমকালীন বাংলা

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক ‌রই প্রাপ্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের জন্যে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme