Kitab

আল ফুরকান

Chapter 25, 77 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • সমকালীন বাংলা
  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান

পরম কল্যাণময় তিনি যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফয়সালার গ্রন্থ অবর্তীণ করেছেন, যাতে সে বিশ্বজগতের জন্যে সতর্ককারী হয়,।

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; কত মহান তিনি যিনি তাঁহার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন যাহাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হইতে পারে!

জহুরুল হক

মহামহিম তিনি যিনি তাঁর দাসের কাছে অবতারণ করেছেন এই ফুরক্কান যেন তিনি বিশ্বমানবের জন্য একজন সতর্ককারী হতে পারেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত মহান তিনি যিনি তাঁহার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন যাহাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হইতে পারে!

মুহিউদ্দীন খান

তিনি হলেন যাঁর রয়েছে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব। তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেননি। রাজত্বে তাঁর কোন অংশীদার নেই। তিনি প্রত্যেক বস্তু সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে শোধিত করেছেন পরিমিতভাবে।

সমকালীন বাংলা

যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্বের অধিকারী ; তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেন নাই ; সার্বভৌমত্বে তাঁহার কোন শরীক নাই। তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেককে পরিমিত করিয়াছেন যথাযথ অনুপাতে।

জহুরুল হক

তিনিই - - মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব তাঁরই, আর তিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেন নি, আর সেই সাম্রাজ্যে তাঁর কোনো শরিকও নেই, আর তিনিই সব - কিছু সৃষ্টি করেছেন, তারপর তাকে বিশেষ পরিমাপে পরিমিত রূপ দিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্বের অধিকারী ; তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেন নাই ; সার্বভৌমত্বে তাঁহার কোন শরীক নাই। তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেককে পরিমিত করিয়াছেন যথাযথ অনুপাতে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাঁর পরিবর্তে কত উপাস্য গ্রহণ করেছে, যারা কিছুই সৃষ্টি করে না এবং তারা নিজেরাই সৃষ্ট এবং নিজেদের ভালও করতে পারে না, মন্দও করতে পারে না এবং জীবন, মরণ ও পুনরুজ্জীবনের ও তারা মালিক নয়।

সমকালীন বাংলা

আর তাহারা তাঁহার পরিবর্তে ইলাহরূপে গ্রহণ করিয়াছে অন্যদেরকে, যাহারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং উহারা নিজেরাই সৃষ্ট এবং উহারা নিজেদের অপকার অথবা উপকার করিবার ক্ষমতা রাখে না এবং মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না।

জহুরুল হক

তবুও তারা তাঁকে ছেড়ে দিয়ে অন্য উপাস্যদের গ্রহণ করেছে যারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং তাদের নিজেদেরকেই সৃষ্টি করা হয়েছে, আর তারা নিজেদের জন্য অনিষ্ট করতে সামর্থ্য রাখে না, আর উপকার করতেও নয়, আর তারা মৃত্যু ঘটাতে ক্ষমতা রাখে না, আর জীবন দিতেও নয়, কিংবা পুনরুত্থানের ক্ষেত্রেও নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহারা তাঁহার পরিবর্তে ইলাহ্‌রূপে গ্রহণ করিয়াছে অন্যদেরকে, যাহারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং উহারা নিজেরাই সৃষ্ট এবং উহারা নিজেদের অপকার অথবা উপকার করিবার ক্ষমতা রাখে না এবং মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলে, এটা মিথ্যা বৈ নয়, যা তিনি উদ্ভাবন করেছেন এবং অন্য লোকেরা তাঁকে সাহায্য করেছে। অবশ্যই তারা অবিচার ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।

সমকালীন বাংলা

কাফিররা বলে, ‘ইহা মিথ্যা ব্যতীত কিছুই নয়, সে ইহা উদ্ভাবন করিয়াছে এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক তাহাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করিয়াছে।’ এইরূপে উহারা অবশ্যই জুলুম ও মিথ্যায় উপনীত হইয়াছে।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে - - ''এইটি তো মিথ্যা বৈ নয় যা সে তৈরি করেছে এবং অন্যান্য লোকজন এ তে তাকে সাহায্য করেছে।’’ সুতরাং তারা অনাচার ও মিথ্যাচার নিয়ে এসেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা বলে, ‘ইহা মিথ্যা ব্যতীত কিছুই নয়, সে ইহা উদ্ভাবন করিয়াছে এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক তাহাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করিয়াছে।’ এইরূপে উহারা অবশ্যই জুলুম ও মিথ্যায় উপনীত হইয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, এগুলো তো পুরাকালের রূপকথা, যা তিনি লিখে রেখেছেন। এগুলো সকাল - সন্ধ্যায় তাঁর কাছে শেখানো হয়।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলে, ‘এইগুলি তো সেকালের উপকথা, যাহা সে লিখাইয়া লইয়াছে; এইগুলি সকালসন্ধ্যায় যা তাহার নিকট পাঠ করা হয়।’

জহুরুল হক

আর তারা বললে - - ''সেকালের উপকথা - - এ - সব সে লিখিয়ে নিয়েছে, আর এগুলো তার কাছে আবৃত্তি করা হয় সকালে ও সন্ধ্যায়।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘এইগুলি তো সেকালের উপকথা, যাহা সে লিখাইয়া লইয়াছে; এইগুলি সকাল - সন্ধ্যা তাহার নিকট পাঠ করা হয়।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, একে তিনিই অবতীর্ণ করেছেন, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন রহস্য অবগত আছেন। তিনি ক্ষমাশীল, মেহেরবান।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘ইহা তিনিই অবতীর্ণ করিয়াছেন যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমুদয় রহস্য অবগত আছেন ; নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''এটি অবতারণ করেছেন তিনি যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রহস্য সব জানেন। তিনি অশ্যই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘ইহা তিনিই অবতীর্ণ করিয়াছেন যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমুদয় রহস্য অবগত আছেন ; নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, এ কেমন রসূল যে, খাদ্য আহার করে এবং হাটে - বাজারে চলাফেরা করে? তাঁর কাছে কেন কোন ফেরেশতা নাযিল করা হল না যে, তাঁর সাথে সতর্ককারী হয়ে থাকত?

সমকালীন বাংলা

উহারা বলে, ‘এ কেমন রাসূল’ যে আহার করে এবং হাটে - বাজারে চলাফেরা করে ; তাহার নিকট কোন ফিরিশ্তা কেন অবতীর্ণ করা হইল না, যে তাহার সঙ্গে থাকিত সতর্ককারীরূপে?’

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''এ কেমন ধরনের রসূল, সে খাবার খায় ও হাটে - বাজারে চলাফেরা করে? তার কাছে কেন একজন ফিরিশতা পাঠানো হ’ল না, যাতে সে তার সঙ্গে সতর্ককারী হতে পারতো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘এ কেমন রাসূল’ যে আহার করে এবং হাটে - বাজারে চলাফেরা করে ; তাহার নিকট কোন ফিরিশ্‌তা কেন অবতীর্ণ করা হইল না, যে তাহার সঙ্গে থাকিত সতর্ককারীরূপে?’

মুহিউদ্দীন খান

অথবা তিনি ধন - ভান্ডার প্রাপ্ত হলেন না কেন, অথবা তাঁর একটি বাগান হল না কেন, যা থেকে তিনি আহার করতেন? জালেমরা বলে, তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।

সমকালীন বাংলা

অথবা তাহাকে ধনভাণ্ডার দেওয়া হয় না কেন অথবা তাহার একটি বাগান নাই কেন, যাহা হইতে সে আহার সংগ্রহ করিতে পারে?’ সীমালংঘনকারীরা আরও বলে, ‘তোমরা তো এক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করিতেছ।’

জহুরুল হক

''অথবা তার কাছে ধনভান্ডার পাঠিয়ে দেওয়া হতো, অথবা তার জন্য একটি বাগান থাকত যা থেকে সে খেতো?’’ আর অন্যায়াচারীরা বলে - - ''তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত লোককেই অনুসরণ করছ!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা তাহাকে ধনভাণ্ডার দেওয়া হয় না কেন অথবা তাহার একটি বাগান নাই কেন, যাহা হইতে সে আহার সংগ্রহ করিতে পারে?’ সীমালংঘনকারীরা আরও বলে, ‘তোমরা তো এক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করিতেছ।’

মুহিউদ্দীন খান

দেখুন, তারা আপনার কেমন দৃষ্টান্ত বর্ণনা করে! অতএব তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে, এখন তারা পথ পেতে পারে না।

সমকালীন বাংলা

দেখ, উহারা তোমার কী উপমা দেয়! উহারা পথভ্রষ্ট হইয়াছে, ফলে উহারা পথ পাইবে না।

জহুরুল হক

দেখ, তারা কেমনভাবে তোমার প্রতি উপমা প্রয়োগ করে! সুতরাং তারা বিপথে গেছে, কাজেই তারা পথের দিশা পাচ্ছে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দেখ, উহারা তোমার কী উপমা দেয়! উহারা পথভ্রষ্ট হইয়াছে, ফলে উহারা পথ পাইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

কল্যানময় তিনি, যিনি ইচ্ছা করলে আপনাকে তদপেক্ষা উত্তম বস্তু দিতে পারেন - বাগ - বাগিচা, যার তলদেশে নহর প্রবাহিত হয় এবং দিতে পারেন আপনাকে প্রাসাদসমূহ।

সমকালীন বাংলা

কত মহান তিনি যিনি ইচ্ছা করিলে তোমাকে দিতে পারেন ইহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বস্তু - উদ্যানসমূহ যাহার নিম্নদেশেনদী - নালা প্রবাহিত এবং তিনি দিতে পারেন তোমাকে প্রাসাদসমূহ!

জহুরুল হক

মহামহিম তিনি যিনি ইচ্ছা করলে তোমার জন্য এর চেয়েও শ্রেষ্ঠ বস্তু তৈরি করতে পারেন - - বাগানসমূহ যাদের নিচ দিয়ে বয়ে চলে ঝরনারাজি, আর তোমার জন্য তৈরি করতে পারেন প্রাসাদ - সমূহ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত মহান তিনি যিনি ইচ্ছা করিলে তোমাকে দিতে পারেন ইহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বস্তু - উদ্যানসমূহ যাহার নিম্নদেশে নদী - নালা প্রবাহিত এবং তিনি দিতে পারেন তোমাকে প্রাসাদসমূহ!

মুহিউদ্দীন খান

বরং তারা কেয়ামতকে অস্বীকার করে এবং যে কেয়ামতকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করেছি।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু উহারা কিয়ামতকে অস্বীকার করিয়াছে এবং যে কিয়ামতকে অস্বীকার করে তাহার জন্য আমি প্রস্তুত রাখিয়াছি জ্বলন্ত অগ্নি।

জহুরুল হক

তথাপি তারা ঘড়িঘন্টাকে অস্বীকার করে, আর যে কেউ ঘড়িঘন্টাকে মিথ্যা বলে তার জন্য আমরা তৈরি রেখেছি এক জ্বলন্ত আগুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা কিয়ামতকে অস্বীকার করিয়াছে এবং যে কিয়ামতকে অস্বীকার করে তাহার জন্য আমি প্রস্তুত রাখিয়াছি জ্বলন্ত অগ্নি।

মুহিউদ্দীন খান

অগ্নি যখন দূর থেকে তাদেরকে দেখবে, তখন তারা শুনতে পাবে তার গর্জন ও হুঙ্কার।

সমকালীন বাংলা

দূর হইতে অগ্নি যখন উহাদেরকে দেখিবে তখন উহারা শুনিতে পাইবে ইহার তর্জন গর্জন ও চীৎকার;

জহুরুল হক

যখন এটি দূর জায়গা থেকে তাদের দেখতে পাবে তখন থেকেই তারা এর ত্রুদ্ধ গর্জন ও হুংকার শুনতে পাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দূর হইতে অগ্নি যখন উহাদেরকে দেখিবে তখন উহারা শুনিতে পাইবে ইহার ক্রুদ্ধ গর্জন ও চীৎকার;

মুহিউদ্দীন খান

যখন এক শিকলে কয়েকজন বাঁধা অবস্থায় জাহান্নামের কোন সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষেপ করা হবে, তখন সেখানে তারা মৃত্যুকে ডাকবে।

সমকালীন বাংলা

এবং যখন উহাদেরকে শৃংখলিত অবস্থায় উহার কোন সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষেপ করা হইবে তখন উহারা সেখানে ধ্বংস কামনা করিবে।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের শৃঙ্খলিত অবস্থায় এর মধ্যের এক সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা সেইখানেই ধ্বংস হওয়া আহ্বান করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন উহাদেরকে শৃংখলিত অবস্থায় উহার কোন সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষেপ করা হইবে তখন উহারা সেখানে ধ্বংস কামনা করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

বলা হবে, আজ তোমরা এক মৃত্যুকে ডেকো না অনেক মৃত্যুকে ডাক।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে বলা হইবে, ‘আজ তোমরা একবারের জন্য ধ্বংস কামনা করিও না, বহুবার ধ্বংস হইবার কামনা করিতে থাক।’

জহুরুল হক

''আজকের দিনে তোমরা একবারের ধ্বংসের জন্য কামনা করো না, বরং বহুবার ধ্বংস হওয়ার দোয়া করতে থাক!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে বলা হইবে, ‘আজ তোমরা একবারের জন্য ধ্বংস কামনা করিও না, বহুবার ধ্বংস হইবার কামনা করিতে থাক।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন এটা উত্তম, না চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার সুসংবাদ দেয়া হয়েছে মুত্তাকীদেরকে? সেটা হবে তাদের প্রতিদান ও প্রত্যাবর্তন স্থান।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘ইহাই শ্রেয়, না স্থায়ী জান্নাত, যাহার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে মুত্তাকীদেরকে?’ ইহাই তো তাহাদের পুরস্কার ও প্রত্যাবর্তনস্থল।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''এইটি কি ভাল, না চিরস্থায়ীস্বর্গোদ্যান যা ওয়াদা করা হয়েছে ধর্মনিষ্ঠদের জন্য?’’ তা হচ্ছে তাদের জন্য পুরস্কার ও গন্তব্যস্থল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘ইহাই শ্রেয়, না স্থায়ী জান্নাত, যাহার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে মুত্তাকীদেরকে?’ ইহাই তো তাহাদের পুরস্কার ও প্রত্যাবর্তনস্থল।

মুহিউদ্দীন খান

তারা চিরকাল বসবাসরত অবস্থায় সেখানে যা চাইবে, তাই পাবে। এই প্রার্থিত ওয়াদা পূরণ আপনার পালনকর্তার দায়িত্ব।

সমকালীন বাংলা

সেখানে তাহারা যাহা চাহিবে তাহাদের জন্য তাহাই থাকিবে এবং তাহারা স্থায়ী হইবে; এই প্রতিশ্রুতি পূরণ তোমার প্রতিপালকেরই দায়িত্ব।

জহুরুল হক

সেখানে তাদের জন্য রয়েছে যা তারা কামনা করে, তারা স্থায়ীভাবে অবস্থান করবে। এইটি তোমার প্রভুর উপরে ন্যস্ত ওয়াদা যা প্রার্থিত হবার যোগ্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা যাহা চাহিবে তাহাদের জন্য তাহাই থাকিবে এবং তাহারা স্থায়ী হইবে; এই প্রতিশ্রুতি পূরণ তোমার প্রতিপালকেরই দায়িত্ব।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন একত্রিত করবেন তাদেরকে এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের এবাদত করত তাদেরকে, সেদিন তিনি উপাস্যদেরকে বলবেন, তোমরাই কি আমার এই বান্দাদেরকে পথভ্রান্ত করেছিলে, না তারা নিজেরাই পথভ্রান্ত হয়েছিল?

সমকালীন বাংলা

এবং যেদিন তিনি একত্র করিবেন উহাদেরকে এবং উহারা পরিবর্তে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহাদেরকে, সেদিন তিনি জিজ্ঞাসা করিবেন, ‘তোমরাই কি আমার এই বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলে, না উহারা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হইয়াছিল?’

জহুরুল হক

আর সেইদিন তাদের তিনি একত্রিত করবেন আর ‌কে বাদ দিয়ে যাদের তারা উপাসনা করত তাদেরও, তখন তিনি বললেন - - ''এ কি তোমরা! তোমরাই কি আমার এইসব বান্দাদের বিভ্রান্ত করেছিলে, না কি তারা স্বয়ং পথ ছেড়ে বিপথে গিয়েছিল?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যেদিন তিনি একত্র করিবেন উহাদেরকে এবং উহারা ‌র পরিবর্তে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহাদেরকে, সেদিন তিনি জিজ্ঞাসা করিবেন, ‘তোমরাই কি আমার এই বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলে, না উহারা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হইয়াছিল?’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবে - আপনি পবিত্র, আমরা আপনার পরিবর্তে অন্যকে মুরুব্বীরূপে গ্রহণ করতে পারতাম না; কিন্তু আপনিই তো তাদেরকে এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরকে ভোগসম্ভার দিয়েছিলেন, ফলে তারা আপনার স্মৃতি বিস্মৃত হয়েছিল এবং তারা ছিল ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতি।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলিবে, ‘পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিতে পারি না; তুমিই তো ইহাদেরকে এবং ইহাদের পিতৃপুরুষদেরকে ভোগসম্ভার দিয়াছিলে; পরিণামে উহারা উপদেশ বিস্মৃত হইয়াছিল এবং পরিণত হইয়াছিল এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিতে।

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''তোমারই সব মহিমা! এটি আমাদের জন্য সমীচীন নয় যে তোমাকে বাদ দিয়ে আমরা অন্যান্য অভিভাবকদের গ্রহণ করব। কিন্তু তুমি তাদের ও তাদের পিতৃপুরুষদের ভোগসম্ভার দিয়েছিলে, পরিণামে তারা ভুলে গিয়েছিল সাবধান - বাণী, ফলে তারা হয়েছিল একটি বিনষ্ট জাতি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিবে, ‘পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিতে পারি না; তুমিই তো ইহাদেরকে এবং ইহাদের পিতৃপুরুষদেরকে ভোগসম্ভার দিয়াছিলে; পরিণামে উহারা উপদেশ বিস্মৃত হইয়াছিল এবং পরিণত হইয়াছিল এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিতে।

মুহিউদ্দীন খান

মুশরিকদেরকে বলবেন, তোমাদের কথা তো তারা মিথ্যা সাব্যস্ত করল, এখন তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং সাহায্যও করতে পারবে না। তোমাদের মধ্যে যে গোনাহগার আমি তাকে গুরুতর শাস্তি আস্বাদন করাব।

সমকালীন বাংলা

মুশরিকদেরকে বলিবেন, ‘তোমরা যাহা বলিতে উহারা তাহা মিথ্যা সাব্যস্ত করিয়াছে। সুতরাং তোমরা শাস্তিপ্রতিরোধ করিতে পারিবে না এবং সাহায্যও পাইবে না। তোমাদের মধ্যে যে সীমালংঘন করিবে আমি তাহাকে মহাশাস্তি আস্বাদ করাইব।’

জহুরুল হক

''সুতরাং তোমরা যা বলছ সে - সন্বন্ধে তারা তো তোমাদের মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে, কাজেই তোমরা প্রতিরোধ করতে পারবে না, আর সাহায্যও পাবে না। আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ অন্যায় করেছে তাকে আমরা বিরাট শাস্তি আস্বাদন করাব।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ মুশরিকদেরকে বলিবেন, ‘তোমরা যাহা বলিতে উহারা তাহা মিথ্যা সাব্যস্ত করিয়াছে। সুতরাং তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করিতে পারিবে না এবং সাহায্যও পাইবে না। তোমাদের মধ্যে যে সীমালংঘন করিবে আমি তাহাকে মহাশাস্তি আস্বাদ করাইব।’

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে যত রসূল প্রেরণ করেছি, তারা সবাই খাদ্য গ্রহণ করত এবং হাটে - বাজারে চলাফেরা করত। আমি তোমাদের এককে অপরের জন্যে পরীক্ষাস্বরূপ করেছি। দেখি, তোমরা সবর কর কিনা। আপনার পালনকর্তা সব কিছু দেখেন।

সমকালীন বাংলা

তোমার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করিয়াছি তাহারা সকলেই তো আহার করিত ও হাটেবাজারে চলাফেরা করিত। হে মানুষ ! আমি তোমাদের মধ্যে এক - কে অপরের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ করিয়াছি। তোমরা ধৈর্য ধারণ করিবে কি? তোমার প্রতিপালক সমস্ত কিছু দেখেন।

জহুরুল হক

আর তোমার আগে আমরা এমন কোনো রসূল পাঠাই নি যাঁরা নিঃসন্দেহ খাবার না খেয়েছেন ও হাটে - বাজারে চলাফেরা না করেছেন। আর আমরা তোমাদের কাউকে অপরদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ দাঁড় করিয়েছি। তোমরা কি অধ্যবসায় চালিয়ে যাবে? আর তোমার প্রভু সর্বদ্রষ্টা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করিয়াছি তাহারা সকলেই তো আহার করিত ও হাটেবাজারে চলাফেরা করিত। হে মানুষ ! আমি তোমাদের মধ্যে এক - কে অপরের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ করিয়াছি। তোমরা ধৈর্য ধারণ করিবে কি? তোমার প্রতিপালক সমস্ত কিছু দেখেন।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আমার সাক্ষাৎ আশা করে না, তারা বলে, আমাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ করা হল না কেন? অথবা আমরা আমাদের পালনকর্তাকে দেখি না কেন? তারা নিজেদের অন্তরে অহংকার পোষণ করে এবং গুরুতর অবাধ্যতায় মেতে উঠেছে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা আমার সাক্ষাৎ কামনা করে না তাহারা বলে, ‘আমাদের নিকট ফিরিশতা অবতীর্ণ করা হয় না কেন? অথবা আমরা আমাদের প্রতিপালককে প্রত্যক্ষ করি না কেন? উহারা তো উহাদের অন্তরে অহংকার পোষণ করে এবং উহারা সীমালংঘন করিয়াছে গুরুতররূপে।

জহুরুল হক

আর যারা আমাদের সাথে মোলাকাতের কামনা করে না তারা বলে - - ''কেন আমাদের কাছে ফিরিশ্‌তাদের পাঠানো হয় না, অথবা আমাদের প্রভুকেই বা কেন আমরা দেখতে পাই না?’’ তারা তাদের নিজেদের সন্বন্ধে নিশ্চয়ই বড়াই করছে, আর বড় বাড় বেড়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার সাক্ষাৎ কামনা করে না তাহারা বলে, ‘আমাদের নিকট ফিরিশতা অবতীর্ণ করা হয় না কেন? অথবা আমরা আমাদের প্রতিপালককে প্রত্যক্ষ করি না কেন? উহারা তো উহাদের অন্তরে অহংকার পোষণ করে এবং উহারা সীমালংঘন করিয়াছে গুরুতররূপে।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখবে, সেদিন অপরাধীদের জন্যে কোন সুসংবাদ থাকবে না এবং তারা বলবে, কোন বাধা যদি তা আটকে রাখত।

সমকালীন বাংলা

যেদিন উহারা ফিরিশ্তাদেরকে প্রত্যক্ষ করিবে সেদিন অপরাধীদের জন্য সুসংবাদ থাকিবে না এবং উহারা বলিবে, ‘রক্ষা কর, রক্ষা কর।’

জহুরুল হক

যেদিন তারা ফিরিশ্‌তাদের দেখতে পাবে সেইদিন অপরাধীদের জন্য কোনো খোশখবর থাকবে না, আর তারা বলবে - - ''অলঙ্ঘনীয় ব্যবধান হোক।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন উহারা ফিরিশ্‌তাদেরকে প্রত্যক্ষ করিবে সেদিন অপরাধীদের জন্য সুসংবাদ থাকিবে না এবং উহারা বলিবে, ‘রক্ষা কর, রক্ষা কর।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদের কৃতকর্মের প্রতি লক্ষ্য করিব, অতঃপর সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করিব।

জহুরুল হক

আর তারা কাজকর্মের যা করেছে তা আমরা বিবেচনা করব, তারপর তাকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা বানিয়ে দেব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের কৃতকর্মের প্রতি লক্ষ্য করিব, অতঃপর সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করিব।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন জান্নাতীদের বাসস্থান হবে উত্তম এবং বিশ্রামস্থল হবে মনোরম।

সমকালীন বাংলা

সেই দিন হইবে জান্নাত বাসীদের বাসস্থান উৎকৃষ্ট এবং বিশ্রামস্থল মনোরম।

জহুরুল হক

স্বর্গোদ্যানের বাসিন্দারা সেদিন পাবে উৎকৃষ্ট বাসস্থান ও সুন্দরতর বিশ্রামস্থল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন হইবে জান্নাতবাসীদের বাসস্থান উৎকৃষ্ট এবং বিশ্রামস্থল মনোরম।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে এবং সেদিন ফেরেশতাদের নামিয়ে দেয়া হবে,

সমকালীন বাংলা

আর সেই দিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হইবে এবং ফিরিশতাদেরকে নামাইয়া দেওয়া হইবে -

জহুরুল হক

আর সেই দিন আকাশ বিদীর্ণ হবে মেঘমালার সঙ্গে, আর ফিরিশতাদের পাঠানো হবে পাঠানোর মতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সেই দিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হইবে এবং ফিরিশতাদেরকে নামাইয়া দেওয়া হইবে -

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন সত্যিকার রাজত্ব হবে দয়াময় আল্লাহর এবং কাফেরদের পক্ষে দিনটি হবে কঠিন।

সমকালীন বাংলা

সেই দিন কর্তৃত্ব হইবে বস্তুত দয়াময়ের এবং কাফিরদের জন্য সেই দিন হইবে কঠিন।

জহুরুল হক

সার্বভৌমত্ব সেইদিন সত্যি - সত্যি পরম করুণাময়ের। আর অবিশ্বাসীদের জন্য সেই দিনটি হবে বড় কঠিন!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন কর্তৃত্ব হইবে বস্তুত দয়াময়ের এবং কাফিরদের জন্য সেই দিন হইবে কঠিন।

মুহিউদ্দীন খান

জালেম সেদিন আপন হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, হায় আফসোস! আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বন করতাম।

সমকালীন বাংলা

ব্যক্তি সেই দিন নিজ হস্তদ্বয় দংশন করিতে করিতে বলিবে, ‘হায়, আমি যদি রাসূলের সঙ্গে সৎপথ অবলম্বন করিতাম!

জহুরুল হক

আর সেইদিন অন্যায়কারী তার হাত কামড়াবে এই বলে - - ''হায় আমার দুর্ভোগ! আমি যদি রসূলের সঙ্গে পথ অবলন্বন করতাম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ব্যক্তি সেই দিন নিজ হস্তদ্বয় দংশন করিতে করিতে বলিবে, ‘হায়, আমি যদি রাসূলের সঙ্গে সৎপথ অবলম্বন করিতাম!

মুহিউদ্দীন খান

হায় আমার দূর্ভাগ্য, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।

সমকালীন বাংলা

‘হায়, দুর্ভোগ আমার, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করিতাম!

জহুরুল হক

''হায়! কি আফসোস! আমি যদি এমন একজনকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হায়, দুর্ভোগ আমার, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করিতাম!

মুহিউদ্দীন খান

আমার কাছে উপদেশ আসার পর সে আমাকে তা থেকে বিভ্রান্ত করেছিল। শয়তান মানুষকে বিপদকালে ধোঁকা দেয়।

সমকালীন বাংলা

‘আমাকে তো সে বিভ্রান্ত করিয়াছিল আমার নিকট উপদেশ পৌঁছিবার পর।’ শয়তান তো মানুষের জন্য মহাপ্রতারক।

জহুরুল হক

''আমাকে তো সে বিভ্রান্তিতে নিয়েই গেছে স্মারকগ্রন্থ থেকে তা আমার কাছে আসার পরে! আর শয়তান মানুষের জন্য সদা হতাশকারী।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাকে তো সে বিভ্রান্ত করিয়াছিল আমার নিকট উপদেশ পৌঁছিবার পর।’ শয়তান তো মানুষের জন্য মহাপ্রতারক।

মুহিউদ্দীন খান

রসূল বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় এই কোরআনকে প্রলাপ সাব্যস্ত করেছে।

সমকালীন বাংলা

রাসূল বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার সম্প্রদায় তো এই কুরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করে।’

জহুরুল হক

আর রসূল বলছেন - - ''হে আমার প্রভু! নিঃসন্দেহ আমার স্বজাতি এই কুরআনকে পরিত্যজ্য বলে ধরে নিয়েছিল। ’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাসূল বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার সম্প্রদায় তো এই কুরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করে।’

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে প্রত্যেক নবীর জন্যে আমি অপরাধীদের মধ্য থেকে শত্রু করেছি। আপনার জন্যে আপনার পালনকর্তা পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট।

সমকালীন বাংলা

বলেন, এইভাবেই প্রত্যেক নবীর শত্রু করিয়াছিলাম আমি অপরাধীদেরকে। তোমার জন্য তোমার প্রতিপালকই পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট।’

জহুরুল হক

আর এইভাবেই আমরা প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু সৃষ্টি করেছি অপরাধীদের মধ্যে থেকে। আর তোমার প্রভুই পথপ্রদর্শক ও সহায়করূপে যথেষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলেন, এইভাবেই প্রত্যেক নবীর শত্রু করিয়াছিলাম আমি অপরাধীদেরকে। তোমার জন্য তোমার প্রতিপালকই পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট।’

মুহিউদ্দীন খান

সত্য প্রত্যাখানকারীরা বলে, তাঁর প্রতি সমগ্র কোরআন একদফায় অবতীর্ণ হল না কেন? আমি এমনিভাবে অবতীর্ণ করেছি এবং ক্রমে ক্রমে আবৃত্তি করেছি আপনার অন্তকরণকে মজবুত করার জন্যে।

সমকালীন বাংলা

কাফিররা বলে, ‘সমগ্র কুরআন তাহার নিকট একবার অবতীর্ণ হইল না কেন? এইভাবেই আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তোমার হৃদয়কে উহা দ্বারা মযবুত করিবার জন্য এবং তাহা ক্রমে ক্রমেস্পষ্টভাবে আবৃত্তি করিয়াছি।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে - - ''তাঁর কাছে কুরআনখানা সমগ্রভাবে একেবারে অবতীর্ণ হ’ল না কেন?’’ এইভাবেই - - যেন এর দ্বারা তোমার হৃদয়কে আমরা সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারি, আর আমরা একে সাজিয়েছি সাজানোর মতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা বলে, ‘সমগ্র কুরআন তাহার নিকট একবার অবতীর্ণ হইল না কেন? এইভাবেই আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তোমার হৃদয়কে উহা দ্বারা মযবুত করিবার জন্য এবং তাহা ক্রমে ক্রমে স্পষ্টভাবে আবৃত্তি করিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনার কাছে কোন সমস্যা উপস্থাপিত করলেই আমি আপনাকে তার সঠিক জওয়াব ও সুন্দর ব্যাখ্যা দান করি।

সমকালীন বাংলা

উহারা তোমার নিকট এমন কোন সমস্যা উপস্থিত করে না, যাহার সঠিক সমাধান ও সুন্দর ব্যাখ্যা আমি তোমাকে দান করি না।

জহুরুল হক

আর তারা তোমার কাছে নিয়ে আসতে পারবে না কোনো সমস্যা, আমরা কিন্তু তোমার নিকট নিয়ে আসব প্রকৃত - সত্য ও শ্রেষ্ঠ - সুন্দর ব্যাখ্যা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তোমার নিকট এমন কোন সমস্যা উপস্থিত করে না, যাহার সঠিক সমাধান ও সুন্দর ব্যাখ্যা আমি তোমাকে দান করি না।

মুহিউদ্দীন খান

যাদেরকে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা অবস্থায় জাহান্নামের দিকে একত্রিত করা হবে, তাদেরই স্থান হবে নিকৃষ্ট এবং তারাই পথভ্রষ্ট।

সমকালীন বাংলা

যাহাদেরকে মুখে ভর দিয়া চলা অবস্থায় জাহান্নামের দিকে একত্র করা হইবে, উহারা স্থানের দিক দিয়া অতি নিকৃষ্ট এবং অধিক পথভ্রষ্ট।

জহুরুল হক

তাদের মুখ - থুবড়ে - পড়া অবস্থায় যাদের জাহান্নামের দিকে একত্রিত করা হবে তারাই হবে অবস্থার দিক দিয়ে অতি নিকৃষ্ট আর পথের দিক দিয়ে বড়ই পথভ্রষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদেরকে মুখে ভর দিয়া চলা অবস্থায় জাহান্নামের দিকে একত্র করা হইবে, উহারা স্থানের দিক দিয়া অতি নিকৃষ্ট এবং অধিক পথভ্রষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং তাঁর সাথে তাঁর ভ্রাতা হারুনকে সাহায্যকারী করেছি।

সমকালীন বাংলা

আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়াছিলাম এবং তাহার সঙ্গে তাহার ভ্রাতা হারূনকে সাহায্যকারী করিয়াছিলাম,

জহুরুল হক

আর ইতিপূর্বে আমরা মূসাকে ধর্মগ্রন্থ দিয়েছিলাম, আর তাঁর সঙ্গে তাঁর ভাই হারূনকে সহায়ক বানিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়াছিলাম এবং তাহার সঙ্গে তাহার ভ্রাতা হারূনকে সাহায্যকারী করিয়াছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি বলেছি, তোমরা সেই সম্প্রদায়ের কাছে যাও, যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা অভিহিত করেছে। অতঃপর আমি তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দিয়েছি।

সমকালীন বাংলা

এবং বলিয়াছিলাম, ‘তোমরা সেই সম্প্রদায়ের নিকট যাও যাহারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করিয়াছে।’ অতঃপর আমি উহাদেরকে সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করিয়াছিলাম।

জহুরুল হক

কাজেই আমরা বলেছিলাম - - ''তোমরা দুজনে চলে যাও সেই লোকদের কাছে যারা আমাদের নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করেছে।’’ পরিণামে আমরা তাদের ধ্বংস করেছিলাম পূর্ণ বিধ্বংসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিয়াছিলাম, ‘তোমরা সেই সম্প্রদায়ের নিকট যাও যাহারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করিয়াছে।’ অতঃপর আমি উহাদেরকে সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করিয়াছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

নূহের সম্প্রদায় যখন রসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করল, তখন আমি তাদেরকে নিমজ্জত করলাম এবং তাদেরকে মানবমন্ডলীর জন্যে নিদর্শন করে দিলাম। জালেমদের জন্যে আমি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।

সমকালীন বাংলা

এবং নূহের সম্প্রদায়কেও, যখন তাহারা রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিল তখন আমি উহাদেরকে নিমজ্জিত করিলাম এবং উহাদেরকে মানবজাতির জন্য নিদর্শনস্বরূপ করিয়া রাখিলাম। জালিমদের জন্য আমি মর্মন্তুদ শাস্তি প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছি।

জহুরুল হক

আর নূহের স্বজাতি - - যখন তারা রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল তখন আমরা তাদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম, আর লোকদের জন্য তাদের এক নিদর্শন বানিয়েছিলাম। আর অন্যায়াচারীদের জন্য আমরা এক মর্মন্তুদ শাস্তি তৈরি করে রেখেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নূহের সম্প্রদায়কেও, যখন তাহারা রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিল তখন আমি উহাদেরকে নিমজ্জিত করিলাম এবং উহাদেরকে মানবজাতির জন্য নিদর্শনস্বরূপ করিয়া রাখিলাম। জালিমদের জন্য আমি মর্মন্তুদ শাস্তি প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি ধ্বংস করেছি আদ, সামুদ, কপবাসী এবং তাদের মধ্যবর্তী অনেক সম্প্রদায়কে।

সমকালীন বাংলা

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ‘আদ, সামূদ ও ‘রাস্’ - এর অধিবাসীকে এবং উহাদের অন্তর্বর্তীকালের বহু সম্প্রদায়কেও।

জহুরুল হক

আর 'আদ ও ছামূদ ও রস - এর অধিবাসীদের, আর তাদের মধ্যেকার বহুসংখ্যক বংশকেও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ‘আদ, সামূদ ও ‘রাস্’ - এর অধিবাসীকে এবং উহাদের অন্তর্বর্তীকালের বহু সম্প্রদায়কেও।

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেকের জন্যেই দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছি এবং প্রত্যেককেই সম্পুর্ণরূপে ধ্বংস করেছি।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদের প্রত্যেকের জন্য দৃষ্টান্ত বর্ণনা করিয়াছিলাম, আর উহাদের সকলকেই আমি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করিয়াছিলাম।

জহুরুল হক

আর প্রত্যেকেরই বেলায় - - আমরা তার জন্য দৃষ্টান্তগুলো প্রদান করেছিলাম। আর সকলকেই আমরা বিধবস্ত করেছিলাম পূর্ণবিধ্বংসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের প্রত্যেকের জন্য দৃষ্টান্ত বর্ণনা করিয়াছিলাম, আর উহাদের সকলকেই আমি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করিয়াছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তো সেই জনপদের উপর দিয়েই যাতায়াত করে, যার ওপর বর্ষিত হয়েছে মন্দ বৃষ্টি। তবে কি তারা তা প্রত্যক্ষ করে না? বরং তারা পুনরুজ্জীবনের আশঙ্কা করে না।

সমকালীন বাংলা

উহারা তো সেই জনপদ দিয়াই যাতায়াত করে যাহার উপর বর্ষিত হইয়াছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তবে কি উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করে না? বস্তুত উহারা পুনরুত্থানের আশংকা করে না।

জহুরুল হক

আর তারা তো সে জনপদের পাশ দিয়েই যাতায়াত করে যার উপরে আমরা বর্ষণ করেছিলাম এক অশুভ বৃষ্টি। তারা কি তবে এটি দেখতে পায় নি? না, তারা পুনরুত্থানের প্রত্যাশা করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তো সেই জনপদ দিয়াই যাতায়াত করে যাহার উপর বর্ষিত হইয়াছিল অকল্যাণের বৃষ্টি, তবে কি উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করে না? বস্তুত উহারা পুনরুত্থানের আশংকা করে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন আপনাকে দেখে, তখন আপনাকে কেবল বিদ্রুপের পাত্ররূপে গ্রহণ করে, বলে, এ - ই কি সে যাকে ‘রসূল’ করে প্রেরণ করেছেন?

সমকালীন বাংলা

উহারা যখন তোমাকে দেখে তখন উহারা তোমাকে কেবল ঠাট্টা - বিদ্রপের পাত্ররূপে গণ্য করে, এবং বলে এই - ই কি সে, যাহাকে রাসূল করিয়া পাঠাইয়াছে।?

জহুরুল হক

আর তারা যখন তোমাকে দেখে তখন তারা তোমাকে ঠাট্টা - বিদ্রপের পাত্র ছাড়া অন্যভাবে গ্রহণ করে না। ''এ - ই কি সে যাকে রসূল বানিয়েছেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যখন তোমাকে দেখে তখন উহারা তোমাকে কেবল ঠাট্টা - বিদ্রপের পাত্ররূপে গণ্য করে, এবং বলে, ‘এই - ই কি সে, যাহাকে ‌ রাসূল করিয়া পাঠাইয়াছে?

মুহিউদ্দীন খান

সে তো আমাদেরকে আমাদের উপাস্যগণের কাছ থেকে সরিয়েই দিত, যদি আমরা তাদেরকে আঁকড়ে ধরে না থাকতাম। তারা যখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, তখন জানতে পারবে কে অধিক পথভ্রষ্ট।

সমকালীন বাংলা

‘সে তো আমাদেরকে আমাদের দেবতাগণ হইতে দূরে সরাইয়াই দিত, যদি না আমরা তাহাদের আনুগত্যে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকিতাম। যখন উহারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে তখন উহারা জানিবে কে অধিক পথভ্রষ্ট।

জহুরুল হক

''সে তো আমাদের দেব - দেবীদের থেকে আমাদের প্রায় সরিয়েই নিয়েছিল যদি না আমরা তাদের প্রতি অনুরাগ পোষণ করতাম!’’ আর শীঘ্রই তারা জানতে পারবে যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে - - কে পথ থেকে অধিক পথভ্রষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সে তো আমাদেরকে আমাদের দেবতাগণ হইতে দূরে সরাইয়াই দিত, যদি না আমরা তাহাদের আনুগত্যে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকিতাম। যখন উহারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে তখন উহারা জানিবে কে অধিক পথভ্রষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি তাকে দেখেন না, যে তারা প্রবৃত্তিকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে? তবুও কি আপনি তার যিম্মাদার হবেন?

সমকালীন বাংলা

তুমি কি দেখ না তাহাকে, যে তাহার কামনা - বাসনাকে ইলাহরূপে গ্রহণ করে? তবুও কি তুমি তাহার কর্মবিধায়ক হইবে?

জহুরুল হক

তুমি কি তাকে দেখেছ যে তার কামনাকে তার উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছে? তুমি কি তবে তার জন্য একজন কর্ণধার হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না তাহাকে, যে তাহার কামনা - বাসনাকে ইলাহ্‌রূপে গ্রহণ করে? তবুও কি তুমি তাহার কর্মবিধায়ক হইবে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ শোনে অথবা বোঝে ? তারা তো চতুস্পদ জন্তুর মত; বরং আরও পথভ্রান্ত

সমকালীন বাংলা

তুমি কি মনে কর যে, উহাদের অধিকাংশ শুনে ও বুঝে? উহারা তো পশুর মতই ; বরং উহারা অধিক পথভ্রষ্ট !

জহুরুল হক

অথবা তুমি কি মনে কর যে তাদের অধিকাংশই শোনে অথবা বোঝে? তারা তো গরু - ছাগলের মতো ছাড়া আর কিছু নয়, বরং তারা পথ থেকে অধিক পথভ্রষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি মনে কর যে, উহাদের অধিকাংশ শুনে ও বুঝে? উহারা তো পশুর মতই ; বরং উহারা অধিক পথভ্রষ্ট !

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি তোমার পালনকর্তাকে দেখ না, তিনি কিভাবে ছায়াকে বিলম্বিত করেন? তিনি ইচ্ছা করলে একে স্থির রাখতে পারতেন। এরপর আমি সূর্যকে করেছি এর নির্দেশক।

সমকালীন বাংলা

তুমি কি তোমার প্রতিপালকের প্রতি লক্ষ্য কর না কিভাবে তিনি ছায়া সম্প্রসারিত করেন? তিনি ইচ্ছা করিলে ইহাকে তো স্থির রাখিতে পারিতেন ; অনন্তর আমি সূর্যকে করিয়াছি ইহার নির্দেশক।

জহুরুল হক

তুমি কি প্রত্যক্ষ কর নি তোমার প্রভুর প্রতি - - কিভাবে তিনি ছায়া বিস্তার করেন? আর তিনি যদি চাইতেন তবে একে অনড় করে দিতেন। আমরা বরং সূর্যকে এর উপরে নির্দেশক বানিয়েছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি তোমার প্রতিপালকের প্রতি লক্ষ্য কর না কিভাবে তিনি ছায়া সম্প্রসারিত করেন? তিনি ইচ্ছা করিলে ইহাকে তো স্থির রাখিতে পারিতেন ; অনন্তর আমি সূর্যকে করিয়াছি ইহার নির্দেশক।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি একে নিজের দিকে ধীরে ধীরে গুটিয়ে আনি।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি ইহাকে আমার দিকে ধীরে ধীরে গুটাইয়া আনি।

জহুরুল হক

তারপর আমরা এটিকে আমাদের কাছে টেনে নিই আস্তে আস্তে টানতে টানতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি ইহাকে আমার দিকে ধীরে ধীরে গুটাইয়া আনি।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তো তোমাদের জন্যে রাত্রিকে করেছেন আবরণ, নিদ্রাকে বিশ্রাম এবং দিনকে করেছেন বাইরে গমনের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

এবং তিনিই তোমাদের জন্য রাত্রিকে করিয়াছেন আবরণস্বরূপ, বিশ্রামের জন্য তোমাদের দিয়াছেন নিদ্রা এবং সমুত্থানের জন্য দিয়াছেন দিবস।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছেন আবরণী, আর ঘুমকে বিশ্রামস্বরূপ, আর দিনকে করেছেন জেগে ওঠার জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তিনিই তোমাদের জন্য রাত্রিকে করিয়াছেন আবরণস্বরূপ, বিশ্রামের জন্য তোমাদের দিয়াছেন নিদ্রা এবং সমুত্থানের জন্য দিয়াছেন দিবস।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই স্বীয় রহমতের প্রাক্কালে বাতাসকে সুসংবাদবাহীরূপে প্রেরণ করেন। এবং আমি আকাশ থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্যে পানি বর্ষণ করি।

সমকালীন বাংলা

তিনিই স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহীরূপে বায়ু প্রেরণ করেন এবং আমি আকাশ হইতে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করি -

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি বাতাসকে পাঠান সুসংবাদদাতা - রূপে তাঁর করুণার প্রাক্কালে, আর আমরা আকাশ থেকে বর্ষণ করি বিশুদ্ধ পানি, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহীরূপে বায়ু প্রেরণ করেন এবং আমি আকাশ হইতে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করি -

মুহিউদ্দীন খান

তদ্দ্বারা মৃত ভূভাগকে সঞ্জীবিত করার জন্যে এবং আমার সৃষ্ট জীবজন্তু ও অনেক মানুষের তৃষ্ণা নিবারণের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

যদ্ধারাআমি মৃত ভূখণ্ডকে সঞ্জীবিত করি এবং আমার সৃষ্টির মধ্যে বহু জীবজন্তু ও মানষু কে উহা পান করাই,

জহুরুল হক

যেন আমরা তার দ্বারা মৃত ভূখন্ডকে জীবন দান করতে পারি, এবং তা পান করতে দিই বহুসংখ্যক গবাদি - পশুকে ও মানুষকে যাদের আমরা সৃষ্টি করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদ্দ্বারা আমি মৃত ভূখণ্ডকে সঞ্জীবিত করি এবং আমার সৃষ্টির মধ্যে বহু জীবজন্তু ও মানুষকে উহা পান করাই,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমি তা তাদের মধ্যে বিভিন্নভাবে বিতরণ করি, যাতে তারা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক অকৃতজ্ঞতা ছাড়া কিছুই করে না।

সমকালীন বাংলা

এবং আমি তো এই পানি উহাদের মধ্যে বিতরণ করি যাহাতে উহারা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক কেবল অকৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করে।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই এটিকে বিতরণ করি তাদের মধ্যে যেন তারা স্মরণ করতে পারে, কিন্ত অধিকাংশ লোকেই প্রত্যাখ্যান করা ছাড়া আর কিছুতে একমত হয় না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি তো এই পানি উহাদের মধ্যে বিতরণ করি যাহাতে উহারা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক কেবল অকৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে প্রত্যেক জনপদে একজন ভয় প্রদর্শনকারী প্রেরণ করতে পারতাম।

সমকালীন বাংলা

আমি ইচ্ছা করিলে প্রতিটি জনপদে একজন সতর্ককারী প্রেরণ করিতে পারিতাম।

জহুরুল হক

আর যদি আমরা চাইতাম তাহলে প্রত্যেকটি জনপদে এক - একজন সতর্ককারী দাঁড় করাতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে প্রতিটি জনপদে একজন সতর্ককারী প্রেরণ করিতে পারিতাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে এর সাহায্যে কঠোর সংগ্রাম করুন।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং তুমি কাফিরদের আনুগত্য করিও না এবং তুমি কুরআনের সাহায্যে উহাদের সঙ্গে প্রবল সংগ্রাম চালাইয়া যাও।

জহুরুল হক

অতএব অবিশ্বাসীদের আজ্ঞানুসরণ করো না, বরং তুমি এর সাহায্যে তাদের সঙ্গে জিহাদ করো কঠোর জিহাদে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি কাফিরদের আনুগত্য করিও না এবং তুমি কুরআনের সাহায্যে উহাদের সঙ্গে প্রবল সংগ্রাম চালাইয়া যাও।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই সমান্তরালে দুই সমুদ্র প্রবাহিত করেছেন, এটি মিষ্ট, তৃষ্ণা নিবারক ও এটি লোনা, বিস্বাদ; উভয়ের মাঝখানে রেখেছেন একটি অন্তরায়, একটি দুর্ভেদ্য আড়াল।

সমকালীন বাংলা

তিনিই দুই দরিয়াকে মিলিতভাবে প্রবাহিত করিয়াছেন, একটি মিষ্ট, সুপেয় এবং অপরটি লোনা, খর ; উভয়ের মধ্যে রাখিয়া দিয়াছেন এক অন্তরায়, এক অনতিক্রম্য ব্যবধান।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি দুটি সাগরকে প্রবাহিত করছেন, - - একটি মিষ্ট, পিপাসা দমনকারক, আর একটি লবণাক্ত, তেতো স্বাদবিশিষ্ট, আর এ দুইয়ের মধ্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন এক 'বরযখ’ ও এক অনতিক্রম্য ব্যবধান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই দুই দরিয়াকে মিলিতভাবে প্রবাহিত করিয়াছেন, একটি মিষ্ট, সুপেয় এবং অপরটি লোনা, খর ; উভয়ের মধ্যে রাখিয়া দিয়াছেন এক অন্তরায়, এক অনতিক্রম্য ব্যবধান।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন মানবকে, অতঃপর তাকে রক্তগত, বংশ ও বৈবাহিক সম্পর্কশীল করেছেন। তোমার পালনকর্তা সবকিছু করতে সক্ষম।

সমকালীন বাংলা

এবং তিনিই মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছেন পানি হইতে ; অতঃপর তিনি তাহার বংশগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করিয়াছেন। তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পানি থেকে, তারপর তার জন্য স্থাপন করেছেন রক্ত - সম্পর্ক ও বৈবাহিক সম্পর্ক। আর তোমার প্রভু অত্যন্ত ক্ষমতাশালী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তিনিই মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছেন পানি হইতে ; অতঃপর তিনি তাহার বংশগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করিয়াছেন। তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

তারা এবাদত করে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর, যা তাদের উপকার করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না। তো তার পালনকর্তার প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শনকারী।

সমকালীন বাংলা

ইহারা পরিবর্তে এমন কিছুর ‘ইবাদত করে যাহা উহাদেরকে উপকার করিতে পারে না এবং উহাদের অপকারও করিতে পারে না, তো স্বীয় প্রতিপালকের বিরোধী।

জহুরুল হক

আর তারা ‌কে বাদ দিয়ে তার উপাসনা করে যে তাদের কোনো উপকার করতে পারে না, আর তাদের অপকারও করতে পারে না। আর অবিশ্বাসী রয়েছে তার প্রভুর বিরুদ্ধে পৃষ্ঠপোষক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা ‌র পরিবর্তে এমন কিছুর ‘ইবাদত করে যাহা উহাদেরকে উপকার করিতে পারে না এবং উহাদের অপকারও করিতে পারে না, তো স্বীয় প্রতিপালকের বিরোধী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে সুসংবাদ ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করেছি।

সমকালীন বাংলা

আমি তো তোমাকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করিয়াছি।

জহুরুল হক

আর আমরা তোমাকে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে ভিন্ন অন্যভাবে পাঠাই নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমাকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমি তোমাদের কাছে এর কোন বিনিময় চাই না, কিন্তু যে ইচ্ছা করে, সে তার পালনকর্তার পথ অবলম্বন করুক।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, তবে যে ইচ্ছা করে সে তাহার প্রতিপালকের দিকের পথ অবলম্বন করুক।’

জহুরুল হক

তুমি বল - - ''আমি তোমাদের কাছ থেকে এর জন্য কোনো মজুরি চাই না, শুধু এ - ই যে যে - কেউ ইচ্ছা করে সে যেন তার প্রভুর অভিমুখে পথ ধরে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, তবে যে ইচ্ছা করে সে তাহার প্রতিপালকের দিকের পথ অবলম্বন করুক।’

মুহিউদ্দীন খান

আপনি সেই চিরঞ্জীবের উপর ভরসা করুন, যার মৃত্যু নেই এবং তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করুন। তিনি বান্দার গোনাহ সম্পর্কে যথেষ্ট খবরদার।

সমকালীন বাংলা

তুমি নির্ভর কর তাঁহার উপর যিনি চিরঞ্জীব, যিনি মরিবেন না এবং তাঁহার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর, তিনি তাঁহার বান্দাদের পাপ সম্পর্কে সম্যক অবহিত।

জহুরুল হক

আর তুমি নির্ভর কর চিরীবের উপরে যিনি মৃত্যু বরণ করেন না, আর তাঁর প্রশংসার সাথে জপতপ করো। আর তাঁর বান্দাদের পাপাচার সন্বন্ধে ওয়াকিফহালরূপে তিনিই যথেষ্ট, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি নির্ভর কর তাঁহার উপর যিনি চিরঞ্জীব, যিনি মরিবেন না এবং তাঁহার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর, তিনি তাঁহার বান্দাদের পাপ সম্পর্কে সম্যক অবহিত।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের অন্তর্বর্তী সবকিছু ছয়দিনে সৃস্টি করেছেন, অতঃপর আরশে সমাসীন হয়েছেন। তিনি পরম দয়াময়। তাঁর সম্পর্কে যিনি অবগত, তাকে জিজ্ঞেস কর।

সমকালীন বাংলা

তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিবসে সৃষ্টি করেন ; অতঃপর তিনি র্আশে সমাসীন হন। তিনিই ‘রাহমান’, তাঁহার সম্বন্ধে যে অবগত আছে, তাহাকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ।

জহুরুল হক

যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যের সবকিছুকে ছয় দিনে, তারপর তিনি অধিষ্ঠিত হলেন আরশের উপরে, - - তিনি পরম করুণাময়, অতএব তাঁর সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা কর কোনো ওয়াকিফহালকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিবসে সৃষ্টি করেন ; অতঃপর তিনি আর্‌শে সমাসীন হন। তিনিই ‘রাহমান’, তাঁহার সম্বন্ধে যে অবগত আছে, তাহাকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে যখন বলা হয়, দয়াময়কে সেজদা কর, তখন তারা বলে, দয়াময় আবার কে? তুমি কাউকে সেজদা করার আদেশ করলেই কি আমরা সেজদা করব? এতে তাদের পলায়নপরতাই বৃদ্ধি পায়।

সমকালীন বাংলা

যখন ইহাদেরকে বলা হয়, ‘সিজ্দাবনত হও ‘‌রাহমান’ ’এর প্রতি’, তখন উহারা বলে, ‘রাহমান আবার কে? তুমি কাহাকেও সিজ্দা করিতে বলিলেই কি আমরা তাহাকে সিজ্দা করিব?’ ইহাতে উহাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের বলা হয়, 'পরম করুণাময়কে সিজদা কর’, তারা বলে - - ''করুণাময় আবার কে? আমরা কি তাকেই সিজদা করব যার সন্বন্ধে তুমি আমাদের আদেশ কর?’’ আর এটি তাদের জন্য বাড়িয়ে দেয় বিতৃষ্ণা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন ইহাদেরকে বলা হয়, ‘সিজ্‌দাবনত হও ‘‌রাহ্‌মান’ এর প্রতি’, তখন উহারা বলে, ‘রাহমান আবার কে? তুমি কাহাকেও সিজ্‌দা করিতে বলিলেই কি আমরা তাহাকে সিজ্‌দা করিব?’ ইহাতে উহাদের বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়।

মুহিউদ্দীন খান

কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র।

সমকালীন বাংলা

কত মহান তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করিয়াছেন রাশিচক্র এবং উহাতে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপ ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র।

জহুরুল হক

মহামহিম তিনি যিনি মহাকাশে তারকারাজি সৃষ্টি করেছেন, আর তাতে বানিয়েছেন এক প্রদীপ ও এক চন্দ্র - - দীপ্তিদায়ক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত মহান তিনি যিনি নভোমণ্ডলে সৃষ্টি করিয়াছেন রাশিচক্র এবং উহাতে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপ ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র।

মুহিউদ্দীন খান

যারা অনুসন্ধানপ্রিয় অথবা যারা কৃতজ্ঞতাপ্রিয় তাদের জন্যে তিনি রাত্রি ও দিবস সৃষ্টি করেছেন পরিবর্তনশীলরূপে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই সৃষ্টি করিয়াছেন রাত্রি এবং দিবসকে পরস্পরের অনুগামীরূপে তাহার জন্য - যে উপদেশ গ্রহণ করিতে ও কৃতজ্ঞ হইতে চাহে।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি রাত ও দিনকে বানিয়েছেন বিবর্তনক্রম তার জন্য যে চায় স্মরণ করতে, অথবা যে চায় কৃতজ্ঞতা জানাতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই সৃষ্টি করিয়াছেন রাত্রি এবং দিবসকে পরস্পরের অনুগামীরূপে তাহার জন্য - যে উপদেশ গ্রহণ করিতে ও কৃতজ্ঞ হইতে চাহে।

মুহিউদ্দীন খান

রহমান - এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।

সমকালীন বাংলা

‘রাহ্মান’ - এর বান্দা তাহারাই, যাহারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাহাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে, তখন তাহারা বলে, ‘সালাম’;

জহুরুল হক

আর পরম করুণাময়ের বান্দারা হচ্ছে তারা যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে, আর যখন অজ্ঞ লোকেরা তাদের সন্বোধন করে তখন বলে - - ''সালাম’’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘রাহ্‌মান’ - এর বান্দা তাহারাই, যাহারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাহাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে, তখন তাহারা বলে, ‘সালাম’;

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা রাত্রি যাপন করে পালনকর্তার উদ্দেশ্যে সেজদাবনত হয়ে ও দন্ডায়মান হয়ে;

সমকালীন বাংলা

এবং তাহারা রাত্রি অতিবাহিত করে তাহাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজ্দাবনত হইয়া ও দণ্ডায়মান থাকিয়া;

জহুরুল হক

আর যারা রাত কাটিয়ে দেয় তাদের প্রভুর জন্য সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা রাত্রি অতিবাহিত করে তাহাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজ্‌দাবনত হইয়া ও দণ্ডায়মান থাকিয়া;

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বলে, হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছথেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ;

সমকালীন বাংলা

এবং তাহারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের হইতে জাহান্নামের শাস্তিবিদূরিত কর, উহার শাস্তি তো নিশ্চিত বিনাশ,’

জহুরুল হক

আর যারা বলে - - ''আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি ফিরিয়ে রাখ, এর শাস্তি তো আলবৎ অপ্রতিহত - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের হইতে জাহান্নামের শাস্তি বিদূরিত কর, উহার শাস্তি তো নিশ্চিত বিনাশ,’

মুহিউদ্দীন খান

বসবাস ও অবস্থানস্থল হিসেবে তা কত নিকৃষ্ট জায়গা।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই উহা অস্থায়ী ও স্থায়ী আবাস হিসাবে নিকৃষ্ট।

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ এটি বিশ্রামস্থল ও বাসস্থান বিসাবে কত নিকৃষ্ট!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই উহা অস্থায়ী ও স্থায়ী আবাস হিসাবে নিকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা যখন ব্যয় করে, তখন অযথা ব্যয় করে না কৃপণতাও করে না এবং তাদের পন্থা হয় এতদুভয়ের মধ্যবর্তী।

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তাহারা ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তাহারা আছে এতদুভয়ের মাঝে মধ্যম পন্থায়।

জহুরুল হক

আর যারা যখন খরচপত্র করে তখন অমিতব্যয় করে না, আর কার্পণ্যও করে না, বরং তারা এ দুয়ের মধ্যস্থলে কায়েম রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন তাহারা ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তাহারা আছে এতদুভয়ের মাঝে মধ্যম পন্থায়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের এবাদত করে না, যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সঙ্গত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহারা সঙ্গে কোন ইলাহ্কে ডাকে না। যাহার হত্যা নিষেধ করিয়াছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাহাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এইগুলি করে সে শাস্তি ভোগ করিবে।

জহুরুল হক

আর যারা ‌র সঙ্গে অন্য উপাস্যকে ডাকে না, আর ন্যায়ের প্রয়োজনে ব্যতীত যারা এমন কোনো লোককে হত্যা করে না যাকে নিষেধ করেছেন, আর যারা ব্যভিচার করে না। আর যে এই করে সে পাপের শাস্তির সাক্ষাৎ পাবেই, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা ‌র সঙ্গে কোন ইলাহ্‌কে ডাকে না। ‌ যাহার হত্যা নিষেধ করিয়াছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাহাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এইগুলি করে সে শাস্তি ভোগ করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

কেয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দ্বিগুন হবে এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে।

সমকালীন বাংলা

কিয়ামতের দিন উহার শাস্তি দ্বিগুণ করা হইবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হইবে হীন অবস্থায় ;

জহুরুল হক

আর কিয়ামতের দিনে তার জন্য শাস্তি বাড়িয়ে দেওয়া হবে, আর সেখানে সে হীন অবস্থায় স্থায়ী হয়ে রইবে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের দিন উহার শাস্তি দ্বিগুণ করা হইবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হইবে হীন অবস্থায় ;

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যারা তওবা করে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের গোনাহকে পুন্য দ্বারা পরিবর্তত করে এবং দেবেন। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সমকালীন বাংলা

তাহারা নয়, যাহারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। উহাদের পাপ পরিবর্তন করে দিবেন। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

সে ব্যতীত যে তওবা করে এবং ঈমান আনে ও পুণ্য - পবিত্র ক্রিয়াকর্ম করে। সুতরাং তারাই, - - তাদের মন্দকাজকে সৎকাজ দিয়ে বদলে দেবেন। আর সতত পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা নয়, যাহারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। ‌ উহাদের পাপ পরিবর্তন করিয়া দিবেন পূণ্যের দ্বারা। ‌ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

যে তওবা করে ও সৎকর্ম করে, সে ফিরে আসার স্থান আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।

সমকালীন বাংলা

যে তওবা করে ও সৎর্কম করে সে সম্পুর্ণরূপে আল্লাহর অভিমুখী হয়।

জহুরুল হক

আর যে কেউ তওবা করে এবং সৎকর্ম করে সে - ই তো তবে ‌র প্রতি ফেরার মতো ফেরে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি তওবা করে ও সৎকর্ম করে সে সম্পূর্ণরূপে ‌র অভিমুখী হয়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা মিথ্যা কাজে যোগদান করে না এবং যখন অসার ক্রিয়াকর্মের সম্মুখীন হয়, তখন মান রক্ষার্থে ভদ্রভাবে চলে যায়।

সমকালীন বাংলা

এবং যাহারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না এবং অসার ক্রিয়াকলাপের সম্মুখীন হইলে স্বীয় মর্যাদার সঙ্গে উহা পরিহার করিয়া চলে।

জহুরুল হক

আর যারা মিথ্যা ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় না, আব যখন তারা খেলো পরিবেশের পাশ দিয়ে যায় তখন তারা মর্যাদার সাথে পাশ কেটে যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না এবং অসার ক্রিয়াকলাপের সম্মুখীন হইলে স্বীয় মর্যাদার সঙ্গে উহা পরিহার করিয়া চলে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাদেরকে তাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ বোঝানো হলে তাতে অন্ধ ও বধির সদৃশ আচরণ করে না।

সমকালীন বাংলা

এবং যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের আয়াত স্মরণ করাইয়া দিলে উহার প্রতি অন্ধ এবং বধিরসদৃশ আচরণ করে না,

জহুরুল হক

আর যারা যখন তাদের প্রভুর নির্দেশসমূহ তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তখন তারা তার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে না বধির ও অন্ধ হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের আয়াত স্মরণ করাইয়া দিলে উহার প্রতি অন্ধ এবং বধিরসদৃশ আচরণ করে না,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।

সমকালীন বাংলা

এবং যাহারা প্রার্থনা করে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততি দান কর যাহারা হইবে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর এবং আমাদেরকে কর মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।

জহুরুল হক

আর যারা বলে - - ''আমাদের প্রভু! আমাদের স্ত্রীদের থেকে ও আমাদের সন্তান - সন্ততি থেকে চোখ - জোড়ানো আনন্দ আমাদের প্রদান করো, আর আমাদের তুমি বানিয়ে দাও ধর্মপরায়ণদের নেতৃস্থানীয়।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা প্রার্থনা করে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততি দান কর যাহারা হইবে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর এবং আমাদেরকে কর মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে তাদের সবরের প্রতিদানে জান্নাতে কক্ষ দেয়া হবে এবং তাদেরকে তথায় দোয়া ও সালাম সহকারে অভ্যর্থনা করা হবে।

সমকালীন বাংলা

তাহাদেরকে প্রতিদান দেওয়া হইবে জান্নাতের সুউচ্চ কক্ষ যেহেতু তাহারা ছিল ধৈর্যশীল, তাহাদেরকে সেখানে অভ্যর্থনা করা হইবে অভিবাদন ও সালাম সহকারে।

জহুরুল হক

এইসব লোকেদের প্রতিদান দেওয়া হবে উচুঁ পদমর্যাদা দিয়ে যেহেতু তারা অধ্যবসায় করেছিল, আর সেখানে তাদের অভ্যর্থনা করা হবে অভিবাদন ও সালাম জানিয়ে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে প্রতিদান দেওয়া হইবে জান্নাতের সুউচ্চ কক্ষ যেহেতু তাহারা ছিল ধৈর্যশীল, তাহাদেরকে সেখানে অভ্যর্থনা করা হইবে অভিবাদন ও সালাম সহকারে।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় তারা চিরকাল বসবাস করবে। অবস্থানস্থল ও বাসস্থান হিসেবে তা কত উত্তম।

সমকালীন বাংলা

সেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে। আশ্রয়স্থল ও বসতি হিসাবে উহা কত উৎকৃষ্ট।

জহুরুল হক

সেখানে তারা স্থায়ীভাবে থাকবে, - - বিশ্রামস্থল ও বাসস্থান হিসাবে কত সুন্দর!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে। আশ্রয়স্থল ও বসতি হিসাবে উহা কত উৎকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমার পালনকর্তা পরওয়া করেন না যদি তোমরা তাঁকে না ডাক। তোমরা মিথ্যা বলেছ। অতএব সত্বর নেমে আসবে অনিবার্য শাস্তি।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা আমার প্রতিপালককে না ডাকিলে তাঁহার কিছুই আসে যায় না। তোমরা অস্বীকার করিয়াছ, ফলে অচিরে নামিয়া আসিবে অপরিহার্য শাস্তি।

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমাদের দোয়া না থাকলেও আমার প্রভুর কিছু যায় আসে না, কিন্তু তোমরা তো প্রত্যাখ্যানই করেছ, সেজন্য শীঘ্রই অনিবার্য শাস্তি আসছে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা আমার প্রতিপালককে না ডাকিলে তাঁহার কিছুই আসে যায় না। তোমরা অস্বীকার করিয়াছ, ফলে অচিরে নামিয়া আসিবে অপরিহার্য শাস্তি।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme