Kitab

ছোয়াদ

Chapter 38, 88 verses

  • জহুরুল হক
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • Word by word
জহুরুল হক

ছোয়াদ! উপদেশ পরিপূর্ণ কুরআনের শপথ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সোয়াদ, উপদেশে পরিপূর্ণ আল কুরআনের শপথ।

মুহিউদ্দীন খান

ছোয়াদ। শপথ উপদেশপূর্ণ কোরআনের,

Word by word

صٓ وَٱلْقُرْءَانِ ذِى ٱلذِّكْرِ

জহুরুল হক

কিন্ত যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা আ‌ত্মাভিমানে ও দলপাকানোয় মগ্ন রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যারা কুফুরি করেছে তারাই রয়েছে চরম হঠকারিতা আর বিরোধিতায় নিমজ্জিত।

মুহিউদ্দীন খান

বরং যারা , তারা অহংকার ও বিরোধিতায় লিপ্ত।

Word by word

بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى عِزَّةٍ وَشِقَاقٍ

জহুরুল হক

এদের পূর্বে মানবগোষ্ঠীর কতকে যে আমরা ধ্বংস করেছি! তখন তারা চীৎকার করেছিল। কিন্ত সেই সময়ে পরিত্রাণের আর উপায় ছিল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগে আমরা ধ্বংস করেছি কতো যে প্রজন্মকে, তখন তারা আর্তচিৎকার করেছিল, কিন্তু উদ্ধার পাওয়ার কোনো উপায় আর তখন ছিলনা।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের আগে আমি কত জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি, অতঃপর তারা আর্তনাদ করতে শুরু করেছে কিন্তু তাদের নিষ্কৃতি লাভের সময় ছিল না।

Word by word

كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّن قَرْنٍ فَنَادَوا۟ وَّلَاتَ حِينَ مَنَاصٍ

জহুরুল হক

আর তারা আশ্চর্য হয় যে তাদের মধ্য থেকেই তাদের কাছে একজন সতর্ককারী এসেছেন, আর অবিশ্বাসীরা বলে - - ''এ তো একজন জাদুকর, ধোকাবাজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বিস্ময় প্রকাশ করছে যে, তাদের মধ্য থেকেই তাদের কাছে একজন সতর্ককারী এসেছে। কাফিররা বলছে: ‘‘এতো এক মিথ্যাবাদী ম্যাজেসিয়ান।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিস্ময়বোধ করে যে, তাদেরই কাছে তাদের মধ্যে থেকে একজন সতর্ককারী আগমন করেছেন। আর কাফেররা বলে এ - তো এক মিথ্যাচারী যাদুকর।

Word by word

وَعَجِبُوٓا۟ أَن جَآءَهُم مُّنذِرٌ مِّنْهُمْ وَقَالَ ٱلْكَٰفِرُونَ هَٰذَا سَٰحِرٌ كَذَّابٌ

জহুরুল হক

''কী! সে কি উপাস্যগণকে একইজন উপাস্য বানিয়েছে? এ তো নিশ্চয়ই এক আজব ব্যাপার!’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি সব ইলাহকে এক ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে? এ তো এক বিস্ময়কর জিনিস।’’

মুহিউদ্দীন খান

সে কি বহু উপাস্যের পরিবর্তে এক উপাস্যের উপাসনা সাব্যস্ত করে দিয়েছে। নিশ্চয় এটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার।

Word by word

أَجَعَلَ ٱلْءَالِهَةَ إِلَٰهًا وَٰحِدًا إِنَّ هَٰذَا لَشَىْءٌ عُجَابٌ

জহুরুল হক

আর তাদের মধ্যের প্রধানরা সরে পড়ে এই বলে - - ''তোমরা যাও এবং তোমাদের উপাস্যদের প্রতি আকঁড়ে থাকো। নিঃসন্দেহ এটি হচ্ছে অভিসন্ধিমূলক ব্যাপার।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি সব ইলাহকে এক ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে? এ তো এক বিস্ময়কর জিনিস।’’

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কতিপয় বিশিষ্ট ব্যক্তি একথা বলে প্রস্থান করে যে, তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের উপাস্যদের পূজায় দৃঢ় থাক। নিশ্চয়ই এ বক্তব্য কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।

Word by word

وَٱنطَلَقَ ٱلْمَلَأُ مِنْهُمْ أَنِ ٱمْشُوا۟ وَٱصْبِرُوا۟ عَلَىٰٓ ءَالِهَتِكُمْ إِنَّ هَٰذَا لَشَىْءٌ يُرَادُ

জহুরুল হক

''আমরা শেষের ধর্মবিধানে এমন কথা শুনি নি, এটি মনগড়া উক্তি বৈ তো নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তো অন্যান্য ধর্মে এ ধরণের কথা শুনিনি। এগুলো মনগড়া কথা ছাড়া আর কিছু নয়।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা সাবেক ধর্মে এ ধরনের কথা শুনিনি। এটা মনগড়া ব্যাপার বৈ নয়।

Word by word

مَا سَمِعْنَا بِهَٰذَا فِى ٱلْمِلَّةِ ٱلْءَاخِرَةِ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا ٱخْتِلَٰقٌ

জহুরুল হক

''কী! আমাদের মধ্য থেকে বুঝি তারই কাছে স্মারক - গ্রন্থ অবতীর্ণ হল?’’ বস্তুতঃ তারা আমার স্মারক গ্রন্থ সন্বন্ধে সন্দেহের মধ্যেই রয়েছে? প্রকৃতপক্ষে তারা এখনও আমার শাস্তি আস্বাদন করে নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের মধ্য থেকে কি তার প্রতিই যিকির (কুরআন) নাযিল করা হলো?’’ আসল কথা হলো, আমার যিকির (কুরআন) সম্পর্কেই তাদের সন্দেহ রয়েছে। তারা তো এখনো আমার আযাবের স্বাদ আস্বাদন করেনি।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের মধ্য থেকে শুধু কি তারই প্রতি উপদেশ বানী অবতীর্ণ হল? বস্তুতঃ ওরা আমার উপদেশ সম্পর্কে সন্দিহান; বরং ওরা এখনও আমার মার আস্বাদন করেনি।

Word by word

أَءُنزِلَ عَلَيْهِ ٱلذِّكْرُ مِنۢ بَيْنِنَا بَلْ هُمْ فِى شَكٍّ مِّن ذِكْرِى بَل لَّمَّا يَذُوقُوا۟ عَذَابِ

জহুরুল হক

অথবা তাদের কাছে কি রয়েছে তোমার প্রভুর করুণার ভান্ডার - - মহাশক্তিশালী, মহাদাতা?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি, তাদের কাছে রয়েছে তোমার প্রভুর রহমতের ভান্ডার, যিনি মহাশক্তিধর ও মহাদানশীল?

মুহিউদ্দীন খান

না কি তাদের কাছে আপনার পরাক্রান্ত দয়াবান পালনকর্তার রহমতের কোন ভান্ডার রয়েছে?

Word by word

أَمْ عِندَهُمْ خَزَآئِنُ رَحْمَةِ رَبِّكَ ٱلْعَزِيزِ ٱلْوَهَّابِ

জহুরুল হক

অথবা তাদের কি সার্বভৌমত্ব আছে মহাকাশমন্ডলীর ও পৃথিবীর এবং এই দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তার? তাহলে তারা মাল - আসবাবের মধ্যে উঠতে থাকুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি মহাকাশ, পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যবর্তী সবকিছুর কর্তৃত্ব তাদের হাতে? তাহলে তারা সিঁড়ি লাগিয়ে উপরে উঠুক।

মুহিউদ্দীন খান

নাকি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর উপর তাদের সাম্রাজ্য রয়েছে? থাকলে তাদের আকাশে আরোহণ করা উচিত রশি ঝুলিয়ে।

Word by word

أَمْ لَهُم مُّلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَلْيَرْتَقُوا۟ فِى ٱلْأَسْبَٰبِ

জহুরুল হক

এখানেই সম্মিলিত সৈন্যদলের এক বাহিনী পরাজিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(অতীতে ধ্বংস হওয়া) বহু দলের মধ্যে এতো ছোট্ট একটি দল। দলের এই বাহিনীও পরাজিত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

এক্ষেত্রে বহু বাহিনীর মধ্যে ওদেরও এক বাহিনী আছে, যা পরাজিত হবে।

Word by word

جُندٌ مَّا هُنَالِكَ مَهْزُومٌ مِّنَ ٱلْأَحْزَابِ

জহুরুল হক

এদের আগে নূহের ও 'আদের ও বহু শিবিরের মালিক ফিরআউনের লোকদল মিথ্যারোপ করেছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের আগেও রসূলদের প্রত্যাখ্যান করেছিল নূহের কওম, আদ জাতি এবং খুঁটি ও লাঠির অধিপতি ফেরাউন,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বেও মিথ্যারোপ করেছিল নূহের সম্প্রদায়, আদ, কীলক বিশিষ্ট ফেরাউন,

Word by word

كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ وَعَادٌ وَفِرْعَوْنُ ذُو ٱلْأَوْتَادِ

জহুরুল হক

আর ছামুদজাতি ও লুতের স্বজাতি ও অরণ্যের বাসিন্দারা। ওরাও ছিল বিশাল বাহিনী।

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ জাতি, লুতের কওম এবং আইকার অধিবাসীরা। তারা প্রত্যেকেই ছিলো বিশাল বিশাল বাহিনী।

মুহিউদ্দীন খান

সামুদ, লূতের সম্প্রদায় ও আইকার লোকেরা। এরাই ছিল বহু বাহিনী।

Word by word

وَثَمُودُ وَقَوْمُ لُوطٍ وَأَصْحَٰبُ لْـَٔيْكَةِ أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلْأَحْزَابُ

জহুরুল হক

সকলেই রসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল বৈ তো নয়, সেজন্য আমার শাস্তিদান ছিল ন্যায়সঙ্গত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা প্রত্যেকেই রসূলদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে তাদের প্রতি সত্য প্রমাণিত হয়েছে শাস্তির ওয়াদা।

মুহিউদ্দীন খান

এদের প্রত্যেকেই পয়গম্বরগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। ফলে আমার আযাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

Word by word

إِن كُلٌّ إِلَّا كَذَّبَ ٱلرُّسُلَ فَحَقَّ عِقَابِ

জহুরুল হক

আর এরা তো প্রতীক্ষা করে না একটিমাত্র মহাগর্জন ব্যতীত আর কিছুর, তা থেকে কোনো অবকাশ থাকবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তো অপেক্ষা করছে একটি প্রচন্ড শব্দের জন্যে, যাতে কোনো বিরতি থাকবে না।

মুহিউদ্দীন খান

কেবল একটি মহানাদের অপেক্ষা করছে, যাতে দম ফেলার অবকাশ থাকবে না।

Word by word

وَمَا يَنظُرُ هَٰٓؤُلَآءِ إِلَّا صَيْحَةً وَٰحِدَةً مَّا لَهَا مِن فَوَاقٍ

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''আমাদের প্রভু! হিসেব - নিকেশের দিনের আগেই আমাদের অংশ আমাদের জন্য ত্বরান্বিত কর।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমাদের প্রভু, বিচার দিনের আগেই আমাদের প্রাপ্য অংশ আমাদের দিয়ে দিন।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, হে আমাদের পরওয়ারদেগার, আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও।

Word by word

وَقَالُوا۟ رَبَّنَا عَجِّل لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ ٱلْحِسَابِ

জহুরুল হক

তারা যা বলে তা সত্ত্বেও তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, আর আমাদের বান্দা হাত থাকা দাউদকে স্মরণ কর, তিনি নিশ্চয়ই সতত ফিরতেন!

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যা বলে, তার জন্যে তুমি সবর অবলম্বন করো আর স্মরণ করো আমার হাতওয়ালা (ক্ষমতাপ্রাপ্ত) দাস দাউদকে। সে ছিলো আমার অভিমুখী।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা বলে তাতে আপনি সবর করুন এবং আমার শক্তিশালী বান্দা দাউদকে স্মরণ করুন। সে ছিল আমার প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।

Word by word

ٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَٱذْكُرْ عَبْدَنَا دَاوُۥدَ ذَا ٱلْأَيْدِ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ

জহুরুল হক

আমরা তো পাহাড়গুলোকে বশীভূত করেছিলাম তাঁর সঙ্গে জপ করতে রাত্রিকালে ও সূর্যোদয়ে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা পাহাড় পর্বতকে নিয়োজিত রেখেছিলাম যেনো সকাল - সন্ধ্যায় তার সাথে আমার তসবিহ্ করে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকাল - সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত;

Word by word

إِنَّا سَخَّرْنَا ٱلْجِبَالَ مَعَهُۥ يُسَبِّحْنَ بِٱلْعَشِىِّ وَٱلْإِشْرَاقِ

জহুরুল হক

আর পাখীরা সমবেত হতো। সবাই ছিল তাঁর প্রতি অনুগত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পাখিরাও তার কাছে জড়ো হতো, প্রত্যেকেই ছিলো তার অনুগত।

মুহিউদ্দীন খান

আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হত। সবাই ছিল তাঁর প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।

Word by word

وَٱلطَّيْرَ مَحْشُورَةً كُلٌّ لَّهُۥٓ أَوَّابٌ

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁর সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় করেছিলাম, আর তাঁকে দিয়েছিলাম জ্ঞান ও বিচারক্ষমতাসম্পন্ন সংবিধান।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় করে দিয়েছিলাম আর তাকে দিয়েছিলাম হিকমা (প্রজ্ঞা) এবং সিদ্ধান্তকর বক্তব্য রাখার ক্ষমতা।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁর সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় করেছিলাম এবং তাঁকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও ফয়সালাকারী বাগ্নীতা।

Word by word

وَشَدَدْنَا مُلْكَهُۥ وَءَاتَيْنَٰهُ ٱلْحِكْمَةَ وَفَصْلَ ٱلْخِطَابِ

জহুরুল হক

আর তোমার কাছে কি দুশমনের কাহিনী এসে পৌঁছেছে? কেমন করে তারা রাজকক্ষে বেয়ে উঠল?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি বিবাদকারীদের সংবাদ পৌঁছেছে? যখন তারা প্রাচীর ডিঙ্গিয়ে মেহরাবে এসেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার কাছে দাবীদারদের বৃত্তান্ত পৌছেছে, যখন তারা প্রাচীর ডিঙ্গীয়ে এবাদত খানায় প্রবেশ করেছিল।

Word by word

وَهَلْ أَتَىٰكَ نَبَؤُا۟ ٱلْخَصْمِ إِذْ تَسَوَّرُوا۟ ٱلْمِحْرَابَ

জহুরুল হক

যখন তারা দাউদের সামনে ঢুকে পড়ল তখন তিনি তাদের সন্বন্ধে সন্ত্রস্থ হলেন। তারা বললে - - ''ভয় করবেন না, দুজন দুশমন, আমাদের একজন অন্যজনের প্রতি শত্রুতা করেছে, অতএব আমাদের মধ্যে ন্যায়ের সাথে বিচার করে দিন, আর অন্যায় করবেন না, আর আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা দাউদের কাছে প্রবেশ করেছিল। তাদের দেখে দাউদ ভীত হয়ে পড়ে। তারা বললো: ‘‘আপনি ভীত হবেননা, আমরা দুটি বিবদমান পক্ষ। একে অপরের প্রতি বাড়াবাড়ি করেছি। আপনি আমাদের মাঝে ন্যায় বিচার করে দিন। অবিচার করবেন না এবং আমাদেরকে সঠিক পথের নির্দেশনা দিন:

মুহিউদ্দীন খান

যখন তারা দাউদের কাছে অনুপ্রবেশ করল, তখন সে সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল। তারা বললঃ ভয় করবেন না; আমরা বিবদমান দুটি পক্ষ, একে অপরের প্রতি বাড়াবাড়ি করেছি। অতএব, আমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করুন, অবিচার করবেন না। আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন।

Word by word

إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَىٰ دَاوُۥدَ فَفَزِعَ مِنْهُمْ قَالُوا۟ لَا تَخَفْ خَصْمَانِ بَغَىٰ بَعْضُنَا عَلَىٰ بَعْضٍ فَٱحْكُم بَيْنَنَا بِٱلْحَقِّ وَلَا تُشْطِطْ وَٱهْدِنَآ إِلَىٰ سَوَآءِ ٱلصِّرَٰطِ

জহুরুল হক

''এইজন অবশ্য আমার ভাই, তার রয়েছে নিরানব্বুইটি ভেড়ী আর আমার আছে একটিমাত্র ভেড়ী, কিন্ত সে বলে - - 'ওটি আমাকে দিয়ে দাও’, আর সে আমাকে তর্কাতর্কিতে হারিয়ে দিয়েছে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

এ আমার ভাই। তার আছে নিরানব্বইটি দুম্বা আর আমার আছে মাত্র একটি দুম্বা। তবু সে বলে: ‘তোমারটি আমার যিম্মায় দিয়ে দাও’ এবং কথায় সে আমার প্রতি কঠোর হয়েছে।’’

মুহিউদ্দীন খান

সে আমার ভাই, সে নিরানব্বই দুম্বার মালিক আর আমি মালিক একটি মাদী দুম্বার। এরপরও সে বলেঃ এটিও আমাকে দিয়ে দাও। সে কথাবার্তায় আমার উপর বল প্রয়োগ করে।

Word by word

إِنَّ هَٰذَآ أَخِى لَهُۥ تِسْعٌ وَتِسْعُونَ نَعْجَةً وَلِىَ نَعْجَةٌ وَٰحِدَةٌ فَقَالَ أَكْفِلْنِيهَا وَعَزَّنِى فِى ٱلْخِطَابِ

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমার ভেড়ীকে তার ভেড়ীদের সঙ্গে দাবি করে সে তোমার প্রতি আলবৎ অন্যায় করেছে। নিঃসন্দেহ অংশীদারদের মধ্যের অনেকেই - - তাদের কেউ কেউ অন্যের প্রতি শত্রুতা করে, তারা ব্যতীত যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে, আর যারা তেমন তারা অল্পসংখ্যক।’’ আর দাউদ ভেবেছিলেন যে আমরা নিশ্চয়ই তাঁকে পরীক্ষা করছিলাম, সেজন্য তিনি তাঁর প্রভুর কাছে পরিত্রাণ খুজঁছিলেন, আর তিনি লুটিয়ে পড়লেন আনত হয়ে এবং বারবার ফিরতে থাকলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

দাউদ বললো: ‘তোমার দুম্বাটিকে তার দুম্বার সাথে একত্র করার দাবি করে সে তোমার প্রতি যুলুম (অন্যায়) করেছে। শরিকদের অনেকেই একে অপরের উপর যুলুম করে থাকে, তবে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তারা নয়, অবশ্য তারা সংখ্যায় স্বল্প।’ দাউদ বুঝতে পারলো, আমরা তাকে পরীক্ষা করেছি, তাই সে তার প্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলো এবং নত হয়ে লুটিয়ে পড়লো এবং তাঁর অভিমুখী হলো। (সাজদা)

মুহিউদ্দীন খান

দাউদ বললঃ সে তোমার দুম্বাটিকে নিজের দুম্বাগুলোর সাথে সংযুক্ত করার দাবী করে তোমার প্রতি অবিচার করেছে। শরীকদের অনেকেই একে অপরের প্রতি জুলুম করে থাকে। তবে তারা করে না, যারা আল্লাহর প্রতি ও সৎকর্ম সম্পাদনকারী। অবশ্য এমন লোকের সংখ্যা অল্প। দাউদের খেয়াল হল যে, আমি তাকে পরীক্ষা করছি। অতঃপর সে তার পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করল, সেজদায় লুটিয়ে পড়ল এবং তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তন করল।

Word by word

قَالَ لَقَدْ ظَلَمَكَ بِسُؤَالِ نَعْجَتِكَ إِلَىٰ نِعَاجِهِۦ وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ ٱلْخُلَطَآءِ لَيَبْغِى بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَقَلِيلٌ مَّا هُمْ وَ

জহুরুল হক

কাজেই এই ব্যাপারে আমরা তাঁকে পরিত্রাণ করেছিলাম। আর নিশ্চয়ই তাঁর জন্য আমাদের কাছে তো নৈকট্য রয়েছে, আর রয়েছে এক সুন্দর গন্তব্যস্থল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে ক্ষমা করে দিলাম। আমাদের কাছে তার জন্যে রয়েছে নৈকট্যের মর্যাদা আর সুন্দর পরিণাম।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার সে অপরাধ ক্ষমা করলাম। নিশ্চয় আমার কাছে তার জন্যে রয়েছে উচ্চ মর্তবা ও সুন্দর আবাসস্থল।

Word by word

فَغَفَرْنَا لَهُۥ ذَٰلِكَ وَإِنَّ لَهُۥ عِندَنَا لَزُلْفَىٰ وَحُسْنَ مَـَٔابٍ

জহুরুল হক

''হে দাউদ! আমরা তোমাকে পৃথিবীতে খলিফা বানিয়েছি, সেজন্য তুমি লোকজনের মধ্যে বিচার করো ন্যায়সঙ্গতভাবে, আর খেয়ালখুশীর অনুসরণ করো না, পাছে তা তোমাকে ‌র পথ থেকে ভ্রষ্ট করে ফেলে। নিঃসন্দেহ যারা ‌র পথ থেকে বিপথে যায় তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। কেননা তারা ভুলে গিয়েছিল হিসেব - নিকেশের দিনের কথা।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

(আমরা তাকে বলেছিলাম:) ‘হে দাউদ! আমরা তোমাকে ভূ - খন্ডের খলিফা (শাসক) বানিয়েছি, সুতরাং তুমি জনগণের মাঝে সুবিচার করো, নিজস্ব চিন্তা - বাসনার অনুসরণ করোনা, করলে সেটা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যূত করে দেবে। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব, কারণ তারা হিসাবের দিনটিকে ভুলে যায়।’

মুহিউদ্দীন খান

হে দাউদ! আমি তোমাকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেছি, অতএব, তুমি মানুষের মাঝে ন্যায়সঙ্গতভাবে রাজত্ব কর এবং খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করো না। তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি, এ কারণে যে, তারা হিসাবদিবসকে ভূলে যায়।

Word by word

يَٰدَاوُۥدُ إِنَّا جَعَلْنَٰكَ خَلِيفَةً فِى ٱلْأَرْضِ فَٱحْكُم بَيْنَ ٱلنَّاسِ بِٱلْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ ٱلْهَوَىٰ فَيُضِلَّكَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَضِلُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ لَهُمْ عَذَ

জহুরুল হক

আর আমরা মহাকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা বৃথা সৃষ্টি করি নি। এরকম ধারণা হচ্ছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে। সুতরাং আগুনের কারণে ধিক্ তাদের জন্য যারা অবিশ্বাস পোষণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আসমান, জমিন এবং এ দুয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে কোনো কিছুই নিরর্থক সৃষ্টি করিনি। অনর্থক সৃষ্টির ধারণা করে তো কাফিররা। সুতরাং কাফিরদের জন্যে রয়েছে আগুনের আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আসমান - যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোন কিছু অযথা সৃষ্টি করিনি। এটা কাফেরদের ধারণা। অতএব, কাফেরদের জন্যে রয়েছে দূর্ভোগ অর্থাৎ জাহান্নাম।

Word by word

وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَآءَ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا بَٰطِلًا ذَٰلِكَ ظَنُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنَ ٱلنَّارِ

জহুরুল হক

যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে তাদের কি আমরা পৃথিবীতে ফ্যাসাদ - সৃষ্টিকারীদের ন্যায় গণ্য করব? অথবা ধর্মভীরুদের কি আমরা জ্ঞান করব পাপিষ্ঠদের ন্যায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদেরকে কি আমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমতুল্য গণ্য করবো, নাকি মুত্তাকিদের গণ্য করবো ফুজ্জারদের (পাপিষ্ঠদের) সমতুল্য?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি ও সৎকর্মীদেরকে পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কাফেরদের সমতুল্য করে দেব? না খোদাভীরুদেরকে পাপাচারীদের সম্মান করে দেব।

Word by word

أَمْ نَجْعَلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ كَٱلْمُفْسِدِينَ فِى ٱلْأَرْضِ أَمْ نَجْعَلُ ٱلْمُتَّقِينَ كَٱلْفُجَّارِ

জহুরুল হক

একখানা গ্রন্থ - - আমরা এটি তোমার কাছে অবতারণ করছি, কল্যাণময়, যেন তারা এর আয়াতগুলো সন্বন্ধে ভাবতে পারে, আর বুদ্ধিশুদ্ধি থাকা লোকেরা যেন উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই কল্যাণময় কিতাব (আল কুরআন) আমরা তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যেনো মানুষ এর আয়াতসমূহ অনুধাবন করে এবং বুদ্ধিমান লোকেরা গ্রহণ করে উপদেশ।

মুহিউদ্দীন খান

এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি বরকত হিসেবে অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসূহ লক্ষ্য করে এবং বুদ্ধিমানগণ যেন তা অনুধাবন করে।

Word by word

كِتَٰبٌ أَنزَلْنَٰهُ إِلَيْكَ مُبَٰرَكٌ لِّيَدَّبَّرُوٓا۟ ءَايَٰتِهِۦ وَلِيَتَذَكَّرَ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَٰبِ

জহুরুল হক

আর আমরা দাউদের জন্য সুলাইমানকে দিয়েছিলাম। অতি উত্তম বান্দা! নিঃসন্দেহ তিনি বারবার ফিরতেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা দাউদকে দান করেছিলাম (পুত্র) সুলাইমানকে। সে ছিলো আমাদের উত্তম দাস এবং অধিক অধিক আল্লাহমুখী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি দাউদকে সোলায়মান দান করেছি। সে একজন উত্তম বান্দা। সে ছিল প্রত্যাবর্তনশীল।

Word by word

وَوَهَبْنَا لِدَاوُۥدَ سُلَيْمَٰنَ نِعْمَ ٱلْعَبْدُ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ

জহুরুল হক

দেখো! বিকেলবেলা তাঁর সমক্ষে দ্রতগামী ঘোড়াদের হাজির করা হল,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন অপরাহ্নে তার সামনে ধাবনোদ্যত উত্তম ঘোড়াগুলো হাজির করা হলো,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তার সামনে অপরাহ্নে উৎকৃষ্ট অশ্বরাজি পেশ করা হল,

Word by word

إِذْ عُرِضَ عَلَيْهِ بِٱلْعَشِىِّ ٱلصَّٰفِنَٰتُ ٱلْجِيَادُ

জহুরুল হক

তখন তিনি বললেন - - ''আমি অবশ্য ভালবস্তুর ভাললাগাকে ভাল পেয়ে গেছি আমার প্রভুকে স্মরণ রাখার জন্যে,’’ - - যে পর্যন্ত না তারা পর্দার আড়ালে হয়ে গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘আমি তো আমার প্রভুর যিকির থেকে ঐশ্বর্যপ্রিয়তার দিকে অধিক নিমগ্ন হয়ে পড়েছি, এদিকে সূর্য অস্তমিত হয়ে গেলো।

মুহিউদ্দীন খান

তখন সে বললঃ আমি তো আমার পরওয়ারদেগারের স্মরণে বিস্মৃত হয়ে সম্পদের মহব্বতে মুগ্ধ হয়ে পড়েছি - এমনকি সূর্য ডুবে গেছে।

Word by word

فَقَالَ إِنِّىٓ أَحْبَبْتُ حُبَّ ٱلْخَيْرِ عَن ذِكْرِ رَبِّى حَتَّىٰ تَوَارَتْ بِٱلْحِجَابِ

জহুরুল হক

''ওদের আমার কাছে নিয়ে এসো।’’ তখন তিনি পা ও ঘাড় মালিশ করতে লাগলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলোকে আবার আমার সামনে নিয়ে এসো।’’ তারপর সে সেগুলোর পা এবং গলা কেটে যবেহ করতে থাকলো।

মুহিউদ্দীন খান

এগুলোকে আমার কাছে ফিরিয়ে আন। অতঃপর সে তাদের পা ও গলদেশ ছেদন করতে শুরু করল।

Word by word

رُدُّوهَا عَلَىَّ فَطَفِقَ مَسْحًۢا بِٱلسُّوقِ وَٱلْأَعْنَاقِ

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই সুলাইমানকে পরীক্ষা করেছিলাম, আর তাঁর সিংহাসনে আমরা স্থাপন করেছিলাম একটি দেহ মাত্র, তখন তিনি ফিরলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সুলাইমানকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তার কুরসির (চেয়ারের) উপর রেখেছিলাম একটি দেহ, ফলে সে আমার অভিমুখী হয়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সোলায়মানকে পরীক্ষা করলাম এবং রেখে দিলাম তার সিংহাসনের উপর একটি নিস্প্রাণ দেহ। অতঃপর সে রুজু হল।

Word by word

وَلَقَدْ فَتَنَّا سُلَيْمَٰنَ وَأَلْقَيْنَا عَلَىٰ كُرْسِيِّهِۦ جَسَدًا ثُمَّ أَنَابَ

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু! আমাকে পরিত্রাণ করো আর আমাকে এমন এক সাম্রাজ্য প্রদান করো যা আমার পরে আর করোর জন্যে যোগ্য না হয়। নিঃসন্দেহ তুমি - - তুমিই মহাদাতা।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘আমার প্রভু! আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমাকে দান করো এমন একটি সাম্রাজ্য, যেমনটির অধিকারী যেনো আমার পরে আর কেউ না হয়। নিশ্চয়ই তুমি মহান দাতা।’

মুহিউদ্দীন খান

সোলায়মান বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে মাফ করুন এবং আমাকে এমন সাম্রাজ্য দান করুন যা আমার পরে আর কেউ পেতে পারবে না। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।

Word by word

قَالَ رَبِّ ٱغْفِرْ لِى وَهَبْ لِى مُلْكًا لَّا يَنۢبَغِى لِأَحَدٍ مِّنۢ بَعْدِىٓ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْوَهَّابُ

জহুরুল হক

তারপর আমরা বাতাসকে তাঁর জন্য অনুগত করে দিলাম, তাঁর আদেশে তা স্বচ্ছন্দগতিতে চলত যেখানে তিনি পাঠাতেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা বাতাসকে তার অধীন করে দিয়েছিলাম। বাতাস তার আদেশে কোমলভাবে প্রবাহিত হতো যেখানে সে ইচ্ছা করতো।

মুহিউদ্দীন খান

তখন আমি বাতাসকে তার অনুগত করে দিলাম, যা তার হুকুমে অবাধে প্রবাহিত হত যেখানে সে পৌছাতে চাইত।

Word by word

فَسَخَّرْنَا لَهُ ٱلرِّيحَ تَجْرِى بِأَمْرِهِۦ رُخَآءً حَيْثُ أَصَابَ

জহুরুল হক

আর শয়তানদের - - সবক’টি মিস্ত্রী ও ডুবুরী,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শয়তানদেরকেও (জিনদেরকেও) তার অধীন করে দিয়েছিলাম। তারা ছিলো ইমারত নির্মাণকারী আর ডুবুরি।

মুহিউদ্দীন খান

আর সকল শয়তানকে তার অধীন করে দিলাম অর্থৎ, যারা ছিল প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী।

Word by word

وَٱلشَّيَٰطِينَ كُلَّ بَنَّآءٍ وَغَوَّاصٍ

জহুরুল হক

আর অন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ অবস্থায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শৃংখলে আবদ্ধ অনেককেও।

মুহিউদ্দীন খান

এবং অন্য আরও অনেককে অধীন করে দিলাম, যারা আবদ্ধ থাকত শৃঙ্খলে।

Word by word

وَءَاخَرِينَ مُقَرَّنِينَ فِى ٱلْأَصْفَادِ

জহুরুল হক

''এ হচ্ছে আমাদের দান, অতএব তুমি দান কর বা রেখে দাও - - কোনো হিসাবপত্র লাগবে না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

(আমরা তাকে বলেছি: তোমার প্রতি) এগুলো আমাদের দান। এগুলো থেকে তুমি অন্যদের দিতে পারো কিংবা নিজে রাখতে পারো, এর জন্যে তোমাকে হিসাব দিতে হবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

এগুলো আমার অনুগ্রহ, অতএব, এগুলো কাউকে দাও অথবা নিজে রেখে দাও - এর কোন হিসেব দিতে হবে না।

Word by word

هَٰذَا عَطَآؤُنَا فَٱمْنُنْ أَوْ أَمْسِكْ بِغَيْرِ حِسَابٍ

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তাঁর জন্য আমাদের কাছে তো নৈকট্য অবধারিত রয়েছে, আর রয়েছে এক সুন্দর গন্তব্যস্থান।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের এখানে তার জন্যে রয়েছে নৈকট্যের মর্যাদা এবং উত্তম পরিণাম।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তার জন্যে আমার কাছে রয়েছে মর্যাদা ও শুভ পরিণতি।

Word by word

وَإِنَّ لَهُۥ عِندَنَا لَزُلْفَىٰ وَحُسْنَ مَـَٔابٍ

জহুরুল হক

আর আমাদের বান্দা আইয়ূবকে স্মরণ করো। দেখো, তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বলেছিলেন - - ''শয়তান আমাকে পীড়ন করছে ক্লান্তি ও কষ্ট দিয়ে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো আমাদের দাস আইউবকে। সে তার প্রভুকে ডেকে বলেছিল: ‘(প্রভু!) শয়তান আমাকে যন্ত্রণা আর কষ্টে ফেলেছে।’

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ করুণ, আমার বান্দা আইয়্যুবের কথা, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করে বললঃ শয়তান আমাকে যন্ত্রণা ও কষ্ট পৌছিয়েছে।

Word by word

وَٱذْكُرْ عَبْدَنَآ أَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَسَّنِىَ ٱلشَّيْطَٰنُ بِنُصْبٍ وَعَذَابٍ

জহুরুল হক

''তোমার পা দিয়ে আঘাত করো, এটি এক ঠান্ডা গোসলের জায়গা ও পানীয়।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

(আমরা তাকে বলেছিলাম:) ‘তুমি তোমার পা দিয়ে জমিনে আঘাত করো। এ হলো তোমার গোসলের সুশীতল পানি এবং পানীয় পানি।’

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তোমার পা দিয়ে ভূমিতে আঘাত কর। ঝরণা নির্গত হল গোসল করার জন্যে শীতল ও পান করার জন্যে।

Word by word

ٱرْكُضْ بِرِجْلِكَ هَٰذَا مُغْتَسَلٌۢ بَارِدٌ وَشَرَابٌ

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম তাঁর পরিজনবর্গ আর তাদের সঙ্গে তাদের মতো অন্যদের, - - আমাদের তরফ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ এবং বোধশক্তির অধিকারীদের জন্য উপদেশ - স্বরূপ!

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে দান করেছি তার পরিবারবর্গকে এবং অনুরূপ আরো, আমাদের পক্ষ থেকে রহমত (অনুগ্রহ) হিসাবে এবং বুদ্ধিমান লোকদের জন্যে উপদেশ হিসেবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে দিলাম তার পরিজনবর্গ ও তাদের মত আরও অনেক আমার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ এবং বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশস্বরূপ।

Word by word

وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ أَهْلَهُۥ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنَّا وَذِكْرَىٰ لِأُو۟لِى ٱلْأَلْبَٰبِ

জহুরুল হক

আর ''তোমার হাতে একটি ডাল নাও এবং তা দিয়ে আঘাত করো, আর তুমি সংকল্প ত্যাগ করো না।’’ নিঃসন্দেহ আমরা তাঁকে পেয়েছিলাম অধ্যবসায়ী। কত উত্তম বান্দা! তিনি নিশ্চয়ই বারবার ফিরতেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে আরো আদেশ করলাম, এক মুষ্টি তৃণ নাও, তা দিয়ে আঘাত করো এবং শপথ ভঙ্গ করোনা। আমরা তাকে পেয়েছি ধৈর্যশীল। কতো যে উত্তম দাস ছিলো সে! আর সে ছিলো আমার অভিমুখী।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তোমার হাতে এক মুঠো তৃণশলা নাও, তদ্বারা আঘাত কর এবং শপথ ভঙ্গ করো না। আমি তাকে পেলাম সবরকারী। চমৎকার বান্দা সে। নিশ্চয় সে ছিল প্রত্যাবর্তনশীল।

Word by word

وَخُذْ بِيَدِكَ ضِغْثًا فَٱضْرِب بِّهِۦ وَلَا تَحْنَثْ إِنَّا وَجَدْنَٰهُ صَابِرًا نِّعْمَ ٱلْعَبْدُ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো আমাদের দাস ইব্রাহীম ও ইসহাক ও ইয়াকুবকে, তাঁরা ছিলেন ক্ষমতার ও অন্তদৃষ্টির অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো আমাদের দাস ইবরাহিম, ইসহাক এবং ইয়াকুবকে। তারা ছিলো হাত এবং চোখওয়ালা (শক্তিশালী এবং দূরদৃষ্টি সম্পন্ন)।

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ করুন, হাত ও চোখের অধিকারী আমার বান্দা ইব্রাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা।

Word by word

وَٱذْكُرْ عِبَٰدَنَآ إِبْرَٰهِيمَ وَإِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَ أُو۟لِى ٱلْأَيْدِى وَٱلْأَبْصَٰرِ

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা তাঁদের বানিয়েছিলাম এক অকৃত্রিম গুণে নিষ্ঠাবান - - বাসস্থানের স্মরণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের মনোনীত করেছিলাম বিশেষ গুণের জন্যে, আর তা ছিলো পরকালের স্মরণ।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের এক বিশেষ গুণ তথা পরকালের স্মরণ দ্বারা স্বাতন্ত্র্য দান করেছিলাম।

Word by word

إِنَّآ أَخْلَصْنَٰهُم بِخَالِصَةٍ ذِكْرَى ٱلدَّارِ

জহুরুল হক

আর তাঁরা নিশ্চয়ই আমাদের কাছে ছিলেন মনোনীত ও সজ্জনদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা ছিলো আমাদের মনোনীত উত্তম দাস।

মুহিউদ্দীন খান

আর তারা আমার কাছে মনোনীত ও সৎলোকদের অন্তর্ভুক্ত।

Word by word

وَإِنَّهُمْ عِندَنَا لَمِنَ ٱلْمُصْطَفَيْنَ ٱلْأَخْيَارِ

জহুরুল হক

আর স্মরণ কর ইসমাইল ও ইয়াসাআ ও যুল - কিফলকে, কারণ তাঁরা সবাই ছিলেন সজ্জনদের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো ইসমাঈল, আলইয়াসা এবং যুলকিফলের কথা। তারা সবাই ছিলো (আমাদের) উত্তম (দাস)।

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ করুণ, ইসমাঈল, আল ইয়াসা ও যুলকিফলের কথা। তারা প্রত্যেকেই গুনীজন।

Word by word

وَٱذْكُرْ إِسْمَٰعِيلَ وَٱلْيَسَعَ وَذَا ٱلْكِفْلِ وَكُلٌّ مِّنَ ٱلْأَخْيَارِ

জহুরুল হক

এ এক স্মারকগ্রন্থ, আর নিশ্চয়ই ধর্মভীরুদের জন্য তো রয়েছে উত্তম গন্তব্যস্থল, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো সবই উপদেশ। আর মুত্তাকিদের জন্যে রয়েছে উত্তম আবাস,

মুহিউদ্দীন খান

এ এক মহৎ আলোচনা। খোদাভীরুদের জন্যে রয়েছে উত্তম ঠিকানা -

Word by word

هَٰذَا ذِكْرٌ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَـَٔابٍ

জহুরুল হক

নন্দন কানন, তাদের জন্য খোলা রয়েছে দরজাগুলো।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তা হলো) চিরস্থায়ী জান্নাত, যার দ্বার রয়েছে তাদের জন্যে উন্মুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

তথা স্থায়ী বসবাসের জান্নাত; তাদের জন্যে তার দ্বার উম্মুক্ত রয়েছে।

Word by word

جَنَّٰتِ عَدْنٍ مُّفَتَّحَةً لَّهُمُ ٱلْأَبْوَٰبُ

জহুরুল হক

সেখানে তারা হেলান দিয়ে সমাসীন হবে, আহ্বান করবে সেখানে প্রচুর ফলমূল ও পানীয় দ্রব্যের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা আসন গ্রহণ করবে হেলান দিয়ে। সেখানে তারা চাইবে নানা রকম ফলফলারি আর পানীয়।

মুহিউদ্দীন খান

সেখানে তারা হেলান দিয়ে বসবে। তারা সেখানে চাইবে অনেক ফল - মূল ও পানীয়।

Word by word

مُتَّكِـِٔينَ فِيهَا يَدْعُونَ فِيهَا بِفَٰكِهَةٍ كَثِيرَةٍ وَشَرَابٍ

জহুরুল হক

তার তাদের কাছে থাকবে সলাজ - নম্র আয়তলোচন, সমবয়স্ক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কাছে থাকবে আয়তনয়না সমবয়েসী নারীরা।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে থাকবে আনতনয়না সমবয়স্কা রমণীগণ।

Word by word

وَعِندَهُمْ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ أَتْرَابٌ

জহুরুল হক

''এটিই সেই যা তোমাদের ওয়াদা করা হয়েছিল হিসেব - নিকেশের দিনের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদেরকে এসব কিছুর প্রতিশ্রুতি দেয়া হলো হিসাবের দিন দেয়ার জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হচ্ছে বিচার দিবসের জন্যে।

Word by word

هَٰذَا مَا تُوعَدُونَ لِيَوْمِ ٱلْحِسَابِ

জহুরুল হক

''এইই আলবৎ আমাদের দেওয়া রিযেক, এর কোনো নিঃশেষ নেই।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো হবে আমাদের পক্ষ থেকে রিযিক। এগুলো কখনো ফুরাবে না।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আমার দেয়া রিযিক যা শেষ হবে না।

Word by word

إِنَّ هَٰذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهُۥ مِن نَّفَادٍ

জহুরুল হক

এটিই! আর নিঃসন্দেহ সীমালংঘনকারীদের জন্য তো রয়েছে নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থল, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এই হবে (মুত্তাকিদের অবস্থা), আর সীমালংঘনকারীদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট পরিণাম।

মুহিউদ্দীন খান

এটাতো শুনলে, এখন দুষ্টদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট ঠিকানা

Word by word

هَٰذَا وَإِنَّ لِلطَّٰغِينَ لَشَرَّ مَـَٔابٍ

জহুরুল হক

জাহান্নাম, তারা তাতে প্রবেশ করবে, সুতরাং কত মন্দ সেই বিশ্রামস্থান!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলো জাহান্নাম। তাতেই প্রবেশ করবে তারা, আর সেটা কতো যে নিকৃষ্ট বিশ্রামাগার।

মুহিউদ্দীন খান

তথা জাহান্নাম। তারা সেখানে প্রবেশ করবে। অতএব, কত নিকৃষ্ট সেই আবাস স্থল।

Word by word

جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا فَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ

জহুরুল হক

এই - ই! অতএব তারা এটি আস্বাদন করুক - - ফুটন্ত - গরম ও হিমশীতল, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এটাই হবে সীমা লঙ্ঘনকারীদের পরিণাম। সুতরাং তারা আস্বাদন করুক টগবগে ফুটন্ত গরম পানি আর পূঁজ,

মুহিউদ্দীন খান

এটা উত্তপ্ত পানি ও পঁূজ; অতএব তারা একে আস্বাদন করুক।

Word by word

هَٰذَا فَلْيَذُوقُوهُ حَمِيمٌ وَغَسَّاقٌ

জহুরুল হক

আর অন্যান্য রয়েছে এই ধরনের - - জোড়ায় - জোড়ায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং এ রকম আরো অনেক ধরণের আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

এ ধরনের আরও কিছু শাস্তি আছে।

Word by word

وَءَاخَرُ مِن شَكْلِهِۦٓ أَزْوَٰجٌ

জহুরুল হক

''এই এক বাহিনী - - তোমাদের সঙ্গে দিগ্বিদিগ্‌জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটছে, তাদের জন্য কোনো অভিনন্দন নেই? তারা নিশ্চয়ই আগুনে পুড়বে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

(নিজেদের অনুসারীদের জাহান্নামে প্রবেশ করতে দেখে তারা বলবে:) ‘এই তো এক বাহিনী তোমাদের সাথে প্রবেশ করছে। তাদের প্রতি নেই কোনো অভিনন্দন। তারা তো জাহান্নামেই দগ্ধ হবে।’

মুহিউদ্দীন খান

এই তো একদল তোমাদের সাথে প্রবেশ করছে। তাদের জন্যে অভিনন্দন নেই তারা তো জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

Word by word

هَٰذَا فَوْجٌ مُّقْتَحِمٌ مَّعَكُمْ لَا مَرْحَبًۢا بِهِمْ إِنَّهُمْ صَالُوا۟ ٱلنَّارِ

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''বরং তোমরা, তোমাদের জন্যও তো কোনো অভিনন্দন নেই! তোমরাই স্বয়ং আমাদের জন্য এটি আগবাড়িয়েছ, সুতরাং কত নিকৃষ্ট এ আবাসস্থল!’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা (অনুসারীরা) বলবে: ‘বরং তোমাদের জন্যেও নেই কোনো অভিনন্দন। তোমরাই তো আগে আমাদের জন্যে এর ব্যবস্থা করেছো। এটা কতো যে নিকৃষ্ট আবাস।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবে, তোমাদের জন্যে ও তো অভিনন্দন নেই। তোমরাই আমাদেরকে এ বিপদের সম্মুখীন করেছ। অতএব, এটি কতই না ঘৃণ্য আবাসস্থল।

Word by word

قَالُوا۟ بَلْ أَنتُمْ لَا مَرْحَبًۢا بِكُمْ أَنتُمْ قَدَّمْتُمُوهُ لَنَا فَبِئْسَ ٱلْقَرَارُ

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''আমাদের প্রভু! যে - ই আমাদের জন্য এটি আগবাড়িয়েছে, তাকে তবে শাস্তি বাড়িয়ে দাও - - আগুনের মধ্যে দ্বিগুণ।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘আমাদের প্রভু! যে আমাদেরকে এর (জাহান্নামের) সম্মুখীন করেছে, তাকে জাহান্নামে দ্বিগুণ শাস্তি বাড়িয়ে দাও।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, যে আমাদেরকে এর সম্মুখীন করেছে, আপনি জাহান্নামে তার শাস্তি দ্বিগুণ করে দিন।

Word by word

قَالُوا۟ رَبَّنَا مَن قَدَّمَ لَنَا هَٰذَا فَزِدْهُ عَذَابًا ضِعْفًا فِى ٱلنَّارِ

জহুরুল হক

আর তারা বলবে - - ''আমাদের কি হলো, আমরা সেই লোকদের দেখছি না যাদের আমরা দুষ্টদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণনা করতাম?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলবে: ‘‘কী হলো, (পৃথিবীতে) আমরা যাদের খারাপ লোক বলে গণ্য করতাম তাদেরকে যে (জাহান্নামে) দেখছি না!

মুহিউদ্দীন খান

তারা আরও বলবে, আমাদের কি হল যে, আমরা যাদেরকে মন্দ লোক বলে গণ্য করতাম, তাদেরকে এখানে দেখছি না।

Word by word

وَقَالُوا۟ مَا لَنَا لَا نَرَىٰ رِجَالًا كُنَّا نَعُدُّهُم مِّنَ ٱلْأَشْرَارِ

জহুরুল হক

''আমরা কি তাদের হাসিতামাশার পাত্র ভাবতাম, না কি দৃষ্টি তাদের থেকে অপারগ হয়ে গেছে?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে কি আমরা তাদেরকে অন্যায়ভাবে বিদ্রুপ করেছি? নাকি তাদের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টি বিভ্রম ঘটেছে?’’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা কি অহেতুক তাদেরকে ঠাট্টার পাত্র করে নিয়েছিলাম, না আমাদের দৃষ্টি ভুল করছে?

Word by word

أَتَّخَذْنَٰهُمْ سِخْرِيًّا أَمْ زَاغَتْ عَنْهُمُ ٱلْأَبْصَٰرُ

জহুরুল হক

এটিই তো আলবৎ সত্য, আগুনের বাসিন্দাদের বাদপ্রতিবাদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতো নিশ্চিত ব্যাপার, জাহান্নামীদের মধ্যে এই বাকবিতন্ডা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অর্থাৎ জাহান্নামীদের পারস্পরিক বাক - বিতন্ডা অবশ্যম্ভাবী।

Word by word

إِنَّ ذَٰلِكَ لَحَقٌّ تَخَاصُمُ أَهْلِ ٱلنَّارِ

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, আর ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই - - একক, সর্বজয়ী, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র। প্রবল প্রতাপশালী ছাড়া কোনো ইলাহ্ নেই।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র এবং এক পরাক্রমশালী ব্যতীত কোন উপাস্য নেই।

Word by word

قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ مُنذِرٌ وَمَا مِنْ إِلَٰهٍ إِلَّا ٱللَّهُ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّارُ

জহুরুল হক

''মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তার প্রভু - - মহাশক্তিশালী, পরিত্রাণকারী।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই মালিক মহাকাশ এবং পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর। তিনি মহাশক্তিধর, ক্ষমাশীল।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি আসমান - যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, পরাক্রমশালী, মার্জনাকারী।

Word by word

رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفَّٰرُ

জহুরুল হক

বলো - - ''এ এক বিরাট সংবাদ, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘‘এ এক মহাসংবাদ,

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, এটি এক মহাসংবাদ,

Word by word

قُلْ هُوَ نَبَؤٌا۟ عَظِيمٌ

জহুরুল হক

''এ থেকে তোমরা বিমুখ হচ্ছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছো।

মুহিউদ্দীন খান

যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ।

Word by word

أَنتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُونَ

জহুরুল হক

''ঊর্ধ্বলোকের প্রধানদের সন্বন্ধে আমার কোন জ্ঞান নেই যখন তারা বাদানুবাদ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঊর্ধ্বলোকে তাদের বিতর্ক সম্পর্কে আমার কোনো এলেম ছিলনা।

মুহিউদ্দীন খান

ঊর্ধ্ব জগৎ সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞান ছিল না যখন ফেরেশতারা কথাবার্তা বলছিল।

Word by word

مَا كَانَ لِىَ مِنْ عِلْمٍۭ بِٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰٓ إِذْ يَخْتَصِمُونَ

জহুরুল হক

''আমার কাছে প্রত্যাদিষ্ট হয়েছে এটি বৈ তো নয় যে, আমি তো একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার কাছে তো এই অহি এসেছে যে, আমি একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমার কাছে এ ওহীই আসে যে, আমি একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।

Word by word

إِن يُوحَىٰٓ إِلَىَّ إِلَّآ أَنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ

জহুরুল হক

স্মরণ করো! তোমার প্রভু ফিরিশ্‌তাদের বললেন - - ''আমি নিশ্চয়ই কাদা থেকে মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমার প্রভু ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি কাদামাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আপনার পালনকর্তা ফেরেশতাগণকে বললেন, আমি মাটির মানুষ সৃষ্টি করব।

Word by word

إِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَٰٓئِكَةِ إِنِّى خَٰلِقٌۢ بَشَرًا مِّن طِينٍ

জহুরুল হক

''তারপর আমি যখন তাকে সুঠাম করব এবং আমার রূহ্ থেকে তাতে দম দেব তখন তার প্রতি সিজদাবনত হয়ে লুটিয়ে পড়ো।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি যখন তাকে নিখুঁত ও সুষম করবো এবং তার মধ্যে সঞ্চার করে দেবো রূহ, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় অবনত হয়ো।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সম্মুখে সেজদায় নত হয়ে যেয়ো।

Word by word

فَإِذَا سَوَّيْتُهُۥ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِى فَقَعُوا۟ لَهُۥ سَٰجِدِينَ

জহুরুল হক

তখন ফিরিশ্‌তারা সিজদা করল, তাদের সবাই একই সঙ্গে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, ফেরেশতারা সবাই সাজদায় অবনত হয়

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সমস্ত ফেরেশতাই একযোগে সেজদায় নত হল,

Word by word

فَسَجَدَ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ

জহুরুল হক

ইবলিস ব্যতীত। সে অহংকার করল, আর সে ছিল অবিশ্বাসীদের অন্তর্গত।

আবদুস শহীদ নাসিম

শুধুমাত্র ইবলিস ছাড়া। সে অহংকার করে এবং কাফিরদের অন্তরভুক্ত হয়ে পড়ে।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু ইবলীস; সে অহংকার করল এবং অস্বীকারকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।

Word by word

إِلَّآ إِبْلِيسَ ٱسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''হে ইবলিস, কী তোমাকে নিষেধ করলে তাকে সিজদা করতে, যাকে আমি আমার দুই হাতে সৃষ্টি করেছি? তুমি কি গর্ববোধ করলে, না কি তুমি উচ্চমর্যাদাসম্পন্নদের একজন হয়ে গেছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘হে ইবলিস! আমি যাকে নিজ হাতে তৈরি করেছি, তাকে সাজদা করা থেকে কিসে তোকে বাধা দিয়েছে? তুই কি অহংকার করলি, না কি তুই উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন?’

মুহিউদ্দীন খান

বললেন, হে ইবলীস, আমি স্বহস্তে যাকে সৃষ্টি করেছি, তার সম্মুখে সেজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তুমি অহংকার করলে, না তুমি তার চেয়ে উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন?

Word by word

قَالَ يَٰٓإِبْلِيسُ مَا مَنَعَكَ أَن تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَىَّ أَسْتَكْبَرْتَ أَمْ كُنتَ مِنَ ٱلْعَالِينَ

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমি তার চেয়েও শ্রেষ্ঠ। আমাকে তুমি আগুন থেকে সৃষ্টি করেছ, আর তাকে সৃষ্টি করেছ কাদা থেকে।”

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘আমি তার চাইতে শ্রেষ্ঠ, কারণ, আপনি আমাকে তৈরি করেছেন আগুন দিয়ে এবং তাকে তৈরি করেছেন কাদামাটি দিয়ে।’

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ আমি তার চেয়ে উত্তম আপনি আমাকে আগুনের দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটির দ্বারা।

Word by word

قَالَ أَنَا۠ خَيْرٌ مِّنْهُ خَلَقْتَنِى مِن نَّارٍ وَخَلَقْتَهُۥ مِن طِينٍ

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তবে এখান থেকে তুমি বেরিয়ে যাও, কেননা তুমি অবশ্যই বিতাড়িত,

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘‘বেরিয়ে যা তুই এখান থেকে, এখন থেকে তুই বিতাড়িত।

মুহিউদ্দীন খান

বললেনঃ বের হয়ে যা, এখান থেকে। কারণ, তুই অভিশপ্ত।

Word by word

قَالَ فَٱخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ

জহুরুল হক

''আর নিঃসন্দেহ তোমার উপরে তো আমার অসন্তষ্টি রইবে মহাবিচারের দিন পর্যন্ত।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোর প্রতি আমার লা’নত (বর্ষিত হতে থাকবে) প্রতিদান দিবস পর্যন্ত।’’

মুহিউদ্দীন খান

তোর প্রতি আমার এ অভিশাপ বিচার দিবস পর্যন্ত স্থায়ী হবে।

Word by word

وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلدِّينِ

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমার প্রভু! তবে আমাকে অবকাশ দাও তাদের পুনরুত্থান করানোর দিন পর্যন্ত।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।’

মুহিউদ্দীন খান

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।

Word by word

قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তুমি তাহলে নিশ্চয়ই অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বললেন: ‘‘তোকে অবকাশ দেয়া হলো।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লঅহ বললেনঃ তোকে অবকাশ দেয়া হল।

Word by word

قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلْمُنظَرِينَ

জহুরুল হক

''সেই জানিয়ে দেওয়া সময়টির দিন পর্যন্ত।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

নির্দিষ্ট সময় উপস্থিত হবার দিন পর্যন্ত।’’

মুহিউদ্দীন খান

সে সময়ের দিন পর্যন্ত যা ।

Word by word

إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْوَقْتِ ٱلْمَعْلُومِ

জহুরুল হক

সে বললে - - ''তবে তোমার মহিমা দ্বারা, আমি আলবৎ তাদের সবক’জনকে বিপথে নিয়ে যাব,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘আপনার ইযযতের শপথ, আমি তাদের সবাইকেই বিপথগামী করে দেবো,

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, আপনার ইযযতের কসম, আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে বিপথগামী করে দেব।

Word by word

قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ

জহুরুল হক

''কেবলমাত্র তাদের মধ্যের তোমার খাঁটি বান্দাদের ব্যতীত।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তাদের মধ্যে আপনার বাছাই করা দাসেরা ছাড়া।’’

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাদের মধ্যে যারা আপনার খাঁটি বান্দা, তাদেরকে ছাড়া।

Word by word

إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ ٱلْمُخْلَصِينَ

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তবে এটাই সত্য, আর সত্যই আমি বলছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বললেন: ‘‘এটাই সত্য আর আমি সত্য বলি:

মুহিউদ্দীন খান

বললেনঃ তাই ঠিক, আর আমি সত্য বলছি -

Word by word

قَالَ فَٱلْحَقُّ وَٱلْحَقَّ أَقُولُ

জহুরুল হক

''আমি অবশ্যই জাহান্নামকে পূর্ণ করব তোমাকে দিয়ে ও তাদের মধ্যের যারা তোমাকে অনুসরণ করে তাদের সব ক’জনকে দিয়ে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তোকে আর তোর অনুসারীদের দিয়ে পরিপূর্ণ করবো জাহান্নাম।’’

মুহিউদ্দীন খান

তোর দ্বারা আর তাদের মধ্যে যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের দ্বারা আমি জাহান্নাম পূর্ণ করব।

Word by word

لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنكَ وَمِمَّن تَبِعَكَ مِنْهُمْ أَجْمَعِينَ

জহুরুল হক

তুমি বল - - ''আমি তোমাদের কাছ থেকে এর জন্য কোনো পারিশ্রমিক চাইছি না, আর আমি প্রবঞ্চকদেরও মধ্যেকার নই।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘আমি তো এ কাজের জন্যে তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাইনা। আর যারা মিথ্যা দাবি করে আমি সে রকম লোকও নই।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না আর আমি লৌকিকতাকারীও নই।

Word by word

قُلْ مَآ أَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ وَمَآ أَنَا۠ مِنَ ٱلْمُتَكَلِّفِينَ

জহুরুল হক

''এটি জগদ্বাসীদের জন্য স্মরণীয় বার্তা বৈ তো নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে একটি উপদেশ ছাড়া কিছু নয়।

মুহিউদ্দীন খান

এটা তো বিশ্ববাসীর জন্যে এক উপদেশ মাত্র।

Word by word

إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَٰلَمِينَ

জহুরুল হক

''আর তোমরা অবশ্যই এর বৃত্তান্ত সন্বন্ধে কিছুকাল পরেই জানতে পারবে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা অবশ্যি এর সংবাদ জানতে পারবে অল্পকাল পরেই।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কিছু কাল পরে এর সংবাদ অবশ্যই জানতে পারবে।

Word by word

وَلَتَعْلَمُنَّ نَبَأَهُۥ بَعْدَ حِينٍۭ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme