Kitab

আল যারিয়াত

Chapter 51, 60 verses

  • জহুরুল হক
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক

ভাবো - - বিক্ষেপকারীদের বিক্ষেপের কথা, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ অণু ঝড়ের,

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

জহুরুল হক

তারপর বহনকারীদের বোঝার কথা, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ভারি পানি বহনকারী মেঘমালার,

সমকালীন বাংলা

শপথ বোঝা বহনকারী মেঘপুঞ্জের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বোঝা বহনকারী মেঘপুঞ্জের,

জহুরুল হক

তারপর চলমানদের স্বচ্ছন্দগমনের কথা, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সহজ গতির নৌযানের,

সমকালীন বাংলা

শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

জহুরুল হক

তারপর বিতরণকারীদের কাজকর্মের কথা, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ কাজ বণ্টনকারী (ফেরেশতা)দের,

সমকালীন বাংলা

শপথ কর্ম বণ্টনকারী ফিরিশ্তাগণের -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ কর্ম বণ্টনকারী ফিরিশ্‌তাগণের -

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমাদের প্রতি যা ওয়াদা করা হয়েছিল তা অবশ্যই সত্য, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্য অবশ্যি সত্য।

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ ন্যায়বিচার অবশ্যাম্ভাবী।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিফল দিবস অবশ্যি সংঘটিত হবে।

সমকালীন বাংলা

কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী।

জহুরুল হক

ভাবো আকাশের কথা - - অজস্র পথ বিশিষ্ট,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ অনেক পথ বিশিষ্ট আসমানের,

সমকালীন বাংলা

শপথ বহু পথবিশিষ্ট আকাশের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বহু পথবিশিষ্ট আকাশের,

জহুরুল হক

তোমরা তো নিশ্চয়ই পরস্পর বিরোধী কথায় রয়েছ,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমরা লিপ্ত (আল্লাহর রসূল ও কুরআন সম্পর্কে) পরস্পর বিরোধী কথাবার্তায়।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।

জহুরুল হক

যে মুখ ফিরিয়ে থাকে তাকে এ থেকে ফিরিয়েই রাখা হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা থেকে (কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয় তো ঐ ব্যক্তি যে সত্যভ্রষ্ট।

সমকালীন বাংলা

যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে - ই উহা পরিত্যাগ করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে - ই উহা পরিত্যাগ করে,

জহুরুল হক

কোতল হোক মিথ্যারচনাকারীরা - -

আবদুস শহীদ নাসিম

মিথ্যাবাদীরা মারা পড়েছে,

সমকালীন বাংলা

অভিশপ্ত হউক মিথ্যাচারীরা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অভিশপ্ত হউক মিথ্যাচারীরা,

জহুরুল হক

যারা খোদ গহবরে, বেখেয়াল!

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা নিমজ্জিত অজ্ঞতা আর উদাসীনতায়।

সমকালীন বাংলা

যাহারা অজ্ঞ ও উদাসীন!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা অজ্ঞ ও উদাসীন!

জহুরুল হক

তারা জিজ্ঞাসা করে - - ''কবে আসবে বিচারের দিন?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, কবে আসবে প্রতিদান দিবস?

সমকালীন বাংলা

উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘কর্মফল দিবস কবে হইবে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘কর্মফল দিবস কবে হইবে?’

জহুরুল হক

সেই দিনটাতে আগুনে তাদের পরীক্ষা করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন আসবে প্রতিদান দিবস, যেদিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে জাহান্নামে।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘সেই দিন যখন উহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে অগ্নিতে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘সেই দিন যখন উহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে অগ্নিতে।’

জহুরুল হক

''তোমাদের অত্যাচার তোমরা আস্বাদন কর। এইটিই সেই যেটি তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আস্বাদন করো তোমাদের শাস্তি। এই আযাবই তোমরা দ্রুত চেয়েছিলে।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্নিত করিতে চাহিয়াছিলে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছিলে।’

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মভীরুরা থাকবে স্বর্গোউদ্যানসমূহে ও ঝরনা - রাজিতে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাতে আর ঝরণা ধারায়,

সমকালীন বাংলা

সেদিন নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ - বিশিষ্ট জান্নাতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ - বিশিষ্ট জান্নাতে,

জহুরুল হক

তাদের প্রভু যা তাদের দেবেন তারা তা গ্রহণ করতে থাকবে। তারা এর আগে নিশ্চয়ই ছিল সৎকর্মশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে উপভোগ করবে তাদের প্রভুর দেয়া নিয়ামতরাজি। কারণ ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা ছিলো কল্যাণপরায়ণ পুণ্যবান।

সমকালীন বাংলা

উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

জহুরুল হক

তারা রাতের সামান্য সময়ই ঘুমিয়ে কাটাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা রাতের সামান্য অংশই ব্যয় করতো নিদ্রায়,

সমকালীন বাংলা

তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,

জহুরুল হক

আর নিশিভোরে তারা পরিত্রাণ খুঁজত।

আবদুস শহীদ নাসিম

শেষ রাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতো,

সমকালীন বাংলা

রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,

জহুরুল হক

আর তাদের ধনসম্পদের মধ্যে ভিখারীর জন্য ও বঞ্চিতের জন্য হক্ রেখেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অর্থ - সম্পদে ছিলো অধিকার সাহায্যপ্রার্থী এবং বঞ্চিতদের।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদের ধন - সম্পদে রহিয়াছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের ধন - সম্পদে রহিয়াছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।

জহুরুল হক

আর পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে নিশ্চিত - বিশ্বাসীদের জন্য, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীতেই রয়েছে নিদর্শন বিশ্বাসীদের জন্যে,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে ধরিত্রীতে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে ধরিত্রীতে

জহুরুল হক

আর তোমাদের নিজেদের মধ্যে। তবুও কি তোমরা চেয়ে দেখবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি ভেবে দেখবে না?

সমকালীন বাংলা

এবং তোমাদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমাদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?

জহুরুল হক

আর আকাশে রয়েছে তোমাদের জীবিকা, আর যা তোমাদের ওয়াদা করা হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের জীবিকা রয়েছে আসমানে এবং তোমাদের যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে সেগুলোও।

সমকালীন বাংলা

আকাশে রহিয়াছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুতি সমস্ত কিছু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশে রহিয়াছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুতি সমস্ত কিছু।

জহুরুল হক

অতএব মহাকাশ ও পৃথিবীর প্রভুর শপথ - - নিঃসন্দেহ এ আলবৎ সত্য, যেমনটা তোমরা বস্তুত বাক্যালাপ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

আকাশ ও পৃথিবীর প্রভুর শপথ, তোমাদের পারস্পরিক কথাবার্তার মতোই এ (কুরআন) এক মহাসত্য।

সমকালীন বাংলা

আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্‌স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।

জহুরুল হক

তোমার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত অতিথিদের সংবাদ এসেছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি এসেছে ইবরাহিমের সম্মানিত মেহমানদের ঘটনা?

সমকালীন বাংলা

তোমার নিকট ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত আসিয়াছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট ইব্‌রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত আসিয়াছে কি?

জহুরুল হক

তারা যখন তাঁর দরবারে প্রবেশ করল তারা তখন বললে - - ''সালাম’’। তিনিও বললেন - - ''সালাম’’, অপরিচিত লোক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন তার ঘরে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম।’ জবাবে সেও বলেছিল: ‘সালাম।’ সে আরো বলেছিল: আপনারা তো অপরিচিত লোক!’

সমকালীন বাংলা

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।

জহুরুল হক

তিনি তখন তাঁর পরিবারের কাছে নীরবে ছুটলেন এবং একটি পুষ্ট নিয়ে এলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে তার পরিবারের (স্ত্রীর) কাছে ছুটে গেলো এবং একটি মাংসল গো - ভুনা করে নিয়ে এলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ইব্রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইব্‌রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল

জহুরুল হক

তারপর তিনি এটি তাদের সামনে এগিয়ে দিলেন, তিনি বললেন - - ''আপনারা কি খাবেন না?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি তাদের কাছে রাখলো। তারপর বললো: ‘আপনারা খাচ্ছেন না যে?’

সমকালীন বাংলা

ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, ‘তোমরা খাইতেছ না কেন?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, ‘তোমরা খাইতেছ না কেন?’

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের সম্পর্কে তিনি ভয় অনুভব করলেন। তারা বললে - - ''ভয় করো না।’’ পক্ষান্তরে তারা তাঁকে সুসংবাদ দিল এক জ্ঞানবান ছেলের।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতে করে তাদের ব্যাপারে তার মনে ভয়ের সঞ্চার হয়। তখন তারা বললো: ‘আপনি ভয় পাবেন না।’ তারা তাকে সুসংবাদ দিলো এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের।

সমকালীন বাংলা

ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

জহুরুল হক

তারপর তাঁর স্ত্রী এগিয়ে এলেন বিলাপ করতে - করতে, আর তিনি তাঁর গালে চাপড় মারছেন এবং বলছেন, ''এক বুড়ি, বন্ধ্যা!’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তার স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এগিয়ে এলো এবং গাল চাপড়িয়ে বললো: ‘এই বৃদ্ধার সন্তান হবে?’

সমকালীন বাংলা

তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ বন্ধ যার সন্তান হইবে!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ - বন্ধ্যার সন্তান হইবে!’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''এমনটাই হবে, তোমার প্রভু বলেছেন।’’ নিঃসন্দেহ তিনি স্বয়ং পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘আপনার প্রভু একথাই বলেছেন, তিনি প্রজ্ঞাবান সর্বজ্ঞানী।’

সমকালীন বাংলা

তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তাহলে তোমাদের বিশেষ বার্তা কি, হে বার্তাবাহকগণ?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বললো: ‘হে প্রেরিত ফেরেশতারা! আপনারা বিশেষ কী দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন?’

সমকালীন বাংলা

ইব্রাহীম বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের বিশেষ কাজ কী?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম বলিল, ‘হে ফিরিশ্‌তাগণ! তোমাদের বিশেষ কাজ কী?’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমাদের অবশ্য প্রেরণ করা হয়েছে এক অপরাধী লোকদের প্রতি, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘আমাদের পাঠানো হয়েছে অপরাধী (লুত) সম্প্রদায়ের প্রতি

সমকালীন বাংলা

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হইয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হইয়াছে।

জহুরুল হক

''যেন তাদের উপরে আমরা বর্ষণ করতে পারি মাটির পাথর,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপর পোড়া মাটির ঢিল নিক্ষেপ করার জন্যে,

সমকালীন বাংলা

‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা,

জহুরুল হক

''যা অমিতাচারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে তোমার প্রভুর কাছে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলো সীমালংঘনকারীদের জন্যে চিহ্নিত আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে।

সমকালীন বাংলা

‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’

জহুরুল হক

তারপর মুমিনদের মধ্যের যারা সেখানে রয়েছিল তাদের আমরা বের করে আনলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে যারা ছিলো তাদেরকে আমরা বের করে এনেছিলাম,

সমকালীন বাংলা

সেখানে যেসব ছিল আমি তাহাদেরকে উদ্ধার করিয়াছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে যেসব ছিল আমি তাহাদেরকে উদ্ধার করিয়াছিলাম,

জহুরুল হক

কিন্ত আমরা সেখানে মুসলিমদের একটি পরিবার ব্যতীত আর কাউকে পাইনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সেখানে আমরা একটির বেশি মুসলিম পরিবার পাইনি।’’

সমকালীন বাংলা

আর সেখানে আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোন আত্মসর্মপণকারী পাই নাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সেখানে আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোন আত্মসর্মপণকারী পাই নাই।

জহুরুল হক

আর আমরা সেখানে রেখে দিয়েছিলাম এক নিদর্শন তাদের জন্য যারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে, তাদের জন্যে আমরা সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।

সমকালীন বাংলা

যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।

জহুরুল হক

আর মূসার মধ্যেও। দেখো! আমরা তাঁকে পাঠিয়েছিলাম ফিরআউনের কাছে সুস্পষ্ট কর্তৃত্ব দিয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিদর্শন রেখেছি আমরা মূসার ঘটনাতেও, যখন আমরা তাকে পাঠিয়েছিলাম ফেরাউনের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে।

সমকালীন বাংলা

এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,

জহুরুল হক

কিন্ত সে ফিরে গিয়েছিল তার শক্তিমত্তার দিকে এবং বলেছিল - - ''একজন জাদুকর অথবা একজন পাগল।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে (ফেরাউন) ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিল: ‘এতো একজন ম্যাজেসিয়ান, কিংবা পাগল।’

সমকালীন বাংলা

তখন সে ক্ষমতার দম্ভেমুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন সে ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।

জহুরুল হক

তখন আমরা তাকে ও তার দলবলকে পাকড়াও করলাম এবং তাদের নিক্ষেপ করলাম অথৈ জলে, আর সে ছিল দোষী।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা পাকড়াও করেছিলাম তাকে এবং তার বাহিনীকে এবং তাদের নিক্ষেপ করেছিলাম সমুদ্রে। সে এক তিরস্কারযোগ্য ব্যক্তি।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তিদিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তি দিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।

জহুরুল হক

আর 'আদ জাতির ক্ষেত্রেও। দেখো! আমরা তাদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম এক বিধ্বংসী ঝড়।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিদর্শন রয়েছে আদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও। আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম এক বন্ধ্যা ঝড়।

সমকালীন বাংলা

এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;

জহুরুল হক

এ যার উপরে এসে পড়েছিল তার কোনো কিছুই রেখে যায় নি, এটিকে তা করে দিয়েছিল ছাইয়ের মতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল, সবই ধূলিস্যাত করে দিয়েছিল।

সমকালীন বাংলা

ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,

জহুরুল হক

আর ছামুদ - জাতির ক্ষেত্রেও। দেখো! তাদের বলা হয়েছিল - - ''কিছুকাল উপভোগ করে নাও।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও রয়েছে নিদর্শন। তাদের বলা হয়েছিল: ‘সামান্য ক’দিন ভোগ করে নাও।’

সমকালীন বাংলা

আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’

জহুরুল হক

তথাপি তাদের প্রভুর আদেশের বিরুদ্ধে তারা দাঁড়িয়েছিল, ফলে এক বজ্রনাদ তাদের পাকড়ালো, আর তারা তাকিয়ে রয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা অমান্য করে তাদের প্রভুর নির্দেশ। ফলে তাদের পাকড়াও করে প্রচন্ড বজ্রাঘাত এবং তারা তা দেখছিল।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।

জহুরুল হক

তাদের আর দাঁড়াবার ক্ষমতা রইল না, আর তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হতেও পারে নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা উঠেও দাঁড়াতে পারেনি এবং প্রতিরোধও করতে পারেনি।

সমকালীন বাংলা

উহারা উঠিয়া দাঁড়াইতে পারিল না এবং উহা প্রতিরোধ করিতেও পারিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উঠিয়া দাঁড়াইতে পারিল না এবং উহা প্রতিরোধ করিতেও পারিল না।

জহুরুল হক

আর পূর্বকালীন নূহের লোকদলকেও। নিঃসন্দেহ তারা ছিল সত্যত্যাগী জাতি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আরো আগে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম নূহের জাতিকেও। তারা ছিলো এক ফাসিক (সীমালংঘনকারী সত্যত্যাগী) জাতি।

সমকালীন বাংলা

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

জহুরুল হক

আর মহাকাশমন্ডল - - আমরা তা নির্মাণ করেছি হাতে, আর আমরাই বিশালতার নির্মাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আকাশ বানিয়েছি শক্ত হাতে এবং নিশ্চয়ই আমরা এর বিস্তৃতি সম্প্রসারণ করতে সক্ষম।

সমকালীন বাংলা

আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।

জহুরুল হক

আর পৃথিবী - - আমরা একে বিছিয়ে দিয়েছি, কাজেই কত সুন্দর এই বিস্তারকারী!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবীকে আমরা বিছিয়ে দিয়েছি, কতো যে উত্তম প্রসারণকারী আমরা!

সমকালীন বাংলা

আর ভূমি, আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি, আমি কত সুন্দর প্রসারণকারী!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ভূমি, আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি, আমি কত সুন্দর প্রসারণকারী!

জহুরুল হক

আর প্রত্যেক বস্তুর মধ্যে আমরা জোড়া - জোড়া সৃষ্টি করেছি, যেন তোমরা মনোনিবেশ করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিটি বস্ত্তকে আমরা সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো।

সমকালীন বাংলা

আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

জহুরুল হক

''অতএব তোমরা বেগে ‌র দিকে ছুটো। আমি নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট তাঁর কাছ থেকে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তোমরা দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা ‌র দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি ‌ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

জহুরুল হক

''আর ‌র সাথে অন্য কোনো উপাস্য দাঁড় করো না। নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের নিকট তাঁর কাছ থেকে এক জন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহর সাথে অপর কোনো ইলাহ্ সাব্যস্ত করোনা। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

সমকালীন বাংলা

তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি তাঁর পক্ষ থাকলে তা তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ‌র সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি ‌ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

জহুরুল হক

এইভাবেই। এদের আগে যারা ছিল তাদের কাছে এমন কোনো রসূল আসেন নি যাঁকে তারা না বলেছিল - - ''একজন জাদুকর, না হয় একজন পাগল।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে তাদের আগেকার লোকদের কাছেও যখনই কোনো রসূল এসেছিল, তারা তাকে বলেছিল: ‘তুমি একজন ম্যাজেসিয়ান কিংবা পাগল।’

সমকালীন বাংলা

এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’

জহুরুল হক

এরা কি এটিকেই মৌরুসি বিষয় বানিয়েছে? না, তারা হচ্ছে সীমালংঘনকারী জাতি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি একে অপরকে (ধারাবাহিকভাবে) এই অসিয়তই করে আসছে? আসলে তারা একটি সীমালংঘনকারী কওম।

সমকালীন বাংলা

উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।

জহুরুল হক

অতএব তাদের থেকে তুমি মুখ ফিরিয়ে নাও, কেননা তুমি তো দোষী নও।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি তাদের উপেক্ষা করো। এর জন্যে তুমি তিরস্কৃত হবেনা।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর, ইহাতে তুমি অভিযুক্ত হইবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর, ইহাতে তুমি অভিযুক্ত হইবে না।

জহুরুল হক

তবুও তুমি উপদেশ দিতে থাকো, কেননা নিঃসন্দেহ উপদেশদান মুমিনদের উপকার করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি উপদেশ দিতে থাকো। কারণ, উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।

সমকালীন বাংলা

তুমি উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মু’মিনদেরই উপকারে আসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মু’মিনদেরই উপকারে আসে।

জহুরুল হক

আর আমি জিন ও মানুষকে, তারা আমাকে উপাসনা করুক - - এইজন্য ছাড়া সৃষ্টি করি নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জিন এবং ইনসানকে এজন্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে।

সমকালীন বাংলা

আমি সৃষ্টি করিয়াছি জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সৃষ্টি করিয়াছি জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।

জহুরুল হক

আমি তাদের থেকে কোনো জীবিকা চাই না, আর আমি চাই না যে তারা আমাকে খাওয়াবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তো তাদের কাছে রিযিক চাইনা এবং এটাও চাইনা যে, তারা আমাকে খাবার খাওয়াবে।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।

জহুরুল হক

বরঞ্চ - - তিনিই বিরাট রিযেকদাতা, ক্ষমতার অধিকারী, শক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই রাজজাক (রিযিক সরবরাহকারী) তো হলেন এবং তিনি মহাশক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।

সমকালীন বাংলা

তা’আলাই তাকে জীবিকা দাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই তো রিযিক দান করেন এবং তিনি প্রবল, পরাক্রান্ত।

জহুরুল হক

সুতরাং যারা অন্যায়াচরণ করেছে তাদের জন্য অবশ্যই রয়েছে এক ঝুড়ি তাদের সাঙ্গোপাঙ্গদের ঝুড়ির ন্যায়, সেজন্য তারা যেন আমার কাছে তড়িঘড়ি না করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের ভাগ্যে তাই রয়েছে, অতীতে তাদের সমমতের লোকেরা যা ভোগ করেছিল। ফলে তারা যেনো তাড়াহুড়া না করে।

সমকালীন বাংলা

জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারাইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারা ইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।

জহুরুল হক

অতএব ধিক্ তাদের জন্য যারা অবিশ্বাস পোষণ করে - - তাদের সেই দিনটির কারণে যেটি তাদের ওয়াদা করা হয়েছে!

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিরদের জন্যে রয়েছে সেই দিনের দুর্ভোগ, যার ওয়াদা তাদের দেয়া হয়েছে।

সমকালীন বাংলা

কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme