যখন সূর্য অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাবে,
بسم الله الرحمن الرحيم إذا الشمس كورت
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ
যখন সূর্যকে গুটিয়ে নেয়া হবে।
Chapter 81, 29 verses
যখন সূর্য অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাবে,
بسم الله الرحمن الرحيم إذا الشمس كورت
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ
যখন সূর্যকে গুটিয়ে নেয়া হবে।
আর যখন তারকারা নিস্তেজ হয়ে পড়বে,
وإذا النجوم انكدرت
وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ
আর নক্ষত্ররাজি যখন পতিত হবে।
আর যখন পাহাড়গুলোকে অপসারণ করা হবে,
وإذا الجبال سيرت
وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ
আর পর্বতগুলোকে যখন সঞ্চালিত করা হবে।
আর যখন পূর্ণ - গর্ভা উষ্টীদের পরিত্যাগ করা হবে;
وإذا العشار عطلت
وَإِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ
আর যখন দশমাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীগুলো উপেক্ষিত হবে।
আর যখন বন্য পশুদের সমবেত করা হবে,
وإذا الوحوش حشرت
وَإِذَا الْوُحُوشُ حُشِرَتْ
আর যখন বন্য পশুগুলোকে একত্র করা হবে।
আর যখন সাগর - নদী ফেঁপে উঠবে,
وإذا البحار سجرت
وَإِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ
আর যখন সমুদ্রগুলোকে অগ্নিউত্তাল করা হবে।
আর যখন মনপ্রাণকে একতাবদ্ধ করা হবে,
وإذا النفوس زوجت
وَإِذَا النُّفُوسُ زُوِّجَتْ
আর যখন আত্মাগুলোকে (সমগোত্রীয়দের সাথে) মিলিয়ে দেয়া হবে।
আর যখন জীবন্ত - প্রোথিত কন্যাসন্তানকে প্রশ্ন করা হবে - -
وإذا الموءودة سئلت
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ
আর যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।
''কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল’’?
بأي ذنب قتلت
بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَتْ
কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে?
আর যখন পৃষ্ঠাগুলো খুলে ধরা হবে,
وإذا الصحف نشرت
وَإِذَا الصُّحُفُ نُشِرَتْ
আর যখন আমলনামাগুলো প্রকাশ করে দেয়া হবে।
আর যখন আকাশের ঢাকনি খুলে ফেলা হবে,
وإذا السماء كشطت
وَإِذَا السَّمَاءُ كُشِطَتْ
আর যখন আসমানকে আবরণ মুক্ত করা হবে।
আর যখন ভয়ংকর আগুন জ্বালিয়ে তোলা হবে,
وإذا الجحيم سعرت
وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ
আর জাহান্নামকে যখন প্রজ্জ্বলিত করা হবে।
আর যখন বেহেশতকে নিকটে আনা হবে, - -
وإذا الجنة أزلفت
وَإِذَا الْجَنَّةُ أُزْلِفَتْ
আর জান্নাতকে যখন নিকটবর্তী করা হবে।
সত্ত্বা জানতে পারবে কী সে হাজির করেছে।
علمت نفس ما أحضرت
عَلِمَتْ نَفْسٌ مَّا أَحْضَرَتْ
তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে সে কী উপস্থিত করেছে!
কাজেই না, আমি সাক্ষী মানছি গ্রহ - নক্ষত্রদের - -
فلا أقسم بالخنس
فَلَا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ
আমি কসম করছি পশ্চাদপসারী নক্ষত্রের।
যারা চলে থাকে, হয়ে যায়,
الجوار الكنس
الْجَوَارِ الْكُنَّسِ
যা চলমান, ।
আর রাত্রিকে যখন তা বিগত হয়ে যায়,
والليل إذا عسعس
وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ
আর কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।
আর প্রভাতকে যখন তা উজ্জ্বল হতে থাকে,
والصبح إذا تنفس
وَالصُّبْحِ إِذَا تَنَفَّسَ
আর কসম প্রভাতের, যখন তা আগমন করে।
নিঃসন্দেহ এ তো হচ্ছে এক সম্মানিত রসূলের বাণী - -
إنه لقول رسول كريم
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ
নিশ্চয় এ কুরআন সম্মানিত রাসূলের* আনিত বাণী। *জিবরীল (আলাইহিস সালাম)।
শক্তির অধিকারী, আরশের অধীশ্বরের সামনে অধিষ্ঠিত,
ذي قوة عند ذي العرش مكين
ذِي قُوَّةٍ عِندَ ذِي الْعَرْشِ مَكِينٍ
যে শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন।
যাঁকে মেনে চলতে হয়, আর যিনি বিশ্বাসভাজন।
مطاع ثم أمين
مُّطَاعٍ ثَمَّ أَمِينٍ
মান্যবর, সেখানে সে বিশ্বস্ত।
আর তোমাদের সাথী তো পাগল নন।
وما صاحبكم بمجنون
وَمَا صَاحِبُكُم بِمَجْنُونٍ
আর তোমাদের সাথী* পাগল নয়। *মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
আর তিনি তো নিজেকে দেখেছিলেন স্পষ্ট দিগন্তে;
ولقد رآه بالأفق المبين
وَلَقَدْ رَآهُ بِالْأُفُقِ الْمُبِينِ
আর সে* তাকে** সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে। *মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
আর তিনি - সন্বন্ধে কৃপণ নন,
وما هو على الغيب بضنين
وَمَا هُوَ عَلَى الْغَيْبِ بِضَنِينٍ
আর সে তো সম্পর্কে কৃপণ নয়।
আর এটি কোনো বিতাড়িত শয়তানের বক্তব্য নয়।
وما هو بقول شيطان رجيم
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَيْطَانٍ رَّجِيمٍ
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়তানের উক্তি নয়।
তোমরা তাহলে কোন দিকে চলেছ?
فأين تذهبون
فَأَيْنَ تَذْهَبُونَ
সুতরাং তোমরা কোথায় যাচ্ছ?
এটি আলবৎ বিশ্ববাসীর জন্য স্মরণীয় বার্তা বৈ তো নয়, - -
إن هو إلا ذكر للعالمين
إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ
এটাতো সৃষ্টিকুলের জন্য উপদেশমাত্র।
তোমাদের মধ্যেকার তার জন্য যে সহজ - সঠিক পথে চলতে চায়।
لمن شاء منكم أن يستقيم
لِمَن شَاءَ مِنكُمْ أَن يَسْتَقِيمَ
যে তোমাদের মধ্যে সরল পথে চলতে চায়, তার জন্য।
আর বিশ্বজগতের প্রভু যা চান তা ব্যতীত তোমরা অন্য কোনো - কিছু চাইবে না।
وما تشاءون إلا أن يشاء الله رب العالمين
وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ
আর তোমরা ইচ্ছা করতে পার না, যদি না সৃষ্টিকুলের রব ইচ্ছা করেন।