আল হিজর , choose another chapter
আল হিজর
Chapter 15, 99 verses
জহুরুল হক
Arabic
মুহিউদ্দীন খান
Word by word
Add book
List
Grid
জহুরুল হক
১ আলিফ, লাম, রা। এগুলো হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের আয়াতসমূহ, আর একটি সুস্পষ্ট পাঠ্য।
Arabic
١ بسم الله الرحمن الرحيم الر ۚ تلك آيات الكتاب وقرآن مبين
মুহিউদ্দীন খান
১ আলিফ - লা - ম - রা; এগুলো পরিপূর্ণ গ্রন্থ ও সুস্পষ্ট কোরআনের আয়াত।
Word by word
١ الٓر تِلْكَ ءَايَٰتُ ٱلْكِتَٰبِ وَقُرْءَانٍ مُّبِينٍ
জহুরুল হক
২ সময়কালে যারা অবিশ্বাস করেছিল তারা চাইবে যে যদি তারা মুসলিম হতো!
Arabic
٢ ربما يود الذين كفروا لو كانوا مسلمين
মুহিউদ্দীন খান
২ কোন সময় কাফেররা আকাঙ্ক্ষা করবে যে, কি চমৎকার হত, যদি তারা মুসলমান হত।
Word by word
٢ رُّبَمَا يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ كَانُوا۟ مُسْلِمِينَ
জহুরুল হক
৩ ছেড়ে দাও তাদের খানাপিনা করতে ও আমোদ - আাদ করতে, আর আশা - আকাঙ্খা তাদের ভুলিয়ে রাখুক, যেহেতু শীগগিরই তারা বুঝতে পারবে!
Arabic
٣ ذرهم يأكلوا ويتمتعوا ويلههم الأمل ۖ فسوف يعلمون
মুহিউদ্দীন খান
৩ আপনি ছেড়ে দিন তাদেরকে, খেয়ে নিক এবং ভোগ করে নিক এবং আশায় ব্যাপৃত থাকুক। অতি সত্বর তারা জেনে নেবে।
Word by word
٣ ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا۟ وَيَتَمَتَّعُوا۟ وَيُلْهِهِمُ ٱلْأَمَلُ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
জহুরুল হক
৪ আর আমরা কোনো জনপদকে ধ্বংস করি নি যে পর্যন্ত না তার জন্য বিধান মালুম করানো হয়েছে।
Arabic
٤ وما أهلكنا من قرية إلا ولها كتاب معلوم
মুহিউদ্দীন খান
৪ আমি কোন জনপদ ধবংস করিনি; কিন্ত তার নির্দিষ্ট সময় লিখিত ছিল।
Word by word
٤ وَمَآ أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَّعْلُومٌ
জহুরুল হক
৫ কোনো জাতি তার নির্ধারিত কাল ত্বরান্বিত করতে পারবে না, আর তারা বিলন্বিত করতে পারবে না।
Arabic
٥ ما تسبق من أمة أجلها وما يستأخرون
মুহিউদ্দীন খান
৫ কোন সম্প্রদায় তার নির্দিষ্ট সময়ের অগ্রে যায় না এবং পশ্চাতে থাকে না।
Word by word
٥ مَّا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَـْٔخِرُونَ
জহুরুল হক
৬ আর তারা বলে - - ''ওহে যার কাছে স্মারকগ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো আলবৎ মাথা - পাগলা।
Arabic
٦ وقالوا يا أيها الذي نزل عليه الذكر إنك لمجنون
মুহিউদ্দীন খান
৬ তারা বললঃ হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি কোরআন নাযিল হয়েছে, আপনি তো একজন উম্মাদ।
Word by word
٦ وَقَالُوا۟ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِى نُزِّلَ عَلَيْهِ ٱلذِّكْرُ إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ
জহুরুল হক
৭ ''তুমি কেন আমাদের কাছে ফিরিশ্তাদের নিয়ে এস না, যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।
Arabic
٧ لو ما تأتينا بالملائكة إن كنت من الصادقين
মুহিউদ্দীন খান
৭ যদি আপনি সত্যবাদী হন, তবে আমাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে আনেন না কেন?
Word by word
٧ لَّوْ مَا تَأْتِينَا بِٱلْمَلَٰٓئِكَةِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ
জহুরুল হক
৮ আমরা ফিরিশ্তাদের পাঠাই না সত্যের সাথে ছাড়া, আর তখন তারা অবকাশ প্রাপ্ত হবে না।
Arabic
٨ ما ننزل الملائكة إلا بالحق وما كانوا إذا منظرين
মুহিউদ্দীন খান
৮ আমি ফেরেশতাদেরকে একমাত্র ফায়সালার জন্যেই নাযিল করি। তখন তাদেরকে অবকাশ দেয়া হবে না।
Word by word
٨ مَا نُنَزِّلُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَمَا كَانُوٓا۟ إِذًا مُّنظَرِينَ
জহুরুল হক
৯ নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই স্মারকগ্রন্থ অবতারণ করেছি, আর আমরাই তো এর সংরক্ষণকারী।
Arabic
٩ إنا نحن نزلنا الذكر وإنا له لحافظون
মুহিউদ্দীন খান
৯ আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক।
Word by word
٩ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا ٱلذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُۥ لَحَٰفِظُونَ
জহুরুল হক
১০ আর তোমার আগে আমরা নিশ্চয়ই পাঠিয়েছিলাম প্রাচীনকালের সম্প্রদায়ের মধ্যে।
Arabic
١٠ ولقد أرسلنا من قبلك في شيع الأولين
মুহিউদ্দীন খান
১০ আমি আপনার পূর্বে পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের মধ্যে রসূল প্রেরণ করেছি।
Word by word
١٠ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ فِى شِيَعِ ٱلْأَوَّلِينَ
জহুরুল হক
১১ কিন্তু তাদের কাছে এমন কোনো রসূল আসেন নি যাঁকে নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করত না।
Arabic
١١ وما يأتيهم من رسول إلا كانوا به يستهزئون
মুহিউদ্দীন খান
১১ ওদের কাছে এমন কোন রসূল আসেননি, যাদের সাথে ওরা ঠাট্টাবিদ্রূপ করতে থাকেনি।
Word by word
١١ وَمَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
জহুরুল হক
১২ এইভাবে আমরা একে অপরাধীদের অন্তরে প্রবেশ করাই।
Arabic
١٢ كذلك نسلكه في قلوب المجرمين
মুহিউদ্দীন খান
১২ এমনিভাবে আমি এ ধরনের আচরণ পাপীদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেই।
Word by word
١٢ كَذَٰلِكَ نَسْلُكُهُۥ فِى قُلُوبِ ٱلْمُجْرِمِينَ
জহুরুল হক
১৩ তারা এতে বিশ্বাস করে না, অথচ পূর্ববর্তীদের নজীর অবশ্যই গত হয়েছে।
Arabic
١٣ لا يؤمنون به ۖ وقد خلت سنة الأولين
মুহিউদ্দীন খান
১৩ ওরা এর প্রতি বিশ্বাস করবে না। পূর্ববর্তীদের এমন রীতি চলে আসছে।
Word by word
١٣ لَا يُؤْمِنُونَ بِهِۦ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ ٱلْأَوَّلِينَ
জহুরুল হক
১৪ আর যদি আমরা তাদের জন্য মহাকাশের দরজা খুলে দিই আর তাতে তারা আরোহণ করতে থাকে - -
Arabic
١٤ ولو فتحنا عليهم بابا من السماء فظلوا فيه يعرجون
মুহিউদ্দীন খান
১৪ যদি আমি ওদের সামনে আকাশের কোন দরজাও খুলে দেই আর তাতে ওরা দিনভর আরোহণ ও করতে থাকে।
Word by word
١٤ وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِم بَابًا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ فَظَلُّوا۟ فِيهِ يَعْرُجُونَ
জহুরুল হক
১৫ তারা তবুও বলবে - - ''আমাদের চোখে ধাঁধা লেগেছে, আমরা বরং মোহাচ্ছন্ন দল হয়েছি।’’
Arabic
١٥ لقالوا إنما سكرت أبصارنا بل نحن قوم مسحورون
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তবুও ওরা একথাই বলবে যে, আমাদের দৃষ্টির বিভ্রাট ঘটানো হয়েছে না বরং আমরা যাদুগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।
Word by word
١٥ لَقَالُوٓا۟ إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَٰرُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَّسْحُورُونَ
জহুরুল হক
১৬ আর বাস্তবিকই আমরা আকাশে দুর্গ তৈরি করেছি, আর তা সুশোভিত করেছি দর্শকদের জন্য।
Arabic
١٦ ولقد جعلنا في السماء بروجا وزيناها للناظرين
মুহিউদ্দীন খান
১৬ নিশ্চয় আমি আকাশে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছি এবং তাকে দর্শকদের জন্যে সুশোভিত করে দিয়েছি।
Word by word
١٦ وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِى ٱلسَّمَآءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّٰهَا لِلنَّٰظِرِينَ
জহুরুল হক
১৭ আর আমরা তাকে রক্ষা করি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তানের থেকে, - -
Arabic
١٧ وحفظناها من كل شيطان رجيم
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি আকাশকে প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে নিরাপদ করে দিয়েছি।
Word by word
١٧ وَحَفِظْنَٰهَا مِن كُلِّ شَيْطَٰنٍ رَّجِيمٍ
জহুরুল হক
১৮ সে ব্যতীত যে লুকিয়ে শোনে, ফলে তার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রখর অগ্নিশিখা।
Arabic
١٨ إلا من استرق السمع فأتبعه شهاب مبين
মুহিউদ্দীন খান
১৮ কিন্তু যে চুরি করে শুনে পালায়, তার পশ্চাদ্ধাবন করে উজ্জ্বল উল্কাপিন্ড।
Word by word
١٨ إِلَّا مَنِ ٱسْتَرَقَ ٱلسَّمْعَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌ مُّبِينٌ
জহুরুল হক
১৯ আর পৃথিবী - - আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।
Arabic
١٩ والأرض مددناها وألقينا فيها رواسي وأنبتنا فيها من كل شيء موزون
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আমি ভু - পৃষ্ঠকে বিস্তৃত করেছি এবং তার উপর পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি।
Word by word
١٩ وَٱلْأَرْضَ مَدَدْنَٰهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَٰسِىَ وَأَنۢبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَىْءٍ مَّوْزُونٍ
জহুরুল হক
২০ আর তোমাদের জন্য তাতে সৃষ্টি করেছি খাদ্যবস্তু, আর তোমরা যাদের জীবিকাদাতা নও তাদের জন্যেও।
Arabic
٢٠ وجعلنا لكم فيها معايش ومن لستم له برازقين
মুহিউদ্দীন খান
২০ আমি তোমাদের জন্যে তাতে জীবিকার উপকরন সৃষ্টি করছি এবং তাদের জন্যেও যাদের অন্নদাতা তোমরা নও।
Word by word
٢٠ وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَٰيِشَ وَمَن لَّسْتُمْ لَهُۥ بِرَٰزِقِينَ
জহুরুল হক
২১ আর এমন কোনো - কিছু নেই যার ভান্ডার আমাদের কাছে নয়, আর আমরা তা পাঠাই না নির্ধারিত পরিমাপে ছাড়া।
Arabic
٢١ وإن من شيء إلا عندنا خزائنه وما ننزله إلا بقدر معلوم
মুহিউদ্দীন খান
২১ আমার কাছে প্রত্যেক বস্তুর ভান্ডার রয়েছে। আমি নির্দিষ্ট পরিমানেই তা অবতরণ করি।
Word by word
٢١ وَإِن مِّن شَىْءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَآئِنُهُۥ وَمَا نُنَزِّلُهُۥٓ إِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُومٍ
জহুরুল হক
২২ আর আমরা উর্বরতা - সঞ্চারক বায়ু পাঠাই, তারপর আকাশ থেকে আমরা পানি পাঠাই, তখন তোমাদের তা পান করতে দিই, আর তোমরা তার কোষাধ্যক্ষ নও!
Arabic
٢٢ وأرسلنا الرياح لواقح فأنزلنا من السماء ماء فأسقيناكموه وما أنتم له بخازنين
মুহিউদ্দীন খান
২২ আমি বৃষ্টিগর্ভ বায়ু পরিচালনা করি অতঃপর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি, এরপর তোমাদেরকে তা পান করাই। বস্তুতঃ তোমাদের কাছে এর ভান্ডার নেই।
Word by word
٢٢ وَأَرْسَلْنَا ٱلرِّيَٰحَ لَوَٰقِحَ فَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَسْقَيْنَٰكُمُوهُ وَمَآ أَنتُمْ لَهُۥ بِخَٰزِنِينَ
জহুরুল হক
২৩ আর নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই, আর আমরাই হচ্ছি উত্তরাধিকারী।
Arabic
٢٣ وإنا لنحن نحيي ونميت ونحن الوارثون
মুহিউদ্দীন খান
২৩ আমিই জীবনদান করি, মৃত্যুদান করি এবং আমিই চুড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।
Word by word
٢٣ وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْىِۦ وَنُمِيتُ وَنَحْنُ ٱلْوَٰرِثُونَ
জহুরুল হক
২৪ আর আমরা নিশ্চয়ই জানি তোমাদের মধ্যের অগ্রগামীদের, আর আমরা অবশ্য জানি পশ্চাতে - পড়ে - থাকাদের।
Arabic
٢٤ ولقد علمنا المستقدمين منكم ولقد علمنا المستأخرين
মুহিউদ্দীন খান
২৪ আমি জেনে রেখেছি তোমাদের অগ্রগামীদেরকে এবং আমি জেনে রেখেছি পশ্চাদগামীদেরকে।
Word by word
٢٤ وَلَقَدْ عَلِمْنَا ٱلْمُسْتَقْدِمِينَ مِنكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا ٱلْمُسْتَـْٔخِرِينَ
জহুরুল হক
২৫ আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি তাদেরকে একত্রে সমবেত করবেন। তিনি নিশ্চয়ই পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।
Arabic
٢٥ وإن ربك هو يحشرهم ۚ إنه حكيم عليم
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আপনার পালনকর্তাই তাদেরকে একত্রিত করে আনবেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানময়।
Word by word
٢٥ وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحْشُرُهُمْ إِنَّهُۥ حَكِيمٌ عَلِيمٌ
জহুরুল হক
২৬ আর আমরা নিশ্চয়ই মানুষ সৃষ্টি করেছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।
Arabic
٢٦ ولقد خلقنا الإنسان من صلصال من حمإ مسنون
মুহিউদ্দীন খান
২৬ আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি।
Word by word
٢٦ وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِن صَلْصَٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
জহুরুল হক
২৭ আর আমরা এর আগে জিন সৃষ্টি করেছি প্রখর আগুন দিয়ে।
Arabic
٢٧ والجان خلقناه من قبل من نار السموم
মুহিউদ্দীন খান
২৭ এবং জিনকে এর আগে লু এর আগুনের দ্বারা সৃজিত করেছি।
Word by word
٢٧ وَٱلْجَآنَّ خَلَقْنَٰهُ مِن قَبْلُ مِن نَّارِ ٱلسَّمُومِ
জহুরুল হক
২৮ আর স্মরণ কর! তোমার প্রভু ফিরিশ্তাদের বললেন - - ''নিঃসন্দেহ আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।
Arabic
٢٨ وإذ قال ربك للملائكة إني خالق بشرا من صلصال من حمإ مسنون
মুহিউদ্দীন খান
২৮ আর আপনার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদেরকে বললেনঃ আমি পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুষ্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্ট একটি মানব জাতির পত্তন করব।
Word by word
٢٨ وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَٰٓئِكَةِ إِنِّى خَٰلِقٌۢ بَشَرًا مِّن صَلْصَٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
জহুরুল হক
২৯ সুতরাং যখন আমি তাকে সুঠাম করব আর তাতে আমার রূহ্ ফুকঁবো তখন তার প্রতি তোমরা পড় সিজদাবনত হয়ে।’’
Arabic
٢٩ فإذا سويته ونفخت فيه من روحي فقعوا له ساجدين
মুহিউদ্দীন খান
২৯ অতঃপর যখন তাকে ঠিকঠাক করে নেব এবং তাতে আমার রূহ থেকে ফঁুক দেব, তখন তোমরা তার সামনে সেজদায় পড়ে যেয়ো।
Word by word
٢٩ فَإِذَا سَوَّيْتُهُۥ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِى فَقَعُوا۟ لَهُۥ سَٰجِدِينَ
জহুরুল হক
৩০ তখন ফিরিশ্তারা সিজদা করলে, তাদের সবাই সববেত - ভাবে, - -
Arabic
٣٠ فسجد الملائكة كلهم أجمعون
মুহিউদ্দীন খান
৩০ তখন ফেরেশতারা সবাই মিলে সেজদা করল।
Word by word
٣٠ فَسَجَدَ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ
জহুরুল হক
৩১ ইবলিস ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করল।
Arabic
٣١ إلا إبليس أبى أن يكون مع الساجدين
মুহিউদ্দীন খান
৩১ কিন্তু ইবলীস - সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হল না।
Word by word
٣١ إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰٓ أَن يَكُونَ مَعَ ٱلسَّٰجِدِينَ
জহুরুল হক
৩২ তিনি বললেন - - ''হে ইবলিস! তোমার কি হয়েছে যে তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না?’’
Arabic
٣٢ قال يا إبليس ما لك ألا تكون مع الساجدين
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আল্লাহ বললেনঃ হে ইবলিস, তোমার কি হলো যে তুমি সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হলে না?
Word by word
٣٢ قَالَ يَٰٓإِبْلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ ٱلسَّٰجِدِينَ
জহুরুল হক
৩৩ সে বললে - - ''আমি তেমন নই যে আমি সিজদা করব একজন মানুষকে যাকে তুমি সৃষ্টি করেছ আওয়াজদায়ক মাটি থেকে - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।’’
Arabic
٣٣ قال لم أكن لأسجد لبشر خلقته من صلصال من حمإ مسنون
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ বললঃ আমি এমন নই যে, একজন মানবকে সেজদা করব, যাকে আপনি পচা কর্দম থেকে তৈরী ঠনঠনে বিশুষ্ক মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।
Word by word
٣٣ قَالَ لَمْ أَكُن لِّأَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهُۥ مِن صَلْصَٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
জহুরুল হক
৩৪ তিনি বললেন - - ''তাহলে বেরিয়ে যাও এখান থেকে, কেননা নিঃসন্দেহ তুমি বিতাড়িত,
Arabic
٣٤ قال فاخرج منها فإنك رجيم
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আল্লাহ বললেনঃ তবে তুমি এখান থেকে বের হয়ে যাও। তুমি বিতাড়িত।
Word by word
٣٤ قَالَ فَٱخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ
জহুরুল হক
৩৫ ''আর নিশ্চয় তোমার উপরে থাকবে অসন্তষ্টি শেষবিচারের দিন পর্যন্ত।’’
Arabic
٣٥ وإن عليك اللعنة إلى يوم الدين
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ এবং তোমার প্রতি ন্যায় বিচারের দিন পর্যন্ত অভিসম্পাত।
Word by word
٣٥ وَإِنَّ عَلَيْكَ ٱللَّعْنَةَ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلدِّينِ
জহুরুল হক
৩৬ সে বললে - - ''আমার প্রভু! তবে আমাকে অবকাশ দাও সেই দিন পর্যন্ত যখন তাদের পুনরুত্থিত করা হবে!’’
Arabic
٣٦ قال رب فأنظرني إلى يوم يبعثون
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।
Word by word
٣٦ قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ
জহুরুল হক
৩৭ তিনি বললেন - - ''তবে তুমি নিশ্চয়ই অবকাশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার - -
Arabic
٣٧ قال فإنك من المنظرين
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ আল্লাহ বললেনঃ তোমাকে অবকাশ দেয়া হল।
Word by word
٣٧ قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلْمُنظَرِينَ
জহুরুল হক
৩৮ নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত।’’
Arabic
٣٨ إلى يوم الوقت المعلوم
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ সেই অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।
Word by word
٣٨ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْوَقْتِ ٱلْمَعْلُومِ
জহুরুল হক
৩৯ সে বললে - - ''আমার প্রভু! তুমি যেমনি আমাকে বিপথে যেতে দিয়েছ, আমিও তেমনি নিশ্চয়ই তাদের নিকট চিত্তাকর্ষক করব এই পৃথিবীতে, আর অবশ্যই তাদের একসাথে বিপথগামী করব - -
Arabic
٣٩ قال رب بما أغويتني لأزينن لهم في الأرض ولأغوينهم أجمعين
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ সে বললঃ হে আমার পলনকর্তা, আপনি যেমন আমাকে পথ ভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করব এবং তাদের সবাইকে পথ ভ্রষ্ঠ করে দেব।
Word by word
٣٩ قَالَ رَبِّ بِمَآ أَغْوَيْتَنِى لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
জহুরুল হক
৪০ তাদের মধ্যে তোমার খাস বান্দাদের ব্যতীত।’’
Arabic
٤٠ إلا عبادك منهم المخلصين
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আপনার মনোনীত বান্দাদের ব্যতীত।
Word by word
٤٠ إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ ٱلْمُخْلَصِينَ
জহুরুল হক
৪১ তিনি বললেন - - ''এটিই হচ্ছে আমার দিকে সহজ - সঠিক পথ।
Arabic
٤١ قال هذا صراط علي مستقيم
মুহিউদ্দীন খান
৪১ আল্লাহ বললেনঃ এটা আমা পর্যন্ত সোজা পথ।
Word by word
٤١ قَالَ هَٰذَا صِرَٰطٌ عَلَىَّ مُسْتَقِيمٌ
জহুরুল হক
৪২ ''নিঃসন্দেহ আমার দাসদের সন্বন্ধে - - তাদের উপরে তোমার কোনো আধিপত্য নেই, বিপথগামীদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে তাদের ব্যতীত।
Arabic
٤٢ إن عبادي ليس لك عليهم سلطان إلا من اتبعك من الغاوين
মুহিউদ্দীন খান
৪২ যারা আমার বান্দা, তাদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।
Word by word
٤٢ إِنَّ عِبَادِى لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَٰنٌ إِلَّا مَنِ ٱتَّبَعَكَ مِنَ ٱلْغَاوِينَ
জহুরুল হক
৪৩ ''আর নিঃসন্দেহ জাহান্নাম হচ্ছে তাদের সকলের জন্য প্রতিশ্রুত স্থান - -
Arabic
٤٣ وإن جهنم لموعدهم أجمعين
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তাদের সবার নির্ধারিত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।
Word by word
٤٣ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ
জহুরুল হক
৪৪ ''তার সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক প্রবেশপথের জন্য রয়েছে তাদের মধ্যের পৃথক পৃথক দল।’’
Arabic
٤٤ لها سبعة أبواب لكل باب منهم جزء مقسوم
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ এর সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক দরজার জন্যে এক একটি পৃথক দল আছে।
Word by word
٤٤ لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَٰبٍ لِّكُلِّ بَابٍ مِّنْهُمْ جُزْءٌ مَّقْسُومٌ
জহুরুল হক
৪৫ নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা থাকবে স্বর্গোদ্যানে ও ঝরনারাজির মধ্যে।
Arabic
٤٥ إن المتقين في جنات وعيون
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ নিশ্চয় খোদাভীরুরা বাগান ও নির্ঝরিনীসহূহে থাকবে।
Word by word
٤٥ إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّٰتٍ وَعُيُونٍ
জহুরুল হক
৪৬ ''তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তিতে ও নিরাপত্তায়।’’
Arabic
٤٦ ادخلوها بسلام آمنين
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ বলা হবেঃ এগুলোতে নিরাপত্তা ও শান্তি সহকরে প্রবেশ কর।
Word by word
٤٦ ٱدْخُلُوهَا بِسَلَٰمٍ ءَامِنِينَ
জহুরুল হক
৪৭ আর আমরা বের করে দেব তাদের অন্তরে যা - কিছু হিংসা - বিদ্বেষ রয়েছিল, ফলে তারা ভাইদের মতো থাকবে আসনের উপরে মুখোমুখি হয়ে।
Arabic
٤٧ ونزعنا ما في صدورهم من غل إخوانا على سرر متقابلين
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ তাদের অন্তরে যে ক্রোধ ছিল, আমি তা দূর করে দেব। তারা ভাই ভাইয়ের মত সামনা - সামনি আসনে বসবে।
Word by word
٤٧ وَنَزَعْنَا مَا فِى صُدُورِهِم مِّنْ غِلٍّ إِخْوَٰنًا عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَٰبِلِينَ
জহুরুল হক
৪৮ সেখানে তাদের স্পর্শ করবে না কোনো অবসাদ, আর তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃত হবে না।
Arabic
٤٨ لا يمسهم فيها نصب وما هم منها بمخرجين
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ সেখানে তাদের মোটেই কষ্ট হবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিস্কৃত হবে না।
Word by word
٤٨ لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُم مِّنْهَا بِمُخْرَجِينَ
জহুরুল হক
৪৯ আমার বান্দাদের খবর দাও যে আমিই তো নিশ্চয়ই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা,
Arabic
٤٩ ۞ نبئ عبادي أني أنا الغفور الرحيم
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ আপনি আমার বান্দাদেরকে জানিয়ে দিন যে, আমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল দয়ালু।
Word by word
٤٩ نَبِّئْ عِبَادِىٓ أَنِّىٓ أَنَا ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ
জহুরুল হক
৫০ আর আমার শাস্তি, - - তা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি।
Arabic
٥٠ وأن عذابي هو العذاب الأليم
মুহিউদ্দীন খান
৫০ এবং ইহাও যে, আমার শাস্তিই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।
Word by word
٥٠ وَأَنَّ عَذَابِى هُوَ ٱلْعَذَابُ ٱلْأَلِيمُ
জহুরুল হক
৫১ আর তাদের খবর দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের সন্বন্ধে।’’
Arabic
٥١ ونبئهم عن ضيف إبراهيم
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আপনি তাদেরকে ইব্রাহীমের মেহমানদের অবস্থা শুনিয়ে দিন।
Word by word
٥١ وَنَبِّئْهُمْ عَن ضَيْفِ إِبْرَٰهِيمَ
জহুরুল হক
৫২ যখন তারা তাঁর কাছে হাজির হল তখন তারা বললে - - ''সালাম’’। তিনি বললেন - - ''আমরা অবশ্য তোমাদের সন্বন্ধে ভয় করছি।’’
Arabic
٥٢ إذ دخلوا عليه فقالوا سلاما قال إنا منكم وجلون
মুহিউদ্দীন খান
৫২ যখন তারা তাঁর গৃহে আগমন করল এবং বললঃ সালাম। তিনি বললেনঃ আমরা তোমাদের ব্যাপারে ভীত।
Word by word
٥٢ إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَقَالُوا۟ سَلَٰمًا قَالَ إِنَّا مِنكُمْ وَجِلُونَ
জহুরুল হক
৫৩ তারা বললেন - - ''ভয় করো না, নিঃসন্দেহ আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানবান ছেলের সন্বন্ধে।’’
Arabic
٥٣ قالوا لا توجل إنا نبشرك بغلام عليم
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ তারা বললঃ ভয় করবেন না। আমরা আপনাকে একজন জ্ঞানবান ছেলে - সন্তানের সুসংবাদ দিচ্ছি।
Word by word
٥٣ قَالُوا۟ لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَٰمٍ عَلِيمٍ
জহুরুল হক
৫৪ তিনি বললেন - - ''তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? তবে কিসের তোমরা সুসংবাদ দিচ্ছ?
Arabic
٥٤ قال أبشرتموني على أن مسني الكبر فبم تبشرون
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ তিনি বললেনঃ তোমরা কি আমাকে এমতাবস্থায় সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন আমি বার্ধক্যে পৌছে গেছি ?
Word by word
٥٤ قَالَ أَبَشَّرْتُمُونِى عَلَىٰٓ أَن مَّسَّنِىَ ٱلْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ
জহুরুল হক
৫৫ তারা বললে - - ''আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি সত্যের সাথে, সুতরাং তুমি হতাশদের মধ্যেকার হয়ো না।’’
Arabic
٥٥ قالوا بشرناك بالحق فلا تكن من القانطين
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ তারা বললঃ আমরা আপনাকে সত্য সু - সংবাদ দিচ্ছি! অতএব আপনি নিরাশ হবেন না।
Word by word
٥٥ قَالُوا۟ بَشَّرْنَٰكَ بِٱلْحَقِّ فَلَا تَكُن مِّنَ ٱلْقَٰنِطِينَ
জহুরুল হক
৫৬ তিনি বললেন - - ''আর কে হতাশ হয় তার প্রভুর করুণা থেকে পথভ্রষ্টরা ব্যতীত?’’
Arabic
٥٦ قال ومن يقنط من رحمة ربه إلا الضالون
মুহিউদ্দীন খান
৫৬ তিনি বললেনঃ পালনকর্তার রহমত থেকে পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে নিরাশ হয় ?
Word by word
٥٦ قَالَ وَمَن يَقْنَطُ مِن رَّحْمَةِ رَبِّهِۦٓ إِلَّا ٱلضَّآلُّونَ
জহুরুল হক
৫৭ তিনি বললেন - - ''তবে কি তোমাদের কাজ রয়েছে, হে প্রেরিতগণ?’’
Arabic
٥٧ قال فما خطبكم أيها المرسلون
মুহিউদ্দীন খান
৫৭ তিনি বললেনঃ অতঃপর তোমাদের প্রধান উদ্দেশ্য কি হে আল্লাহর প্রেরিতগণ ?
Word by word
٥٧ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا ٱلْمُرْسَلُونَ
জহুরুল হক
৫৮ তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই প্রেরিত হয়েছি একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি,
Arabic
٥٨ قالوا إنا أرسلنا إلى قوم مجرمين
মুহিউদ্দীন খান
৫৮ তারা বললঃ আমরা একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
Word by word
٥٨ قَالُوٓا۟ إِنَّآ أُرْسِلْنَآ إِلَىٰ قَوْمٍ مُّجْرِمِينَ
জহুরুল হক
৫৯ ''লুতের অনুবর্তীরা ব্যতীত। নিঃসন্দেহ তাঁদের সবাইকে আমরা অবশ্যই উদ্ধার করব - -
Arabic
٥٩ إلا آل لوط إنا لمنجوهم أجمعين
মুহিউদ্দীন খান
৫৯ কিন্তু লূতের পরিবার - পরিজন। আমরা অবশ্যই তাদের সবাইকে বাঁচিয়ে নেব।
Word by word
٥٩ إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ
জহুরুল হক
৬০ তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। আমরা সঠিক জেনেছি যে সে তো নিশ্চয়ই পেছনে - পড়েথাকাদের মধ্যেকার।’’
Arabic
٦٠ إلا امرأته قدرنا ۙ إنها لمن الغابرين
মুহিউদ্দীন খান
৬০ তবে তার স্ত্রী। আমরা স্থির করেছি যে, সে থেকে যাওয়াদের দলভূক্ত হবে।
Word by word
٦٠ إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ قَدَّرْنَآ إِنَّهَا لَمِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ
জহুরুল হক
৬১ তারপর যখন বাণীবাহকরা লূত - এর পরিজনের কাছে এল,
Arabic
٦١ فلما جاء آل لوط المرسلون
মুহিউদ্দীন খান
৬১ অতঃপর যখন প্রেরিতরা লূতের গৃহে পৌছল।
Word by word
٦١ فَلَمَّا جَآءَ ءَالَ لُوطٍ ٱلْمُرْسَلُونَ
জহুরুল হক
৬২ তিনি বললেন - - ''তোমরা তো অপরিচিত লোক।’’
Arabic
٦٢ قال إنكم قوم منكرون
মুহিউদ্দীন খান
৬২ তিনি বললেনঃ তোমরা তো অপরিচিত লোক।
Word by word
٦٢ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌ مُّنكَرُونَ
জহুরুল হক
৬৩ তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছি তাই নিয়ে যে - সন্বন্ধে তারা তর্ক - বিতর্ক করত।
Arabic
٦٣ قالوا بل جئناك بما كانوا فيه يمترون
মুহিউদ্দীন খান
৬৩ তারা বললঃ না বরং আমরা আপনার কাছে ঐ বস্তু নিয়ে এসেছি, যে সম্পর্কে তারা বিবাদ করত।
Word by word
٦٣ قَالُوا۟ بَلْ جِئْنَٰكَ بِمَا كَانُوا۟ فِيهِ يَمْتَرُونَ
জহুরুল হক
৬৪ ''আর আমরা তোমার কাছে নিয়ে এসেছি সত্যবার্তা, আর আমরা নিঃসন্দেহ সত্যবাদী।
Arabic
٦٤ وأتيناك بالحق وإنا لصادقون
মুহিউদ্দীন খান
৬৪ এবং আমরা আপনার কাছে সত্য বিষয় নিয়ে এসেছি এবং আমরা সত্যবাদী।
Word by word
٦٤ وَأَتَيْنَٰكَ بِٱلْحَقِّ وَإِنَّا لَصَٰدِقُونَ
জহুরুল হক
৬৫ ''সুতরাং তোমার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের এক অংশে, আর তুমি তাদের পেছন থেকে অনুসরণ কর, আর তোমাদের মধ্যের কেউ যেন পিছন দিকে না দেখে, আর চলে যাও যেখানে তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।’’
Arabic
٦٥ فأسر بأهلك بقطع من الليل واتبع أدبارهم ولا يلتفت منكم أحد وامضوا حيث تؤمرون
মুহিউদ্দীন খান
৬৫ অতএব আপনি শেষরাত্রে পরিবারের সকলকে নিয়ে চলে যান এবং আপনি তাদের পশ্চাদনুসরণ করবেন না এবং আপনাদের মধ্যে কেউ যেন পিছন ফিরে না দেখে। আপনারা যেখানে আদেশ প্রাপ্ত হচ্ছেন সেখানে যান।
Word by word
٦٥ فَأَسْرِ بِأَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِّنَ ٱلَّيْلِ وَٱتَّبِعْ أَدْبَٰرَهُمْ وَلَا يَلْتَفِتْ مِنكُمْ أَحَدٌ وَٱمْضُوا۟ حَيْثُ تُؤْمَرُونَ
জহুরুল হক
৬৬ আর তাঁর কাছে আমরা জানিয়ে দিলাম এই নির্দেশ যে এদের শেষটুকুও কেটে দেওয়া হবে ভোরে জেগে ওঠার বেলায়।
Arabic
٦٦ وقضينا إليه ذلك الأمر أن دابر هؤلاء مقطوع مصبحين
মুহিউদ্দীন খান
৬৬ আমি লূতকে এ বিষয় পরিজ্ঞাত করে দেই যে, সকাল হলেই তাদেরকে সমুলে বিনাশ করে দেয়া হবে।
Word by word
٦٦ وَقَضَيْنَآ إِلَيْهِ ذَٰلِكَ ٱلْأَمْرَ أَنَّ دَابِرَ هَٰٓؤُلَآءِ مَقْطُوعٌ مُّصْبِحِينَ
জহুরুল হক
৬৭ আর শহরের লোকেরা এল উৎফুল্ল হয়ে।
Arabic
٦٧ وجاء أهل المدينة يستبشرون
মুহিউদ্দীন খান
৬৭ শহরবাসীরা আনন্দ - উল্লাস করতে করতে পৌছল।
Word by word
٦٧ وَجَآءَ أَهْلُ ٱلْمَدِينَةِ يَسْتَبْشِرُونَ
জহুরুল হক
৬৮ তিনি বললেন - - ''এরা নিশ্চয়ই আমার অতিথি, সুতরাং আমাকে বেইজ্জত করো না।
Arabic
٦٨ قال إن هؤلاء ضيفي فلا تفضحون
মুহিউদ্দীন খান
৬৮ লূত বললেনঃ তারা আমার মেহমান। অতএব আমাকে লাঞ্ছিত করো না।
Word by word
٦٨ قَالَ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ ضَيْفِى فَلَا تَفْضَحُونِ
জহুরুল হক
৬৯ ''আর আল্লাহ্ কে ভয়শ্রদ্ধা কর, আর আমাকে লজ্জা দিয়ো না!’’
Arabic
٦٩ واتقوا الله ولا تخزون
মুহিউদ্দীন খান
৬৯ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার ইযযত নষ্ট করো না।
Word by word
٦٩ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَلَا تُخْزُونِ
জহুরুল হক
৭০ তারা বললে - - ''আমরা কি তোমাকে নিষেধ করি নি জগদ্বাসীদের সম্পর্কে?’’
Arabic
٧٠ قالوا أولم ننهك عن العالمين
মুহিউদ্দীন খান
৭০ তার বললঃ আমরা কি আপনাকে জগৎদ্বাসীর সমর্থন করতে নিষেধ করিনি।
Word by word
٧٠ قَالُوٓا۟ أَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ ٱلْعَٰلَمِينَ
জহুরুল হক
৭১ তিনি বললেন - - ''এরা আমার কন্যা, যদি তোমরা করতে চাও!’’
Arabic
٧١ قال هؤلاء بناتي إن كنتم فاعلين
মুহিউদ্দীন খান
৭১ তিনি বললেনঃ যদি তোমরা একান্ত কিছু করতেই চাও, তবে আমার কন্যারা উপস্থিত আছে।
Word by word
٧١ قَالَ هَٰٓؤُلَآءِ بَنَاتِىٓ إِن كُنتُمْ فَٰعِلِينَ
জহুরুল হক
৭২ তোমার জীবনের কসম! তারা নিঃসন্দেহ তাদের মত্ততায় অন্ধভাবে ঘুরছিল।
Arabic
٧٢ لعمرك إنهم لفي سكرتهم يعمهون
মুহিউদ্দীন খান
৭২ আপনার প্রাণের কসম, তারা আপন নেশায় প্রমত্ত ছিল।
Word by word
٧٢ لَعَمْرُكَ إِنَّهُمْ لَفِى سَكْرَتِهِمْ يَعْمَهُونَ
জহুরুল হক
৭৩ কাজেই এক মহাধ্বনি তাদের পাকড়াও করল সূর্যোদয়কালে।
Arabic
٧٣ فأخذتهم الصيحة مشرقين
মুহিউদ্দীন খান
৭৩ অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তাদেরকে প্রচন্ড একটি শব্দ এসে পাকড়াও করল।
Word by word
٧٣ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّيْحَةُ مُشْرِقِينَ
জহুরুল হক
৭৪ কাজেকাজেই এর উপরভাগ আমরা বানিয়ে দিলাম এর নিচের ভাগ, আর তাদের উপরে বর্ষণ করলাম পোড়া - মাটির পাথর।
Arabic
٧٤ فجعلنا عاليها سافلها وأمطرنا عليهم حجارة من سجيل
মুহিউদ্দীন খান
৭৪ অতঃপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম এবং তাদের উপর কঙ্করের প্রস্থর বর্ষণ করলাম।
Word by word
٧٤ فَجَعَلْنَا عَٰلِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ
জহুরুল হক
৭৫ নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদের্শনাবলী রয়েছে।
Arabic
٧٥ إن في ذلك لآيات للمتوسمين
মুহিউদ্দীন খান
৭৫ নিশ্চয় এতে চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
Word by word
٧٥ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّلْمُتَوَسِّمِينَ
জহুরুল হক
৭৬ আর নিঃসন্দেহ এটি একটি সড়কের উপরে অবস্থিত।
Arabic
٧٦ وإنها لبسبيل مقيم
মুহিউদ্দীন খান
৭৬ জনপদটি সোজা পথে অবস্থিত রয়েছে।
Word by word
٧٦ وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٍ مُّقِيمٍ
জহুরুল হক
৭৭ নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।
Arabic
٧٧ إن في ذلك لآية للمؤمنين
মুহিউদ্দীন খান
৭৭ নিশ্চয় এতে ঈমানদারদের জন্যে নিদর্শণ আছে।
Word by word
٧٧ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ
জহুরুল হক
৭৮ আর আসহাবুল আইকাহ্ অবশ্যই ছিল অন্যায়াচারী।
Arabic
٧٨ وإن كان أصحاب الأيكة لظالمين
মুহিউদ্দীন খান
৭৮ নিশ্চয় গহীন বনের অধিবাসীরা পাপী ছিল।
Word by word
٧٨ وَإِن كَانَ أَصْحَٰبُ ٱلْأَيْكَةِ لَظَٰلِمِينَ
জহুরুল হক
৭৯ সেজন্য তাদের থেকে আমরা প্রতিফল আদায় করেছিলাম। তারা উভয়েই তো রয়েছে প্রকাশ্য রাজপথে।
Arabic
٧٩ فانتقمنا منهم وإنهما لبإمام مبين
মুহিউদ্দীন খান
৭৯ অতঃপর আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বস্তি প্রকাশ্য রাস্তার উপর অবস্থিত।
Word by word
٧٩ فَٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُّبِينٍ
জহুরুল হক
৮০ আর নিশ্চয় পাথুরে - পাহাড়ের বাসিন্দারাও রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Arabic
٨٠ ولقد كذب أصحاب الحجر المرسلين
মুহিউদ্দীন খান
৮০ নিশ্চয় হিজরের বাসিন্দারা পয়গম্বরগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে।
Word by word
٨٠ وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَٰبُ ٱلْحِجْرِ ٱلْمُرْسَلِينَ
জহুরুল হক
৮১ আর তাদের আমরা আমাদের নির্দেশাবলী দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সে - সব থেকে ফিরে গিয়েছিল।
Arabic
٨١ وآتيناهم آياتنا فكانوا عنها معرضين
মুহিউদ্দীন খান
৮১ আমি তাদেরকে নিজের নিদর্শনাবলী দিয়েছি। অতঃপর তারা এগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
Word by word
٨١ وَءَاتَيْنَٰهُمْ ءَايَٰتِنَا فَكَانُوا۟ عَنْهَا مُعْرِضِينَ
জহুরুল হক
৮২ আর তারা পাহাড় কেটে নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়িঘর তৈরি করত।
Arabic
٨٢ وكانوا ينحتون من الجبال بيوتا آمنين
মুহিউদ্দীন খান
৮২ তারা পাহাড়ে নিশ্চিন্তে ঘর খোদাই করত।
Word by word
٨٢ وَكَانُوا۟ يَنْحِتُونَ مِنَ ٱلْجِبَالِ بُيُوتًا ءَامِنِينَ
জহুরুল হক
৮৩ কিন্তু প্রচন্ড আওয়াজ তাদের পাকড়াও করল সকালবেলায়।
Arabic
٨٣ فأخذتهم الصيحة مصبحين
মুহিউদ্দীন খান
৮৩ অতঃপর এক প্রত্যুষে তাদের উপর একটা শব্দ এসে আঘাত করল।
Word by word
٨٣ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ
জহুরুল হক
৮৪ কাজেই তারা যা অর্জন করত তা তাদের কোনো কাজে আসে নি।
Arabic
٨٤ فما أغنى عنهم ما كانوا يكسبون
মুহিউদ্দীন খান
৮৪ তখন কোন উপকারে আসল না যা তারা উপার্জন করেছিল।
Word by word
٨٤ فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ
জহুরুল হক
৮৫ আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা সৃষ্টি করি নি সত্যের সঙ্গে ব্যতীত। আর নিঃসন্দেহ ঘড়ি - ঘন্টা তো এসে পড়ল; সুতরাং উপেক্ষা করো মহৎ উপেক্ষাভরে।
Arabic
٨٥ وما خلقنا السماوات والأرض وما بينهما إلا بالحق ۗ وإن الساعة لآتية ۖ فاصفح الصفح الجميل
মুহিউদ্দীন খান
৮৫ আমি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা তাৎপর্যহীন সৃষ্টি করিনি। কেয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব পরম ঔদাসীন্যের সাথে ওদের ক্রিয়াকর্ম উপক্ষো করুন।
Word by word
٨٥ وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَآ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَإِنَّ ٱلسَّاعَةَ لَءَاتِيَةٌ فَٱصْفَحِ ٱلصَّفْحَ ٱلْجَمِيلَ
জহুরুল হক
৮৬ নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞাতা।
Arabic
٨٦ إن ربك هو الخلاق العليم
মুহিউদ্দীন খান
৮৬ নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই স্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।
Word by word
٨٦ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ ٱلْخَلَّٰقُ ٱلْعَلِيمُ
জহুরুল হক
৮৭ আর নিশ্চয়ই তোমাকে আমরা দিয়েছি বারবার - পঠিত সাতটি, আর এক সুমহান কুরআন।
Arabic
٨٧ ولقد آتيناك سبعا من المثاني والقرآن العظيم
মুহিউদ্দীন খান
৮৭ আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।
Word by word
٨٧ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَٰكَ سَبْعًا مِّنَ ٱلْمَثَانِى وَٱلْقُرْءَانَ ٱلْعَظِيمَ
জহুরুল হক
৮৮ তাদের মধ্যের কতক পরিবারকে যা ভোগবিলাসের বস্তু দিয়েছি তার প্রতি তোমার চোখ দিয়ো না, আর তাদের প্রতি তুমি ক্ষোভ করো না, বরং তোমার ডানা নামাও মুমিনদের জন্য।
Arabic
٨٨ لا تمدن عينيك إلى ما متعنا به أزواجا منهم ولا تحزن عليهم واخفض جناحك للمؤمنين
মুহিউদ্দীন খান
৮৮ আপনি চক্ষু তুলে ঐ বস্তুর প্রতি দেখবেন না, যা আমি তাদের মধ্যে কয়েক প্রকার লোককে ভোগ করার জন্যে দিয়েছি, তাদের জন্যে চিন্তিত হবেন না আর ঈমানদারদের জন্যে স্বীয় বাহু নত করুন।
Word by word
٨٨ لَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًا مِّنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَٱخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِينَ
জহুরুল হক
৮৯ আর বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি, আমি হচ্ছি একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী।’’
Arabic
٨٩ وقل إني أنا النذير المبين
মুহিউদ্দীন খান
৮৯ আর বলুনঃ আমি প্রকাশ্য ভয় প্রদর্শক।
Word by word
٨٩ وَقُلْ إِنِّىٓ أَنَا ٱلنَّذِيرُ ٱلْمُبِينُ
জহুরুল হক
৯০ যেমন আমরা পাঠিয়েছিলাম বিভক্তদের প্রতি, - -
Arabic
٩٠ كما أنزلنا على المقتسمين
মুহিউদ্দীন খান
৯০ যেমন আমি নাযিল করেছি যারা বিভিন্ন মতে বিভক্ত তাদের উপর।
Word by word
٩٠ كَمَآ أَنزَلْنَا عَلَى ٱلْمُقْتَسِمِينَ
জহুরুল হক
৯১ যারা কুরআনকে করে ছিন্নভিন্ন।
Arabic
٩١ الذين جعلوا القرآن عضين
মুহিউদ্দীন খান
৯১ যারা কোরআনকে খন্ড খন্ড করেছে।
Word by word
٩١ ٱلَّذِينَ جَعَلُوا۟ ٱلْقُرْءَانَ عِضِينَ
জহুরুল হক
৯২ সুতরাং, তোমার প্রভুর কসম! আমরা নিশ্চয়ই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব - -
Arabic
٩٢ فوربك لنسألنهم أجمعين
মুহিউদ্দীন খান
৯২ অতএব আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই ওদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
Word by word
٩٢ فَوَرَبِّكَ لَنَسْـَٔلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
জহুরুল হক
৯৩ তারা যা করে চলেছিল সে - সন্বন্ধে।
Arabic
٩٣ عما كانوا يعملون
মুহিউদ্দীন খান
৯৩ ওদের কাজকর্ম সম্পর্কে।
Word by word
٩٣ عَمَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
জহুরুল হক
৯৪ কাজেই প্রকাশ্যে ঘোষণা করো যা তোমাকে আদেশ করা হয়েছে, আর বহুখোদাবাদীদের থেকে ফিরে থেকো।
Arabic
٩٤ فاصدع بما تؤمر وأعرض عن المشركين
মুহিউদ্দীন খান
৯৪ অতএব আপনি প্রকাশ্যে শুনিয়ে দিন যা আপনাকে আদেশ করা হয় এবং মুশরিকদের পরওয়া করবেন না।
Word by word
٩٤ فَٱصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ ٱلْمُشْرِكِينَ
জহুরুল হক
৯৫ আমরাই তো তোমার জন্য যথেষ্ট বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে - -
Arabic
٩٥ إنا كفيناك المستهزئين
মুহিউদ্দীন খান
৯৫ বিদ্রুপকারীদের জন্যে আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট।
Word by word
٩٥ إِنَّا كَفَيْنَٰكَ ٱلْمُسْتَهْزِءِينَ
জহুরুল হক
৯৬ যারা আল্লাহ্ র সাথে দাঁড় করায় অন্য উপাস্য, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।
Arabic
٩٦ الذين يجعلون مع الله إلها آخر ۚ فسوف يعلمون
মুহিউদ্দীন খান
৯৬ যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্য সাব্যস্ত করে। অতএব অতিসত্তর তারা জেনে নেবে।
Word by word
٩٦ ٱلَّذِينَ يَجْعَلُونَ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
জহুরুল হক
৯৭ আর আমরা অবশ্য জানি যে তারা যা বলে তাতে তোমার বক্ষ আলবৎ পীড়িত হয়,
Arabic
٩٧ ولقد نعلم أنك يضيق صدرك بما يقولون
মুহিউদ্দীন খান
৯৭ আমি জানি যে আপনি তাদের কথাবর্তায় হতোদ্যম হয়ে পড়েন।
Word by word
٩٧ وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ
জহুরুল হক
৯৮ সুতরাং তোমার প্রভুর প্রশংসা দ্বারা মহিমা কীর্তন করো, আর সিজদাকারীদের মধ্যেকার হও,
Arabic
٩٨ فسبح بحمد ربك وكن من الساجدين
মুহিউদ্দীন খান
৯৮ অতএব আপনি পালনকর্তার সৌন্দর্য স্মরণ করুন এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যান।
Word by word
٩٨ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ ٱلسَّٰجِدِينَ
জহুরুল হক
৯৯ আর তোমার প্রভুর উপাসনা কর যে পর্যন্ত না তোমার কাছে আসে যা সুনিশ্চিত।
Arabic
٩٩ واعبد ربك حتى يأتيك اليقين
মুহিউদ্দীন খান
৯৯ এবং পালনকর্তার এবাদত করুন, যে পর্যন্ত আপনার কাছে নিশ্চিত কথা না আসে।
Word by word
٩٩ وَٱعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّىٰ يَأْتِيَكَ ٱلْيَقِينُ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report