আল হিজর , choose another chapter
আল হিজর
Chapter 15, 99 verses
জহুরুল হক
Arabic, with marks
Arabic
আবদুস শহীদ নাসিম
Add book
List
Grid
জহুরুল হক
১ আলিফ, লাম, রা। এগুলো হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের আয়াতসমূহ, আর একটি সুস্পষ্ট পাঠ্য।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الر ۚ تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُّبِينٍ
Arabic
١ بسم الله الرحمن الرحيم الر ۚ تلك آيات الكتاب وقرآن مبين
আবদুস শহীদ নাসিম
১ আলিফ - লাম - রা। এগুলো আয়াত আল কিতাব এবং সুস্পষ্ট কুরআনের।
জহুরুল হক
২ সময়কালে যারা অবিশ্বাস করেছিল তারা চাইবে যে যদি তারা মুসলিম হতো!
Arabic, with marks
٢ رُّبَمَا يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ كَانُوا مُسْلِمِينَ
Arabic
٢ ربما يود الذين كفروا لو كانوا مسلمين
আবদুস শহীদ নাসিম
২ কাফিররাও কখনো কখনো আকাঙ্খা করে, যদি তারা মুসলিম হতো!
জহুরুল হক
৩ ছেড়ে দাও তাদের খানাপিনা করতে ও আমোদ - আাদ করতে, আর আশা - আকাঙ্খা তাদের ভুলিয়ে রাখুক, যেহেতু শীগগিরই তারা বুঝতে পারবে!
Arabic, with marks
٣ ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوا وَيُلْهِهِمُ الْأَمَلُ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
Arabic
٣ ذرهم يأكلوا ويتمتعوا ويلههم الأمل ۖ فسوف يعلمون
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তাদের উপেক্ষা করো: তারা খেতে থাকুক, ভোগ করতে থাকুক এবং তাদের আশা - আকাঙ্খা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
জহুরুল হক
৪ আর আমরা কোনো জনপদকে ধ্বংস করি নি যে পর্যন্ত না তার জন্য বিধান মালুম করানো হয়েছে।
Arabic, with marks
٤ وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَّعْلُومٌ
Arabic
٤ وما أهلكنا من قرية إلا ولها كتاب معلوم
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আমরা যে কোনো জনপদকেই হালাক করেছি, তার অবশ্যি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল রেকর্ড করা ছিলো।
জহুরুল হক
৫ কোনো জাতি তার নির্ধারিত কাল ত্বরান্বিত করতে পারবে না, আর তারা বিলন্বিত করতে পারবে না।
Arabic, with marks
٥ مَّا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَأْخِرُونَ
Arabic
٥ ما تسبق من أمة أجلها وما يستأخرون
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ কোনো উম্মতের (ধ্বংসের) মেয়াদকাল এগিয়েও আসেনা এবং পিছিয়েও যায়না।
জহুরুল হক
৬ আর তারা বলে - - ''ওহে যার কাছে স্মারকগ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো আলবৎ মাথা - পাগলা।
Arabic, with marks
٦ وَقَالُوا يَا أَيُّهَا الَّذِي نُزِّلَ عَلَيْهِ الذِّكْرُ إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ
Arabic
٦ وقالوا يا أيها الذي نزل عليه الذكر إنك لمجنون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তারা বলে: ‘‘হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি আয - যিকির (আল - কুরআন) নাযিল করা হয়েছে, তুমি অবশ্যি একজন পাগল।
জহুরুল হক
৭ ''তুমি কেন আমাদের কাছে ফিরিশ্তাদের নিয়ে এস না, যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।
Arabic, with marks
٧ لَّوْ مَا تَأْتِينَا بِالْمَلَائِكَةِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ
Arabic
٧ لو ما تأتينا بالملائكة إن كنت من الصادقين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসোনা কেন?’’
জহুরুল হক
৮ আমরা ফিরিশ্তাদের পাঠাই না সত্যের সাথে ছাড়া, আর তখন তারা অবকাশ প্রাপ্ত হবে না।
Arabic, with marks
٨ مَا نُنَزِّلُ الْمَلَائِكَةَ إِلَّا بِالْحَقِّ وَمَا كَانُوا إِذًا مُّنظَرِينَ
Arabic
٨ ما ننزل الملائكة إلا بالحق وما كانوا إذا منظرين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ আমরা তো বাস্তব পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া ছাড়া ফেরেশতা পাঠাইনা; আর যখনই ফেরেশতা পাঠাই তখন আর তাদের অবকাশ দেয়া হয়না।
জহুরুল হক
৯ নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই স্মারকগ্রন্থ অবতারণ করেছি, আর আমরাই তো এর সংরক্ষণকারী।
Arabic, with marks
٩ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ
Arabic
٩ إنا نحن نزلنا الذكر وإنا له لحافظون
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ আয - যিকির (আল - কুরআন) আমরাই নাযিল করেছি এবং আমরাই সেটির হিফাযতকারী।
জহুরুল হক
১০ আর তোমার আগে আমরা নিশ্চয়ই পাঠিয়েছিলাম প্রাচীনকালের সম্প্রদায়ের মধ্যে।
Arabic, with marks
١٠ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ فِي شِيَعِ الْأَوَّلِينَ
Arabic
١٠ ولقد أرسلنا من قبلك في شيع الأولين
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তোমার আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের কাছেই আমরা রসূল পাঠিয়েছিলাম।
জহুরুল হক
১১ কিন্তু তাদের কাছে এমন কোনো রসূল আসেন নি যাঁকে নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করত না।
Arabic, with marks
١١ وَمَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ
Arabic
١١ وما يأتيهم من رسول إلا كانوا به يستهزئون
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছে তারা (তাকে নিয়ে) বিদ্রূপ করেছে
জহুরুল হক
১২ এইভাবে আমরা একে অপরাধীদের অন্তরে প্রবেশ করাই।
Arabic, with marks
١٢ كَذَٰلِكَ نَسْلُكُهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ
Arabic
١٢ كذلك نسلكه في قلوب المجرمين
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এভাবে আমরা (সর্বকালের) অপরাধীদের অন্তরে তা (কুফুরি ও হঠকারিতা) সঞ্চার করি।
জহুরুল হক
১৩ তারা এতে বিশ্বাস করে না, অথচ পূর্ববর্তীদের নজীর অবশ্যই গত হয়েছে।
Arabic, with marks
١٣ لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ ۖ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ
Arabic
١٣ لا يؤمنون به ۖ وقد خلت سنة الأولين
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তারা এর (কুরআনের) প্রতি ঈমান আনেনা। আর অতীতের (অপরাধীদের) সুন্নতও ছিলো এটাই।
জহুরুল হক
১৪ আর যদি আমরা তাদের জন্য মহাকাশের দরজা খুলে দিই আর তাতে তারা আরোহণ করতে থাকে - -
Arabic, with marks
١٤ وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِم بَابًا مِّنَ السَّمَاءِ فَظَلُّوا فِيهِ يَعْرُجُونَ
Arabic
١٤ ولو فتحنا عليهم بابا من السماء فظلوا فيه يعرجون
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ আমরা যদি তাদের জন্যে আসমানের দুয়ারও খুলে দিতাম এবং তারা যদি দিবালোকে তাতে মেরাজ (আরোহণ) করতেও থাকতো,
জহুরুল হক
১৫ তারা তবুও বলবে - - ''আমাদের চোখে ধাঁধা লেগেছে, আমরা বরং মোহাচ্ছন্ন দল হয়েছি।’’
Arabic, with marks
١٥ لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَّسْحُورُونَ
Arabic
١٥ لقالوا إنما سكرت أبصارنا بل نحن قوم مسحورون
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তখনো তারা বলতো, আমাদের চোখকে সম্মোহিত করা হয়েছে, বরং আমরা জাদুগ্রস্ত লোক।
জহুরুল হক
১৬ আর বাস্তবিকই আমরা আকাশে দুর্গ তৈরি করেছি, আর তা সুশোভিত করেছি দর্শকদের জন্য।
Arabic, with marks
١٦ وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
Arabic
١٦ ولقد جعلنا في السماء بروجا وزيناها للناظرين
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আমরা আসমানে বুরুজ (গ্রহ - নক্ষত্র) স্থাপন করেছি এবং সেগুলোকে দর্শকদের জন্যে শোভামন্ডিত করেছি।
জহুরুল হক
১৭ আর আমরা তাকে রক্ষা করি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তানের থেকে, - -
Arabic, with marks
١٧ وَحَفِظْنَاهَا مِن كُلِّ شَيْطَانٍ رَّجِيمٍ
Arabic
١٧ وحفظناها من كل شيطان رجيم
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ এবং প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেটিকে হিফাযত করেছি।
জহুরুল হক
১৮ সে ব্যতীত যে লুকিয়ে শোনে, ফলে তার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রখর অগ্নিশিখা।
Arabic, with marks
١٨ إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ مُّبِينٌ
Arabic
١٨ إلا من استرق السمع فأتبعه شهاب مبين
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তবে কেউ যদি চুরি করে সংবাদ শুনতে চায় তার পশ্চাদধাবন করে উজ্জ্বল শিহাব (শিখা)।
জহুরুল হক
১৯ আর পৃথিবী - - আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।
Arabic, with marks
١٩ وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَيْءٍ مَّوْزُونٍ
Arabic
١٩ والأرض مددناها وألقينا فيها رواسي وأنبتنا فيها من كل شيء موزون
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আর পৃথিবী, আমরা তাকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পাহাড় - পর্বত এবং তাতে উৎপন্ন করেছি প্রতিটি জিনিস ওজন মতো (যথাযথ পরিমাণে)।
জহুরুল হক
২০ আর তোমাদের জন্য তাতে সৃষ্টি করেছি খাদ্যবস্তু, আর তোমরা যাদের জীবিকাদাতা নও তাদের জন্যেও।
Arabic, with marks
٢٠ وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَايِشَ وَمَن لَّسْتُمْ لَهُ بِرَازِقِينَ
Arabic
٢٠ وجعلنا لكم فيها معايش ومن لستم له برازقين
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তাতে ব্যবস্থা করে দিয়েছি তোমাদের জীবিকার, এবং তাদের জীবিকারও যাদের জীবিকাদাতা তোমরা নও।
জহুরুল হক
২১ আর এমন কোনো - কিছু নেই যার ভান্ডার আমাদের কাছে নয়, আর আমরা তা পাঠাই না নির্ধারিত পরিমাপে ছাড়া।
Arabic, with marks
٢١ وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَائِنُهُ وَمَا نُنَزِّلُهُ إِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُومٍ
Arabic
٢١ وإن من شيء إلا عندنا خزائنه وما ننزله إلا بقدر معلوم
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ এমন কোনো জিনিস নেই, আমাদের কাছে যার ভান্ডার রক্ষিত নেই। আমরা তা নাযিল করি জ্ঞাত নির্দিষ্ট পরিমাণে।
জহুরুল হক
২২ আর আমরা উর্বরতা - সঞ্চারক বায়ু পাঠাই, তারপর আকাশ থেকে আমরা পানি পাঠাই, তখন তোমাদের তা পান করতে দিই, আর তোমরা তার কোষাধ্যক্ষ নও!
Arabic, with marks
٢٢ وَأَرْسَلْنَا الرِّيَاحَ لَوَاقِحَ فَأَنزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَسْقَيْنَاكُمُوهُ وَمَا أَنتُمْ لَهُ بِخَازِنِينَ
Arabic
٢٢ وأرسلنا الرياح لواقح فأنزلنا من السماء ماء فأسقيناكموه وما أنتم له بخازنين
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আর আমরা বর্ষণমুখী মেঘবাহী বাতাস পাঠাই, তারপর আসমান থেকে নাযিল করি পানি এবং তা তোমাদের পান করাই, অথচ তোমরা তো সেই (পানি) ভান্ডারের মালিক নও।
জহুরুল হক
২৩ আর নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই, আর আমরাই হচ্ছি উত্তরাধিকারী।
Arabic, with marks
٢٣ وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَنَحْنُ الْوَارِثُونَ
Arabic
٢٣ وإنا لنحن نحيي ونميت ونحن الوارثون
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আমরাই হায়াত দেই এবং মউত ঘটাই এবং আমরাই ওয়ারিশ (মালিক)।
জহুরুল হক
২৪ আর আমরা নিশ্চয়ই জানি তোমাদের মধ্যের অগ্রগামীদের, আর আমরা অবশ্য জানি পশ্চাতে - পড়ে - থাকাদের।
Arabic, with marks
٢٤ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَأْخِرِينَ
Arabic
٢٤ ولقد علمنا المستقدمين منكم ولقد علمنا المستأخرين
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আমরা তোমাদের বিগতদের জানি এবং যারা আসবে তাদেরও জানি।
জহুরুল হক
২৫ আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি তাদেরকে একত্রে সমবেত করবেন। তিনি নিশ্চয়ই পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।
Arabic, with marks
٢٥ وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحْشُرُهُمْ ۚ إِنَّهُ حَكِيمٌ عَلِيمٌ
Arabic
٢٥ وإن ربك هو يحشرهم ۚ إنه حكيم عليم
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ নিশ্চয়ই তোমার প্রভু তাদের সবার হাশর করবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।
জহুরুল হক
২৬ আর আমরা নিশ্চয়ই মানুষ সৃষ্টি করেছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।
Arabic, with marks
٢٦ وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
Arabic
٢٦ ولقد خلقنا الإنسان من صلصال من حمإ مسنون
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ আমরা সৃষ্টি করেছি মানুষকে গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।
জহুরুল হক
২৭ আর আমরা এর আগে জিন সৃষ্টি করেছি প্রখর আগুন দিয়ে।
Arabic, with marks
٢٧ وَالْجَانَّ خَلَقْنَاهُ مِن قَبْلُ مِن نَّارِ السَّمُومِ
Arabic
٢٧ والجان خلقناه من قبل من نار السموم
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আর তাদের আগে আমরা জিনদের সৃষ্টি করেছি শিখাযুক্ত আগুন থেকে।
জহুরুল হক
২৮ আর স্মরণ কর! তোমার প্রভু ফিরিশ্তাদের বললেন - - ''নিঃসন্দেহ আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।
Arabic, with marks
٢٨ وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي خَالِقٌ بَشَرًا مِّن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
Arabic
٢٨ وإذ قال ربك للملائكة إني خالق بشرا من صلصال من حمإ مسنون
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ (স্মরণ করো,) যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।
জহুরুল হক
২৯ সুতরাং যখন আমি তাকে সুঠাম করব আর তাতে আমার রূহ্ ফুকঁবো তখন তার প্রতি তোমরা পড় সিজদাবনত হয়ে।’’
Arabic, with marks
٢٩ فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِي فَقَعُوا لَهُ سَاجِدِينَ
Arabic
٢٩ فإذا سويته ونفخت فيه من روحي فقعوا له ساجدين
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ আমি যখন তাকে সুগঠিত করবো এবং আমার পক্ষ থেকে তাতে রূহ সঞ্চার করে দেবো, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় নুয়ে পড়বে।
জহুরুল হক
৩০ তখন ফিরিশ্তারা সিজদা করলে, তাদের সবাই সববেত - ভাবে, - -
Arabic, with marks
٣٠ فَسَجَدَ الْمَلَائِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ
Arabic
٣٠ فسجد الملائكة كلهم أجمعون
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ ফলে ফেরেশতারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে সাজদা করে।
জহুরুল হক
৩১ ইবলিস ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করল।
Arabic, with marks
٣١ إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَىٰ أَن يَكُونَ مَعَ السَّاجِدِينَ
Arabic
٣١ إلا إبليس أبى أن يكون مع الساجدين
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তবে করেনি শুধু ইবলিস। সে সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হতে অস্বীকার করে।
জহুরুল হক
৩২ তিনি বললেন - - ''হে ইবলিস! তোমার কি হয়েছে যে তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না?’’
Arabic, with marks
٣٢ قَالَ يَا إِبْلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ السَّاجِدِينَ
Arabic
٣٢ قال يا إبليس ما لك ألا تكون مع الساجدين
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলিস! তোর কী হয়েছে, তুই কেন সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হইস্নি?’
জহুরুল হক
৩৩ সে বললে - - ''আমি তেমন নই যে আমি সিজদা করব একজন মানুষকে যাকে তুমি সৃষ্টি করেছ আওয়াজদায়ক মাটি থেকে - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।’’
Arabic, with marks
٣٣ قَالَ لَمْ أَكُن لِّأَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهُ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
Arabic
٣٣ قال لم أكن لأسجد لبشر خلقته من صلصال من حمإ مسنون
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ সে বললো: ‘‘আমি তো এমন একজনকে সাজদা করতে পারিনা, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।’
জহুরুল হক
৩৪ তিনি বললেন - - ''তাহলে বেরিয়ে যাও এখান থেকে, কেননা নিঃসন্দেহ তুমি বিতাড়িত,
Arabic, with marks
٣٤ قَالَ فَاخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ
Arabic
٣٤ قال فاخرج منها فإنك رجيم
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ তিনি বললেন: ‘‘তুই ওখান থেকে বেরিয়ে যা, কারণ তুই অভিশপ্ত।
জহুরুল হক
৩৫ ''আর নিশ্চয় তোমার উপরে থাকবে অসন্তষ্টি শেষবিচারের দিন পর্যন্ত।’’
Arabic, with marks
٣٥ وَإِنَّ عَلَيْكَ اللَّعْنَةَ إِلَىٰ يَوْمِ الدِّينِ
Arabic
٣٥ وإن عليك اللعنة إلى يوم الدين
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ প্রতিদান দিবস পর্যন্ত বর্ষিত হবে তোর উপর লা’নত।’’
জহুরুল হক
৩৬ সে বললে - - ''আমার প্রভু! তবে আমাকে অবকাশ দাও সেই দিন পর্যন্ত যখন তাদের পুনরুত্থিত করা হবে!’’
Arabic, with marks
٣٦ قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِي إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ
Arabic
٣٦ قال رب فأنظرني إلى يوم يبعثون
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে অবকাশ দিন পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।’
জহুরুল হক
৩৭ তিনি বললেন - - ''তবে তুমি নিশ্চয়ই অবকাশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার - -
Arabic, with marks
٣٧ قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ الْمُنظَرِينَ
Arabic
٣٧ قال فإنك من المنظرين
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তিনি বললেন: ‘‘যা, তুই তাদের অন্তরভুক্ত যাদের অবকাশ দেয়া হয়েছে।
জহুরুল হক
৩৮ নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত।’’
Arabic, with marks
٣٨ إِلَىٰ يَوْمِ الْوَقْتِ الْمَعْلُومِ
Arabic
٣٨ إلى يوم الوقت المعلوم
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ অবধারিত সময়টির (কিয়ামত) আগমন পর্যন্ত।’’
জহুরুল হক
৩৯ সে বললে - - ''আমার প্রভু! তুমি যেমনি আমাকে বিপথে যেতে দিয়েছ, আমিও তেমনি নিশ্চয়ই তাদের নিকট চিত্তাকর্ষক করব এই পৃথিবীতে, আর অবশ্যই তাদের একসাথে বিপথগামী করব - -
Arabic, with marks
٣٩ قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
Arabic
٣٩ قال رب بما أغويتني لأزينن لهم في الأرض ولأغوينهم أجمعين
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ সে বললো: ‘‘প্রভু! যেহেতু আপনি আমাকে বিপথগামী করেছেন, সে জন্যে আমি পৃথিবীতে তাদের (মানুষের) জন্যে বিপথগামিতাকে চাকচিক্যময় করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়বো।
জহুরুল হক
৪০ তাদের মধ্যে তোমার খাস বান্দাদের ব্যতীত।’’
Arabic, with marks
٤٠ إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ
Arabic
٤٠ إلا عبادك منهم المخلصين
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তবে তাদের মধ্যকার আপনার মুখলেস বান্দাদের কথা ভিন্ন।’’
জহুরুল হক
৪১ তিনি বললেন - - ''এটিই হচ্ছে আমার দিকে সহজ - সঠিক পথ।
Arabic, with marks
٤١ قَالَ هَٰذَا صِرَاطٌ عَلَيَّ مُسْتَقِيمٌ
Arabic
٤١ قال هذا صراط علي مستقيم
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ আল্লাহ্ বললেন: ‘‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সঠিক পথ।
জহুরুল হক
৪২ ''নিঃসন্দেহ আমার দাসদের সন্বন্ধে - - তাদের উপরে তোমার কোনো আধিপত্য নেই, বিপথগামীদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে তাদের ব্যতীত।
Arabic, with marks
٤٢ إِنَّ عِبَادِي لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَانٌ إِلَّا مَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْغَاوِينَ
Arabic
٤٢ إن عبادي ليس لك عليهم سلطان إلا من اتبعك من الغاوين
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ আমার দাসদের উপর তোর কোনো কর্তৃত্ব খাটবেনা, তবে বিভ্রান্তদের যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের কথা ভিন্ন।
জহুরুল হক
৪৩ ''আর নিঃসন্দেহ জাহান্নাম হচ্ছে তাদের সকলের জন্য প্রতিশ্রুত স্থান - -
Arabic, with marks
٤٣ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ
Arabic
٤٣ وإن جهنم لموعدهم أجمعين
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ অবশ্যি তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান হলো জাহান্নাম।
জহুরুল হক
৪৪ ''তার সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক প্রবেশপথের জন্য রয়েছে তাদের মধ্যের পৃথক পৃথক দল।’’
Arabic, with marks
٤٤ لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَابٍ لِّكُلِّ بَابٍ مِّنْهُمْ جُزْءٌ مَّقْسُومٌ
Arabic
٤٤ لها سبعة أبواب لكل باب منهم جزء مقسوم
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তার আছে সাতটি দরজা, প্রত্যেক দরজার জন্যে তাদের একটি অংশ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
জহুরুল হক
৪৫ নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা থাকবে স্বর্গোদ্যানে ও ঝরনারাজির মধ্যে।
Arabic, with marks
٤٥ إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ
Arabic
٤٥ إن المتقين في جنات وعيون
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ অবশ্যি মুত্তাকিরা থাকবে উদ্যানসমূহ এবং ঝরণাধারা সমূহের মধ্যে।
জহুরুল হক
৪৬ ''তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তিতে ও নিরাপত্তায়।’’
Arabic, with marks
٤٦ ادْخُلُوهَا بِسَلَامٍ آمِنِينَ
Arabic
٤٦ ادخلوها بسلام آمنين
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের বলা হবে: ‘দাখিল হও শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে।’
জহুরুল হক
৪৭ আর আমরা বের করে দেব তাদের অন্তরে যা - কিছু হিংসা - বিদ্বেষ রয়েছিল, ফলে তারা ভাইদের মতো থাকবে আসনের উপরে মুখোমুখি হয়ে।
Arabic, with marks
٤٧ وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِم مِّنْ غِلٍّ إِخْوَانًا عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَابِلِينَ
Arabic
٤٧ ونزعنا ما في صدورهم من غل إخوانا على سرر متقابلين
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ তাদের অন্তরে পরস্পরের জন্যে কোনো বিদ্বেষ থাকলে তা আমরা দূর করে দেবো, তারা পরস্পর মুখোমুখি হয়ে আসন গ্রহণ করবে ভাই ভাই হিসেবে।
জহুরুল হক
৪৮ সেখানে তাদের স্পর্শ করবে না কোনো অবসাদ, আর তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃত হবে না।
Arabic, with marks
٤٨ لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُم مِّنْهَا بِمُخْرَجِينَ
Arabic
٤٨ لا يمسهم فيها نصب وما هم منها بمخرجين
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ সেখানে তাদের স্পর্শ করবেনা কোনো অবসাদ এবং সেখান থেকে তাদের বের করেও দেয়া হবেনা।
জহুরুল হক
৪৯ আমার বান্দাদের খবর দাও যে আমিই তো নিশ্চয়ই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা,
Arabic, with marks
٤٩ ۞ نَبِّئْ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
Arabic
٤٩ ۞ نبئ عبادي أني أنا الغفور الرحيم
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমার দাসদের সংবাদ দাও, নিশ্চয়ই আমি মহাক্ষমাশীল, মহাদয়াময়।
জহুরুল হক
৫০ আর আমার শাস্তি, - - তা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি।
Arabic, with marks
٥٠ وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْأَلِيمُ
Arabic
٥٠ وأن عذابي هو العذاب الأليم
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আর আমার আযাব, তাও বেদনাদায়ক আযাব।
জহুরুল হক
৫১ আর তাদের খবর দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের সন্বন্ধে।’’
Arabic, with marks
٥١ وَنَبِّئْهُمْ عَن ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ
Arabic
٥١ ونبئهم عن ضيف إبراهيم
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ তাদের আরো সংবাদ দাও ইবরাহিমের মেহমানদের সম্পর্কে।
জহুরুল হক
৫২ যখন তারা তাঁর কাছে হাজির হল তখন তারা বললে - - ''সালাম’’। তিনি বললেন - - ''আমরা অবশ্য তোমাদের সন্বন্ধে ভয় করছি।’’
Arabic, with marks
٥٢ إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ إِنَّا مِنكُمْ وَجِلُونَ
Arabic
٥٢ إذ دخلوا عليه فقالوا سلاما قال إنا منكم وجلون
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যখন তার কাছে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘আমরা আপনাদের আগমনে আতংকিত।’
জহুরুল হক
৫৩ তারা বললেন - - ''ভয় করো না, নিঃসন্দেহ আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানবান ছেলের সন্বন্ধে।’’
Arabic, with marks
٥٣ قَالُوا لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ
Arabic
٥٣ قالوا لا توجل إنا نبشرك بغلام عليم
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ তখন তারা বলেছিল: ‘আপনি আতংকিত হবেন না, আমরা আপনাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানী পুত্রের।’
জহুরুল হক
৫৪ তিনি বললেন - - ''তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? তবে কিসের তোমরা সুসংবাদ দিচ্ছ?
Arabic, with marks
٥٤ قَالَ أَبَشَّرْتُمُونِي عَلَىٰ أَن مَّسَّنِيَ الْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ
Arabic
٥٤ قال أبشرتموني على أن مسني الكبر فبم تبشرون
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ সে বলেছিল: ‘আপনারা আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন আমি বার্ধক্যে উপনীত হওয়া সত্ত্বেও। আপনারা কীভাবে সুসংবাদ দিচ্ছেন?’
জহুরুল হক
৫৫ তারা বললে - - ''আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি সত্যের সাথে, সুতরাং তুমি হতাশদের মধ্যেকার হয়ো না।’’
Arabic, with marks
٥٥ قَالُوا بَشَّرْنَاكَ بِالْحَقِّ فَلَا تَكُن مِّنَ الْقَانِطِينَ
Arabic
٥٥ قالوا بشرناك بالحق فلا تكن من القانطين
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তারা বলেছিল: ‘আমাদের দেয়া সুসংবাদ সত্য। আপনি নিরাশ হবেন না।’
জহুরুল হক
৫৬ তিনি বললেন - - ''আর কে হতাশ হয় তার প্রভুর করুণা থেকে পথভ্রষ্টরা ব্যতীত?’’
Arabic, with marks
٥٦ قَالَ وَمَن يَقْنَطُ مِن رَّحْمَةِ رَبِّهِ إِلَّا الضَّالُّونَ
Arabic
٥٦ قال ومن يقنط من رحمة ربه إلا الضالون
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে বলেছিল: ‘বিভ্রান্তরা ছাড়া কে নিরাশ হয় তার প্রভুর রহমত থেকে?’
জহুরুল হক
৫৭ তিনি বললেন - - ''তবে কি তোমাদের কাজ রয়েছে, হে প্রেরিতগণ?’’
Arabic, with marks
٥٧ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ
Arabic
٥٧ قال فما خطبكم أيها المرسلون
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ তারপর সে বললো: ‘(হে ফেরেশতারা!) আপনাদের আর কী বক্তব্য?’
জহুরুল হক
৫৮ তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই প্রেরিত হয়েছি একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি,
Arabic, with marks
٥٨ قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَىٰ قَوْمٍ مُّجْرِمِينَ
Arabic
٥٨ قالوا إنا أرسلنا إلى قوم مجرمين
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ তারা বললো: ‘‘আমরা প্রেরিত হয়েছি এক অপরাধী কওমের প্রতি,
জহুরুল হক
৫৯ ''লুতের অনুবর্তীরা ব্যতীত। নিঃসন্দেহ তাঁদের সবাইকে আমরা অবশ্যই উদ্ধার করব - -
Arabic, with marks
٥٩ إِلَّا آلَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ
Arabic
٥٩ إلا آل لوط إنا لمنجوهم أجمعين
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ তবে, লুতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা তাদের সবাইকে নাজাত দেবো।
জহুরুল হক
৬০ তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। আমরা সঠিক জেনেছি যে সে তো নিশ্চয়ই পেছনে - পড়েথাকাদের মধ্যেকার।’’
Arabic, with marks
٦٠ إِلَّا امْرَأَتَهُ قَدَّرْنَا ۙ إِنَّهَا لَمِنَ الْغَابِرِينَ
Arabic
٦٠ إلا امرأته قدرنا ۙ إنها لمن الغابرين
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ কিন্তু তাঁর (লুতের) স্ত্রীকে নয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সে ধবংস হবার জন্যে পেছনে পড়ে থাকাদের অন্তরভুক্ত হবে।’’
জহুরুল হক
৬১ তারপর যখন বাণীবাহকরা লূত - এর পরিজনের কাছে এল,
Arabic, with marks
٦١ فَلَمَّا جَاءَ آلَ لُوطٍ الْمُرْسَلُونَ
Arabic
٦١ فلما جاء آل لوط المرسلون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ অত:পর ফেরেশতারা যখন লুত পরিবারে এসে উপস্থিত হলো।
জহুরুল হক
৬২ তিনি বললেন - - ''তোমরা তো অপরিচিত লোক।’’
Arabic, with marks
٦٢ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌ مُّنكَرُونَ
Arabic
٦٢ قال إنكم قوم منكرون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ সে (লুত) বললো: ‘আপনাদের তো চিনতে পারছিনা?’
জহুরুল হক
৬৩ তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছি তাই নিয়ে যে - সন্বন্ধে তারা তর্ক - বিতর্ক করত।
Arabic, with marks
٦٣ قَالُوا بَلْ جِئْنَاكَ بِمَا كَانُوا فِيهِ يَمْتَرُونَ
Arabic
٦٣ قالوا بل جئناك بما كانوا فيه يمترون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ তারা বললো: ‘‘তারা (আপনার জাতি) যে বিষয়ে সন্দেহ করছে আমরা আপনার কাছে তাই নিয়ে এসেছি।
জহুরুল হক
৬৪ ''আর আমরা তোমার কাছে নিয়ে এসেছি সত্যবার্তা, আর আমরা নিঃসন্দেহ সত্যবাদী।
Arabic, with marks
٦٤ وَأَتَيْنَاكَ بِالْحَقِّ وَإِنَّا لَصَادِقُونَ
Arabic
٦٤ وأتيناك بالحق وإنا لصادقون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ আমরা সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।
জহুরুল হক
৬৫ ''সুতরাং তোমার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের এক অংশে, আর তুমি তাদের পেছন থেকে অনুসরণ কর, আর তোমাদের মধ্যের কেউ যেন পিছন দিকে না দেখে, আর চলে যাও যেখানে তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।’’
Arabic, with marks
٦٥ فَأَسْرِ بِأَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِّنَ اللَّيْلِ وَاتَّبِعْ أَدْبَارَهُمْ وَلَا يَلْتَفِتْ مِنكُمْ أَحَدٌ وَامْضُوا حَيْثُ تُؤْمَرُونَ
Arabic
٦٥ فأسر بأهلك بقطع من الليل واتبع أدبارهم ولا يلتفت منكم أحد وامضوا حيث تؤمرون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক সময় আপনার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন। আপনি তাদের পেছনে চলুন এবং আপনাদের কেউই যেনো পেছনে ফিরে না তাকায়। আপনাদেরকে যেখানে বলা হয়েছে সেখানে চলে যান।’’
জহুরুল হক
৬৬ আর তাঁর কাছে আমরা জানিয়ে দিলাম এই নির্দেশ যে এদের শেষটুকুও কেটে দেওয়া হবে ভোরে জেগে ওঠার বেলায়।
Arabic, with marks
٦٦ وَقَضَيْنَا إِلَيْهِ ذَٰلِكَ الْأَمْرَ أَنَّ دَابِرَ هَٰؤُلَاءِ مَقْطُوعٌ مُّصْبِحِينَ
Arabic
٦٦ وقضينا إليه ذلك الأمر أن دابر هؤلاء مقطوع مصبحين
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ আমরা তাকে ফায়সালা জানিয়ে দিলাম যে, প্রভাতেই তাদের শিকড় কেটে দেয়া হবে (সমূলে বিনাশ করা হবে)।
জহুরুল হক
৬৭ আর শহরের লোকেরা এল উৎফুল্ল হয়ে।
Arabic, with marks
٦٧ وَجَاءَ أَهْلُ الْمَدِينَةِ يَسْتَبْشِرُونَ
Arabic
٦٧ وجاء أهل المدينة يستبشرون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ নগরবাসীরা (মেহমান আগমনের সংবাদে) উল্লসিত হয়ে (লুতের বাড়িতে) এসে উপস্থিত হয়।
জহুরুল হক
৬৮ তিনি বললেন - - ''এরা নিশ্চয়ই আমার অতিথি, সুতরাং আমাকে বেইজ্জত করো না।
Arabic, with marks
٦٨ قَالَ إِنَّ هَٰؤُلَاءِ ضَيْفِي فَلَا تَفْضَحُونِ
Arabic
٦٨ قال إن هؤلاء ضيفي فلا تفضحون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ সে বললো: ‘‘এরা আমার মেহমান, তোমরা আমাকে বেইজ্জতি করোনা।
জহুরুল হক
৬৯ ''আর আল্লাহ্ কে ভয়শ্রদ্ধা কর, আর আমাকে লজ্জা দিয়ো না!’’
Arabic, with marks
٦٩ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَلَا تُخْزُونِ
Arabic
٦٩ واتقوا الله ولا تخزون
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আমাকে অপমানিত করোনা।’’
জহুরুল হক
৭০ তারা বললে - - ''আমরা কি তোমাকে নিষেধ করি নি জগদ্বাসীদের সম্পর্কে?’’
Arabic, with marks
٧٠ قَالُوا أَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ الْعَالَمِينَ
Arabic
٧٠ قالوا أولم ننهك عن العالمين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ তারা বললো: আমরা কি জগতবাসীকে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?
জহুরুল হক
৭১ তিনি বললেন - - ''এরা আমার কন্যা, যদি তোমরা করতে চাও!’’
Arabic, with marks
٧١ قَالَ هَٰؤُلَاءِ بَنَاتِي إِن كُنتُمْ فَاعِلِينَ
Arabic
٧١ قال هؤلاء بناتي إن كنتم فاعلين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ লুত বললো: এই যে আমার (জাতির) কন্যারা রয়েছে, তোমরা কিছু করতে চাইলে তাদের বিয়ে করে নাও।
জহুরুল হক
৭২ তোমার জীবনের কসম! তারা নিঃসন্দেহ তাদের মত্ততায় অন্ধভাবে ঘুরছিল।
Arabic, with marks
٧٢ لَعَمْرُكَ إِنَّهُمْ لَفِي سَكْرَتِهِمْ يَعْمَهُونَ
Arabic
٧٢ لعمرك إنهم لفي سكرتهم يعمهون
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ তোমার জীবনের শপথ, তারা তখন উন্মত্ততায় উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।
জহুরুল হক
৭৩ কাজেই এক মহাধ্বনি তাদের পাকড়াও করল সূর্যোদয়কালে।
Arabic, with marks
٧٣ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُشْرِقِينَ
Arabic
٧٣ فأخذتهم الصيحة مشرقين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ তারপর সূর্যোদয়ের সময় তাদের পাকড়াও করে বিকটধ্বনি।
জহুরুল হক
৭৪ কাজেকাজেই এর উপরভাগ আমরা বানিয়ে দিলাম এর নিচের ভাগ, আর তাদের উপরে বর্ষণ করলাম পোড়া - মাটির পাথর।
Arabic, with marks
٧٤ فَجَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ
Arabic
٧٤ فجعلنا عاليها سافلها وأمطرنا عليهم حجارة من سجيل
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ তখন আমরা (লুত জাতির) জনপদের উপরের দিক নিচে করে উল্টে দিয়েছি এবং তাদের উপর অবিরাম বর্ষণ করেছি পাথরের কংকর।
জহুরুল হক
৭৫ নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদের্শনাবলী রয়েছে।
Arabic, with marks
٧٥ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّلْمُتَوَسِّمِينَ
Arabic
٧٥ إن في ذلك لآيات للمتوسمين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ বিশ্লেষণ শক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।
জহুরুল হক
৭৬ আর নিঃসন্দেহ এটি একটি সড়কের উপরে অবস্থিত।
Arabic, with marks
٧٦ وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٍ مُّقِيمٍ
Arabic
٧٦ وإنها لبسبيل مقيم
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ সেই বিরান জনপদ লোক চলাচলের পথপাশে এখনো বিদ্যমান।
জহুরুল হক
৭৭ নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।
Arabic, with marks
٧٧ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ
Arabic
٧٧ إن في ذلك لآية للمؤمنين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ মুমিনদের জন্যে তাতে রয়েছে এক নিদর্শন।
জহুরুল হক
৭৮ আর আসহাবুল আইকাহ্ অবশ্যই ছিল অন্যায়াচারী।
Arabic, with marks
٧٨ وَإِن كَانَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ لَظَالِمِينَ
Arabic
٧٨ وإن كان أصحاب الأيكة لظالمين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আর আইকাবাসীরাও ছিলো সীমালংঘনকারী।
জহুরুল হক
৭৯ সেজন্য তাদের থেকে আমরা প্রতিফল আদায় করেছিলাম। তারা উভয়েই তো রয়েছে প্রকাশ্য রাজপথে।
Arabic, with marks
٧٩ فَانتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُّبِينٍ
Arabic
٧٩ فانتقمنا منهم وإنهما لبإمام مبين
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ তাদের থেকেও আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বিরানভূমিই প্রকাশ্য মহাসড়কের পাশে এখনো বিদ্যমান।
জহুরুল হক
৮০ আর নিশ্চয় পাথুরে - পাহাড়ের বাসিন্দারাও রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Arabic, with marks
٨٠ وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَابُ الْحِجْرِ الْمُرْسَلِينَ
Arabic
٨٠ ولقد كذب أصحاب الحجر المرسلين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ হিজরবাসীরাও রসূলদের মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
জহুরুল হক
৮১ আর তাদের আমরা আমাদের নির্দেশাবলী দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সে - সব থেকে ফিরে গিয়েছিল।
Arabic, with marks
٨١ وَآتَيْنَاهُمْ آيَاتِنَا فَكَانُوا عَنْهَا مُعْرِضِينَ
Arabic
٨١ وآتيناهم آياتنا فكانوا عنها معرضين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ আমরা তাদের দিয়েছিলাম আমাদের নিদর্শনসমূহ, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।
জহুরুল হক
৮২ আর তারা পাহাড় কেটে নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়িঘর তৈরি করত।
Arabic, with marks
٨٢ وَكَانُوا يَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا آمِنِينَ
Arabic
٨٢ وكانوا ينحتون من الجبال بيوتا آمنين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ তারা পাহাড় কেটে বাসস্থান নির্মাণ করেছিল নিরাপদ থাকার জন্যে।
জহুরুল হক
৮৩ কিন্তু প্রচন্ড আওয়াজ তাদের পাকড়াও করল সকালবেলায়।
Arabic, with marks
٨٣ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ
Arabic
٨٣ فأخذتهم الصيحة مصبحين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ তাদেরকেও প্রভাতকালেই আঘাত করেছিল এক মহাবিকট শব্দ।
জহুরুল হক
৮৪ কাজেই তারা যা অর্জন করত তা তাদের কোনো কাজে আসে নি।
Arabic, with marks
٨٤ فَمَا أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا يَكْسِبُونَ
Arabic
٨٤ فما أغنى عنهم ما كانوا يكسبون
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।
জহুরুল হক
৮৫ আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা সৃষ্টি করি নি সত্যের সঙ্গে ব্যতীত। আর নিঃসন্দেহ ঘড়ি - ঘন্টা তো এসে পড়ল; সুতরাং উপেক্ষা করো মহৎ উপেক্ষাভরে।
Arabic, with marks
٨٥ وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ ۗ وَإِنَّ السَّاعَةَ لَآتِيَةٌ ۖ فَاصْفَحِ الصَّفْحَ الْجَمِيلَ
Arabic
٨٥ وما خلقنا السماوات والأرض وما بينهما إلا بالحق ۗ وإن الساعة لآتية ۖ فاصفح الصفح الجميل
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ মহাকাশ আর পৃথিবী এবং এই দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আমরা সৃষ্টি করেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে। কিয়ামত অবশ্যি আসবে। তাই তুমি সুন্দর সৌজন্যবোধের সাথে তাদের উপেক্ষা করো।
জহুরুল হক
৮৬ নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞাতা।
Arabic, with marks
٨٦ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ
Arabic
٨٦ إن ربك هو الخلاق العليم
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ নিশ্চয়ই তোমার রব মহাস্রষ্টা, অতীব জ্ঞানী।
জহুরুল হক
৮৭ আর নিশ্চয়ই তোমাকে আমরা দিয়েছি বারবার - পঠিত সাতটি, আর এক সুমহান কুরআন।
Arabic, with marks
٨٧ وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِّنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ
Arabic
٨٧ ولقد آتيناك سبعا من المثاني والقرآن العظيم
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ আমরা তোমাকে দিয়েছি পুন: পুন: আবৃত্ত সাত (আয়াত) এবং মহাগ্রন্থ আল - কুরআন।
জহুরুল হক
৮৮ তাদের মধ্যের কতক পরিবারকে যা ভোগবিলাসের বস্তু দিয়েছি তার প্রতি তোমার চোখ দিয়ো না, আর তাদের প্রতি তুমি ক্ষোভ করো না, বরং তোমার ডানা নামাও মুমিনদের জন্য।
Arabic, with marks
٨٨ لَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِ أَزْوَاجًا مِّنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِينَ
Arabic
٨٨ لا تمدن عينيك إلى ما متعنا به أزواجا منهم ولا تحزن عليهم واخفض جناحك للمؤمنين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ আমরা তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ বিলাসের যেসব উপকরণ দিয়েছি, সেগুলোর প্রতি তুমি কখনো তোমার দুই চোখ মেলে তাকিয়োনা। তাদের জন্যে তুমি দুঃখও করোনা। তুমি মুমিনদের জন্যে তোমার দুই ডানা অবনমিত করে দাও।
জহুরুল হক
৮৯ আর বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি, আমি হচ্ছি একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী।’’
Arabic, with marks
٨٩ وَقُلْ إِنِّي أَنَا النَّذِيرُ الْمُبِينُ
Arabic
٨٩ وقل إني أنا النذير المبين
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ তুমি বলো: ‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’
জহুরুল হক
৯০ যেমন আমরা পাঠিয়েছিলাম বিভক্তদের প্রতি, - -
Arabic, with marks
٩٠ كَمَا أَنزَلْنَا عَلَى الْمُقْتَسِمِينَ
Arabic
٩٠ كما أنزلنا على المقتسمين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ (এটা ঠিক সেরকম) যেভাবে আমরা নাযিল করেছিলাম সেইসব বিভক্তকারীদের (ইহুদি ও খৃস্টানদের) উপর,
জহুরুল হক
৯১ যারা কুরআনকে করে ছিন্নভিন্ন।
Arabic, with marks
٩١ الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ
Arabic
٩١ الذين جعلوا القرآن عضين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ যারা তাদের কুরআনকে (তাওরাতকে) বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে।
জহুরুল হক
৯২ সুতরাং, তোমার প্রভুর কসম! আমরা নিশ্চয়ই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব - -
Arabic, with marks
٩٢ فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
Arabic
٩٢ فوربك لنسألنهم أجمعين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ তোমার প্রভুর শপথ! আমরা অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো,
জহুরুল হক
৯৩ তারা যা করে চলেছিল সে - সন্বন্ধে।
Arabic, with marks
٩٣ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ
Arabic
٩٣ عما كانوا يعملون
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ তাদের কর্মকান্ডের বিষয়ে।
জহুরুল হক
৯৪ কাজেই প্রকাশ্যে ঘোষণা করো যা তোমাকে আদেশ করা হয়েছে, আর বহুখোদাবাদীদের থেকে ফিরে থেকো।
Arabic, with marks
٩٤ فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِينَ
Arabic
٩٤ فاصدع بما تؤمر وأعرض عن المشركين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ তোমাকে যার আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।
জহুরুল হক
৯৫ আমরাই তো তোমার জন্য যথেষ্ট বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে - -
Arabic, with marks
٩٥ إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ
Arabic
٩٥ إنا كفيناك المستهزئين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্যে আমরাই কাফী (যথেষ্ট),
জহুরুল হক
৯৬ যারা আল্লাহ্ র সাথে দাঁড় করায় অন্য উপাস্য, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।
Arabic, with marks
٩٦ الَّذِينَ يَجْعَلُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ ۚ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
Arabic
٩٦ الذين يجعلون مع الله إلها آخر ۚ فسوف يعلمون
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ যারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
জহুরুল হক
৯৭ আর আমরা অবশ্য জানি যে তারা যা বলে তাতে তোমার বক্ষ আলবৎ পীড়িত হয়,
Arabic, with marks
٩٧ وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ
Arabic
٩٧ ولقد نعلم أنك يضيق صدرك بما يقولون
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ আমরা জানি, তাদের কথায় তোমার মন সংকুচিত হয়ে আসে।
জহুরুল হক
৯৮ সুতরাং তোমার প্রভুর প্রশংসা দ্বারা মহিমা কীর্তন করো, আর সিজদাকারীদের মধ্যেকার হও,
Arabic, with marks
٩٨ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ السَّاجِدِينَ
Arabic
٩٨ فسبح بحمد ربك وكن من الساجدين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ সুতরাং তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো এবং তুমি সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত।
জহুরুল হক
৯৯ আর তোমার প্রভুর উপাসনা কর যে পর্যন্ত না তোমার কাছে আসে যা সুনিশ্চিত।
Arabic, with marks
٩٩ وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّىٰ يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ
Arabic
٩٩ واعبد ربك حتى يأتيك اليقين
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ এবং তোমার প্রভুর ইবাদত করো যতোক্ষণ না তোমার কাছে আসে নিশ্চিত জিনিসটি (মৃত্যু)।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report