Kitab

আল দোখান

Chapter 44, 59 verses

  • জহুরুল হক
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক

হা মীম!

বয়ান ফাউন্ডেশন

হা-মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হা - মীম।

জহুরুল হক

সুস্পষ্ট গ্রন্থের কথা ভেবে দেখো - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুস্পষ্ট কিতাবের কসম!

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ এই সুস্পষ্ট কিতাবের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা এটি অবতারণ করেছি এক পবিত্র রাত্রিতে, নিঃসন্দেহ আমরা চির - সতর্ককারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি এটি নাযিল করেছি বরকতময় রাতে; নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এটিকে নাযিল করেছি এক মুবারক রাতে। আমরা তো সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো ইহা অবতীর্ণ করিয়াছি এক মুবারক রজনীতে ; আমি তো সতর্ককারী।

জহুরুল হক

এতে প্রত্যেক বিষয় সুস্পষ্ট করা হয় জ্ঞানভান্ডার দিয়ে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই রাতে ফায়সালা করা হয় প্রতিটি বিজ্ঞানময় বিষয়

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই রজনীতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়,

জহুরুল হক

আমাদের তরফ থেকে এক নির্দেশনামা। নিঃসন্দেহ আমরা সতত প্রেরণকারী, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার নির্দেশে। নিশ্চয় আমি রাসূল প্রেরণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের নির্দেশক্রমে। আমরা তো রসূল পাঠিয়ে থাকি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার আদেশক্রমে, আমি তো রাসূল প্রেরণ করিয়া থাকি

জহুরুল হক

তোমার প্রভু কাছ থেকে এ এক অনুগ্রহ। নিঃসন্দেহ তিনি, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার রবের কাছ থেকে রহমত হিসেবে; নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ হিসেবে। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহস্বরূপ ; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ -

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা আছে তার প্রভু, - - যদি তোমরা সুনিশ্চিত হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু‘য়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব; যদি তোমরা দৃঢ় বিশ্বাস পোষণকারী হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি মহাকাশ ও পৃথিবীর প্রভু এবং এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সেগুলোরও, যদি তোমরা একীন রেখে থাকো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত হও।

জহুরুল হক

তিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরষদেরও প্রভু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি ছাড়া কোন (সত্য) নেই; তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদের রব।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। তিনি হায়াত দান করেন এবং মউত ঘটান। তিনিই তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদের প্রভু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ তারা সন্দেহের মাঝে ছেলেখেলা খেলছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বরং সন্দেহের বশবর্তী হয়ে খেলতামাশা করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা সন্দেহে থেকে খেলতামাশায় লিপ্ত হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত উহারা সন্দেহের বশবর্তী হইয়া হাসিঠাট্টা করিতেছে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যখন আকাশ নেমে আসবে প্রকাশ্য ধোঁয়া নিয়ে, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব অপেক্ষা কর সেদিনের যেদিন স্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হবে আকাশ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি অপেক্ষা করো সেই দিনটির যেদিন আসমান হয়ে পড়বে ঘোরতর ধোঁয়াচ্ছন্ন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হইবে আকাশ,

জহুরুল হক

মানুষকে জড়িয়ে ফেলে। এ এক মর্মন্তদ শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা মানুষদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে: এটি যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তা ঢেকে ফেলবে সমস্ত মানুষকেও। এ হবে এক বেদনাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহা আবৃত করিয়া ফেলিবে মানব জাতিকে। ইহা হইবে মর্মন্তুদ শাস্তি।

জহুরুল হক

''আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে নাও, নিঃসন্দেহ আমরা হচ্ছি।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

(তখন তারা বলবে) ‘হে আমাদের রব, আমাদের থেকে আযাব দূর করুন; নিশ্চয় আমরা হব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলতে থাকবে: ‘আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে সরিয়ে নাও আযাব। আমরা এখনই ঈমান আনছি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহারা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের হইতে শাস্তি দূর কর, অবশ্যই আমরা ঈমান আনিব।’

জহুরুল হক

কেমন ক’রে তাদের জন্য উপদেশ - গ্রন্থ হবে, অথচ তাদের কাছে একজন প্রকাশ্য রসূল এসেই গেছেন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

এখন কীভাবে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে, অথচ ইতঃপূর্বে তাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনাকারী রাসূল এসেছিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

কেমন করে তারা গ্রহণ করবে উপদেশ, অথচ তাদের কাছে এসেছিল একজন সুস্পষ্ট রসূল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কী করিয়া উপদেশ গ্রহণ করিবে? উহাদের নিকট তো আসিয়াছে স্পষ্ট ব্যাখ্যাতা এক রাসূল ;

জহুরুল হক

কিন্ত তারা তখন তাঁর থেকে ফিরে গিয়েছিল আর বলেছিল - - ''শেখানো, পাগল।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তারা তাঁর দিক থেকে বিমুখ হয়েছিল এবং বলেছিল ‘এ শিক্ষাপ্রাপ্ত পাগল’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা একথা বলে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়: ‘এ তো এক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাগল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে অমান্য করিয়া বলে, ‘সে শিক্ষাপ্রাপ্ত এক পাগল!’

জহুরুল হক

আমরা না হয় কিছুকালের জন্য শাস্তি স্থগিতই রাখব, কিন্ত তোমরা তো ফিরে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি ক্ষণকালের জন্য আযাব দূর করব; নিশ্চয় তোমরা পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি কিছু কালের জন্যে আযাব সরিয়ে নিচ্ছি, কিন্তু তোমরা তো পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কিছু কালের জন্য শাস্তি রহিত করিব - তোমরা তো তোমাদের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাইবে।

জহুরুল হক

যেদিন আমরা পাকড়াবো বিরাট ধড়পাকড়ে, সেদিন আমরা নিশ্চয়ই শেষ - পরিণতি দেখাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন আমি প্রবলভাবে পাকড়াও করব; নিশ্চয় আমি হব প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আমরা তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করবো, সেদিন অবশ্যি আমরা তোমাদের থেকে প্রতিশোধ নেবো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন আমি তোমাদেরকে প্রবলভাবে পাকড়াও করিব, সেদিন নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে শাস্তি দিবই।

জহুরুল হক

আর তাদের আগে আমরা তো ফির'আউনের লোকদলকে পরীক্ষা করেইছিলাম, আর তাদের নিকট এক সম্মানিত রসূল এসেছিলেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই এদের পূর্বে আমি ফির‘আউনের কওমকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তাদের কাছে এসেছিল এক সম্মানিত রাসূল,

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের আগে আমরা ফেরাউনের জাতিকেও পরীক্ষা করেছিলাম এবং তাদের কাছে এসেছিল একজন সম্মানিত রসূল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাদের পূর্বে আমি তো ফির‘আওন সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করিয়াছিলাম এবং উহাদের নিকটও আসিয়াছিল এক সম্মানিত রাসূল,

জহুরুল হক

এই বলে - - ''‌র বান্দাদের আমার নিকট ফেরত দাও, নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের প্রতি একজন বিশ্বস্ত বাণীবাহক,

বয়ান ফাউন্ডেশন

(সে বলেছিল) ‘আল্লাহর বান্দাদেরকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও; নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তাদের বলেছিল: ‘‘আল্লাহর বান্দাদের (বনি ইসরাঈলকে) আমার হাতে প্রত্যার্পণ করো। আমি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসূল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‌র বান্দাদেরকে আমার নিকট প্রত্যর্পণ কর। আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

জহুরুল হক

''আর যেন তোমরা ‌র উপরে উঠতে যেও না, নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছি এক সুস্পষ্ট দলিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আল্লাহর বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করো না। নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর বিরুদ্ধে বড়াই করোনা, আমি (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছি সুস্পষ্ট প্রমাণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তোমরা ‌র বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিও না, আমি তোমাদের নিকট উপস্থিত করিতেছি স্পষ্ট প্রমাণ।

জহুরুল হক

''আর আমি আলবৎ আশ্রয় চাইছি আমার প্রভু ও তোমাদের প্রভুর কাছে, পাছে তোমরা আমাকে পাথর মে’রে মেরে ফেল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের প্রস্তরাঘাত থেকে আমি আমার রব ও তোমাদের রবের কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যেনো আমাকে পাথর মেরে হত্যা করতে না পারো, সে জন্যে আমি আমার প্রভু এবং তোমাদের প্রভু (আল্লাহর) আশ্রয় গ্রহণ করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যাহাতে আমাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করিতে না পার, তজ্জন্য আমি আমার প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালকের শরণ লইতেছি।

জহুরুল হক

''আর যদি তোমরা আমাতে বিশ্বাস না কর তাহলে আমাকে যেতে দাও।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা যদি আমার উপর বিশ্বাস না রাখ, তবে আমাকে ছেড়ে যাও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি আমার প্রতি ঈমান না আনো, তাহলে আমার থেকে দূরে থাকো।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যদি তোমরা আমার কথায় বিশ্বাস স্থাপন না কর, তবে তোমরা আমার নিকট হইতে দূরে থাক।’

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''এরা হচ্ছে এক অপরাধী জাতি।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তার রবকে ডেকে বলল, ‘নিশ্চয় এরা এক অপরাধী সম্প্রদায়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর মূসা তার প্রভুকে ডেকে বললো: ‘এরা তো এক অপরাধী জাতি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাহার প্রতিপালকের নিকট নিবেদন করিল, ‘ইহারা তো এক অপরাধী সম্প্রদায়।’

জহুরুল হক

''তাহলে আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে রওয়ানা হও, তোমরা অবশ্যই পশ্চাদ্ধাবিত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

( বললেন) ‘তাহলে আমার বান্দাদের নিয়ে রাতে বেরিয়ে পড়; নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তখন আমরা তাকে নির্দেশ দিয়েছি:) ‘তুমি রাতের বেলায় আমার দাসদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ো। পেছনে থেকে তোমাদের ধাওয়া করা হবে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি বলিয়াছিলাম, ‘তুমি আমার বান্দাদেরকে লইয়া রজনীযোগে বাহির হইয়া পড়, তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হইবেই।’

জহুরুল হক

আর সমুদ্রকে পেছনে রেখে যাও শান্ত অবস্থায়। নিঃসন্দেহ তারা হচ্ছে এমন এক বাহিনী যারা নিমজ্জিত হবে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সমুদ্রকে রেখে দাও শান্ত, নিশ্চয় তারা হবে এক ডুবন্ত বাহিনী’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমুদ্রকে স্থির থাকতে দাও, ওরা সেই বাহিনী যারা ডুবে মরবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমুদ্রকে স্থির থাকিতে দাও, উহারা এমন এক বাহিনী যাহা নিমজ্জিত হইবেই।

জহুরুল হক

তারা পেছনে ফেলে এসেছে কত যে বাগান ও ঝরনা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা অনেক বাগান ও ঝর্না রেখেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে বাগবাগিচা আর ঝরণাধারা পেছনে রেখে এসেছিল তারা!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছিল কত উদ্যান ও প্রস্রবণ;

জহুরুল হক

আর খেত - খামার ও মনোরম বাসস্থান,

বয়ান ফাউন্ডেশন

শ্যামল শস্যক্ষেত ও সুরম্য বাসস্থান,

আবদুস শহীদ নাসিম

রেখে এসেছিল শস্য ক্ষেত, বিলাসবহুল প্রাসাদ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসাদ,

জহুরুল হক

আর ভোগসামগ্রী যাতে তারা অবস্থান করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নানা বিলাস-সামগ্রী, যাতে তারা আনন্দ উপভোগ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কতো যে বিলাস সামগ্রী, যেগুলোতে তারা ছিলো উল্লাসে মত্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত বিলাস - উপকরণ, উহাতে তাহারা আনন্দ পাইত!

জহুরুল হক

এইভাবেই, আর এইসব আমরা অন্য এক জাতিকে উত্তরাধিকার করতে দিয়েছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমনটিই হয়েছিল এবং আমি এগুলোর উত্তরাধিকারী করেছিলাম অন্য কওমকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটিই ঘটেছিল, আর আমরা এসব কিছুর ওয়ারিশ বানিয়েছিলাম অপর একদল লোককে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং আমি এই সমুদয়ের উত্তরাধিকারী করিয়াছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।

জহুরুল হক

তারপর মহাকাশ ও পৃথিবী তাদের জন্য কাঁদে নি, আর তারা অবকাশপ্রাপ্তও হয়নি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আসমান ও যমীন তাদের জন্য কাঁদেনি এবং তারা অবকাশপ্রাপ্ত ছিল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আসমান কিংবা জমিন কেউই তাদের জন্যে অশ্রুপাত করেনি এবং তাদের কোনো প্রকার অবকাশও দেয়া হয়নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ এবং পৃথিবী কেহই উহাদের জন্যে অশ্রুপাত করে নাই এবং উহাদেরকে অবকাশও দেওয়া হয় নাই।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই ইসরাইলের বংশধরদের উদ্ধার করে দিয়েছিলাম লাঞ্ছনা - দায়ক শাস্তি থেকে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক আযাব থেকে উদ্ধার করেছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

(এভাবে) আমরা নাজাত (মুক্তি) দিয়েছিলাম বনি ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাকর আযাব থেকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো উদ্ধার করিয়াছিলাম বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি হইতে

জহুরুল হক

ফির'আউনের থেকে। নিঃসন্দেহ সে ছিল মহাউদ্ধত, সীমালংঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন থেকে, নিশ্চয় সে ছিল সীমালঙ্ঘনকারীদের শীর্ষস্থানীয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কবল থেকে, সে ছিলো এক উদ্ধত সীমালংঘনকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওনের; সে তো ছিল পরাক্রান্ত সীমালংঘনকারীদের মধ্যে।

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্য জেনে - শুনেই তাদের নির্বাচন করেছিলাম লোকজনের উপরে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি জ্ঞাতসারেই তাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর নির্বাচিত করেছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জেনে বুঝেই জমিনে তাদের দিয়েছিলাম শ্রেষ্ঠত্ব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো জানিয়া - শুনিয়াই উহাদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছিলাম,

জহুরুল হক

আর তাদের দিয়েছিলাম কতক নিদর্শনাবলী যার মধ্যে ছিল এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে এমন নিদর্শনাবলী দিয়েছিলাম যাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তাদের দিয়েছিলাম নিদর্শনাবলি, যাতে ছিলো সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম নিদর্শনাবলী, যাহাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা;

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এরা তো বলেই থাকে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা বলেই থাকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন কিনা এরা বলছে:

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিয়াই থাকে,

জহুরুল হক

''এইটি আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু বৈ তো নয়, কাজেই আমরা তো আর পুনরুত্থিত হবো না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নেই এবং আমরা পুনরুত্থিত হবার নই’।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আমাদের প্রথম মউত ছাড়া আর কিছু নেই, আমাদের পুনরুত্থিত করা হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ব্যতীত আর কিছুই নাই এবং আমরা আর উত্থিত হইব না।

জহুরুল হক

''তাহলে আমাদের পিতৃপুরুষদের নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে নিয়ে এসো’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের পূর্ব পুরুষদের উঠিয়ে এনে দেখাও।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতএব তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে উপস্থিত কর।’

জহুরুল হক

এরাই কি ভাল, না তুব্বার লোকেরা, এবং যারা এদের পূর্ববর্তী ছিল? আমরা তাদের ধ্বংস করেছিলাম, কারণ তারা ছিল অপরাধী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি শ্রেষ্ঠ না তুব্বা সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তারা? আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছিলাম। নিশ্চয় তারা ছিল অপরাধী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরাই কি শ্রেষ্ঠ, নাকি তুববা জাতি এবং তাদের আগেকার লোকেরা? আমরা তাদের হালাক (ধ্বংস) করে দিয়েছিলাম, কারণ তারা ছিলো অপরাধী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শ্রেষ্ঠ কি উহারা, না তুব্বা সম্প্রদায় ও ইহাদের পূর্ববর্তীরা? আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছিলাম, অবশ্যই উহারা ছিল অপরাধী।

জহুরুল হক

আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী আর এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা ছেলে - খেলার জন্য সৃষ্টি করি নি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মহাকাশ, এই পৃথিবী এবং এদের মধ্যবর্তী সবকিছু খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যে কোন কিছুই ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই;

জহুরুল হক

আমরা এদুটিকে সত্যের জন্য ভিন্ন সৃষ্টি করি নি, কিন্ত তাদের অধিকাংশই জানে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি এ দু’টোকে যথাযথভাবেই সৃষ্টি করেছি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এ দুটো (মহাকাশ ও পৃথিবী) বাস্তব কারণ ছাড়া সৃষ্টি করিনি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি এই দুইটি অযথা সৃষ্টি করি নাই, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ফয়সালার দিন হচ্ছে তাদের সবার নির্ধারিত দিনকাল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় ফয়সালার দিনটি তাদের সকলের জন্যই নির্ধারিত সময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিচারের দিনই হলো তাদের মিকাত (শেষ সীমা ও শেষ সময়)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সকলের জন্য নির্ধারিত রহিয়াছে উহাদের বিচার দিবস।

জহুরুল হক

যেদিন এক বন্ধু আরেক বন্ধুর থেকে কোনো প্রকারে লাভবান হবে না, আর তাদের সাহায্যও করা হবে না, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন বন্ধু বন্ধুর উপকারে আসবেনা এবং সাহায্যও করা হবেনা তাদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসিবে না এবং উহারা সাহায্যও পাইবে না।

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যাদের প্রতি করুণা করেছেন। নিঃসন্দেহ তিনি, তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে ছাড়া, যার প্রতি অনুগ্রহ করেন। নিশ্চয় তিনিই মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যার প্রতি রহম করবেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, পরম করুণাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌ যাহার প্রতি দয়া করেন তাহার কথা স্বতন্ত্র। তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যিক্কুম বৃক্ষ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যাক্কূম বৃক্ষ

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যাক্কুম গাছ হবে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই যাক্কুম বৃক্ষ হইবে -

জহুরুল হক

পাপীদের খাদ্য, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

পাপীর খাদ্য;

আবদুস শহীদ নাসিম

পাপিষ্ঠদের খাদ্য,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পাপীর খাদ্য;

জহুরুল হক

গলিত পিতলের মতো, - - পেটের ভেতরে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

গলিত তামার মতো ফুটতে থাকবে তাদের পেটে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

গলিত তাম্রের মত, উহাদের উদরে ফুটিতে থাকিবে

জহুরুল হক

ফুটন্ত পানির টগবগ করার মতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফুটন্ত পানির মত

আবদুস শহীদ নাসিম

যেভাবে ফোটে টগবগে ফুটন্ত পানি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফুটন্ত পানির মত।

জহুরুল হক

''তাকে পাকড়ো, তারপর তাকে টেনে নিয়ে যাও ভয়ংকর আগুনের মাঝখানে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

(বলা হবে) ‘ওকে ধর, অতঃপর তাকে জাহান্নামের মধ্যস্থলে টেনে নিয়ে যাও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(বলা হবে:) ওকে পাকড়াও করো এবং টেনে নিয়ে যাও জাহিমের (জাহান্নামের) মাঝখানে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাকে ধর এবং টানিয়া লইয়া যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,

জহুরুল হক

''তারপর তার মাথার উপরে ঢেলে দাও ফুটন্ত পানির শাস্তি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার মাথায় ঢালো টগবগে ফুটন্ত পানির আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহার মস্তকের উপর ফুটন্ত পানি ঢালিয়া শাস্তি দাও -

জহুরুল হক

''আস্বাদ কর, তুমি তো ছিলে মহাশক্তিশালী, পরম সম্মানিত!’

বয়ান ফাউন্ডেশন

(বলা হবে) ‘তুমি আস্বাদন কর, নিশ্চয় তুমিই সম্মানিত, অভিজাত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাকে আরো বলা হবে:) স্বাদ গ্রহণ করো, তুমি ছিলে বড় ইযযতওয়ালা, অভিজাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলা হইবে ‘আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত!

জহুরুল হক

''আলবৎ এ হচ্ছে সেই যে - সন্বন্ধে তোমরা সন্দেহ করতে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এটা তা-ই যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো সেই জিনিস, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ইহা তো উহাই, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করিতে।’

জহুরুল হক

অবশ্য ধর্মভীরুরা থাকবে নিরাপদ স্থানে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে নিরাপদ জায়গায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীরা তো থাকিবে নিরাপদ স্থানে -

জহুরুল হক

বাগানের ও ঝরনার মধ্যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বাগ-বাগিচা ও ঝর্নাধারার মধ্যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

উদ্যানরাজি আর ঝরণাধারা সমূহের মাঝে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উদ্যান ও ঝর্ণার মাঝে,

জহুরুল হক

তারা পরিধান করবে মিহি রেশম ও পুরু জরিদার পোশাক, পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা পরিধান করবে পাতলা ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং বসবে মুখোমুখী হয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে পরবে মিহি ও পুরো রেশমের পোশাক এবং বসবে মুখোমুখি হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা পরিধান করিবে মিহি ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং মুখোমুখি হইয়া বসিবে।

জহুরুল হক

এইভাবেই! আমরা তাদের জোড় মিলিয়ে দেব আয়তলোচন হূরদের সাথে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরূপই ঘটবে, আর আমি তাদেরকে বিয়ে দেব ডাগর নয়না হূরদের সাথে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটিই ঘটবে, আর আমরা তাদের সংগিনী হিসেবে তাদের সাথে বিয়ে দেবো বড় চোখওয়ালা নারীদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপই ঘটিবে; আমি উহাদেরকে সঙ্গিনী দান করিব আয়তলোচনা হুর,

জহুরুল হক

সেখানে তারা আনতে বলবে বিবিধ ফলফসল, নিরাপত্তার সাথে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তারা প্রশান্তচিত্তে সকল প্রকারের ফলমূল আনতে বলবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা সব রকমের ফলফলারি আনতে বলবে প্রশান্ত হৃদয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেথায় তাহারা প্রশান্ত চিত্তে বিবিধ ফলমূল আনিতে বলিবে।

জহুরুল হক

তারা সেখানে মৃত্যু আস্বাদন করবে না প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত; আর তিনি তাদের রক্ষা করবেন ভয়ংকর আগুনের শাস্তি থেকে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রথম মৃত্যুর পর সেখানে তারা আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর তিনি তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথম যে মৃত্যু হয়েছে তাছাড়া আর কোনো মৃত্যু তারা আস্বাদন করবেনা এবং তাদের রক্ষা করা হবে জাহিমের (জাহান্নামের) আযাব থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রথম মৃত্যুর পর তাহারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করিবে না। আর তাহাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হইতে রক্ষা করিবেন -

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর কাছ থেকে এ এক করুণা। এটি খোদ এক বিরাট সাফল্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার রবের অনুগ্রহস্বরূপ, এটাই তো মহা সাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এসবই তোমার প্রভুর অনুগ্রহ। এটাই হবে মহাসাফল্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক নিজ অনুগ্রহে। ইহাই তো মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা নিশ্চয় এটিকে তোমার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি যেন তারা মনোনিবেশ করতে পারে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই কুরআনকে আমরা তোমার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করিয়া দিয়াছি, যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, নিঃসন্দেহ তারাও অপেক্ষমাণ রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি অপেক্ষা কর, তারাও অপেক্ষাকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি অপেক্ষা করো, তারাও প্রতীক্ষায়ই আছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, উহারাও প্রতীক্ষমাণ।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme