আলিফ, লাম, মীম।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ লাম মীম।
আলিফ-লাম-মীম।* *এ অক্ষরগুলো কুরআনের একটি মু‘জিযা- যার প্রকৃত অর্থ একমাত্র আল্লাহই জানেন।
Chapter 2, 286 verses
আলিফ, লাম, মীম।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ লাম মীম।
আলিফ-লাম-মীম।* *এ অক্ষরগুলো কুরআনের একটি মু‘জিযা- যার প্রকৃত অর্থ একমাত্র আল্লাহই জানেন।
ঐ গ্রন্থ, এতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তকীদের জন্য পথপ্রদর্শক
যালিকাল কিতাবু লারাইবা ফিহি হুদাল্লিল মুত্তাক্বিন।
এই সেই কিতাব, যাতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াত।
যারা গায়েবে ঈমান আনে, আর কায়েম করে, আর আমরা যে রিযেক তাদের দিয়েছি তা থেকে তারা খরচ করে থাকে।
আল্লাযী ইউমিনুনা বিল গাইবি ওয়া ইকিমুনাস্ সালাতা ওয়া মিম্মা রাযাকনাহুম ইউনফিকুন।
গায়েবের প্রতি ঈমান আনে, কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।
আর তোমার কাছে যা - কিছু অবতীর্ণ হয়েছে তা’তে যারা ঈমান আনে, আর তোমার পূর্ববর্তীদের কাছে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতেও, আর আখেরাত সন্বন্ধে যারা দৃঢ়বিশ্বাস রাখে।
ওয়াল্লাযী ইউমিনুনা বিমা উনযিলা ইলাইকা ওয়ামা উনযিলা মিন কাবলিকা ওয়াবিল আখিরাতি হুম ইউকিনুন।
আর যারা ঈমান আনে তাতে, যা তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে এবং যা তোমার পূর্বে নাযিল করা হয়েছে। আর আখিরাতের প্রতি তারা ইয়াকীন রাখে।
এরাই আছে তাদের প্রভুর তরফ থেকে হেদায়তের উপরে, আর এরা নিজেরাই হচ্ছে ।
উলা-য়িকা 'আলা- হুদাম্ র্মি রব্বিহিম্ অউলা-য়িকা হুমুল্ মুফ্লিহূন্।
তারা তাদের রবের পক্ষ থেকে হিদায়াতের উপর রয়েছে এবং তারাই ।
অবশ্যই যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, তাদের তুমি সতর্ক কর বা তাদের সতর্ক নাই কর তাদের কাছে সবই সমান, ওরা ঈমান আনবে না।
ইন্নাল লাযীনা কাফারূ সাওয়া-উন্ 'আলাইহিম্ আ আর্ন্যাতাহুম্ আম্ লাম্ তুন্যির হুম্ লা- ইয়ু'মিনূন।
নিশ্চয় যারা করেছে, তুমি তাদেরকে সতর্ক কর কিংবা না কর, উভয়ই তাদের জন্য বরাবর, তারা ঈমান আনবে না।
তাদের হৃদয়ে সীল মেরে দিয়েছেন, এবং তাদের কানেও, আর তাদের চোখের উপরে পর্দা। আর তাদের জন্য আছে কঠোর শাস্তি।
খাতামাল্লা-হু 'আলা- ক্বূলূবিহিম্ অ'আলা- সাম'ইহিম্ অ'আলায় আবছোয়া-রিহিম্ গিশা-ওয়াতুঁও অলাহুম্ 'আযা-বুন্ 'আজীম্।
তাদের অন্তরে এবং তাদের কানে মোহর লাগিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের চোখসমূহে রয়েছে পর্দা। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাআযাব।
আর মানুষের মাঝে কেউ - কেউ বলে থাকে - - “আমরা র প্রতি এবং আখেরাতের প্রতি ঈমান এনেছি”, অথচ তারা মুমিনদের মধ্যে নয়
অমিনান্ না-সি মাইঁ ইয়াক্বূলু আ- মান্না- বিল্লা-হি অবিল্ইয়াওমিল্ আ-খিরি অমা-হুম্ বিমু'মিনীন্।
আর মানুষের মধ্যে কিছু এমন আছে, যারা বলে, ‘আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি এবং শেষ দিনের প্রতি’, অথচ তারা নয়।
এরা চায় ও যারা ঈমান এনেছে তারা যেন প্রতারিত হন। কিন্তু তারা প্রতারণা করছে নিজেদের ছাড়া আর কাউকে নয়, অথচ তারা বুঝতে পারছে না।
ইয়ুখা-দি'ঊনাল্লা-হা অল্লাযীনা আ-মানূ অমা- ইয়াখ্দা'ঊনা ইল্লায় আন্ফুসাহুম্ অমা-ইয়াশ্'উরূন।
তারা আল্লাহকে এবং যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে। অথচ তারা নিজদেরকেই ধোঁকা দিচ্ছে এবং তারা তা অনুধাবন করে না।
তাদের অন্তরে ব্যারাম, তাই তাদের জন্য ব্যারাম বাড়িয়ে দিয়েছেন, আর তাদের জন্য ব্যথাদায়ক শাস্তি, যেহেতু তারা মিথ্যা বলে চলেছে।
ফী ক্বূলূবিহিম্ মারাদ্বুন্ ফাযা-দাহুমুল্লা-হু মারাদ্বোয়া- অলাহুম্ 'আযা-বুন্ আলীমুম্ বিমা- কা-নূ ইয়াক্যিবূন্।
তাদের অন্তরসমূহে রয়েছে ব্যাধি। সুতরাং তাদের ব্যাধি বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। কারণ তারা মিথ্যা বলত।
আর যখন তাদের বলা হলো - - “দুনিয়াতে তোমরা গন্ডগোল সৃষ্টি কর না”, তারা বলে - - “না তো, আমরা শান্তিকামী।”
অইযা- ক্বীলা লাহুম্ লা-তুফ্সিদূ ফিল র্আদ্বি ক্বা-লূয় ইন্নামা- নাহ্নু মুছ্লিহূন্।
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘তোমরা যমীনে ফাসাদ করো না’, তারা বলে, ‘আমরা তো কেবল সংশোধনকারী’।
তারা নিজেরাই কি নিশ্চয়ই গন্ডগোল সৃষ্টিকারী নয়? কিন্তু তারা বোঝে না।
আলায় ইন্নাহুম্ হুমুল্ মুফ্সিদূনা অলা-কিল্ লা-ইয়াশ্'উরূন্।
জেনে রাখ, নিশ্চয় তারা ফাসাদকারী; কিন্তু তারা বুঝে না।
আর যখন তাদের বলা হলো - - “তোমরাও ঈমান আনো যেমন লোকেরা ঈমান এনেছে”, তারা বললে - - “আমরা কি বিশ্বাস করব যেমন মূর্খরা বিশ্বাস করছে?” তারা নিজেরাই কি নিঃসন্দেহে মূর্খ নয়? কিন্তু তারা জানে না।
অইযা-ক্বীলা লাহুম্ আ-মিনূ কামায় আ-মানান্ না-সু ক্বা-লূয় আনুমিনু কামায় আ-মানাস্ সুফাহা-য়্ আলায় ইন্নাহুম্ হুমুস্ সুফাহা-উ অলা-কিল্ লা- ইয়া'লামূন্।
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘তোমরা ঈমান আন যেমন লোকেরা ঈমান এনেছে’, তারা বলে, ‘আমরা কি ঈমান আনব যেমন নির্বোধরা ঈমান এনেছে’? জেনে রাখ, নিশ্চয় তারাই নির্বোধ; কিন্তু তারা জানে না।
আর যারা ঈমান এনেছে তাদের সাথে তারা যখন মিলিত হয় তখন বলে - - “আমরা ঈমান এনেছি” । আবার যখন তারা তাদের শয়তানদের সঙ্গে নিরিবিলি হয় তখন বলে - - “আমরা নিশ্চয়ই তোমাদের সাথে, আমরা শুধু মস্করা করছিলাম।”
অইযা-লাক্বূল লাযীনা আ-মানূ ক্বা-লূয় আ-মান্না- অইযা-খালাও ইলা- শাইয়া-ত্বীনিহিম্ ক্বা-লূয় ইন্না- মা'আকুম ইন্নামা- নাহ্নু মুস্তাহ্যিয়ূন্।
আর যখন তারা মুমিনদের সাথে মিলিত হয়, তখন বলে ‘আমরা ঈমান এনেছি’ এবং যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে মিলিত হয়, তখন বলে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে আছি। আমরা তো কেবল উপহাসকারী’।
তাদের প্রতি মস্করা ঘুরিয়ে পাঠান, এবং তাদের অন্যায় ক্রিয়া - কলাপের মধ্যে ঘুরপাক খেতে তাদের ছেড়ে দেন।
আল্লা-হু ইয়াস্তাহ্যিয়ূ বিহিম্ অইয়ামুদ্দুহুম্ ফী তুগ্ইয়া-নিহিম্ ইয়া'মাহূন্।
তাদের প্রতি উপহাস করেন এবং তাদেরকে তাদের অবাধ্যতায় বিভ্রান্ত হয়ে ঘোরার অবকাশ দেন।
এরাই তারা যারা পথনির্দেশের বদলে পথভ্রষ্টতার কেনাকাটা করে, তাই তাদের ব্যবসা মুনাফা আনে না, আর তারা সৎপথপ্রাপ্ত হয় না।
উলা-য়িকাল্ লাযীনাশ্ তারা-য়ুদ্ব্ দ্বোয়ালা-লাতা বিল্ হুদা- ফামা- রাবিহাত্ তিজ্বা-রাতুহুম্ অমা- কা-নূ মুহ্তাদীন্।
এরাই তারা, যারা হিদায়াতের বিনিময়ে পথভ্রষ্টতা ক্রয় করেছে। কিন্তু তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি এবং তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না।
তাদের উপমা একজনের উদাহরণের মতো যিনি প্রদীপ জ্বালালেন, কিন্তু যখন এর চার পাশের সব - কিছু এ আলোকিত করল তখন তাদের দীপ্তি নিয়ে নিলেন ও তাদের ফেলে রাখলেন ঘোর অন্ধকারে, তাই তারা পথঘাট দেখতে পায় না।
মাছালুহুম্ কামাছালিল্ লাযিস্ তাওক্বাদা না-রান্ ফালাম্মায় আদ্বোয়া-য়াত্ মা- হাওলাহূ যাহাবা ল্লা-হু বিনূরিহিম্ অতারাকাহুম্ ফী জুলুমা-তিল লা-ইয়ুব্ছিরূন্।
তাদের উপমা ঐ ব্যক্তির মত, যে আগুন জ্বালাল। এরপর যখন আগুন তার চারপাশ আলোকিত করল, তাদের আলো কেড়ে নিলেন এবং তাদেরকে ছেড়ে দিলেন এমন অন্ধকারে যে, তারা দেখছে না।
কালা, বোবা, অন্ধত্ব, গতিকে তারা ফিরতে পারে না।
ছুম্মুম্ বুক মুন্ উ'ম্ইয়ুন্ ফাহুম্ লা-ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
তারা বধির-মূক-অন্ধ। তাই তারা ফিরে আসবে না।
অথবা আকাশ থেকে আসা ঝড় বৃষ্টির মতো - - তার মাঝে আছে গাঢ় অন্ধকার এবং বজ্রপাত ও বিদ্যুতের ঝলকানি। তারা তাদের গোটা আঙ্গুলগুলো চেপে ধরে তাদের কানের ভেতরে বজ্রের শব্দে মরার ভয়ে। কিন্তু অবিশ্বাসীদের ঘিরে ফেলেন।
আও কাছোয়াইয়িবিম্ মিনাস্ সামা-য়ি ফীহি জুলুমা-তুওঁ অরা'দুওঁ অবারক্ব্ ইয়াজ্ব্'আলূনা আছোয়া-বি'আহুম্ ফীয় আ-যা-নিহিম্ মিনাছ্ ছওয়া-'ইক্বি হাযারাল্ মাওত্ অল্লা-হু মুহীত্ব ুম্ বিল্কা-ফিরীন্।
কিংবা আকাশের বর্ষণমুখর মেঘের ন্যায়, যাতে রয়েছে ঘন অন্ধকার, বজ্রধ্বনি ও বিদ্যুৎচমক। বজ্রের গর্জনে তারা মৃত্যুর ভয়ে তাদের কানে আঙুল দিয়ে রাখে। আর কাফিরদেরকে পরিবেষ্টন করে আছেন।
বিদ্যুতের ঝলকানি তাদের দৃষ্টি প্রায় ছিনিয়ে নিচ্ছিল। যতবার এ তাদের জন্য ঝিলিক দেয়, তারা এর মধ্যে হেটে চলে, আর যখনি তাদের উপরে অন্ধকার নেমে আসে, তারা দাঁড়িয়ে পড়ে। অথচ যদি ইচ্ছা করতেন তিনি নিশ্চয়ই তাদের শ্রবণশক্তি ও তাদের দৃষ্টিশক্তি নিয়ে নিতে পারতেন। নিশ্চয়ই সব - কিছুতে সর্বশক্তিমান।
ইয়াকা-দুল্ র্বাক্বূ ইয়াখত্বোয়াফু আব্ছোয়া-রাহুম্ কুল্লামায় আদ্বোয়া-য়া লাহুম্ মাশাও ফীহি অইযায় আজ্লামা 'আলাইহিম্ ক্বা-মূ অলাও শা-য়া ল্লা-হু লাযাহাবা বিসাম্'ইহিম্ অআবছোয়া-রিহিম্ ইন্না ল্লা-হা 'আলা- কুল্লি শাইয়িন্ ক্বার্দী।
বিদ্যুৎচমক তাদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়ার উপক্রম হয়। যখনই তা তাদের জন্য আলো দেয়, তারা তাতে চলতে থাকে। আর যখন তা তাদের উপর অন্ধকার করে দেয়, তারা দাঁড়িয়ে পড়ে। আর যদি চাইতেন, অবশ্যই তাদের শ্রবণ ও চোখসমূহ নিয়ে নিতেন। নিশ্চয় সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
ওহে মানবজাতি! তোমাদের প্রভুর উপাসনা করো, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও, যাতে তোমরা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করো।
ইয়ায় আইয়্যুহান্ না-সু' বুদূ রব্বাকুমুল্ লাযী খালাক্বাকুম্ অল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিকুম্ লা'আল্লাকুম্ তাত্তাক্বূন্।
হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবের ইবাদাত কর, যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।
যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে ফরাশ বানিয়েছেন, আর আকাশকে চাঁদোয়া, আর তিনি আকাশ থেকে পাঠান বৃষ্টি, তা’ দিয়ে তারপর ফলফসল উৎপাদন করেন তোমাদের জন্য রিযেক হিসেবে। অতএব র সাথে প্রতিদ্বন্ধী খাড়া করো না, অধিকন্তু তোমরা জানো।
আল্লাযী জ্বা'আলা লাকুমুল্ আরদ্বোয়া ফিরা-শাওঁ অস্সামা-য়া বিনা-য়াওঁ অআন্যালা মিনাস্ সামা-য়ি মা-য়ান্ ফাআখ্রাজ্বা বিহী মিনাছ্ ছামারা-তি রিয্ক্বাল্লাকুম্ ফালা- তাজ্ব 'আলূ লিল্লা-হি আন্দা-দাঁও অআন্তুম্ তা'লামূন্।
যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন বিছানা, আসমানকে ছাদ এবং আসমান থেকে নাযিল করেছেন বৃষ্টি। অতঃপর তাঁর মাধ্যমে উৎপন্ন করেছেন ফল-ফলাদি, তোমাদের জন্য রিয্কস্বরূপ। সুতরাং তোমরা জেনে-বুঝে আল্লাহর জন্য সমকক্ষ নির্ধারণ করো না।
আর যদি তোমরা সন্দেহের মাঝে থাকো এর সন্বন্ধে যা আমাদের বান্দার কাছে অবতারণ করেছি তা হলে এর মতো একটিমাত্র সূরা নিয়ে এস এবং ছাড়া তোমাদের সাহায্যকারীদের ডাকো, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
অইন্ কুন্তুম্ ফী রাইবিম্ মিম্মা- নায্যাল্না- 'আলা- 'আব্দিনা- ফাতূ বিসূরাতিম্ মিম্ মিছ্লিহী অদ্'ঊ শুহাদা-য়াকুম্ মিন্ দূনি ল্লা-হি ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
আর আমি আমার বান্দার উপর যা নাযিল করেছি, যদি তোমরা সে সম্পর্কে সন্দেহে থাক, তবে তোমরা তার মত একটি সূরা নিয়ে আস এবং ছাড়া তোমাদের সাক্ষীসমূহকে ডাক; যদি তোমরা সত্যবাদী হও।
কিন্তু যদি তোমরা না করো - - আর তোমরা কখনো পারবে না - - তাহলে আগুনকে ভয় কর যার জ্বালানি হচ্ছে মানুষ এবং পাথরগুলো, - - তৈরি হয়েছে অবিশ্বাসীদের জন্য।
ফাইল্লাম্ তাফ্'আলূ অলান্ তাফ্'আলূ ফাত্তাক্বূন্ না-রাল্লাতী অক্বূদুহান্ না-সু অল্ হিজ্বা-রাতু উ'ইদ্দাত্ লিল্ কা-ফিরীন্।
অতএব যদি তোমরা তা না কর- আর কখনো তোমরা তা করবে না- তাহলে আগুনকে ভয় কর যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর, যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফিরদের জন্য।
আর খুশখবর দাও তাদের যারা ঈমান এনেছে আর সৎকর্ম করে, তাদের জন্য আছে জান্নাত, যাদের নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি! যতবার এ থেকে ফলফসল তাদের খেতে দেয়া হয় তারা বলে - - “এ সেই যা এর আগে আমাদের খাওয়ানো হয়েছিল”, কারণ তাদের এ দেয়া হয় অনুকরণে। আর তাদের জন্য এর মধ্যে আছে পবিত্র সঙ্গিসাথী আর এতে তারা থাকবে চিরকাল।
অবাশ্শিরিল লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি আন্না লাহুম্ জ্বান্না-তিন্ তাজ্ব ্রী মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্হার্- কুল্লামা- রুযিক্ব ূ মিন্হা- মিন্ ছামারার্তি রিয্ক্বান্ ক্বা-লূ হা-যাল্ লাযী রুযিক্ব ্না- মিন্ ক্বাব্লু অউতূ রুযিক্ব ূ মিন্হা- মিন্ ছামারার্তি রিয্ক্বান্ ক্বা-লূ হা-যাল্ লাযী রুযিক্ব ্না- মিন্ ক্বাব্লু অউতূ বিহী মুতাশা-বিহা- অলাহুম্ ফীহায় আয্ওয়া-জ্ব ুম্ মুত্বোয়াহ্হারাতুওঁ অহুম্ ফীহা- খা-লিদূন্।
যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে তুমি তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নদীসমূহ। যখনই তাদেরকে জান্নাত থেকে কোন ফল খেতে দেয়া হবে, তারা বলবে, ‘এটাই তো পূর্বে আমাদেরকে খেতে দেয়া হয়েছিল’। আর তাদেরকে তা দেয়া হবে
অবশ্যই উপমা ছুড়ঁতে লজ্জিত হন না, যথা মশার অথবা তার চাইতে উপরের কিছুর। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তারা জানে যে এ নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর কাছ থেকে সত্য। আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে - - “ এমন একটি উপমাদ্বারা কী চান?” এর দ্বারা তিনি অনেককে বিপথে চলতে দেন এবং অনেককে এর সাহায্যে সৎপথগামী করেন। তিনি কিন্তু ভ্রষ্টাচারী ভিন্ন কাউকেও এর মাধ্যমে বিপথে চলতে দেন না।
ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়াস্তাহ্য়ীয় আইঁ ইয়াদ্ব্রিবা মাছালাম্ মা- বা'ঊদ্বোয়াতান্ ফামা- ফাওক্বাহা- ফাআম্মাল্লাযীনা আ-মানূ ফাইয়া'লামূনা আন্নাহুল্ হাক্ব ্ক্বূ র্মি রব্বিহিম্ অআম্মাল্ লাযীনা কাফারূ ফাইয়াক্ব ূলূনা মা-যায় আরা-দাল্লা-হু বিহা-যা- মাছালা- ইয়ুদ্বিল্লু বিহী কাছীরাওঁ অইয়াহ্দী বিহী কাছীরা- অমা- ইয়ুদ্বিল্লু বিহীয় ইল্লাল্ ফা-সিক্বীন্।
নিশ্চয় মশা কিংবা তার চেয়েও ছোট কিছুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তারা জানে, নিশ্চয় তা তাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য। আর যারা করেছে তারা বলে, এর মাধ্যমে উপমা দিয়ে কী চেয়েছেন? তিনি এ দিয়ে অনেককে পথভ্রষ্ট করেন এবং এ দিয়ে অ
যারা র চুক্তি ভঙ্গ করে এর সুদৃঢ়ীকরণ হবার পরেও, আর কেটে দেয় যা এর দ্বারা বহাল রাখার জন্য আদেশ করেছিলেন, আর পৃথিবীতে ফসাদ সৃষ্টি করে। তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আল্লাযীনা ইয়ান্ক্ব ুদ্বূনা 'আহদা ল্লা-হি মিম্ বা'দি মীছা-ক্বিহী অইয়াক্ব ্ত্বোয়া'ঊনা মায় আমারা ল্লা-হু বিহীয় আইঁ ইয়ূছলা অইয়ুফ্সিদূনা ফিল্ র্আদ্ব্ উলা-য়িকা হুমুল্ খা-সিরূন্।
যারা আল্লাহর দৃঢ়কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ করে এবং যা জোড়া লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন তা ছিন্ন করে এবং যমীনে ফাসাদ করে। তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
তোমরা কেমন করে র প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করো যেহেতু তোমরা নিস্প্রাণ ছিলে, তখন তোমাদের তিনি জীবন দান করেছেন? তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন ও আবার তোমাদের পুনর্জীবিত করবেন, তখন তাঁরই দরবারে তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।
কাইফা তাক্ফুরূনা বিল্লা-হি অকুন্তুম্ আম্ওয়া-তান্ ফাআহ্ইয়া-কুম্ ছুম্মা ইউমীতুকুম্ ছুম্মা ইউহ্য়ীকুম্ ছুম্মা ইলাইহি র্তুজা'ঊন্।
কীভাবে তোমরা আল্লাহর সাথে করছ অথচ তোমরা ছিলে মৃত? অতঃপর তিনি তোমাদেরকে জীবিত করেছেন। এরপর তিনি তোমাদেরকে মৃত্যু দেবেন অতঃপর জীবিত করবেন। এরপর তাঁরই নিকট তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
তিনিই সেইজন যিনি ঘূর্ণায়মান - পৃথিবীতে যা - কিছু আছে সবই তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তাছাড়া তিনি মহাকাশের প্রতি খেয়াল করলেন, তাই তাদের তিনি সাত আসমানে পরিপূর্ণ করলেন। আর তিনি সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
হুওয়াল্ লাযী খালাক্বা লাকুম্ মা- ফিল্ র্আদ্বি জ্বামী'আন্ ছুম্মাস্ তাওয়ায় ইলাস্ সামা-য়ি ফাসাওওয়া- হুন্না সাব্'আ সামা-ওয়া-ত্ অহুওয়া বিকুল্লি শাইয়িন্ 'আলীম্।
তিনিই যমীনে যা আছে সব তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারপর আসমানের প্রতি খেয়াল করলেন এবং তাকে সাত আসমানে সুবিন্যস্ত করলেন। আর সব কিছু সম্পর্কে তিনি সম্যক জ্ঞাত।
আর স্মরণ কর, - - তোমার প্রভু ফিরিশ্তাদের বললেন, “আমি অবশ্যই পৃথিবীতে খলিফা বসাতে যাচ্ছি।” তারা বলল - - “তুমি কি উহাতে এমন কাউকে বসাচ্ছ যে তার মধ্যে ফসাদ সৃষ্টি করবে ও রক্তপাত করবে, অথচ আমরা তোমার স্তুতির গুণগান করছি ও তোমারই পবিত্রতার জয়গান গাইছি।” তিনি বললেন - - “আমি নিঃসন্দেহে তা জানি যা তোমরা জানো না।”
অইয্ ক্বা-লা রব্বুকা লিল্ মালা-য়িকাতি ইন্নী জ্বা-'ইলুন্ ফিল্ আরদ্বি খালীফাহ্ ক্বা-লূয় আতাজ্ব ্'আলু ফীহা- মাইঁ ইয়ুফ্সিদু ফীহা- অইয়াস্্ফিকুদ্ দিমা-য়া অনাহ্নু নুসাব্বিহু বিহাম্দিকা অনুক্বাদ্দিসু লাক্ ক্বা-লা ইন্নীয় আ'লামু মা-লা-তা'লামূন্।
আর স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদেরকে বললেন, ‘নিশ্চয় আমি যমীনে একজন খলীফা সৃষ্টি করছি’, তারা বলল, ‘আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন, যে তাতে ফাসাদ করবে এবং রক্ত প্রবাহিত করবে? আর আমরা তো আপনার প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ করছি এবং আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি।
তখন তিনি আদমকে নামাবলী - - তাদের সব - কিছু শিখিয়ে দিলেন, তারপর তিনি ফিরিশ্তাদের কাছে তাদের স্থাপন করলেন ও বললেন, - - “আমাকে এই সমস্তের নামাবলী বর্ণনা কর, যদি তোমরা সঠিক হয়ে থাকো।”
অ'আল্লামা আ-দামাল্ আস্মা-য়া কুল্লাহা-ছুম্মা 'আরাদ্বোয়াহুম্ 'আলাল্ মালা-য়িকাতি ফাক্বা-লা আম্বিয়ূনী বিআস্মা -য়ি হায় উলা-য়ি ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
আর তিনি আদমকে নামসমূহ সব শিক্ষা দিলেন তারপর তা ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করলেন। সুতরাং বললেন, ‘তোমরা আমাকে এগুলোর নাম জানাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’।
তারা বলল - - “তোমারই সব মহিমা! আমাদের যা শিখিয়েছ তা ছাড়া আমাদের জ্ঞান নেই! নিঃসন্দেহ তুমি নিজেই সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।”
ক্বা-লূ সুব্হা-নাকা লা-'ইল্মা লানায় ইল্লা- মা- 'আল্লাম্তানা- ইন্নাকা আন্তাল্ 'আলীমুল্ হাকীম্।
তারা বলল, ‘আপনি পবিত্র মহান। আপনি আমাদেরকে যা শিখিয়েছেন, তা ছাড়া আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয় আপনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়’।
তিনি বললেন - - “হে আদম! এ - সবের নামাবলী এদের কাছে বর্ণনা কর।” তাই সে যখন তাদের কাছে এ - সবের নামাবলী বর্ণনা করল, তিনি বললেন - - “আমি কি তোমাদের বলি নি যে আমি নিশ্চয়ই মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রহস্যসব জানি? আর আমি জানি যা তোমরা প্রকাশ করেছ, আর যা তোমরা লুকিয়ে রেখে চলেছ।”
ক্বা-লা ইয়ায় আ-দামু আম্বিহুম্ বিআস্মা-য়িহিম্ ফালাম্মায় আম্বায়াহুম্ বিআস্মা-য়িহিম্ ক্বা-লা আলাম্ আক্বূল্ লাকুম্ ইন্নীয় আ'লামু গাইবাস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বি অআ'লামু মা-তুব্দূনা অমা- কুন্তুম্ তাক্তুমূন্।
তিনি বললেন, ‘হে আদম, এগুলোর নাম তাদেরকে জানাও’। অতঃপর যখন সে এগুলোর নাম তাদেরকে জানাল, তিনি বললেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি, নিশ্চয় আমি আসমানসমূহ ও যমীনের জানি এবং জানি যা তোমরা প্রকাশ কর এবং যা তোমরা গোপন করতে’?
আর স্মরণ করো! আমরা ফিরিশ্তাদের বললাম - - “আদমের প্রতি সিজদা করো।” সুতরাং তারা সিজদা করল, কিন্তু ইবলিস করলনা, কারণ সে ছিল কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত।
অইয্ ক্বূল্না- লিল্মালা-য়িকাতিস্ জ্ব ুদূ লিআ-দামা ফাসাজ্বাদূয় ইল্লায় ইব্লীস্ আবা-অস্তাক্বারা অকা-না মিনাল্ কা-ফিরীন্।
আর যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললাম, ‘তোমরা আদমকে সিজদা কর’। তখন তারা সিজদা করল, ইবলীস ছাড়া। সে অস্বীকার করল এবং অহঙ্কার করল। আর সে হল কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত।
আর আমরা বললাম, - - “হে আদম! তুমি ও তোমার সঙ্গিনী এই বাগানে অবস্থান কর, আর সেখান থেকে যখন - যেখানে ইচ্ছা কর ভরপুরভাবে পানাহার কর, কিন্তু এই বৃক্ষের ধারেকাছেও যেও না, নতুবা তোমরা দুরাচারদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।”
অক্বূল্না- ইয়ায় আ-দামুস্ কুন্ আন্তা অযাওজ্ব ুকাল্ জ্বান্নাতা অকুলা- মিনহা- রাগাদান্ হাইছু শি'তুমা- অলা-তাক্ব ্রাবা- হা-যিহিশ্ শাজ্বারাতা ফাতাকূনা- মিনাজ্ জোয়া-লিমীন্।
আর আমি বললাম, ‘হে আদম, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর এবং তা থেকে আহার কর স্বাচ্ছন্দ্যে, তোমাদের ইচ্ছানুযায়ী এবং এই গাছটির নিকটবর্তী হয়ো না, তাহলে তোমরা যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
কিন্তু শয়তান তাদের সেখান থেকে পদস্খলিত করল, আর যেখানে তারা থাকত সেখান থেকে তাদের বের করে দিল। তখন আমরা বললাম - - “তোমরা অধঃপাতে যাও, তোমাদের কেউ কেউ একে অন্যের শত্রু। আর তোমাদের জন্য পৃথিবীতে আছে জিরানোর স্থান ও কিছু সময়ের সংস্থান।”
ফাআযাল্লাহুমাশ্ শাইত্বোয়া-নু 'আন্হা- ফাআখ্রাজ্বাহুমা- মিম্মা-কা-না- ফীহি অক্বূল্নাহ্ বিত্ব ূ বা'দ্ব ুকুম্ লিবা'দ্বিন্ 'আদুওয়্যুন্ অলাকুম্ ফিল্ র্আদ্বি মুস্তার্ক্বারুওঁ অমাতা-উ'ন্ ইলা-হীন্।
অতঃপর শয়তান তাদেরকে জান্নাত থেকে স্খলিত করল। এবং তারা যাতে ছিল তা থেকে তাদেরকে বের করে দিল, আর আমি বললাম, ‘তোমরা নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু। আর তোমাদের জন্য যমীনে রয়েছে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবাস ও ভোগ-উপকরণ’।
তখন আদম তার প্রভুর কাছ থেকে কিছু কথা শিখে নিলে, তাই তিনি তার দিকে ফিরলেন। নিঃসন্দেহ তিনি নিজেই সদা ফেরেন, অফুরন্ত ফলদাতা।
ফাতালাক্ব ্ক্বায় আ-দামু র্মি রব্বিহী কালিমা-তিন্ ফাতা-বা 'আলাইহ্ ইন্নাহূ হুঅত তাওঅ-বুর রাহীম্।
অতঃপর আদম তার রবের পক্ষ থেকে কিছু বাণী পেল, ফলে তার তাওবা কবূল করলেন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবূলকারী, অতি দয়ালু।
আমরা বললাম - - “তোমরা সব্বাই মিলে এখান থেকে নেমে পড়ো। কিন্তু যদি তোমাদের কাছে আমার তরফ থেকে হেদায়ত আসে, তবে যারা আমার পথনির্দেশ মেনে চলবে তাদের উপর কিন্তু কোনো ভয় নেই, আর তারা নিজেরা অনুতাপও করবে না।
ক্বূল্নাহ্ বিত্ব ূ মিন্হা- জ্বামী'আন্ ফাইম্মা- ইয়াতিইয়ান্নাকুম্ মিন্নী হুদান্ ফামান্ তাবি'আ হুদা-ইয়া ফালা-খাওফুন্ 'আলাইহিম্ অলা-হুম্ ইয়াহ্যানূন্।
আমি বললাম,‘তোমরা সবাই তা থেকে নেমে যাও। অতঃপর যখন আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে কোন হিদায়াত আসবে, তখন যারা আমার হিদায়াত অনুসরণ করবে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না’।
“কিন্তু যারা অবিশ্বাস পোষণ করে ও আমাদের আয়াতসমূহে মিথ্যারোপ করে, তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, তারা তার মধ্যে থাকবে দীর্ঘকাল।”
অল্লাযীনা কাফারূ অকায্যাবূ বিআ-ইয়া-তিনায় উলা-য়িকা আছ্হা-বুন্ না-রি হুম্ ফীহা- খা-লিদূন্।
আর যারা করেছে এবং আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, তারাই আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।
হে ইসরাইলের বংশধরগণ! আমার নিয়ামত স্মরণ করো, যা আমি তোমাদের প্রদান করেছিলাম, আর আমার সাথের চুক্তি তোমরা বহাল রাখো, আমিও তোমাদের সাথের চুক্তি বহাল রাখব। আর আমাকে, শুধু আমাকে, তোমরা ভয় করবে।
ইয়া-বানীয় ইস্রা-য়ীলায্ কুরূ নি'মাতিইয়াল্ লাতীয় আন্'আম্তু 'আলাইকুম্ অআওফূ বি'আহ্দীয় ঊফি বি'আহ্দিকুম্ অইইয়া-ইয়া র্ফাহাবূন্।
হে বনী ইসরাঈল, তোমরা আমার নিআমতকে স্মরণ কর, যে নিআমত আমি তোমাদেরকে দিয়েছি এবং তোমরা আমার অঙ্গীকার পূর্ণ কর, তাহলে আমি তোমাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করব। আর কেবল আমাকেই ভয় কর।
আর আমি যা অবতারণ করেছি তাতে তোমরা ঈমান আনো, - - তোমাদের কাছে যা রয়েছে তার সত্য - সমর্থনরূপে, এমতাবস্থায় তোমরা এতে অবিশ্বাসকারীদের পুরোভাগে থেকো না, আর আমার প্রত্যাদেশের বিনিময়ে তুচ্ছ বস্তু কামাতে যেও না, আর আমাকে, শুধু আমাকে, তোমরা ভয় - শ্রদ্ধা করবে।
অআ-মিনূ বিমায় আন্যাল্তু মুছোয়াদ্দিক্বাল লিমা- মা'আকুম্ অলা- তাকূনূয় আওওয়ালা কা-ফিরিম্ বিহী অলা-তাশ্তারূ বিআ-ইয়া-তী ছামানান্ ক্বালীলাওঁ অইইয়া-ইয়া ফাত্তাক্ব ূন্।
আর তোমাদের সাথে যা আছে তার সত্যায়নকারীস্বরূপ আমি যা নাযিল করেছি তার প্রতি তোমরা ঈমান আন এবং তোমরা তা প্রথম অস্বীকারকারী হয়ো না। আর তোমরা আমার আয়াতসমূহ সামান্যমূল্যে বিক্রি করো না এবং কেবল আমাকেই ভয় কর।
আর সত্যকে তোমরা মিথ্যার পোশাক পরিয়ো না বা সত্যকে গোপন কর না, অথচ তোমরা জানো।
অলা- তাল্বিসুল্ হাক্ব ্ক্বা বিল্বা-ত্বিলি অতাক্তুমুল্ হাক্ব ্ক্বা অআন্তুম্ তা'লামূন্।
আর তোমরা হককে বাতিলের সাথে মিশ্রিত করো না এবং জেনে-বুঝে হককে গোপন করো না।
আর তোমরা কায়েম করো ও যাকাত আদায় করো, আর রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।
ওয়া আক্বীমুছ্ ছলা-তা অআ-তুয্ যাকা-তা র্অকা'ঊ মা'র্আ রা-কি'ঈন্।
আর তোমরা কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রুকূকারীদের সাথে রুকূ কর।
তোমরা কি লোকজনকে ধার্মিকতা করতে আদেশ কর আর নিজের বেলায় স্রেফ ভুলে যাও, অথচ তোমরা ধর্মগ্রন্থ পড়ে থাক? তোমাদের কি কান্ডজ্ঞান নেই?
আতামুরূনান্ না-সা বির্ল্বিরি অতান্সাওনা আন্ফুসাকুম্ অআন্তুম্ তাত্লূনাল্ কিতা-ব্ আফালা-তা'ক্বিলূন্।
তোমরা কি মানুষকে ভাল কাজের আদেশ দিচ্ছ আর নিজদেরকে ভুলে যাচ্ছ? অথচ তোমরা কিতাব তিলাওয়াত কর। তোমরা কি বুঝ না?
আর তোমরা ধৈর্য ধরে ও পড়ে সাহায্য কামনা করো। আর এটি নিশ্চয়ই বড় কঠিন, শুধু বিনয়ীদের ছাড়া, - -
অস্তা'ঈনূ বিছ্ছোয়াব্রি অছ্ছলা-হ্ অইন্নাহা- লাকাবীরাতুন্ ইল্লা- 'আলাল্ খা-শি'ঈন্।
আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের উপর কঠিন।
যারা স্মরণ রাখে যে তারা নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর সাথে মোলাকাত করতে যাচ্ছে, আর তারা অবশ্যই তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তনকারী।
আল্লাযীনা ইয়াজুন্ন ূনা আন্নাহুম্ মুলা-ক্ব ূ রব্বিহিম্ অআন্নাহুম্ ইলাইহি রা-জ্বি'ঊন্।
যারা বিশ্বাস করে যে, তারা তাদের রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তারা তাঁর দিকে ফিরে যাবে।
হে ইসরাইলের বংশধরগণ! আমার নিয়ামত স্মরণ করো যা আমি তোমাদের প্রদান করেছিলাম ও কিভাবে মানবগোষ্ঠীর উপর তোমাদের মর্যাদা দিয়েছিলাম।
ইয়া-বানীয় ইস্রা-য়ীলায্ কুরূ নি'মাতিইয়াল্লাতীয় আন্'আম্তু 'আলাইকুম্ অআন্নী ফাদ্ব ্দ্বোয়াল্তুকুম্ 'আলাল্ 'আ- লামীন্।
হে বনী ইসরাঈল, তোমরা আমার নিআমতকে স্মরণ কর, যে নিআমত আমি তোমাদেরকে দিয়েছি এবং নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে বিশ্ববাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি।
আর সতর্কতা অবলন্বন করো এমন এক দিনের একজন অন্যজনের কাছ থেকে কোনো প্রকার সাহায্য পাবে না, আর তার থেকে কোনো সুপারিশ কবুল করা হবে না বা তার থেকে কোনো খেসারতও নেওয়া হবে না, আর তাদের সাহায্য দেয়া হবে না।
অত্তাক্ব ূ ইয়াওমাল্ লা-তাজ্ব্ ্যী নাফ্সুন্ 'আন্ নাফ্সিন্ শাইয়াওঁ অলা-ইয়ুক্ব ্বালু মিন্হা-শাফা-'আতুওঁ অলা- ইয়ুখাযু মিন্হা- 'আদ্লুওঁ অলা-হুম্ ইয়ুন্ছোয়ারূন্।
আর তোমরা সে দিনকে ভয় কর, যেদিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না। আর কারো পক্ষ থেকে কোন সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না এবং কারও কাছ থেকে কোন বিনিময় নেয়া হবে না। আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
আর স্মরণ করো! তোমাদের আমরা ফিরআউনের লোকদের থেকে মুক্ত করেছিলাম, যারা তোমাদের নির্যাতন করেছিল কঠোর যন্ত্রণায়, তারা হত্যা করত তোমাদের পুত্র সন্তানদের ও বাঁচতে দিত তোমাদের নারীদের। আর এতে তোমাদের জন্যে তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে ছিল কঠোর পরীক্ষা।
অইয নাজ্জ্বাইনা-কুম্ মিন্ আ-লি র্ফি'আওনা ইয়াসূমূনাকুম্ সূ-য়াল্ 'আযা-বি ইয়ুযাব্বিহূনা আব্না-য়াকুম্ অইয়াস্তাহ্ইয়ূনা নিসা-য়াকুম্ অফী যা-লিকুম্ বালা-য়ুম্ র্মি রব্বিকুম্ 'আজীম্।
আর স্মরণ কর, যখন আমি তোমাদেরকে ফির‘আউনের দল থেকে রক্ষা করেছিলাম। তারা তোমাদেরকে কঠিন আযাব দিত। তোমাদের পুত্র সন্তানদেরকে যবেহ করত এবং তোমাদের নারীদেরকে বাঁচিয়ে রাখত। আর এতে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ছিল মহা পরীক্ষা।
আর স্মরণ করো! আমরা তোমাদের জন্যে সাগরকে করেছিলাম বিভক্ত, তাতে উদ্ধার করেছিলাম তোমাদের, আর আমরা ডুবিয়েছিলাম ফিরআউনের লোকদের, আর তোমরা চেয়ে দেখেছিলে।
অইয্ ফারাক্ব ্না- বিকুমুল্ বাহ্রা ফাআন্জ্বাইনা-কুম্ অআগ্রাক্ব ্নায় আ-লা র্ফি'আওনা অআন্তুম্ তান্জুরূন্।
আর যখন তোমাদের জন্য আমি সমুদ্রকে বিভক্ত করেছিলাম, অতঃপর তোমাদেরকে নাজাত দিয়েছিলাম এবং ফির‘আউন দলকে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম, আর তোমরা দেখছিলে।
আর স্মরণ করো! আমরা মূসার সঙ্গে চল্লিশ রাত্রি নির্ধারিত করেছিলাম, তখন তোমরা বাছুরকে তাঁর অনুপস্থিতিতে গ্রহণ করলে, আর তোমরা হলে অন্যায়কারী।
অইয্ অ-'আদ্না- মূসায় র্আবা'ঈনা লাইলাতান্ ছুম্মাত্তাখায্তুমুল্ 'ইজ্ব ্লা মিম্ বা'দিহী অআন্তুম্ জোয়া-লিমূন্।
আর যখন আমি মূসাকে চল্লিশ রাতের ওয়াদা দিয়েছিলাম অতঃপর তোমরা তার যাওয়ার পর বাছুরকে (উপাস্যরূপে) গ্রহণ করেছিলে, আর তোমরা ছিলে যালিম।
শেষে এর পরেও আমরা তোমাদের ক্ষমা করেছিলাম যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর।
ছুম্মা 'আফাওনা- 'আন্কুম্ মিম্ বা'দি যা-লিকা লা'আল্লাকুম্ তাশ্কুরূন্।
তারপর আমি তোমাদেরকে এ সবের পর ক্ষমা করেছি, যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।
আর স্মরণ করো! আমরা মূসাকে দিয়েছিলাম ধর্মগ্রন্থ তথা যাতে তোমরা সুপথগামী হতে পার।
অইয্ আ-তাইনা- মূসাল্ কিতা-বা অর্ল্ফুক্বা-না লা'আল্লাকুম্ তাহ্তাদূন্।
আর যখন আমি মূসাকে দিয়েছিলাম কিতাব ও * যাতে তোমরা হিদায়াতপ্রাপ্ত হও। *- সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী তাওরাতের বাণীসমগ্র।
আর স্মরণ করো! মূসা তাঁর লোকদের বলেছিলেন, - - “হে আমার অনুচরবর্গ, তোমরা নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতি অন্যায় করেছ বাছুরকে গ্রহণ ক’রে, অতএব তোমাদের সৃষ্টিকর্তার দিকে ফেরো ও নিজেদের সংহার করো। ইহা তোমাদের সৃষ্টিকর্তার সমীপে তোমাদের জন্য মঙ্গলময়।” তাই তিনি তোমাদের দিকে ফিরলেন। নিঃসন্দেহ তিনি নিজেই সদা ফেরেন, অফুরন্ত ফলদাতা।
অইয্ ক্বা-লা মূসা- লিক্বাওমিহী ইয়া-ক্বাওমি ইন্নাকুম্ জোয়ালাম্তুম্ আন্ফুসাকুম্ বিত্তিখা-যিকুমুল্ 'ইজ্ব ্লা ফাতূবূূয় ইলা- বা-রিয়িকুম্ ফাক্ব ্তুলূূয় আন্ফুসাকুম্ যা-লিকুম্ খাইরুল্লাকুম্ 'ইন্দা বা-রিয়িকুম্ ফাতা-বা 'আলাইকুম্ ইন্নাহূ হুওয়াত্ তাও ওয়া-বুর রাহীম্।
আর যখন মূসা তার কওমকে বলেছিল, ‘হে আমার কওম, নিশ্চয় তোমরা বাছুরকে (উপাস্যরূপে) গ্রহণ করে নিজদের উপর যুলম করেছ। সুতরাং তোমরা তোমাদের সৃষ্টিকর্তার কাছে তাওবা কর। অতঃপর তোমরা নিজদেরকে হত্যা কর। এটি তোমাদের জন্য তোমাদের সৃষ্টিকর্তার নিকট উত্তম। অতঃপর তো
আর স্মরণ করো! তোমরা বললে - - “হে মূসা, আমরা তোমার প্রতি কখনো ঈমান আনব না যে পর্যন্ত না আমরা প্রকাশ্যভাবে কে দেখতে পাই।” তাই বজ্রাঘাত তোমাদের পাকড়ালো, আর তোমরা তাকিয়ে থাকলে।
অইয ক্বূল্তুম্ ইয়া-মূসা- লান্ নুমিনা লাকা হাত্তা- নারাল্লা-হা জ্বাহ্রাতান্ ফাআখাযাত্কুমুছ্ ছোয়া-'ইক্বাতু অআন্তুম্ তান্জুরূন্।
আর যখন তোমরা বললে, ‘হে মূসা, আমরা তোমার প্রতি ঈমান আনব না, যতক্ষণ না আমরা প্রকাশ্যে আল্লাহকে দেখি’। ফলে বজ্র তোমাদেরকে পাকড়াও করল আর তোমরা তা দেখছিলে।
তারপর তোমাদের জাগিয়ে তুললাম তোমাদের মৃতবৎ হবার পরে, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে পার।
ছুম্মা বা'আছ্না-কুম্ মিম্ বা'দি মাওতিকুম্ লা'আল্লাকুম্ তাশ্কুরূন্।
অতঃপর আমি তোমাদের মৃত্যুর পর তোমাদেরকে পুনঃজীবন দান করলাম, যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।
আর তোমাদের উপরে আমরা মেঘ দিয়ে আচ্ছাদন করেছিলাম, আর তোমাদের কাছে পাঠিয়েছিলাম 'মান্না’ ও 'সালওয়া’। “তোমাদের যে - সব ভাল ভাল রিযেক দিয়েছি তা খেয়ে যাও।” কিন্তু তারা আমাদের কোনো অনিষ্ট করে নি, বরং তারা নিজেদেরই প্রতি অনিষ্ট করছিল।
অজল্লাল্না-'আলাইকুমুল গামা-মা অআন্যাল্না- 'আলাইকুমুল্ মান্না অস্সাল্ওয়া- কুলূ মিন্ ত্বইয়্যিবা-তি মা-রাযাক্ব ্না-কুম্ অমা-জোয়ালামূনা- অলা-কিন্ কা-নূ- আন্ফুসাহুম্ ইয়াজ্লিমূন্।
আর আমি তোমাদের উপর মেঘের ছায়া দিলাম এবং তোমাদের প্রতি নাযিল করলাম ‘মান্না’* ও ‘সালওয়া’**। তোমরা সে পবিত্র বস্ত্ত থেকে আহার কর, যা আমি তোমাদেরকে রিয্ক দিয়েছি। আর তারা আমার প্রতি যুলম করেনি, বরং তারা নিজদেরকেই যুলম করত। *‘মান্না’ এক ধরণের সুস্বাদু খাবার, যা
আর স্মরণ করো! আমরা বললাম - - “এই শহরে প্রবেশ কর, আর সেখান থেকে যখন - যেখানে ইচ্ছা কর ভরপুরভাবে পানাহার করো, আর সদর - দরজা দিয়ে নতশিরে প্রবেশ করো ও বলো 'হিৎতাতুন’, যাতে তোমাদের দোষত্রুটিগুলো আমরা তোমাদের জন্য ক্ষমা করে দিতে পারি, আর বাড়িয়ে দিতে পারি শুভকর্মীদের জন্য।”
অইয্ ক্বূল্নাদ্ খুলূ হা-যিহিল্ র্ক্বাইয়াতা ফাকুলূ মিন্হা-হাইছু শিতুম্ রাগাদাওঁ অদ্খুলুল্ বা-বা সুজ্জ্বাদাওঁ অক্ব ূলূ হিত্তাতুন নার্গ্ফিলাকুম্ খাত্বোয়া-ইয়া-কুম্ অসানাযীদুল্ মুহ্সিনীন্।
আর স্মরণ কর, যখন আমি বললাম, ‘তোমরা প্রবেশ কর এই জনপদে। আর তা থেকে আহার কর তোমাদের ইচ্ছানুযায়ী, স্বাচ্ছন্দ্যে এবং দরজায় প্রবেশ কর মাথা নীচু করে। আর বল ‘ক্ষমা’। তাহলে আমি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেব এবং নিশ্চয় আমি সৎকর্মশীলদেরকে বাড়িয়ে দেব’।
কিন্তু যারা অন্যায় করে তারা যা বলা হয়েছিল তার বিপরীত কথায় তা বদলে দিল। তাই যারা অন্যায় করেছিল তাদের উপরে আকাশ থেকে আমরা মহামারী পাঠিয়েছিলাম, কারণ তারা পাপাচার করছিল।
ফাবাদ্দালাল্ লাযীনা জোয়ালামূ ক্বাওলান্ গাইরাল্লাযী ক্বীলা লাহুম্ ফাআন্যাল্না- 'আলাল্ লাযীনা জোয়ালামূ রিজ্ব ্যাম মিনাস্ সামা-য়ি বিমা- কা-নূ ইয়াফ্সুক্ব ূন্।
অতঃপর যালিমরা পবিবর্তন করে ফেলল সে কথা যা তাদেরকে বলা হয়েছিল, ভিন্ন অন্য কথা দিয়ে। ফলে আমি তাদের উপর আসমান থেকে আযাব নাযিল করলাম, কারণ তারা পাপাচার করত।
আর স্মরণ করো! মূসা তাঁর লোকদের জন্য পানি চাইলেন, তাই আমরা বললাম, - - “তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত করো।” তখন তা থেকে বারোটি প্রস্রবন বেরিয়ে পড়লো। প্রত্যেক উপদল নিজ জলপান - স্থান চিনে নিলো। “র রিযেক থেকে খাও ও পান করো, আর ফসাদী হয়ে দুনিয়াতে অন্যায়াচরণ করো না।”
অইযিস তাস্ক্বা- মূসা- লিক্বাওমিহী ফাক্বূল্নাদ্ব্ রিব্ বি'আছোয়া-কাল্ হার্জ্বা ফান্ফাজ্বারাত্ মিন্হুছ্ নাতা- 'আশ্রাতা 'আইনা- ক্বাদ্ 'আলিমা কুল্লু উনা-সিম্ মাশ্রাবাহুম্ কুলূ অশ্রাবু র্মি রিয্ক্বিল্লা-হি অলা-তাছাও ফিল্ র্আদ্বি মুফ্সিদীন্।
আর স্মরণ কর, যখন মূসা তার কওমর জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, ‘তুমি তোমার লাঠি দ্বারা পাথরকে আঘাত কর’। ফলে তা থেকে উৎসারিত হল বারটি ঝরনা। প্রতিটি দল তাদের পানি পানের স্থান জেনে নিল। তোমরা আল্লাহর রিয্ক থেকে আহার কর ও পান কর এবং ফাসাদকারী হয়ে যমীনে ঘুরে বে
আর স্মরণ করো! তোমরা বলেছিলে - - “হে মূসা! আমরা একই খাবারে সন্তষ্ট থাকতে পারছি না, তাই তোমার প্রভুর কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা করো যাতে তিনি আমাদের জন্য উৎপন্ন করেন মাটি যা উৎপাদিত করে, যেমন তার সবজি ও তার শস্য ও তার মসূর ও তার পেয়াঁজ।” তিনি বললেন - - “তোমরা কি বদল করে নিতে চাও যা নিকৃষ্ট তার সঙ্গে যা উৎকৃষ্ট? নেমে যাও কোনো মিশরে, তাহলে তোমরা যা চাও তাই পাবে।” আর ওরা নিজেদের উপরে লাঞ্ছনা ও দুর্দশা ঘটালো, আর তারা র রোষ টেনে আনল তাই হলো, কারণ তারা র আয়াতসমূহে অবিশ্বাস করছিল, আর নবীদের অন্যায়ভাবে হত্যা করতে যাচ্ছিল। তাই হলো, কেননা তারা অবাধ্য হয়েছিল ও সীমালঙ্ঘন করেছিল।
অইয্ ক্বূল্তুম্ ইয়া-মূসা- লান্ নাছ্বিরা 'আলা- ত্বো'আ-মিওঁ ওয়া-হিদিন্ ফাদ্'উ লানা- রব্বাকা ইয়ুখ্রিজ্ব্ ্ লানা- মিম্মা- তুম্বিতুল্ র্আদ্বু মিম্ বাক্ব ্লিহা- অক্বিছ্ছা-য়িহা- অফূমিহা- অ'আদাসিহা- অ বাছোয়ালিহা- ক্বা-লা আতাস্তাব্দিলূনাল্ লাযী হুওয়া আদ্না-বিল্লাযী হুওয়া খার্ই ইহ্বিত্ব ূ মিছ্রান্ ফাইন্না লাকুম্ মা-সায়াল্তুম্ অদ্বুরিবাত্ 'আলাইহিমুয্ যিল্লাতু অল্মাস্কানাতু অবা-য়ূ বিগাদ্বোয়াবিম্ মিনাল্লা-হ্ যা-লিকা বিআন্নাহুম্ কা-নূ ইয়াক্ফুরূনা বিআ-ইয়া-তি ল্লা-হি অইয়াক্ব্ ্ তুলূনান্ নাবিইয়ীনা বিগাইরিল্ হাক্ব ্ যা-লিকা বিমা- 'আছোয়াও অ কা-নূ ইয়া'তাদূন্।
আর যখন তোমরা বললে, ‘হে মূসা, আমরা এক খাবারের উপর কখনো ধৈর্য ধরব না। সুতরাং তুমি আমাদের জন্য তোমার রবের নিকট দো‘আ কর, যেন তিনি আমাদের জন্য বের করেন, ভূমি যে সব্জি, কাঁকড়, রসুন, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করে, তা’। সে বলল, ‘তোমরা কি যা উত্তম তার পরিবর্তে এমন জিনি
নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছে, আর যারা ইহুদীয় মত পোষণ করে ও খ্রীস্টান ও সাবেঈন - - যারাই র প্রতি তাঁর একত্বে ও আনুগত্যে ঈমান এনেছে ও আখেরাতের দিনের প্রতি, আর সৎকর্ম করে, তাদের জন্য নিজ নিজ পুরস্কার রয়েছে তাদের প্রভুর দরবারে, আর তাদের উপরে কোনো ভয় নেই, আর তারা নিজেরা অনুতাপও করবে না।
ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূ অল্লাযীনা হা-দূ অন্নাছোয়া-রা- অছ্ছোয়া-বিয়ীনা মান্ আ-মানা বিল্লা-হি অল্ইয়াওমিল্ আ-খিরি অ'আমিলা ছোয়া-লিহান্ ফালাহুম্ আজ্ব ্রুহুম্ 'ইন্দা রব্বিহিম্ অলা-খাওফুন্ 'আলাইহিম্ অলা-হুম্ ইয়াহ্যানূন্।
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, যারা ইয়াহূদী হয়েছে এবং নাসারা ও সাবিঈরা* -(তাদের মধ্যে) যারা ঈমান এনেছে ও শেষ দিনের প্রতি এবং নেক কাজ করেছে - তবে তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের নিকট তাদের প্রতিদান। আর তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। *সাবিঈ- বিভিন্ন
আর স্মরণ করো! আমরা তোমাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম ও তোমাদের উপরে পর্বত উত্তোলন করেছিলাম। “তোমাদের আমরা যা দিয়েছি তা দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করো, আর এতে যা আছে তা স্মরণ রাখো, যাতে তোমরা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করতে পার।”
অইয্ আখায্না- মীছা-ক্বাকুম্ অরাফা'না- ফাওক্বাকুমুত্ব ত্বর্ ূ খুযূ মায় আ-তাইনা-কুম্ বিক্বূওআতিওঁ অয্কুরূ মা-ফীহি লা'আল্লাকুম্ তাত্তাক্ব ূন্।
আর স্মরণ কর, যখন আমি তোমাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করলাম এবং তূর পাহাড়কে তোমাদের উপর উঠালাম আমি (বললাম) ‘তোমাদেরকে যা দিয়েছি, তা শক্তভাবে ধর এবং তাতে যা রয়েছে তা স্মরণ কর, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করতে পার’।
তারপর তোমরা এর পরেও ফিরে গেলে, কাজেই র প্রসন্নতা ও তাঁর করুণা যদি তোমাদের উপরে না থাকত তবে তোমরা অবশ্যই হতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।
ছুম্মা তাওয়াল্লাইতুম্ মিম্ বা'দি যা-লিকা ফালাওলা- ফাদ্ব্লুল্লা-হি 'আলাইকুম্ অরাহ্মাতুহূ লাকুন্তুম্ মিনাল্ খা-সিরীন্।
অতঃপর তোমরা এ সবের পর বিমুখ হয়ে ফিরে গেলে। আর যদি তোমাদের উপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত না হত, তোমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হতে।
তদুপরি তোমাদের মধ্যে যারা সাব্বাথের নিয়ম লঙঘন করেছিল তাদের কথা নিশ্চয়ই আছে, তাই আমরা তাদের বলেছিলাম - - “তোমরা ঘৃণ্য বানর হয়ে যাও।”
অলাক্বাদ্ 'আলিম্তুমুল্ লাযীনা' তাদাও মিন্কুম্ ফিস্ সাব্তি ফাক্বূল্না- লাহুম্ কূনূ ক্বিরাদাতান্ খা-সিয়ীন্।
আর তোমাদের মধ্যে যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করেছিল, তাদেরকে অবশ্যই তোমরা জান। অতঃপর আমি তাদেরকে বললাম, ‘তোমরা নিকৃষ্ট বানর হয়ে যাও’।
এইভাবে আমরা এটিকে একটি দৃষ্টান্ত বানিয়েছিলাম যারা ওদের সমসাময়িক ছিল তাদের জন্য ও যারা ওদের পরবর্তীকালে এসেছিল, আর ধর্মভীরুদের জন্য উপদেশ বিশেষ।
ফাজ্বা'আল্না-হা- নাকা-লা ল্লিমা- বাইনা ইয়াদাইহা- অমা-খাল্ফাহা-অ মাও 'ইজোয়াতাল লিল্মুত্তাকীন্।
আর আমি একে বানিয়েছি দৃষ্টান্ত, সে সময়ের এবং তৎপরবর্তী জনপদসমূহের জন্য এবং মুত্তাকীদের জন্য উপদেশ।
আর স্মরণ করো! মূসা তাঁর লোকদের বললেন - - “নিঃসন্দেহ, তোমাদের হুকুম করেছেন তোমরা যেন একটি বক্না - যবেহ্ করো।” তারা বললে - - “তুমি কি আমাদের নিয়ে ঠাট্টা করছ?” তিনি বললেন - - “র কাছে আশ্রয় চাইছি যেন আমি জাহিলদের অন্তর্ভুক্ত না হই।”
অইয্ ক্বা-লা মূসা- লিক্বাওমিহীয় ইন্নাল্লা-হা ইয়ামুরুকুম্ আন্ তায্বাহূ বাক্বারাহ্ ক্বালূূয় আতাত্তাখিযুনা- হুযুওয়া- ক্বা-লা আ'ঊযুবিল্লা-হি আন্ আকূনা মিনাল্ জ্বা-হিলীন্।
আর স্মরণ কর, যখন মূসা তার কওমকে বলল, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা একটি গাভী যবেহ করবে’। তারা বলল, ‘তুমি কি আমাদের সাথে উপহাস করছ’? সে বলল, ‘আমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি’।
তারা বললো - - “তোমার প্রভুর কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা করো যেন তিনি আমাদের পরিস্কার করে দেন সেটি কি রকমের।” তিনি বললেন - - “নিঃসন্দেহ তিনি বলেছেন, সেটি অবশ্যই একটি বক্না - যেটি বুড়ো নয় ও বাচ্চাও নয়, এদের মাঝামাঝি মধ্য - বয়সী। অতএব তোমাদের যা আদেশ দেয়া হয়েছে তাই করো।”
ক্বা-লুদ'উ লানা- রব্বাকা ইয়ুবাইয়্যিল্লানা- মা-হী ক্বা-লা ইন্নাহূ ইয়াক্ব ূলু ইন্নাহা- বাক্বারাতুল লা-ফা-রিদ্বুওঁ অলা-বিক্র্ 'আওয়া-নুম্ বাইনা যা-লিক্ ফাফ্'আলূ মা- তুমারূন্।
তারা বলল, ‘তুমি আমাদের জন্য তোমার রবের নিকট দো‘আ কর, তিনি যেন আমাদের জন্য স্পষ্ট করে দেন গাভীটি কেমন হবে’। সে বলল, ‘নিশ্চয় তিনি বলছেন, নিশ্চয় তা হবে গরু, বুড়ো নয় এবং বাচ্চাও নয়। এর মাঝামাঝি ধরনের। সুতরাং তোমরা কর যা তোমাদেরকে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে’।
তারা বললো - - “আমাদের জন্য তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো তিনি আমাদের খোলাখুলি বলে দিন তার রঙ কেমন।” তিনি বললেন - - “তিনি অবশ্যই বলেছেন, সেটি নিঃসন্দেহ হলুদ রঙের , তার রঙ অতি উজ্জ্বল - - দর্শকদের কাছে মনোরম।”
ক্বা-লুদ্'উলানা- রব্বাকা ইয়ুবাইয়্যিল্লানা- মা-লাওনুহা- ক্বা-লা ইন্নাহূ ইয়াক্ব ূলু ইন্নাহা- বাক্বারাতুন্ ছোয়াফ্রা-য়ু ফা-ক্বি'উল্লাওনুহা- তার্সুরুন না-জিরীন্।
তারা বলল, ‘তুমি আমাদের জন্য তোমার রবের নিকট দো‘আ কর, তিনি যেন আমাদের জন্য স্পষ্ট করে দেন, কেমন তার রঙ’? সে বলল, ‘নিশ্চয় তিনি বলছেন, নিশ্চয় তা হবে হলুদ রঙের গাভী, তার রঙ উজ্জ্বল, দর্শকদেরকে যা আনন্দ দেবে’।
তারা বললে - - “তোমার প্রভুর কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা করো আমাদের তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিন সেটি কেমন, কারণ সব আমাদের কাছে একাকার লাগে, আর যদি ইচ্ছা করেন, আমরা নিশ্চয় ঠিক পথে চালিত হব।”
ক্বা-লুদ্'উলানা-রব্বাকা ইয়ুবাইয়্যিল লানা- মা-হিয়া ইন্নাল্ বাক্বারা তাশা-বাহা 'আলাইনা- অইন্নায় ইন্শা-য়াল্লা-হু লামুহ্তাদূন্।
তারা বলল, ‘তুমি আমাদের জন্য তোমার রবের নিকট দো‘আ কর, তিনি যেন আমাদের জন্য স্পষ্ট করে দেন, তা কেমন? নিশ্চয় গরুটি আমাদের জন্য সন্দেহপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। আর নিশ্চয় আমরা চাহে তো পথপ্রাপ্ত হব’।
তিনি বললেন, “নিঃসন্দেহ তিনি বলছেন, সেটি নিশ্চয়ই এমন যাকে জোয়ালে জোতা হয় নি জমি চাষ করতে, বা ক্ষেতে পানিও দেয় না, সহি - সালামত, যার মধ্যে কোন খুতঁ নেই।” তারা বললে - - “এবার তুমি পুরোপুরি সত্য নিয়ে এসেছো।” সুতরাং তারা তাকে কুরবানি করল, আর দেখালো না যে তারা করল।
ক্বা-লা ইন্নাহূ ইয়াক্ব ূলু ইন্নাহা-বাক্বারাতুল্ লা-যালূলুন্ তুছীরুল্ আরদ্বোয়া অলা-তাস্ক্বিল্ র্হাছা মুসাল্লামাতুল্ লা-শিয়াতা ফীহা- ক্বা-লুল্ আ-না জ্বিতা বিল্হাক্ব্ ফাযাবাহূহা- অমা- কা-দূ ইয়াফ্'আলূন্।
সে বলল, ‘নিশ্চয় তিনি বলছেন, ‘নিশ্চয় তা এমন গাভী, যা ব্যবহৃত হয়নি জমি চাষ করায় আর না ক্ষেতে পানি দেয়ায়। সুস্থ যাতে কোন খুঁত নেই’। তারা বলল, ‘এখন তুমি সত্য নিয়ে এসেছ’। অতঃপর তারা তা যবেহ করল অথচ তারা তা করার ছিল না।
আর স্মরণ করো! তোমরা একজনকে কাতল করতে যাচ্ছিলে, তারপর তোমরা এ ব্যাপারে দোষাদোষি করছিলে। আর প্রকাশ করছিলেন যা তোমরা লুকোতে চাইছিলে।
অইয্ ক্বাতাল্তুম্ নাফ্সান্ ফাদ্দা-রাতুম্ ফীহা- অল্লা-হু মুখ্রিজ্ব ুম্ মা- কুন্তুম্ তাক্তুমূন্।
আর স্মরণ কর, যখন তোমরা একজনকে হত্যা করলে অতঃপর সে ব্যাপারে একে অপরকে দোষারোপ করলে। আর প্রকাশ করে দিলেন তোমরা যা গোপন করছিলে।
সুতরাং আমরা বললাম - - “তুলনা করো তাঁকে এর কিছু অংশের সাথে।” এইভাবে মৃতবৎকে জীবন দান করেন। আর তিনি তোমাদের দেখাচ্ছেন তাঁর নিদর্শন সমূহ যাতে তোমরা বুঝতে পার।
ফাক্বূল্নাদ্ব্ রিবূহু বিবা'দ্বিহা- কাযা-লিকা ইউহ্য়িল্লা-হুল্ মাওতা- অইয়ুরীকুম্ আ-ইয়া-তিহী লা'আল্লাকুম্ তা'ক্বিলূন্।
অতঃপর আমি বললাম, ‘তোমরা তাকে আঘাত কর গাভীটির (গোশতের) কিছু অংশ দিয়ে। এভাবে জীবিত করেন মৃতদেরকে। আর তিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনসমূহ দেখান, যাতে তোমরা বুঝ।
তারপর তোমাদের হৃদয় এর পরেও কঠিন হলো, পাথরের মতো হয়ে গেল, বরং আরও কঠিন। আর অবশ্য পাথরের মধ্যে এমনও আছে যার মধ্য থেকে বেরিয়ে আসে ঝরনা। আবার তাদের কিছু যখন চৌচির হয় তখন তা থেকে পানি বেরোয়। আবার তাদের মধ্যে কতক র ভয়ে ভেঙ্গে পড়ে। আর তোমরা যা করছো সে বিষয়ে অজ্ঞাত নন।
ছুম্মা ক্বাসাত্ ক্বূলূবুকুম্ মিম্ বা'দি যা-লিকা ফাহিয়া কাল্ হিজ্বা-রাতি আও আশাদ্দু কাস্ওয়াহ্ অইন্না মিনাল হিজ্বা-রাতি লামা- ইয়াতাফাজ্জ্বারু মিন্হুল্ আন্হার্- অইন্না মিন্হা- লামা-ইয়াশ্শাক্ব ্ক্বাক্বূ ফাইয়াখ্রুজ্ব ু মিন্হুল্ মা-উ্ অইন্না মিন্হা-লামা-ইয়াহ্বিত্ব ু মিন্ খাশ্ইয়াতিল্লা-হ্ অমাল্লা-হু বিগা-ফিলিন্ 'আম্মা-তা'মালূন।
অতঃপর তোমাদের অন্তরসমূহ এর পরে কঠিন হয়ে গেল যেন তা পাথরের মত কিংবা তার চেয়েও শক্ত। আর নিশ্চয় পাথরের মধ্যে কিছু আছে, যা থেকে নহর উৎসারিত হয়। আর নিশ্চয় তার মধ্যে কিছু আছে যা চূর্ণ হয়। ফলে তা থেকে পানি বের হয়। আর নিশ্চয় তার মধ্যে কিছু আছে যা আল্লাহর ভয়ে ধ্বস
এরপর কি তোমরা আশা কর যে তারা তোমাদের প্রতি বিশ্বাস করবে? ইতিপূর্বে তাদের একটি দল র বাণী শুনত, তারপর তা পাল্টে দিত উহা বুঝবার পরেও, আর তারা জানে।
আফাতাত্ব ্ মা'ঊনা আইঁ ইয়ুমিনূ লাকুম্ অক্বাদ্ কা-না ফারীক্বূম্ মিন্হুম্ ইয়াস্মা'ঊনা কালা-মাল্লা-হি ছুম্মা ইয়ুর্হারিফূনাহূ মিম্ বা'দি মা-'আক্বালূহু অহুম ইয়া'লামূন্।
তোমরা কি এই আশা করছ যে, তারা তোমাদের প্রতি ঈমান আনবে? অথচ তাদের একটি দল ছিল যারা আল্লাহর বাণী শুনত অতঃপর তা বুঝে নেয়ার পর তা তারা বিকৃত করত জেনে বুঝে।
আর যারা ঈমান এনেছে তাদের সাথে যখন তারা মোলাকাত করে তখন বলে - - “আমরা ঈমান এনেছি।” আর যখন তাদের লোকেরা একে অন্যের সাথে নিরিবিলি হয় তখন বলে - - “ তোমাদের কাছে যা প্রকাশ করেছেন তা কি তোমরা ওদের জানিয়ে দিচ্ছ, যাতে ওরা এ - সবের সাহায্যে তোমাদের প্রভুর সামনে তোমাদের সাথে বিতর্ক করে? তোমরা কি তবে বুঝতে পারছ না?”
অইযা-লাক্বূল লাযীনা আ-মানূ ক্বা-লূূয় আ-মান্না-অইযা- খালা- বা'দ্বুহুম্ ইলা- বা'দ্বিন্ ক্বালূয় আতুহাদ্দিছূনাহুম্ বিমা- ফাতাহাল্লা-হু 'আলাইকুম্ লিইয়ুহা-জ্জ্ব ূকুম্ বিহী 'ইন্দা রব্বিকুম আফালা- তা'ক্বিলূন্।
আর যখন তারা মুমিনদের সাথে সাক্ষাৎ করে তখন বলে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’। আর যখন একে অপরের সাথে একান্তে মিলিত হয় তখন বলে, ‘তোমরা কি তাদের সাথে সে কথা আলোচনা কর, যা তোমাদের উপর উম্মুক্ত করেছেন, যাতে তারা এর মাধ্যমে তোমাদের রবের নিকট তোমাদের বিরুদ্ধে দলীল পে
আর তারা কি জানে না যে নিঃসন্দেহ জানেন যা তারা লুকিয়ে রাখছে ও যা প্রকাশ করছে?
আওয়ালা- ইয়া'লামূনা আন্নাল্লা-হা ইয়া'লামু মা-ইয়ুর্সিরূনা অমা-ইয়ু'লিনূন্। 78। অমিন্হুম উম্মিয়্যূনা লা-ইয়া'লামূনাল্ কিতা-বা ইল্লায় আমা-নিয়্যা অইন্ হুম্ ইল্লা-ইয়াজুন্ন ূন্।
তারা কি জানে না যে, তারা যা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে, তা জানেন?
আর তাদের মধ্যে হচ্ছে নিরক্ষর যারা ধর্মগ্রন্থ সন্বন্ধে উপকথার বেশী জানে না, আর তারা শুধু আন্দাজের উপর চলে!
ওয়া মিনহুম উমমিযূনা লা ইয়ালামুনাল ইকতাবা ইল্লা আমানিউযয়ূ ওয়া ইন হুম ইল্লা ইয়াজুননুন।
আর তাদের মধ্যে আছে নিরক্ষর, তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া কিতাবের কোন জ্ঞান রাখে না এবং তারা শুধুই ধারণা করে থাকে।
হায়, কি অভাগা তারা যারা নিজ হাতে গ্রন্থ লেখে, তারপর বলে - - “ইহা র দরবার থেকে” - - যাতে এর জন্য তারা স্বল্পমূল্য কামাতে পারে। অতএব ধিক্ তাদের প্রতি তাদের হাত যা লিখেছে সেজন্য, আর ধিক্ তাদের প্রতি যা তারা কামাই করে সেজন্য!
ফাওয়াইলুল্ লিল্লাযীনা ইয়াক্তুবূনাল্ কিতা-বা বিআইদীহিম্ ছুম্মা ইয়াক্ব ূলূনা হা-যা-মিন্ 'ইনদিল্লা-হি লিইয়াশ্তারূ বিহী ছামানান্ ক্বালীলা-ফাওয়াইলু ল্লাহুম্ মিম্মা-কাতাবাত্ আইদীহিম অওয়াইলু ল্লাহুম্ মিম্মা-ইয়াক্সিবূন্।
সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্য যারা নিজ হাতে কিতাব লিখে। তারপর বলে, ‘এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে’, যাতে তা তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করতে পারে। সুতরাং তাদের হাত যা লিখেছে তার পরিণামে তাদের জন্য ধ্বংস, আর তারা যা উপার্জন করেছে তার কারণেও তাদের জন্য ধ্বংস।
আর তারা বলে - - “আগুন আমাদের গুনতির কয়েকদিন ছাড়া কদাচ স্পর্শ করবে না।” তুমি বলো - - “তোমরা কি র কাছ থেকে কোনো প্রতিশ্রুতি নিয়েছ? তাহলে তাঁর ওয়াদার কখনো খেলাফ করেন না, অথবা তোমরা কি সন্বন্ধে যা জান না তাই বলছ?”
অ ক্বা-লূ লান্ তামাস্সানা ন্না-রু ইল্লায় আইয়্যা-মাম্ মা'দূদাহ ক্বূল্ আত্তাখায্তুম্ 'ইন্দাল্লা-হি 'আহ্দান্ ফালাই ইয়ুখ্লিফাল্লা-হু আহ্দাহূূয় আম্ তাক্ব ূলূনা 'আলাল্লা-হি মা-লা-তা'লামূন্।
আর তারা বলে, ‘গোনা-কয়েকদিন ছাড়া আগুন আমাদেরকে কখনো স্পর্শ করবে না’। বল, ‘তোমরা কি আল্লাহর নিকট ওয়াদা নিয়েছ, ফলে তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করবেন না? নাকি আল্লাহর উপর এমন কিছু বলছ, যা তোমরা জান না’?
হাঁ, যে কেউ মন্দ অর্জন করে, আর তার পাপ তাকে ঘেরাও করে ফেলে, এরাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, তাতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।
বালা- মান্ কাসাবা সাইয়্যিয়াতাওঁ অআহা-ত্বোয়াত্ব ্ বিহী খাত্বী-য়াতুহূ ফাউল-য়িকা আছ্হা-বুন্ না-রি হুম্ ফীহা- খা-লিদূন্।
হাঁ, যে মন্দ উপার্জন করবে এবং তার পাপ তাকে বেষ্টন করে নেবে, তারাই আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে হবে স্থায়ী।
আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে, তারাই হচ্ছে বেহেশতের বাসিন্দা, তাতে থাকবে তারা চিরকাল।
অল্লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া- লিহা-তি উলা-য়িকা আছ্হা-বুল্ জ্বান্নাতি হুম্ ফীহা- খা-লিদূন্।
আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, তারা জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানে হবে স্থায়ী।
আর স্মরণ করো! আমরা ইসরাইলের বংশধরদের থেকে চুক্তি গ্রহণ করেছিলাম - - “তোমরা ছাড়া আর কারো উপাসনা করবে না, আর মাতাপিতার প্রতি ভালো ব্যবহার করবে, এবং আত্মীয়স্বজনদের প্রতি, আর এতিমদের প্রতি, আর মিসকিনদের প্রতি, আর লোকদের সাথে ভালোভাবে কথা বলবে, আর কায়েম করবে ও যাকাত আদায় করবে।” তারপর তোমরা তোমাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া ফিরে গেলে, আর তোমরা ফিরে যাবার দলের।
অইয্ আখায্না- মীছা-ক্বা বানীয় ইস্রা-য়ীলা লা- তা'বুদূনা ইল্লাল্লা-হা অবিল ওয়া-লিদাইনি ইহ্সা-নাওঁ অযিল্ ক্বর্ ুবা- অল্ইয়াতা-মা- অল্মাসা-কীনি অক্ব ূলূ লিন্না-সি হুস্্নাওঁ অআক্বীমুছ্ ছলা-তা ওয়াআ-তুয্ যাকা-হ্ ছুম্মা তাওয়াল্লাইতুম্ ইল্লা- ক্বালীলাম্ মিন্কুম্ অআন্তুম্ মু'রিদ্বূন্।
আর স্মরণ কর, যখন আমি বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার গ্রহণ করলাম যে, তোমরা ছাড়া কারো ইবাদাত করবে না এবং সদাচার করবে পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম ও মিসকীনদের সাথে। আর মানুষকে উত্তম কথা বল, কায়েম কর এবং যাকাত প্রদান কর। অতঃপর তোমাদের মধ্য থেকে স্বল্প
আর স্মরণ করো! আমরা তোমাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম - - “তোমরা তোমাদের রক্তপাত করবে না আর তোমাদের লোকদের তোমাদের বাড়িঘর থেকে বের করে দেবে না।” তখন তোমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলে, আর তোমারা সাক্ষ্য দিয়েছিলে।
অইয্ আখায্না- মীছা-ক্বাকুম্ লা-তাস্ফিকূনা দিমা-য়াকুম্ অলা-তুখ্রিজ্ব ূনা আন্ফুসাকুম্ মিন্ দিইয়া-রিকুম্ ছুম্মা আক্বর্ ্রাতুম্ অআন্তুম্ তাশ্হাদূন্।
আর যখন আমি তোমাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করলাম যে, তোমরা নিজদের রক্ত প্রবাহিত করবে না এবং নিজদেরকে তোমাদের গৃহসমূহ থেকে বের করবে না। অতঃপর তোমরা স্বীকার করে নিলে। আর তোমরা তার সাক্ষী।
তারপর তোমরাই সেই যারা তোমাদের নিজেদের মধ্যে খুন - খারাবি করো, আর তোমাদেরই এক দলকে তাদের বাড়িঘর থেকে তোমরা তাড়িয়ে দাও তাদের বিরুদ্ধে পাপ ও নিষ্ঠুরতায় পৃষ্ঠপোষকতা ক’রে। অথচ যদি তারা তোমাদের কাছে বন্দীরূপে আসে তবে তাদের মুক্তিপণ দাও, যদিও তাদের তাড়িয়ে দেওয়াটা তোমাদের উপরে অবৈধ ছিল। তাহলে তোমরা কি ধর্মগ্রন্থের অংশবিশেষে বিশ্বাস কর ও অন্য অংশে অবিশ্বাস পোষণ কর? অতএব তোমাদের মধ্যের যারা এরকম করে তাদের ইহজীবনে লাঞ্ছনা ছাড়া আর কী পুরস্কার আছে? আর কিয়ামতের দিনে তাদের ফেরত পাঠানো হবে কঠোরতম শাস্তিতে। আর তোমরা যা করছো সে - বিষয়ে অজ্ঞাত নন।
ছুম্মা আন্তুম হায় উলা-য়ি তাক্ব ্তুলূনা আন্ফুসাকুম্ অতুখ্রি ূনা ফারীক্বাম্ মিন্কুম্ মিন দিইয়া-রিহিম্ তাজোয়া-হারূনা 'আলাইহিম্ বিল্ইছ্মি অল্'উদ্ওয়া-ন্ অইঁইয়াতূকুম্ উসা-রা-তুফা-দূহুম্ অহুওয়া মুর্হারামুন্ 'আলাইকুম ইখ্রা-জ্ব ুহুম্ আফাতুমিনূনা বিবা'দ্বিল্ কিতা-বি অতাক্ফুরূনা বিবা'দ্বিন্ ফামা-জ্বাযা-য়ু মাইঁ ইয়াফ্'আলু যা-লিকা মিন্কুম্ ইল্লা- খিয্ইয়ুন্ ফিল্ হাইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া- অইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি ইয়ুরাদ্দূনা ইলায় আশাদ্দিল্ 'আযা-ব্ অমাল্লা-হু বিগা-ফিলিন্ আম্মা-তা'মালূন্ ।
অতঃপর তোমরাই তো তারা, যারা নিজদেরকে হত্যা করছ এবং তোমাদের মধ্য থেকে একটি দলকে তাদের গৃহ থেকে বের করে দিচ্ছ; পাপ ও সমীলঙ্ঘনের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে সহায়তা করছ। আর তারা যদি বন্দী হয়ে তোমাদের নিকট আসে, তোমরা মুক্তিপণ দিয়ে তাদেরকে মুক্ত কর। অথচ তাদেরকে বের ক
এরাই তারা যারা আখেরাতের বদলে ইহজীবন খরিদ করেছে। তাই তাদের উপর থেকে শাস্তি লাঘব করা হবে না, আর তাদের সাহায্যও দেয়া হবে না।
উলা-য়িকাল লাযী নাশ্তারাউল্ হাইয়া-তাদ্ দুন্ইয়া-বিল্আ-খিরাতি ফালা-ইয়ুখাফ্ফাফু 'আন্হুমুল্ 'আযা-বু অলা-হুম ইয়ুন্ছোয়ারূন্।
তারা আখিরাতের বিনিময়ে দুনিয়ার জীবনকে খরিদ করেছে। সুতরাং তাদের থেকে আযাব হালকা করা হবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
আর অবশ্যই আমরা মূসাকে ধর্মগ্রন্থ দিয়েছিলাম, আর তাঁর পরে পর্যায়ক্রমে বহু রসূল পাঠিয়েছিলাম, আর আমরা মরিয়মের পুত্র ঈসাকে দিয়েছিলাম স্পষ্ট - প্রমাণাবলী, আর আমরা তাঁকে বলীয়ান করি রূহুল ক্কুদুস দিয়ে। তাহলে কি যখনই তোমাদের কাছে একজন রসূল আসেন এমন কিছু নিয়ে যা তোমাদের মন চায় না, তখনই তোমরা অহংকার দেখাও? গতিকে, কাউকে তোমরা মিথ্যারোপ করো ও কাউকে কাতল করতে যাও।
অলাক্বাদ্ আ-তাইনা- মূসাল্ কিতা-বা অক্বাফ্ফাইনা- মিম্ বা'দিহী র্বিরুসুলি অআ-তাইনা- 'ঈ-সাব্না র্মাইয়ামাল্ বাইয়্যিনা-তি অআইয়্যাদ্না-হু বিরূহিল ক্বূদুস আফাকুল্লামা- জ্বা-য়াকুম্ রাসূলুম্ বিমা- লা-তাহ্ওয়ায় আন্ফুসুকুমুস্ তার্ক্বাতুম্ ফাফারীক্বান্ কায্যাব্তুম্ অফারীক্বান্ তাক্ব ্তুলূন্।
আর আমি নিশ্চয় মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং তার পরে একের পর এক রাসূল প্রেরণ করেছি এবং মারইয়াম পুত্র ঈসাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ। আর তাকে শক্তিশালী করেছি ‘পবিত্র আত্মা’র* মাধ্যমে। তবে কি তোমাদের নিকট যখনই কোন রাসূল এমন কিছু নিয়ে এসেছে, যা তোমাদের মনঃপূত নয়
আর তারা বলে - - “আমাদের হৃদয় হলো গেলাফ!” না, তাদের বঞ্চিত করেছেন তাদের অবিশ্বাসের জন্য। তাই যৎসামান্যই যা তারা বিশ্বাস করে।
অক্বা-লূ ক্বূলূবুনা- গুল্ফ্ বাল্ লা'আনাহুমুল্লা-হু বিকুফ্রিহিম্ ফাক্বালীলাম্ মা- ইয়ুমিনূন্।
আর তারা বলল, আমাদের অন্তরসমূহ আচ্ছাদিত; বরং তাদের কুফরীর কারণে তাদেরকে লা‘নত করেছেন। অতঃপর তারা খুব কমই ঈমান আনে।
আর যখন তাদের কাছে র তরফ থেকে একখানা ধর্মগ্রন্থ এল যাতে সমর্থন রয়েছে যা তাদের কাছে আছে - - যদিও ইতিপূর্বে তারা প্রার্থনা করতো যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের উপরে বিজয়ী হবার জন্যে, - - কিন্তু যখন তাদের কাছে এলেন যাঁকে তারা চিনতে পারল তারা তাঁকে অবিশ্বাস করে বসলো। সুতরাং র নারাজি অবিশ্বাসীদের উপরে।
অলাম্মা-জ্বা-য়াহুম্ কিতা-বুম্ মিন 'ইনদিল্লা-হি মুছোয়াদ্দিক্বূল্লিমা- মা'আহুম অকা-নূ মিন্ ক্বাব্লু ইয়াস্তাফ্তিহূনা 'আলাল্ লাযীনা কাফারূ ফালাম্মা-জ্বা-য়াহুম্ মা- 'আরাফূ কাফারূ বিহী ফালা'নাতুল্লা-হি 'আলাল্ কা-ফিরীন্।
আর যখন তাদের কাছে, তাদের সাথে যা আছে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার সত্যায়নকারী কিতাব এল, অথচ তারা পূর্বে কাফিরদের উপর বিজয় কামনা করত। সুতরাং যখন তাদের নিকট এল যা তারা চিনত, তখন তারা তা অস্বীকার করল। অতএব কাফিরদের উপর আল্লাহর লা‘নত।
গর্হিত তা যা দিয়ে তারা নিজেদের আত্মা বিনিময় করেছে যে জন্য যা অবতারণ করেছেন তা তারা অবিশ্বাস করে বিদ্বেষের বশে - - যে তাঁর কৃপাবশতঃ উহা অবতীর্ণ করবেন তাঁর দাসদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা করেন তার কাছে! তাই তারা রোষের উপর রোষ টেনে আনলো। আর অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।
বিসামাশ্ তারাও বিহীয় আন্ফুসাহুম্ আইঁ ইয়াক্ফুরূ বিমায় আন্যালাল্লা-হু বাগ্ইয়ান্ আইঁ ইয়ুনায্যিলাল্লা-হু মিন্ ফাদ্ব্লিহী 'আলা- মাইঁ ইয়াশা-য়ু মিন্ 'ইবা-দিহী ফাবা-য়ূ বিগাদ্বোয়াবিন্ 'আলা-গাদ্বোয়াব্ অলিল্ কা-ফিরীনা 'আযা-বুম্ মুহীন্।
যার বিনিময়ে তারা নিজদেরকে বিক্রয় করেছে তা কত জঘন্য (তা এই) যে, যা নাযিল করেছেন তা তারা অস্বীকার করেছে এই জিদের বশবর্তী হয়ে যে, তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা তার উপর তাঁর অনুগ্রহ নাযিল করেছেন। সুতরাং তারা ক্রোধের উপর ক্রোধের অধিকারী হল।
আর যখন তাদের বলা হয় - - “ঈমান আনো যা নাযিল করেছেন তাতে,” তারা বলে - - “আমরা বিশ্বাস করি যা আমাদের কাছে নাযিল হয়েছিল।” অথচ তারা অবিশ্বাস করে যা তার পরে এসেছে, যদিও উহা হলো ধ্রুব সত্য, সমর্থন করছে যা তাদের কাছে রয়েছে তার। বলো - - “তাহলে তোমরা কেন র নবীদের এর আগে হত্যা করতে যাচ্ছিলে? যদি তোমরা হয়ে থাকো।”
অইযা- ক্বীলা লাহুম আ-মিনূ বিমায় আন্যালাল্লা-হু ক্বা-লূ নুমিনু বিমায় উন্যিলা 'আলাইনা- অইয়াক্ফুরূনা বিমা- অরা-য়াহ ূঅহুওয়াল্ হাক্ব ্ক্বূ মুছোয়াদ্দিক্বাল্ লিমা- মা'আহুম ক্বূল্ ফালিমা তাক্ব ্তুলূনা আম্বিয়া-য়াল্লা-হি মিন্ ক্বাব্লু ইন কুন্তুম্ মুমিনীন্।
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘ যা নাযিল করেছেন তোমরা তার প্রতি ঈমান আন’। তারা বলে, ‘আমাদের প্রতি যা নাযিল হয়েছে আমরা তা বিশ্বাস করি’। আর এর বাইরে যা আছে তারা তা অস্বীকার করে। অথচ তা সত্য, তাদের সাথে যা আছে তার সত্যায়নকারী। বল, ‘তবে কেন তোমরা আল্লাহর নবীদে
আর নিশ্চয়ই মূসা তোমাদের কাছে এসেছিলেন স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে, কিন্তু তোমরা বাছুরকে গ্রহণ করলে তাঁর, আর তোমরা হলে অন্যায়কারী।
অলাক্বাদ্ জ্বা-য়াকুম্ মূসা- বিল্বাইয়্যিনা-তি ছুম্মাত্তাখায্তুমুল্ 'ইজলা মিম্ বা'দিহী অআনতুম্ জোয়া-লিমূন্।
আর অবশ্যই মূসা তোমাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে এসেছে। অতঃপর তোমরা তার পরে বাছুরকে (উপাস্যরূপে) গ্রহণ করলে। আর তোমরা তো যালিম।
আর স্মরণ করো! আমরা তোমাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম ও তোমাদের উপরে পর্বত খাড়া করেছিলাম। - - “তোমাদের আমরা যা দিয়েছি তা শক্ত করে পাকড়ে ধরো, আর শুনো।” তারা বলল - - “আমরা শুনলাম আর অমান্য করলাম!” আর তাদের হৃদয়ের ভেতরে পান করানো হয়েছে তাদের অস্বীকার করার দরুন। বলো - - “তোমাদের ধর্মবিশ্বাস তোমাদের যা নির্দেশ দিচ্ছে তা দূষণীয়, যদি তোমরা হও।”
অইয্ আখায্না- মীছা-ক্বাকুম্ অরাফা'না- ফাওক্বাকুমুত্ব ্ ত্ব ূর খুযূ মায় আতাইনা-কুম্ বিক্বূওয়্যাতিওঁ অস্মা'ঊ ক্বা-লূ সামি'না- অ'আছোয়াইনা- অউশ্রিবূ ফী ক্বূলূবিহিমুল্ 'ইজলা বিকুফ্রিহিম ক্বূল্ বিসামা- ইয়ামুরুকুম্ বিহীয় ঈমা-নুকুম্ ইন্ কুন্তুম্ মুমিনীন্।
আর স্মরণ কর, যখন আমি তোমাদের প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছিলাম এবং তোমাদের উপর তূরকে উঠিয়েছিলাম- (বলেছিলাম) ‘আমি তোমাদেরকে যা দিয়েছি তা শক্তভাবে ধর এবং শোন’। তারা বলেছিল, ‘আমরা শুনলাম এবং অমান্য করলাম। আর তাদের কুফরীর কারণে তাদের অন্তরে গো- প্রীতি সিঞ্চিত ক
বলো - - “যদি র আখেরাতের ঘর অপর লোককে বাদ দিয়ে খাস ক’রে তোমাদের জন্য হয়ে থাকে তবে মৃত্যু কামনা করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।”
ক্বূল্ ইন্ কা-নাত্ লাকুমুদ্ দা-রুল্ আ-খিরাতু 'ইন্দাল্লা-হি খা-লিছোয়াতাম্ মিন্ দূনিন্ না-সি ফাতামান্নায়ুল্ মাওতা ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
বল, ‘যদি অন্যান্য মানুষ ছাড়া আল্লাহর নিকট আখিরাতের আবাস শুধু তোমাদের জন্যই নির্দিষ্ট থাকে, তবে তোমরা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক’।
কিন্তু তারা কখনো তা চাইবে না তাদের দুই হাত যা পাঠিয়েছে। আর অন্যায়কারীদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞাতা।
অলাইঁ ইয়াতামান্নাওহু আবাদাম্ বিমা- ক্বাদ্দামাত্ আইদীহিম অল্লা-হু 'আলীমুম্ বিজ্জোয়া-লিমীন্।
আর তারা কখনো তা কামনা করবে না, তাদের হাত যা পাঠিয়েছে তার কারণে। আর যালিমদের সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।
আর তুমি তাদের পাবে জীবন সন্বন্ধে সবচাইতে লোভী মানুষ, যারা শরিক করে তাদের চাইতেও। তাদের এক একজন কামনা করে তাকে যেন হাজার বছরের পরমায়ু দেয়া হয়। কিন্তু তাকে দীর্ঘজীবন দেয়া হলেও শাস্তি থেকে সে স্থানাস্তরিত হবে না। আর তারা যা করছে তার দর্শক।
অলাতাজ্বিদান্নাহুম্ আহ্রাছোয়ান না-সি 'আলা-হাইয়া-তিন্ অমিনাল্ লাযীনা আশরাকূ ইয়াঅদ্দু আহাদুহুম লাও ইয়ু'আম্মারু আল্ফা সানাতিন্ অমা-হুওয়া বিমুযাহ্যিহিহী মিনাল্ 'আযা-বি আইঁ ইয়ু'আর্ম্মা অল্লা-হু বাছীরুম্ বিমা- ইয়া'মালূন্।
আর তুমি তাদেরকে পাবে জীবনের প্রতি সর্বাধিক লোভী মানুষরূপে। এমনকি তাদের থেকেও যারা শিরক করেছে। তাদের একজন কামনা করে, যদি হাজার বছর তাকে জীবন দেয়া হত! অথচ দীর্ঘজীবী হলেই তা তাকে আযাব থেকে নিষ্কৃতি দিতে পারবে না। আর তারা যা করে সে সম্পর্কে সম্যক দ্রষ্
বলো - - “যে কেউ জিব্রীলের শত্রু” - - কারণ নিঃসন্দেহ সে - ই র আদেশে উহা তোমার হৃদয়ে অবতীর্ণ করেছে, এর আগে যা এসেছিল তার সত্য - সমর্থনরূপে, এবং মুমিনদের জন্য পথপ্রদর্শক ও সুসংবাদদাতারূপে, - -
ক্বূল্ মান্ কা-না 'আদুওয়্যাল লিজ্বিব্রীলা ফাইন্নাহূ নায্যালাহূ 'আলা- ক্বাল্বিকা বিইয্নিল্লা-হি মুছোয়াদ্দিক্বাল্ লিমা-বাইনা ইয়াদাইহি অহুদাওঁ অবুশ্রা-লিল্মুমিনীন্।
বল, ‘যে জিবরীলের শত্রু হবে (সে অনুশোচনায় মরুক) কেননা নিশ্চয় জিবরীল তা আল্লাহর অনুমতিতে তোমার অন্তরে নাযিল করেছে, তার সামনে থাকা কিতাবের সমর্থক, হিদায়াত ও মুমিনদের জন্য সুসংবাদরূপে’।
“যে কেউ র ও তাঁর ফিরিশ্তাদের ও তাঁর রসূলদের ও জিব্রীলের ও মিকালের শত্রু, নিঃসন্দেহ তখন অবিশ্বাসীদের শত্রু।”
মান্ কা-না 'আদুও ওয়াল লিল্লা-হি অমালা-য়িকাতিহী অরুসুলিহী অজ্বিব্রীলা অমীকা-লা ফাইন্নাল্লা-হা 'আদুওয়্যাল্লিল্ কা-ফিরীন্।
‘যে শত্রু হবে আল্লাহর, তাঁর ফেরেশতাদের, তাঁর রাসূলগণের, জিবরীলের ও মীকাঈলের তবে নিশ্চয় কাফিরদের শত্রু’।
আর নিশ্চয়ই আমরা তোমার কাছে নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াত - - সমূহ, আর কেউ এতে অবিশ্বাস করে না দুর্বৃত্তরা ছাড়া।
অলাক্বাদ আন্যাল্নায় ইলাইকা আ-ইয়া-তিম্ বাইয়্যিনা-তিন্ অমা-ইয়াক্ফুরু বিহায় ইল্লাল্ ফা-সিক্ব ূন।
আর আমি অবশ্যই তোমার প্রতি সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নাযিল করেছি, ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না।
কি ব্যাপার! যখনই তারা কোনো ওয়াদাতে অঙ্গীকার করেছে, তাদের একদল তা প্রত্যাখ্যান করেছে? না, তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।
আওয়া কুল্লামা- 'আ-হাদূ' আহ্দান নাবাযাহূ ফারীক্বূম্ মিন্হুম্ বাল্ আক্ছারুহুম্ লা-ইয়ুমিনূন্।
তবে কি যখনই তারা কোন ওয়াদা করেছে, তখনই তাদের মধ্য থেকে কোন এক দল তা ছুড়ে মেরেছে? বরং তাদের অধিকাংশ ঈমান রাখে না।
আর যখনই তাদের কাছে র তরফ থেকে কোনো রসূল আসেন তাদের কাছে যা আছে তার সমর্থন ক’রে, যাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছিল তাদের একদল র গ্রন্থকে তাদের পশ্চাদ্দেশে ফেলে রাখে, যেন তারা জানে না।
অলাম্মা-জ্বা-য়াহুম্ রাসূলুম্ মিন্ 'ইন্দিল্লা-হি মুছোয়াদ্দিক্ব ুল লিমা- মা'আহুম্ নাবাযা ফারীক্ব ুম্ মিনাল্লাযীনা ঊতুল্ কিতা-বা কিতাবা ল্লা-হি অরা-য়া জুহূরিহিম কাআন্নাহুম্ লা-ইয়া'লামূন্।
আর যখন তাদের নিকট আল্লাহর কাছ থেকে একজন রাসূল এল, তাদের সাথে যা আছে তা সমর্থন করে, তখন আহলে কিতাবের একটি দল আল্লাহর কিতাবকে তাদের পেছনে ফেলে দিল, (এভাবে যে) মনে হয় যেন তারা জানে না।
আর তারা তার অনুসরণ করে যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে চালু করেছিল, আর সুলাইমান অবিশ্বাস পোষণ করেন নি, বরং শয়তান অবিশ্বাস করেছিল, তারা লোকজনকে জাদুবিদ্যা শেখাতো, আর তা বাবেলে হারূত ও মারূত এই দুই ফিরিশ্তার কাছে নাযিল হয় নি, আর এই দুইজন কাউকে শেখায়ও নি যাতে তাদের বলতে হয় - - “আমরা এক পরীক্ষা মাত্র, অতএব অবিশ্বাস করো না।” সুতরাং এই দুইয়ের থেকে তারা শিখেছে যার দ্বারা স্বামী ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। কিন্তু তারা এর দ্বারা কারো ক্ষতি করতে পারে না র অনুমতি ব্যতীত। আর তারা তাই শেখে যা তাদের ক্ষতিসাধন করে, এবং তাদের উপকার করে না। আর অবশ্যই তারা জানে যে এটা যে কিনে নেয় তার জন্য পরকালে কোনো লাভের অংশ থাকবে না। আর আফসোস, এটা মন্দ যার বিনিময়ে তারা নিজেদের আত্মা বিক্রয় করেছে, - - যদি তারা জানতো!
অত্তাবা'ঊ মা-তাত্লুশ্ শাইয়া-ত্বীনু 'আলা-মুল্কি সুলাইমা-না অমা-কাফারা সুলাইমা-নু অলা-কিন্নাশ্ শাইয়া-ত্বীনা কাফারূ ইয়ু'আল্লিমূনান্ না-স্াস্ সিহ্রা অমায় উন্যিলা 'আলাল্ মালাকাইনি বিবা-বিলা হা-রূতা অমা-রূত্ অমা-ইয়ু'আল্লিমা-নি মিন্ আহাদিন্ হাত্তা-ইয়াক্ব ূলায় ইন্নামা-নাহ্নু ফিত্নাতুন্ ফালা-তার্ক্ফু ফাইয়াতা'আল্লামূনা মিনহুমা- মা- ইয়ুর্ফারিক্ব ূনা বিহী বাইনাল্ র্মায়ি অযাওজ্বিহ্ অমা-হুম বিদ্বোয়ার্-রীনা বিহী মিন্ আহাদিন্ ইল্লা-বিইয্নিল্লা-হ্ অইয়াতা'আল্লামূনা মা-ইয়ার্দ্বুরুহুম্ অলা-ইয়ান্ফা'উহুম্ অলাক্বাদ্ 'আলিমূ লামানিশ্ তারা-হু মা-লাহূ ফিল্ আ-খিরাতি মিন্ খালা-ক্ব ্ অলাবিসা মা- শারাও বিহীয় আন্ফুসাহুম্ লাও কা-নূ ইয়া'লামূন্।
আর তারা অনুসরণ করেছে, যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে পাঠ করত। আর সুলাইমান করেনি; বরং শয়তানরা করেছে। তারা মানুষকে যাদু শেখাত এবং (তারা অনুসরণ করেছে) যা নাযিল করা হয়েছিল বাবেলের দুই ফেরেশতা হারূত ও মারূতের উপর। আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত ন
আর যদি তারা ঈমান আনতো ও ধর্মভীরুতা অবলন্বন করতো তাহলে র কাছ থেকে পুরস্কার নিশ্চয়ই বহু ভালো হতো, - - যদি তারা জানতো!
অলাও আন্নাহুম্ আ-মানূ অত্তাক্বাও লামাছূবাতুম্ মিন্ 'ইন্দিল্লা-হি খার্ই লাও কা-নূ ইয়া'লামূন্।
আর যদি তারা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত, তবে অবশ্যই আল্লাহর পক্ষ থেকে (তাদের জন্য) প্রতিদান উত্তম হত। যদি তারা জানত।
ওহে যারা ঈমান এনেছো! তোমরা বলো না “রা - 'ইনা - ”, বরং বলো “উনযুরনা - ”, আর শুনুন। আর অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে মর্মন্তদ শাস্তি।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্ লাযীনা আ-মানূ লা-তাক্ব ূ লূ রা-'ইনা- অক্ব ূলুন্ র্জুনা- অস্মা'উ অলিল্ কা-ফিরীনা 'আযা-বুন্ আলীম্।
হে মুমিনগণ, তোমরা ‘রা‘ইনা’* বলো না; বরং বল, ‘উনজুরনা’ আর শোন, কাফিরদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। *- راعنا রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কথোপকথন বা তাঁর কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের সময় মুমিনগণের বুঝতে সমস্যা হলে তারা বলতেন ‘রা‘ইনা’ অর্
গ্রন্থপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা এবং মুশরিকরা চায় না যে তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে কোনো কল্যাণ তোমাদের প্রতি নাযিল হোক। কিন্তু তাঁর করুণার জন্য যাকে ইচ্ছা করেন মনোনীত করেন। আর অপার কল্যাণের অধিকারী।
মা-ইয়াঅদ্দুল্লাযীনা কাফারূ মিন্ আহলিল্ কিতা-বি অলাল্ মুশরিকীনা আইঁ ইয়ুনায্যালা 'আলাইকুম্ মিন্ খাইরিম র্মি রব্বিকুম অল্লা-হু ইয়াখ্তাছ্ছু বিরাহ্মাতিহী মাইঁ ইয়াশা-য়ু অল্লা-হু যুল্ফাদ্ব্লিল্ 'আজীম্।
আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্য থেকে যারা করেছে, তারা চায় না যে, তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের উপর কোন কল্যাণ নাযিল হোক। আর যাকে ইচ্ছা তাকে তাঁর রহমত দ্বারা খাস করেন এবং মহান অনুগ্রহের অধিকারী।
যে - সব আয়াত আমরা মনসুখ করি অথবা উহা ভুলিয়ে দিই, আমরা তার চাইতে ভালো অথবা তার অনুরূপ নিয়ে আসি। তুমি কি জান না যে নিঃসন্দেহ সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান?
মা-নান্সাখ্ মিন্ আ-ইয়াতিন আও নুন্সিহা- নাতি বিখাইরিম্ মিনহায় আও মিছ্লিহা- আলাম্ তা'লাম্ আন্নাল্লা-হা 'আলা-কুল্লি শাইয়িন ক্বার্দী।
আমি যে আয়াত রহিত করি কিংবা ভুলিয়ে দেই, তার চেয়ে উত্তম কিংবা তার মত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
তুমি কি জানো না নিঃসন্দেহ , - - মহাকাশমন্ডলের ও পৃথিবীর রাজত্ব তাঁরই। আর তোমাদের জন্য ছাড়া কোনো মুরব্বী অথবা সাহায্যকারী নেই।
আলাম্ তা'লাম আন্নাল্লা-হা লাহূ ্মুল্কুস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্ব্ অমা-লাকুম্ মিন্ দূনিল্লা-হি মিও ঁ অলিয়্যিওঁ অলা- নার্ছী।
তুমি কি জান না যে, নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব আল্লাহর? আর ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই।
তোমরা কি তোমাদের রসূলকে প্রশ্ন করতে চাও যেমন মূসাকে এর আগে প্রশ্ন করা হয়েছিল? আর যে বিশ্বাসের জায়গায় অবিশ্বাস বদলে নেয় সে - ই নিশ্চয়ই সরল পথের দিশা হারায়।
আম্ তুরীদূনা আন্ তাস্য়ালূ রাসূলাকুম্ কামা- সুয়িলা মূসা- মিন্ কাব্ল্ অমাইঁ ইয়াতাবাদ্দালিল্ কুফ্রা বিল্ ঈমা-নি ফাক্বাদ্ব্ দ্বোয়াল্লা সাওয়া-য়াস্ সাবীল্।
নাকি তোমরা চাও তোমাদের রাসূলকে প্রশ্ন করতে, যেমন পূর্বে মূসাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল? আর যে ঈমানকে কুফরে পরিবর্তন করবে, সে নিশ্চয় সোজা পথবিচ্যুত হল।
গ্রন্থপ্রাপ্ত লোকের অনেকে কামনা করে যে তোমাদের ঈমান আনার পরে তোমাদের অবিশ্বাসে ফিরিয়ে নিতে, তাদের তরফ থেকে বিদ্বেষের ফলে তাদের কাছে সত্য পরিস্কার হবার পরেও। তাই ক্ষমা করো ও উপেক্ষা করো যে পর্যন্ত না তাঁর অনুশাসন নিয়ে আসেন। নিঃসন্দেহ সবকিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।
অদ্দা কাছীরুম্ মিন্ আহ্লিল্ কিতা-বি লাও ইয়ারুদ্দূনাকুম্ মিম্ বা'দি ঈমা-নিকুম্ কুফ্ফা-রান্ হাসাদাম্ মিন্ 'ইনদি আন্ফুসিহিম মিম্ বা'দি মা-তাবাইয়্যানা লাহুমুল্ হাক্ব্ ্ক্ব ু ফা'ফূ অছ্ফাহূ হাত্তা- ইয়াতিয়াল্লা-হু বিআম্রিহ্ ইন্নাল্লা-হা 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ ক্বাদীর্-।
আহলে কিতাবের অনেকেই চায়, যদি তারা তোমাদেরকে ঈমান আনার পর অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পারত! সত্য স্পষ্ট হওয়ার পর তাদের পক্ষ থেকে হিংসাবশত (তারা এরূপ করে থাকে)। সুতরাং তোমরা ক্ষমা কর এবং এড়িয়ে চল, যতক্ষণ না তাঁর নির্দেশ দেন। নিশ্চয় সব কিছুর উপর
আর কায়েম করো ও যাকাত আদায় করো। আর তোমাদের আত্মার জন্য যা কিছু কল্যাণ আগবাড়াও তা র দরবারে পাবে। নিশ্চয়ই তোমরা যা করছো তার দর্শক।
অ আক্বী মুছ্ ছলা-তা অআ-তুয্ যাকা-তা অমা- তুক্বাদ্দিমূ লিআন্ফুসিকুম্ মিন্ খাইরিন্ তাজ্বিদূহু 'ইন্দাল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা বিমা- তা'মালূনা বাছীর।
আর তোমরা কায়েম কর ও যাকাত দাও এবং যে নেক আমল তোমরা নিজদের জন্য আগে পাঠাবে, তা আল্লাহর নিকট পাবে। তোমরা যা করছ নিশ্চয় তার সম্যক দ্রষ্টা।
আর তারা বলে - - “যে ইহুদী বা খ্রীষ্টান সে ছাড়া কেউ কখনও বেহেশতে দাখিল হতে পারবে না।” এসব তাদের বৃথা আকাঙ্খা। বলো - - “তোমাদের প্রমাণ নিয়ে এসো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।”
অক্বা-লূ লাইঁ ইয়াদ্খুলাল্ জ্বান্নাতা ইল্লা- মান্ কা-না হূদান্ আও নাছোয়া-রা- তিল্কা আমা-নিয়্যুহুম্ ক্ব ুল্ হা-তূ বুরহা-নাকুম্ ইনকুনতুম ছোয়া-দিক্বীন্।
আর তারা বলে, ইয়াহূদী কিংবা নাসারা ছাড়া অন্য কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এটা তাদের মিথ্যা আশা। বল, ‘তোমরা তোমাদের প্রমাণ নিয়ে আস, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক’।
না, যে কেউ র তরফে নিজের মুখ পূর্ণ - সমর্পণ করেছে ও সে সৎকর্মী, তার জন্য তার পুরস্কার আছে তার প্রভুর দরবারে, আর তাদের উপরে কোনো ভয় নেই, আর তারা অনুতাপও করবে না।
বালা- মান্ আস্লামা অজ্ব ্হাহূ লিল্লা-হি অহুওয়া মুহ্সিনুন্ ফালাহূয় আজ্বরুহূ 'ইন্দা রব্বিহী অলা-খাওফুন 'আলাইহিম অলা-হুম ইয়াহ্যানূন্।
হ্যাঁ, যে নিজকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করেছে এবং সে সৎকর্মশীলও, তবে তার জন্য রয়েছে তার রবের নিকট প্রতিদান। আর তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।
আর ইহুদীরা বলে - - “খ্রীষ্টানরা কিছুরই উপর নয়”, আর খ্রীষ্টানরা বলে - - “ইহুদীরা কিছুরই উপর নয়।” অথচ তারা সবাই গ্রন্থ পড়ে। এমনিভাবে তাদের কথার মতো কথা বলে এরা যারা জানে না। তাই কিয়ামতের দিনে তাদের মধ্যে রায় দেবেন যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করতো।
অক্বা-লাতিল্ ইয়াহূদু লাইসাতিন্ নাছোয়া-রা-'আলা-শাইয়্যিওঁ অক্বা-লাতিন্ নাছোয়া-রা- লাইসাতিল্ ইয়াহূদু 'আলা- শাইয়্যিওঁ অহুম্ ইয়াত্লূ নাল্ কিতা-ব্ কাযা-লিকা ক্বা-লাল্ লাযীনা লা-ইয়া'লামূনা মিছ্লা ক্বাওলিহিম্ ফাল্লা-হু ইয়াহ্কুমু বাইনাহুম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি ফীমা- কা-নূ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্।
আর ইয়াহূদীরা বলে, ‘নাসারাদের কোন ভিত্তি নেই’ এবং নাসারারা বলে ‘ইয়াহূদীদের কোন ভিত্তি নেই’। অথচ তারা কিতাব পাঠ করে। এভাবেই, যারা কিছু জানে না, তারা তাদের কথার মত কথা বলে। সুতরাং যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করত কিয়ামতের দিন সে বিষয়ে তাদের মধ্যে ফয়সালা করবে
আর তার চাইতে কে বেশী অন্যায়কারী যে র মসজিদসমূহে বাধা দেয় এইজন্য যে সে - সবে তাঁর নাম স্মরণ করা হবে, আর চেষ্টা করে সে - সবের অনিষ্ট সাধনে? এদের ক্ষেত্রে, তাদের জন্য নয় যে তারা এ - সবে দাখিল হয় ভয়াতুর না হয়ে। তাদের জন্য এই দুনিয়াতে আছে অপমান, আর পরকালে তাদের জন্য কঠোর শাস্তি।
অমান্ আΩলামু মিম্মাম্ মান'আ মাসা-জ্বিদাল্লা-হি আইঁ ইয়ুয্কারা ফীহাছ্মুহূ- অসা'আ-ফী খারা-বিহা- উলা-য়িকা মা-কানা লাহুম আইঁ ইয়াদ্খুলূহায় ইল্লা-খা-য়িফীন্ লাহুম্ ফিদ্ দুন্ইয়া-খিয্ইয়ুওঁ অলাহুম ফিল আ-খিরাতি 'আযা-বুন্ 'আজীম্।
আর তার চেয়ে অধিক যালেম কে, যে আল্লাহর মাসজিদসমূহে তাঁর নাম স্মরণ করা থেকে বাধা প্রদান করে এবং তা বিরাণ করতে চেষ্টা করে? তাদের তো উচিৎ ছিল ভীত হয়ে তাতে প্রবেশ করা। তাদের জন্য দুনিয়ায় রয়েছে লাঞ্ছনা আর আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে মহাআযাব।
আর রই পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল। অতএব যেদিকে তোমরা ফেরো সে - দিকেই র মুখ। নিঃসন্দেহে সর্বব্যাপক, সর্বজ্ঞাতা।
অলিল্লা-হিল্ মাশ্রিক্ব ুঅল্ মাগ্রিবু ফাআইনামা-তুওয়াল্লূ ফাছাম্মা অজ্ব ্হুল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা ওয়া-সি'উন্ 'আলীম্।
আর পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। সুতরাং তোমরা যে দিকেই মুখ ফিরাও, সে দিকেই আল্লাহর চেহারা। নিশ্চয় প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
আর তারা বলে - - “ একটি ছেলে গ্রহণ করেছেন” । তাঁরই মহিমা হোক! বরং মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যা - কিছু আছে সে - সব তাঁরই, সবাই তাঁর আজ্ঞা পালনকারী।
অক্বা-লুত তাখাযাল্লা-হু অলাদান্ সুব্হা-নাহ্ বাল্ লাহূ মা- ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ কুল্লুল্ লাহূ ক্বা-নিতূন।
আর তারা বলে, সন্তান গ্রহণ করেছেন। তিনি পবিত্র মহান; বরং আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তা তাঁরই । সব তাঁরই অনুগত।
মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর আদি - স্রষ্টা! আর যখনই তিনি কোনো বিষয় বির্ধারিত করেন তিনি সে - সন্বন্ধে তখন শুধু বলেন - - “হও”, আর তা হয়ে যায়।
বাদী'উস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ অইযা-ক্বাদ্বোয়ায় আম্রান্ ফাইন্নামা- ইয়াক্ব ূলু লাহূ কুন্ ফাইয়া-কূন্।
তিনি আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা। আর যখন তিনি কোন বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তখন কেবল বলেন ‘হও’ ফলে তা হয়ে যায়।
আর যারা জানে না তারা বলে - - “ কেন আমাদের সাথে কথা বলেন না, অথবা একটি নিদর্শন আমাদের কাছে আসুক?” এমনভাবে এদের আগে যারা ছিল তারা এদের কথার অনুরূপ কথা বলেছিল। তাদের হৃদয় একই রকমের। আমরা আয়াতসমূহ সুস্পষ্ট করে রেখেছি সেই লোকদের কাছে যারা দৃঢ়প্রত্যয় রাখে।
অক্বা-লাল্লাযীনা লা-ইয়া'লামূনা লাওলা-ইয়ুকাল্লিমুনাল্লা-হু আও তাতীনায় আ-ইয়াহকাযা-লিকা ক্বা-লাল্লাযীনা মিন্ ক্বাবলিহিম্ মিছ্লা ক্বাওলিহিম্ তাশা-বাহাত্ ক্ব ুলূবুহুম্ ক্বাদ্ বাইয়্যান্নাল্ আ-ইয়া-তি লিক্বাওমিইঁ ইয়ূক্বিনূন্।
আর যারা জানে না, তারা বলে, ‘কেন আমাদের সাথে কথা বলেন না কিংবা আমাদের কাছে কোন নিদর্শন আসে না’? এভাবেই, যারা তাদের পূর্বে ছিল তারা তাদের কথার মত কথা বলেছে। তাদের অন্তরসমূহ একই রকম হয়ে গিয়েছে। আমি তো আয়াতসমূহ সুস্পষ্ট করে দিয়েছি এমন কওমের জন্য, যারা
নিঃসন্দেহ আমরা তোমাকে সত্য দিয়ে পাঠিয়েছি, সুসংবাদদাতারূপে ও সতর্ককারীরূপে, আর তোমাকে জবাব দিহি করতে হবে না ভয়ঙ্কর আগুনের বাসিন্দাদের সম্পর্কে।
ইন্নায় র্আসাল্না-কা বিল্হাক্ব্ ্ক্বি বাশীরাওঁ অনাযীরাওঁ অলা-তুস্য়ালু 'আন্ আছ্হা-বিল্ জ্বাহীম।
নিশ্চয় আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি সত্যসহ, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে এবং তোমাকে আগুনের অধিবাসীদের সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে না।
আর ইহুদীরা কখনো তোমার উপরে সন্তষ্ট হবে না, খ্রীষ্টানরাও নয়, যতক্ষণ না তুমি তাদের ধর্মমত অনুসরণ কর। তাদের বলো - - “নিশ্চয়ই র যা হেদায়ত তাই - ই হেদায়ত। আর তুমি যদি তাদের ইচ্ছার অনুসরণ কর তোমার কাছে জ্ঞানের যা এসেছে তার পরে, তাহলে আল্লাহর কাছ থেকে তুমি পাবে না কোনো বন্ধু - বান্ধব, না কোনো সাহায্যকারী।
অলান্ র্তাদ্বোয়া-'আন্কাল্ ইয়াহূদু অলান্ নাছোয়া-রা- হাত্তা- তাত্ত্বাবি'আ মিল্লাতাহুম্ ক্ব ুল্ ইন্না হুদাল্লা-হি হুওয়াল্ হুদা- অলায়িনিত তাবা'তা আহ্ওয়া-য়াহুম্ বা'দাল্লাযী জ্বা-য়াকা মিনাল্ 'ইল্মি মা-লাকা মিনাল্লা-হি মিওঁ অলিয়ি্যঁওঁ অলা-নার্ছী।
আর ইয়াহূদী ও নাসারারা কখনো তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তুমি তাদের মিল্লাতের অনুসরণ কর। বল, ‘নিশ্চয় আল্লাহর হিদায়াতই হিদায়াত’ আর যদি তুমি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ কর তোমার কাছে যে জ্ঞান এসেছে তার পর, তাহলে আল্লাহর বিপরীতে তোমার কোন অভিভাবক ও সাহা
যাদের আমরা গ্রন্থ দিয়েছি তারা উহার তিলাওতের ন্যায্যতা মোতাবেক উহা অধ্যয়ন করে। তারাই এতে ঈমান এনেছে। আর যারা এতে অবিশ্বাস পোষণ করে তারা নিজেরাই হয় ক্ষতিগ্রস্ত।
আল্লাযীনা আ-তাইনা হুমুল কিতা-বা ইয়াত্লূনাহূ হাক্ব ্ক্বা তিলা-ওয়াতিহ উলা-য়িকা ইয়ুমিনূনা বিহ্ অমাইঁ ইয়াক্ফুর বিহী ফাউলা-য়িকা হুমুল্ খা-সিরূন্।
যাদেরকে আমি কিতাব দিয়েছি, তারা তা পাঠ করে যথার্থভাবে। তারাই তার প্রতি ঈমান আনে। আর যে তা অস্বীকার করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
হে ইসরাইলের বংশধরগণ! আমার নিয়ামত স্মরণ করো যা আমি তোমাদের প্রদান করেছিলাম ও কিভাবে মানবগোষ্ঠীর উপরে তোমাদের মর্যাদা দিয়েছিলাম।
ইয়া-বানীয় ইস্রা-য়ীলায্ কুরূ নি'মাতিইয়াল্লাতীয় আন্'আম্তু 'আলাইকুম্ অআন্নী ফাদ্ব্দ্বোয়াল্তুকুম্ 'আলাল্ 'আ-লামীন্।
হে বনী ইসরাঈল, তোমরা আমার নিআমতকে স্মরণ কর, যা আমি তোমাদেরকে দিয়েছি। আর নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি সৃষ্টিকুলের উপর।
আর হুশিয়াঁর হও এমন এক দিনের যখন এক সত্তা অন্য আত্মা থেকে কোনো প্রকার সাহায্য পাবে না, আর তার কাছ থেকে কোনো খেসারত কবুল করা হবে না, আর সুপারিশেও তার কোনো ফায়দা হবে না, আর তাদের সাহায্য করা হবে না।
অত্তাক্ব ূ ইয়াওমাল লা-তাজ্ব ্যী নাফ্সুন্ 'আন নাফসিন্ শাইয়াওঁ অলা-ইয়ুক্ব ্বালু মিন্হা-'আদ্লুওঁ অলা- তান্ফা'উহা-শাফা'আতুওঁ অলা-হুম্ ইয়ুন্ছরূন্।
আর তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যেদিন কেউ কারো কোন কাজে আসবে না এবং কোন ব্যক্তি থেকে বিনিময় গ্রহণ করা হবে না আর কোন সুপারিশ তার উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
আর স্মরণ করো! ইব্রাহীমকে তাঁর প্রভু কয়েকটি নির্দেশ দ্বারা পরীক্ষা করলেন, আর তিনি সেগুলো সম্পাদন করলেন। তিনি বললেন - - “আমি নিশ্চয়ই তোমাকে মানবজাতির জন্য ইমাম করতে যাচ্ছি।” তিনি বললেন - - “আর আমার বংশধরগণ থেকে?” তিনি বললেন - - “আমার অঙ্গীকার অন্যায়কারীদের উপরে বর্তায় না।”
অইযিব্ তালায় ইব্রা-হীমা রব্বুহূ- বিকালিমা-তিন্ ফাআতাম্মাহুন্ ক্বা-লা ইন্নী জ্বা-'ইলুকা লিন্না-সি ইমা-মা- ক্বা-লা অমিন্ র্যুরিইয়্যাতী ক্বা-লা লা-ইয়ানা-লু 'আহ্দিজ্জোয়া-লিমীন্।
আর স্মরণ কর, যখন ইবরাহীমকে তার রব কয়েকটি বাণী দিয়ে পরীক্ষা করলেন, অতঃপর সে তা পূর্ণ করল। তিনি বললেন, ‘আমি তোমাকে মানুষের জন্য নেতা বানাব’। সে বলল, ‘আমার বংশধরদের থেকেও’? তিনি বললেন, ‘যালিমরা আমার ওয়াদাপ্রাপ্ত হয় না’।
আর চেয়ে দেখো! আমরা গৃহকে মানুষের জন্য সম্মেলনস্থল ও নিরাপত্তা - স্থান বানিয়েছিলাম। আর “মক্কাম - ই - ইব্রাহীমকে উপাসনা - ভূমি করো।” আর আমরা ইব্রাহীম ও ইসমাইলের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলাম - - “আমার গৃহ পবিত্র করে রেখো তওয়াফকারীদের ও ই’তিকাফকারীদের ও রুকু - সিজদাকারীদের জন্য।”
অইয্ জ্বা'আল্নাল্ বাইতা মাছা-বাতাল লিন্না-সি অআম্না- অত্তাখিযূ মিম্ মাক্বা-মি ইব্রা-হীমা মুছোয়াল্লান্ অ'আহিদ্নায় ইলায় ইব্রা-হীমা অইস্মা-'ঈলা আন্ ত্বোয়াহ্হিরা-বাইতিয়া লিত্ত্বোয়া-য়িফীনা অল্'আ-কিফীনা র্অরুক্কা'ইস্ সুজ্ব ূদ।
আর স্মরণ কর, যখন আমি কাবাকে মানুষের জন্য মিলনকেন্দ্র ও নিরাপদ স্থান বানালাম এবং (আদেশ দিলাম যে,) ‘তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর’। আর আমি ইবরাহীম ও ইসমাঈলকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম যে, ‘তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ‘ইতিকাফকারী ও রুকূকারী-সিজদ
আর স্মরণ করো! ইব্রাহীম বললেন - - “আমার প্রভু! এটিকে তুমি নিরাপদ নগর বানাও, আর এর লোকদের ফলফসল দিয়ে জীবিকা দান করো - - তাদের যারা তে ও আখেরাতের দিনে ঈমান এনেছে।” তিনি বললেন - - “আর যে অবিশ্বাস পোষণ করবে তাকে আমি ক্ষণেকের জন্য ভোগ করতে দেব, তারপর তাড়িয়ে নেব আগুনের শাস্তির দিকে, আর নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থল।”
অইয্ ক্বা-লা ইব্রা-হীমু রব্বিজ্ব ্'আল্ হা-যা- বালাদান্ আ-মিনাওঁ র্অযুক্ব ্ আহ্লাহূ মিনাছ্ ছামারা-তি মান্ আ-মানা মিন্হুম্ বিল্লা-হি অল্ইয়াওমিল্ আ-র্খি ক্বা-লা অমান্ কাফারা ফাউমাত্তি'উহূ ক্বালীলান্ ছুম্মা আদ্ব্ত্বোর্য়ারুহূয় ইলা- 'আযা-বিন্না-রি অবিসাল মার্ছী।
আর স্মরণ কর, যখন ইবরাহীম বলল, ‘হে আমার রব, আপনি একে নিরাপদ নগরী বানান এবং এর অধিবাসীদেরকে ফল-মুলের রিয্ক দিন যারা ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান এনেছে’। তিনি বললেন, ‘যে করবে, তাকে আমি স্বল্প ভোগোপকরণ দিব। অতঃপর তাকে আগুনের আযাবে প্রবেশ করতে বাধ্য করব
আর স্মরণ করো! ইব্রাহীম গৃহের ভিত্তি গেথেঁ তুললেন, আর ইসমাইল। “আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে তুমি গ্রহণ করো। নিঃসন্দেহ তুমি নিজেই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
অইয্ ইর্য়াফা'উ ইব্রা-হীমুল্ ক্বাওয়া-'ইদা মিনাল্ বাইতি অইস্মা-'ঈল্ রব্বানা-তাক্বাব্বাল্ মিন্ ইন্নাকা আনতাস্ সামী'উল্ 'আলীম্।
আর স্মরণ কর, যখন ইবরাহীম ও ইসমাঈল কাবার ভিত্গুলো উঠাচ্ছিল (এবং বলছিল,) ‘হে আমাদের রব, আমাদের পক্ষ থেকে কবূল করুন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী’।
“আমাদের প্রভু! আর তোমার প্রতি আমাদের মুসলিম করে রেখো, আর আমাদের সন্তানসন্ততিদের থেকে তোমার প্রতি মুসলিম উম্মৎ, আর আমাদের উপাসনা - প্রণালী আমাদের দেখিয়ে দাও, আর আমাদের তওবা কবুল করো, নিঃসন্দেহ তুমি নিজেই তওবা কবুলকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
রব্বানা- অজ্ব্ ্'আল্না- মুস্লিমাইনি লাকা অমিন্ র্যুরিয়্যাতিনা- উম্মাতাম্ মুস্লিমাতাল্লাকা অআরিনা-মানা-সিকানা-অতুব্ 'আলাইনা-ইন্নাকা আন্তাত্ তাওয়্যা-র্বু রাহীম্।
‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধরের মধ্য থেকে আপনার অনুগত জাতি বানান। আর আমাদেরকে আমাদের ইবাদাতের বিধি-বিধান দেখিয়ে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।
“আমাদের প্রভু! তাদের মাঝে তাদের থেকে রসূল উত্থাপন করো যিনি তোমার প্রত্যাদেশসমূহ তাদের কাছে পড়ে শোনাবেন, আর তাদের শেখাবেন ধর্মগ্রন্থ ও জ্ঞান - বিজ্ঞান, আর তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই তুমি নিজেই মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।”
রব্বানা-অব্'আছ্ ফীহিম রাসূলাম্ মিন্হুম্ ইয়াত্লূ 'আলাইহিম্ আ-ইয়া-তিকা অইয়ূ'আল্লিমুহুমুল্ কিতা-বা অল্ হিক্মাতা অইয়ুযাক্কী হিম্ ইন্নাকা আন্তাল্ 'আযীযুল্ হাকীম্।
‘হে আমাদের রব, তাদের মধ্যে তাদের থেকে একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যে তাদের প্রতি আপনার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবে এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিবে আর তাদেরকে পবিত্র করবে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’।
আর যে ইব্রাহীমের ধর্মমত থেকে অপসৃত হয় সে ছাড়া আর কে নিজেকে নির্বোধ বানায়? আর অবশ্যই আমরা তাঁকে এই দুনিয়াতে মনোনীত করেছিলাম, আর নিঃসন্দেহে তিনি আখেরাতে হবেন ধার্মিকদের অন্যতম।
অমাইঁ ইর্য়াগাবু 'আম্মিল্লাতি ইব্রা-হীমা ইল্লা- মান্ সাফিহা নাফ্সাহ্ অলাক্বাদিছ্ ত্বোয়াফাইনা-হু ফিদ্দুন্ইয়া- অইন্নাহূ ফিল্ আ-খিরাতি লামিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্।
আর যে নিজকে নির্বোধ বানিয়েছে, সে ছাড়া কে ইবরাহীমের আদর্শ থেকে বিমুখ হতে পারে? আর অবশ্যই আমি তাকে দুনিয়াতে বেছে নিয়েছি এবং নিশ্চয় সে আখিরাতে নেককারদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
স্মরণ করো! তাঁর প্রভু তাঁকে বললেন - - “ইসলাম গ্রহণ করো!” তিনি বললেন - - “আমি সমস্ত সৃষ্টজগতের প্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করছি।”
ইয্ক্বা-লা লাহূ- রব্বুহূয় আস্লিম্ ক্বা-লা আস্লাম্তু লিরব্বিল্ 'আ-লামীন।
যখন তার রব তাকে বললেন, ‘তুমি আত্মসমর্পণ কর’। সে বলল, ‘আমি সকল সৃষ্টির রবের কাছে নিজকে সমর্পণ করলাম’।
আর ইব্রাহীম তাঁর সন্তানদের এইটির ভারার্পণ করেছিলেন, আর ইয়াকুব। “হে আমার সন্তানসন্ততি! নিশ্চয় তোমাদের জন্য এই ধর্ম মনোনীত করেছেন, অতএব তোমরা প্রাণত্যাগ করো না তোমরা মুসলিম না হয়ে।”
অঅছ্ছোয়া-বিহায় ইব্রা-হীমু বানীহি অইয়া'ক্ব ূব্ ইয়া-বানিয়্যা ইন্নাল্লা-হাছ্ ত্বোয়াফা- লাকুমুদ্দীনা ফালা-তামূ তুন্না ইল্লা- অআন্তুম্ মুস্লিমূন্।
আর এরই উপদেশ দিয়েছে ইবরাহীম তার সন্তানদেরকে এবং ইয়াকূবও (যে,) ‘হে আমার সন্তানেরা, নিশ্চয় তোমাদের জন্য এই দীনকে চয়ন করেছেন। সুতরাং তোমরা মুসলিম হওয়া ছাড়া মারা যেয়ো না।
অথবা তোমরা কি প্রত্যক্ষদর্শী ছিলে যখন ইয়াকুবের মৃত্যু এসেছিল, যখন তিনি তাঁর সন্তানদের বলেছিলেন - - “তোমরা আমার পরে কার এবাদত করবে?” ওরা বলেছিল - - “আমরা এবাদত করব তোমার উপাস্যের ও তোমার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম ও ইসমাইল ও ইসহাকের উপাস্যের - - একক উপাস্যের, আর তাঁর কাছে আমরা মুসলিম।”
আম্ কুন্তুম্ শুহাদা-য়া ইয্ হাদ্বোয়ারা ইয়া'ক্ব ূবাল্ মাওতু ইয্ ক্বা-লা লিবানীহি মা- তা'বুদূনা মিম বা'দী ক্বা-লূ না'বুদু ইলা-হাকা অইলা-হা আ-বা-য়িকা ইব্রাহীমা অ ইস্মা-'ঈলা অইস্্হা-ক্বা ইলা-হাওঁ অ-হিদা- ও অনাহ্নু লাহূ মুস্্লিমূন্।
নাকি তোমরা সাক্ষী ছিলে, যখন ইয়াকূবের নিকট মৃত্যু উপস্থিত হয়েছিল? যখন সে তার সন্তানদেরকে বলল, ‘আমার পর তোমরা কার ইবাদাত করবে’? তারা বলল, ‘আমরা ইবাদাত করব আপনার ইলাহের, আপনার পিতৃপুরুষ ইবরাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের ইলাহের, যিনি এক । আর আমরা তাঁরই অনুগত’।
এরা ঐসব লোক যারা গত হয়ে গেছে। তাদের জন্য আছে যা তারা অর্জন করেছিল আর তোমাদের জন্য যা তোমরা অর্জন করছ, আর তোমাদের জবাবদিহি করতে হবে না ওরা যা করছিল সে সন্বন্ধে।
তিল্কা উম্মাতুন্ ক্বাদ্ খালাত্ লাহা- মা- কাসাবাত্ অলাকুম্ মা-কাসাব্তুম্ অলা-তুস্য়ালূনা 'আম্মা- কা-নূ ইয়া'মালূন্।
সেটা এমন এক উম্মত যা বিগত হয়েছে। তারা যা অর্জন করেছে তা তাদের জন্যই, আর তোমরা যা অর্জন করেছ তা তোমাদের জন্যই। আর তারা যা করত সে সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
আর তারা বলে - - “ইহুদীয় বা খ্রীষ্টান হও, তোমরা হেদায়ত পাবে।” তুমি বলো - - “বরং অনন্যচিত্ত ইব্রাহীমের ধর্মমত। আর তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না?”
অক্বা-লূ কূনূ হূদান্ আও নাছোয়া-রা- তাহ্তাদূ ক্ব ুল্ বাল্ মিল্লাতা ইব্রা-হীমা হানীফা- অমা- কা-না মিনাল্ মুশ্রিকীন্।
আর তারা বলে, ‘তোমরা ইয়াহূদী কিংবা নাসারা হয়ে যাও, হিদায়াত পেয়ে যাবে’। বল, ‘বরং আমরা ইবরাহীমের মিল্লাতের অনুসরণ করি, যে একনিষ্ঠ ছিল এবং যে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না’।
তোমরা বলো - - “আমরা তে ঈমান এনেছি, আর তা’তে যা আমাদের জন্য নাযিল হয়েছে, আর যা নাযিল হয়েছিল ইব্রাহীমের কাছে, আর ইসমাইল ও ইসহাক, আর ইয়াকুব এবং বিভিন্ন গোত্রের কাছে, আর যা দেয়া হয়েছিল মূসাকে এবং ঈসাকে, আর যা সকল নবীদের তাঁদের প্রভুর কাছ থেকে দেয়া হয়েছিল। আমরা তাঁদের কোনো একজনের মধ্যেও পার্থক্য করি না। আর আমরা তাঁরই কাছে মুসলিম হচ্ছি।”
ক্ব ূলূয় আ-মান্না-বিল্লা-হি অমায় উন্যিলা ইলাইনা- অমায় উন্যিলা ইলায় ইব্রা- হীমা অইস্মা-'ঈলা অইস্হা-ক্বা অইয়া'ক্ব ূবা অল্ আস্্বা-ত্বি অমায় ঊতিয়া মূসা- অ 'ঈসা- অমায় ঊতিয়ান্ নাবিয়্যূনা র্মি রব্বিহিম্ লা-নুর্ফারিক্ব ূ বাইনা আহাদিম্ মিন্হুম্ অনাহ্নু লাহূ মুস্লিমূন্।
তোমরা বল, ‘আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা নাযিল করা হয়েছে আমাদের উপর ও যা নাযিল করা হয়েছে ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব ও তাদের সন্তানদের উপর আর যা প্রদান করা হয়েছে মূসা ও ঈসাকে এবং যা প্রদান করা হয়েছে তাদের রবের পক্ষ হতে নবীগণকে। আমরা তাদের কারো মধ্
এবার যদি তারা ঈমান আনত যেভাবে তোমরা তাঁর প্রতি ঈমান আনছো, তাহলে নিঃসন্দেহ তারা হেদায়ত পেতো, আর যদি তারা ফিরে যায় তাহলে অবশ্যই তারা বিরোধিতাতে নিমগ্ন। অতএব আল্লাহই তাদের বিরুদ্ধে তোমার জন্য যথেষ্ট, কারণ তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
ফাইন্ আ-মানূ বিমিছ্লি মায় আ-মান্তুম্ বিহী ফাক্বাদিহ্ তাদাও অইন্ তাওয়াল্লাও ফাইন্নামা-হুম্ ফী শিক্বা-ক্বিন্ ফাসাইয়াক্ফীকা হুমুল্লা-হু অহুওয়াস্ সামী'উল্ 'আলীম্।
অতএব যদি তারা ঈমান আনে, তোমরা যেরূপে তার প্রতি ঈমান এনেছ, তবে অবশ্যই তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে। আর যদি তারা বিমুখ হয় তাহলে তারা রয়েছে কেবল বিরোধিতায়, তাই তাদের বিপক্ষে তোমার জন্য যথেষ্ট। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
“র রঙ। আর রঙের ক্ষেত্রে র চাইতে কে বেশী সুন্দর? আর আমরা তাঁরই উপাসনাকারী।”
ছিব্গাতাল্লা-হি অমান্ আহসানু মিনাল্লা-হি ছিব্গাতাওঁ অনাহ্নু লাহূ 'আ-বিদূন।
(বল,) আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করলাম। আর রং এর দিক দিয়ে আল্লাহর চেয়ে কে অধিক সুন্দর? আর আমরা তাঁরই ইবাদাতকারী।
বলো - - “তোমরা কি আমাদের সঙ্গে র সন্বন্ধে হুজ্জত করছ অথচ তিনি আমাদের প্রভু, তোমাদেরও প্রভু? আর আমাদের কাজ আমাদের হবে, ও তোমাদের কাজ তোমাদের হবে। আর আমরা তাঁরই প্রতি একান্ত অনুরক্ত।”
ক্ব ুল্ আতুহা-জ্বজ্ব ূনানা- ফিল্লা-হি অহুঅ রব্বুনা- অরব্বুকুম্ অলানায় আ'মা-লুনা- অলাকুম্ আ'মা-লুকুম্ অনাহ্নু লাহূ মুখ্লিছূন্।
বল, ‘তোমরা কি আমাদের সাথে আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্ক করছ অথচ তিনি আমাদের রব ও তোমাদের রব? আর আমাদের জন্য রয়েছে আমাদের আমলসমূহ এবং তোমাদের জন্য রয়েছে তোমাদের আমলসমূহ এবং আমরা তাঁর জন্যই একনিষ্ঠ।
অথবা তোমরা কি বলো যে ইব্রাহীম ও ইসমাইল ও ইসহাক ও ইয়াকুব এবং বিভিন্ন গোত্রেরা ইহুদী অথবা খ্রীষ্টান ছিলেন? বলো - - “তোমরা কি বেশি জানো, না ? আর তাঁর চাইতে কে বেশি অন্যায় করছে যে গোপন করছে সেই সাক্ষ্য যা র কাছ থেকে সে পেয়েছে? আর তোমরা যা করছ সে সন্বন্ধে বেখেয়াল নন।
আম্ তাক্ব ূলূনা ইন্না ইব্রা-হীমা অইস্মা-'ঈলা অইস্হা-ক্বা অইয়া'ক্ব ূবা অল্ আস্বা-ত্বোয়া কা-নূ হূদান্ আও নাছোয়া-রা- ক্ব ুল্ আআন্তুম্ আ'লামু আমিল্লা-হ্ অমান্ আজ্লামু মিম্মান্ কাতামা শাহা-দাতান্ 'ইন্দাহূ মিনাল্লা-হ্ অমাল্লা-হু বিগা-ফিলিন্ 'আম্মা-তা'মালূন্।
নাকি তোমরা বলছ, ‘নিশ্চয় ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব ও তাদের সন্তানেরা ছিল ইয়াহূদী কিংবা নাসারা? বল, ‘তোমরা অধিক জ্ঞাত নাকি ’? আর তার চেয়ে অধিক যালিম কে, যে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার কাছে যে সাক্ষ্য রয়েছে তা গোপন করে? আর তোমরা যা কর, সে সম্পর্ক
এরা ঐসব লোক যারা গত হয়ে গেছে। তাদের জন্য আছে যা তারা অর্জন করেছিল, আর তোমাদের জন্য যা তোমরা অর্জন করছ, আর তোমাদের জবাবদিহি করতে হবে না ওরা যা করছিল সে - সন্বন্ধে।
তিল্কা উম্মাতুন্ ক্বাদ খালাত্ লাহা- মা- কাসাবাত্ অলাকুম্ মা- কাসাব্তুম্ অলা- তুস্য়ালূনা 'আম্মা- কা-নূ ইয়া'মালূন্।
সেটা ছিল একটি উম্মত, যারা বিগত হয়েছে। তারা যা অর্জন করেছে, তা তাদের জন্য আর তোমরা যা অর্জন করেছ তা তোমাদের জন্য। আর তারা যা করত, সে সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
লোকদের মধ্যের নির্বোধরা শীঘ্রই বলবে - - “তাদের যে কিবলাহ্তে তারা তাদের বদলালো কিসে?” তুমি বলো - - “পূর্ব ও পশ্চিমের মালিক , তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সহজ - সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করেন।”
সাইয়াক্ব ূলুস্ সুফাহা - য়ূ মিনান্ না-সি মা-অল্লা-হুম 'আন্ ক্বিব্লাতিহিমুল্ লাতী কা-নূ 'আলাইহা- ক্ব ুল্ লিল্লা-হিল্ মাশ্রিক্ব ু অল্মাগ্রিব্ ইয়াহ্দী মাইঁ ইয়াশা - য়ু ইলা-ছিরা-ত্বিম্ মুস্তাক্বীম্।
অচিরেই নির্বোধ লোকেরা বলবে, 'কীসে তাদেরকে তাদের কিবলা থেকে ফিরাল, যার উপর তারা ছিল?' বল, 'পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে চান সোজা পথ দেখান'।
আর এইভাবে তোমাদের আমরা বানিয়েছি একটি সুসামঞ্জস্যরক্ষাকারী সমাজ, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী হতে পারো, আর রসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হতে পারেন। আর আমরা তাকে কিবলাহ্ বানাতাম না যার উপরে তুমি ছিলে, যদি না আমরা যাচাই করতাম যে কে রসূলকে অনুসরণ করে আর কে তার মোড় ফিরিয়ে ঘুরে যায়। আর নিঃসন্দেহ এটি কঠিন ছিল তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া যাদের হেদায়ত করেছেন। আর তোমাদের ঈমান কখনও নিষ্ফল হতে দেবেন না। নিঃসন্দেহ মানুষের প্রতি পরম স্নেহময়, অফুরন্ত ফলদাতা।
অ কাযা-লিকা জ্বা'আল্না-কুম্ উম্মাতাওঁ অসাত্বোয়াল্ লিতাকূনূ শুহাদা - য়া 'আলান্ না-সি অ ইয়াকূর্না রাসূলু 'আলাইকুম্ শাহীদা- অমা-জ্বা'আল্নাল্ ক্বিব্লাতাল্ লাতী কুন্তা 'আলাইহা - ইল্লা- লিনা'লামা মাইঁ ইয়াত্তাবি'র্উ রাসূলা মিম্মাইঁ ইয়ান্ক্বালিবু 'আলা-'আক্বিবাইহ্ অইন্ কা-নাত্ লাকাবীরাতান্ ইল্লা-'আলাল্লাযীনা হাদাল্লা-হ্ অমা- কা-নাল্লা-হু লিইয়ুদ্বী'আ ঈমা-নাকুম্ ইন্নাল্লা-হা বিন্না-সি লারাঊর্ফু রাহীম্।
আর এভাবেই আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী উম্মত বানিয়েছি, যাতে তোমরা মানুষের উপর সাক্ষী হও এবং রাসূল সাক্ষী হন তোমাদের উপর। আর যে কিবলার উপর তুমি ছিলে, তাকে কেবল এ জন্যই নির্ধারণ করেছিলাম, যাতে আমি জেনে নেই যে, কে রাসূলকে অনুসরণ করে এবং কে তার পেছনে ফিরে যায়। যদি
আমরা নিশ্চয়ই দেখেছি আকাশের দিকে তুমি মুখ তোলে রয়েছ, তাই আমরা নিঃসন্দেহ তোমাকে কর্তৃত্ব দেবো কিবলাহ্র যা তুমি পছন্দ কর। কাজেই হারাম মসজিদের দিকে তোমার মুখ ফেরাও। আর যেখানেই তোমরা থাক তোমাদের মুখ এর দিকেই ফেরাবে। আর যাদের কিতাব দেয়া হয়েছে তারা অবশ্যই জানে যে নিঃসন্দেহ এটি তাদের প্রভুর কাছ থেকে আসা ধ্রুব - সত্য। আর তারা যা করছে সে - সন্বন্ধে বেখেয়াল নন।
ক্বাদ্ নারা-তাক্বাল্ল ুবা অজ্ব ্হিকা ফিস্ সামা - য়ি ফালানুওয়াল্লিয়ান্নাকা ক্বিব্লাতান্ তারদ্বোয়া-হা-ফাওয়াল্লি অজ্ব ্হাকা শাত্ব ্রাল্ মাস্জ্বিদিল্ হারা-ম্ অ হাইছু মা-কুনতুম্ ফাওয়াল্ল ূ উজ্ব ূহাকুম্ শাত্ব্রাহ্ অইন্নাল্লাযীনা ঊতুল্ কিতা-বা লাইয়া'লামূনা আন্নাহুল্ হাক্ব ্ক্ব ু র্মিরব্বিহিম অমাল্লা-হু বিগা-ফিলিন্ 'আম্মা- ইয়া'মালূন্।
আকাশের দিকে বার বার তোমার মুখ ফিরানো আমি অবশ্যই দেখছি। অতএব আমি অবশ্যই তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরাব, যা তুমি পছন্দ কর। সুতরাং তোমার চেহারা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও এবং তোমরা যেখানেই থাক, তার দিকেই তোমাদের চেহারা ফিরাও। আর নিশ্চয় যারা কিতাবপ্রাপ্ত হয়েছে
আর যদিও তুমি যাদের কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের কাছে সবক’টি নিদর্শন নিয়ে আস তবুও তারা তোমার কিবলাহ্ মেনে চলবে না। আর তুমি তাদের কিবলাহ্র অনুবর্তী হতে পারো না, আবার তাদের কেউ - কেউ পরস্পরের কিবলাহ্র অনুবর্তী নয়। আর তুমি যদি তাদের হীন মনোবৃত্তির অনুসরণ কর তোমার কাছে জ্ঞানের যা এসেছে তার পরেও, তাহলে নিঃসন্দেহ তুমিও হবে অন্যায়কারীদের অন্যতম।
অলাইন্ আতাইতাল্ লাযীনা ঊতুল্ কিতা-বা বিকুল্লি আ-ইয়াতিম্ মা-তাবি'ঊ ক্বিব্লাতাকা' অমায় আন্তা বিতা-বি'ইন্ ক্বিব্লাতাহুম্ অমা-বা'দ্বুহুম্ বিতা-বি'ইন্ ক্বিবলাতা বা'দ্ব্ অলাইনিত্তাবা'তা আহ্ওয়া - য়াহুম্ মিম্ বা'দ্বি মা-জ্বা - য়াকা মিনাল্ 'ইল্মি ইন্নাকা ইযাল্ লামিনাজ্ জোয়া-লিমীন্।
আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তুমি যদি তাদের নিকট সব নিদর্শন নিয়ে আস, তারা তোমার কিবলার অনুসরণ করবে না আর তুমিও তাদের কিবলার অনুসরণকারী নও এবং তারা একে অপরের কিবলার অনুসরণকারী নয়। আর যদি তুমি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ কর তোমার নিকট জ্ঞান আসার পর, তবে নিশ্চয় ত
যাদের আমরা কিতাব দিয়েছি তারা তাঁকে চিনতে পারছে যেমন তারা চিনতে পারে তাদের সন্তানদের। কিন্তু তাদের মধ্যের একদল নিশ্চয়ই সত্য কথা গোপন করছে, আর তারা জানে।
আল্লাযীনা আ-তাইনা-হুমুল্ কিতা-বা ইয়া'রিফূনাহূ কামা- ইয়া'রিফূনা আব্না - য়াহুম্ অইন্না ফারীক্বাম্ মিন্হুম লাইয়াক্তুমূনাল্ হাক্ব ্ক্বা অহুম্ ইয়া'লামূন্।
যাদেরকে আমি কিতাব দিয়েছি, তারা তাকে চিনে, যেমন চিনে তাদের সন্তানদেরকে। আর নিশ্চয় তাদের মধ্য থেকে একটি দল সত্যকে অবশ্যই গোপন করে, অথচ তারা জানে।
এই সত্য এসেছে তোমার প্রভুর কাছ থেকে অতএব তোমারা সন্দেহপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।
আল্হাক্বক্ব ু র্মি রব্বিকা ফালা-তাকূনান্না মিনাল্ মুম্তারীন্।
সত্য তোমার রবের পক্ষ থেকে। সুতরাং তুমি কখনো সন্দেহ পোষণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।
আর প্রত্যেকের জন্য একটি কেন্দ্রস্থল আছে যে - দিকে সে ফেরে, কাজেই সৎকর্মে একে অন্যের সাথে তোমরা প্রতিযোগিতা করো। যেখানেই তোমরা থাকো না কেন, তোমাদের সবাইকে একত্রিত করবেন। নিঃসন্দেহ সব - কি ছুর উপরে সর্বশক্তিমান।
অলিকুল্লিওঁ ওয়িজ্ব ্হাতুন্ হুওয়া মুওয়াল্লীহা-ফাসতাবিক্ব ুল্ খাইরা-ত্ আইনা মা-তাকূনূ ইয়াতি বিকুমুল্ লা-হু জ্বামী'আ- ইন্নাল্লা-হা 'আলা- কুল্লি শাইয়িন্ ক্বার্দী।
আর প্রত্যেকের রয়েছে একটি দিক, যেদিকে সে চেহারা ফিরায়। সুতরাং তোমরা কল্যাণকর্মে প্রতিযোগিতা কর। তোমরা যেখানেই থাক না কেন, তোমাদের সবাইকে নিয়ে আসবেন। নিশ্চয় সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
আর যেখান থেকেই তুমি আস, তোমার মুখ পবিত্র মসজিদের দিকে ফেরাও। নিঃসন্দেহ এটি তোমার প্রভুর কাছ থেকে সত্য। আর অবশ্যই বেখেয়াল নন তোমরা যা করো সে - সন্বন্ধে।
অমিন্ হাইছু খারাজ্ব ্তা ফাওয়াল্লি অজ্ব ্হাকা শাত্ব ্রাল্ মাস্জ্বিদিল্ হারা-ম্ অইন্নাহূ লাল্হাক্ব ্ক্ব ু র্মি রব্বিক্ অমাল্লা-হু বিগা-ফিলিন্ 'আম্মা- তা'মালূন্।
আর তুমি যেখান থেকেই বের হও, তোমার চেহারা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও। আর নিশ্চয় তা সত্য তোমার রবের পক্ষ থেকে এবং তোমরা যা কর, তা থেকে গাফিল নন।
আর যেখান থেকেই তুমি আস, তোমার মুখ পবিত্র মসজিদের দিকে ফেরাবে। আর যেখানেই তোমরা থাকো, তোমাদের মুখ সেই দিকেই ফেরাবে। যাতে তোমাদের বিরুদ্ধে লোকজনদের কোনো হুজ্জত না থাকে - - তাদের মাঝে যারা অন্যায় করে তারা ব্যতীত। অতএব তাদের ভয় করো না, বরং ভয় করো আমাকে। আর যাতে আমি তোমাদের উপরে আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করতে পারি, আর যাতে তোমরা সুপথগামী হতে পারো, - -
অমিন্ হাইছু খারাজ্ব ্তা ফাওয়াল্লি ওয়াজ্ব ্হাকা শাত্ব্রাল্ মাস্জ্বিদিল্ হারা-ম্ অ হাইছু মা-কুন্তুম্ ফাওয়াল্লূ উজ্ব ূহাকুম্ শাত্ব ্রাহূ লিয়াল্লা-ইয়াকূনা লিন্না-সি 'আলাইকুম্ হুজ্বজ্বাতুন্ ইল্লাল্লাযীনা জোয়ালামূ মিন্হুম্ ফালা-তাখ্শাওহুম্ ওয়াখ্শাওনী অ লিউতিম্মা নি'মাতী 'আলাইকুম্ অলা'আল্লাকুম্ তাহ্তাদূন্।
আর তুমি যেখান থেকেই বের হও, তোমার চেহারা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও এবং তোমরা যেখানেই থাক, তার দিকে তোমাদের চেহারা ফিরাও, যাতে তোমাদের বিপক্ষে মানুষের বিতর্ক করার কিছু না থাকে। তবে তাদের মধ্য থেকে যারা যুলম করেছে, তারা ছাড়া। সুতরাং তোমরা তাদেরকে ভয় করো ন
যেমন, আমরা তোমাদের কাছে তোমাদের মধ্যে থেকে একজন রসূল পাঠিয়েছি, যিনি আমাদের বাণী তোমাদের কাছে তিলাওত করছেন, আর তোমাদের পবিত্র করছেন, আর তোমাদের ধর্মগ্রন্থ ও জ্ঞানবিজ্ঞান শিক্ষা দিচ্ছেন, আর তোমাদের শেখাচ্ছেন যা তোমরা জানতে না।
কামায় র্আসাল্না- ফীকুম্ রাসূলাম্ মিন্কুম্ ইয়াত্লূ 'আলাইকুম্ আ-ইয়া-তিনা-অইয়ুযাক্কীকুম্ অইয়ু'আল্লিমুকুমুল্ কিতা-বা অল্হিক্মাতা অইয়ু'আল্লিমুকুম্ মা-লাম্ তাকূনূ তা'লামূন্।
যেভাবে আমি তোমাদের মধ্যে একজন রাসূল প্রেরণ করেছি তোমাদের মধ্য থেকে, যে তোমাদের কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে, তোমাদেরকে পবিত্র করে এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়। আর তোমাদেরকে শিক্ষা দেয় এমন কিছু যা তোমরা জানতে না।
অতএব আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করবো, আর আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও, আর আমাকে অস্বীকার করো না।
ফায্কুরূনীয় আর্য্কুকুম্ অশ্ কুরূলী অলা-তাক্ফুরূন্।
অতএব, তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমি তোমাদেরকে স্মরণ করব। আর আমার শোকর আদায় কর, আমার সাথে করো না।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! সাহায্য কামনা করো ধৈর্য ধরে ও পড়ে! নিঃসন্দেহ সবুরকারীদের সাথে আছেন।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানুস্ তা'ঈনূ বিছ্ছব্রি অছ্ছলা-হ্ ইন্নাল্লা-হা মা'আছ্ ছোয়া-বিরীন্।
হে মুমিনগণ, ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।* *পবিত্র কুরআনের অনেক স্থানে নেককারদের সাথে আছেন, ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন ইত্যাদি বলা হয়েছে। তিনি আরশের উপর থেকেও বান্দাকে সাহায্য সহযোগিতা করার মাধ্যমে তার সাথে রয়
আর যারা র পথে নিহত হয় তাদের বলো না - - “মৃত,” বরং জীবন্ত, যদিও তোমরা বুঝতে পারছ না।
অলা-তাক্ব ূলূ লিমাইঁ ইয়ুক্ব ্তালু ফী সাবীলিল্লা-হি আম্ওয়া-ত্ বাল্ আহ্ইয়ায় য়ুওঁ অলা-কিল্ লা-তাশ্'উরূন্।
যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা অনুভব করতে পার না।
আর আমরা নিশ্চয়ই তোমাদের পরীক্ষা করবো কিছু ভয়, আর ক্ষুধা দিয়ে, আর মাল - আসবাবের, আর লোকজনের আর ফল - ফসলের লোকসান ক’রে। আর সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের - -
অলানাব্লুওয়ান্নাকুম্ বিশাইয়িম্ মিনাল্ খাওফি অল্জ্ব ূ'ই অনাক্ব ্ছিম্ মিনাল্ আম্ওয়া-লি অলআন্ফুসি অছ্ছামারা-ত্ অবাশ্শিরিছ্ ছোয়া-বিরীন্।
আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।
যারা তাদের উপরে কোনো আপদ - বিপদ ঘটলে বলে - - “নিঃসন্দেহ আমরা র জন্যে, আর অবশ্যই আমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তনকারী।”
আল্লাযীনা ইযায় আছোয়া-বাত্হুম্ মুছীবাতুন্ ক্বা-লূ য় ইন্না-লিল্লা-হি অইন্না- ইলাইহি রা-জ্বি'ঊন্।
যারা, তাদেরকে যখন বিপদ আক্রান্ত করে তখন বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।
এইসব - - তাদের উপরে তাদের প্রভুর কাছ থেকে রয়েছে আশবাদ ও করুণা, আর এরা নিজেরাই সুপথগামী।
উলায় য়িকা 'আলাইহিম্ ছলাওয়া-তুম্ র্মি রব্বিহিম্ অরাহ্মাহ অউলা - য়িকা হুমুল্ মুহ্তাদূন্।
তাদের উপরই রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।
নিঃসন্দেহ সাফা ও মারওয়াহ্ র নিদর্শনসমূহের অন্যতম। তাই যে কেউ গৃহে হজ করে বা উমরাহ করে তার জন্য অপরাধ হবে না যদি সে এ দুইয়ের মাঝে তওয়াফ করে। আর যে কেউ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সৎকর্ম করে, নিশ্চয়ই অতি দানশীল, সর্বজ্ঞাতা।
। ইন্নাছ্ ছোয়াফা- অল্ র্মাওয়াতা মিন্ শা'আ - ইরিল্লা-হি ফামান্ হাজ্বজ্বাল্ বাইতা আওয়ি' তামারা ফালা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইহি আইঁ ইয়াত্ত্বোয়াও অফা বিহিমা- অমান্ তাত্বোয়াও অ'আ খাইরান্ ফাইন্নাল্লা-হা শা-কিরুন্ 'আলীম্।
নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে বাইতুল্লাহর হজ্জ করবে কিংবা উমরা করবে তার কোন অপরাধ হবে না যে, সে এগুলোর তাওয়াফ করবে। আর যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কল্যাণ করবে, তবে নিশ্চয় শোকরকারী, সর্বজ্ঞ।
নিঃসন্দেহ যারা গোপন করে রাখে পরিস্কার প্রমাণাবলী ও পথনির্দেশের যে - সব আমরা অবতারণ করেছিলাম এগুলো জণগণের জন্য ধর্মগন্থে সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করার পরেও, তারাই! - - যাদের লানৎ দেন, আর তাদের বঞ্চিত করে লানৎকারীরা - -
ইন্নাল্লাযীনা ইয়াক্তুমূনা মায় আন্যাল্না-মিনাল্ বাইয়্যিনা-তি অল্হুদা-মিম্ বা'দি মা-বাইয়্যান্না-হু লিন্না-সি ফিল্ কিতা-বি উলা - য়িকা ইয়াল্'আনুহুমুল্লা-হু অইয়াল্'আনুহুমুল্ লা-'ইনূন্।
নিশ্চয় যারা গোপন করে সু-স্পষ্ট নিদর্শনসমূহ ও হিদায়াত যা আমি নাযিল করেছি, কিতাবে মানুষের জন্য তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করার পর, তাদেরকে লা‘নত করেন এবং লা‘নতকারীগণও তাদেরকে লা‘নত করে।
তারা ছাড়া যারা তওবা করে ও সংশোধন করে, আর প্রকাশ করে, তাহলে তারাই! - - তাদের প্রতি আমি ফিরি আর আমি বারবার ফিরি, অফুরন্ত ফলদাতা।
। ইল্লাল্লাযীনা তা-বূ অআছ্লাহূ অবাইয়্যানূ ফাউলা - য়িকা আতূবু 'আলাইহিম্ অ'আনাত্তাও ওয়া-র্বু রাহীম্।
তারা ছাড়া, যারা তাওবা করেছে, শুধরে নিয়েছে এবং স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে। অতএব, আমি তাদের তাওবা কবূল করব। আর আমি তাওবা কবূলকারী, পরম দয়ালু।
অবশ্য যারা অবিশ্বাস পোষণ করে আর মারা যায় তারা অবিশ্বাসী থাকা অবস্থায়, তাদের ক্ষেত্রে - - তাদের উপরে ধিক্কার হোক র, ও ফিরিশ্তাদের ও জনগণের সম্মিলিতভাবে, - -
ইন্নাল্ লাযীনা কাফারূ অমা-তূ অহুম্ কুফ্ফা-রুন্ উলা - য়িকা 'আলাইহিম্ লা'নাতুল্লা-হি অল্ মালা - য়িকাতি অন না-সি আজ্ব ্মা'ঈন্।
নিশ্চয় যারা করেছে এবং অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের উপর , ফেরেশতাগণ ও সকল মানুষের লা’নত।
এতে তারা অবস্থান করবে। তাদের উপর থেকে যাতনা লাঘব করা হবে না, আর তারা বিরামও পাবে না।
খা-লিদীনা ফীহা-লা-ইয়ুখাফ্ফাফু 'আন্হুমুল্ 'আযা-বু অলা-হুম ইয়ুন্জোয়ারূন্।
তারা সেখানে স্থায়ী হবে। তাদের থেকে আযাব হালকা করা হবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
আর তোমাদের উপাস্য একক খোদা, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, রহমান, রহীম।
অইলা-হুকুম্ ইলা-হুওঁ ওয়া-হিদুন্ লা য় ইলা-হা ইল্লা-হুওর্য়া রাহ্মা-নুর রাহীম্।
আর তোমাদের এক । তিনি ছাড়া কোন (সত্য) নেই। তিনি অতি দয়াময়, পরম দয়ালু।
নিঃসন্দেহ মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টির মধ্যে, আর রাত ও দিনের বিবর্তনে, আর জাহাজে - - যা সাগরের মাঝে চলাচল করে যার দ্বারা মানুষের মুনাফা হয় তার মধ্যে, আর আকাশ থেকে বৃষ্টির যা - কিছু পাঠান তাতে, তারপর তার দ্বারা মাটিকে তার মরণের পরে প্রাণসঞ্চার করেন, আর তাতে ছড়িয়ে দেন হরেক রকমের জীবজন্ত, আর আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে নিয়ন্ত্রিত বাতাস ও মেঘের গতিবেগে বিশেষ নিদর্শন রয়েছে বিচার - বুদ্ধি থাকা লোকের জন্য।
ইন্না ফী খাল্কিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বি অখ্তিলা-ফিল্লাইলি অন্নাহা-রি অল্ফুল্কিল্ লাতী তাজ্ব্রী ফিল্ বাহ্রি বিমা-ইয়ান্ফা'উন্ না-সা অমায় আন্যালাল্লা-হু মিনাস্ সামা - য়ি মিম্ মা - য়িন্ ফাআহ্ইয়া-বিহিল্ আরদ্বোয়া বা'দা মাওতিহা-অবাছ্ছা ফীহা- মিন্ কুল্লি দা - ব্্বা তিঁও অতাছ্রীর্ফি রিয়া-হি অস্ সাহা-বিল্ মুসাখ্খারি বাইনাস্ সামা - য়ি অল্র্আদ্বি লাআ-ইয়া-তিল্ লিক্বাওমিইঁ ইয়া'ক্বিলূন্।
নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের বিবর্তনে, সে নৌকায় যা সমুদ্রে মানুষের জন্য কল্যাণকর বস্ত্ত নিয়ে চলে এবং আসমান থেকে যে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন অতঃপর তার মাধ্যমে মরে যাওয়ার পর যমীনকে জীবিত করেছেন এবং তাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সকল প্রকার বিচরণশীল
আর মানুষের মাঝে কেউ - কেউ কে ছেড়ে অন্যকে মুরব্বী বলে গ্রহণ করে, তারা তাদের ভালোবাসে কে ভালোবাসার ন্যায়। তবে যারা ঈমান এনেছে র প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রবলতর। আফসোস! যারা অন্যায় করে তারা যদি দেখতো - - যখন শাস্তি তারা দেখতে পায়, তখন সমস্ত ক্ষমতা পুরোপুরিভাবে র, আর নিঃসন্দেহ শাস্তি দিতে কঠোর।
অমিনান্ না-সি মাইঁ ইয়াত্তাখিযু মিন্দূনিল্লা-হি আন্দা-দাইঁ ইয়ুহিব্বূনাহুম্ কাহুব্বিল্লা-হ্ অল্লাযীনা আ-মানূ য় আশাদ্দু হুব্বাল্লিল্লা-হ্ অলাও ইয়ারাল্লাযীনা জোয়ালামূ য় ইয্ ইয়ারাওনাল্ 'আযা-বা আন্নাল্ ক্ব ুও ওয়াতা লিল্লা-হি জ্বামী 'আওঁ অআন্নাল্লা-হা শাদীদুল্ 'আযা-ব।
আর মানুষের মধ্যে এমনও আছে, যারা ছাড়া অন্যকে আল্লাহর সমকক্ষরূপে গ্রহণ করে, তাদেরকে আল্লাহকে ভালবাসার মত ভালবাসে। আর যারা ঈমান এনেছে, তারা আল্লাহর জন্য ভালবাসায় দৃঢ়তর। আর যদি যালিমগণ দেখে- যখন তারা আযাব দেখবে যে, নিশ্চয় সকল শক্তি আল্লাহর জন্য এবং নিশ
চেয়ে দেখো! যাদের অনুসরণ করা হতো তারা যারা অনুসরণ করেছিল তাদের অস্বীকার করবে, আর তারা দেখতে পাবে শাস্তি, আর তাদের মধ্যেকার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে।
ইয্ তার্বারা আল্লাযীনাত্ তুবি'ঊ মিনাল্লাযীনাত্ তাবা'ঊ অরায়ায়ুল্ 'আযা-বা অতাক্বাত্ত্বোয়া'আত্ বিহিমুল্ আস্বা-ব্।
যখন, যাদেরকে অনুসরণ করা হয়েছে, তারা অনুসারীদের থেকে আলাদা হয়ে যাবে এবং তারা আযাব দেখতে পাবে। আর তাদের সব সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে।
আর যারা অনুসরণ করেছিল তারা বলবে - - ''হায়, আমরা যদি ফেরত পালা পেতাম তাহলে আমরা তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন করতাম, যেমন তারা আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।’’ এইভাবে তাদের ক্রিয়াকলাপ তাদের দেখান তাদের জন্য তীব্র আক্ষেপরূপে। আর তারা আগুন থেকে বহিষ্কৃত হবে না।
অক্বা-লাল্ লাযীনাত্ তাবা'ঊ লাও আন্না লানা-র্কারাতান্ ফানাতার্বারায়া মিনহুম্ কামা- তার্বারায়ূ মিন্না- কাযা-লিকা ইয়ুরীহিমুল লা-হু আ'মা-লাহুম্ হাসারা-তিন্ 'আলাইহিম্ অমা-হুম্ বিখা-রিজ্বীনা মিনান্ নার্-।
আর যারা অনুসরণ করেছে, তারা বলবে, ‘যদি আমাদের ফিরে যাওয়ার সুযোগ হত, তাহলে আমরা তাদের থেকে আলাদা হয়ে যেতাম, যেভাবে তারা আলাদা হয়ে গিয়েছে’। এভাবে তাদেরকে তাদের আমলসমূহ দেখাবেন, তাদের জন্য আক্ষেপস্বরূপ। আর তারা আগুন থেকে বের হতে পারবে না।
ওহে মানবজাতি! পৃথিবীতে যা - কিছু হালাল ও পবিত্র আছে তা থেকে পানাহার করো, আর শয়তানের পদচিহ্ন অনুসরণ করো না। নিঃসন্দেহ সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু।
ইয়ায় আইয়্যুহান্ না-সু কুলূ মিম্মা-ফিল্ আরদ্বি হালা-লান্ ত্বোয়াইয়্যিবাওঁ অলা-তাত্তাবি'উ খুত্ব ুওয়া-তিশ্ শাইত্বোয়া-ন্ ইন্নাহূ লাকুম্ 'আদুওউম্ মুবীন্।
হে মানুষ, যমীনে যা রয়েছে, তা থেকে হালাল পবিত্র বস্তু আহার কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট শত্রু।
সে তোমাদের কেবল প্ররোচনা দেয় মন্দ ও অশালীনতার প্রতি, আর র বিরুদ্ধে তাই বলতে যা তোমরা জানো না।
ইন্নামা- ইয়ামুরুকুম্ বিস্সূ - য়ি অল্ফাহ্শা - য়ি অআন্তাক্ব ূলূ 'আলাল ল-হি মা-লা-তা'লামূন্।
নিশ্চয় সে তোমাদেরকে আদেশ দেয় মন্দ ও অশ্লীল কাজের এবং আল্লাহর ব্যাপারে এমন কিছু বলতে, যা তোমরা জান না।
আর যখন তাদের বলা হয় - - ''অনুসরণ করো যা প্রত্যাদেশ অবতারণ করেছেন’’, তারা বলে - - ''না, আমরা অনুসরণ করি তার যার উপরে আমাদের পিতৃপুরুষদের দেখেছি।’’ কি! যদিও তাদের পিতৃপুরুষদের বুদ্ধিবিবেচনা কিছুই ছিল না, আর তারা পথনির্দেশ গ্রহণ করে নি?
অইযা-ক্বীলা লাহুমুত্তাবি'ঊমা য় আন্যালাল্লা-হু ক্বা-লূ বাল্ নাত্তাবি'উ মায় আল্ফাইনা-'আলাইহি আ-বা - য়ানা- আওয়ালাও কা-না আ-বা - য়ুহুম্ লা-ইয়া'ক্বিলূনা শাইয়াওঁ অলা-ইয়াহ্তাদূন্।
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘তোমরা অনুসরণ কর, যা নাযিল করেছেন’, তারা বলে, ‘বরং আমরা অনুসরণ করব আমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে যার উপর পেয়েছি’। যদি তাদের পিতৃ-পুরুষরা কিছু না বুঝে এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত না হয়, তাহলেও কি?
আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের উপমা হচ্ছে তার দৃষ্টান্তের মতো যে ডাক দেয় এমন কতককে যে আওয়াজ ও চেচাঁমেচি ছাড়া আর কিছু শোনে না। বধিরতা, বোবা, অন্ধত্ব, কাজেই তারা বুঝে না।
অমাছালুল্লাযীনা কাফারূ কামাছালিল্লাযী ইয়ান্'ইক্ব ুবিমা-লা-ইয়াস্মা'উ ইল্লা-দু'আ - য়াওঁ অনিদা - আ ছুম্মুম্ বুক্্মুন্ 'উম্ইয়ুন ফাহুম লা-ইয়া'ক্বিলূন্।
আর যারা করেছে তাদের উদাহরণ তার মত, যে এমন কিছুর জন্য চিৎকার করছে, হাঁক-ডাক ছাড়া যে কিছু শোনে না। তারা বধির, বোবা, অন্ধ। তাই তারা বুঝে না।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! পবিত্র জিনিস থেকে পানাহার করো যা তোমাদের খেতে দিয়েছি, আর কে ধন্যবাদ দাও, যদি তোমরা তাঁরই এবাদত করো।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূ কুলূ মিন্ তোয়াইয়্যিবা-তি মা- রাযাক্ব ্না-কুম্ অশ্কুরূ লিল্লা-হি ইন্কুন্তুম্ ইয়্যা-হু তা'বুদূন।
হে মুমিনগণ, আহার কর আমি তোমাদেরকে যে হালাল রিযক দিয়েছি তা থেকে এবং আল্লাহর জন্য শোকর কর, যদি তোমরা তাঁরই ইবাদাত কর।
তিনি তোমাদের কারণে নিষেধ করেছেন কেবল যা নিজে মারা গেছে, আর রক্ত, আর শূকরের মাংস, আর যার উপরে ছাড়া অন্য নাম উচ্চারিত হয়েছে। কিন্তু যে চাপে পড়েছে, অবাধ্য হয় নি বা মাত্রা ছাড়ায় নি, তার উপরে কোনো পাপ হবে না। নিঃসন্দেহ ত্রাণকর্তা, অফুরন্ত ফলদাতা!
ইন্নামা-র্হারামা 'আলাইকুমুল্ মাইতাতা অদ্দামা অলাহ্মাল্ খিন্যীরি অমায়উহিল্লা বিহী লিগাইরিল্লা-হি ফামানিদ্ব্ ত্বর্ ুরা গাইরা বা-গিওঁ অলা-'আ-দিন্ ফালায়ইছ্মা 'আলাইহি ইন্নাল্লা-হা গাফূর্রু রাহীম্।
নিশ্চয় তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের গোশ্ত এবং যা গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা হয়েছে। সুতরাং যে বাধ্য হবে, অবাধ্য বা সীমালঙ্ঘনকারী না হয়ে, তাহলে তার কোন পাপ নেই। নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
অবশ্যই যারা ধর্মগ্রন্থের মধ্যে থেকে যা নাযিল করেছেন তা লুকিয়ে রাখে আর এর দ্বারা তুচ্ছ বস্তু কিনে নেয়, - - এরাই তাদের পেটে আগুন ছাড়া আর কিছু গেলে না, আর কিয়ামতের দিন তাদের সাথে কথাবার্তা বলবেন না, বা তাদের শুদ্ধও করবেন না, আর তাদের জন্য রয়েছে ব্যথাদায়ক শাস্তি।
ইন্নাল্লাযীনা ইয়াক্তুমূনা মায় আন্যালাল্লা-হু মিনাল্ কিতা-বি অইয়াশ্তারূনা বিহী ছামানান্ ক্বালীলান্ উলা - য়িকা মা-ইয়াকুলূনা ফী বুত্ব ূনিহিম্ ইল্লান্না-রা অলা-ইয়ুকাল্লিমুহুমুল্লা-হু ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি অলা-ইয়ুযাক্কী হিম্ অলাহুম্ 'আযা-বুন আলীম্।
নিশ্চয় যারা গোপন করে যে কিতাব নাযিল করেছেন এবং এর বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করে, তারা শুধু আগুনই তাদের উদরে পুরে। আর কিয়ামতের দিনে তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
এরাই তারা যারা কিনে নেয় হেদায়তের বিনিময়ে ভ্রান্তপথ ও পরিত্রাণের পরিবর্তে শাস্তি। কাজেই কতো তাদের ধৈর্য আগুনের প্রতি!
উলা-য়িকাললাযীনাশ্ তারায়ুদ্ব্দ্বোলা-লাতা বিল্হুদা-অল্'আযা-বা বিল্ মাগ্ফিরাতি ফামা-আছ্বারাহুম্ 'আলান নার্-।
তারাই হিদায়াতের পরিবর্তে পথভ্রষ্টতা এবং মাগফিরাতের পরিবর্তে আযাব ক্রয় করেছে। আগুনের উপর তারা কতই না ধৈর্যশীল।
তা - ই! কারণ গ্রন্থখানা নাযিল করেছেন সত্যের সাথে। আর যারা গ্রন্থখানার মতবিরোধ করে তারা নিঃসন্দেহ একগুঁয়েমিতে বহুদূর পৌঁছেছে
যা-লিকা বিআন্নাল্লা-হা নায্যালাল্ কিতা-বা বিল্হাক্ব ্ক্ব্ি অইন্নাল্লাযীনাখ্তালাফূ ফিল্ কিতা-বি লাফী শিক্বা-ক্বিম্ বা'ঈদ্।
তা এই কারণে যে, যথার্থরূপে কিতাব নাযিল করেছেন। আর নিশ্চয় যারা কিতাবে মতবিরোধ করেছে, তারা অবশ্যই সুদূর মতানৈক্যে রয়েছে।
ধার্মিকতা তাতে নয় যে তোমাদের মুখ পূব বা পশ্চিম দিকে ফেরাও, তবে ধর্মনিষ্ঠা হচ্ছে যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, আর আখেরাতের দিনের প্রতি, আর ফিরিশ্তাদের প্রতি, আর গ্রন্থখানিতে, আর নবীদের প্রতি; আর যে তাঁর প্রতি মহব্বত বশতঃ ধন দান করে আত্মীয় - স্বজনদের, আর এতীমদের, আর মিসকিনদের, আর পথচারীদের, আর ভিখারীদের, আর দাসদের মুক্তিপণ বাবদ, আর যে কায়েম করে ও যাকাত আদায় করেচ আর যারা প্রতিজ্ঞা করার পরে তাদের ওয়াদা রক্ষা করে, আর অভাব - অনটনে ও আপৎকালে ও আতঙ্কের সময়ে ধৈর্যশীলদের। এরাই তারা যারা সত্যনিষ্ঠ, আর এরা নিজেরাই ধর্মপরায়ণ।
লাইসাল্ র্বিরা আন্ তুওয়াল্লূ উজ্ব ূহাকুম্ ক্বিবালাল্ মাশ্রিক্বি অল্ মাগ্রিবি অলা-কিন্নাল্ র্বিরা মান্ আ-মানা বিল্লা-হি অল্ ইয়াওমিল্ আ-খিরি অল্মালা - য়িকাতি অল্কিতা-বি অন্নাবিয়্যীনা অ আ-তাল্ মা-লা 'আলা-হুব্বিহী যাওয়িল্ ক্বর্ ুবা- অল্ইয়াতা-মা- অল্মাসা-কীনা অব্নাস্ সাবীলি অস্সা - য়িলীনা অর্ফি রিক্বা-ব্ অআক্বা-মাছ্ ছলা-তা অআ-তায্ যাকা-তা অল্মূফূনা বি'আহ্দিহিম্ ইযা-'আ-হাদূ অছ্ছোয়া-বিরীনা ফিল্বা সা - য়ি অদ্ব ্দ্বোর্য়ারায় য়ি অহীনাল্ বাস্ উলা - য়িকাল লাযীনা ছদাক্ব ূ অউলা - য়িকা হুমুল্ মুত্তাক্ব ূন্।
ভালো কাজ এটা নয় যে, তোমরা তোমাদের চেহারা পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ফিরাবে; বরং ভালো কাজ হল যে ঈমান আনে , শেষ দিবস, ফেরেশতাগণ, কিতাব ও নবীগণের প্রতি এবং যে সম্পদ প্রদান করে তার প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও নিকটাত্মীয়গণকে, ইয়াতীম, অসহায়, মুসাফির ও প্রার্থনাকারীকে
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের প্রতি হত্যার ক্ষেত্রে প্রতিশোধের বিধান দেয়া হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তির উপরে স্বাধীন ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আর দাসের উপরে দাসের ক্ষেত্রে, আর নারীর উপরে নারীর ক্ষেত্রে। তবে যাকে কিছুটা রেহাই দেয়া হয় তার ভাইয়ের তরফ হতে, তাহলে বিচার হবে ন্যায্যভাবে, আর তার প্রতি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে উদারভাবে। - - এটি তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে লঘু - ব্যবস্থা ও করুণা। কাজেই এরপরে যে সীমালঙ্ঘন করবে তার জন্য রয়েছে ব্যথাদায়ক শাস্তি।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূ কুতিবা 'আলাইকুমুল্ ক্বিছোয়া-ছু ফিল্ ক্বাত্লা- আল্ র্হুরু বিল্হুররি অল্'আব্দু বিল্'আব্দি অল্ উন্ছা-বিল্উন্ছা- ফামান্'উফিয়া লাহ ূমিন্ আখীহি শাইয়ুন্ ফাত্তিবা-'উম্ বিল্মা'রূফি অআদা - উন্ ইলাইহি বিইহ্সা-ন্ যা-লিকা তাখ্ফীফুম্ র্মি রব্বিকুম্ অরাহ্মাহ্ ফামানি'তাদা- বা'দা যা-লিকা ফালাহূ 'আযা-বুন্ আলীম্।
হে মুমিনগণ, নিহতদের ব্যাপারে তোমাদের উপর ‘কিসাস’ ফরয করা হয়েছে। স্বাধীনের বদলে স্বাধীন, দাসের বদলে দাস, নারীর বদলে নারী। তবে যাকে কিছুটা ক্ষমা করা হবে তার ভাইয়ের পক্ষ থেকে, তাহলে সততার অনুসরণ করবে এবং সুন্দরভাবে তাকে আদায় করে দেবে। এটি তোমাদের রবের পক্ষ থ
আর তোমাদের জন্য প্রতিশোধের বিধানে রয়েছে জীবন, হে জ্ঞানবান ব্যক্তিগণ! যাতে তোমরা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করো।
অলাকুম্ ফিল্ক্বিছোয়া-ছি হাইয়া-তুইঁ ইয়ায় ঊলিল্ আল্আ-বি লা'আল্লাকুম্ তাত্তাক্ব ূন্।
আর হে বিবেকসম্পন্নগণ, কিসাসে রয়েছে তোমাদের জন্য জীবন, আশা করা যায় তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে।
তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করা গেল যে যখন তোমাদের কারোর কাছে মৃত্যু হাজির হয় সে ধন ছেড়ে যাচ্ছে, তবে যেন ওসিয়ৎ করা হয় মাতাপিতা ও নিকটাত্মীয়দের জন্য ন্যায়সঙ্গত - ভাবে; এটা মুত্তকীদের উপরে একটি কর্তব্য।
কুতিবা 'আলাইকুম্ ইযা-হাদ্বোয়ারা আহাদাকুমুল্ মাওতু ইন্ তারাকা খাইরা-নিল্ ওয়াছিয়্যাতু লিল্ওয়া-লিদাইনি অল্ আক্ব ্রাবীনা বিল্মা'রূফি হাক্ব ্ক্বান্ 'আলাল্ মুত্তাক্বীন।
তোমাদের উপর ফরয করা হয়েছে যে, যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হবে, যদি সে কোন সম্পদ রেখে যায়, তবে পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের জন্য ন্যায়ভিত্তিক অসিয়ত করবে। এটি মুত্তাকীদের দায়িত্ব।
আর যে কেউ এটি বদলে ফেলে তা শোনার পরেও, তা হলে তার পাপ বর্তাবে তাদের উপরে যারা এটি বদলাবে। নিঃসন্দেহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
ফামাম্বাদ্দা লাহূ বা'দা মা-সামি'আহূ ফাইন্নামায় ইছ্মুহূ 'আলাল্লাযীনা ইয়ুবাদ্দিলূনাহ্ ইন্নাল্লা-হা সামী'উন্ 'আলীম্।
অতএব যে তা শ্রবণ করার পর পরিবর্তন করবে, তবে এর পাপ তাদের হবে, যারা তা পরিবর্তন করে। নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
কিন্তু যদি কেউ আশংকা করে যে ওসিয়ৎকারীর তরফ থেকে ভুল বা অন্যায় হচ্ছে, কাজেই তাদের মধ্যে বোঝাপড়া করে, তাহলে তার উপরে কোনো দোষ হবে না। নিঃসন্দেহ ত্রাণকর্তা, অফুরন্ত ফলদাতা।
ফামান্ খা-ফা মিম্ মূছিন্ জ্বানাফান্ আও ইছ্মান্ ফাআছ্লাহা বাইনাহুম্ ফালায় ইছ্মা 'আলাইহি ইন্নাল্লা-হা গাফূর্রু রাহীম্।
তবে কেউ যদি অসিয়তকারীর পক্ষ থেকে পক্ষপাতিত্ব ও পাপের আশঙ্কা করে, অতঃপর তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, তাহলে তার কোন পাপ নেই। নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের উপরে রোযা বিধিবদ্ধ করা গেল যেমন বিধান করা হয়েছিল যারা তোমাদের আগে এসেছে তাদের উপরে, যাতে তোমরা ধর্মভীরুতা অবলন্বন করো, - -
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযী-না আ-মানূ কুতিবা 'আলাইকুমুছ্ ছিয়া-মু কামা-কুতিবা 'আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিকুম্ লা'আল্লাকুম্ তাত্তাক্ব ূন্।
হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।
নির্দিষ্টসংখ্যক দিনের জন্য। কিন্তু তোমাদের মধ্যে যে কেউ অসুস্থ অথবা সফরে আছে সে সেই সংখ্যক অন্য দিন - গুলোতে। আর যারা এ অতি কষ্টসাধ্য বোধ করে - - প্রতিবিধান হল একজন মিসকিনকে খাওয়ানো। কিন্তু যে কেউ স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে ভালো কাজ করে, সেটি তার জন্য ভালো। আর যদি তোমরা রোযা রাখো তবে তোমাদের জন্য অতি উত্তম, - - যদি তোমরা জানতে।
আইয়্যা-মাম্ মা'দূদা-ত ফামান্ কা-না মিন্কুম্ মারীদ্বোয়ান্ আও 'আলা- সাফারিন্ ফা'ইদ্দাতুম্ মিন্ আইয়্যা-মিন্ উর্খা অ'আলাল্লাযীনা ইয়ুত্বীক্ব ূনাহূ ফিদ্ইয়াতুন্ ত্বোয়া'আ-মু মিস্কীন্ ফামান্ তাত্বোয়াও য়্যা'আ খাইরান্ ফাহুওয়া খাইরুল্লাহূ অআন্ তাছূমূ খাইরুল্লাকুম্ ইন্ কুন্তুম্ তা'লামূন্।
নির্দিষ্ট কয়েক দিন। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ হবে, কিংবা সফরে থাকবে, তাহলে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদয়া- একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। অতএব যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর
রমযান মাস এইটি যাতে কুরাআন নাযিল হয়েছিল, - - মানবগোষ্ঠীর জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে, আর পথনির্দেশের স্পষ্টপ্রমানরূপে, আর । কাজেই তোমাদের মধ্যে যে কেউ মাসটির দেখা পাবে সে যেন এতে রোযা রাখে। আর যে অসুস্থ বা সফরে আছে যে সেই সংখ্যক অন্য দিনগুলোতে। তোমাদের জন্য সুবিধা চান, আর তিনি তোমাদের জন্য কষ্টকর অবস্থা চান না, আর তোমরা যেন এই সংখ্যা সম্পূর্ণ করো, আর যাতে র মহিমা কীর্তন করো তোমাদের যে পথনির্দেশ তিনি দিয়েছেন সেইজন্য, আর তোমরা যেন কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।
শাহরু রামাদ্বোয়া-নাল্ লাযীয় উন্যিলা ফীহিল্ ক্বর্ ুআ-নু হুদাল্ লিন্না-সি অবাইয়্যিনা-তিম্ মিনাল্ হুদা- অল্ ফুরক্বা-নি ফামান্ শাহিদা মিন্কুমুশ্ শাহ্রা ফাল্ইয়াছুম্হু অমান্ কা-না মারীদ্বোয়ান্ আও 'আলা-সাফারিন্ ফা'ইদ্দাতুম্ মিন্ আই ইয়া-মিন্ উর্খা ইয়ুরীদুল্লা-হু বিকুমুল্ ইয়ুস্রা অলা-ইয়ুরীদু বিকুমুল্ 'উস্রা অলিতুক্মিলুল্ 'ইদ্দাতা- অলিতুকাব্বিরুল্লা-হা 'আলা- মা-হাদা-কুম্ অলা'আল্লাকুম্ তাশ্কুরূন্।
রমযান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে তবে অন্যান্য দিব
আর যখন আমার বান্দারা আমার সন্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন - - ''দেখো! আমি নিঃসন্দেহ অতি নিকটে।’’ আমি প্রার্থনাকারীর প্রার্থনার জবাব দিই যখনি সে আমাকে আহ্বান করে। কাজেই তারা আমার প্রতি সাড়া দিক আর আমাতে ঈমান আনুক, - - যাতে তারা সুপথে চলতে পারে।
অইযা-সায়ালাকা 'ইবা-দী 'আন্নী ফাইন্নী ক্বারীব্ উজ্বীবু দা'ওয়াতাদ্দা-'ই ইযা-দা'আ-নি ফাল্ইয়াস্তাজ্বীবূ লী অল্ইয়ু মিনূ বী লা'আল্লাহুম্ ইর্য়াশুদূন্।
আর যখন আমার বান্দাগণ তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, আমি তো নিশ্চয় নিকটবর্তী। আমি আহবানকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে। সুতরাং তারা যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমার প্রতি ঈমান আনে। আশা করা যায় তারা সঠিক পথে চলবে।
রোযার রাত্রে তোমাদের স্ত্রীদের কাছে গমন তোমাদের জন্য বৈধ করা গেল। তারা তোমাদের জন্য পোশাক আর তোমরা তাদের জন্য পোশাক। জানেন যে তোমরা তোমাদের নিজেদের প্রবঞ্চনা করছিলে, তাই তিনি তোমাদের উপরে ফিরেছেন ও তোমাদের ভুলকে উপেক্ষা করেছেন। সুতরাং এখন তাদের সাহচর্য ভোগ করো, আর তোমাদের জন্য যা নির্ধারিত করেছেন তা অনুসরণ করে চল। আর আহার করো ও পান করো যতক্ষণ না তোমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে ভোরবেলাতে সাদা কিরণ কালো ছায়া থেকে, তারপর রোযা সম্পূর্ণ করো রাত্রি সমাগম পর্যন্ত। আর তাদের স্পর্শ করো না যখন তোমরা মসজিদে ই'তিকাফ করো। এ হচ্ছে র সীমা, কাজেই সে - সবের নিকটে যেয়ো না। এইভাবে তাঁর আয়াতসমূহ মানুষের জন্য সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন যাতে তারা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করে।
উহিল্লা লাকুম্ লাইলাতাছ্ ছিয়া-র্মি রাফাছু ইলা- নিসা - য়িকুম্ হুন্না লিবা-সুল্ লাকুম্ অআন্তুম্ লিবা-সুল্ লাহুন্ 'আলিমাল্লা-হু আন্নাকুম্ কুন্তুম্ তাখ্তা-নূনা আন্ফুসাকুম্ ফাতা-বা 'আলাইকুম্ অ'আফা- 'আন্কুম্ ফাল্য়া-না বা-শিরূহুন্না অব্তাগূ-মা-কাতাবাল্লা-হু লাকুম্ অকুলূ অশ্রাবূ হাত্তা- ইয়াতাবাইয়্যানা লাকুমুল্ খাইত্ব ুল্ আব্ইয়াদ্ব ু মিনাল্ খাইত্বিল্ আস্ওয়াদি মিনাল্ ফাজ্ব ্রি ছুম্মা আতিম্মুছ্ ছিয়া-মা ইলাল্ লাইলি অলা-তুবা-শিরূহুন্না অআন্তুম্ 'আ-কিফূনা ফিল্ মাসা-জ্বিদ্ তিল্কা হুদূদুল্ লা- হি ফালা- তাক্ব্রাবূহা- কাযা-লিকা ইয়ুবাইয়িনুল্লা-হু আ-ইয়া-তিহী লিন্না-সি লা'আল্লাহুম্ ইয়াত্তাক্ব ূন।
সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবূল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। অতএব, এখন তো
আর তোমাদের সম্পত্তি পরস্পরের মধ্যে জালিয়াতি করে গ্রাস করো না, আর এগুলো বিচারকদের কাছে পেশ করো না যাতে লোকের সম্পত্তির কিছুটা অন্যায়ভাবে গিলে ফেলতে পারো, তাও তোমরা জেনেবুঝে।
অলা-তাকুলূয় আম্ওয়া-লাকুম্ বাইনাকুম্ বিল্বা-ত্বিলি অতুদ্লূ বিহায় ইলাল্ হুক্কা-মি লিতাকুলূ ফারীক্বাম্ মিন্ আম্ওয়া-লিন্ না-সি বিল্ ইছ্মি অআন্তুম তা'লামূন্।
আর তোমরা নিজদের মধ্যে তোমাদের সম্পদ অন্যায়ভাবে খেয়ো না এবং তা বিচারকদেরকে (ঘুষ হিসেবে) প্রদান করো না। যাতে মানুষের সম্পদের কোন অংশ পাপের মাধ্যমে জেনে বুঝে খেয়ে ফেলতে পার।
তারা তোমাকে নতুন চাঁদ সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছে। তুমি বলো - - ''এসব হচ্ছে নির্দিষ্ট সময় জনসাধারণের জন্য ও হজের জন্য।’’ আর ধার্মিকতা এ নয় যে তোমরা বাড়িতে প্রবেশ করবে তাদের পেছন দিক দিয়ে, বরং ধার্মিকতা হচ্ছে যে ধর্মভীরুতা অবলন্বন করে। তাই বাড়ীতে ঢোকো তাদের দরজা দিয়ে, আর তে ভয় - শ্রদ্ধা করো যেন তোমরা হতে পার।
ইয়াস্আলূনাকা 'আনিল্ আহিল্লাহ্ ক্ব ুল্ হিয়া মাওয়া-ক্বীতু লিন্না-সি অল্ হাজ্ব ্ অলাইসাল্ র্বিরু বি আন্ তাতুল্ বুইয়ূতা মিন্ জুহূরিহা- অলা-কিন্নাল্ র্বিরা মানিত্তাক্বা- অতুল্ বুইয়ূতা মিন্ আব্ওয়া-বিহা- অত্তাক্ব ুল্লা-হা লা'আল্লাকুম্ তুফ্লিহূন্।
তারা তোমাকে নতুন চাঁদসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বল, ‘তা মানুষের ও হজ্জের জন্য সময় নির্ধারক’। আর ভালো কাজ এটা নয় যে, তোমরা পেছন দিক দিয়ে গৃহে প্রবেশ করবে। কিন্তু ভাল কাজ হল, যে তাকওয়া অবলম্বন করে। আর তোমরা গৃহসমূহে তার দরজা দিয়ে প্রবেশ কর এবং আল্লাহকে ভয় কর
আর র পথে তোমরা যুদ্ধ করো তাদের বিরুদ্ধে যারা অন্যায়ভাবে তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে, আর সীমালংঘন করো না। নিঃসন্দেহ সীমালংঘনকারীদের ভালোবাসেন না।
অক্বা-তিলূ ফী সাবীলিল্লা-হিল্ লাযীনা ইয়ুক্বা-তিলূনাকুম্ অলা-তা'তাদূ ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ূহিব্বুল্ মু'তাদীন্।
আর তোমরা আল্লাহর রাস্তায় তাদের বিরুদ্ধে লড়াই কর, যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
আর তাদের হত্যা করো যেখানেই তোমারা তাদের দেখা পাও, আর তাদের তাড়িয়ে দাও যেখান থেকে তারা তোমাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল, আর উৎপীড়ন যুদ্ধের চেয়ে নিকৃষ্টতর। কিন্তু তাদের হত্যা করো না পবিত্র - মসজিদের আশেপাশে যে পর্যন্ত না তারা সেখানে তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে, কাজেই তারা যদি তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে তবে তোমরাও তাদের সাথে লড়বে। এই হচ্ছে অবিশ্বাসীদের প্রাপ্য।
অক্ব্তুলূহুম্ হাইছু ছাক্বিফ্তুমূহুম্ অআখ্রিজ্ব ূহুম্ মিন্ হাইছু আখ্রাজ্ব ূকুম্ অল্ ফিত্নাতু আশাদ্দু মিনাল্ ক্বাত্লি অলা-তুক্বা-তিলূহুম্ 'ইন্দাল্ মাস্জ্বিদিল্ হারা-মি হাত্তা-ইয়ুক্বা-তিলূকুম্ ফীহি' ফাইন্ ক্বা-তালূকুম্ ফাক্ব ্তুলূহুম্ কাযা-লিকা জ্বাযা - উল্ কা-ফিরীন্।
আর তাদেরকে হত্যা কর যেখানে তাদেরকে পাও এবং তাদেরকে বের করে দাও যেখান থেকে তারা তোমাদেরকে বের করেছিল। আর ফিতনা হত্যার চেয়ে কঠিনতর এবং তোমরা মাসজিদুল হারামের নিকট তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো না, যতক্ষণ না তারা তোমাদের বিরুদ্ধে সেখানে লড়াই করে। অতঃপর তারা যদি তো
কিন্তু তারা যদি ক্ষান্ত হয় তবে নিঃসন্দেহ ত্রাণকর্তা, অফুরন্ত ফলদাতা।
ফাইনিন্ তাহাও ফাইন্নাল্লা-হা গাফূর্রু রাহীম্।
তবে যদি তারা বিরত হয়, তবে নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আর তাদের সাথে লড়বে যে পর্যন্ত না উৎপীড়ন বন্ধ হয়, আর ধর্ম হচ্ছে র জন্য। সুতরাং তারা যদি ক্ষান্ত হয় তবে যুদ্ধ - বিগ্রহ চলবে না শুধু অত্যাচারীদের সাথে ছাড়া।
অক্বা-তিলূহুম্ হাত্তা- লা-তাকূনা ফিত্নাতুওঁ অইয়াকূনাদ্দীনু লিল্লা-হ ফাইনিন্ তাহাও ফালা-'উদ্ওয়া-না ইল্লা-'আলাজ্ জোয়া-লিমীন্।
আর তাদের বিরুদ্ধে লড়াই কর যে পর্যন্ত না ফিতনা খতম হয়ে যায় এবং দীন আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। সুতরাং তারা যদি বিরত হয়, তাহলে যালিমরা ছাড়া (কারো উপর) কোন কঠোরতা নেই।
পবিত্র মাস পবিত্র মাসের খাতিরে, আর সব নিষিদ্ধ ব্যাপারে প্রতিশোধ নিতে হবে। কাজেই যে কেউ তোমাদের উপরে আক্রমণ চালায়, তোমরাও তবে তাদের উপরে আঘাত হানবে সেইভাবে যেমনটা তারা তোমাদের উপরে আঘাত করেছিল। আর কে ভয় - শ্রদ্ধা করবে, আর জেনে রেখো নিঃসন্দেহ ধর্মভীরুদের সাথে আছেন।
আশ্শাহ্রুল্ হারা-মু বিশ্শাহ্রিল্ হারা-মি অল্ হুরুমা-তু ক্বিছোয়া-ছ্ ফামানি' তাদা-'আলাইকুম্ ফা'তাদূ 'আলাইহি বিমিছ্লি মা' তাদা- 'আলাইকুম্ অত্তাক্ব ুল্লা-হা অ'লামূ য় আন্নাল্লা-হা মা'আল্মুত্তাক্বীন্।
হারাম মাস হারাম মাসের বদলে এবং পবিত্র বিষয়সমূহ কিসাসের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে তোমাদের উপর আক্রমণ করেছে, তোমরা তার উপর আক্রমণ কর, যেরূপ সে তোমাদের উপর আক্রমণ করেছে। আর আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় মুত্তাকীদের সাথে আছেন।
আর র রাস্তায় খরচ করো, আর তোমাদের নিজহাতে তোমাদের ধ্বংসের মধ্যে ফেলো না, বরং ভালো করো, নিঃসন্দেহ মঙ্গলকারীদের ভালোবাসেন।
অ আন্ফিক্ব ূ ফী সাবীলিল্লা-হি অলা-তুল্ক্ব ূ বিআইদীকুম্ ইলাত্ তাহ্লুকাতি অআহ্সিনূ ইন্নাল্লা-হা ইয়ুহিব্বুল্ মুহ্সিনীন্।
আর তোমরা আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় কর এবং নিজ হাতে নিজদেরকে ধ্বংসে নিক্ষেপ করো না। আর সুকর্ম কর। নিশ্চয় সুকর্মশীলদেরকে ভালবাসেন।
আর র জন্য সম্পূর্ণ করো হজ এবং উমরাহ। কিন্তু যদি বাধা পাও, তবে কুরবানির যা - কিছু পাওয়া যায় তাই, আর তোমাদের মাথা কামাবে না যতক্ষণ না কুরবানি তার গন্তব্যস্থানে পৌঁছেছে কিন্তু তোমাদের মধ্যে যদি কেউ অসুস্থ হয় অথবা তার মাথায় রোগ থাকে, তবে প্রতিবিধান হচ্ছে রোযা রেখে বা সদকা দিয়ে বা কুরবানি ক’রে। কিন্তু যখন তোমরা নিরাপদ বোধ করবে তখন যে উমরাহ্কে হজের সঙ্গে সংযোজন ক’রে লাভবান হতে চায়, সে যেন কুরবানির যা - কিছু পায় তাই। কিন্তু যে পায় না, রোযা হচ্ছে হজের সময়ে তিনদিন আর তোমরা যখন ফিরে এস তখন সাত, - - এই হলো পুরো দশ। এটা তার জন্য যার পরিবার পবিত্র - মজজিদে হাজির থাকে না। আর কে ভয় - ভক্তি করো, আর জেনে রেখো যে নিঃসন্দেহ প্রতিফলদানে কঠোর।
অআতিম্মুল্ হাজ্জ্বা অল্ 'উম্রাতা লিল্লা-হ্ ফাইন্ উর্হ্ছিতুম্ ফামাস্ তাইসারা মিনাল্ হাদ্য়ি অলা-তাহ্লিক্ব ূ রূঊসাকুম্ হাত্তা- ইয়াব্লুগাল্ হাদ্ইয়ু মাহিল্লা-হ্ ফামান্ কা-না মিন্কুম্ মারীদ্বোয়ান্ আওবিহীয় আযাম্ র্মি রাসিহী ফাফিদ্ইয়াতুম্ মিন্ সিয়া-মিন্ আও ছোয়াদাক্বাতিন্ আও নুসুকিন্ ফাইযা য় আমিন্তুম্ ফামান্ তামাত্তা'আ বিল্'উম্রাতি ইলাল্ হাজ্জ্বি ফামাস্ তাইসারা মিনাল্ হাদ্ই ফামাল্লাম্ ইয়াজ্বিদ্ ফাছিয়া-মু ছালা-ছাতি আইয়্যা-মিন্ ফিল্ হাজ্জ্বি অসাব্'আতিন্ ইযা-রাজ্বা'তুম্ তিল্কা আশারাতুন্ কা-মিলাহ্ যা-লিকা লিমাল্ লাম্ ইয়াকুন্ আহ্লুহূ হা-দ্বিরিল্ মাস্জ্বিদিল্ হারা-ম্ অত্তাক্ব ুল্লা-হা অ'লামূ য় আন্নাল্লা-হা শাদীদুল্ 'ইক্বা-ব্।
আর হজ ও উমরা আল্লাহর জন্য পূর্ণ কর। অতঃপর যদি তোমরা আটকে পড় তবে যে পশু সহজ হবে (তা যবেহ কর)। আর তোমরা তোমাদের মাথা মুন্ডন করো না, যতক্ষণ না পশু তার যথাস্থানে পৌঁছে। আর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ কিংবা তার মাথায় যদি কোন কষ্ট থাকে তবে সিয়াম কিংবা সদাকা অথবা পশ
হজ হয় কয়েকটি সুবিখ্যাত মাসে, কাজেই যে কেউ এই সময়ে হজ করার সংকল্প করে তার জন্য এ - সবের মধ্যে স্ত্রী - গমন বা দুষ্টামি থাকবে না, বা হজের মধ্যে তর্কাতর্কি চলবে না। আর ভালো যা - কিছু তোমরা কর, তা জানেন। আর পাথেয় সংগ্রহ করো, নিঃসন্দেহ শ্রেষ্ঠ পাথেয় হচ্ছে ধর্মপরায়ণতা। অতএব আমাকে ভয় - শ্রদ্ধা করো, হে জ্ঞানের অধিকারীসব!
আল্হাজ্জ্ব ু আশ্হুরুম্ মা'লূমা-তুন্ ফামান্ ফারাদ্বোয়া ফীহিন্নাল্ হাজ্জ্বা ফালা-রাফাছা অলা-ফূসূক্বা অলা-জ্বিদা-লা ফিল্ হাজ্জ্ব অমা- তাফ্'আলূ মিন্ খাইরিইঁ ইয়া'লাম্হুল্লা-হ্ অতাযাওওয়াদূ ফাইন্না খাইরায্ যা-দিত্ তাক্ব ্ওয়া-অত্তাক্ব ূনি ইয়ায় উলিল্ আল্বা-ব্।
হজের সময় নির্দিষ্ট মাসসমূহ। অতএব এই মাসসমূহে যে নিজের উপর হজ আরোপ করে নিল, তার জন্য হজে অশ্লীল ও পাপ কাজ এবং ঝগড়া-বিবাদ বৈধ নয়। আর তোমরা ভাল কাজের যা কর, তা জানেন এবং পাথেয় গ্রহণ কর। নিশ্চয় উত্তম পাথেয় তাকওয়া। আর হে বিবেক সম্পন্নগণ, তোমরা আমাকে ভয়
তোমাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না যদি বা তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে দৌলত কামানোর চেষ্টা করো। তারপর তোমরা যখন আরাফাত থেকে জোট বেধে ফিঁরবে তখন মাশ'আরিল - হারাম এর নিকটে কে স্মরণ করো; আর তাঁকে স্মরণ করো যেমন তিনি তোমাদের পথনির্দেশ দিয়েছেন, যদিও এর আগে নিঃসন্দেহ তোমরা ছিলে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত।
লাইসা 'আলাইকুম্ জ্ব ূনা-হুন্ আন্ তাব্তাগূ ফাদ্ব্লাম্ র্মি রব্বিকুম্ ফাইযায় আফাদ্ব্তুম্ মিন্ 'আরাফা-তিন্ ফায্কুরুল্লা-হা 'ইন্দাল্ মাশ্'আরিল্ হারা-ম্ অয্কুরূহু কামা-হাদা-কুম্ অইন্ কুন্তুম্ মিন্ ক্বাব্লিহী লামিনাদ্ব্ দ্বোয়া- ল্লীন্।
তোমাদের উপর কোন পাপ নেই যে, তোমরা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ অনুসন্ধান করবে। সুতরাং যখন তোমরা আরাফা থেকে বের হয়ে আসবে, তখন মাশআরে হারামের নিকট আল্লাহকে স্মরণ কর এবং তাকে স্মরণ কর যেভাবে তিনি তোমাদেরকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যদিও তোমরা এর পূর্বে অবশ্যই
তারপর তোমরা তাড়াতাড়ি চল যেখান থেকে জনতা এগিয়ে চলে, আর র কাছে পরিত্রাণ খোঁজো, নিঃসন্দেহ ত্রাণকর্তা, অফুরন্ত ফলদাতা।
ছুম্মা আফীদ্ব ূ মিন্ হাইছু আফা-দ্বোয়ান্ না-সু অস্তাগ্ফিরুল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা গাফূরুর রাহীম্।
অতঃপর তোমরা প্রত্যাবর্তন কর, যেখান থেকে মানুষেরা প্রত্যাবর্তন করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
তারপর যখন তোমাদের পুণ্যানুষ্ঠান শেষ কর তখন র গুণগান করো, যেমন তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদের জয়গান গাইতে, - - বরং তার চাইতেও বেশী গুণকীর্তন করো। কিন্তু মানুষের মাঝে এমনও লোক আছে যে বলে - - ''আমাদের প্রভু! এই দুনিয়াতে আমাদের দাও।’’ অতএব আখেরাতে তাদের জন্য কোনো ভাগ থাকবে না।
ফাইযা-ক্বাদ্বোয়াইতুম্ মানা-সিকাকুম্ ফায্কুরুল্লা-হা কাযিক্রিকুম্ আ-বা - আকুম্ আও আশাদ্দা যিক্রা- ফামিনান্না-সি মাইঁইয়াক্ব ূলু রব্বানায় আ-তিনা- ফিদ্ দুন্ইয়া-অমা-লাহূ ফিল্ আ-খিরাতি মিন্ খালা-ক্ব ্।
তারপর যখন তোমরা তোমাদের হজের কাজসমূহ শেষ করবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তোমরা স্মরণ করতে তোমাদের বাপ-দাদাদেরকে, এমনকি তার চেয়ে অধিক স্মরণ। আর মানুষের মধ্যে এমনও আছে যে বলে, হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতেই দিয়ে দিন। বস্তুত আখিরাতে তার জন্য কোন অংশ নে
আর তাদের মধ্যে এমনও আছে যে বলে - - ''আমাদের প্রভু! এই দুনিয়াতে আমাদের ভালো জিনিস অর্পণ করো, এবং আখেরাতেও ভালো জিনিস, আর আমাদের রক্ষা করো আগুনের শাস্তি থেকে।’’
অমিন্হুম্ মাইঁইয়াক্ব ূ লু রব্বানায় আ-তিনা-ফিদ্ দুন্ইয়া-হাসানাতাওঁ অফিল্ আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ অক্বিনা-'আযা-বান্না-র।
আর তাদের মধ্যে এমনও আছে, যারা বলে, হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
এরাই - - তাদের জন্য আছে ভাগ যা তারা অর্জন করেছে তা থেকে। আর হিসেব - নিকেশে তৎপর।
উলা - য়িকা লাহুম্ নাছীবুম্ মিম্মা- কাসাবূ অল্লা-হু সারী'উল্ হিসা-ব্।
তারা যা অর্জন করেছে তার হিস্যা তাদের রয়েছে। আর হিসাব গ্রহণে দ্রুত।
আর কে স্মরণ করো নির্ধারিত দিনগুলোতে। কিন্তু যে দু’দিনে তাড়াতাড়ি করে, তাতে তার অপরাধ হবে না, আর যে দেরী করে তার উপরেও কোনো অপরাধ হবে না, - - যে ভয় - ভক্তি করে। আর তোমরা কে ভয় - ভক্তি করো, আর জেনে রেখো নিঃসন্দেহ তোমরা তাঁরই কাছে একত্রিত হবে।
অয্কুরুল্লা-হা ফীয় আইয়্যা-মিম্ মা'দূদা-ত্ ফামান্ তা'আজ্বজ্বালা ফী ইয়াওমাইনি ফালায় ইছ্মা 'আলাইহি' অমান্ তায়াখ্খারা ফালায় ইছ্মা 'আলাইহি লিমানিত্ তাক্বা- অত্তাক্ব ুল্লা-হা অ'লামূ য় আন্নাকুম্ ইলাইহি তুহ্শারূন্।
আর আল্লাহকে স্মরণ কর নির্দিষ্ট দিনসমূহে। অতঃপর যে তাড়াহুড়া করে দু’দিনে চলে আসবে। তার কোন পাপ নেই। আর যে বিলম্ব করবে, তারও কোন অপরাধ নেই। (এ বিধান) তার জন্য, যে তাকওয়া অবলম্বন করেছে। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমাদেরকে তাঁরই ক
আর মানুষের মধ্যে এমনও আছে যার দুনিয়াদারির কথাবার্তা তোমাকে তাজ্জব করে দেয়, আর সে কে সাক্ষী মানে তার অন্তরে যা আছে সে - সন্বন্ধে, অথচ সে - ই হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক।
অমিনান্না-সি মাইঁ ইয়ু' জ্বিবুকা ক্বাওলুহূ ফিল্ হাইয়া-তিদ্দুন্ইয়া-অইয়ুশ্হিদুল্লা-হা 'আলা-মা-ফী ক্বাল্বিহী অহুওয়া আলাদ্দুল্ খি-ছোয়াম্।
আর মানুষের মধ্যে এমনও আছে, যার কথা দুনিয়ার জীবনে তোমাকে অবাক করে এবং সে তার অন্তরে যা রয়েছে, তার উপর আল্লাহকে সাক্ষী রাখে। আর সে কঠিন ঝগড়াকারী।
আর সে যখন ফিরে যায় তখন সে দেশের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করে তাতে ফসাদ বাঁধাতে এবং ফসল ও পশুপাল বিনষ্ট করতে। আর ফসাদ পছন্দ করেন না।
অইযা-তাওয়াল্লা-সা'আ-ফিল্ আরদ্বি লিইয়ুফ্সিদা ফীহা-অইয়ুহ্লিকাল্ র্হাছা অন্নাস্লা অল্লা-হু লা-ইয়ুহিব্বুল্ ফাসা-দ্।
আর যখন সে ফিরে যায়, তখন যমীনে প্রচেষ্টা চালায় তাতে ফাসাদ করতে এবং ধ্বংস করতে শস্য ও প্রাণী। আর ফাসাদ ভালবাসেন না।
আর যখন তাকে বলা হয় - - ''কে ভয় - ভক্তি করো,’’ অহংকার তাকে নিয়ে চলে পাপের মধ্যে, কাজেই জাহান্নাম হচ্ছে তার হিসেব - নিকেশ, - - আর নিশ্চয়ই মন্দ সেই বিশ্রাম - স্থান।
অইযা-ক্বীলা লাহুত্তাক্বি ল্লা-হা আখাযাত্ হুল্ 'ইয্যাতু বিল্ইছ্মি ফাহাস্বুহূ জ্বাহান্নাম্ অলাবিসাল্ মিহা-দ্।
আর যখন তাকে বলা হয়, ‘আল্লাহকে ভয় কর’ তখন আত্মাভিমান তাকে পাপ করতে উৎসাহ দেয়। সুতরাং জাহান্নাম তার জন্য যথেষ্ট এবং তা কতই না মন্দ ঠিকানা।
আর মানুষের মাঝে এমনও আছে যে নিজের সত্তাকে বিক্রি করে দিয়েছে র সন্তষ্টি কামনা ক’রে। আর পরম স্নেহময় বান্দাদের প্রতি।
অমিনান্না-সি মাইঁইয়াশ্রী নাফ্সাহুব্তিগা - য়া র্মাদ্বোয়া-তিল্লা-হ্ অল্লা-হু রাঊফুম্ বিল্'ইবা-দ।
আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে যে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজকে বিকিয়ে দেয়। আর (তাঁর) বান্দাদের প্রতি স্নেহশীল।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণে দাখিল হও, আর শয়তানের পদচিহ্ন অনুসরণ করো না। নিঃসন্দেহ সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানুদ্ খুলূ-ফিস্ সিল্মি কা - ফ্ফাহ্ অলা-তাত্তাবি'উ খুত্ব ুওয়া-তিশ্ শাইত্বোয়া-ন্ ইন্নাহূ লাকুম্ 'আদুউয়্যু'ম্ মুবীন্।
হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না । নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু।
কিন্তু যদি তোমরা পিছলে পড় তোমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণাবলী আসবার পরেও, তবে জেনে রেখো - - নিঃসন্দেহ মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।
ফাইন্ যালাল্তুম্ মিম্ বা'দি মা-জ্বা - আত্কুমুল্ বাইয়্যিনা-তু ফা'লামূ য় আন্নাল লা-হা 'আযীযুন্ হাকীম্।
অতএব তোমরা যদি পদস্খলিত হও, তোমাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ আসার পর, তবে জেনে রাখ যে, পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
তারা এছাড়া আর কিসের প্রতীক্ষা করে যে তাদের কাছে আসবেন মেঘের ছায়ায়, আর ফিরিশ্তারাও, আর বিষয়টির নিস্পত্তি হয়ে গেছে? আর র কাছেই সব ব্যাপার ফিরে যায়।
হাল্ ইয়ান্জুরূনা ইল্লায় আইঁ ইয়াতিয়াহুমুল্লা-হু ফী জুলালিম্ মিনাল্ গামা-মি অল্মালা - য়িকাতু অক্ব ুদ্বিয়াল্ আম্রু অইলাল্লা-হি র্তুজ্বা'উল্ উর্মূ।
তারা কি এরই অপেক্ষা করছে যে, মেঘের ছায়ায় ও ফেরেশতাগণ তাদের নিকট আগমন করবেন এবং সব বিষয়ের ফয়সালা করে দেয়া হবে। আর আল্লাহর নিকটই সব বিষয় প্রত্যাবর্তিত হবে।
ইসরাইলের বংশধরদের জিজ্ঞাসা করো - - স্পষ্ট নিদর্শন - গুলো থেকে কতো না আমরা তাদের দিয়েছিলাম! আর যে কেউ র নিয়ামত বদল করে তা তার কাছে আসার পরে, তা হলে নিঃসন্দেহ প্রতিফল দিতে কঠোর!
সাল্ বানীয় ইস্রা - ঈলা কাম্ আ-তাইনা-হুম্ মিন্ আ-ইয়াতিম্ বাইয়্যিনা-হ্ অমাইঁ ইয়ুবাদ্দিল নি'মাতাল্লা-হি মিম্ বা'দি মা-জ্বা - আত্হু ফাইন্নাল্লা-হা শাদীদুল্ 'ইক্বা-ব্।
বনী ইসরাইলকে জিজ্ঞাসা কর, আমি তাদেরকে কত সুস্পষ্ট নিদর্শন দিয়েছি। আর যে আল্লাহর নি‘আমত তার কাছে আসার পর তা বদলে দেবে তাহলে নিশ্চয় আযাব দানে কঠোর।
যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের কাছে এই দুনিয়ার জীবন মনোরম ঠেকে, আর তারা মস্করা করে যারা ঈমান এনেছে তাদের। আর যারা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করে তারা কিয়ামতের দিন ওদের উপরে থাকবে। আর যাকে ইচ্ছে করেন বে - হিসাব রিযেক দান করেন।
যুইয়্যিনা লিল্লাযীনা কাফারুল্ হাইয়া-তুদ্ দুন্ইয়া-অ ইয়াস্খারূনা মিনাল্ লাযীনা আ-মানূ। অল্লাযীনাত্ তাক্বাও ফাওক্বাহুম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাহ্ অল্লা-হু ইর্য়াযুক্ব ু মাইঁ ইয়াশা - উ বিগাইরি হিসা-ব্।
যারা করেছে, দুনিয়ার জীবনকে তাদের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে। আর তারা মুমিনদের নিয়ে উপহাস করে। আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তারা কিয়ামত দিবসে তাদের উপরে থাকবে। আর যাকে চান, বেহিসাব রিয্ক দান করেন।
মানবগোষ্ঠী হচ্ছে একই জাতি। কাজেই উত্থাপন করলেন নবীদের সুসংবাদদাতারূপে এবং সতর্ককারীরূপে, আর তাঁদের সঙ্গে তিনি অবতারণ করেছিলেন কিতাব সত্যতার সাথে যাতে তা মীমাংসা করতে পারে লোকদের মধ্যে যে - বিষয়ে তারা মতবিরোধ করত। আর কেউ এতে মতবিরোধ করে না তারা ছাড়া যাদের এ দেয়া হয়েছিল তাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আসার পরেও তাদের পরস্পরের মধ্যে বিদ্রোহাচরণ বশতঃ। তাই যারা ঈমান এনেছে, তাদের হেদায়ত করলেন আপন এখতিয়ারে সেই সত্যতে যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছিল। আর যাকে ইচ্ছে করেন তাকে সহজ - সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করেন।
কা-নান্না-সু উম্মাতাওঁ ওয়া-হিদাতান্ ফাবা'আছাল্লা-হুন্ নাবিয়্যীনা মুবাশ্শিরীনা অমুন্যিরীনা অআন্যালা মা'আহুমুল্ কিতা-বা বিল্হাক্ব ্ক্বি লিইয়াহ্কুমা বাইনান্ না-সি ফীমাখ্তালাফূ ফীহ্ অমাখ্তালাফা ফীহি ইল্লাল্লাযীনা ঊতূহু মিম্ বা'দি মা-জ্বা - আত্ হুমুল্ বাইয়্যিনা-তু বাগ্ইয়াম্ বাইনাহুম্ ফাহাদাল্লা-হুল্ লাযী-না আ-মানূ লিমাখ্তালাফূ ফীহি মিনাল্ হাক্ব ্ক্বি বিইয্নিহ্ অল্লা-হু ইয়াহ্দী মাইঁ ইয়াশা - উ ইলা-ছিরা-ত্বিম্ মুস্তাক্বীম্।
মানুষ ছিল এক উম্মত। অতঃপর সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে নবীদেরকে প্রেরণ করলেন এবং সত্যসহ তাদের সাথে কিতাব নাযিল করলেন, যাতে মানুষের মধ্যে ফয়সালা করেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করত। আর তারাই তাতে মতবিরোধ করেছিল, যাদেরকে তা দেয়া হয়েছিল, তাদের নিকট স্পষ্ট
অথবা তোমরা কি বিবেচনা করো যে তোমরা বেহেশতে দাখিল হতে পারবে যতক্ষণ না তোমাদের উপরেও তোমাদের আগে যারা গত হয়েছে তাদের ন্যায় না বর্তায়? তাদের আক্রমণ করেছিল দারুণ বিপর্যয় এবং চরম দুর্দশা, আর তারা কেঁপেছিল, শেষ পর্যন্ত রসূল ও তাঁর সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তারা বললে - - ''র সাহায্য কখন?’’ র সাহায্য অবশ্যই নিকটবর্তী নয় কি?
আম্ হাসিব্তুম্ আন্ তাদ্খুলুল্ জ্বান্নাতা অলাম্মা- ইয়াতিকুম্ মাছালুল্লাযীনা খালাও মিন্ ক্বাব্লিকুম্ মাস্সাত্হুমুল্বাসা - উ অদ্ব্দ্বোর্য়া রা - উ অযুল্যিলূ হাত্তা-ইয়াক্ব ূর্লা রাসূলু অল্লাযীনা আ-মানূ মা'আহূ মাতা- নাছ্রুল্লা-হ্ আলায় ইন্না নাছ্রাল্লা-হি ক্বারীব্।
নাকি তোমরা ভেবেছ যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ এখনো তোমাদের নিকট তাদের মত কিছু আসেনি, যারা তোমাদের পূর্বে বিগত হয়েছে। তাদেরকে স্পর্শ করেছিল কষ্ট ও দুর্দশা এবং তারা কম্পিত হয়েছিল। এমনকি রাসূল ও তার সাথি মুমিনগণ বলছিল, ‘কখন আল্লাহর সাহায্য (আসবে)’? জেন
তারা তোমায় জিজ্ঞেস করছে কি তারা খরচ করবে। বলো - - ''ভালো জিনিস যা - কিছু তোমরা খরচ করো তা মাতাপিতার জন্য ও নিকট - আত্মীয়দের ও এতিমদের ও মিসকিনদের ও পথচারীদের জন্য। আর ভালো কাজ যা - কিছু কর, নিঃসন্দেহ সে - সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
ইয়াস্আলূনাকা মা-যা- ইয়ুন্ফিক্ব ূন্ ক্ব ুল্ মায় আন্ফাক্ব ্তুম্ মিন্ খাইরিন্ ফালিল্ওয়া-লিদাইনি অল্ আক্ব ্রাবীনা অল্ ইয়াতা-মা- অল্ মাসা-কীনি অব্নিস্ সাবীল্ অমা-তাফ্'আলূ মিন্ খাইরিন্ ফাইন্নাল্লা-হা বিহী'আলীম্।
তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তারা কী ব্যয় করবে? বল, ‘তোমরা যে সম্পদ ব্যয় করবে, তা পিতা-মাতা, আত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীন ও মুসাফিরদের জন্য। আর যে কোন ভাল কাজ তোমরা কর, নিশ্চয় সে ব্যাপারে সুপরিজ্ঞাত’।
তোমাদের জন্য যুদ্ধ বিধিবদ্ধ করা হলো, অথচ তোমাদের জন্য তা অপ্রীতিকর। আর হতে পারে তোমরা কোনো - কিছু অপছন্দ করলে, অথচ তা তোমাদের জন্য মঙ্গলজনক, আবার হতে পারে তোমরা কোনো - কিছু ভালোবাসলে, অথচ তা তোমাদের জন্য মন্দ। আর জানেন, যদিও তোমরা জানো না।
কুতিবা 'আলাইকুমুল্ ক্বিতা-লু অহুওয়া র্কুহুল্লাকুম্ অ'আসায় আন্ তাক্রাহূ শাইআওঁ অহুওয়া খাইরুল্লাকুম্ অ'আসায় আন্ তুহিব্বূ শাইআওঁ অহুওয়া র্শারুল্লাকুম্ অল্লা-হু ইয়া'লামু অআন্তুম্ লা-তা'লামূন্।
তোমাদের উপর লড়াইয়ের বিধান দেয়া হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয় এবং হতে পারে কোন বিষয় তোমরা অপছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে কোন বিষয় তোমরা পছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর জানেন এবং তোমরা জান না।
তারা তোমাকে পবিত্র মাস সম্পর্কে প্রশ্ন করছে - - তাতে যুদ্ধ করার ব্যাপারে। বলো - - ''এতে যুদ্ধ করা গুরুতর, কিন্তু র রাস্তা থেকে ফিরিয়ে রাখা, আর তাঁর প্রতি ও পবিত্র মসজিদের প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করা, এবং তার বাসিন্দাদের সেখান থেকে বের করে দেয়া র কাছে আরও গুরুতর! আর উৎপীড়ন হত্যার চেয়ে গুরুতর। আর তারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করা থামাবে না যতক্ষণ না তারা তোমাদের ধর্ম থেকে তোমাদের ফিরিয়ে নিতে পারে, - - যদি তারা পারে। আর তোমাদের মধ্যে থেকে যে তার ধর্ম থেকে ফিরে যায় ও মারা যায় অবিশ্বাসী থাকা অবস্থায়, তা হলে এরাই - - এদের সব কাজ এই দুনিয়াতে ও আখেরাতে বৃথা যাবে। আর তারাই হচ্ছে আগুনের অধিবাসী, তারা এতে থাকবে দীর্ঘকাল।
ইয়াস্আলূ-নাকা 'আনিশ্ শাহ্ রিল্ হারা-মি ক্বিতা-লিন্ ফীহ্ ক্ব ুল্ ক্বিতা-লুন্ ফীহি কার্বী অছোয়াদ্দুন্ 'আন্ সাবীলিল্লা-হি অকুফ্রুম্ বিহী অল্মাস্জ্বিদিল্ হারা-মি অইখ্রা-জ্ব ু আহ্লিহী মিন্হু আক্বারু 'ইন্দাল্লা-হি অল্ফিত্নাতু আক্বারু মিনাল্ ক্বাত্ল্ অলা-ইয়াযা-লূনা ইয়ুক্বা-তিলূনাকুম্ হাত্তা- ইয়ারুদ্দূকুম্ 'আন্ দীনিকুম্ ইনিস্তাত্বোয়া-'ঊ অমাইঁ ইর্য়াতাদিদ্ মিন্কুম্ 'আন্ দীনিহী ফাইয়ামুত্ অহুওয়া কা-ফিরুন্ ফাউলা - য়িকা হাবিত্বোয়াত্ আ'মা-লুহুম্ ফিদ্দুন্ইয়া অল্ আ-খিরাহ্ অউলা - য়িকা আছ্হা-বুন্না-রি হুম্ ফীহা- খা-লিদূন।
তারা তোমাকে হারাম মাস সম্পর্কে, তাতে লড়াই করা বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে। বল, ‘তাতে লড়াই করা বড় পাপ; কিন্তু আল্লাহর পথে বাধা প্রদান, তাঁর সাথে করা, মাসজিদুল হারাম থেকে বাধা দেয়া এবং তার অধিবাসীদেরকে তা থেকে বের করে দেয়া আল্লাহর নিকট অধিক বড় পাপ। আর ফিতনা হত
নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছিল ও যারা হিজরত করেছিল, এবং র রাস্তায় কঠোর সংগ্রাম করেছিল, - - এরাই আশা রাখে র করুণার। আর ত্রাণকর্তা, অফুরন্ত ফলদাতা।
ইন্নাল লাযীনা আ-মানূ অল্লাযীনা হা-জ্বারূ অজা-হাদূ ফী সাবীলিল্লা-হি উলা - য়িকা ইর্য়াজ্ব ূনা রাহ্মাতাল্লা-হ্ অল্লা-হু গাফূর্রু রাহীম্।
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ও যারা হিজরত করেছে এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছে, তারা আল্লাহর রহমতের আশা করে। আর ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
তারা তোমাকে নেশা ও জুয়া সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছে। বলো - - ''এই দুয়েতেই আছে মহাপাপ ও মানুষের জন্য মুনাফা, কিন্তু তাদের পাপ তাদের মুনাফার চাইতে গুরুতর। আর তারা তোমায় সওয়াল করে কী তারা খরচ করবে। বলো - - ''যা বাড়তি থাকে।’’ এইভাবে তোমাদের জন্য বাণীসমূহ স্পষ্ট করেন যাতে তোমরা ভেবে দেখতে পার, - -
ইয়াস্ আলূনাকা 'আনিল্ খামরি অল্মাইর্সি ক্ব ুল্ ফীহিমায় ইছ্মুন্ ক্বাবীরাওঁ অমানা-ফি'উ লিন্না-সি অইছ্মুহুমায় আক্বারু মিন্ নাফ্'ইহিমা- অ ইয়াস্আলূনাকা মা-যা-ইয়ুন্ফিক্ব ূন্ ক্ব ূলিল্ 'আফ্ওয়া-কাযা-লিকা ইয়ুবাইয়্যিনুল্লা-হু লাকুমুল্ আ-ইয়া-তি লা'আল্লাকুম্ তাতাফাক্কারূন্।
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, এ দু’টোয় রয়েছে বড় পাপ ও মানুষের জন্য উপকার। আর তার পাপ তার উপকারিতার চেয়ে অধিক বড়। আর তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তারা কী ব্যয় করবে। বল, ‘যা প্রয়োজনের অতিরিক্ত’। এভাবে তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে
এই দুনিয়া ও আখেরাতের সন্বন্ধে। আর তারা তোমায় এতিমদের সম্পর্কে প্রশ্ন করছে। বলো - - ''তাদের জন্য সুব্যবস্থা করা উত্তম।’’ আর তোমরা যদি তাদের সঙ্গে অংশীদার হও তবে তারা তোমাদের ভাই। আর হিতকারীদের থেকে ফেসাদকারীদের জানেন । আর যদি ইচ্ছা করতেন তবে নিশ্চয়ই তোমাদের বিপন্ন করতে পারতেন। নিঃসন্দেহ মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।
ফিদ্দ্ইুয়া-অল্আ-খিরাহ্ অইয়াস্আলূনাকা 'আনিল্ ইয়াতা-মা- ক্ব ুল্ ইছ্লা-হুল্ লাহুম্ খার্ই অইন্ তুখা-লিত্ব ূ হুম্ ফাইখ্ওয়া-নুকুম্ অল্লা-হু ইয়া'লামুল্ মুফ্সিদা মিনাল্ মুছ্লিহ্ অলাও শা - আল্লা-হু ল্আা'নাতাকুম্ ইন্নাল্লা-হা 'আযীযুন্ হাকীম্।
দুনিয়া ও আখিরাতের ব্যাপারে। আর তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে ইয়াতীমদের সম্পর্কে। বল, সংশোধন করা তাদের জন্য উত্তম। আর যদি তাদেরকে নিজদের সাথে মিশিয়ে নাও, তবে তারা তোমাদেরই ভাই। আর জানেন কে ফাসাদকারী, কে সংশোধনকারী এবং যদি চাইতেন, অবশ্যই তোমাদের জন
আর মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না যে পর্যন্ত না তারা ঈমান আনে । আর নিঃসন্দেহ একজন দাসীও একজন মুশরিক নারীর চেয়ে ভালো, যদিও বা সে তোমাদের মোহিত করে দেয়। আর বিয়ে দিয়ো না মুশরিকদের সাথে যে পর্যন্ত না তারা ঈমান আনে, কেননা নিঃসন্দেহ একজন গোলামও একজন মুশরিকের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদের তাজ্জব করে দেয়। এই সব আমন্ত্রণ করে আগুনের প্রতি, আর আহ্বান করেন বেহেশতের দিকে এবং পরিত্রাণের দিকে তাঁর নিজ ইচ্ছায়, আর তিনি মানুষের জন্য তাঁর নির্দেশাবলী সুস্পষ্ট করে দেন যেন তারা মনোযোগ দেয়।
অলা-তান্কিহুল্ মুশ্রিকা-তি হাত্তা-ইয়ুমিন্ অলাআমাতুম্ মু”মিনাতুন্ খাইরুম্ মিম্ মুশ্রিকাতিওঁ অলাও আ'জ্বাবাত্কুম্ অলাতুন্কিহুল্ মুশ্রিকীনা হাত্তা-ইয়ুমিনূ অ লা'আব্দুম্ মু”মিনুন্ খাইরুম্ মিম্ মুশ্রিকিওঁ অলাও 'আজ্বাবাকুম্ উলা - য়িকা ইয়াদ্'ঊনা ইলান্না-রি অল্লা-হু ইয়াদ্'ঊ ইলাল্ জ্বান্নাতি অল্মাগ্ফিরাতি বিইয্নিহী অইয়ুবাইয়্যিনু আ-ইয়া-তিহী লিন্না-সি লা'আল্লাহুম্ ইয়াতাযাক্কারূন্।
আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং দাসী মুশরিক নারীর চেয়ে নিশ্চয় উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। আর মুশরিক পুরুষদের সাথে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও
তারা তোমাকে ঋতুস্রাব সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছে। বলো - - ''ইহা অনিষ্টকর, কাজেই ঋতুকালে স্ত্রীদের থেকে আলাদা থাকবে, এবং তাদের নিকটবর্তী হয়ো না যে পর্যন্ত না তারা পরিস্কার হয়ে যায়। তারপর যখন তারা নিজেদের পরিস্কার করে নেয় তখন তাদের সঙ্গে মিলিত হও যেভাবে তোমাদের আদেশ দিয়েছেন।’’ নিঃসন্দেহ ভালোবাসেন তাদের যারা তাঁর দিকে ফেরে, আর তিনি ভালবাসেন পরিচ্ছন্নতা রক্ষাকারীদের।
অইয়াস্আলূনাকা 'আনিল্ মাহীদ্ব্ ক্ব ূল্ হুওয়া আযান্ ফা'তাযিলুন নিসা - আ ফিল্ মাহীদ্বি অলা-তাক্ব ্রাবূহুন্না হাত্তা-ইয়াত্বর্ ্হুনা ফাইযা-তাত্বোয়ার্হ্হানা ফাতূ হুন্না মিন্ হাইছু আমারাকুমুল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা ইয়ুহিব্বুত্ তাওয়া-বীনা অইয়ুহিব্বুল্ মুতাত্বোয়াহ্হিরীন্।
আর তারা তোমাকে হায়েয সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বল, তা কষ্ট। সুতরাং তোমরা হায়েযকালে স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হয়ো না। অতঃপর যখন তারা পবিত্র হবে তখন তাদের নিকট আস, যেভাবে তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্ল
তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্য এক ক্ষেতখামার। সুতরাং তোমরা যখন - যেমন ইচ্ছে কর তোমাদের ক্ষেতখামারে গমন করো। আর তোমাদের নিজেদের জন্যে অগ্রিম ব্যবস্থা অবলন্বন করো। আর কে ভয় - ভক্তি করবে, আর জেনে রেখো - - নিশ্চয় তাঁর সঙ্গে তোমাদের মোলাকাত হবে। আর সুসংবাদ দাও মুমিনদের।
নিসা - উ কুম্ হারছুল্লাকুম্ ফাতূ র্হাছাকুম্ আন্না-শিতুম্ অক্বাদ্দিমূ লিআন্ফুসিকুম্ অত্তাক্ব ুল্লা-হা অ'লামূ য় আন্নাকুম্ মুলা-ক্ব ূহ অবাশ্শিরিল্ মুমিনীন্।
তোমাদের স্ত্রী তোমাদের ফসলক্ষেত্র। সুতরাং তোমরা তোমাদের ফসলক্ষেত্রে গমন কর, যেভাবে চাও। আর তোমরা নিজদের কল্যাণে উত্তম কাজ সামনে পাঠাও। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে । আর মুমিনদেরকে সুসংবাদ দাও।
আর কে প্রতিবন্ধক বানিয়ো না তোমাদের শপথের দ্বারা তোমাদের ভালো কাজ করার বেলা ও ভয়ভক্তি দেখাতে, ও লোকদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে। আর সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
অলা-তাজ্ব ্'আলুল্লা-হা 'উরদ্বোয়াতাল লিআইমা-নিকুম্ আন্ তার্বারূ অতাত্তাক্ব ূঅ তুছ্লিহূ বাইনান্না-স্ অল্লা-হু সামী'উন্ 'আলীম্।
আর আল্লাহকে তোমরা তোমাদের শপথ পূরণে প্রতিবন্ধক বানিয়ো না যে, তোমরা (আল্লাহর নামে এই বলে শপথ করবে যে) ভালো কাজ করবে না, তাকওয়া অবলম্বন করবে না এবং মানুষের মধ্যে সংশোধন করবে না। আর সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
তোমাদের পাকড়াবেন না তোমাদের শপথগুলোর মধ্যে যা খেলো, কিন্তু তিনি তোমাদের পাকড়াও করবেন যা তোমাদের হৃদয় অর্জন করেছে। আর ত্রাণকর্তা, পরম সহিষ্ণু।
লা-ইয়ুআ-খিযুকুমুল্লা-হু বিল্লাগ্ওয়ি ফী য় আইমা-নিকুম্ অলা-কিইঁ ইয়ুআ-খিযুকুম্ বিমা-কাসাবাত্ ক্ব ূলূবুকুম্ অল্লা-হু গাফূরুন্ হালীম্।
তোমাদেরকে তোমাদের অর্থহীন শপথের জন্য পাকড়াও করবেন না। কিন্তু পাকড়াও করবেন যা তোমাদের অন্তরসমূহ অর্জন করেছে। আর ক্ষমাশীল, সহনশীল।
যারা তাদের স্ত্রীদের থেকে ''ইলা’’ করে, চার মাসকাল অপেক্ষা করতে হবে, কিন্তু তারা যদি ফিরে যায়, তা হলে নিশ্চয় ত্রাণকর্তা, অফুরন্ত ফলদাতা।
লিল্লাযীনা ইয়ুলূনা মিন্ নিসা - য়িহিম্ তারাব্বুছু র্আবা'আতি আশ্হুরিন্ ফাইন্ ফা-ঊ ফাইন্নাল্লা-হা গাফূর্রু রাহীম।
যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে মিলিত না হওয়ার শপথ করবে তারা চার মাস অপেক্ষা করবে। অতঃপর তারা যদি ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আর যদি তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তালাকের, তবে নিঃসন্দেহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
অইন্ 'আযামুত্ত্বোয়ালা-ক্বা ফাইন্নাল্লা-হা সামী'উন্ 'আলীম্।
আর যদি তারা তালাকের দৃঢ় ইচ্ছা করে নেয় তবে নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
আর তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের প্রতীক্ষায় রাখবে তিন ঋতুকাল। আর তাদের জন্য বৈধ হবে না লুকিয়ে রাখা যা তাদের গর্ভে সৃষ্টি করেছেন, যদি তারা তে ও শেষ দিনে ঈমান আনে। আর তাদের স্বামীদের অধিকতর হক্ আছে তাদের ইতিমধ্যে ফিরিয়ে নেবার, যদি তারা মিটমাট করতে চায়। আর স্ত্রীদের তেমন অধিকার আছে যেমন আছে তাদের উপরে ন্যায়সঙ্গতভাবে। অবশ্য পুরুষদের অবস্থান তাদের কিছুটা উপরে। আর মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী!
অল্মুত্ত্বোয়াল্লাক্বা-তু ইয়াতারাব্বাছ্না বিআন্ফুসিহিন্না ছালা-ছাতা ক্ব ুরূ - য়িন্ অলা-ইয়াহিল্লু লাহুন্না আইঁ ইয়াক্তুম্না মা-খালাক্বাল্লা-হু ফী য় র্আহা-মিহিন্না ইন্ কুন্না ইউমিন্না বিল্লা-হি অল্ইয়াওমিল্ আ-র্খি অবু'ঊলাতুহুন্না আহাক্ব ্ক্ব ু বিরাদ্দিহিন্না ফী যা-লিকা ইন্ আরাদূ য় ইছ্লা-হা- অলাহুন্না মিছ্লুল্ লাযী 'আলাইহিন্না বিল্ মা'রূফি অর্লিরিজ্বা-লি 'আলাইহিন্না দারাজ্বাহ্ অল্লা-হু'আযীযুন্ হাকীম্।
আর তালাকপ্রাপ্তা নারীরা তিন কুরূ* পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবে এবং তাদের জন্য হালাল হবে না যে, তাদের গর্ভে যা সৃষ্টি করেছেন, তা তারা গোপন করবে, যদি তারা ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে। আর এর মধ্যে তাদের স্বামীরা তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে অধিক
তালাক দুইবার, তারপর পুরোদস্তুর রক্ষণ নয়ত সুন্দরভাবে বিদায় দান। আর তোমাদের জন্য বৈধ নয় তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া, যদি না দুজনেই আশঙ্কা করে যে র নির্দেশিত সীমা কায়েম রাখা তাদের পক্ষে সম্ভবপর নয়। কিন্তু তোমরা যদি আশঙ্কা কর যে তারা র গন্ডির ভেতরে কায়েম থাকতে পারবে না, তা হলে তাদের জন্যে অপরাধ হবে না যার বিনিময়ে সে মুক্ত হতে চায়। এইসব হচ্ছে র নির্দেশিত গন্ডি, অতএব এ - সব লঙ্ঘন করো না, আর যারা র গন্ডি লঙ্ঘন করে তারা নিজেরাই হচ্ছে অন্যায়কারী।
আত্ত্বোয়ালা-ক্ব ু র্মারাতা-নি ফাইম্সা-কুম্ বিমা'রূফিন্ আও তাস্রীহুম্ বিইহ্সা-ন্ অলা-ইয়াহিল্লু লাকুম্ আন্ তাখুযূ মিম্মা- আ-তাইতুমূহুন্না শাইয়ান্ ইল্লায় আইঁ ইয়াখা-ফায় আল্লা- ইয়ুক্বীমা- হুদূদা ল্লা-হ্ ফাইন্ খিফ্তুম্ আল্লা-ইয়ুক্বীমা-হূদূদাল্লা-হি ফালা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইহিমা-ফীমাফ্ তাদাত্ বিহ্ তিল্কা হুদূদাল্লা-হি ফালা- তা'তাদূহা-অমাইঁ ইয়াতা'আদ্দা হুদূদাল্লা-হি ফাউলা - য়িকা হুমুজ্জোয়া-লিমূন।
তালাক দু’বার। অতঃপর বিধি মোতাবেক রেখে দেবে কিংবা সুন্দরভাবে ছেড়ে দেবে। আর তোমাদের জন্য হালাল নয় যে, তোমরা তাদেরকে যা দিয়েছ, তা থেকে কিছু নিয়ে নেবে। তবে উভয়ে যদি আশঙ্কা করে যে, আল্লাহর সীমারেখায় তারা অবস্থান করতে পারবে না। সুতরাং তোমরা যদি আশঙ্কা কর যে, তা
তারপর যদি সে তাকে তালাক দেয় তবে এরপর সে তার জন্য বৈধ হবে না যে পর্যন্ত না সে অন্য স্বামীকে বিবাহ করে। এখন যদি সেও তাকে তালাক দিয়ে দেয় তাহলে তাদের উভয়ের অপরাধ হবে না যদি তারা পরস্পরের কাছে ফিরে আসে, - - যদি তারা বিবেচনা করে যে তারা র গন্ডির মধ্যে থাকতে পারবে। আর এগুলো হচ্ছে র নির্দেশিত সীমা, - - তিনি তা সুস্পষ্ট করে দেন সেই লোকদের জন্য যারা জানে।
ফাইন ত্বোয়াল্লাক্বাহা-ফালা- তাহিল্ল ূ লাহূ মিম্ বা'দু হাত্তা-তান্কিহা যাওজ্বান্ গাইরাহ্ ফাইন্ ত্বোয়াল্লাক্বাহা-ফালা- জ্ব ুনা-হা 'আলাইহিমায় আইঁ ইয়া তারা-জ্বা'আয় ইন্ জোয়ান্নায় আইঁ ইয়ুক্বীমা-হুদূদাল্লা-হ্ অতিল্কা হুদূদুল্লা-হি ইয়ুবাইয়্যিনুহা-লিক্বাওমিইঁ ইয়া'লামূন্।
অতএব যদি সে তাকে তালাক দেয় তাহলে সে পুরুষের জন্য হালাল হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ভিন্ন একজন স্বামী সে গ্রহণ না করে। অতঃপর সে (স্বামী) যদি তাকে তালাক দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের অপরাধ হবে না যে, তারা একে অপরের নিকট ফিরে আসবে, যদি দৃঢ় ধারণা রাখে যে, তারা আল্লাহর সীম
আর যখন স্ত্রীদের তালাক দাও, আর তারা তাদের ইদ্দত পূর্ণ করে, তারপর হয় তাদের রাখবে সদয়ভাবে, নয় তাদের মুক্তি দেবে সদয়ভাবে। আর তাদের আটকে রেখো না ক্ষতি করার জন্যে, - - যার ফলে তোমরা সীমা লঙ্ঘন করবে, আর যে তাই করে সে নিশ্চয় তার নিজের প্রতি অন্যায় করে। আর র প্রত্যাদেশকে তামাশার বস্তু করে নিয়ো না, আর স্মরণ করো তোমাদের উপরে র নিয়ামত ও তোমাদের কাছে যা তিনি অবতারণ করেছেন কিতাব ও হিক্মত, যার দ্বারা তিনি তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন। আর কে ভয়ভক্তি করবে, আর জেনে রেখো - - নিশ্চয় সব - কিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞাতা।
অইযা-ত্বোয়াল্লাক্ব ্তুমুন নিসা - য়া ফাবালাগ্না আজ্বালাহুন্না ফাআম্সিকূহুন্না বিমা'রূফিন্ আওর্সারিহূ হুন্না বিমা'রূফিন্ অলা- তুম্সিকূহুন্না দ্বিরা-রাল্ লিতা'তাদূ অমাইঁ ইয়াফ্আল্ যা-লিকা ফাক্বাদ্ জোয়ালামা নাফ্স্াহ্ অলা-তাত্তাখিযূ য় আ-ইয়া-তিল্লা-হি হুযুওয়াওঁ অয্কুরূ নি'মাতাল্লা -হি 'আলাইকুম্ অমায় আন্যালা 'আলাইকুম্ মিনাল্ কিতা-বি অল্হিক্মাতি ইয়া'ইজুকুম্ বিহ্ অত্তাক্ব ূল্লা-হা অ'লামূ য় আন্নাল্লা-হা বিকুল্লি শাইয়িন্ 'আলীম্।
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দেবে অতঃপর তারা তাদের ইদ্দতে পৌঁছে যাবে তখন হয়তো বিধি মোতাবেক তাদেরকে রেখে দেবে অথবা বিধি মোতাবেক তাদেরকে ছেড়ে দেবে। তবে তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সীমালঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে তাদেরকে আটকে রেখো না। আর যে তা করবে সে তো নিজের প্রতি যুলম করবে
আর যখন তোমরা স্ত্রীদের তালাক দাও, আর তারা তাদের ইদ্দত পূর্ণ করে, তখন তাদের বাধা দিয়ো না তাদের স্বামীদের বিয়ে করতে, যদি তারা নিজেদের মধ্যে রাজী হয় সঙ্গতভাবে। এইভাবে এরদ্বারা উপদেশ দেয়া হচ্ছে তোমাদের মধ্যে তাকে যে তে ও শেষ দিনে ঈমান আনে। এইটি তোমাদের জন্য অধিকতর পরিচ্ছন্ন ও পবিত্রতর। আর জানেন অথচ তোমরা জানো না।
অইযা-ত্বোয়াললাক্ব ্তুমুন্ নিসা - আ ফাবালাগ্না আজ্বালাহুন্না ফালা-তা'দ্বুলূহুন্না আইঁ ইয়ান্কিহ্না আয্ওয়া-জ্বাহুন্না ইযা-তারাদ্বোয়াও বাইনাহুম্ বিল্মা'রূফ্ যা-লিকা ইয়ূ'আজু বিহী মান্ কা-না মিন্কুম্ ইয়ুমিনু বিল্লা-হি অল্ ইয়াওমিল্ আ-র্খি যা-লিকুম্ আয্কা-লাকুম্ ওয়াআত্বর্ ্হা অল্লা-হু ইয়া'লামু অ আন্তুম্ লা-তা'লামূন্।
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দেবে অতঃপর তারা তাদের ইদ্দতে পৌঁছবে তখন তোমরা তাদেরকে বাধা দিয়ো না যে, তারা তাদের স্বামীদেরকে বিয়ে করবে যদি তারা পরস্পরে তাদের মধ্যে বিধি মোতাবেক সম্মত হয়। এটা উপদেশ তাকে দেয়া হচ্ছে, যে তোমাদের মধ্যে ও শেষ দিবসের প্রত
আর মায়েরা নিজ সন্তানদের পুরো দু’বছর স্তন্য খেতে দেবে, - - যে চায় স্তন্যদান পুরো করতে। তার পিতার উপরে দায়িত্ব তাদের খাওয়ানো ও পরানো ন্যায়সঙ্গতরূপে। কোনো লোকেরই উচিত নয় এমন দায়িত্ব আরোপ করা যা তার ক্ষমতার অতিরিক্ত। মাতাকেও যেন সন্তানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয়, আর যার রসে সন্তান জন্মেছে তাকেও যেন নিজের সন্তানের দরুন, আর উত্তরাধিকারীর উপরে দায়িত্ব তার অনুরূপ করা। কিন্তু যদি দুজনেই ইচ্ছা করে মাই ছাড়াতে, উভয়ের মধ্যে সম্মতিক্রমে এবং পরামর্শক্রমে, তবে তাদের কোনো অপরাধ হবে না। আর যদি তোমরা চাও তোমাদের সন্তানদের জন্য ধাইমা নিযুক্ত করতে, তাতেও তোমাদের কোনো অপরাধ হবে না যে পর্যন্ত তোমরা রাজী থাকো যা তোমরা পুরোদস্তুর প্রদান করবে। আর কে ভয়ভক্তি করবে, আর জেনে রেখো - - নিঃসন্দেহ তোমরা যা করো তার দর্শক।
অল্ওয়া-লিদা-তু ইর্য়ুদ্বি'না আওলা-দাহুন্না হাওলাইনি কা-মিলাইনি লিমান্ আরা-দা আইঁইয়ুতির্ম্মা রাদ্বোয়া-'আহ্ অ'আলাল্ মাওলূদি লাহূ রিয্ক্ব ুহুন্না অকিস্ওয়া তুহুন্না বিল্মা'রূফ্ লা-তুকাল্লাফু নাফ্সুন্ ইল্লা-উস্'আহা-লা-তুদ্বোয়া -র্ রা ওয়া- লিদাতুম্ বিঅলাদিহা-অলা-মাওলূদুল্লাহূ বিঅলাদিহী অ'আলাল্ ওয়া-রিছি মিছ্লু যা-লিকা ফাইন্ আরা-দা ফিছোয়া-লান্ 'আন তারা-দ্বিম্ মিন্হুমা-অতাশা-উরিন্ ফালা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইহিমা- অইন্ আরাত্তুম্ আন্ তাস্তারদ্বিঊ'য় আওলা-দাকুম্ ফালা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইকুম্ ইযা-সাল্লাম্তুম্ মায় আ-তাইতুম্ বিল্মা-রূফ্ অত্তাক্ব ুল্লা-হা অ'লামূ য় আন্নাল্লা-হা বিমা-তা'মালূনা বার্ছী।
আর মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে, (এটা) তার জন্য যে দুধ পান করাবার সময় পূর্ণ করতে চায়। আর পিতার উপর কর্তব্য, বিধি মোতাবেক মাদেরকে খাবার ও পোশাক প্রদান করা। সাধ্যের অতিরিক্ত কোন ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয় না। কষ্ট দেয়া যাবে না কো
আর তোমাদের মধ্যে যারা মারা যায় ও রেখে যায় স্ত্রীদের, তারা নিজেদের অপেক্ষায় রাখবে চার মাস ও দশ। তারপর তারা যখন তাদের সময়ের মোড়ে পৌঁছে যায় তখন তোমাদের কোনো অপরাধ হবে না যা তারা নিজেদের জন্য করে ন্যায়সঙ্গতভাবে। আর তোমরা যা কর সে - সন্বন্ধে ওয়াকিবহাল।
অল্লাযীনা ইয়ুতাওয়াফ্ফাওনা মিন্কুম্ অইয়াযারূনা আয্ওয়া-জ্বাইঁ ইয়াতারাব্বাছ্না বিআন্ফুসিহিন্না র্আবা'আতা আশ্হুরিওঁ অ'আশ্রান্ ফাইযা-বালাগ্না আজ্বালাহুন্না ফালা- জ্ব ুনা-হা 'আলাইকুম্ ফী মা-ফা'আল্না ফীয় 'আন্ফুসিহিন্না বিল্মা'রূফ্ অল্লা-হু বিমা-তা'মালূনা খার্বী।
আর তোমাদের মধ্য থেকে যারা মারা যাবে এবং স্ত্রীদেরকে রেখে যাবে, তাদের স্ত্রীগণ চার মাস দশ দিন অপেক্ষায় থাকবে। অতঃপর যখন তারা ইদ্দতকাল পূর্ণ করবে, তখন তারা নিজদের ব্যাপারে বিধি মোতাবেক যা করবে, সে ব্যাপারে তোমাদের কোন পাপ নেই। আর তোমরা যা কর, সে ব্যাপারে আল
আর তোমাদের উপরে অপরাধ হবে না তোমরা নারীদের বিবাহের প্রস্তাবে যা আভাসে ইঙ্গিতে প্রকাশ কর, অথবা গোপন রাখো তোমাদের অন্তরে। জানেন যে তোমরা তাদের স্মরণ করবে, কিন্তু ভদ্রভাবে কথাবার্তা বলা ছাড়া গোপনে তাদের সাথে ওয়াদা করো না, আর বিবাহবন্ধন পাকাপাকি করো না যে পর্যন্ত না তাদের নির্ধারিত সময়সীমা পেছোঁয়! আর জেনে রেখো - - নিশ্চয়ই জানেন যা তোমাদের অন্তরে আছে, অতএব তাঁর সম্পর্কে সতর্ক হও, আর জেনে রেখো যে নিঃসন্দেহ ত্রানকর্তা, পরম সহিষ্ণু।
অলা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইকুম্ ফীমা- 'র্আ রাদ্ব্তুম্ বিহী মিন্ খিত্ব ্বাতিন নিসা - য়ি আও আক্নান্তুম্ ফী য় আন্ফুসিকুম্ 'আলিমাল্লা-হু আন্নাকুম্ সাতায্কুরূনাহুন্না অলা-কিল্লা- তুওয়া-'ই দূহুন্না র্সিরান্ ইল্লায় আন্তাক্ব ূলূ ক্বাওলাম্ মা'রূফা- অলা-তা'যিমূ'উক্ব ্দাতান নিকা-হি হাত্তা- ইয়াব্লুগাল্ কিতা-বু আজ্বালাহ্ ওয়া'লামূ য় আন্নাল্লা-হা ইয়া'লামু মা-ফী য় আন্ফুসিকুম্ ফাহ্যারূহু ওয়া'লামূ য় আন্নাল্লা-হা গাফূরুন্ হালীম্।
আর এতে তোমাদের কোন পাপ নেই যে, তোমরা নারীদেরকে ইশারায় যে প্রস্তাব করবে কিংবা মনে গোপন করে রাখবে। জেনেছেন যে, তোমরা অবশ্যই তাদেরকে স্মরণ করবে। কিন্তু বিধি মোতাবেক কোন কথা বলা ছাড়া গোপনে তাদেরকে (কোন) প্রতিশ্রুতি দিয়ো না। আর আল্লাহর নির্দেশ (ইদ্দত) ত
তোমাদের অপরাধ হবে না যদি তোমরা তালাক দাও স্ত্রীদের যাদের এখনও তোমরা স্পর্শ করো নি বা দেয় যাদের জন্য ধার্য করো নি। আর তাদের জন্য ব্যবস্থা করো, ধনবানের ক্ষেত্রে তার সামর্থ্য অনুসারে ও অভাবীর ক্ষেত্রে তার সামর্থ্য অনুসারে, ব্যবস্থা হবে পুরোদস্তুরভাবে। সৎকর্মীদের জন্য একটি কর্তব্য।
লা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইকুম্ ইন্ ত্বোয়াল্লাক্ব ্ তুমুন্নিসা - য়া মা-লাম্ তামাস্সূহুন্না আও তাফ্রিুদ্বূ লাহুন্না ফারীদ্বোয়াতাওঁ অমাত্তি'ঊ হুন্না 'আলাল মূসি'ই ক্বাদারুহূ অ'আলাল্ মুক্ব্তিরি ক্বাদারুহূ মাতা-'আম্ বিল্ মা'রূফি হাক্ব ্ক্বান্ 'আলাল্ মুহসিনীন্।
তোমাদের কোন অপরাধ নেই যদি তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দাও এমন অবস্থায় যে, তোমরা তাদেরকে স্পর্শ করনি কিংবা তাদের জন্য কোন মোহর নির্ধারণ করনি। আর উত্তমভাবে তাদেরকে ভোগ-উপকরণ দিয়ে দাও, ধনীর উপর তার সাধ্যানুসারে এবং সংকটাপন্নের উপর তার সাধ্যানুসারে। সুকর্মশীলদের
কিন্তু যদি তোমরা তাদের তালাক দাও তাদের স্পর্শ করার আগে এবং ইতিমধ্যে দেয় তাদের জন্য ধার্য করে ফেলেছ, যা ধার্য করেছ তার অর্ধেক, যদি না তারা মাফ করে দেয় অথবা তারা মাফ করে দেয় যাদের হাতে রয়েছে বিবাহ - গ্রন্থি। আর যদি তোমরা দাবি ছেড়ে দাও তবে তা ধর্মপরায়ণতার অধিকতর নিকটবর্তী। আর তোমাদের পরস্পরের মধ্যে সদয়তা ভুলে যেয়ো না। নিঃসন্দেহ তোমরা যা করো তার দর্শক।
অইন্ ত্বোয়াল্লাক্ব ্তুমূহুন্না মিন্ক্বাব্লি আন্ তামাস্সূ হুন্না অক্বাদ্ ফারাদ্ব্তুম্ লাহুন্না ফারী দ্বোয়াতান্ ফানিছ্ফু মা-ফারাদ্ব্তুম্ ইল্লায় আইঁ ইয়া'ফূনা আও ইয়া'ফুওয়াল্লাযী বিয়াদিহী 'উক্ব্ ্দাতুন্নিকা-হ্ অআন্ তা'ফূয় আক্ব ্রাবু লিত্তাক্ব ্ওয়া-অলা-তান্সাউল্ ফাদ্ব্লা বাইনাকুম্ ইন্নাল্লা-হা বিমা-তা'মালূনা বার্ছী।
আর যদি তোমরা তাদেরকে তালাক দাও, তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে এবং তাদের জন্য কিছু মোহর নির্ধারণ করে থাক, তাহলে যা নির্ধারণ করেছ, তার অর্ধেক (দিয়ে দাও)। তবে স্ত্রীরা যদি মাফ করে দেয়, কিংবা যার হাতে বিবাহের বন্ধন সে যদি মাফ করে দেয়। আর তোমাদের মাফ করে দেয়া তাক
হেফাজত করো নামাযগুলোর, বিশেষ করে সর্বোৎকৃষ্ট , আর তোমরা খাড়া থেকো র উদ্দেশ্যে পরম বিনয়ে।
হা-ফিজূ 'আলাছ্ ছলাওয়া-তি ওয়াছালা-তিল্ উসত্বোয়া-'অক্ব ূমূ লিল্লা-হি ক্বা-নিতীন্।
তোমরা সালাতসমূহ ও মধ্যবর্তী সালাতের হিফাযত কর এবং আল্লাহর জন্য দাঁড়াও বিনীত হয়ে।
কিন্তু যদি তোমরা আশঙ্কা কর তবে পায়ে চলে বা ঘোড়ায় চড়ে, কিন্তু যখন তোমরা নিরাপত্তা বোধ কর তখন কে স্মরণ করো যে ভাবে তিনি তোমাদের শিখিয়েছেন - - যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
ফাইন খিফ্তুম্ ফারিজ্বা-লান্ আও রুক্বা-নান্ ফাইযায় আমিন্তুম্ ফায্কুরুল্লা-হা কামা-'আল্লামাকুম্ মা-লাম তাকূনূ তা'লামূন্।
কিন্তু যদি তোমরা ভয় কর, তবে হেঁটে কিংবা আরোহণ করে (আদায় করে নাও)। এরপর যখন নিরাপদ হবে তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তিনি তোমাদেরকে শিখিয়েছেন, যা তোমরা জানতে না।
আর তোমাদের মধ্যে যারা মারা যায় এবং রেখে যায় স্ত্রীদের, তাদের স্ত্রীদের জন্য এক বছরের ভরণ - পোষণের ওসিয়ৎ হওয়া চাই, তাদের বহিস্কার না ক’রে, কিন্তু তারা যদি চলে যায় তবে তোমাদের উপরে অপরাধ হবে না যা তারা নিজেদের ব্যাপারে সুসঙ্গতভাবে করে। আর মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।
অল্লাযীনা ইয়ুতাওয়াফ্ফাওনা মিন্কুম্ অইয়াযারূনা আয্ওয়াজ্বাওঁ অছিয়্যাতাল লিআয্ওয়া-জ্বিহিম্ মাতা-'আন্ ইলাল্ হাওলি গাইরা ইখ্রা-জ্বিন ফাইন্ খারাজ্ব ্না ফালা-জ্ব ুনা-হা 'আলাইকুম্ ফী মা- ফা'আল্না ফীয় আন্ফুসিহিন্না মিম্ মা'রূফ 'অল্লা-হু 'আযীযুন্ হাকীম্।
আর তোমাদের মধ্য থেকে যারা মারা যাবে এবং স্ত্রীদেরকে রেখে যাবে, তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য এক বছরের ভরণ-পোষণের ওসিয়ত করবে বের না করে দিয়ে; কিন্তু যদি তারা (স্বেচ্ছায়) বের হয়ে যায়, তাহলে তারা নিজদের ব্যাপারে বিধি মোতাবেক যা করেছে, সে ব্যাপারে তোমাদের কোন পাপ
আর তালাক দেয়া নারীদের জন্যে ব্যবস্থা চাই পুরোদস্তুর মতে, ধর্মপরায়ণদের জন্য একটি কর্তব্য।
অলিল্ মুত্বোয়াল্লাক্বা-তি মাতা-'উম্ বিল্মা'রূফ্ হাক্ব্ ্ক্বান্ 'আলাল মুত্তাক্বীন্।
আর তালাকপ্রাপ্তা নারীদের জন্য থাকবে বিধি মোতাবেক ভরণ-পোষণ। (এটি) মুত্তাকীদের উপর আবশ্যক।
এইভাবে তোমাদের জন্য তাঁর বাণীসমূহ সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন যেন তোমরা বুঝতে পার।
কাযা-লিকা ইয়ুবাইয়্যিনুল্লা-হু লাকুম্ আ-ইয়া- তিহী লা'আল্লাকুম্ তা'ক্বিলূন্।
এভাবে তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দেন, যাতে তোমরা উপলব্ধি কর ।
তুমি কি তাদের বিষয়ে ভাব নি যারা তাদের বাড়িঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিল মৃত্যুর ভয়ে, আর তারা হাজারে হাজারে ছিল? তারপর তাদের বললেন - - ''তোমরা মরো’’ এরপর তিনি তাদের জীবনদান করলেন। নিঃসন্দেহ অবশ্যই মানুষের প্রতি অশেষ করুণাময়, কিন্তু অধিকাংশ লোকেই শুকুরানা আদায় করে না।
আলাম্ তারা ইলাল্লাযীনা খারাজ্ব ূ মিন্ দিয়া-রিহিম্ অ হুম উলূফুন্ হাযারাল্ মাওতি ফাক্বা-লা লাহুমুল্লা-হু মূতূ ছুম্মা আহ্ইয়া-হুম্ ইন্নাল্লা-হা লাযূফাদ্ব্লিন্ 'আলান না-সি অলা-কিন্না আক্ছারান্না-সি লা-ইয়াশ্কুরূন্।
তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা তাদের গৃহসমূহ থেকে বের হয়েছে মৃত্যুর ভয়ে এবং তারা ছিল হাজার-হাজার? অতঃপর তাদেরকে বললেন, ‘তোমরা মরে যাও’! তারপর তিনি তাদেরকে জীবিত করলেন। নিশ্চয় তো মানুষের উপর অনুগ্রহশীল। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ শুকরিয়া আদায় করে না।
আর র রাস্তায় সংগ্রাম করো, আর জেনে রেখো - - নিঃসন্দেহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
অক্বা-তিলূ ফী সাবীলিল্লা-হি অ'লামূ য় আন্নাল্লা-হা সামী'উন 'আলীম্।
আর তোমরা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই কর এবং জেনে রাখ নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
কে আছে যে কে কর্জ দেবে সর্বাঙ্গসুন্দর ঋণ? তিনি তখন তা বাড়িয়ে দেবেন তার জন্য বহুগুণিত করে। আর গ্রহণ করেন ও তিনি সম্প্রসারণ করেন আর তাঁরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।
মান্যাল্লাযী ইউক্ব ্রিদ্ব ুল্লা-হা র্ক্বাদ্বোয়ান্ হাসানান্ ফাইয়ুদ্বোয়া-'ইফাহূ লাহূয় আদ্ব্'আ-ফান্ কাছীরাহ্ অল্লা-হু ইয়াক্ব ্ বিদ্ব ু অইয়াব্সুত্ব ু অইলাইহি র্তুজ্বা'ঊন্।
কে আছে, যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে, ফলে তিনি তার জন্য বহু গুণে বাড়িয়ে দেবেন? আর সংকীর্ণ করেন ও প্রসারিত করেন এবং তাঁরই নিকট তোমাদেরকে ফিরানো হবে।
তুমি কি মূসার পরবর্তীকালে ইসরাইলের বংশধরদের প্রধানদের বিষয়ে ভেবে দেখ নি, যখন তারা তাদের নবীকে বলেছিল - - ''আমাদের জন্য একজন রাজা উত্থাপন করো যেন আমরা র পথে লড়তে পারি’’? তিনি বলেছিলেন - - ''এমনটা কি তোমাদের হবে যে তোমাদের জন্য যুদ্ধ বিধিবদ্ধ করা হলে তোমরা যুদ্ধ করবে না?’’ তারা বলেছিল - - ''আমাদের কী হয়েছে যে আমরা র পথে যুদ্ধ করবো না যখন আমরা আমাদের বাড়িঘর ও সন্তান - সন্ততি থেকে বিতাড়িত হয়েছি?’’ কিন্তু যখন তাদের জন্য যুদ্ধ বিধিবদ্ধ করা হলো, তারা ফিরে দাঁড়াল তাদের মধ্যের অল্প কয়েকজন ছাড়া। আর অন্যায়কারীদের সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
আলাম্ তারা ইলাল্ মালায়ি মিম্ বানী য় ইস্রা - য়ীলা মিম্ বা'দি মূসা। ইয্ ক্বা-লূ লিনাবিয়্যিল্ লা-হুমুব্'আছ লানা-মালিকান্ নুক্বা-তিল্ ফী সাবীলিল্লা-হ্ ক্বা-লা হাল্ 'আসাইতুম্ ইন্ কুতিবা 'আলাইকুমুল্ ক্বিতা-লু আল্লা-তুক্বা-তিলূ ক্বা-লূ অমা-লানায় আল্লা-নুক্বা-তিলা ফী সাবীলিল্লা-হি অক্বাদ্ উখ্রিজ্ব্ ্না- মিন দিয়া-রিনা-অআব্না - য়িনা ফালাম্মা-কুতিবা 'আলাইহিমুল্ ক্বিতা-লু তাওয়াল্লাও ইল্লা-ক্বালীলাম্ মিন্হুম্ অল্লা-হু 'আলীমুম্ বিজ্জোয়া-লিমীন্।
তুমি কি মূসার পর বনী ইসরাঈলের প্রধানদেরকে দেখনি? যখন তারা তাদের নবীকে বলেছিল, ‘আমাদের জন্য একজন রাজা পাঠান, তাহলে আমরা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করব’। সে বলল, ‘এমন কি হবে যে, যদি তোমাদের উপর লড়াই আবশ্যক করা হয়, তোমরা লড়াই করবে না’? তারা বলল, আমাদের কী হয়েছে যে
আর তাদের নবী তাদের বলেছিলেন - - ''নিশ্চয়ই এখন তোমাদের জন্য তালুতকে রাজা করেছেন।’’ তারা বললে - - ''সে কেমন ক’রে আমাদের উপরে রাজত্ব পেতে পারে যখন রাজত্বে তার চাইতে আমাদেরই বেশী দাবী, আর তাকে ধনদৌলতের প্রাচুর্যও প্রদান করা হয় নি? তিনি বললেন - - ''নিশ্চয় তাকে মনোনীত করেছেন তোমাদের উপরে, আর তিনি তাকে অগাধভাবে প্রাচুর্যও দিয়েছেন জ্ঞানে ও দেহে। আর তাঁর রাজত্ব দেন যাকে ইচ্ছে করেন, কারণ সর্বব্যাপ্ত, সর্বজ্ঞাতা।’’
অক্বা-লা লাহুম্ নাবিয়্যুহুম্ ইন্নাল্লা-হা ক্বাদ্ বা'আছা লাকুম্ ত্বোয়া-লূতা মালিকা- ক্বা-লূ য় আন্না- ইয়াকূনু লাহুল্ মুল্কু 'আলাইনা- অনাহ্নু আহাক্ব ্ক্ব ু বিল্মুল্কি মিন্হু অলাম্ ইয়ুতা সা'আতাম্ মিনাল্ মা-ল্ ক্বা-লা ইন্নাল্লা-হাছ্ ত্বোয়াফা-হু 'আলাইকুম্ অযা-দাহূ বাস্ত্বোয়াতান্ ফিল 'ইল্মি অল্জ্বিস্ম্ অল্লা-হু ইয়ুতী মুল্কাহূ মাইঁ ইয়াশা - উ্ অল্লা-হু ওয়া-সি'উন্ 'আলীম্।
আর তাদেরকে তাদের নবী বলল, নিশ্চয় তোমাদের জন্য তালূতকে রাজারূপে পাঠিয়েছেন। তারা বলল, ‘আমাদের উপর কীভাবে তার রাজত্ব হবে, অথচ আমরা তার চেয়ে রাজত্বের অধিক হকদার? আর তাকে সম্পদের প্রাচুর্যও দেয়া হয়নি’। সে বলল, ‘নিশ্চয় তাকে তোমাদের উপর মনোনীত করেছ
আর তাদের নবী তাদের বলেছিলেন - - ''নিঃসন্দেহ তার রাজত্বের লক্ষণ এই যে তোমাদের কাছে আসবে 'তাবুত’ যাতে আছে তোমাদের প্রভুর তরফ থেকে প্রশান্তি, এবং মূসার বংশধরেরা ও হারূনের অনুগামীরা যা ছেড়ে গেছেন তার শ্রেষ্ঠাংশ, - - তা বহন করছে ফিরিশ্তারা। নিঃসন্দেহ এতে আছে তোমাদের জন্য নিদর্শন যদি তোমরা হয়ে থাকো।
অক্বা-লা লাহুম্ নাবিয়্যুহুম্ ইন্না আ-ইয়াতা মুল্কিহীয় আইঁ ইয়াতিয়াকুমুত্ তা-বূতু ফীহি সাকীনাতুম্ র্মি রব্বিকুম্ অবাক্বিয়্যাতুম্ মিম্মা- তারাকা আ-লু মূসা-ওয়াআ-লু হা-রূনা তাহ্মিলুহুল্ মালা - য়িকাহ ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়াতাল্লাকুম্ ইন্ কুনতুম্ ম'ু'মিনীন্।
আর তাদেরকে তাদের নবী বলল, নিশ্চয় তার রাজত্বের নিদর্শন এই যে, তোমাদের নিকট তাবূত* আসবে, যাতে থাকবে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে প্রশান্তি এবং মূসার পরিবার ও হারূনের পরিবার যা রেখে গিয়েছে তার অবশিষ্ট, যা বহন করে আনবে ফেরেশতাগণ। নিশ্চয় তাতে রয়েছে তোমাদের জন্য নিদর
তারপর তালুত যখন সৈন্যদল নিয়ে অভিযান করলেন তখন বললেন - - ''নিশ্চয় তোমাদের পরীক্ষা করবেন একটি নদী দিয়ে; তাই যে কেউ তার থেকে পান করবে সে আমার নয়, আর যে এর স্বাদ গ্রহণ করবে না সে নিঃসন্দেহ আমার, শুধু সে ছাড়া যে তার হাতে কোষ - পরিমাণ পান করে।’’ কিন্তু তাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া তারা তা থেকে পান করেছিল। তারপর তিনি যখন উহা পার হয়ে গেলেন, তিনি ও যারা তাঁর সাথে ঈমান এনেছে, তারা বললে - - ''আজ আমাদের শক্তি নেই জালুত এবং তার সৈন্যদলের বিরুদ্ধে।’’ যারা নিশ্চিত ছিল যে তারা অবশ্যই র সাথে মুলাকাত করতে যাচ্ছে, তারা বললে - - ''কতবার ছোট দল র হুকুমে বড় দলকে পরাজিত করেছে, আর অধ্যবসায়ীদের সাথে আছেন’’।
ফালাম্মা-ফাছোয়ালা ত্বোয়া-লূতু বিল্জ্ব ুনূ দি ক্বা-লা ইন্নাল্লা-হা মুব্তালীকুম্ বিনাহারিন্ ফামান্ শারিবা মিন্হু ফালাইসা মিন্নী অমাল্লাম্ ইয়াত্ব ্'আম্হু ফাইন্নাহূ মিন্নীয় ইল্লা-মানিগ্ তারাফা র্গুফাতাম্ বিয়াদিহী ফাশারিবূ মিন্হু ইল্লা-ক্বালীলাম্ মিন্হুম্ ফালাম্মা-জ্বা-ওয়াযাহূ হুওয়া অল্লাযীনা আ-মানূ মা'আহূ ক্বা-লূ লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানাল্ ইয়াওমা বিজ্বা-লূতা অজ্ব ুনূ দিহ্ ক্বা-লাল্লাযীনা ইয়াজুন্ন ূনা আন্নাহুম্ মুলা-ক্ব ুল্লা-হি কাম্ মিন্ ফিয়াতিন্ ক্বালী লাতিন্ গালাবাত্ ফিয়াতান্ কাছীরাতাম্ বিইয্নিল্লা-হ্ অল্লা-হু মা'আছ্ ছোয়া-বিরীন্।
অতঃপর যখন তালূত সৈন্যবাহিনী নিয়ে বের হল, তখন সে বলল, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে একটি নদী দ্বারা পরীক্ষা করবেন। অতএব, যে তা হতে পান করবে, সে আমার দলভুক্ত নয়। আর যে তা খাবে না, তাহলে নিশ্চয় সে আমার দলভুক্ত। তবে যে তার হাত দিয়ে এক আজলা পরিমাণ খাবে, সে ছাড়া; কি
আর যখন তারা জালুতের ও তার সৈন্যদলের মুখোমুখি হলো, তারা বললে - - ''আমাদের প্রভু! আমাদের প্রতি অধ্যবসায় বর্ষণ করো, আর আমাদের পদক্ষেপ মজবুত করো, আর অবিশ্বাসী দলের বিরুদ্ধে সাহায্য করো।’’
অলাম্মা-বারাযূ লিজ্বা-লূতা অজ্ব ুনূদিহী ক্বা-লূ রব্বানায় আফ্রিগ্ 'আলাইনা-ছোয়াব্রাওঁ অছাব্বিত্ আক্ব ্দা-মানা-অর্ন্ছুনা-'আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্।
আর যখন তারা জালূত ও তার সৈন্যবাহিনীর মুখোমুখি হল, তখন তারা বলল, ‘হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন, আমাদের পা স্থির রাখুন এবং আমাদেরকে জাতির বিরুদ্ধে সাহায্য করুন’।
অতএব র হুকুমে তারা তাদের পরাজিত করল, আর দাউদ হত্যা করলেন জালুতকে, আর তাঁকে রাজত্ব ও জ্ঞান দিলেন, আর তাঁকে শেখালেন যা তিনি ইচ্ছা করলেন। আব মানুষদের যদি র প্রতিহতকরণ না হতো - - তাদের এক দলকে অন্য দলের দ্বারা - - তবে পৃথিবী নিঃসন্দেহ অরাজকতাপূর্ণ হতো। কিন্তু সমস্ত সৃষ্টজগতের প্রতি অশেষ কৃপাময়।
ফাহাযামূ হুম্ বিইয্নিল্লা-হি অক্বাতালা দা-ঊদু জ্বা-লূতা অআ-তা-হুল্লাহুল্ মুল্কা অল্ হিক্মাতা অআল্লামাহূ মিম্মা-ইয়াশা - উ অলাও লা- দাফ্'উল্লা-হিন্ না-সা বা'দ্বোয়াহুম্ বিবা'দ্বিল্ লা ফাস্সাদাতিল্ র্আদ্ব ু অলা-কিন্নাল্লা-হা যূ ফাদ্ব্লিন্ 'আলাল্ 'আ-লামীন্।
অতঃপর তারা আল্লাহর হুকুমে তাদেরকে পরাজিত করল এবং দাঊদ জালূতকে হত্যা করল। আর দাঊদকে রাজত্ব ও প্রজ্ঞা দান করলেন এবং তাকে যা ইচ্ছা শিক্ষা দিলেন। আর যদি মানুষের কতককে কতকের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে অবশ্যই যমীন ফাসাদপূর্ণ হয়ে যেত। কিন্তু আল্ল
এইসব হচ্ছে র বাণী, আমরা তোমার কাছে তা পাঠ করছি যথাযথভাবে, আর নিঃসন্দেহ তুমি রসূলদের অন্যতম।
তিল্কা আ-ইয়া-তুল্লা-হি নাত্লূহা-'আলাইকা বিল্হাক্বি অইন্নাকা লামিনাল্ র্মুসালীন্।
এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার উপর যথাযথভাবে তিলাওয়াত করি। আর নিশ্চয় তুমি রাসূলগণের অন্তর্ভুক্ত।
এইসব রসূল - - তাঁদের কাউকে আমরা অপর কারোর উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাঁদের মধ্যে কারোর সাথে কথা বলছেন এবং তাঁদের কাউকে তিনি বহুস্তর উন্নত করেছেন। আর আমরা মরিয়মের পুত্র ঈসাকে দিয়েছিলাম স্পষ্ট প্রমাণাবলী, আর আমরা তাঁকে বলীয়ান করি রূহুল ক্কুদুস্ দিয়ে। আর যদি ইচ্ছা করতেন তবে তাঁদের পরবর্তীরা পরস্পর বিবাদ করতো না তাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণাবলী আসার পরেও, কিন্তু তারা মতবিরোধ করলো, কাজেই তাদের মধ্যে কেউ ঈমান আনলো ও তাদের কেউ অবিশ্বাস পোষণ করলো। কিন্তু যদি ইচ্ছা করতেন তবে তারা পরস্পর লড়াই করতো না, কিন্তু যা ইচ্ছা করেন তাই করে থাকেন।
তির্ল্কা রুসুলু ফাদ্দে¦ায়াল্না-বা'দ্বোয়াহুম্ 'আলা-বা'দ্ব্। মিন্হুম্ মান্ কাল্লামাল্লা-হু অরাফা'আ বা'দ্বোয়া-হুম্ দারাজ্বা-ত্ অ আ-তাইনা-'ঈসাব্না র্মাইয়ামাল্ বাইয়্যিনা-তি অআইইয়াদ্না-হু বিরূহিল ্ ক্ব ুদুস্ অলাও শা - আল্লা-হু মাক্ব ্তাতালাল্ লাযীনা মিম্ বা'দিহিম্ মিম্ বা'দি মা- জ্বা - আত্হুমুল্ বাইয়্যিনা-তু অলা-কিনিখ্ তালাফূ ফামিন্হুম্ মান্ আ-মানা অমিন্হুম্ মান্ কার্ফা অলাও শা - আল্লা-হু মাক্ব ্তাতালূ অলা-কিন্নাল্লা-হা ইয়াফ্'আলু মা-ইয়ুরীদ্।
ঐ রাসূলগণ, আমি তাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি, তাদের মধ্যে কারো সাথে কথা বলেছেন এবং কারো কারো মর্যাদা উঁচু করেছেন। আর আমি ঈসা ইবনে মারয়ামকে দিয়েছি সুস্পষ্ট প্রমাণাদি এবং আমি তাকে শক্তিশালী করেছি রূহুল কুদুস এর মাধ্যমে। আর যদি ইচ্ছা ক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! আমরা তোমাদের যা রিযেক দিয়েছি তা থেকে তোমরা খরচ করো সেই দিন আসবার আগে যে দিন দরদস্তুর করা চলবে না, বা বন্ধুত্ব থাকবে না বা সুপারিশ টিকবে না। আর অবিশ্বাসীরা - - তারাই অন্যায়কারী।
ইয়া য় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূ য় আন্ফিক্ব ূ মিম্মা-রাযাক্ব ্না-কুম্ মিন্ ক্বাব্লি আইঁ ইয়াতিয়া ইয়াওমুল্লা-বাই'উন্ ফীহি অলা-খুল্লাতুওঁ অলা-শাফা-'আহ্ অল্কা-ফিরূনা হুমুজ জোয়া-লিমূন্।
হে মুমিনগণ, আমি তোমাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা হতে ব্যয় কর, সে দিন আসার পূর্বে, যে দিন থাকবে না কোন-বেচাকেনা, না কোন বন্ধুত্ব এবং না কোন সুপারিশ। আর কাফিররাই যালিম।
- - তিনি ছাড়া অন্য উপাস্য নেই, - - চিরজীবন্ত, সদা - বিদ্যমান, তন্দ্রা তাঁকে অভিভূত করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। তাঁরই হচ্ছে যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে এবং যা - কিছু পৃথিবীতে। কে আছে যে তাঁর দরবারে সুপারিশ করতে পারে তার অনুমতি ছাড়া? তিনি জানেন কি আছে তাদের সামনে এবং কি আছে তাদের পেছনে; আর তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা ধারণা করতে পারে না তিনি যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। তাঁর মহাসিংহাসন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে ব্যাপ্ত; এদের উভয়ের হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না, আর তিনি সর্বোচ্চে অধিষ্ঠিত, মহামহিম।
আল্লা-হু লা য় ইলা-হা ইল্লা-হুয়াল্ হাইয়্যুল কাইয়্যূ-ম্ লা-তা'খুযুহূসিনাতুওঁ অলা-নাওম্ লাহূ মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্ব্ মান্ যাল্লাযী ইয়াশ্ফা'উ 'ইন্দাহূ য় ইল্লা-বিইয্নিহ্ ইয়া'লামু মা-বাইনা আইদী হিম্ অমা-খাল্ফাহুম্ অলা-ইয়ুহীত্ব ূনা বিশাইয়িম্ মিন্ 'ইলমিহী য় ইল্লা-বিমা-শা - আ অসি'আ র্কুসি ইয়্যু হুস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বোয়া অলা-ইয়ায়ূদুহূ হিফ্জুহুমা- অহুআল্ 'আলিয়্যুল্ 'আজীম্।
! তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি স্বাধীন ও নিত্য নতুন ধারক, সব কিছুর ধারক। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই ত
ধর্মে জবরদস্তি নেই, নিঃসন্দেহ সত্যপথ ভ্রান্তপথ থেকে সুস্পষ্ট করা হয়ে গেছে। অতএব যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং তে ঈমান আনে সেই তবে ধরেছে একটি শক্ত হাতল, - - তা কখনো ভাঙবার নয়। আর সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
লা য় ইকরা-হা ফিদ্দীনি ক্বাত্ তাবাইয়্যানার রুশ্দু মিনাল্ গাইয়্যি ফামাইঁ ইয়ার্ক্ফু বিত্ত্বোয়াগূতি অইয়ুমিম্ বিল্লা-হি ফাক্বাদিস্ তাম্সাকা বিল্ 'র্উওয়াতিল্ উছ্ক্বা-লান্ফিছোয়া-মা লাহা- অল্লা-হু সামী'উন্ 'আলীম্।
দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হিদায়াত স্পষ্ট হয়েছে ভ্রষ্টতা থেকে। অতএব, যে ব্যক্তি তাগূতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, অবশ্যই সে মজবুত রশি আঁকড়ে ধরে, যা ছিন্ন হবার নয়। আর সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
তাদের পৃষ্ঠপোষক যারা ঈমান এনেছে, তিনি অন্ধকার থেকে তাদের আলোতে বের করে আনেন। আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে তাগুত, তারা আলোক থেকে তাদের বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, তারা তাতে থাকবে দীর্ঘকাল।
আল্লা-হু অলিয়্যুল্লাযীনা আ-মানূ ইয়ুখ্রিজ্ব ুহুম্ মিনাজ্ জুলুমা-তি ইলান নূর অল্লাযীনা কাফারূ য় আওলিয়া - উহুমুত্ব ত্বোয়া-গূতু ইয়ুখ্রিজ্ব ূনাহুম্ মিনান্ নূূরি ইলাজ্ জুলুমা-ত্ উলা - য়িকা আছ্হা-বুন না-রি হুম্ ফীহা-খা-লিদূন্।
যারা ঈমান এনেছে তাদের অভিভাবক, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যারা করে, তাদের অভিভাবক হল তাগূত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারে নিয়ে যায়। তারা আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।
তুমি কি তার কথা ভেবে দেখো নি যে ইব্রাহীমের সাথে তাঁর প্রভুর সন্বন্ধে ঝগড়া করছিল যেহেতু তাঁকে রাজত্ব দিয়েছিলেন? স্মরণ করো! ইব্রাহীম বলেছিলেন - - ''আমার প্রভু তিনি যিনি জীবনদান করেন এবং মৃত্যু ঘটান।’’ সে বলল - - ''আমি জীবন দিয়ে রাখতে পারি এবং মৃত্যু ঘটাতে পারি।’’ ইব্রাহীম বলেছিলেন - - '' কিন্তু সূর্যকে পূর্বদিক থেকে নিয়ে আসেন তুমি তাহলে তাকে পশ্চিমদিক থেকে নিয়ে এস।’’ এইভাবে সে হেরে গেল যে অবিশ্বাস পোষণ করেছিল। আর জুলুমকারী জাতিকে হেদায়ত করেন না।
আলাম্ তারা ইলাল্লাযী হা - জ্জ্বা ইব্রা-হীমা ফী রাব্বিহী য় আন্ আ-তা-হুল্লা-হুল্ মুল্ক্ ইয্ ক্বা-লা ইব্রা-হীমু রব্বিয়াল্লাযী ইয়ুহ্য়ী অইয়ুমীতু ক্বা-লা আনা উহ্য়ী অউমীত্ ক্বা-লা ইব্রা-হীমু ফাইন্নাল্লা-হা ইয়াতী বিশ্শাম্সি মিনাল্ মাশ্রিক্বি ফা”তি বিহা-মিনাল্ মাগরিবি ফাবুহিতাল্লাযী কার্ফা অল্লা-হু লা-ইয়াহ্দিল্ ক্বাওমাজ জোয়া-লিমীন্।
তুমি কি সে ব্যক্তিকে দেখনি, যে ইবরাহীমের সাথে তার রবের ব্যাপারে বিতর্ক করেছে যে, তাকে রাজত্ব দিয়েছেন? যখন ইবরাহীম বলল, ‘আমার রব তিনিই’ যিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। সে বলল, আমিই জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটাই। ইবরাহীম বলল, নিশ্চয় পূর্বদি
অথবা, তাঁর কথা যিনি যাচ্ছিলেন এক শহরের পাশ দিয়ে, আর তা ভেঙ্গে পড়েছিল তার ছাদ সহ? তিনি বলেছিলেন - - ''কেমন ক’রে একে পুনরুজ্জীবিত করবেন তার মৃত্যুর পরে?’’ এরপর তাঁকে শতবৎসরকাল মৃতবৎ করে রাখলেন, তারপর তিনি তাঁকে পুনরুত্থিত করলেন। তিনি বললেন - - ''কত সময় তুমি কাটিয়েছ?’’ তিনি বললেন - - ''আমি কাটিয়েছি একটি দিন, বা এক দিনের কিছু অংশ।’’ তিনি বললেন - - ''না, তুমি কাটিয়েছ একশত বছর, কাজেই তোমার খাদ্য ও তোমার পানীয়ের দিকে তাকাও, বয়স উহাকে বয়স্ক করে নি, আর তোমার গাধার দিকে তাকাও, আর যেন তোমাকে মানবগোষ্ঠীর জন্য নিদর্শন করতে পারি, আর এই হাড়গুলোর দিকে তাকাও, কেমন ক’রে আমরা সে - সব গুছিয়েছি ও সেগুলোকে মাংস দিয়ে ঢেকেছি।’’ আর যখন তাঁর কাছে পরিস্কার হলো তিনি বললেন - - ''আমি এখন জানি যে সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।’’
আওকাল্লাযী র্মারা 'আলা-র্ক্বাইয়াতিওঁ অহিয়া খা-ওয়িইয়াতুন্ 'আলা- 'উরূশিহা-ক্বা-লা আন্না-ইয়ুহ্য়ী হা-যিহিল্লা-হু বা'দা মাওতিহা- ফাআমা-তাহুল্লা-হু মিআতা 'আ-মিন্ ছুম্মা বা'আছাহ্ ক্বা-লা কাম্ লাবিছ্ত্ ক্বা-লা লাবিছ্তু ইয়াওমান্ আও বা'দ্বোয়া ইয়াওম্ ক্বা-লা বাল্ লাবিছ্তা মিআতা 'আ-মিন্ ফার্ন্জু ইলা-ত্বোয়া'আ-মিকা অশারা-বিকা লাম্ ইয়াতাসান্নাহ্ ওয়ার্ন্জু ইলা-হিমা-রিকা অ লিনাজ্ব্ ্'আলাকা আ-ইয়াতাল লিন্না-সি ওয়ার্ন্জু ইলাল্ 'ইজোয়া-মি কাইফা নুন্শিযুহা-ছুম্মা নাক্সূহা-লাহ্মা ফালাম্মা-তাবাইয়্যানা লাহূ ক্বা-লা আ'লামু 'আন্নাল্লা-হা 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ ক্বার্দী।
অথবা সে ব্যক্তির মত, যে কোন জনপদ অতিক্রম করছিল, যা তার ছাদের উপর বিধ্বস্ত ছিল। সে বলল, ‘ একে কিভাবে জীবিত করবেন মরে যাওয়ার পর’? অতঃপর তাকে এক’শ বছর মৃত রাখলেন। এরপর তাকে পুনর্জীবিত করলেন। বললেন, ‘তুমি কতকাল অবস্থান করেছ’? সে বলল, ‘আমি একদিন অ
আর স্মরণ করো! ইব্রাহীন বললেন - - ''আমার প্রভু! আমাকে দেখাও কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করো।’’ তিনি বললেন - - ''তুমি কি বিশ্বাস করো না?’’ তিনি বললেন,''না, তবে যাতে আমার হৃদয় শান্ত হয়।’’ তিনি বললেন - - ''তা হলে পাখীদের চারটি তুমি নাও ও তাদের তোমার প্রতি অনুগত করো, তারপর প্রতিটি পাহাড়ে তাদের এক একটি অংশ স্থাপন করো, তারপর তাদের ডাক দাও, তারা ছুটে আসবে তোমার কাছে। আর জেনে রেখো, নিঃসন্দেহ মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।’’
অইয্ ক্বা-লা ইব্রা-হীমু রব্বি আরিনী কাইফা তুহ্য়িল মাওতা ক্বা-লা আওয়ালাম্ তুমিন্ ক্বা-লা বালা-অলা-কিল্ লিইয়াত্ব ্মায়িন্না ক্বাল্বী ক্বা-লা ফাখুয্ আরবা'আতাম্ মিনাত্ব ত্বোয়াইরি ফাছুরহুন্না ইলাইকা ছুম্মাজ্ব্ ্ 'আল্ 'আলা-কুল্লি জ্বাবালিম্ মিন্হুন্না জ্ব ুয্য়ান্ ছুম্মাদ্'উহুন্না ইয়া'তীনাকা সা'ইয়া- অ'লাম্ আন্নাল্লা-হা' আযীযুন্ হাকীম্।
আর যখন ইবরাহীম বলল ‘হে, আমার রব, আমাকে দেখান, কিভাবে আপনি মৃতদেরকে জীবিত করেন। তিনি বললেন, তুমি কি বিশ্বাস করনি’? সে বলল, ‘অবশ্যই হ্যাঁ, কিন্তু আমার অন্তর যাতে প্রশান্ত হয়’। তিনি বললেন, ‘তাহলে তুমি চারটি পাখি নাও। তারপর সেগুলোকে তোমার প্রতি পোষ মানাও। অতঃ
যারা তাদের ধনসম্পত্তি র পথে খরচ করে তাদের উপমা হচ্ছে একটি শস্যবীজের উপমার ন্যায়, তা উৎপাদন করে সাতটি শিষ, প্রতিটি শিষে থাকে একশত শস্য। আর বহুগুণিত করেন যার জন্য ইচ্ছা করেন, কারণ , মহাদানশীল সর্বজ্ঞাতা।
মাছালুল্লাযীনা ইয়ুন্ফিক্ব ূনা আম্ওয়া-লাহুম্ ফী সাবীলিল্লা-হি কামাছালি হাব্বাতিন্ আম্বাতাত্ সাব্'আ সানা-বিলা ফী কুল্লি সুম্বুলাতিম্ মিয়াতু হাব্বাহ্ অল্লা-হু ইয়ুদ্বোয়া-'ইফু লিমাইঁ ইয়াশা - উ অল্লা-হু ওয়া-সি'উন 'আলীম্।
যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মত, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে একশ’ দানা। আর যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
যারা তাদের ধনসম্পত্তি র পথে খরচ ক’রে, তারপর যা তারা খরচ করেছে তারা তার পশ্চাদ্ধাবন করে না কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করতে বা আঘাত হানতে, তাদের জন্য পুরস্কার আছে তাদের প্রভুর দরবারে, কাজেই তাদের উপরে কোনো ভয় নেই, আর তারা নিজেরা অনুতাপও করবে না।
আল্লাযীনা ইয়ুন্ফিক্ব ূনা আম্ওয়া-লাহুম্ ফী সাবীলিল্লা-হি ছুম্মা লা-ইয়ুত্বি'ঊনা মায় আন্ফাক্ব ূমান্নাওঁ অলায় আযাল্লাহুম্ আজ্ব ্রুহুম 'ইন্দা রব্বিহিম্ অলা-খাওফুন্ 'আলাইহিম্ অলা-হুম্ ইয়াহ্যানূন্।
যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ ব্যয় করে, অতঃপর তারা যা ব্যয় করেছে, তার পেছনে খোঁটা দেয় না এবং কোন কষ্টও দেয় না, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট তাদের প্রতিদান রয়েছে এবং তাদের কোন ভয় নেই, আর তারা চিন্তিত হবে না।
সদয় আলাপ এবং ক্ষমা করা বহু ভালো সেই দানের চেয়ে যাকে অনুসরণ করা হয় উৎপীড়ন দিয়ে। আর স্বয়ং - সমৃদ্ধ, ধৈর্যশীল।
ক্বাওলুম্ মা'রূফুওঁ অ মাগ্ফিরাতুন্ খাইরুঁম্ মিন্ ছদাক্বাতিইঁ ইয়াত্বা'উহায় আযান্ অল্লা-হু গানিয়্যুন্ হালীম্।
উত্তম কথা ও ক্ষমা প্রদর্শন শ্রেয়, যে দানের পর কষ্ট দেয়া হয় তার চেয়ে। আর অভাবমুক্ত, সহনশীল।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের দানখয়রাতকে ব্যর্থ করে দিয়ো না কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করে ও আঘাত হেনে, তার মতো যে তার ধনসম্পত্তি খরচ করে লোকদের দেখানোর জন্যে এবং যে ঈমান আনে না র প্রতি ও আখেরাতের দিনে। কাজেই তার উদাহরণ হচ্ছে মসৃণ পাথরের উপমার মতো, যার উপরে আছে ধুলোমাটি, তখন তার উপরে নামে ঝড়বৃষ্টি, গতিকে তাকে ফেলে রাখে খালি করে! তারা যা অর্জন করেছে তার কোনো - কিছুর উপরেও তাদের কর্তৃত্ব থকে না। আর অবিশ্বাসী লোকদের হেদায়ত করেন না।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূ লা-তুব্ত্বিলূ ছদাক্বা-তিকুম্ বিল্মান্নি অল্আযা- কাল্লাযী ইয়ুন্ফিক্ব ু মা-লাহূ রিয়া - আন না-সি অলা-ইয়ু”মিনু বিল্লা-হি অল্ইয়াওমিল্ আ-খির ফামাছালুহূ কামাছালি ছোয়াফ্ওয়া-নিন্ 'আলাইহি তুরা-বুন্ ফাআছোয়া-বাহূ ওয়া-বিলুন্ ফাতারাকাহূ ছোয়াল্দা- লা-ইয়াক্ব ্দিরূনা 'আলা- শাইয়িম্ মিম্মা-কাসাবূ অল্লা-হু লা-ইয়াহ্দিল্ ক্বাওমাল্ কা-ফিরীন্।
হে মুমিনগণ, তোমরা খোঁটা ও কষ্ট দেয়ার মাধ্যমে তোমাদের সদাকা বাতিল করো না। সে ব্যক্তির মত, যে তার সম্পদ ব্যয় করে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে এবং বিশ্বাস করে না ও শেষ দিনের প্রতি। অতএব তার উপমা এমন একটি মসৃণ পাথর, যার উপর রয়েছে মাটি। অতঃপর তাতে প্রবল বৃষ্টি
আর যারা তাদের ধনদৌলত খরচ করে র সন্তষ্টি কামনা ক’রে এবং তাদের আত্মার দৃঢ়প্রত্যয় জন্মাবার জন্যে, তাদের উদাহরণ হচ্ছে টিলার উপরের বাগানের উপমার মতো, যার উপরে নামে বৃষ্টিধারা, তাতে তার ফল দ্বিগুণ হয়ে আসে, আর যদি তাতে বৃষ্টিধারা নাও নামে তবে শিশিরপাত। আর তারা যা করে তার দর্শক।
অমাছালুল লাযীনা ইয়ুন্ফিক্ব ূ না আম্ওয়া-লাহুমুব্ তিগা - আ র্মাদ্বোয়া-তিল্লা-হি অতাছ্বীতাম মিন্ আন্ফুসিহিম্ কামাছালি জ্বান্নাতিম্ বিরাব্ওয়াতিন্ আছোয়া-বাহা-ওয়া-বিলুন্ ফাআ-তাত্ উকুলাহা-দ্বি'ফাইনি ফাইল্ লাম্ ইয়ুছিব্হা-ওয়া-বিলুন্ ফাত্বোয়াল্ অল্লা-হু বিমা-তা'মালূনা বার্ছী।
আর যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ ও নিজদেরকে সুদৃঢ় রাখার লক্ষ্যে সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা উঁচু ভূমিতে অবস্থিত বাগানের মত, যাতে পড়েছে প্রবল বৃষ্টি। ফলে তা দ্বিগুণ ফল-ফলাদি উৎপন্ন করেছে। আর যদি তাতে প্রবল বৃষ্টি নাও পড়ে, তবে হালকা বৃষ্টি (যথেষ্ট)। আর ত
তোমাদের মধ্যে কি কেউ আশা করে যে তার খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হোক, যার নিচে দিয়ে বয়ে চলে ঝরনারাজি, অথচ তার সন্তানরা দুর্বল, এমতাবস্থায় তাকে পাকড়ালো ঘুর্ণিঝড়ে, যাতে রয়েছে আগুনের হলকা, ফলে তা পুড়ে গেল! এইভাবে তোমাদের জন্য তাঁর বাণীসমূহ সুস্পষ্ট করে থাকেন যেন তোমরা চিন্তা করতে পার।
আইয়াঅদ্দু আহাদুকুম্ আন্ তাকূনা লাহূ জ্বান্নাতুম্ মিন্ নাখীলিওঁ অ আ'না-বিন্ তাজ্ব ্রী মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্হা- রু লাহূ ফীহা-মিন্ কুল্লিছ্ ছামারা-তি অআছোয়া-বাহুল্ কিবারু অলাহূ র্যুরিইয়্যাতুন্ দ্ব ু'আফা - উ ফাআছোয়া-বাহায় ই'ছোয়া-রুন্ ফীহি না-রুন্ ফাহ্তারাক্বাত্ কাযা-লিকা ইয়ুবাইয়্যিনুল্লা-হু লাকুমুল্ আ-ইয়া-তি লা'আল্লাকুম্ তা তাফাক্কারূন্।
তোমাদের কেউ কি কামনা করে, তার জন্য আঙ্গুর ও খেজুরের এমন একটি বাগান থাকবে, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নদ-নদী, সেখানে তার জন্য থাকবে সব ধরনের ফল-ফলাদি, আর বার্ধক্য তাকে আক্রান্ত করবে এবং তার জন্য থাকবে দুর্বল সন্তান-সন্ততি। অতঃপর বাগানটিতে আঘাত হানল ঘূর্ণি
ওহে যারা ঈমান এনেছ! খরচ করো ভালো বিষয়বস্তু যা তোমরা উপার্জন কর, আর যা আমরা তোমাদের জন্য মাটি থেকে উৎপাদন করে থাকি তা থেকে, আর যা নিকৃষ্ট তা থেকে খরচ করতে সংকল্প করো না যখন তোমরা নিজেরা তার গ্রহণকারী হও না, এর প্রতি উপেক্ষা করা ছাড়া। আর জেনে রেখো, নিঃসন্দেহ স্বয়ংসমৃদ্ধ, পরম প্রশংসিত।
ইয়ায় আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূয় আন্ফিক্বূ ূ মিন্ ত্বোয়াইয়্যিবা-তি মা-কাসাব্তুম্ অমিম্মায় আখ্রাজ্ব্ ্না-লাকুম্ মিনাল্ র্আদ্বি অলা-তাইয়াম্মামুল্ খাবীছা মিন্হু তুন্ফিক্ব ূনা অলাস্তুম্ বিআ-খিযীহি ইল্লায় আন্ তুগ্মিদ্ব ূ ফীহ্ অ'লামূ য় আন্নাল্লা-হা গানিইয়্যুন্ হামীদ্।
হে মুমিনগণ, তোমরা ব্যয় কর উত্তম বস্ত্ত, তোমরা যা অর্জন করেছ এবং আমি যমীন থেকে তোমাদের জন্য যা উৎপন্ন করেছি তা থেকে এবং নিকৃষ্ট বস্ত্তর ইচ্ছা করো না যে, তা থেকে তোমরা ব্যয় করবে। অথচ চোখ বন্ধ করা ছাড়া যা তোমরা গ্রহণ করো না। আর জেনে রাখ, নিশ্চয় অভাবমু
শয়তান তোমাদের দরিদ্রতার ধমক দেয়, আর তোমাদের তাড়া করে গর্হিত কাজে, অথচ তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেন তাঁর কাছ থেকে পরিত্রাণের এবং প্রাচুর্যের। আর , মহাবদান্য, সর্বজ্ঞাতা।
আশ্ শাইত্বোয়া-নু ইয়া'ইদুকুমুল্ ফাক্ব ্রা অইয়া”মুরুকুম্ বিল্ফাহশায় 'ই অল্লা-হু ইয়া'ইদুকুম্ মাগ্ফিরাতাম্ মিন্হু অফাদ্ব্লা- অল্লা-হু ওয়া-সি'উন্ 'আলীম্।
শয়তান তোমাদেরকে দরিদ্রতার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং অশ্লীল কাজের আদেশ করে। আর তোমাদেরকে তার পক্ষ থেকে ক্ষমা ও অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আর প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
তিনি জ্ঞানদান করেন যাকে ইছে করেন, আর যাকে জ্ঞান দেওয়া হয় তাকে অবশ্যই অপার কল্যাণ দেওয়া হয়েছে। আর বোধশক্তির অধিকারী ছাড়া অন্য কেউ বুঝতে পারে না।
ইয়ুতিল্ হিক্মাতা মাইঁ ইয়াশা - উ অমাইঁ ইয়ু”তাল্ হিক্মাতা ফাক্বাদ্ ঊতিয়া খাইরান্ কাছীরা- অমা-ইয়ায্যাক্কারু ইল্লায়ঊলুল্ আল্বা-ব্।
তিনি যাকে চান প্রজ্ঞা দান করেন। আর যাকে প্রজ্ঞা দেয়া হয়, তাকে অনেক কল্যাণ দেয়া হয়। আর বিবেক সম্পন্নগণই উপদেশ গ্রহণ করে।
আর দানের জন্য যা - কিছু তোমরা খরচ কর, অথবা ব্রতের মধ্যে যাই তোমরা সংকল্প কর, নিঃসন্দেহ তা জানেন। আর অন্যায়কারীদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।
অমায় আন্ফাক্ব ্তুম্ মিন্ নাফাক্বাতিন্ আও নার্যাতুম্ মিন্ নায্রিন্ ফাইন্নাল্লা-হা ইয়া'লামুহ্ অমা-লিজজোয়া-লিমীনা মিন্ আন্ছোয়ার্-।
তোমরা যা কিছু ব্যয় কর অথবা যে কোন মান্নত কর তা অবশ্যই জানেন। আর যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।
তোমরা যদি দানখয়রাত প্রকাশ কর তবে তা কতো ভালো! আর যদি তা গোপন রেখে দরিদ্রদের দান কর তা হলে তোমাদের জন্য তা আরও মঙ্গলময়! আর তোমাদের গর্হিত ক্রিয়াকর্ম হতে তোমাদের এতে প্রায়শ্চিত হবে। আর তোমরা যা করছো তার ওয়াকিফহাল।
ইন্ তুব্দুছ ছদাক্বা-তি ফানি'ইম্মা-হিয়া অইন্ তুখ্ফূহা-অতু”তূ হাল্ ফুক্বারা - আ ফাহুওয়া খাইরুল্লাকুম্ অইয়ুকাফ্ফিরু 'আনকুম্ মিন্ সাইয়্যিআ-তিকুম্ অল্লা-হু বিমা- তা'মালূনা খার্বী।
তোমরা যদি সদাকা প্রকাশ কর, তবে তা উত্তম। আর যদি তা গোপন কর এবং ফকীরদেরকে তা দাও, তাহলে তাও তোমাদের জন্য উত্তম এবং তিনি তোমাদের গুনাহসমূহ মুছে দেবেন। আর তোমরা যে আমল কর, সে সম্পর্কে সম্যক অবহিত।
তাদের হেদায়ত করার দায়িত্ব তোমার উপরে নয়, কিন্তু হেদায়ত করেন যাদের তিনি ইচ্ছা করেন। আর ভালো জিনিসের যা - কিছু তোমরা খরচ কর তা তোমাদের নিজেদের জন্য, আর তোমরা র সন্তষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ছাড়া খরচ করো না। আর ভালো যা - কিছু তোমরা খরচ কর তা তোমাদের পুরোপুরি প্রদান করা হবে, আর তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না।
লাইসা 'আলাইকা হুদা-হুম্ অলা-কিন্নাল্লা-হা ইয়াহ্দী মাইঁ ইয়াশা - উ অমা-তুন্ফিক্ব ূ মিন্ খাইরিন্ ফালিআন্ফুসিকুম্ অমা-তুন্ফিক্ব ূনা ইল্লাব্তিগা - আ অজ্ব ্হিল্লা-হ্ অমা-তুন্ফিক্ব ূ মিন্ খাইরিইঁ ইয়ুঅফ্ফা ইলাইকুম্ অআন্তুম্ লা-তুজ্লামূন্।
তাদেরকে হিদায়াত করার দায়িত্ব তোমার নয়, কিন্তু যাকে চান হিদায়াত করেন এবং তোমরা যে সম্পদ ব্যয় কর, তা তোমাদের নিজদের জন্যই। আর তোমরা তো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ব্যয় কর এবং তোমরা কোন উত্তম ব্যয় করলে তা তোমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে দেয়া হবে। আর তোমাদের প
দরিদ্রদের জন্য যারা র পথে আটকা পড়ে রয়েছে, - - তারা পৃথিবীতে চলাফেরা করতে অপারগ। অজানা লোকে তাদের ধনী বলে ভাবে তাদের বিরত থাকার দরুন। তুমি তাদের চিনতে পারবে তাদের চেহারাতে। তারা লোকের কাছে ধরনা দিয়ে ভিক্ষা করে না। আর ভালো জিনিসের যা - কিছু তোমরা খরচ করো সে - সন্বন্ধে নিশ্চয় সর্বজ্ঞাতা।
লিল্ ফুক্বারা-য়িল্লাযীনা উহ্ছিরূ ফী সাবীলিল্লা-হি লা-ইয়াস্তাত্বী'ঊনা দ্বোর্য়াবান্ ফিল্ র্আদ্বি ইয়াহ্সাবুহুমুল্ জ্বা-হিলু আগ্নিয়া - আ মিনাত তা'আফ্ফুফি তা'রিফুহুম্ বিসীমা-হুম্ লা-ইয়াস্আলূনান্না-সা ইল্হা-ফা- অমা-তুন্ফিক্ব ূমিন্ খাইরিন ফাইন্নাল্লা-হা বিহী 'আলীম্।
(সদাকা) সেসব দরিদ্রের জন্য যারা আল্লাহর রাস্তায় আটকে গিয়েছে, তারা যমীনে চলতে পারে না। না চাওয়ার কারণে অনবগত ব্যক্তি তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তুমি তাদেরকে চিনতে পারবে তাদের চিহ্ন দ্বারা। তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে চায় না। আর তোমরা যে সম্পদ ব্যয় কর, অবশ
যারা তাদের ধনদৌলত দিবারাত্রি গোপনে ও প্রকাশ্যভাবে খরচ করে থাকে, তাদের জন্যে নিজ নিজ পুরস্কার রয়েছে তাদের প্রভুর দরবারে, আর তাদের উপরে কোনো ভয় নেই, আর তারা নিজেরা অনুতাপও করবে না।
আল্লাযীনা ইয়ুন্ফিক্ব ূনা আম্ওয়া-লাহুম্ বিল্লাইলি অন্নাহা-রি র্সিরাওঁ অ'আলা-নিয়াতান্ ফালাহুম্ আজ্ব ্রুহুম্ 'ইন্দা রব্বিহিম অলা-খাওফুন্ 'আলাইহিম্ অলা-হুম্ ইয়াহ্যানূন্।
যারা তাদের সম্পদ ব্যয় করে রাতে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে। অতএব, তাদের জন্যই রয়েছে তাদের রবের নিকট তাদের প্রতিদান। আর তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।
যারা সুদ খায় তারা দাঁড়াতে পারে না তার মতো দাঁড়ানো ছাড়া যাকে শয়তান তার স্পর্শের দ্বারা পাতিত করেছে। এমন হবে কেননা তারা বলে - - ''ব্যবসা - বাণিজ্য তো সুদী - কারবারের মতোই।’’ কিন্তু বৈধ করেছেন ব্যবসা - বাণিজ্য, অথচ নিষিদ্ধ করেছেন সুদখুরি। অতএব যার কাছে তারা প্রভুর তরফ থেকে এই নির্দেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে তার জন্যে যা গত হয়ে গেছে, আর তার ব্যাপার রইল র কাছে। আর যে ফিরে যায় তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, এতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।
আল্লাযীনা ইয়া'কুলূর্না রিবা-লা ইয়াক্ব ূমূনা ইল্লা-কামা-ইয়াক্ব ূমুল্ লাযী ইয়াতাখাব্বাত্ব ুহুশ্ শাইত্বোয়া-নু মিনাল্ মাস্ যা-লিকা বিআন্নাহুম্ ক্বা-লূ য় ইন্নামাল্ বাই'উ মির্ছ্লু রিবা-। অআহাল্লাল্লা-হুল্ বাই'আ অর্হারার্মা রিবা- ফামান্ জ্বা - আহূ মাও'ই জোয়াতুম্ মির রব্বিহী ফান্তাহা-ফালাহূ মা-সালাফ্ অআম্রুহূ য় ইলাল্লা-হ্ অমান্্ 'আ-দা ফাউলা - য়িকা আছ্হা-বুন না-রি হুম্ ফীহা- খা-লিদূন্।
যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার পর সে বিরত হল, যা গত হয়
সুদখুরিকে নিষ্ফল করেছেন, এবং দান - খয়রাতকে অগ্রগামী করেছেন। আর সকল অবিশ্বাসী পাপীকে ভালোবাসেন না।
ইয়াম্হাক্ব ুল্লা-হুর রিবা-অইর্য়ুবিছ্ ছাদাক্বা-তি অল্লা-হু লা-ইয়ুহিব্বু কুল্লা কাফ্ফা-রিন্ আছীম্।
সুদকে মিটিয়ে দেন এবং সদাকাকে বাড়িয়ে দেন। আর কোন অতি কুফরকারী পাপীকে ভালবাসেন না।
নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করে, আর কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তাদের জন্যে নিজ নিজ পুরস্কার রয়েছে তাদের প্রভুর দরবারে, আর তাদের উপরে কোনো ভয় নেই, এবং তারা নিজেরা অনুতাপও করবে না।
ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি অআক্বা-মুছ্ ছলা-তা অআ-তুয্ যাকা-তা লাহুম্ আজ্ব ্রুহুম্ 'ইন্দা রব্বিহিম্ অলা- খাওফুন্ 'আলাইহিম্ অলা-হুম ইয়াহ্যানূন্।
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে এবং কায়েম করে, আর যাকাত প্রদান করে, তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের নিকট প্রতিদান। আর তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! কে ভয় - শ্রদ্ধা করো, আর সুদের বাবদ বকেয়া যা আছে তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা হও।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানুত্তাক্ব ুল্লা-হা অযারূ মা-বাক্বিয়া মির্না রিবায় ইন্ কুন্তুম্ মুমিনীন্।
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা হও।
কিন্তু যদি তোমরা না করো তবে ও তাঁর রসূলের তরফ থেকে সংগ্রামের ঘোষণা জেনে রেখো। আর যদি তোমরা ফেরো তবে তোমাদের জন্য রইল তোমাদের ধনসম্পত্তির আসলভাগ। অত্যাচার করো না এবং অত্যাচারিতও হয়ো না।
ফাইল্লাম্ তাফ্আলূ ফাযানূ বির্হাবিম্ মিনাল্লা-হি অরাসূলিহী অইন্ তুব্তুম্ ফালাকুম্ রুয়ূসু আম্ওয়া-লিকুম্ লা-তাজ্লিমূনা অলা-তুজ্লামূন্।
কিন্তু যদি তোমরা তা না কর তাহলে ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও, আর যদি তোমরা তাওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে। তোমরা যুলম করবে না এবং তোমাদের যুলম করা হবে না।
আর যদি সে অসচ্ছল অবস্থায় থাকে তবে মূলতবি রাখো যতক্ষণ না সচ্ছলতা আসে। আর যদি দান করে দাও তবে তা তোমাদের জন্য আরো উত্তম, - - যদি তোমরা জানতে।
অইন্ কা-না যূ'উস্রাতিন্ ফানাজিরাতুন্ ইলা-মাইসারাহ্ অআন্ তাছোয়াদ্দাক্ব ূ খাইরুল্লাকুম্ ইন্ কুন্তুম্ তা'লামূন্।
আর যদি সে অসচ্ছল হয়, তাহলে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত তার অবকাশ রয়েছে। আর সদাকা করে দেয়া তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।
আর হুশিয়াঁর হও সেই দিন সন্বন্ধে যেদিন তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে র তরফে, তখন প্রত্যেক লোককে পুরোপুরি প্রতিদান দেয়া হবে যা সে অর্জন করেছে, আর তাদের অন্যায় করা হবে না।
অত্তাক্ব ূ ইয়াওমান্ র্তুজ্বা'ঊনা ফীহি ইলাল্লা-হি ছুম্মা তুওয়াফ্ফা-কুল্লু নাফ্সিম্ মা-কাসাবাত্ অহুম্ লা-ইয়ুজ্লামূন।
আর তোমরা সে দিনের ভয় কর, যে দিন তোমাদেরকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেয়া হবে। অতঃপর প্রত্যেক ব্যক্তিকে সে যা উপার্জন করেছে, তা পুরোপুরি দেয়া হবে। আর তাদের যুলম করা হবে না।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা যখন কোনো লেনদেন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পরস্পরের মধ্যে সম্পাদিত কর তখন তা লিখে রাখো, এবং লেখকজন যেন তোমাদের মধ্যে লিখে রাখুক ন্যাসঙ্গতভাবে, আর লেখক যেন লিখতে অস্বীকার না করে, কেননা তাকে শিখিয়েছেন, কাজেই সে লিখুক। আর যার উপরে দেনার দায় সে বলে যাবে, আর সে তার প্রভু কে যেন ভয় - ভক্তি করে, এবং তা’ থেকে কোনো কিছু যেন কম না করে। কিন্তু যার উপরে দেনার দায় সে যদি অল্পবুদ্ধি বা জরাগ্রস্ত হয়, অথবা তা বলে যেতে অপারগ হয় তবে তার অভিভাবক বলে যাক ন্যায়সঙ্গতভাবে। আর তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে দুইজন সাক্ষীকে সাক্ষী মনোনীত করো। কিন্তু যদি দুইজন পুরুষকে পাওয়া না যায় তবে একজন পুরুষ ও দু’জন মহিলাকে - - তাদের মধ্যে থেকে যাদের তোমরা সাক্ষী মনোনীত কর, যাতে তাদের দুজনের একজন যদি ভুল করে তবে তাদের অন্য একজন মনে করিয়ে দেবে। আর সাক্ষীরা যেন অস্বীকার না করে যখন তাদের ডাকা হয়। আর এটা লিখে নিতে অমনোযোগী হয়ো না - - ছোট হোক বা বড় হোক - - তার মেয়াদ সমেত। এ র কাছে বেশী ন্যায়সঙ্গত ও সাক্ষ্যের জন্য বেশী নির্ভরযোগ্য, এবং তোমরা যাতে সন্দেহ না করো সেজন্যেও এ সব চাইতে ভালো, তবে হাতের কাছের পণ্যসামগ্রী হলে তোমাদের মধ্যে তার বিনিময়ের ক্ষেত্র ব্যতীত, তখন তোমাদের অপরাধ হবে না যদি তোমরা তা লেখাপড়া না করো। আর সাক্ষী রাখো যখন তোমরা একে অন্যের কাছে বিক্রি করো। আর লেখকজন যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, আর সাক্ষীও যেন না হয়। কিন্তু যদি তোমরা কর তবে তা নিশ্চয়ই তোমাদের পক্ষে দুস্কার্য হবে। আর কে ভয় - ভক্তি করো, কারণ তোমাদের শিখিয়েছেন। আর সব - কিছু সন্বন্দে সর্বজ্ঞাতা।
ইয়ায় আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূয় ইযা-তাদা-ইয়ান্তুম্ বিদাইনিন্ ইলায় আজ্বালিম্ মুসাম্মান ফাক্তুবূহ্ অল্ইয়াক্তুব্ বাইনাকুম্ কা-তিবুম্ বিল্'আদ্লি অলা-ইয়াবা কা-তিবুন্ আইঁ ইয়াক্তুবা কামা-'আল্লামাহুল্লা-হু ফাল্ইয়াক্তুব্ অল্ইয়ুম্লিলিল্লাযী 'আলাইহিল্ হাক্ব ্ক্ব ু অল্ইয়াত্তাক্বিল লা-হা রব্বাহূ অলা-ইয়াব্খাস্ মিন্হু শাইয়া- ফাইন্ কা-নাল্লাযী 'আলাইহিল্ হাক্ব ্ক্ব ু সাফীহান্ আও দ্বোয়া'ঈফান্ আওলা- ইয়াস্তাত্বী'উ আইঁ ইয়ুমিল্লা হুওয়া ফাল্ইয়ুম্লিল্ অলিয়্যুহূ বিল্'আদল্ অস্তাশ্হিদূ শাহীদাইনি র্মি রিজ্বা-লিকুম্ ফাইল্লাম্ ইয়াকূনা-রাজ্ব ুলাইনি ফারাজ্ব ুলুওঁ অম্রায়াতা-নি মিম্মান তারদ্বোয়াওনা মিনাশ্ শুহাদা - য়ি আন্ তাদ্বিল্লা ইহ্দা-হুমা-ফাতুযাক্কিরা ইহ্দা-হুমাল্ উখ্রা- অলা-ইয়াবাশ্ শুহাদা - উ ইযা- মা-দু'ঊ অলা- তাস্আমূ য় আন্ তাক্তুবূহু ছোয়াগীরান্ আও কাবীরান্ ইলায় আজ্বালিহ্ যা-লিকুম্ আক্ব ্সাত্ব ু 'ইন্দাল্লা-হি অআক্ব ্ওয়ামু লিশ্ শাহা-দাতি অআদ্নায় আল্লা-র্তাতা-বূয় ইল্লায় আন্ তাকূনা তিজ্বা-রাতান্ হা-দ্বিরাতান্ তুদ্বীরূনাহা- বাইনাকুম্ ফালাইসা 'আলাইকুম্ জ্ব ুনা-হুন্ আল্লা-তাক্তুবূহা- অআশ্হিদূ য় ইযা- তাবা-ইয়া'তুম্ অলা-ইয়ুদ্বোয়া -র্ রা কা-তিবুওঁ অলা-শাহীদ্ অইন্ তাফ্'আলূ ফাইন্নাহূ ফুসূক্ব ুম্ বিকুম্ অত্তাক্ব ুল্লা-হা অইয়ু'আল্লিমুকুমুল্লা-হ্ অল্লা-হু বিকুল্লি শাইয়িন্ 'আলীম্।
হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পরস্পর ঋণের লেন-দেন করবে, তখন তা লিখে রাখবে। আর তোমাদের মধ্যে একজন লেখক যেন ইনসাফের সাথে লিখে রাখে এবং কোন লেখক তাকে যেরূপ শিক্ষা দিয়েছেন, তা লিখতে অস্বীকার করবে না। সুতরাং সে যেন লিখে রাখে এবং যার উপর প
আর যদি তোমরা সফরে থাক এবং লেখক না পাও তবে বন্ধক নিতে পার। কিন্তু তোমাদের কেউ যদি অন্যের কাছে বিশ্বাসস্থাপন করে তবে যাকে বিশ্বাস করা হল সে তার আমানত ফেরত দিক, আর তার প্রভু কে ভয় - ভক্তি করুক। আর সাক্ষ্য গোপন করবে না, কারণ যে তা গোপন করে তার হৃদয় নিঃসন্দেহ পাপপূর্ণ। আর তোমরা যা করো সে - সন্বন্ধে স র্বজ্ঞাতা।
অইন্ কুন্তুম্ 'আলা-সাফারিওঁ অলাম্ তাজ্বিদূ কা-তিবান্ ফারিহা-নুম্ মাক্ব ্বূদ্বোয়াহ্ ফাইন্ আমিনা বা'দ্ব ুকুম্ বা'দ্বোয়ান্ ফাল্ইয়ুআদ্ দিল্লাযি”তুমিনা আমা-নাতাহূ অল্ ইয়াত্তাক্বিল্লা-হা রব্বাহ্ অলা-তাক্তুমুশ্ শাহা-দাহ্ অমাইঁ ইয়াক্তুম্হা-ফাইন্নাহূ য় আ-ছিমুন্ ক্বাল্বুহ্ অল্লা-হু বিমা-তা'মালূনা 'আলীম্।
আর যদি তোমরা সফরে থাক এবং কোন লেখক না পাও, তাহলে হস্তান্তরিত বন্ধক রাখবে। আর যদি তোমরা একে অপরকে বিশ্বস্ত মনে কর, তবে যাকে বিশ্বস্ত মনে করা হয়, সে যেন স্বীয় আমানত আদায় করে এবং নিজ রব আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করে। আর তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না এবং যে কেউ তা গ
রই যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে ও যা - কিছু আছে পৃথিবীতে। আর তোমাদের অন্তরে যা আছে তা প্রকাশ করো, বা তা লুকিয়ে রাখো, তার জন্য তোমাদের হিসেব - নিকেশ নেবেন। কাজেই যাকে তিনি ইচ্ছা করবেন পরিত্রাণ করবেন এবং যাকে ইচ্ছা করবেন শাস্তিও দেবেন। আর সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।
লিল্লা-হি মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ আরদ্ব্ অইন্ তুব্দূ মা-ফীয় আন্ফুসিকুম্ আও তুখ্ফূহু ইয়ুহা-সিব্কুম্ বিহিল্লা-হ্ ফাইয়াগ্ফিরু লিমাইঁ ইয়াশা - উ অইয়ু'আয্যিবু মাইঁ ইয়াশা - উ অল্লা-হু 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ ক্বার্দী।
আল্লাহর জন্যই যা রয়েছে আসমানসমূহে এবং যা রয়েছে যমীনে। আর তোমরা যদি প্রকাশ কর যা তোমাদের অন্তরে রয়েছে অথবা গোপন কর, সে বিষয়ে তোমাদের হিসাব নেবেন। অতঃপর তিনি যাকে চান ক্ষমা করবেন, আর যাকে চান আযাব দেবেন। আর সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
রসূল ঈমান এনেছেন যা তাঁর প্রভুর কাছ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে, আর বিশ্বাসীরাও। তারা সবাই ঈমান এনেছে তে, আর তাঁর ফিরিশ্তাগণে, আর তাঁর কিতাবসমূহে, আর তাঁর রসূলগণে, - - ''আমরা তাঁর রসূলদের কোনোজনের মধ্যে কোনো পার্থক্য করি না।’’ তারা আরও বলে - - ''আমরা শুনি আর আমরা পালন করি, হে আমাদের প্রভু! তোমার পরিত্রাণ, আর তোমারই কাছে গন্তব্যপথ।’’
আ-মার্না রাসূলু বিমায় উন্যিলা ইলাইহি র্মি রাব্বিহী অল্ মুমিনূন্ কুল্লুন আ-মানা বিল্লা-হি অমালা - য়িকাতিহী অকুতুবিহী অরুসুলিহী লা-নুর্ফারিক্ব ু বাইনা আহাদিম র্মি রুসুলিহী অক্বা-লূ সামি'না- অআত্বোয়া'না- গুফ্রা-নাকা রব্বানা- অইলাইকাল্ মার্ছী।
রাসূল তার নিকট তার রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত বিষয়ের প্রতি ঈমান এনেছে, আর মুমিনগণও। প্রত্যেকে ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ ও তাঁর রাসূলগণের উপর, আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদ
কোনো সত্তার উপরে তার ক্ষমতার অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না। তার অনুকূলে রয়েছে সে যা - কিছু অর্জন করেছে, আর তার প্রতিকূলে রয়েছে যা - কিছু সে কামিয়েছে। ''আমাদের প্রভু, আমাদের পাকড়াও করো না যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করি, হে আমাদের প্রভু! আর আমাদের উপরে তেমন বোঝা চাপিও না যেমন তুমি তা চাপিয়েছিলে তাদের উপরে যারা ছিল আমাদের পূর্ববর্তী, আমাদের প্রভু! আর আমাদের উপরে তেমন ভার তুলে দিয়ো না যার সামর্থ্য আমাদের নেই। অতএব তুমি আমাদের ক্ষমা করে দাও, আর আমাদের তুমি রক্ষা করে রাখো, আর আমাদের প্রতি তুমি করুণা বর্ষণ করো। তুমিই আমাদের পৃষ্ঠপোষক, অতএব অবিশ্বাসিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের তুমি সাহায্য করো।’’
লা-ইয়ুকাল্লিফুল্লা-হু নাফসান্ ইল্লা-উস্'আহা- লাহা-মা- কাসাবাত অ'আলাইহা- মাক্তাসাবাত রব্বানা- লা-তুআ-খিয্না য় ইন্নাসী য় না-আও আখ্ত্বোয়ানা- রব্বানা- অলা-তাহ্মিল্ 'আলাইনায় ইছরান কামা-হামাল্তাহূ 'আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিনা- রব্বানা- অলা-তুহাম্মিল্না- মা-লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানা-বিহ্অ'ফু 'আন্না-অর্গ্ফি লানা- র্অহাম্না- আন্তা মাওলা-না- ফান্ছুরনা- 'আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্।
কোন ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করে তা তার জন্যই এবং সে যা কামাই করে তা তার উপরই বর্তাবে। হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন ন