Kitab

আল ফজর

Chapter 89, 30 verses

  • জহুরুল হক
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
জহুরুল হক

ভাবো ভোরবেলার কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম ভোরবেলার।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ ফজরের,

জহুরুল হক

আর দশ রাত্রির কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম দশ রাতের।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার,

জহুরুল হক

আর জোড়ের ও বেজোড়ের কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম জোড় ও বিজোড়ের।

মুহিউদ্দীন খান

যা জোড় ও যা বিজোড়

জহুরুল হক

আর রাত্রির কথা যখন তা বিগত হয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে

জহুরুল হক

এতে কি নেই কোনো শপথবাক্য বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্য?

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর মধ্যে কি বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য কসম আছে?

মুহিউদ্দীন খান

এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।

জহুরুল হক

তুমি কি দেখো নি তোমার প্রভু কি করেছিলেন 'আদ বংশের প্রতি, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখনি তোমার রব কিরূপ আচরণ করেছেন ‘আদ জাতির সাথে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,

জহুরুল হক

ইরামের প্রতি যাদের ছিল উঁচু গঠন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইরাম গোত্রের সাথে, যারা ছিল সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী?

মুহিউদ্দীন খান

যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং

জহুরুল হক

যাদের ক্ষেত্রে ওগুলোর সমতুল্য অন্য শহরে তৈরি হয় নি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যার সমতুল্য কোন দেশে সৃষ্টি করা হয়নি।

মুহিউদ্দীন খান

যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি

জহুরুল হক

আর ছামূদ - জাতির প্রতি, যারা খোলা - প্রান্তরে বিশালাকার পাথর কাটতো;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সামূদ সম্প্রদায়, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে বাড়ি ঘর নির্মাণ করেছিল?

মুহিউদ্দীন খান

এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।

জহুরুল হক

আর ফিরআউনের প্রতি, যার ছিল দুর্ধর্ষ সেনাদল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ফির‘আউন, সেনাছাউনীর অধিপতি?

মুহিউদ্দীন খান

এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে

জহুরুল হক

যারা বিদ্রোহাচরণ করেছিল শহরে - নগরে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা সকল দেশে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল।

জহুরুল হক

আর সেখানে অশান্তি বাড়িয়ে দিয়েছিল?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা সেখানে বিপর্যয় বাড়িয়ে দিয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল।

জহুরুল হক

সেইজন্য তোমার প্রভু তাদের উপরে হেনেছিলেন শাস্তির কশাঘাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে তোমার রব তাদের উপর আযাবের কশাঘাত মারলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু তো প্রহরামঞ্চে রয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রব ঘাঁটিতেই।* *مرصاد অর্থ ঘাঁটি, যেখানে কোন লোক তার শত্রুর অজান্তে তার অপেক্ষায় ওঁত পেতে থাকে এবং শত্রুকে বাগে পেয়েই আক্রমণ করে। এখানে আল্লাহর ক্ষেত্রে শব্দটি সতর্ক দৃষ্টি রাখা, অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।

জহুরুল হক

সুতরাং মানুষের বেলা - - যখন তার প্রভু তাকে পরীক্ষা করেন, ফলে তাকে সম্মান দেন ও তাকে অনুগ্রহ দান করেন, তখন সে বলে - - ''আমার প্রভু আমাকে সম্মান দিয়েছেন।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মানুষ তো এমন যে, যখন তার রব তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মান দান করেন এবং অনুগ্রহ প্রদান করেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন।

জহুরুল হক

আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন, ফলে তার প্রতি তার জীবনোপকরণ মেপে - জোখে দেন, তখন সে বলে - - ''আমার প্রভু আমাকে হীন করেছেন।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন এবং তার উপর তার রিয্ককে সঙ্কুচিত করে দেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে অপমানিত করেছেন’।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন।

জহুরুল হক

না, বস্তুত তোমরা এতীমকে সম্মান কর না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, বরং তোমরা ইয়াতীমদের দয়া-অনুগ্রহ প্রদর্শন কর না।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।

জহুরুল হক

আর নিঃস্বদের খাবার দিতে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা মিসকীনদের খাদ্যদানে পরষ্পরকে উৎসাহিত কর না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।

জহুরুল হক

আর তোমরা গ্রাস করে ফেল উত্তরাধিকার স্বত্ব পুরোপুরি গলাধঃকরণে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা উত্তরাধিকারের সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে ভক্ষণ কর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল

জহুরুল হক

আর তোমরা ধনসম্পত্তি ভালবাস গভীর ভালবাসায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা ধন-সম্পদকে অতিশয় ভালবাস।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমরা ধন - সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস।

জহুরুল হক

কখনই না! যখন পৃথিবীটা ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, যখন যমীনকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে পরিপূর্ণভাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ - বিচুর্ণ হবে

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভু ও ফিরিশ্‌তাগণ আসবেন কাতারে কাতারে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার রব ও ফেরেশতাগণ উপস্থিত হবেন সারিবদ্ধভাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,

জহুরুল হক

আর সেইদিন তিনি জাহান্নামকে নিয়ে আসবেন; সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্ত এ স্মরণে তার কী কাজ হবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সেদিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু সেই স্মরণ তার কী উপকারে আসবে?

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?

জহুরুল হক

সে বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমি যদি আগবাড়াতাম আমার এই জীবনের জন্য!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলবে, ‘হায়! যদি আমি কিছু আগে পাঠাতাম আমার এ জীবনের জন্য’!

মুহিউদ্দীন খান

সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!

জহুরুল হক

কিন্ত সেইদিন কেউই তাঁর শাস্তির মতো শাস্তি দিতে পারবে না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সেদিন তাঁর আযাবের মত আযাব কেউ দিতে পারবে না।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।

জহুরুল হক

আর না পারবে কেউ বাঁধতে তাঁর বাঁধনের মতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কেউ তাঁর বাঁধার মত বাঁধতে পারবে না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।

জহুরুল হক

''ওহে প্রশান্ত প্রাণ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে প্রশান্ত আত্মা!

মুহিউদ্দীন খান

হে প্রশান্ত মন,

জহুরুল হক

''তোমার প্রভুর কাছে ফিরে এসো সন্তষ্ট হয়ে, - - সন্তোষভাজন হয়ে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।

জহুরুল হক

''তারপর প্রবেশ করো আমার বান্দাদের দলে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমার বান্দাদের মধ্যে শামিল হয়ে যাও।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও।

জহুরুল হক

''আর প্রবেশ করো আমার জান্নাতে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রবেশ কর আমার জান্নাতে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme