Kitab

আল মুদ্দাসসির

Chapter 74, 56 verses

  • জহুরুল হক
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
জহুরুল হক

হে প্রিয় পোশাক - পরিহিত!

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে বস্ত্রাবৃত!

আবদুস শহীদ নাসিম

হে বস্ত্রাচ্ছাদিত !

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; হে বস্ত্রাবৃত,

জহুরুল হক

ওঠো এবং সতর্ক করো,

বয়ান ফাউন্ডেশন

উঠ, অতঃপর সতর্ক কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

উঠো, (মানুষকে) সতর্ক করো।

সমকালীন বাংলা

উঠো, অতঃপর সতর্ক কর,

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভু - - মাহা‌ত্ম্য ঘোষণা করো,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার রব - এর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করো।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর।

জহুরুল হক

আর তোমার পোশাক - - তবে পবিত্র করো,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার পোশাক-পরিচ্ছদ পবিত্র কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার পোশাক পরিচ্ছদ পবিত্র রাখো।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখ,

জহুরুল হক

আর কদর্যতা - - তবে পরিহার করো,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অপবিত্রতা বর্জন কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

আবিলতা (শিরকের অপবিত্রতা) পরিত্যাগ করো।

সমকালীন বাংলা

এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকো,

জহুরুল হক

আর অনুগ্রহ করো না বেশি পাবার প্রত্যাশায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অধিক পাওয়ার আশায় দান করো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বেশি পাওয়ার আশায় উপকার করোনা।

সমকালীন বাংলা

এবং অধিক পাওয়ার আশায় দান করো না,

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভুর জন্য তবে অধ্যবসায় চালিয়ে যাও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার রবের জন্যই ধৈর্যধারণ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমার প্রভুর উদ্দেশ্যে সবর অবলম্বন করো।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার প্রতিপালকের জন্য ধৈর্য ধারণ করো।

জহুরুল হক

তারপর যখন শিঙায় আওয়াজ দেওয়া হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফুৎকার দেয়া হবে শিংগায়,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে,

জহুরুল হক

সেটি তবে হবে, সেই দিনটি, এক মহাসংকটের দিন - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সেদিন হবে কঠিন দিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিনটি হবে এক কঠিন দিন।

সমকালীন বাংলা

তখন সে দিন হবে এক কঠিন দিন,

জহুরুল হক

অবিশ্বাসীদের উপরে; আরামদায়ক নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য সহজ নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি সহজ হবেনা কাফিরদের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

অস্বীকারকারীদের উপর সহজ হবে না।

জহুরুল হক

ছেড়ে দাও আমাকে ও তাকে যাকে আমি সৃষ্টি করেছি এককভাবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমাকে এবং যাকে আমি সৃষ্টি করেছি তাকে একাকী ছেড়ে দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাকে ছেড়ে দাও আর যাকে আমি সৃষ্টি করেছি একাই।

সমকালীন বাংলা

ছেড়ে দাও আমাকে এবং যাকে আমি একা সৃষ্টি করেছি,

জহুরুল হক

আর তার জন্য আমি বিপুল ধনসম্পদ দিয়েছিলাম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে দিয়েছি অঢেল সম্পদ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তাকে দিয়েছি বিপুল মাল - সম্পদ।

সমকালীন বাংলা

এবং তাকে দিয়েছি বিপুল সম্পদ,

জহুরুল হক

আর সন্তানসন্ততি প্রত্যক্ষ অবস্থানকারী,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর উপস্থিত অনেক পুত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

দিয়েছি সংগে উপস্থিত থাকা পুত্রদের।

সমকালীন বাংলা

এবং উপস্থিত সন্তানদের,

জহুরুল হক

আর তার জন্য আমি সহজ করে দিয়েছিলাম স্বচ্ছন্দভাবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার জন্য (জীবনকে) সুগম স্বাচ্ছন্দ্যময় করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সরবরাহ করেছি স্বচ্ছন্দ জীবনের প্রচুর উপকরণ।

সমকালীন বাংলা

এবং তার জন্য ব্যাপক সুব্যবস্থা,

জহুরুল হক

তারপরেও সে চায় যে আমি যেন আরো বাড়িয়ে দিই!

বয়ান ফাউন্ডেশন

এসবের পরেও সে আকাংখা করে যে, আমি আরো বাড়িয়ে দেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপরেও সে লোভ করে আমি যেনো তাকে আরো বেশি করে দেই।

সমকালীন বাংলা

এরপরেও সে আশা করে যে আমি আরও দেই,

জহুরুল হক

কখনো নয়! কেননা সে আমাদের নির্দেশাবলী সন্বন্ধে ঘোর বিরুদ্ধাচারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় সে ছিল আমার নিদর্শনাবলীর বিরুদ্ধাচারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, সে তো আমাদের আয়াতের উগ্র বিরোধিতাকারী।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই সে আমার নিদর্শনসমূহের প্রতি ছিলো উদ্ধত,

জহুরুল হক

আমি তার উপরে আনব এক ক্রমবর্ধমান আঘাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের পিচ্ছিল পাথরে আরোহণ করতে বাধ্য করব।

আবদুস শহীদ নাসিম

অচিরেই আমি তাকে চড়াবো এক কঠিন স্থানে (জাহান্নামের পাহাড়ে)।

সমকালীন বাংলা

শীঘ্রই আমি তাকে দুর্গম আরোহনে বাধ্য করবো।

জহুরুল হক

কেননা নিশ্চয় সে ভাবনাচিন্তা করল এবং মেপেজোখে দেখল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে চিন্তা ভাবনা করল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে চিন্তা করেছে এবং একটা চক্রান্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সে চিন্তা করেছে এবং পরিকল্পনা করেছে,

জহুরুল হক

সুতরাং সে নিপাত যাক! কেমনতর সে যাচাই করেছিল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ধ্বংস হোক, কী করে সে এ সিদ্ধান্ত নিলো?

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ধ্বংস হোক সে! কীভাবে সে পরিকল্পনা করলো!

জহুরুল হক

পুনশ্চ সে নিপাত যাক! কেমন করে সে যাচাই করছিল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে আবারো ধ্বংস হোক, কী করে নিলো সে এ সিদ্ধান্ত!

সমকালীন বাংলা

আবার ধ্বংস হোক সে! কীভাবে সে পরিকল্পনা করলো!

জহুরুল হক

সে আবার তাকিয়ে দেখল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে তাকাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে নজর করে দেখেছে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে লক্ষ্য করলো,

জহুরুল হক

তারপর সে ভ্রকুঞ্চিত করল ও মুখ বিকৃত করল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করল এবং মুখ বিকৃত করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর ভ্রুকুঞ্চিত করে মুখ বিকৃত করেছে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে ভ্রূকুটি করল ও মুখ বিকৃত করলো,

জহুরুল হক

তারপর সে পিছিয়ে গেল ও বুক ফুলিয়ে এগিয়ে এল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে পিছনে ফিরল এবং অহংকার করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর পেছনে গিয়ে দাম্ভিকতা প্রকাশ করেছে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করল ও অহংকার করল,

জহুরুল হক

তারপর বললে - - ''এ বরাবর চলে আসা জাদু বৈ তো নয়!

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে বলল, ‘এ তো লোক পরম্পরায়প্রাপ্ত যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছে: ‘‘এ তো সমাজে চলে আসা প্রচলিত ম্যাজিক ছাড়া আর কিছু নয়।

সমকালীন বাংলা

এবং বলল, “এ তো কেবল প্রচলিত জাদু,”

জহুরুল হক

''এ একজন মানুষের কথা বৈ তো নয়।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এটা তো মানুষের কথামাত্র’।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতো মানুষের কথা ছাড়া অন্য কিছু নয়।’’

সমকালীন বাংলা

“এ তো মানুষেরই কথা ছাড়া কিছু নয়।”

জহুরুল হক

আমি শীঘ্রই তাকে ফেলব জ্বালাময় আগুনে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

অচিরেই আমি তাকে নিক্ষেপ করবো সাকারে।

সমকালীন বাংলা

আমি তাকে সাকারে নিক্ষেপ করবো।

জহুরুল হক

আর কী তোমাকে বোঝাবে জ্বালাময় আগুনটা কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিসে তোমাকে জানাবে জাহান্নামের আগুন কী?

আবদুস শহীদ নাসিম

কিভাবে জানবে তুমি - সাকার কী?

সমকালীন বাংলা

আর তুমি কীভাবে জানবে সাকার কী?

জহুরুল হক

তা কিছুই বাকী রাখে না, আর কিছুই ছেড়ে দেয় না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা অবশিষ্টও রাখবে না এবং ছেড়েও দেবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেটা এমন জিনিস) যা বাকিও রাখেনা, ছেড়েও দেয়না।

সমকালীন বাংলা

তা কিছু অবশিষ্ট রাখে না এবং কিছু ছাড়েও না,

জহুরুল হক

মানুষকে একেবারে ঝলসে দেবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

চামড়াকে দগ্ধ করে কালো করে দেবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা মানুষের (গায়ের চামড়া) দগ্ধকারী।

সমকালীন বাংলা

তা চামড়া দগ্ধকারী,

জহুরুল হক

তার উপরে রয়েছে ''উনিশ’’।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তার উপর রয়েছে ঊনিশজন (প্রহরী)।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটার তত্ত্বাবধানে আছে ঊনিশজন (ফেরেশতা)।

সমকালীন বাংলা

তার উপর রয়েছে উনিশ।

জহুরুল হক

আর আমরা ফিরিশ্‌তাদের ছাড়া আগুনের প্রহরী করি নি, আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছে তাদের পরীক্ষারূপে ছাড়া আমরা এদের সংখ্যা নির্ধারণ করি নি, যেন যাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছিল তাদের দৃঢ়প্রত্যয় জন্মে, আর যারা বিশ্বাস করেছে তাদের ঈমান যেন বর্ধিত হয়, আর যাদের গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে ও যারা তারা যেন সন্দেহ না করে, আর যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে ও যারা অবিশ্বাসী তারা যেন বলতে পারে - - ''এই রূপকের দ্বারা কী বোঝাতে চাইছেন?’’ এইভাবে বিভ্রান্ত করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন, এবং পথনির্দেশ দেন যাকে তিনি চান। আর তিনি ছাড়া আর কেউ তোমার প্রভুর বাহিনীকে সম্যক জানে না। বস্তুত এটি মানবকুলের জন্য এক সতর্কীকরণ বৈ তো নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি ফেরেশতাদেরকেই জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক বানিয়েছি। আর কাফিরদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ আমি তাদের সংখ্যা নির্ধারণ করেছি। যাতে কিতাবপ্রাপ্তরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে; আর মুমিনদের ঈমান বেড়ে যায় এবং কিতাবপ্রাপ্তরা ও মুমিনরা সন্দেহ পোষণ না করে। আর যেন যাদের অন্তরে

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেছি ফেরেশতাদের। আমরা কাফিরদের পরীক্ষার জন্যেই তাদের এই সংখ্যা উল্লেখ করেছি, যাতে করে ইতোপূর্বে যাদের কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের একীন জন্মে এবং যেনো ঈমানদারদের ঈমান বেড়ে যায় আর কিতাবীরা এবং মুমিনরা যেনো সন্দেহে না পড়ে। আর যাদের মনে রোগ (মুনাফিকি) আছে তারা এবং কাফিররা যেনো বলে: ‘ এই কথার মাধ্যমে কী বুঝাতে চেয়েছেন?’ এভাবেই যাকে চান বিপথগামী করেন এবং যাকে চান সঠিক পথ দেখান। তোমার প্রভুর বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনি ছাড়া কেউই জানেনা। জাহান্নামের এই তথ্য মানুষের জন্যে একটি সতর্কবাণী।

সমকালীন বাংলা

এবং আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া আগুনের তত্ত্বাবধায়ক বানাইনি, এবং এদের সংখ্যা নির্ধারণ করিনি অবিশ্বাসীদের জন্য এক পরীক্ষা ছাড়া, যেনো কিতাবপ্রাপ্তরা নিশ্চিত হতে পারে, এবং মুমিনদের বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়, এবং কিতাবপ্রাপ্তরা ও মুমিনরা সন্দেহ না করে; আর যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং অস্বীকারকারীরা বলে, “ এ উদাহরণ দ্বারা কী উদ্দেশ্য করেছেন?” এভাবেই যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ দেন। আর তোমার প্রতিপালকের বাহিনীসমূহ সম্পর্কে তিনি ছাড়া কেউ জানে না। এবং এটি মানুষের জন্য এক উপদেশ ছাড়া কিছু নয়।

জহুরুল হক

না! ভাবো চাঁদের কথা;

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, চাঁদের কসম!

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, শপথ চাঁদের,

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! শপথ চাঁদের,

জহুরুল হক

আর রাতের কথা যখন তার অবসান ঘটে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

রাতের কসম, যখন তা সরে চলে যায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের যখন তা পেছনে ফিরে (চলে) যায়,

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, যখন তা অপসারিত হয়,

জহুরুল হক

আর প্রভাতকালের কথা যখন তা হয় আলোকোজ্জ্বল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রভাতের কসম, যখন তা উদ্ভাসিত হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ভোর বেলার যখন তা আলোকিত হয়ে উঠে,

সমকালীন বাংলা

এবং সকালের, যখন তা আলোকিত হয়,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি অতি বিরাট এক ব্যাপার - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জাহান্নাম মহাবিপদসমূহের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এ (জাহান্নাম) গুরুতর বিপদ সমূহের একটি,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তা এক মহাবিষয়ের অন্যতম।

জহুরুল হক

মানুষের জন্য সতর্কীকরণরূপে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষের জন্য সতর্ককারীস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের জন্যে সতর্ককারী।

সমকালীন বাংলা

মানুষের জন্য সতর্কবার্তা,

জহুরুল হক

তোমাদের মধ্যের তার জন্য যে আগবাড়তে চায়, অথবা পেছনে থাকতে চায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যে যে চায় অগ্রসর হতে অথবা পিছিয়ে থাকতে, তার জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যে এগিয়ে আসতে চায় কিংবা যে পিছিয়ে পড়তে চায় তার জন্যে।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের মধ্যে যে অগ্রসর হতে বা পিছিয়ে থাকতে চায় তার জন্য।

জহুরুল হক

প্রত্যেক সত্ত্বাই জামিন থাকবে যা সে অর্জন করে তার জন্য, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রতিটি প্রাণ নিজ অর্জনের কারণে দায়বদ্ধ।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের অর্জনের কাছে আবদ্ধ।

সমকালীন বাংলা

প্রত্যেক ব্যক্তি তার অর্জনের জন্য দায়বদ্ধ;

জহুরুল হক

ডানদিকের লোকেরা ব্যতীত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু ডান দিকের লোকেরা নয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে ডান পাশের লোকেরা নয়।

সমকালীন বাংলা

তবে ডানদিকের সঙ্গীরা ব্যতীত।

জহুরুল হক

জান্নাতে, তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

বাগ-বাগিচার মধ্যে তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে উদ্যানসমূহে, তারা প্রশ্ন করবে

সমকালীন বাংলা

তারা থাকবে উদ্যানসমূহে; পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,

জহুরুল হক

অপরাধীদের সম্পর্কে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের সম্পর্কে,

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীদের বিষয়ে:

সমকালীন বাংলা

অপরাধীদের সম্পর্কে,

জহুরুল হক

''কিসে তোমাদের নিয়ে এসেছে জ্বালাময় আগুনে?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাল?

আবদুস শহীদ নাসিম

‘কোন্ জিনিস তোমাদের নিক্ষেপ করেছে সাকারে?’

সমকালীন বাংলা

“কী তোমাদের সাকারে প্রবেশ করিয়েছে?”

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''আমরা নামাযীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলবে, ‘আমরা আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘‘আমরা মুসল্লিদের মধ্যে ছিলাম না,

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “আমরা আদায়কারীদের মধ্যে ছিলাম না,

জহুরুল হক

''আর আমরা অভাবগ্রস্তদের খাবার দিতে চাইতাম না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করতাম না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা মিসকিনদের (অভাবীদের) খাবার দিতামনা,

সমকালীন বাংলা

এবং অভাবগ্রস্তকে আহার করাতাম না,

জহুরুল হক

''বরং আমরা বৃথা তর্ক করতাম বৃথা তর্ককারীদের সঙ্গে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা অনর্থক আলাপকারীদের সাথে (বেহুদা আলাপে) মগ্ন থাকতাম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মিথ্যা রটনাকারীদের সাথে মিথ্যা রটনা করতাম,

সমকালীন বাংলা

এবং আমরা অর্থহীন আলোচনায় লিপ্তদের সঙ্গে যোগ দিতাম,

জহুরুল হক

''আর আমরা বিচারের দিনকে মিথ্যা বলতাম, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা প্রত্যাখ্যান করতাম প্রতিদান দিবসকে,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম,

জহুরুল হক

''যতক্ষণ না অবশ্যাম্ভাবী আমাদের কাছে এসেছিল।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশেষে আমাদের কাছে মৃত্যু আগমন করে'।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের কাছে একীন (মৃত্যু) এসে পৌছা পর্যন্ত।’’

সমকালীন বাংলা

অবশেষে নিশ্চিত বিষয়টি আমাদের কাছে আসলো।”

জহুরুল হক

ফলে সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোনো কাজে আসবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকার করবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব শাফায়াতকারীদের শাফায়াত তাদের কোনো কাজে আসবেনা।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর কাজে আসবে না সুপারিশকারীদের সুপারিশ।

জহুরুল হক

তাদের তবে কি হয়েছে যে তারা অনুশাসন থেকে ফিরে চলে যায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের কী হয়েছে যে, তারা উপদেশ বাণী হতে বিমুখ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কী হয়েছে, কেন তারা উপদেশ বাণী (কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে?

সমকালীন বাংলা

তাহলে তাদের কী হয়েছে যে তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে?

জহুরুল হক

যেন তারা ভীত - ত্রস্ত গাধার দল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যেন ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পলায়নরত বন্য গাধা।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা যেনো পলায়নপর গাধার দল,

সমকালীন বাংলা

তারা যেন ভীতসন্ত্রস্ত গাধা

জহুরুল হক

পালিয়ে যাচ্ছে সিংহের থেকে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা সিংহের ভয়ে পলায়ন করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা দ্রুত পালাচ্ছে সিংহের সামনে থেকে।

সমকালীন বাংলা

যারা সিংহ থেকে পালিয়েছে।

জহুরুল হক

বস্তুত তাদের মধ্যের প্রত্যেকটি লোকই চায় যে তাকে যেন দেওয়া হয় খোলামেলা কাগজের তাড়া।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তাদের মধ্যকার প্রত্যেক ব্যক্তিই কামনা করে যে তাকে উন্মুক্ত গ্রন্থ প্রদান করা হোক।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা প্রত্যেকে চায়, তাকে একটি উন্মুক্ত সহিফা (বই) দেয়া হোক।

সমকালীন বাংলা

বরং তাদের প্রত্যেকে চায় যে তাকে খোলা পাতা সমূহ দেওয়া হোক।

জহুরুল হক

কখনো না। তারা কিন্ত পরকালের ভয় করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনও নয়! বরং তারা আখিরাতকে ভয় করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, বরং তারা আখিরাতকেই ভয় পায়না।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! বরং তারা পরকালকে ভয় করে না।

জহুরুল হক

কক্ষনো না! এটি নিশ্চয়ই এক অনুশাসন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনও নয়! এটিতো উপদেশ মাত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

না, তা হবার নয়। নিশ্চয়ই এ কুরআন এক উপদেশ বাণী।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই এটি এক উপদেশ,

জহুরুল হক

সুতরাং যে কেউ চায় সে এটি স্মরণ করুক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব যার ইচ্ছা সে তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং যার ইচ্ছা, সে এ থেকে উপদেশ গ্রহণ করুক।

সমকালীন বাংলা

অতএব যার ইচ্ছা, সে তা স্মরণ করুক।

জহুরুল হক

আর তারা মনোনিবেশ করবে না যদি না ইচ্ছা করেন। তিনিই ভয়ভক্তি করার যোগ্য পাত্র এবং তিনিই পরিত্রাণের যথার্থ অধিকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তারা আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া উপদেশ গ্রহণ করবেনা। একমাত্র তিনিই উপযুক্ত যাকে ভয় করা উচিত এবং একমাত্র তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী।

সমকালীন বাংলা

আর তারা স্মরণ করবে না, যদি না ইচ্ছা করেন। তিনিই ভয়ের অধিক যোগ্য এবং ক্ষমা করার অধিক যোগ্য।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme