Kitab

ফুসিলাত

Chapter 41, 54 verses

  • জহুরুল হক
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • Word by word
জহুরুল হক

হা মীম!

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হা - মীম।

মুহিউদ্দীন খান

হা - মীম।

Word by word

حمٓ

জহুরুল হক

পরম করুণাময় অফুরন্ত ফলদাতার কাছ থেকে এ এক অবতারণ - -

আবদুস শহীদ নাসিম

রহমানুর রহিমের পক্ষ থেকে নাযিল হচ্ছে (এই কিতাব)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা দয়াময়, পরম দয়ালুর নিকট হইতে অবতীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অবতীর্ণ পরম করুণাময়, দয়ালুর পক্ষ থেকে।

Word by word

تَنزِيلٌ مِّنَ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

জহুরুল হক

একটি গ্রন্থ যার আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃত, আরবী কুরআন সেই লোকদের জন্য যারা জানে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি এমন একটি কিতাব, যার আয়াতসমূহ বিশদ বিবরণ সম্বলিত। এটি আরবি ভাষায় (অবতীর্ণ) কুরআন, যেসব লোক এলেম চর্চা করে তাদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক কিতাব, বিশদভাবে বিবৃত হইয়াছে ইহার আয়াতসমূহ, আরবী ভাষায় কুরআন, জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য,

মুহিউদ্দীন খান

এটা কিতাব, এর আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত আরবী কোরআনরূপে জ্ঞানী লোকদের জন্য।

Word by word

كِتَٰبٌ فُصِّلَتْ ءَايَٰتُهُۥ قُرْءَانًا عَرَبِيًّا لِّقَوْمٍ يَعْلَمُونَ

জহুরুল হক

সুসংবাদবাহক ও সতর্ককারী; কিন্ত তাদের অনেকেই সরে যায়, কাজেই তারা শোনে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারী (কিতাব)। কিন্তু অধিকাংশ লোক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, ফলে তারা আর শুনবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক মুখ ফিরাইয়া লইয়াছে, সুতরাং উহারা শুনিবে না।

মুহিউদ্দীন খান

সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে, অতঃপর তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তারা শুনে না।

Word by word

بَشِيرًا وَنَذِيرًا فَأَعْرَضَ أَكْثَرُهُمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''তুমি যার প্রতি আমাদের ডাকছ তা থেকে আমাদের হৃদয় ঢাকনির ভেতরে রয়েছে, আর আমাদের কানে রয়েছে বধিরতা, আর আমাদের মধ্যে ও তোমার মধ্যে রয়েছে একটি পর্দা কাজ করে যাও, আমরাও অবশ্য কাজ করে চলেছি।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তুমি যেদিকে আমাদের ডাকছো, সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আচ্ছাদিত, আমাদের কানে তুলা, আর আমাদের ও তোমার মাঝে রয়েছে একটি হিজাব (অন্তরাল)। সুতরাং তুমি তোমার কাজ করো, আমরা আমাদের কাজ করি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘তুমি যাহার প্রতি আমাদেরকে আহ্‌বান করিতেছ সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আবরণ - আচ্ছাদিত, আমাদের কর্ণে আছে বধিরতা এবং তোমার ও আমাদের মধ্যে আছে অন্তরাল; সুতরাং তুমি তোমার কাজ কর এবং আমরা আমাদের কাজ করি।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে আপনি যে বিষয়ের দিকে আমাদের কে দাওয়াত দেন, সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আবরণে আবৃত, আমাদের কর্ণে আছে বোঝা এবং আমাদের ও আপনার মাঝখানে আছে অন্তরাল। অতএব, আপনি আপনার কাজ করুন এবং আমরা আমাদের কাজ করি।

Word by word

وَقَالُوا۟ قُلُوبُنَا فِىٓ أَكِنَّةٍ مِّمَّا تَدْعُونَآ إِلَيْهِ وَفِىٓ ءَاذَانِنَا وَقْرٌ وَمِنۢ بَيْنِنَا وَبَيْنِكَ حِجَابٌ فَٱعْمَلْ إِنَّنَا عَٰمِلُونَ

জহুরুল হক

বলো, ''আমি তো তোমাদের মতো একজন মানুষ মাত্র, আমার কাছে প্রত্যাদেশ হয়েছে যে তোমাদের উপাস্য নিশ্চয়ই একক উপাস্য, সুতরাং তাঁর দিকে সোজাসুজি পথ ধরো, আর তাঁরই কাছে পরিত্রাণ খোঁজো।’’ আর ধিক্ বহুখোদাবাদীদের প্রতি - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমি তোমাদের মতোই একজন মানুষ। আমার প্রতি অহি করা হয়েছে যে, তোমাদের ইলাহ্ (আল্লাহ্ই) একমাত্র ইলাহ্। তোমরা মজবুতভাবে তাঁর পথ অবলম্বন করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। আর সেইসব মুশরিকদের জন্যে রয়েছে দুঃখ - দুর্ভোগ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষই, আমার প্রতি ওহী হয় যে, তোমাদের ইলাহ্ একমাত্র ইলাহ্। অতএব তোমরা তাঁহারই পথ দৃঢ়ভাবে অবলম্বন কর এবং তাঁহারই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। দুর্ভোগ অংশীবাদীদের জন্য -

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমিও তোমাদের মতই মানুষ, আমার প্রতি ওহী আসে যে, তোমাদের মাবুদ একমাত্র মাবুদ, অতএব তাঁর দিকেই সোজা হয়ে থাক এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আর মুশরিকদের জন্যে রয়েছে দুর্ভোগ,

Word by word

قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰٓ إِلَىَّ أَنَّمَآ إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ فَٱسْتَقِيمُوٓا۟ إِلَيْهِ وَٱسْتَغْفِرُوهُ وَوَيْلٌ لِّلْمُشْرِكِينَ

জহুরুল হক

যারা যাকাত প্রদান করে না, আর আখেরাত সম্পর্কে তারা স্বয়ং অবিশ্বাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যাকাত প্রদান করে না এবং তারা আখিরাতের প্রতি অবিশ্বাসী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা যাকাত প্রদান করে না এবং উহারা আখিরাতেও অবিশ্বাসী।

মুহিউদ্দীন খান

যারা যাকাত দেয় না এবং পরকালকে অস্বীকার করে।

Word by word

ٱلَّذِينَ لَا يُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَهُم بِٱلْءَاخِرَةِ هُمْ كَٰفِرُونَ

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদের জন্য রয়েছে বাধাহীন প্রতিদান।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাহাদের জন্য রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমরা কি ঠিকঠিকই তাঁকে অস্বীকার করছ যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুই দিনে, আর তোমরা কি তাঁর সঙ্গে সমকক্ষ দাঁড় করাও? এমনজনই হচ্ছেন বিশ্বজগতের প্রভু।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: তোমরা কি সেই মহান সত্তার সাথে কুফুরি করবে, যিনি এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুই দিনে (দুটি কালে) এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ সাব্যস্ত করবে? তিনি তো রাব্বুল আলামিন (মহাজগতের প্রভু)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি তাঁহাকে অস্বীকার করিবেই যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন দুই দিনে এবং তোমরা কি তাঁহার সমকক্ষ দাঁড় করাইতেছ? তিনি তো জগতসমূহের প্রতিপালক!

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।

Word by word

قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْأَرْضَ فِى يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُۥٓ أَندَادًا ذَٰلِكَ رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ

জহুরুল হক

আর তার মধ্যে তার বহির্ভাগে তিনি স্থাপন করেছেন পর্বতমালা, আর তাতে তিনি অনুগ্রহ অর্পণ করেছেন, আর তাতে তিনি ব্যবস্থা করেছেন এর খাদ্যসামগ্রী - - চার দিনে। অনুসন্ধানকারীদের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তিনি ভূ - পৃষ্ঠে স্থাপন করেছেন অটল পাহাড় পর্বত। তাতে (ভূ - পৃষ্ঠে) রেখেছেন প্রভূত বরকত। চারটি কালে তাতে ব্যবস্থা করেছেন তার সামর্থ (উৎপাদিত জীবিকা) প্রার্থনাকারীদের জন্যে তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি স্থাপন করিয়াছেন অটল পর্বতমালা ভূপৃষ্ঠে এবং উহাতে রাখিয়াছেন কল্যাণ এবং চার দিনের মধ্যে ইহাতে ব্যবস্থা করিয়াছেন খাদ্যের সমভাবে, যাচ্ঞাকারীদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন - পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।

Word by word

وَجَعَلَ فِيهَا رَوَٰسِىَ مِن فَوْقِهَا وَبَٰرَكَ فِيهَا وَقَدَّرَ فِيهَآ أَقْوَٰتَهَا فِىٓ أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ سَوَآءً لِّلسَّآئِلِينَ

জহুরুল হক

তারপর তিনি ফিরলেন আকাশের দিকে আর সেটি ছিল এক ধূম্রজাল। অনন্তর তিনি এটিকে ও পৃথিবীকে বললেন - - ''তোমরা উভয়ে এসো স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়।’’ তারা বললে - - ''আমরা আসছি অনুগত হয়ে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি মনোনিবেশ করেন আকাশের দিকে। তখন তা ছিলো ধুম্রপুঞ্জ। তারপর তিনি আকাশ ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা অস্তিত্ব ধারণ করো ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়। তারা বললো: ‘আমরা নত শিরে অস্তিত্ব ধারণ করলাম।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন যাহা ছিল ধূম্রপুঞ্জবিশেষ। অনন্তর তিনি উহাকে ও পৃথিবীকে বলিলেন, ‘তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়।’ উহারা বলিল, ‘আমরা আসিলাম অনুগত হইয়া।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।

Word by word

ثُمَّ ٱسْتَوَىٰٓ إِلَى ٱلسَّمَآءِ وَهِىَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ٱئْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا قَالَتَآ أَتَيْنَا طَآئِعِينَ

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাদের সম্পূর্ণ করলেন সাত আসমানে, দুই দিনে, আর প্রত্যেক আকাশে তিনি আদেশ করেছেন তার করণীয়। আর আমরা নিকটবর্তী আকাশকে শোভিত করেছি প্রদীপমালা দিয়ে, আর সুরক্ষিত অবস্থায়। এটিই মহাশক্তিশালী সর্বজ্ঞাতার বিধান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি দুটি কালে আকাশকে সপ্তাকাশে পরিণত করলেন এবং প্রত্যেক আকাশকে তার বিধান অহি করে দিলেন। দুনিয়ার (কাছের) আকাশকে সুশোভিত করলেন প্রদীপমালা দিয়ে এবং হিফাযতের উদ্দেশ্যে। এ হচ্ছে মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞানীর ব্যবস্থাপনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলকে দুই দিনে সপ্তাকাশে পরিণত করিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে উহার বিধান ব্যক্ত করিলেন, এবং আমি নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করিলাম প্রদীপমালা দ্বারা এবং করিলাম সুরক্ষিত। ইহা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ ‌র ব্যবস্থাপনা।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন। আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।

Word by word

فَقَضَىٰهُنَّ سَبْعَ سَمَٰوَاتٍ فِى يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِى كُلِّ سَمَآءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَٰبِيحَ وَحِفْظًا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ ٱلْعَزِيزِ ٱلْعَلِيمِ

জহুরুল হক

এর পরেও তারা যদি ফিরে যায় তাহলে তুমি বলো - - ''আমি তোমাদের হুশিয়াঁর করে দিচ্ছি 'আদ ও ছামূদের বজ্রাঘাতের ন্যায় এক বজ্রাঘাত সন্বন্ধে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাদের বলো: ‘আমি তোমাদের সতর্ক করছি এক ধ্বংসকর শাস্তির, আদ ও সামুদ জাতির শাস্তির অনুরূপ শাস্তির।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও ইহারা যদি মুখ ফিরাইয়া নেয়, তবে বল, ‘আমি তো তোমাদেরকে সতর্ক করিতেছি এক ধ্বংসকর শাস্তির, আদ ও সামূদের শাস্তির অনুরূপ।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলুন, আমি তোমাদেরকে সতর্ক করলাম এক কঠোর আযাব সম্পর্কে আদ ও সামুদের আযাবের মত।

Word by word

فَإِنْ أَعْرَضُوا۟ فَقُلْ أَنذَرْتُكُمْ صَٰعِقَةً مِّثْلَ صَٰعِقَةِ عَادٍ وَثَمُودَ

জহুরুল হক

স্মরণ করো! রসূলগণ তাদের কাছে এসেছিলেন তাদের সামনে থেকে ও তাদের পেছন থেকে এই বলে - - '' ব্যতীত কারো উপাসনা করো না।’’ তারা বলেছিল - - ''আমাদের প্রভু যদি ইচ্ছা করতেন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই ফিরিশ্‌তাদের পাঠাতে পারতেন, সেজন্য তোমাদের যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে আমরা আলবৎ তাতে অবিশ্বাসী।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগে পিছে রসূলরা এসেছিল এবং তাদের বলেছিল: ‘তোমরা ছাড়া আর কারো দাসত্ব করোনা।’ তখন তারা বলেছিল: ‘আমাদের প্রভু চাইলে তো ফেরেশতাই পাঠাতেন। সুতরাং তোমরা যা নিয়ে এসেছো, আমরা সেটার প্রতি কুফুরি করছি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের নিকট রাসূলগণ আসিয়াছিল উহাদের সম্মুখ ও পশ্চাৎ হইতে এবং বলিয়াছিল, ‘তোমরা ‌ ব্যতীত কাহারও ‘ইবাদত করিও না।’ তখন উহারা বলিয়াছিল, ‘আমাদের প্রতিপালকের এইরূপ ইচ্ছা হইলে তিনি অবশ্যই ফিরিশ্‌তা প্রেরণ করিতেন। অতএব তোমরা যাহাসহ প্রেরিত হইয়াছ, আমরা তাহা প্রত্যাখ্যান করিলাম।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের কাছে রসূলগণ এসেছিলেন সম্মুখ দিক থেকে এবং পিছন দিক থেকে এ কথা বলতে যে, তোমরা ব্যতীত কারও পূজা করো না। তারা বলেছিল, আমাদের পালনকর্তা ইচ্ছা করলে অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন, অতএব, আমরা তোমাদের আনীত বিষয় অমান্য করলাম।

Word by word

إِذْ جَآءَتْهُمُ ٱلرُّسُلُ مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّا ٱللَّهَ قَالُوا۟ لَوْ شَآءَ رَبُّنَا لَأَنزَلَ مَلَٰٓئِكَةً فَإِنَّا بِمَآ أُرْسِلْتُم بِهِۦ كَٰفِرُونَ

জহুরুল হক

বস্তুতঃ 'আদ - এর ক্ষেত্রে - - তারা তখন পৃথিবীতে যুক্তি ব্যতিরেকে অহঙ্কার করত, আর বলত - - ''আমাদের চেয়ে বলবিক্রমে বেশী শক্তিশালী কে আছে?’’ তারা কি তবে দেখতে পায় নি যে, যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি তাদের চেয়ে বলবিক্রমে অধিক বলীয়ান? আর তারা আমাদের নির্দেশাবলী সন্বন্ধে বাদ - প্রতিবাদ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আদ জাতি অন্যায়ভাবে দেশে দম্ভ করেছিল। তারা বলেছিল: ‘আমাদের চেয়ে শক্তিমান আর কে আছে?’ তবে কি তারা ভেবে দেখেনি যে, তাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তাদের চেয়ে অধিক শক্তিমান। আসলে তারা আমাদের আয়াতকেই অস্বীকার করতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ‘আদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার এই যে, উহারা পৃথিবীতে অযথা দম্ভ করিত এবং বলিত, ‘আমাদের অপেক্ষা শক্তিশালী কে আছে ?’ উহারা কি তবে লক্ষ্য করে নাই যে, ‌, যিনি উহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনি উহাদের অপেক্ষা শক্তিশালী ? অথচ উহারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করিত।

মুহিউদ্দীন খান

যারা ছিল আদ, তারা পৃথিবীতে অযথা অহংকার করল এবং বলল, আমাদের অপেক্ষা অধিক শক্তিধর কে? তারা কি লক্ষ্য করেনি যে, যে তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অপেক্ষা অধিক শক্তিধর ? বস্তুতঃ তারা আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করত।

Word by word

فَأَمَّا عَادٌ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ وَقَالُوا۟ مَنْ أَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَهُمْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُمْ قُوَّةً وَكَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا

জহুরুল হক

সেজন্য আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম এক ভয়ংকর ঝড়তুফান অশুভ দিনে, যেন আমরা পার্থিব জীবনেই তাদের আস্বাদন করাতে পারি লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। আর আখেরাতের শাস্তি নিশ্চয়ই আরো বেশী লাঞ্ছনাদায়ক, আর তাদের সাহায্য করা হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম প্রচন্ড ঝড়বায়ু এক অশুভ দিনে, তাদেরকে দুনিয়ার জীবনের লাঞ্ছনাকর আযাবের স্বাদ আস্বাদন করাতে। তাছাড়া আখিরাতের আযাব তো এর চাইতেও অপমানকর এবং তাদেরকে সাহায্য করা হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি উহাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাইবার জন্য উহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম ঝঞ্ঝাবায়ু অশুভ দিনে। আখিরাতের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং উহাদেরকে সাহায্য করা হইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনার আযাব আস্বাদন করানোর জন্যে তাদের উপর প্রেরণ করলাম ঝঞ্ঝাবায়ু বেশ কতিপয় অশুভ দিনে। আর পরকালের আযাব তো আরও লাঞ্ছনাকর এমতাবস্থায় যে, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না।

Word by word

فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِىٓ أَيَّامٍ نَّحِسَاتٍ لِّنُذِيقَهُمْ عَذَابَ ٱلْخِزْىِ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَخْزَىٰ وَهُمْ لَا يُنصَرُونَ

জহুরুল হক

আর ছামূদের ক্ষেত্রে - - আমরা তো তাদের পথ দেখিয়েছিলাম কিন্ত তারা পথ দেখার পরিবর্তে অন্ধত্ব ভালবেসেছিল, কাজেই তারা যা অর্জন করেছিল সেজন্য এক লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্রাঘাত তাদের পাকড়াও করেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সামুদ জাতির ঘটনা হলো, আমরা তাদের সঠিক পথ দেখিয়েছিলাম। কিন্তু তারা হিদায়াতের উপর অন্ধতাকে অগ্রাধিকার প্রদান করে। ফলে তাদেরকে আঘাত হানে লাঞ্ছনাকর আযাবের এক বজ্রধ্বনি তাদের কর্মকান্ডের ফলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার তো এই যে, আমি উহাদেরকে পথনির্দেশ করিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা সৎপথের পরিবর্তে ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করিয়াছিল। অতঃপর উহাদেরকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্র আঘাত হানিল উহাদের কৃতকর্মের পরিণামস্বরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা সামূদ, আমি তাদেরকে প্রদর্শন করেছিলাম, অতঃপর তারা সৎপথের পরিবর্তে অন্ধ থাকাই পছন্দ করল। অতঃপর তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদেরকে অবমাননাকর আযাবের বিপদ এসে ধৃত করল।

Word by word

وَأَمَّا ثَمُودُ فَهَدَيْنَٰهُمْ فَٱسْتَحَبُّوا۟ ٱلْعَمَىٰ عَلَى ٱلْهُدَىٰ فَأَخَذَتْهُمْ صَٰعِقَةُ ٱلْعَذَابِ ٱلْهُونِ بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ

জহুরুল হক

আর আমরা উদ্ধার করেছিলাম তাদের যারা বিশ্বাস করেছিল এবং ভয়ভক্তি পোষণ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা রক্ষা করেছিলাম তাদেরকে, যারা ঈমান এনেছিল এবং অবলম্বন করেছিল তাকওয়া।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি রক্ষা করিলাম তাহাদেরকে, যাহারা ঈমান আনিয়াছিল এবং যাহারা তাক্ওয়া অবলম্বন করিত।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল ও সাবধানে চলত, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম।

Word by word

وَنَجَّيْنَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَكَانُوا۟ يَتَّقُونَ

জহুরুল হক

আর সেই দিন যখন ‌র শত্রুদের সমবেত করা হবে আগুনের দিকে, ফলে ওদের দল বাঁধা হবে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আল্লাহর দুশমনদের জাহান্নামের দিকে হাশর (সমবেত) করা হবে, সেদিন তাদের বিন্যাস করা হবে বিভিন্ন দলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন ‌র শত্রুদেরকে জাহান্নামের দিকে সমবেত করা হইবে সেদিন উহাদেরকে বিন্যস্ত করা হইবে বিভিন্ন দলে,

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন আল্লাহর শত্রুদেরকে অগ্নিকুন্ডের দিকে ঠেলে নেওয়া হবে। এবং ওদের বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে।

Word by word

وَيَوْمَ يُحْشَرُ أَعْدَآءُ ٱللَّهِ إِلَى ٱلنَّارِ فَهُمْ يُوزَعُونَ

জহুরুল হক

পরিশেষে যখন তারা এর কাছে আসবে তখন তাদের কান ও তাদের চোখ ও তাদের ছাল - চামড়া তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে তারা যা করত সে - সন্বন্ধে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর যখন তারা জাহান্নামের কাছে পৌঁছাবে, তখন তাদের কান, চোখ এবং চামড়া তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে বলে দেবে, (পৃথিবীতে) তারা কী কী করেছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরিশেষে যখন উহারা জাহান্নামের সন্নিকটে পৌঁছিবে তখন উহাদের কর্ণ, চক্ষু ও ত্বক উহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে সাক্ষ্য দিবে, উহাদের বিরুদ্ধে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছাবে, তখন তাদের কান, চক্ষু ও ত্বক তাদের কর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে।

Word by word

حَتَّىٰٓ إِذَا مَا جَآءُوهَا شَهِدَ عَلَيْهِمْ سَمْعُهُمْ وَأَبْصَٰرُهُمْ وَجُلُودُهُم بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

জহুরুল হক

আর তারা নিজেদের ছাল - চামড়াকে বলবে - - ''তোমরা কেন আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে?’’ তারা বলবে - - যিনি সব - কিছুকে কথা বলান, তিনিই আমাদের কথা বলিয়েছেন।’’ আর তিনি তোমাদের প্রথমবারে সৃষ্টি করেছেন, আর তাঁরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের চামড়াকে বলবে: ‘তোমরা কেন আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে?’ তারা বলবে: ‘আল্লাহ্ই আমাদের বাকশক্তি দিয়েছেন, যিনি সবকিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনিই তোমাদের প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর কাছেই তোমাদের ফেরত নেয়া হবে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নামীরা উহাদের ত্বককে জিজ্ঞাসা করিবে, ‘তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতেছ কেন?’ উত্তরে উহারা বলিবে, ‘‌ যিনি আমাদেরকে বাকশক্তি দিয়াছেন তিনি সমস্ত কিছুকে বাকশক্তি দিয়াছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন প্রথমবার এবং তাঁহারই নিকটে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হইবে।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাদের ত্বককে বলবে, তোমরা আমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে কেন? তারা বলবে, যে সব কিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন, তিনি আমাদেরকেও বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনিই তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে।

Word by word

وَقَالُوا۟ لِجُلُودِهِمْ لِمَ شَهِدتُّمْ عَلَيْنَا قَالُوٓا۟ أَنطَقَنَا ٱللَّهُ ٱلَّذِىٓ أَنطَقَ كُلَّ شَىْءٍ وَهُوَ خَلَقَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

জহুরুল হক

আর তোমাদের কান তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবার ব্যাপারে তোমরা কিছুই গোপন রাখতে না, আর তোমাদের চোখের থেকেও নয়, আর তোমাদের ছাল - চামড়া থেকেও নয়, উপরন্তু তোমরা মনে করতে যে তোমরা যা করেছিলে তার অধিকাংশই জানেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যা কিছু গোপন করেছো এ জন্যে করেছো যে, তোমরা মনে করতে তোমাদের কান, চোখ এবং চামড়া তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেনা। বরং তোমাদের ধারণা ছিলো, তোমরা যা করো তার অনেক কিছুই জানেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কিছু গোপন করিতে না এই বিশ্বাসে যে, তোমাদের কর্ণ, চক্ষু ও ত্বক তোমাদের বিরদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না - উপরন্তু তোমরা মনে করিতে যে, তোমরা যাহা করিতে তাহার অনেক কিছুই ‌ জানেন না।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কান, তোমাদের চক্ষু এবং তোমাদের ত্বক তোমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দেবে না ধারণার বশবর্তী হয়ে তোমরা তাদের কাছে কিছু গোপন করতে না। তবে তোমাদের ধারণা ছিল যে, তোমরা যা কর তার অনেক কিছুই জানেন না।

Word by word

وَمَا كُنتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَن يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلَآ أَبْصَٰرُكُمْ وَلَا جُلُودُكُمْ وَلَٰكِن ظَنَنتُمْ أَنَّ ٱللَّهَ لَا يَعْلَمُ كَثِيرًا مِّمَّا تَعْمَلُونَ

জহুরুল হক

আর তোমাদের এমনতর ভাবনাটাই যা তোমরা ভাবতে তোমাদের প্রভু সন্বন্ধে তা - ই তোমাদের ধ্বংস করেছে, ফলে সকালসকালই তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রভু সম্পর্কে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদের ডুবিয়েছে, ফলে তোমরা হয়েছো চরম ক্ষতিগ্রস্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের এই ধারণাই তোমাদের ধ্বংস আনিয়াছে। ফলে তোমরা হইয়াছ ক্ষতিগ্রস্ত।’

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের পালনকর্তা সম্বন্ধে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছ।

Word by word

وَذَٰلِكُمْ ظَنُّكُمُ ٱلَّذِى ظَنَنتُم بِرَبِّكُمْ أَرْدَىٰكُمْ فَأَصْبَحْتُم مِّنَ ٱلْخَٰسِرِينَ

জহুরুল হক

কাজেই তারা যদি অধ্যবসায় করে তাহলে আগুনই হবে তাদের অবস্থানস্থল, আর যদি তারা সদয়তা চায় তাহলে তারা নুগ্রহপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন তারা ধৈর্য ধারণ করলেও তাদের আবাস হবে জাহান্নাম, আর তারা অনুগ্রহ চাইলেও তাদের প্রতি অনুগ্রহ করা হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এখন উহারা ধৈর্য ধারণ করিলেও জাহান্নামই হইবে উহাদের আবাস এবং উহারা অনুগ্রহ চাহিলেও উহারা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যদি তারা সবর করে, তবুও জাহান্নামই তাদের আবাসস্থল। আর যদি তারা ওযরখাহী করে, তবে তাদের ওযর কবুল করা হবে না।

Word by word

فَإِن يَصْبِرُوا۟ فَٱلنَّارُ مَثْوًى لَّهُمْ وَإِن يَسْتَعْتِبُوا۟ فَمَا هُم مِّنَ ٱلْمُعْتَبِينَ

জহুরুল হক

আর আমরা তাদের জন্য সঙ্গী বানিয়েছিলাম, তাই তাদের জন্য তারা চিত্তাকর্ষক করেছিল যা তাদের সম্মুখে ছিল আর যা তাদের পশ্চাতে ছিল, আর তাদের বিরুদ্ধে বাণী সত্য প্রতিপন্ন হয়েছে, - - জিনদের ও মানুষদের মধ্যের যারা তাদের পূর্বে গত হয়ে গেছে সেই সম্প্রদায়ের মধ্যে, নিঃসন্দেহ তারা ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের জন্যে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম অনেক বন্ধু ও সাথি, যারা তাদের সামনের পেছনের সবকিছু তাদেরকে শোভনীয় করে দেখিয়েছিল। ফলে তাদের উপর (শাস্তির) বাণী সত্য সাব্যস্ত হয়, যেমনটি হয়েছিল তাদের আগেকার জিন ও মানুষদের জন্যে। শেষ পর্যন্ত তারা হয়েছে চরম ক্ষতিগ্রস্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের জন্য নির্ধারণ করিয়া দিয়াছিলাম সহচর, যাহারা উহাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যাহা আছে তাহা উহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়া দেখাইয়াছিল এবং উহাদের ব্যাপারেও উহাদের পূর্ববর্তী জিন ও মানুষদের ন্যায় শাস্তির বাণী বাস্তব হইয়াছে। উহারা তো ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের পেছনে সঙ্গী লাগিয়ে দিয়েছিলাম, অতঃপর সঙ্গীরা তাদের অগ্র - পশ্চাতের আমল তাদের দৃষ্টিতে শোভনীয় করে দিয়েছিল। তাদের ব্যাপারেও শাস্তির আদেশ বাস্তবায়িত হল, যা বাস্তবায়িত হয়েছিল তাদের পূর্ববতী জিন ও মানুষের ব্যাপারে। নিশ্চয় তারা ক্ষতিগ্রস্ত।

Word by word

وَقَيَّضْنَا لَهُمْ قُرَنَآءَ فَزَيَّنُوا۟ لَهُم مَّا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَحَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْقَوْلُ فِىٓ أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِم مِّنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ خَٰس

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস করে তারা বলে - - ''এই কুরআন শুনো না, আর এতে শোরগোল করো, যাতে তোমরা দমন করতে পারো।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘তোমরা এ কুরআন শুনবেনা এবং যেখানেই তা পাঠ করা হবে, হৈ হট্টগোল সৃষ্টি করবে, যাতে করে তোমরা জয়ী হতে পারো।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা বলে, ‘তোমরা এই কুরআন শ্রবণ করিও না এবং উহা আবৃত্তিকালে শোরগোল সৃষ্টি কর যাহাতে তোমরা জয়ী হইতে পার।’

মুহিউদ্দীন খান

আর কাফেররা বলে, তোমরা এ কোরআন শ্রবণ করো না এবং এর আবৃত্তিতে হঞ্জগোল সৃষ্টি কর, যাতে তোমরা জয়ী হও।

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَا تَسْمَعُوا۟ لِهَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ وَٱلْغَوْا۟ فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَغْلِبُونَ

জহুরুল হক

সেজন্য যারা অবিশ্বাস করে তাদের আমরা অবশ্যই কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাব, আর তাদের অবশ্যই প্রতিদান দেব তারা যা গর্হিত কাজ করত তাই দিয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কাফিরদের আস্বাদন করাবো কঠিন আযাবের স্বাদ এবং তাদের প্রতিফল দেবো তাদের নিকৃষ্ট কর্মকান্ডের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অবশ্যই কাফিরদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাইব এবং নিশ্চয়ই আমি উহাদেরকে উহাদের নিকৃষ্ট কার্যকলাপের প্রতিফল দিব।

মুহিউদ্দীন খান

আমি অবশ্যই কাফেরদেরকে কঠিন আযাব আস্বাদন করাব এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে তাদের মন্দ ও হীন কাজের প্রতিফল দেব।

Word by word

فَلَنُذِيقَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ عَذَابًا شَدِيدًا وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَسْوَأَ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

জহুরুল হক

এই হচ্ছে ‌র শত্রুদের পরিণাম - - আগুন, তাদের জন্য এখানে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী আবাস। আমাদের নির্দেশাবলী তারা অস্বীকার করত বলেই এটি হচ্ছে প্রতিফল।

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নামই আল্লাহর দুশমনদের উপযুক্ত প্রতিফল। সেখানে থাকবে তাদের চিরস্থায়ী আবাস। এ হলো আমাদের আয়াত অস্বীকার করার প্রতিদান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নাম, ইহাই ‌র শত্রুদের প্রতিফল; সেখানে উহাদের জন্য রহিয়াছে স্থায়ী আবাস, আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকৃতির প্রতিফলস্বরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর শত্রুদের শাস্তি - জাহান্নাম। তাতে তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আবাস, আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করার প্রতিফলস্বরূপ।

Word by word

ذَٰلِكَ جَزَآءُ أَعْدَآءِ ٱللَّهِ ٱلنَّارُ لَهُمْ فِيهَا دَارُ ٱلْخُلْدِ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا يَجْحَدُونَ

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস করে তারা বলবে - - ''আমাদের প্রভু! জিন ও মানুষদের যারা আমাদের বিপথে চালিয়েছিল তাদের আমাদের দেখিয়ে দাও, আমাদের পায়ের তলায় আমরা তাদের মাড়াবো, যাতে তারা অধমদের অন্তর্ভুক্ত হয়।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা (সেদিন) বলবে: ‘আমাদের প্রভু! জিন ও ইনসানের যারাই আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল, তাদেরকে দেখিয়ে দাও, আমরা তাদের পদদলিত করবো, যাতে করে তারা অপদস্থ হয়।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! যেসব জিন ও মানব আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করিয়াছিল উহাদের উভয়কে দেখাইয়া দাও, আমরা উভয়কে পদদলিত করিব, যাহাতে উহারা লাঞ্ছিত হয়।’

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! যেসব জিন ও মানুষ আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল, তাদেরকে দেখিয়ে দাও, আমরা তাদেরকে পদদলিত করব, যাতে তারা যথেষ্ট অপমানিত হয়।

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ رَبَّنَآ أَرِنَا ٱلَّذَيْنِ أَضَلَّانَا مِنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ نَجْعَلْهُمَا تَحْتَ أَقْدَامِنَا لِيَكُونَا مِنَ ٱلْأَسْفَلِينَ

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যারা বলে - - ''আমাদের প্রভু ’’, তারপর তারা কায়েম থাকে, তাদের নিকট ফিরিশ্‌তারা অবতরণ করে এই বলে - - ''ভয় করো না আর দুঃখ করো না, বরঞ্চ সুসংবাদ শুনো জান্নাতের যার জন্য তোমাদের প্রতি‌শ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা বলে: ‘ আমাদের প্রভু’, অত:পর একথার উপর অটল - অবিচল থাকে, তাদের প্রতি ফেরেশতা নাযিল হয়ে বলে: ‘‘আপনারা ভয় পাবেন না, চিন্তিতও হবেননা। আপনারা খুশি হয়ে যান সেই জান্নাতের জন্যে যার ওয়াদা আপনাদের দেয়া হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা বলে, ‘আমাদের প্রতিপালক ‌’, অতঃপর অবিচলিত থাকে, তাহাদের নিকট অবতীর্ণ হয় ফিরিশ্‌তা এবং বলে, ‘তোমরা ভীত হইও না, চিন্তিত হইও না এবং তোমাদেরকে যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছিল তাহার জন্য আনন্দিত হও।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা , অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় করো না, চিন্তা করো না এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُوا۟ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسْتَقَٰمُوا۟ تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا۟ وَلَا تَحْزَنُوا۟ وَأَبْشِرُوا۟ بِٱلْجَنَّةِ ٱلَّتِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ

জহুরুল হক

''আমরা তোমাদের বন্ধু এই দুনিয়ার জীবনে ও পরকালে, আর তোমাদের জন্য এতে রয়েছে তোমাদের অন্তর যা - কিছু কামনা করে তাই, আর তোমাদের জন্য তাতে রয়েছে যা তোমরা চেয়ে পাঠাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা দুনিয়ার জীবনেও আপনাদের অলি (বন্ধু, পৃষ্ঠপোষক) এবং আখিরাতেও। সেখানে আপনাদের জন্যে মওজুদ রয়েছে যা আপনাদের মন চাইবে এবং আপনাদের জন্যে মওজুদ রয়েছে যা আপনারা আদেশ করবেন সবই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরাই তোমাদের বন্ধু দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে। সেখানে তোমাদের জন্য রহিয়াছে যাহা কিছু তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্য রহিয়াছে যাহা তোমরা ফর্‌মায়েশ কর।’

মুহিউদ্দীন খান

ইহকালে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদের জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে তোমরা দাবী কর।

Word by word

نَحْنُ أَوْلِيَآؤُكُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْءَاخِرَةِ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِىٓ أَنفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ

জহুরুল হক

''পরিত্রাণকারী অফুরন্ত ফলদাতার তরফ থেকে এক আপ্যায়ন।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো পরম ক্ষমাশীল দয়াবানের পক্ষ থেকে আতিথ্য।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু ‌র পক্ষ হইতে আপ্যায়ন।

মুহিউদ্দীন খান

এটা ক্ষমাশীল করুনাময়ের পক্ষ থেকে সাদর আপ্যায়ন।

Word by word

نُزُلًا مِّنْ غَفُورٍ رَّحِيمٍ

জহুরুল হক

আর কে তার চাইতে কথাবার্তায় বেশী ভাল যে ‌র প্রতি আহ্বান করে এবং সৎকর্ম করে আর বলে - - ''আমি তো নিশ্চয়ই মুসলিমদের মধ্যেকার?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে সুন্দর কথা আর কে বলে, যে মানুষকে দাওয়াত দেয় আল্লাহর দিকে এবং আমলে সালেহ্ করে, আর বলে: ‘নিশ্চয়ই আমি একজন মুসলিম (আল্লাহর অনুগত)।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কথায় কে উত্তম ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা যে ‌র প্রতি মানুষকে আহ্‌বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, ‘আমি তো অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত।’

মুহিউদ্দীন খান

যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন আজ্ঞাবহ, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?

Word by word

وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّن دَعَآ إِلَى ٱللَّهِ وَعَمِلَ صَٰلِحًا وَقَالَ إِنَّنِى مِنَ ٱلْمُسْلِمِينَ

জহুরুল হক

আর ভাল জিনিস ও মন্দ জিনিস একসমান হতে পারে না। প্রতিহত করো তাই দিয়ে যা অধিকতর উৎকৃষ্ট, ফলে দেখো! তোমার মধ্যে ও তার মধ্যে শত্রুতা থাকলেও সে যেন ছিল অন্তরঙ্গ বন্ধু।

আবদুস শহীদ নাসিম

ভালো আর মন্দ সমান নয়। মন্দকে দূরীভূত করো সর্বোত্তম (আচরণ) দিয়ে। তাহলে তোমার জানের শত্রুও হয়ে যাবে প্রাণের বন্ধু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ভাল ও মন্দ সমান হইতে পারে না। মন্দ প্রতিহত কর উৎকৃষ্ট দ্বারা; ফলে তোমার সঙ্গে যাহার শত্রুতা আছে, সে হইয়া যাইবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত।

মুহিউদ্দীন খান

সমান নয় ভাল ও মন্দ। জওয়াবে তাই বলুন যা উৎকৃষ্ট। তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শুত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।

Word by word

وَلَا تَسْتَوِى ٱلْحَسَنَةُ وَلَا ٱلسَّيِّئَةُ ٱدْفَعْ بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ فَإِذَا ٱلَّذِى بَيْنَكَ وَبَيْنَهُۥ عَدَٰوَةٌ كَأَنَّهُۥ وَلِىٌّ حَمِيمٌ

জহুরুল হক

আর কেউ এটি পেতে পারে না তারা ব্যতীত যারা অধ্যবসায় করে, আর কেউ এটি পেতে পারে না মহান সৌভাগ্যবান ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই মহৎ গুণের অধিকারী করা হয় কেবল তাদেরকেই যারা সবর অবলম্বন করে। এ গুণের অধিকারী হয় কেবল তারাই যারা অতীব ভাগ্যবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই গুণের অধিকারী করা হয় কেবল তাহাদেরকেই, যাহারা ধৈর্যশীল, এই গুণের অধিকারী করা হয় কেবল তাহাদেরকেই, যাহারা মহাভাগ্যবান।

মুহিউদ্দীন খান

এ চরিত্র তারাই লাভ করে, যারা সবর করে এবং এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।

Word by word

وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلَّذِينَ صَبَرُوا۟ وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ذُو حَظٍّ عَظِيمٍ

জহুরুল হক

আর শয়তান থেকে কোনো খোঁচা যদি তোমাকে খোঁচা দেয় তাহলে তুমি ‌র কাছে আশ্রয় চাও। নিঃসন্দেহ তিনি স্বয়ং সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি শয়তান তোমাকে কোনো কুমন্ত্রণা দিচ্ছে বলে অনুভব করো, তবে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তবে ‌র শরণ লইবে, তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনি কিছু কুমন্ত্রণা অনুভব করেন, তবে আল্লাহর শরণাপন্ন হোন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

Word by word

وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে রাত ও দিন আর সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যের প্রতি সিজদা করো না আর চন্দ্রের প্রতিও নয়, বরং তোমরা সিজ্‌দা করো ‌র প্রতি যিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা তাঁকেই উপাসনা করতে চাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে রাত, দিন এবং সূর্য ও চাঁদ। তোমরা সূর্যকে সাজদা করোনা, চাঁদকেও নয়। সাজদা করো আল্লাহকে, যিনি ওগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা সত্যি সত্যি তাঁর ইবাদত করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে রজনী ও দিবস, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যকে সিজ্‌দা করিও না, চন্দ্রকেও নয়; সিজ্‌দা কর ‌কে, যিনি এইগুলি সৃষ্টি করিয়াছেন, যদি তোমরা প্রকৃতই তাঁহার ‘ইবাদত কর।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে দিবস, রজনী, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যকে সেজদা করো না, চন্দ্রকেও না; আল্লাহকে সেজদা কর, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা নিষ্ঠার সাথে শুধুমাত্র তাঁরই এবাদত কর।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِ ٱلَّيْلُ وَٱلنَّهَارُ وَٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ لَا تَسْجُدُوا۟ لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَٱسْجُدُوا۟ لِلَّهِ ٱلَّذِى خَلَقَهُنَّ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ

জহুরুল হক

কিন্ত যদি তারা গর্ববোধ করে, বস্তুতঃ যারা তোমার প্রভুর সান্নিধ্যে রয়েছে তারা তাঁর জপতপ করছে দিন ও রাতভর, আর তারা ক্লান্তিবোধ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা দম্ভ করলেও যারা তোমার প্রভুর কাছে রয়েছে তারা কিন্তু তাঁর তসবিহ করে রাত - দিন এবং ক্লান্তিবোধ করেনা। (সাজদা)

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা অহংকার করিলেও যাহারা তোমার প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রহিয়াছে তাহারা তো দিবস ও রজনীতে তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং তাহারা ক্লান্তিবোধ করে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা যদি অহংকার করে, তবে যারা আপনার পালনকর্তার কাছে আছে, তারা দিবারাত্রি তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং তারা ক্লান্ত হয় না।

Word by word

فَإِنِ ٱسْتَكْبَرُوا۟ فَٱلَّذِينَ عِندَ رَبِّكَ يُسَبِّحُونَ لَهُۥ بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَهُمْ لَا يَسْـَٔمُونَ

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে হচ্ছে যে, তুমি পৃথিবীটাকে দেখতে পাচ্ছ শুকনো, তারপর যখন তার উপরে আমরা বর্ষণ করি বৃষ্টি তখন তা চঞ্চল হয় ও ফেঁপে ওঠে। নিঃসন্দেহ যিনি এটিকে জীবনদান করেন তিনিই তো মৃতের প্রাণদাতা। তিনি নিশ্চয়ই সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে, তুমি জমিনকে দেখতে পাও শুকনো ধূসর। কিন্তু যখনই আমরা তাতে পানি বর্ষণ করি, তখন তা আন্দোলিত ও স্ফীত হয়ে উঠে। যিনি এই মরা জমিনকে জীবিত করেন, তিনি অবশ্যি মৃতদের পুনর্জীবিত করবেন। তিনি প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাঁহার একটি নিদর্শন এই যে, তুমি ভূমিকে দেখিতে পাও শুষ্ক ঊষর, অতঃপর যখন আমি উহাতে বারি বর্ষণ করি তখন উহা আন্দোলিত ও স্ফীত হয়। যিনি ভূমিকে জীবিত করেন তিনিই তো মৃতের জীবনদানকারী। নিশ্চয় তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর এক নিদর্শন এই যে, তুমি ভূমিকে দেখবে অনুর্বর পড়ে আছে। অতঃপর আমি যখন তার উপর বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন সে শস্যশ্যামল ও স্ফীত হয়। নিশ্চয় যিনি একে জীবিত করেন, তিনি জীবিত করবেন মৃতদেরকেও। নিশ্চয় তিনি সবকিছু করতে সক্ষম।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنَّكَ تَرَى ٱلْأَرْضَ خَٰشِعَةً فَإِذَآ أَنزَلْنَا عَلَيْهَا ٱلْمَآءَ ٱهْتَزَّتْ وَرَبَتْ إِنَّ ٱلَّذِىٓ أَحْيَاهَا لَمُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰٓ إِنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা বেঁকে বসে আমাদের নির্দেশাবলীসন্বন্ধে তারা আমাদের থেকে লুকিয়ে থাকা নয়। তবে কি যাকে আগুনে নিক্ষেপ করা হবে সে অধিকতর ভাল, না সে, যে কিয়ামতের দিনে নিরাপত্তার সাথে হাজির হবে? তোমরা যা চাও করে যাও, নিঃসন্দেহ তোমরা যা করছ সে - সন্বন্ধে তিনি সর্বদ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা বিকৃত করে আমাদের আয়াতকে, তারা আমাদের থেকে গোপন নয়। কিয়ামতের দিন যাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে সে ভালো, নাকি যে নিরাপদে থাকবে, সে ভালো? তোমাদের যা ইচ্ছা করতে থাকো। নিশ্চয়ই তিনি দেখেন তোমরা যা আমল করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার আয়াতসমূহকে বিকৃত করে তাহারা আমার অগোচর নয়। শ্রেষ্ঠ কে - যে ব্যক্তি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হইবে সে, না যে কিয়ামতের দিন নিরাপদে থাকিবে সে? তোমাদের যাহা ইচ্ছা কর; তোমরা যাহা কর তিনি তাহার সম্যক দ্রষ্টা।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে বক্রতা অবলম্বন করে, তারা আমার কাছে গোপন নয়। যে ব্যক্তি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে সে শ্রেষ্ঠ, না যে কেয়ামতের দিন নিরাপদে আসবে? তোমরা যা ইচ্ছা কর, নিশ্চয় তিনি দেখেন যা তোমরা কর।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِىٓ ءَايَٰتِنَا لَا يَخْفَوْنَ عَلَيْنَآ أَفَمَن يُلْقَىٰ فِى ٱلنَّارِ خَيْرٌ أَم مَّن يَأْتِىٓ ءَامِنًا يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ ٱعْمَلُوا۟ مَا شِئْتُمْ إِنَّهُۥ بِمَا تَعْمَلُونَ

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা স্মারকগ্রন্থকে প্রত্যাখ্যান করে তাদের কাছে তা আসার পরে। আর এটি তো নিশ্চয়ই এক সুমহান গ্রন্থ, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যিকির (কুরআন) আসার পর তার প্রতি কুফুরি করেছে, (তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব), তাদের জেনে রাখা উচিত, এ এক মহাশক্তিধর কিতাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা উহাদের নিকট কুরআন আসিবার পর উহা প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হইবে; ইহা অবশ্যই এক মহিমময় গ্রন্থ -

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা কোরআন আসার পর তা অস্বীকার করে, তাদের মধ্যে চিন্তা - ভাবনার অভাব রয়েছে। এটা অবশ্যই এক সম্মানিত গ্রন্থ।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِٱلذِّكْرِ لَمَّا جَآءَهُمْ وَإِنَّهُۥ لَكِتَٰبٌ عَزِيزٌ

জহুরুল হক

এতে মিথ্যা কথা আসতে পারবে না এর সামনে থেকে, আর এর পেছন থেকেও নয়। এ হচ্ছে একটি অবতারণ মহাজ্ঞানী পরম প্রশংসিতের কাছ থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কিতাবে সামনে বা পেছনে থেকে কোনো বাতিল প্রবেশ করতে পারেনা। এটি নাযিল হয়েছে মহাজ্ঞানী সপ্রশংসিতের পক্ষ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কোন মিথ্যা ইহাতে অনুপ্রবেশ করিতে পারে না - অগ্র হইতেও নয়, পশ্চাৎ হইতেও নয়। ইহা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসার্হ ‌র নিকট হইতে অবতীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

এতে মিথ্যার প্রভাব নেই, সামনের দিক থেকেও নেই এবং পেছন দিক থেকেও নেই। এটা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

Word by word

لَّا يَأْتِيهِ ٱلْبَٰطِلُ مِنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهِۦ تَنزِيلٌ مِّنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ

জহুরুল হক

তোমার প্রতি এমন কিছু বলা হয়নি তা ব্যতীত যা বলা হতো তোমার পূর্ববর্তী রসূলগণের সন্বন্ধে। নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু নিশ্চয়ই পরিত্রাণে ক্ষমতাবান, এবং কঠোর প্রতিফল দিতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী! কাফিরদের পক্ষ থেকে) তোমাকে এমন কিছুই বলা হয়নি, যা তোমার পূর্বেকার রসূলদের বলা হয়নি। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু বড়ই ক্ষমাওয়ালা, আবার কঠিন শাস্তিদাতাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার সম্বন্ধে তো তাহাই বলা হয়, যাহা বলা হইত তোমার পূর্ববর্তী রাসূলগণ সম্পর্কে। তোমার প্রতিপালক অবশ্যই ক্ষমাশীল এবং কঠিন শাস্তিদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

আপনাকে তো তাই বলা হয়, যা বলা হত পূর্ববর্তী রসূলগনকে। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার কাছে রয়েছে ক্ষমা এবং রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

Word by word

مَّا يُقَالُ لَكَ إِلَّا مَا قَدْ قِيلَ لِلرُّسُلِ مِن قَبْلِكَ إِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغْفِرَةٍ وَذُو عِقَابٍ أَلِيمٍ

জহুরুল হক

আর যদি আমরা এটিকে একটি আ'জমী ভাষণ বানাতাম তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলত - - ''এর আয়াতগুলো কেন পরিস্কারভাবে বলা হয় নি? কী! একটি আ'জমী এবং একজন আরবীয়!’’ বলো - - ''যারা বিশ্বাস করে তাদের জন্য এটি এক পথনির্দেশ ও এক আরোগ্য - বিধান।’’ আর যারা বিশ্বাস করে না তাদের কানের মধ্যে রয়েছে বধিরতা, আর তাদের জন্য এটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। এরা - - এদের ডাকা হয় বহু দূরের জায়গা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি এটিকে অনারবি ভাষার কুরআন করতাম, তারা অবশ্যি বলতো: ‘এর আয়াতগুলো (আমাদের ভাষায়) কেন ব্যাখা করে দেয়া হয়নি। এটা কেমন ব্যাপার, কিতাব হলো অনারবি আর রসূল হলো আরব?’ হে নবী! বলো: ‘এ কুরআন মুমিনদের জন্যে জীবন পদ্ধতির দিশারি এবং নিরাময়। আর যারা ঈমান আনেনা, তাদের কানে তুলা এবং এ কুরআন তাদের জন্যে একটা অন্ধত্ব। এরা এমন, যেনো তাদের ডাকা হচ্ছে বহুদূর থেকে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যদি ‘আজমী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করিতাম তবে উহারা অবশ্যই বলিত, ‘ইহার আয়াতগুলি বিশদভাবে বিবৃত হয় নাই কেন ?’ কী আশ্চর্য যে, ইহার ভাষা ‘আজমী, অথচ রাসূল আরবীয়! বল, ‘মু’মিনদের জন্য ইহা পথনির্দেশ ও ব্যাধির প্রতিকার।’ কিন্তু যাহারা অবিশ্বাসী তাহাদের কর্ণে রহিয়াছে বধিরতা এবং কুরআন হইবে ইহাদের জন্য অন্ধত্ব। ইহারা এমন যে, ইহাদেরকে যেন আহ্‌বান করা হয় বহুদূর হইতে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যদি একে অনারব ভাষায় কোরআন করতাম, তবে অবশ্যই তারা বলত, এর আয়াতসমূহ পরিস্কার ভাষায় বিবৃত হয়নি কেন? কি আশ্চর্য যে, কিতাব অনারব ভাষায় আর রসূল আরবী ভাষী! বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার। যারা নয়, তাদের কানে আছে ছিপি, আর কোরআন তাদের জন্যে অন্ধত্ব। তাদেরকে যেন দূরবর্তী স্থান থেকে আহবান করা হয়।

Word by word

وَلَوْ جَعَلْنَٰهُ قُرْءَانًا أَعْجَمِيًّا لَّقَالُوا۟ لَوْلَا فُصِّلَتْ ءَايَٰتُهُۥٓ ءَا۬عْجَمِىٌّ وَعَرَبِىٌّ قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ هُدًى وَشِفَآءٌ وَٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَقْرٌ

জহুরুল হক

আর আমরা তো ইতিপূর্বে মূসাকে ধর্মগ্রন্থ দিয়েছিলাম, কিন্ত এতে মতভেদ ঘটানো হয়েছিল। আর যদি না তোমার প্রভুর কাছ থেকে একটি বাণী ইতিপূর্বে ধার্য হয়ে থাকত তাহলে তাদের মধ্যে মীমাংসা হয়ে যেত। আর নিঃসন্দেহ এ - সন্বন্ধে তা রা এক অস্বস্তিকর সন্দেহের মাঝে রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম, অত:পর তা নিয়েও মতভেদ করা হয়েছিল। যদি তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকতো, তাহলে তাদের মাঝে ফায়সালা হয়ে যেতো। আসলে তারা এ বিষয়ে রয়েছে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়াছিলাম, অতঃপর ইহাতে মতভেদ ঘটিয়াছিল। তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হইতে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকিলে উহাদের মীমাংসা হইয়া যাইত। উহারা অবশ্যই ইহার সম্বন্ধে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রহিয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম, অতঃপর তাতে মতভেদ সৃষ্টি হয়। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে তাদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত। তারা কোরআন সমন্ধে এক অস্বস্তিকর সন্দেহে লিপ্ত।

Word by word

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَٰبَ فَٱخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِى شَكٍّ مِّنْهُ مُرِيبٍ

জহুরুল হক

যে কেউ সৎকর্ম করে থাকে, সেটি তো তার নিজের জন্যেই, আর যে কেউ মন্দকাজ করে সেটি তো তারই বিরুদ্ধে। আর তোমার প্রভু দাসদের প্রতি আদৌ অন্যায়কারী নন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ভালো কাজ করে, সে তা করে নিজের কল্যাণেই, আর যে মন্দ কাজ করে তার প্রতিফল সে নিজেই ভোগ করবে। তোমার প্রভু তাঁর দাসদের প্রতি বিন্দুমাত্র যালিম নন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে সৎকর্ম করে সে নিজের কল্যাণের জন্যই উহা করে এবং কেহ মন্দ কর্ম করিলে উহার প্রতিফল সে - ই ভোগ করিবে। তোমার প্রতিপালক তাঁহার বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

যে সৎকর্ম করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই করে, আর যে অসৎকর্ম করে, তা তার উপরই বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা বান্দাদের প্রতি মোটেই যুলুম করেন না।

Word by word

مَّنْ عَمِلَ صَٰلِحًا فَلِنَفْسِهِۦ وَمَنْ أَسَآءَ فَعَلَيْهَا وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّٰمٍ لِّلْعَبِيدِ

জহুরুল হক

তাঁর কাছেই হাওয়ালা দেওয়া হয় ঘড়িঘন্টার জ্ঞান সন্বন্ধে। আর ফল - ফসলের কোনোটিই তার থোড়ের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে না, আর নারীদের কেউ গর্ভধারণ করে না ও সন্তান প্রসবও করে না তাঁর জ্ঞানের বাইরে। আর সেইদিন তিনি তাদের ডেকে বলবেন - - ''কোথায় আমার শরিকান?’’ তারা বলবে - - ''আমরা তোমার কাছে ঘোষণা করছি, আমাদের মধ্যে কেউই সাক্ষী নই।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

কিয়ামতের জ্ঞান পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। তাঁর এলেম ছাড়া কোনো ফল আবরণ থেকে বের হয়না, কোনো নারী গর্ভ ধারণ করেনা এবং সন্তানও প্রসব করেনা। যেদিন তাদের ডেকে বলা হবে: ‘কোথায় তোমাদের বানানো শরিকরা?’ তারা বলবে, আপনার অনুমতি প্রার্থনা করে বলছি: ‘এ ব্যাপারে আমাদের কেউই কিছু সচোক্ষে দেখিনি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের জ্ঞান কেবল ‌তেই ন্যস্ত, তাঁহার অজ্ঞাতসারে কোন ফল আবরণ হইতে বাহির হয় না, কোন নারী গর্ভ ধারণ করে না এবং সন্তানও প্রসব করে না। যেদিন ‌ উহাদেরকে ডাকিয়া বলিবেন, ‘আমার শরীকেরা কোথায়?’ তখন উহারা বলিবে, ‘আমরা আপনার নিকট নিবেদন করি যে, এই ব্যাপারে আমরা কিছুই জানি না।’

মুহিউদ্দীন খান

কেয়ামতের জ্ঞান একমাত্র তাঁরই । তাঁর জ্ঞানের বাইরে কোন ফল আবরণমুক্ত হয় না। এবং কোন নারী গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব করে না। যেদিন তাদেরকে ডেকে বলবেন, আমার শরীকরা কোথায়? সেদিন তারা বলবে, আমরা আপনাকে বলে দিয়েছি যে, আমাদের কেউ এটা স্বীকার করে না।

Word by word

إِلَيْهِ يُرَدُّ عِلْمُ ٱلسَّاعَةِ وَمَا تَخْرُجُ مِن ثَمَرَٰتٍ مِّنْ أَكْمَامِهَا وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِۦ وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ أَيْنَ شُرَكَآءِى قَالُوٓا۟ ءَاذَنَّٰكَ م

জহুরুল হক

আর এর আগে যাদের তারা ডাকত তারা তাদের থেকে হয়ে যাবে, আর তারা বুঝবে যে তাদের জন্য কোনো আশ্রয় নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুনিয়ার জীবনে তারা যাদের ডাকতো, সেদিন তারা সবাই তাদের থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন তারা উপলব্ধি করবে, তাদের রক্ষা পাওয়ার কোনো পথ নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পূর্বে উহারা যাহাদেরকে আহ্‌বান করিত তাহারা উধাও হইয়া যাইবে এবং অংশীবাদীরা উপলব্ধি করিবে যে, উহাদের নিষ্কৃতির কোন উপায় নাই।

মুহিউদ্দীন খান

পূর্বে তারা যাদের পূজা করত, তারা উধাও হয়ে যাবে এবং তারা বুঝে নেবে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই।

Word by word

وَضَلَّ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَدْعُونَ مِن قَبْلُ وَظَنُّوا۟ مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍ

জহুরুল হক

মানুষ ভালর জন্যে প্রার্থনায় ক্লান্তি বোধ করে না, কিন্ত যদি দুঃখকষ্ট তাকে স্পর্শ করে সে তখন ধৈর্যহারা হয়ে যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ অর্থ সম্পদ প্রার্থনার ক্ষেত্রে কোনো ক্লান্তিবোধ করেনা। কিন্তু যখন তাকে দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন সে নিরাশ ও হতাশ হয়ে পড়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ ধন - সম্পদ প্রার্থনায় কোন ক্লান্তিবোধ করে না, কিন্তু যখন তাহাকে দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন সে নিরাশ ও হতাশ হইয়া পড়ে;

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ উন্নতি কামনায় ক্লান্ত হয় না; যদি তাকে অমঙ্গল স্পর্শ করে, তবে সে সম্পূর্ণ রূপে নিরাশ হয়ে পড়ে।

Word by word

لَّا يَسْـَٔمُ ٱلْإِنسَٰنُ مِن دُعَآءِ ٱلْخَيْرِ وَإِن مَّسَّهُ ٱلشَّرُّ فَيَـُٔوسٌ قَنُوطٌ

জহুরুল হক

আর দুঃখদুর্দশা তাকে স্পর্শ করার পরে আমরা যদি তাকে আমাদের থেকে করুণা আস্বাদ করাই, সে নিশ্চয়ই বলবে - - ''এটি আমারই জন্যে, আর আমি মনে করি না যে ঘড়িঘন্টা কায়েম হবে, আর যদিই বা আমাকে আমার প্রভুর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তবে আমার জন্য তাঁর কাছে কল্যাণই থাকবে।’’ কিন্ত যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের আমরা অবশ্যই জানিয়ে দেব কী তারা করেছিল এবং তাদের আমরা অবশ্যই আস্বাদন করাব কঠোর শাস্তি থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করার পর তাকে আমাদের রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে বলে: ‘এটা তো আমার প্রাপ্য এবং আমি মনে করিনা যে, কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আমি যদি আমার প্রভুর কাছে ফিরেও যাই, তার কাছে তো আমার জন্যে কল্যাণই থাকবে।’ আমরা কাফিরদের অবশ্যি তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবো এবং তাদের আস্বাদন করাবো শক্ত আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করিবার পর যদি আমি তাহাকে অনুগ্রহ আস্বাদন করাই তখন সে অবশ্যই বলিয়া থাকে, ‘ইহা আমার প্রাপ্য এবং আমি মনে করি না যে, কিয়ামত সংঘটিত হইবে, আর আমি যদি আমার প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তিত হইও তাঁহার নিকট তো আমার জন্য কল্যাণই থাকিবে।’ আমি কাফিরদেরকে উহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করিব এবং উহাদেরকে আস্বাদন করাইবই কঠোর শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

বিপদাপদ স্পর্শ করার পর আমি যদি তাকে আমার অনুগ্রহ আস্বাদন করাই, তখন সে বলতে থাকে, এটা যে আমার যোগ্য প্রাপ্য; আমি মনে করি না যে, কেয়ামত সংঘটিত হবে। আমি যদি আমার পালনকর্তার কাছে ফিরে যাই, তবে অবশ্যই তার কাছে আমার জন্য কল্যাণ রয়েছে। অতএব, আমি কাফেরদেরকে তাদের কর্ম সম্পর্কে অবশ্যই অবহিত করব এবং তাদেরকে অবশ্যই আস্বাদন করাব কঠিন শাস্তি।

Word by word

وَلَئِنْ أَذَقْنَٰهُ رَحْمَةً مِّنَّا مِنۢ بَعْدِ ضَرَّآءَ مَسَّتْهُ لَيَقُولَنَّ هَٰذَا لِى وَمَآ أَظُنُّ ٱلسَّاعَةَ قَآئِمَةً وَلَئِن رُّجِعْتُ إِلَىٰ رَبِّىٓ إِنَّ لِى عِندَهُۥ لَلْحُسْنَىٰ فَلَنُنَبِّئَ

জহুরুল হক

আর যখন আমরা মানুষের উপরে অনুগ্রহ বর্ষণ করি সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও এর আশপাশ থেকে দূরে সরে যায়, কিন্ত যখন দুঃখকষ্ট তাকে স্পর্শ করে তখন দেখো! সে দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি, তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং দূরে সরে যায়, আবার যখন তাকে স্পর্শ করে দুঃখ - দুর্দশা, তখন সে নিরত হয় দীর্ঘ প্রার্থনায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরাইয়া নেয় ও দূরে সরিয়া যায় এবং তাহাকে অনিষ্ট স্পর্শ করিলে সে তখন দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যখন মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আর যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সুদীর্ঘ দোয়া করতে থাকে।

Word by word

وَإِذَآ أَنْعَمْنَا عَلَى ٱلْإِنسَٰنِ أَعْرَضَ وَنَـَٔا بِجَانِبِهِۦ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ فَذُو دُعَآءٍ عَرِيضٍ

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি এটি ‌র কাছ থেকে হ’য়ে থাকে এবং তোমরা এতে অবিশ্বাস কর, তাহলে তার চাইতে কে বেশী পথভ্রান্ত যে সুদূরব্যাপী বিরুদ্ধাচরণে রয়েছে?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি এ কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হয়ে থাকে আর তোমরা তা অস্বীকার করো, তবে যে ব্যক্তি বিরোধিতায় বহুদূর এগিয়ে গেছে তার চাইতে বড় বিপথগামী আর কেউ আছে কি?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, যদি এই কুরআন ‌র নিকট হইতে অবতীর্ণ হইয়া থাকে আর তোমরা ইহা প্রত্যাখ্যান কর, তবে যে ব্যক্তি ঘোর বিরুদ্ধাচরণে লিপ্ত আছে, তাহার অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত আর কে?’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়, অতঃপর তোমরা একে অমান্য কর, তবে যে ব্যক্তি ঘোর বিরোধিতায় লিপ্ত, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে?

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِن كَانَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ثُمَّ كَفَرْتُم بِهِۦ مَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ هُوَ فِى شِقَاقٍۭ بَعِيدٍ

জহুরুল হক

আমরা অচিরেই তাদের দেখাব আমাদের নিদর্শনাবলী দিগদিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যেও, যে পর্যন্ত না তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে এটি নিঃসন্দেহ ধ্রুবসত্য। এটি কি যথেষ্ট নয় যে তোমার প্রভু - - তিনিই তো সব - কিছুর উপরে সাক্ষী রয়েছেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অচিরেই তাদের দেখাবো আমাদের নিদর্শনাবলি মহাবিশ্বে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে, তখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এ কুরআন এক মহাসত্য। তোমার প্রভুর ব্যাপারে কি একথা যথেষ্ট নয় যে, তিনি প্রতিটি বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের জন্য আমার নিদর্শনাবলী ব্যক্ত করিব, বিশ্বজগতে এবং উহাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে উহাদের নিকট সুস্পষ্ট হইয়া উঠিবে যে, উহাই সত্য। ইহা কি তোমার প্রতিপালক সম্পর্কে যথেষ্ট নয় যে, তিনি সর্ববিষয়ে অবহিত?

মুহিউদ্দীন খান

এখন আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী প্রদর্শন করাব পৃথিবীর দিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে তাদের কাছে ফুটে উঠবে যে, এ কোরআন সত্য। আপনার পালনকর্তা সর্ববিষয়ে সাক্ষ্যদাতা, এটা কি যথেষ্ট নয়?

Word by word

سَنُرِيهِمْ ءَايَٰتِنَا فِى ٱلْءَافَاقِ وَفِىٓ أَنفُسِهِمْ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ شَهِيدٌ

জহুরুল হক

এটি কি নয় যে তারা আলবৎ সন্দেহের মাঝে রয়েছে তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাৎকার সন্বন্ধে? এটি কি নয় যে তিনি নিশ্চয় সব - কিছুরই পরিবেষ্টনকারী?

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, তারা তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে সন্দেহে নিমজ্জিত। জেনে রাখো, প্রতিটি বস্তু পরিবেষ্টন করে আছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জানিয়া রাখ, ইহারা ইহাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতকারে সন্দিহান। জানিয়া রাখ, সবকছিুকে ‌ পরিবেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন।

মুহিউদ্দীন খান

শুনে রাখ, তারা তাদের পালনকর্তার সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহে পতিত রয়েছে। শুনে রাখ, তিনি সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন।

Word by word

أَلَآ إِنَّهُمْ فِى مِرْيَةٍ مِّن لِّقَآءِ رَبِّهِمْ أَلَآ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍ مُّحِيطٌۢ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme