আলিফ, লাম, মীম।
بسم الله الرحمن الرحيم الم
আলিফ লাম মিম।
الٓمٓ
Chapter 29, 69 verses
আলিফ, লাম, মীম।
بسم الله الرحمن الرحيم الم
আলিফ লাম মিম।
الٓمٓ
লোকেরা কি মনে করে যে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে যদি তারা বলে - - ''আমরা ঈমান এনেছি’’, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?
أحسب الناس أن يتركوا أن يقولوا آمنا وهم لا يفتنون
মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ একথা বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবেনা?
أَحَسِبَ ٱلنَّاسُ أَن يُتْرَكُوٓا۟ أَن يَقُولُوٓا۟ ءَامَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ
আর এদের পূর্বে যারা ছিল তাদের আমরা ইতিপূর্বে অবশ্যই পরীক্ষা করেছিলাম, এইভাবেই জানতে পারেন তাদের যারা সত্যপরায়ণতা অবলন্বন করে, আর জানতে পারেন মিথ্যাচারীদের।
ولقد فتنا الذين من قبلهم ۖ فليعلمن الله الذين صدقوا وليعلمن الكاذبين
আমরা তাদের আগেকার লোকদেরও পরীক্ষা করেছি। অবশ্য অবশ্যি (পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবে) জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী, এবং জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) মিথ্যাবাদী।
وَلَقَدْ فَتَنَّا ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَلَيَعْلَمَنَّ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ صَدَقُوا۟ وَلَيَعْلَمَنَّ ٱلْكَٰذِبِينَ
আথবা, যারা পাপাচার করে তারা কি ভাবে যে তারা আমাদের এড়িয়ে যেতে পারবে? তারা যা সিদ্ধান্ত করে তা কত মন্দ!
أم حسب الذين يعملون السيئات أن يسبقونا ۚ ساء ما يحكمون
যারা মন্দ কর্মে লিপ্ত তারা কি ধারণা করেছে যে, তারা আমাদের অতিক্রম করে চলে যাবে? তাদের সিদ্ধান্ত কতো যে নিকৃষ্ট!
أَمْ حَسِبَ ٱلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ أَن يَسْبِقُونَا سَآءَ مَا يَحْكُمُونَ
যারাই র সঙ্গে মোলাকাতের কামনা করে র নির্ধারিত কাল তবে নিশ্চয়ই আগতপ্রায়। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
من كان يرجو لقاء الله فإن أجل الله لآت ۚ وهو السميع العليم
যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, (সে জেনে রাখুক) সাক্ষাতের সেই নির্ধারিত সময়টি অবশ্যি আসবে। তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন।
مَن كَانَ يَرْجُوا۟ لِقَآءَ ٱللَّهِ فَإِنَّ أَجَلَ ٱللَّهِ لَءَاتٍ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ
আর যে কেউ জিহাদ করে, সে তাহলে নিশ্চয়ই সংগ্রাম করে তার নিজেরই জন্যে। নিঃসন্দেহ বিশ্বজগতের উপরে অনন্য - নির্ভর।
ومن جاهد فإنما يجاهد لنفسه ۚ إن الله لغني عن العالمين
যে জিহাদ করে, সে তো নিজের জন্যেই জিহাদ করে। জগতবাসী থেকে মুখাপেক্ষাহীন।
وَمَن جَٰهَدَ فَإِنَّمَا يُجَٰهِدُ لِنَفْسِهِۦٓ إِنَّ ٱللَّهَ لَغَنِىٌّ عَنِ ٱلْعَٰلَمِينَ
আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমরা তাদের থেকে তাদের দোষত্রুটিগুলো অবশ্যই দূর করে দেব, আর তারা যা করত সেজন্য উত্তমভাবে আমরা অবশ্যই তাদের প্রতিদান দেব।
والذين آمنوا وعملوا الصالحات لنكفرن عنهم سيئاتهم ولنجزينهم أحسن الذي كانوا يعملون
যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ করেছে, আমরা অবশ্যি তাদের থেকে মুছে দেবো তাদের সব মন্দকর্ম এবং তাদের প্রতিদান দেবো তাদের সর্বোত্তম আমলের ভিত্তিতে।
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّـَٔاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
আর আমরা মানুষকে তার পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তারা যদি তোমার সঙ্গে জেদ করে যেন তুমি আমার সাথে এমন কিছু শরিক কর যার সন্বন্ধে তোমার কাছে কোনো জ্ঞান নেই, তাহলে তুমি তাদের আজ্ঞাপালন করো না। আমারই কাছে তোমাদের প্রত্যাবর্তন, তখন আমি তোমাদের জানিয়ে দেব যা কিছু তোমরা করছিলে।
ووصينا الإنسان بوالديه حسنا ۖ وإن جاهداك لتشرك بي ما ليس لك به علم فلا تطعهما ۚ إلي مرجعكم فأنبئكم بما كنتم تعملون
আমরা অসিয়ত (নির্দেশ) করেছি মানুষকে তার পিতা - মাতার সাথে সর্বোত্তম আচরণ করতে এবং (একথাও বলে দিয়েছি) তারা যদি আল্লাহর সাথে এমন কিছু বা কাউকেও শরিক করতে তোমার উপর চাপ প্রয়োগ করে, যার আল্লাহর শরিক হবার ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে (সেক্ষেত্রে) তুমি তাদের আনুগত্য করোনা। কারণ আমার কাছেই তোমাদের ফিরে আসতে হবে, তখন আমি তোমাদের সংবাদ দেবো তোমরা কী আমল করেছিলে?
وَوَصَّيْنَا ٱلْإِنسَٰنَ بِوَٰلِدَيْهِ حُسْنًا وَإِن جَٰهَدَاكَ لِتُشْرِكَ بِى مَا لَيْسَ لَكَ بِهِۦ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَآ إِلَىَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
বস্তুতঃ যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে আমরা নিশ্চয়ই তাদের প্রবেশ করাব সৎকর্মীদের মধ্যে।
والذين آمنوا وعملوا الصالحات لندخلنهم في الصالحين
আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে, আমরা অবশ্যি তাদের অন্তরভুক্ত করবো পুণ্যবানদের।
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَنُدْخِلَنَّهُمْ فِى ٱلصَّٰلِحِينَ
আর লোকেদের মধ্যে এমনও রয়েছে যে বলে - - ''আমরা তে ঈমান এনেছি’’, কিন্তু যখন তাকে র পথে কষ্ট দেওয়া হয় তখন সে লোকদের উৎপীড়নকে র শাস্তি বলে জ্ঞান করে। আর যদি তোমার প্রভুর নিকট থেকে কোনো সাহায্য আসে তবে তারা অবশ্যই বলবে - - ''আমরা নিঃসন্দেহ তোমাদের সাথে ছিলাম।’’ এ কি নয় যে ই ভাল জানেন যা কিছু বিশ্ববাসীর হৃদয়ে রয়েছে?
ومن الناس من يقول آمنا بالله فإذا أوذي في الله جعل فتنة الناس كعذاب الله ولئن جاء نصر من ربك ليقولن إنا كنا معكم ۚ أوليس الله بأعلم بما في صدور العالمين
মানুষের মধ্যে কিছু লোক বলে: ‘আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি।’ কিন্তু আল্লাহর কাজ করার কারণে তাদেরকে যখন কষ্ট দেয়া হয়, তখন মানুষের ফিতনাকে (নির্যাতনকে) তারা আল্লাহর আযাবের মতো গণ্য করে। তবে যখনই তোমার প্রভুর সাহায্য আসবে, তখনই তারা বলবে: ‘আমরা তো আপনাদের সাথেই ছিলাম।’ নিজের সৃষ্টি জগতের অন্তরে কী আছে তা কি অবগত নন?
وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَقُولُ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ فَإِذَآ أُوذِىَ فِى ٱللَّهِ جَعَلَ فِتْنَةَ ٱلنَّاسِ كَعَذَابِ ٱللَّهِ وَلَئِن جَآءَ نَصْرٌ مِّن رَّبِّكَ لَيَقُولُنَّ إِنَّا كُنَّا مَعَكُمْ أَوَلَيْسَ ٱل
আর অবশ্যই জানিয়ে দেবেন তাদের যারা ঈমান এনেছে, আর জানিয়ে দেবেন মুনাফিকদের।
وليعلمن الله الذين آمنوا وليعلمن المنافقين
অবশ্যি প্রকাশ করবেন তাদেরকে যারা ঈমান এনেছে এবং অবশ্যি প্রকাশ করবেন মুনাফিকদের।
وَلَيَعْلَمَنَّ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَلَيَعْلَمَنَّ ٱلْمُنَٰفِقِينَ
আর যারা অবিশ্বাস করে তারা যারা বিশ্বাস করেছে তাদের বলে - - ''আমাদের পথ অনুসরণ কর, তাহলে আমরা তোমাদের পাপ বহন করব।’’ বস্তুত তারা তো ওদের পাপের থেকে কিছুরই ভারবাহক হবে না। নিঃসন্দেহ তারাই তো মিথ্যাবাদী।
وقال الذين كفروا للذين آمنوا اتبعوا سبيلنا ولنحمل خطاياكم وما هم بحاملين من خطاياهم من شيء ۖ إنهم لكاذبون
কাফিররা ঈমানদারদের বলে: ‘তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ করো, আমরা তোমাদের পাপ বহন করবো।’ অথচ তারা তাদের পাপ কিছুমাত্র বহন করবেনা। তারা অবশ্যি মিথ্যাবাদী।
وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّبِعُوا۟ سَبِيلَنَا وَلْنَحْمِلْ خَطَٰيَٰكُمْ وَمَا هُم بِحَٰمِلِينَ مِنْ خَطَٰيَٰهُم مِّن شَىْءٍ إِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ
আর তারা তাদের বোঝা অবশ্যই বইবে, আর তাদের বোঝার সঙ্গে অন্য বোঝাও। আর কিয়ামতের দিনে তাদের অবশ্যই প্রশ্ন করা হবে যা তারা উাবন করেছিল সে - সন্বন্ধে।
وليحملن أثقالهم وأثقالا مع أثقالهم ۖ وليسألن يوم القيامة عما كانوا يفترون
তারা নিজেদের বোঝা (loads) তো বহন করবেই, সেই সাথে বহন করবে আরো (loads) বোঝা। কিয়ামতের দিন তাদের (এসব) মিথ্যা রচনার ব্যাপারে অবশ্যি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
وَلَيَحْمِلُنَّ أَثْقَالَهُمْ وَأَثْقَالًا مَّعَ أَثْقَالِهِمْ وَلَيُسْـَٔلُنَّ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ عَمَّا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ
আর ইতিপূর্বে আমরা অবশ্যই নূহ্কে পাঠিয়েছিলাম তাঁর লোকদের কাছে, তিনি তখন তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিলেন পঞ্চাশ বছর কম এক হাজার বৎসর। তখন মহাপ্লাবন তাদের পাকড়াও করল, যেহেতু তারা ছিল অত্যাচারী।
ولقد أرسلنا نوحا إلى قومه فلبث فيهم ألف سنة إلا خمسين عاما فأخذهم الطوفان وهم ظالمون
আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে। সে তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিল পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর। অবশেষে তাদের পাকড়াও করে তুফান (প্লাবন), কারণ তারা ছিলো যালিম।
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦ فَلَبِثَ فِيهِمْ أَلْفَ سَنَةٍ إِلَّا خَمْسِينَ عَامًا فَأَخَذَهُمُ ٱلطُّوفَانُ وَهُمْ ظَٰلِمُونَ
তখন আমরা তাঁকে ও জাহাজের আরোহীদের উদ্ধার করেছিলাম, আর একে আমরা বিশ্ববাসীর জন্য একটি নিদর্শন বানিয়েছিলাম।
فأنجيناه وأصحاب السفينة وجعلناها آية للعالمين
তারপর আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাকে (নূহকে) এবং নৌযানে আরোহীদেরকে আর এ ঘটনাকে করে দিয়েছি জগতবাসীর জন্যে একটি নিদর্শন।
فَأَنجَيْنَٰهُ وَأَصْحَٰبَ ٱلسَّفِينَةِ وَجَعَلْنَٰهَآ ءَايَةً لِّلْعَٰلَمِينَ
আর ইব্রাহীমকে, - - স্মরণ করো! তিনি তাঁর লোকদের বলেছিলেন - - ''র এবাদত কর ও তাঁকে ভয়ভক্তি কর, এটিই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে।
وإبراهيم إذ قال لقومه اعبدوا الله واتقوه ۖ ذلكم خير لكم إن كنتم تعلمون
স্মরণ করো ইবরাহিমের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁকে ভয় করো, এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জ্ঞান রাখো।
وَإِبْرَٰهِيمَ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱتَّقُوهُ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
''কে বাদ দিয়ে তোমরা তো শুধু প্রতিমাদের পূজা করছ, আর তোমরা একটি মিথ্যা উদ্ভাবন করেছ। নিঃসন্দেহ তোমরা কে বাদ দিয়ে যাদের আরাধনা করছ তারা তোমাদের জন্য জীবিকার উপরে কোনো কর্তৃত্ব রাখে না, কাজেই র কাছে জীবিকা অণ্বেষণ কর ও তাঁরই উপাসনা কর, আর তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর, তাঁর কাছেই তো তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।
إنما تعبدون من دون الله أوثانا وتخلقون إفكا ۚ إن الذين تعبدون من دون الله لا يملكون لكم رزقا فابتغوا عند الله الرزق واعبدوه واشكروا له ۖ إليه ترجعون
তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা করছো মূর্তি - ভাস্কর্যের, আর রচনা করছো মিথ্যা। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত করছো, তারা তোমাদের রিযিক দেয়ার মালিক নয়। সুতরাং তোমরা রিযিক চাও আল্লাহর কাছে, এবং তাঁরই ইবাদত করো আর তাঁরই প্রতি শোকরিয়া আদায় করো। কারণ, তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।
إِنَّمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَوْثَٰنًا وَتَخْلُقُونَ إِفْكًا إِنَّ ٱلَّذِينَ تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ لَكُمْ رِزْقًا فَٱبْتَغُوا۟ عِندَ ٱللَّهِ ٱلرِّزْقَ وَٱعْبُدُوهُ وَٱشْكُرُو
''আর যদি তোমরা প্রত্যাখ্যান কর তবে তোমাদের পূর্বযুগের সম্প্রদায়গুলোও প্রত্যাখ্যান করেছিল। আর রসূলের উপরে পরিস্কারভাবে পৌঁছে দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়।’’
وإن تكذبوا فقد كذب أمم من قبلكم ۖ وما على الرسول إلا البلاغ المبين
তোমরা যদি (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করো, তবে তোমাদের আগেও বহু জাতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া রসূলের আর কোনো দায়িত্ব নেই।’’
وَإِن تُكَذِّبُوا۟ فَقَدْ كَذَّبَ أُمَمٌ مِّن قَبْلِكُمْ وَمَا عَلَى ٱلرَّسُولِ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ ٱلْمُبِينُ
তারা কি তবে দেখে নি কেমন ক’রে সৃষ্টি শুরু করেন, তারপর তা পুনরুৎপাদন করেন। নিঃসন্দেহ এ র কাছে সহজসাধ্য।
أولم يروا كيف يبدئ الله الخلق ثم يعيده ۚ إن ذلك على الله يسير
তারা কি চিন্তা করে দেখেনা, কিভাবে সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করেন? একাজ আল্লাহর জন্যে একেবারেই সহজ।
أَوَلَمْ يَرَوْا۟ كَيْفَ يُبْدِئُ ٱللَّهُ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥٓ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ
বলো - - ''পৃথিবীতে তোমরা ভ্রমণ কর আর দেখ কিভাবে তিনি সৃষ্টি শুরু করেছিলেন, তারপর পরবর্তী সৃষ্টিকে সৃজন করেন।’’ নিশ্চয় সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।
قل سيروا في الأرض فانظروا كيف بدأ الخلق ۚ ثم الله ينشئ النشأة الآخرة ۚ إن الله على كل شيء قدير
হে নবী! বলো: ‘তোমরা জমিনে ভ্রমণ করে দেখো, কী প্রক্রিয়ায় সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর সৃষ্টি করেন পরবর্তী সৃষ্টি? নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।’
قُلْ سِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَٱنظُرُوا۟ كَيْفَ بَدَأَ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ ٱللَّهُ يُنشِئُ ٱلنَّشْأَةَ ٱلْءَاخِرَةَ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
তিনি শাস্তি দেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন এবং করুণা করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন, আর তাঁর দিকেই তো তোমাদের ফেরানো হবে।
يعذب من يشاء ويرحم من يشاء ۖ وإليه تقلبون
তিনি যাকে ইচ্ছা করেন আযাব দেন এবং যাকে ইচ্ছা করেন রহম করেন এবং তাঁর কাছেই হবে তোমাদের প্রত্যাবর্তন।
يُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ وَيَرْحَمُ مَن يَشَآءُ وَإِلَيْهِ تُقْلَبُونَ
আর তোমরা এড়িয়ে যাবার লোক হবে না এই পৃথিবীতে আর মহাকাশেও নয়, আর কে বাদ দিয়ে তোমাদের জন্য কোনো অভিভাবক নেই এবং সাহায্যকারীও নেই।
وما أنتم بمعجزين في الأرض ولا في السماء ۖ وما لكم من دون الله من ولي ولا نصير
তোমরা পৃথিবীতেও পালাতে পারবেনা, আসমানেও নয়। আর ছাড়া তোমাদের কোনো অলিও নেই, সাহায্যকারীও নেই।
وَمَآ أَنتُم بِمُعْجِزِينَ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِى ٱلسَّمَآءِ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ مِن وَلِىٍّ وَلَا نَصِيرٍ
আর যারা র নির্দেশাবলী ও তাঁর সঙ্গে মোলাকাত হওয়া অস্বীকার করে তারা আমার করুণা থেকে নিরাশ হয়েছে, আর তারা - - তাদেরই জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
والذين كفروا بآيات الله ولقائه أولئك يئسوا من رحمتي وأولئك لهم عذاب أليم
যারা আল্লাহর আয়াতকে এবং তাঁর সাথে সাক্ষাত হওয়াকে অস্বীকার করে, তারাই হয় আমার রহমত থেকে নিরাশ, আর তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَلِقَآئِهِۦٓ أُو۟لَٰٓئِكَ يَئِسُوا۟ مِن رَّحْمَتِى وَأُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
সেজন্য তাঁর লোকদের জবাব এ ভিন্ন আর কিছু ছিল না যে তারা বলল - - ''তাকে কাতল কর অথবা তাকে পুড়িয়ে ফেল।’’ কিন্তু তাঁকে উদ্ধার করলেন আগুন থেকে। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা বিশ্বাস করে।
فما كان جواب قومه إلا أن قالوا اقتلوه أو حرقوه فأنجاه الله من النار ۚ إن في ذلك لآيات لقوم يؤمنون
তার (ইবরাহিমের) কওমের জওয়াব একটাই ছিলো, তারা বলেছিল: ‘তাকে (ইবরাহিমকে) হত্যা করো অথবা আগুনে পোড়াও।’ কিন্তু তাকে আগুনে দগ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করেন। এতে রয়েছে নিদর্শন লোকদের জন্যে।
فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِۦٓ إِلَّآ أَن قَالُوا۟ ٱقْتُلُوهُ أَوْ حَرِّقُوهُ فَأَنجَىٰهُ ٱللَّهُ مِنَ ٱلنَّارِ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
আর তিনি বলেছিলেন - - ''তোমরা তো কে ছেড়ে দিয়ে প্রতিমা - গুলোকে গ্রহণ করে, তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব এই দুনিয়ার জীবনেই, তারপর কিয়ামতের দিনে তোমাদের একপক্ষ অপর পক্ষকে অস্বীকার করবে এবং তোমাদের একে অপরকে অভিশাপ দেবে, আর তোমাদের আবাস হবে আগুন, আর তোমাদের জন্য সাহায্যকারীদের কেউ থাকবে না।’’
وقال إنما اتخذتم من دون الله أوثانا مودة بينكم في الحياة الدنيا ۖ ثم يوم القيامة يكفر بعضكم ببعض ويلعن بعضكم بعضا ومأواكم النار وما لكم من ناصرين
ইবরাহিম বলেছিল: ‘তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে ভাস্কর্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছো দুনিয়ার জীবনে তোমাদের পারস্পারিক বন্ধুত্বের খাতিরে। কিন্তু কিয়ামতের দিন এই তোমরাই পরস্পরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পরকে লা’নত দেবে। তোমাদের আবাস হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোনো সাহায্যকারী হবেনা।’
وَقَالَ إِنَّمَا ٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ أَوْثَٰنًا مَّوَدَّةَ بَيْنِكُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ثُمَّ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ يَكْفُرُ بَعْضُكُم بِبَعْضٍ وَيَلْعَنُ بَعْضُكُم بَعْضًا وَمَأْوَىٰكُمُ ٱلنَّ
অতএব লূত তাঁর প্রতি বিশ্বাস করেছিলেন। আর তিনি বলেছিলেন - - ''আমি তো আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করছি। নিঃসন্দেহ তিনি স্বয়ং মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।
۞ فآمن له لوط ۘ وقال إني مهاجر إلى ربي ۖ إنه هو العزيز الحكيم
তখন লুত তার প্রতি ঈমান আনে। ইবরাহিম বলেছিল: ‘আমি আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে হিজরত করছি, নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, প্রজ্ঞাবান।’
فَـَٔامَنَ لَهُۥ لُوطٌ وَقَالَ إِنِّى مُهَاجِرٌ إِلَىٰ رَبِّىٓ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
আর আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম ইসহাক ও ইয়াকুবকে, আর তাঁর বংশধরদের মধ্যে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম নবুওৎ ও ধর্মগ্রন্থ, আর আমরা তাঁর পুরস্কার দুনিয়াতেই তাঁকে প্রদান করেছিলাম, আর পরকালে তিনি আলবৎ হবেন সৎকর্মীদেরই অন্তর্ভুক্ত।
ووهبنا له إسحاق ويعقوب وجعلنا في ذريته النبوة والكتاب وآتيناه أجره في الدنيا ۖ وإنه في الآخرة لمن الصالحين
আমরা তাকে দান করেছিলাম (পুত্র) ইসহাক এবং (নাতি) ইয়াকুবকে। আমরা তার বংশধরদের মধ্যে দিয়েছি নবুয়্যত আর কিতাব। এছাড়া আমরা তাকে তার পুরস্কার দান করেছি দুনিয়ায়, আর আখিরাতে। অবশ্যি সে অন্তরভুক্ত হবে পুণ্যবানদের।
وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ إِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِى ذُرِّيَّتِهِ ٱلنُّبُوَّةَ وَٱلْكِتَٰبَ وَءَاتَيْنَٰهُ أَجْرَهُۥ فِى ٱلدُّنْيَا وَإِنَّهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ لَمِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
আর লূতকে। স্মরণ করো! তিনি তাঁর লোকদের বলেছিলেন - - ''নিঃসন্দেহ তোমরা তো অশ্লীল আচরণে আকৃষ্ট হয়েছ যা বিশ্ববাসীর মধ্যে কেউই তোমাদের আগে করত না।
ولوطا إذ قال لقومه إنكم لتأتون الفاحشة ما سبقكم بها من أحد من العالمين
স্মরণ করো লুতের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘তোমরা এমন ফাহেশা কাজ করছো, যা তোমাদের আগে জগতের কেউ করেনি।’
وَلُوطًا إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ ٱلْفَٰحِشَةَ مَا سَبَقَكُم بِهَا مِنْ أَحَدٍ مِّنَ ٱلْعَٰلَمِينَ
কী! তোমরা তো নিশ্চয়ই পুরুষদের কাছে এসে থাক, রাজপথগুলো বিচ্ছিন্ন করে থাক, আর তোমাদের জনসভাসমূহে জঘন্য কাজ করে থাক।’’ কিন্তু তাঁর লোকদের উত্তর অন্য কিছু ছিল না এ ভিন্ন যে তারা বলেছিল - - ''আমাদের উপরে র শাস্তি নিয়ে এস যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।’’
أئنكم لتأتون الرجال وتقطعون السبيل وتأتون في ناديكم المنكر ۖ فما كان جواب قومه إلا أن قالوا ائتنا بعذاب الله إن كنت من الصادقين
‘তোমরা কি পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে যাবে? জনপথে ডাকাতি করে যাবে? আর জনসম্মুখে অসৎকাজ করতে থাকবে?’ এর জওয়াবে তার কওম একথাই বলেছিল: ‘তুমি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে আমাদের প্রতি আল্লাহর আযাব এনে দেখাও।’
أَئِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ ٱلرِّجَالَ وَتَقْطَعُونَ ٱلسَّبِيلَ وَتَأْتُونَ فِى نَادِيكُمُ ٱلْمُنكَرَ فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِۦٓ إِلَّآ أَن قَالُوا۟ ٱئْتِنَا بِعَذَابِ ٱللَّهِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ
তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু! আমাকে ফেসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে সাহায্য করো।’’
قال رب انصرني على القوم المفسدين
তখন লুত বলেছিল: ‘হে আমার প্রভু! ফাসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো।’
قَالَ رَبِّ ٱنصُرْنِى عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْمُفْسِدِينَ
আর যখন আমাদের বাণীবাহকরা ইব্রাহীমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে তখন তারা বলল - - ''আমরা এই শহরের বাসিন্দাদের নিশ্চয়ই ধ্বংস করতে যাচ্ছি, কেননা এর বাসিন্দারা অন্যায়াচারী হয়ে রয়েছে।’’
ولما جاءت رسلنا إبراهيم بالبشرى قالوا إنا مهلكو أهل هذه القرية ۖ إن أهلها كانوا ظالمين
আমাদের দূতরা (ফেরেশতারা) যখন ইবরাহিমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে, তখন তারা বলেছিল: ‘এই জনপদবাসীকে আমরা ধ্বংস করে দেবো, এর অধিবাসিরা যালিম।’
وَلَمَّا جَآءَتْ رُسُلُنَآ إِبْرَٰهِيمَ بِٱلْبُشْرَىٰ قَالُوٓا۟ إِنَّا مُهْلِكُوٓا۟ أَهْلِ هَٰذِهِ ٱلْقَرْيَةِ إِنَّ أَهْلَهَا كَانُوا۟ ظَٰلِمِينَ
তিনি বললেন - - ''এর মধ্যে তো লূতও রয়েছেন।’’ তারা বলল - - ''আমরা ভাল জানি কারা সেখানে রয়েছে। আমরা অবশ্যই তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করব - - তাঁর স্ত্রী ব্যতীত, সে হচ্ছে পেছনে - পড়েথাকাদের দলের।’’
قال إن فيها لوطا ۚ قالوا نحن أعلم بمن فيها ۖ لننجينه وأهله إلا امرأته كانت من الغابرين
ইবরাহিম বললো: ‘সেখানে তো লুতও রয়েছে।’ তারা বললো: ‘সেখানে কারা আছে আমরা ভালো করেই জানি। আমরা লুতকে এবং তার পরিবার পরিজনকে রক্ষা করবো, তবে তার স্ত্রীকে নয়। সে পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হয়ে যাবে।’
قَالَ إِنَّ فِيهَا لُوطًا قَالُوا۟ نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَن فِيهَا لَنُنَجِّيَنَّهُۥ وَأَهْلَهُۥٓ إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ كَانَتْ مِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ
আর যখন আমাদের বাণীবাহকরা লূতের কাছে এসেছিল, তিনি তাদের জন্য দুঃখিত হয়েছিলেন এবং তাদের জন্য অসমর্থ মনে করলেন। কিন্তু তারা বলেছিল - - ''ভয় করো না আর দুঃখও করো না। আমরা আলবৎ তোমাকে উদ্ধার করব আর তোমার পরিজনবর্গকেও - - তোমার স্ত্রীকে ব্যতীত, সে হচ্ছে পেছনে পড়ে থাকাদের দলের।
ولما أن جاءت رسلنا لوطا سيء بهم وضاق بهم ذرعا وقالوا لا تخف ولا تحزن ۖ إنا منجوك وأهلك إلا امرأتك كانت من الغابرين
আমাদের দূতরা যখন লুতের কাছে এসে পৌঁছালো, তাদের দেখে সে বিষণ্ণ হয়ে পড়লো এবং নিজেকে তাদের রক্ষায় অসমর্থ মনে করলো। তারা বললো: ‘‘আপনি ভয়ও পাবেননা, চিন্তিতও হবেননা। আমরা রক্ষা করবো আপনাকে এবং আপনার পরিবারবর্গকে আপনার স্ত্রীকে বাদে। আপনার স্ত্রী পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হবে।
وَلَمَّآ أَن جَآءَتْ رُسُلُنَا لُوطًا سِىٓءَ بِهِمْ وَضَاقَ بِهِمْ ذَرْعًا وَقَالُوا۟ لَا تَخَفْ وَلَا تَحْزَنْ إِنَّا مُنَجُّوكَ وَأَهْلَكَ إِلَّا ٱمْرَأَتَكَ كَانَتْ مِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ
''আমরা নিশ্চয়ই এই জনপদের বাসিন্দাদের উপরে অবতীর্ণ করতে যাচ্ছি আকাশ থেকে এক দুর্যোগ, যেহেতু তারা সীমালংঘন করে চলেছিল।’’
إنا منزلون على أهل هذه القرية رجزا من السماء بما كانوا يفسقون
আমরা এই জনপদবাসীর উপর আসমান থেকে আযাব নাযিল করবো তাদের পাপাচারের কারণে।’’
إِنَّا مُنزِلُونَ عَلَىٰٓ أَهْلِ هَٰذِهِ ٱلْقَرْيَةِ رِجْزًا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ بِمَا كَانُوا۟ يَفْسُقُونَ
আর আমরা নিশ্চয়ই এতে এক সুস্পষ্ট নিদর্শন রেখে গেছি সেই লোকদের জন্য যারা বুঝতে পারে।
ولقد تركنا منها آية بينة لقوم يعقلون
যারা বিবেক বুদ্ধি খাটিয়ে চলে আমরা এ ঘটনার মধ্যে তাদের জন্যে রেখে দিয়েছি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন।
وَلَقَد تَّرَكْنَا مِنْهَآ ءَايَةًۢ بَيِّنَةً لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ
আর মাদয়ানবাসীদের কাছে তাদের ভাই শোআইবকে। সুতরাং তিনি বলেছিলেন - - ''হে আমার স্বজাতি! র উপাসনা কর, আর শেষ দিনকে ভয় কর, আর পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটিয়ে ঘোরাঘুরি করো না।’’
وإلى مدين أخاهم شعيبا فقال يا قوم اعبدوا الله وارجوا اليوم الآخر ولا تعثوا في الأرض مفسدين
আমরা মাদায়েনে পাঠিয়েছিলাম তাদের ভাই শুয়াইবকে। সে তাদের বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা এক আল্লাহর দাসত্ব করো এবং শেষ দিনকে ভয় করো, আর পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়িয়োনা।’
وَإِلَىٰ مَدْيَنَ أَخَاهُمْ شُعَيْبًا فَقَالَ يَٰقَوْمِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱرْجُوا۟ ٱلْيَوْمَ ٱلْءَاخِرَ وَلَا تَعْثَوْا۟ فِى ٱلْأَرْضِ مُفْسِدِينَ
কিন্তু তারা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করল সেজন্য এক ভূমিকম্প তাদের পাকড়ালো, কাজেই অচিরেই তারা নিজেদের বাড়িঘরে নিথরদেহী হয়ে গেল।
فكذبوه فأخذتهم الرجفة فأصبحوا في دارهم جاثمين
কিন্তু তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তাদেরকে আঘাত করে ভূমিকম্প, আর তারা পড়ে থাকে নিজেদের ঘরে উপুড় হয়ে।
فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلرَّجْفَةُ فَأَصْبَحُوا۟ فِى دَارِهِمْ جَٰثِمِينَ
আর 'আদ ও ছামূদকে, তাদের বাড়িঘর থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট করা হয়েছে। আর শয়তান তাদের কাছে তাদের কাজ - কর্মকে চিত্তাকর্ষক করেছিল, এইভাবেই সে তাদের পথ ঠেকিয়ে রেখেছিল, যদিও তারা ছিল তীক্ষদৃষ্টিসম্পন্ন।
وعادا وثمود وقد تبين لكم من مساكنهم ۖ وزين لهم الشيطان أعمالهم فصدهم عن السبيل وكانوا مستبصرين
আর আমরা আদ এবং সামুদ জাতিকেও ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। তাদের (বিরান) বাড়িঘরই তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট প্রমাণ। শয়তান তাদের মন্দ কর্মকান্ড তাদের কাছে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল। ফলে সে তাদেরকে সঠিক পথে আসতে বাধা সৃষ্টি করে, তারা খুব চালাক এবং বিচক্ষণও ছিলো।
وَعَادًا وَثَمُودَا۟ وَقَد تَّبَيَّنَ لَكُم مِّن مَّسَٰكِنِهِمْ وَزَيَّنَ لَهُمُ ٱلشَّيْطَٰنُ أَعْمَٰلَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ ٱلسَّبِيلِ وَكَانُوا۟ مُسْتَبْصِرِينَ
আর ক্কারূন ও ফিরআউন ও হামানকে! আর তাদের কাছে তো মূসা এসেই ছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, কিন্তু তারা দেশে আস্ফালন করত, তাই তারা এড়িয়ে যাবার ছিল না।
وقارون وفرعون وهامان ۖ ولقد جاءهم موسى بالبينات فاستكبروا في الأرض وما كانوا سابقين
কারূণ, ফেরাউন ও হামান, এদের কাছে এসেছিল মূসা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। তখন তারা দেশে হঠকারী শাসন চালাচ্ছিল। কিন্তু তারা (আমার শাস্তিকে) অতিক্রম করতে পারেনি।
وَقَٰرُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهَٰمَٰنَ وَلَقَدْ جَآءَهُم مُّوسَىٰ بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا كَانُوا۟ سَٰبِقِينَ
সুতরাং প্রত্যেককেই তার পাপের কারণে আমরা পাকড়াও করেছিলাম। অতএব তাদের মধ্যে কেউ রয়েছে যার উপরে আমরা পাঠিয়েছিলাম, এক প্রচন্ড ঝড়, আর তাদের মধ্যে কেউ রয়েছে যাকে পাকড়াও করেছিল এক মহাগর্জন, আর তাদের মধ্যে কেউ আছে যাকে আমরা পৃথিবীকে দিয়ে গ্রাস করিয়েছিলাম, আর তাদের মধ্যে কাউকে আমরা ডুবিয়ে মেরেছিলাম। আর তাদের প্রতি জুলুম করার পাত্র নন, কিন্তু তারা তাদের নিজেদের প্রতি অন্যায়াচরণ করে চলেছিল।
فكلا أخذنا بذنبه ۖ فمنهم من أرسلنا عليه حاصبا ومنهم من أخذته الصيحة ومنهم من خسفنا به الأرض ومنهم من أغرقنا ۚ وما كان الله ليظلمهم ولكن كانوا أنفسهم يظلمون
এদের প্রত্যেককেই আমরা তাদের অপরাধের জন্যে শাস্তি দিয়েছি। তাদের কারো প্রতি আমরা পাঠিয়েছি পাথর বৃষ্টি, কাউকেও আঘাত করেছে প্রকান্ড শব্দ, কাউকেও দাবিয়ে দিয়েছিলাম ভূ - গর্ভে, কাউকেও ডুবিয়ে দিয়েছিলাম সমুদ্রে। তাদের প্রতি যুলুম করেননি, তারা নিজেরাই যুলুম করেছিল নিজেদের প্রতি।
فَكُلًّا أَخَذْنَا بِذَنۢبِهِۦ فَمِنْهُم مَّنْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِ حَاصِبًا وَمِنْهُم مَّنْ أَخَذَتْهُ ٱلصَّيْحَةُ وَمِنْهُم مَّنْ خَسَفْنَا بِهِ ٱلْأَرْضَ وَمِنْهُم مَّنْ أَغْرَقْنَا وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيَ
যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য অভিভাবক গ্রহণ করে তাদের উপমা হচ্ছে মাকড়সার দৃষ্টান্তের ন্যায়, - - সে নিজের জন্য ঘর বানায়, অথচ নিঃসন্দেহ সবচেয়ে ঠুনকো বাসা হচ্ছে মাকড়সারই বাসা, - - যদি তারা জানত।
مثل الذين اتخذوا من دون الله أولياء كمثل العنكبوت اتخذت بيتا ۖ وإن أوهن البيوت لبيت العنكبوت ۖ لو كانوا يعلمون
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত হলো মাকড়সার দৃষ্টান্ত, সে নিজের জন্যে ঘর বানায়, আর ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই সবচাইতে দুর্বল, যদি তারা জ্ঞান রাখতো!
مَثَلُ ٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَوْلِيَآءَ كَمَثَلِ ٱلْعَنكَبُوتِ ٱتَّخَذَتْ بَيْتًا وَإِنَّ أَوْهَنَ ٱلْبُيُوتِ لَبَيْتُ ٱلْعَنكَبُوتِ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
নিঃসন্দেহ জানেন তাঁকে বাদ দিয়ে তারা বিষয়বস্তুর যা - কিছু আহ্বান করে। আর তিনিই তো মহাশত্তি শালী, পরমজ্ঞানী।
إن الله يعلم ما يدعون من دونه من شيء ۚ وهو العزيز الحكيم
তারা আল্লাহর পরিবর্তে যা কিছুকেই ডাকে, তা জানেন। তিনি মহাশক্তিধর, মহাবিজ্ঞানী।
إِنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا يَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ مِن شَىْءٍ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
আর এই উপমাগুলো, লোকদের জন্য আমরা এগুলো দিয়ে থাকি, আর বিজ্ঞজন ব্যতীত অন্য কেউ এগুলো বুঝতে পারে না।
وتلك الأمثال نضربها للناس ۖ وما يعقلها إلا العالمون
আমরা মানুষের জন্যে দিয়ে থাকি এসব দৃষ্টান্ত, কিন্তু জ্ঞানীরা ছাড়া কেউ তা বুঝেনা।
وَتِلْكَ ٱلْأَمْثَٰلُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ وَمَا يَعْقِلُهَآ إِلَّا ٱلْعَٰلِمُونَ
মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন সত্যের সাথে। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।
خلق الله السماوات والأرض بالحق ۚ إن في ذلك لآية للمؤمنين
আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী বাস্তবতার ভিত্তিতে। অবশ্যি এতে রয়েছে একটি নিদর্শন মুমিনদের জন্যে।
خَلَقَ ٱللَّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ
তুমি পাঠ কর ধর্মগ্রন্থ থেকে যা তোমার কাছে প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, আর কায়েম কর। নিঃসন্দেহ অশালীনতা ও অন্যায়াচরণ থেকে বিরত রাখে। আর র স্মরণই তো সর্বোত্তম। আর জানেন তোমরা যা কর।
اتل ما أوحي إليك من الكتاب وأقم الصلاة ۖ إن الصلاة تنهى عن الفحشاء والمنكر ۗ ولذكر الله أكبر ۗ والله يعلم ما تصنعون
তিলাওয়াত করো কিতাব যা তোমার প্রতি অহি করা হয়েছে এবং কায়েম করো । নিশ্চয়ই বিরত রাখে ফাহেশা এবং মুনকার (মন্দকর্ম) থেকে। আল্লাহর যিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন তোমরা যা করো।
ٱتْلُ مَآ أُوحِىَ إِلَيْكَ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ تَنْهَىٰ عَنِ ٱلْفَحْشَآءِ وَٱلْمُنكَرِ وَلَذِكْرُ ٱللَّهِ أَكْبَرُ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ
আর গ্রন্থধারীদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক করো না যা সুন্দর সেইভাবে ব্যতীত - - তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া যারা তাদের মধ্যে অন্যায়াচরণ করে, আর বলো - - ''আমরা বিশ্বাস করি তাতে যা আমাদের কাছে অবতীর্ণ হয়েছে আর তোমাদের কাছেও অবতীর্ণ হয়েছে, আর আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই, আর আমরা তাঁরই প্রতি আত্মসমর্পিত রয়েছি।’’
۞ ولا تجادلوا أهل الكتاب إلا بالتي هي أحسن إلا الذين ظلموا منهم ۖ وقولوا آمنا بالذي أنزل إلينا وأنزل إليكم وإلهنا وإلهكم واحد ونحن له مسلمون
সৌজন্যমূলক ও যুক্তিসংগত পন্থা ছাড়া আহলে কিতাবের সাথে বিতর্ক করোনা, তবে তাদের মধ্যে যারা যুলুম করে তাদের কথা ভিন্ন। তোমরা তাদের বলো: ‘আমরা ঈমান এনেছি সেই কিতাবের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা নাযিল করা হয়েছে তোমাদের প্রতি, আর আমাদের ও তোমাদের একই , আমরা তাঁরই প্রতি আত্মসমর্পণকারী।’
وَلَا تُجَٰدِلُوٓا۟ أَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ إِلَّا بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ إِلَّا ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مِنْهُمْ وَقُولُوٓا۟ ءَامَنَّا بِٱلَّذِىٓ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَأُنزِلَ إِلَيْكُمْ وَإِلَٰهُنَا وَإِلَٰهُكُمْ وَٰحِدٌ
আর এইভাবে আমরা তোমার কাছে গ্রন্থখানা অবতারণ করেছি। সুতরাং যাদের কাছে আমরা গ্রন্থ দিয়েছিলাম তারা এতে বিশ্বাস কবে, আর এদের মধ্যেও রয়েছে যারা এতে বিশ্বাস করে। আর অবিশ্বাসীদের ব্যতীত অন্যে আমাদের নির্দেশাবলীকে অস্বীকার করে না।
وكذلك أنزلنا إليك الكتاب ۚ فالذين آتيناهم الكتاب يؤمنون به ۖ ومن هؤلاء من يؤمن به ۚ وما يجحد بآياتنا إلا الكافرون
এভাবেই আমরা নাযিল করেছি তোমার প্রতি এই কিতাব। যাদের আমরা কিতাব দিয়েছি তারা এটির প্রতি ঈমান রাখে এবং এখনকার এদের (আহলে কিতাবের) কেউ কেউও এটির প্রতি ঈমান রাখে। কাফিররা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।
وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ فَٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَٰهُمُ ٱلْكِتَٰبَ يُؤْمِنُونَ بِهِۦ وَمِنْ هَٰٓؤُلَآءِ مَن يُؤْمِنُ بِهِۦ وَمَا يَجْحَدُ بِـَٔايَٰتِنَآ إِلَّا ٱلْكَٰفِرُونَ
আর তুমি তো এর আগে কোনো গ্রন্থ থেকে পাঠ কর নি, আর তোমার ডান হাত দিয়ে তা লেখও নি, তেমন হলে ঝুটা আখ্যাদাতারা সন্দেহ করতে পারত।
وما كنت تتلو من قبله من كتاب ولا تخطه بيمينك ۖ إذا لارتاب المبطلون
তুমি তো এর আগে কোনো কিতাব তিলাওয়াত করতেনা এবং নিজ হাতে কোনো কিতাব লিখতেও না, তেমনটি হলে হয়তো মিথ্যাবাদীরা সন্দেহ পোষণ করতে পারতো।
وَمَا كُنتَ تَتْلُوا۟ مِن قَبْلِهِۦ مِن كِتَٰبٍ وَلَا تَخُطُّهُۥ بِيَمِينِكَ إِذًا لَّٱرْتَابَ ٱلْمُبْطِلُونَ
বস্তুত এটি হচ্ছে সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী তাদের হৃদয়ে যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে। আর অন্যায়কারীরা ব্যতীত অন্য কেউ আমাদের নির্দেশাবলী অস্বীকার করে না।
بل هو آيات بينات في صدور الذين أوتوا العلم ۚ وما يجحد بآياتنا إلا الظالمون
বরং যাদের এলেম দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরে এটি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন। যালিমরা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।
بَلْ هُوَ ءَايَٰتٌۢ بَيِّنَٰتٌ فِى صُدُورِ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ وَمَا يَجْحَدُ بِـَٔايَٰتِنَآ إِلَّا ٱلظَّٰلِمُونَ
আর তারা বলে - - ''কেন তার প্রভুর কাছ থেকে তার নিকটে নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ হয় না?’’ তুমি বলো - - ''নিঃসন্দেহ নিদর্শনসমূহ কেবল র কাছে রয়েছে। আর আমি তো একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’’
وقالوا لولا أنزل عليه آيات من ربه ۖ قل إنما الآيات عند الله وإنما أنا نذير مبين
তারা বলে: ‘তার প্রভুর নিকট থেকে তার কাছে কোনো নিদর্শন আসেনা কেন?’ তুমি বলো: ‘নিদর্শন পাঠানোর বিষয়টা তো আল্লাহর এখতিয়ারে। আমি তো কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছু নই।’
وَقَالُوا۟ لَوْلَآ أُنزِلَ عَلَيْهِ ءَايَٰتٌ مِّن رَّبِّهِۦ قُلْ إِنَّمَا ٱلْءَايَٰتُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
আচ্ছা, এটি কি তবে তাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে আমরাই তো তোমার কাছে গ্রন্থখানা পাঠিয়েছি যা তাদের কাছে পাঠ করা হচ্ছে? নিঃসন্দেহ এতে রয়েছে করুণা ও স্মরণীয় বার্তা সেই লোকদের জন্য যারা ঈমান এনেছে।
أولم يكفهم أنا أنزلنا عليك الكتاب يتلى عليهم ۚ إن في ذلك لرحمة وذكرى لقوم يؤمنون
তাদের জন্যে এটা কি যথেষ্ট নয় যে, আমরা তোমার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের প্রতি তিলাওয়াত করা হয়। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে রহমত ও উপদেশ সেইসব লোকদের জন্যে যারা ঈমান রাখে।
أَوَلَمْ يَكْفِهِمْ أَنَّآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ يُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَرَحْمَةً وَذِكْرَىٰ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
তুমি বলো - - ''আমার মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে ই যথেষ্ট, তিনি জানেন যা - কিছু রয়েছে মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে। আর যারা মিথ্যায় বিশ্বাস করে ও তে অবিশ্বাস করে তারা নিজেরাই হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত।’’
قل كفى بالله بيني وبينكم شهيدا ۖ يعلم ما في السماوات والأرض ۗ والذين آمنوا بالباطل وكفروا بالله أولئك هم الخاسرون
তুমি বলো: ‘আমার ও তোমাদের মাঝে শহীদ (সাক্ষী) হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। তিনি জানেন মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে। যারা বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে এবং কুফুরি করে আল্লাহর প্রতি, তারাই আসল ক্ষতিগ্রস্ত।’
قُلْ كَفَىٰ بِٱللَّهِ بَيْنِى وَبَيْنَكُمْ شَهِيدًا يَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱلْبَٰطِلِ وَكَفَرُوا۟ بِٱللَّهِ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْخَٰسِرُونَ
আর তারা তোমার কাছে শাস্তির জন্যে তাড়াহুড়ো করে। আর যদি না একটি নির্ধারিত কাল সাব্যস্ত থাকতো তাহলে তাদের প্রতি শাস্তি এসেই পড়তো। আর তাদের উপরে এটি অতর্কিতে এসেই পড়বে, আর তারা টেরও পাবে না!
ويستعجلونك بالعذاب ۚ ولولا أجل مسمى لجاءهم العذاب وليأتينهم بغتة وهم لا يشعرون
তারা তোমার কাছে আহবান জানায় দ্রুত আযাব এনে দিতে। যদি সময় নির্ধারিত না থাকতো, তাহলে অবশ্যি তাদের উপর আযাব এসে যেতো। আযাব অবশ্যি তাদের উপর আসবে আকস্মিকভাবে এবং তারা টেরও পাবেনা।
وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِٱلْعَذَابِ وَلَوْلَآ أَجَلٌ مُّسَمًّى لَّجَآءَهُمُ ٱلْعَذَابُ وَلَيَأْتِيَنَّهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ
তারা তোমার কাছে শাস্তির জন্যে তাড়াহুড়ো করে। আর বস্তুত জাহান্নাম তো অবিশ্বাসীদের ঘিরেই রয়েছে।
يستعجلونك بالعذاب وإن جهنم لمحيطة بالكافرين
তারা তোমাকে দ্রুত আযাব এনে দিতে বলে। জাহান্নাম অবশ্যি কাফিরদের পরিবেষ্টন করবে।
يَسْتَعْجِلُونَكَ بِٱلْعَذَابِ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمُحِيطَةٌۢ بِٱلْكَٰفِرِينَ
সেইদিন শাস্তি তাদের লেপটে ফেলবে তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচে থেকে, তখন তিনি বলবেন - - ''তোমরা যা করে যাচ্ছিলে তা আস্বাদন করো।’’
يوم يغشاهم العذاب من فوقهم ومن تحت أرجلهم ويقول ذوقوا ما كنتم تعملون
সেদিন তাদের উপর থেকে এবং তাদের পায়ের নিচে থেকে আযাব এসে তাদের ঢেকে ফেলবে এবং তিনি বলবেন: তোমরা যেসব আমল করতে তার স্বাদ গ্রহণ করো।
يَوْمَ يَغْشَىٰهُمُ ٱلْعَذَابُ مِن فَوْقِهِمْ وَمِن تَحْتِ أَرْجُلِهِمْ وَيَقُولُ ذُوقُوا۟ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
হে আমার বান্দারা যারা ঈমান এনেছ! আমার পৃথিবী আলবৎ প্রশস্ত, সুতরাং কেবলমাত্র আমারই তবে তোমরা উপাসনা করো।
يا عبادي الذين آمنوا إن أرضي واسعة فإياي فاعبدون
হে আমার সেইসব বান্দারা যারা ঈমান এনেছো! আমার পৃথিবী অনেক প্রশস্ত, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।
يَٰعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّ أَرْضِى وَٰسِعَةٌ فَإِيَّٰىَ فَٱعْبُدُونِ
প্রত্যেক সত্ত্বাই মৃত্যু আস্বাদনকারী, তারপর আমাদেরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।
كل نفس ذائقة الموت ۖ ثم إلينا ترجعون
প্রত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। তারপর আমাদের কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।
كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ ٱلْمَوْتِ ثُمَّ إِلَيْنَا تُرْجَعُونَ
আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে আমরা অবশ্যই তাদের বসবাস করাব স্বর্গোদ্যানের মাঝে উঁচু প্রাসাদে, যার নিচ দিয়ে বয়ে চলে ঝরনারাজি, তাতে তারা রইবে চিরকাল। কত উত্তম কর্তাদের পুরস্কার, - -
والذين آمنوا وعملوا الصالحات لنبوئنهم من الجنة غرفا تجري من تحتها الأنهار خالدين فيها ۚ نعم أجر العاملين
আর যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে আমরা অবশ্যি তাদের বসবাসের জন্যে জান্নাতে উঁচু প্রাসাদ দান করবো। সেসবের নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরদিন থাকবে তারা সেখানে। কতো যে উত্তম প্রতিদান নেক আমলকারীদের জন্যে,
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَنُبَوِّئَنَّهُم مِّنَ ٱلْجَنَّةِ غُرَفًا تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا نِعْمَ أَجْرُ ٱلْعَٰمِلِينَ
যারা অধ্যবসায় অবলন্বন করে এবং তাদের প্রভুর উপরে নির্ভর করে!
الذين صبروا وعلى ربهم يتوكلون
যারা সবর অবলম্বন করে এবং তাওয়াক্কুল করে তাদের প্রভুর উপর!
ٱلَّذِينَ صَبَرُوا۟ وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ
আর কত না জীবজন্তু রয়েছে যারা তাদের জীবিকা বহন করে না, ই তাদের রিযেক দান করেন এবং তোমাদেরও, আর তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
وكأين من دابة لا تحمل رزقها الله يرزقها وإياكم ۚ وهو السميع العليم
এমন অনেক জীব - জানোয়ার আছে যারা নিজেদের রিযিক মওজুদ করে রাখেনা, আল্লাহ্ই তাদের রিযিক দেন এবং তোমাদেরকেও। তিনি সব শুনেন, সব জানেন।
وَكَأَيِّن مِّن دَآبَّةٍ لَّا تَحْمِلُ رِزْقَهَا ٱللَّهُ يَرْزُقُهَا وَإِيَّاكُمْ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ
আর তুমি যদি তাদের জিজ্ঞাসা কর - - 'কে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী, আর সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন?’ - - তারা নিশ্চয়ই বলেবে - - ''।’’ তাহলে কোথায় তারা ফিরে যাচ্ছে?
ولئن سألتهم من خلق السماوات والأرض وسخر الشمس والقمر ليقولن الله ۖ فأنى يؤفكون
তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘আসমান জমিন কে সৃষ্টি করেছে এবং কে নিয়ন্ত্রণ করছে সূর্য আর চাঁদ?’ তারা অবশ্যি বলবে: ‘।’ তাহলে তারা কোথা থেকে প্রতারিত হচ্ছে?
وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَسَخَّرَ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ فَأَنَّىٰ يُؤْفَكُونَ
তাঁর বান্দাদের মধ্যের যাকে ইচ্ছা করেন তার জন্য রিযেক প্রসারিত করেন, আর তার জন্য সঙ্কুচিতও করেন। নিঃসন্দেহ সব বিষয়ে সর্বজ্ঞাতা।
الله يبسط الرزق لمن يشاء من عباده ويقدر له ۚ إن الله بكل شيء عليم
আল্লাহ্ই বৃদ্ধি করে দেন রিযিক যাকে চান এবং নিয়ন্ত্রণ করে দেন যাকে চান। নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে অবগত।
ٱللَّهُ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَهُۥٓ إِنَّ ٱللَّهَ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌ
আর যদি তুমি তাদের জিজ্ঞাসা কর - - 'কে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন ও তার দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে সঞ্জীবিত করেন?’ - - তারা নিশ্চয়ই বলবে - - ''।’’ তুমি বলো - - ''সকল প্রশংসা র জন্য। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বুঝতে পারে না।
ولئن سألتهم من نزل من السماء ماء فأحيا به الأرض من بعد موتها ليقولن الله ۚ قل الحمد لله ۚ بل أكثرهم لا يعقلون
তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো, কে নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা দিয়ে জীবিত করেন জমিনকে তা মরে (শুকিয়ে) যাবার পর? অবশ্যি তারা বলবে: ‘।’ বলো: ‘আলহামদু লিল্লাহ!’ বরং তাদের অধিকাংশই আকল - বুদ্ধি রাখেনা।
وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّن نَّزَّلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَحْيَا بِهِ ٱلْأَرْضَ مِنۢ بَعْدِ مَوْتِهَا لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ قُلِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ
আর দুনিয়ার এই জীবনটা আমোদ - প্রমোদ ও খেলাধূলো বৈ তো নয়। আর নিশ্চয়ই পরকালের আবাস - - তাই তো জীবন। যদি তারা জানত!
وما هذه الحياة الدنيا إلا لهو ولعب ۚ وإن الدار الآخرة لهي الحيوان ۚ لو كانوا يعلمون
এই দুনিয়ার জীবনটা খেলতামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। আখিরাতের জীবনই চিরন্তন জীবন, যদি তারা জানতো!
وَمَا هَٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَآ إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ وَإِنَّ ٱلدَّارَ ٱلْءَاخِرَةَ لَهِىَ ٱلْحَيَوَانُ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
সুতরাং তারা যখন জাহাজে আরোহণ করে তখন তারা কে ডাকে ধর্মবিশ্বাসে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে, কিন্তু যখন তিনি ডাঙার দিকে তাদের উদ্ধার করেন তখন দেখো! তারা শরিক করে, - -
فإذا ركبوا في الفلك دعوا الله مخلصين له الدين فلما نجاهم إلى البر إذا هم يشركون
তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে, তখন আন্তরিক নিষ্ঠার সাথে তারা আল্লাহকে ডাকে, তারপর যখন তিনি তাদেরকে নাজাত দিয়ে কূলে নিয়ে আসেন, তখন তারা শিরক করতে থাকে,
فَإِذَا رَكِبُوا۟ فِى ٱلْفُلْكِ دَعَوُا۟ ٱللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ فَلَمَّا نَجَّىٰهُمْ إِلَى ٱلْبَرِّ إِذَا هُمْ يُشْرِكُونَ
ফলে আমরা তাদের যা দান করেছিলাম তারা যেন তা অস্বীকার করতে পারে এবং ভোগবিলাসে মেতে উঠতে পারে। সুতরাং অচিরেই তারা জানতে পারবে।
ليكفروا بما آتيناهم وليتمتعوا ۖ فسوف يعلمون
যাতে তাদের প্রতি আমার দান তারা অস্বীকার করে এবং ভোগবিলাসে লিপ্ত থাকে। অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিনতি)।
لِيَكْفُرُوا۟ بِمَآ ءَاتَيْنَٰهُمْ وَلِيَتَمَتَّعُوا۟ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
তারা কি তবে দেখে না যে আমরা পবিত্র স্থানকে নিরাপদ বানিয়েছি, তথাপি লোকদের ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে এই সবের আশপাশ থেকে? তারা কি তবুও ঝুটাতেই বিশ্বাস করবে, এবং অবিশ্বাস করবে র অনুগ্রহে?
أولم يروا أنا جعلنا حرما آمنا ويتخطف الناس من حولهم ۚ أفبالباطل يؤمنون وبنعمة الله يكفرون
তারা কি দেখেনা, আমরা হারাম (শরিফকে) নিরাপদ স্থান বানিয়ে দিয়েছি, অথচ তার চারপাশে যারা আছে তাদের উপর হামলা করা হয়? তারা কি বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে, আর কুফুরি করে আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি?
أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا جَعَلْنَا حَرَمًا ءَامِنًا وَيُتَخَطَّفُ ٱلنَّاسُ مِنْ حَوْلِهِمْ أَفَبِٱلْبَٰطِلِ يُؤْمِنُونَ وَبِنِعْمَةِ ٱللَّهِ يَكْفُرُونَ
আর কে বেশী অন্যায়কারী তার চাইতে যে সন্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে, অথবা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে যখন তার কাছে তা আসে? অবিশ্বাসীদের জন্য কি জাহান্নামে কোনো আবাসস্থল নেই?
ومن أظلم ممن افترى على الله كذبا أو كذب بالحق لما جاءه ۚ أليس في جهنم مثوى للكافرين
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর উপর আরোপ করে, কিংবা সত্য আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে? কাফিরদের আবাস কি জাহান্নাম নয়?
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا أَوْ كَذَّبَ بِٱلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُۥٓ أَلَيْسَ فِى جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْكَٰفِرِينَ
পক্ষান্তরে যারা আমাদের জন্য সংগ্রাম করে, আমরা অবশ্যই তাদের পরিচালিত করব আমাদের পথগুলোয়। আর নিশ্চয়ই সৎকর্মীদের সাথেই রয়েছেন।
والذين جاهدوا فينا لنهدينهم سبلنا ۚ وإن الله لمع المحسنين
যারা আমাদের জন্যে (উদ্দেশ্যে) জিহাদ করে, আমরা অবশ্যি তাদের পরিচালিত করি আমাদের পথে, আর অবশ্যি কল্যাণপরায়ণদের সাথে থাকেন।
وَٱلَّذِينَ جَٰهَدُوا۟ فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ ٱللَّهَ لَمَعَ ٱلْمُحْسِنِينَ