You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল জ্বিন
Chapter 72, 28 verses
জহুরুল হক
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান
জহুরুল হক
বলো - - ''আমার কাছে প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে জিনদের একটি দল শুনেছিল, এবং বলেছিল - - 'আমরা নিশ্চয় এক আশ্চর্যজনক কুরআন শুনেছি,
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, একদল জিন মনোযোগ দিয়ে (কুরআন) শুনেছে। তারপর তারা (তাদের সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে: ‘‘আমরা শুনে এসেছি এক বিস্ময়কর কুরআন,
সমকালীন বাংলা
র নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু;বলো, আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, জিনদের একদল মনোযোগ দিয়ে শুনেছিল, অতঃপর তারা বলেছিল, “নিশ্চয়ই আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি,"
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;
জহুরুল হক
'যা সুষ্ঠুপথের দিকে চালনা করে, তাই আমরা তাতে ঈমান এনেছি, আর আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করব না,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেটি হিদায়াত করে সঠিক পথের দিকে। তাই আমরা সেটির প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করবোনা।
সমকালীন বাংলা
যা সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে; ফলে আমরা এতে ঈমান এনেছি, এবং আমরা কখনোই আমাদের প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক করব না।
মুহিউদ্দীন খান
যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করব না।
জহুরুল হক
'আর তিনি, - - সুউন্নত হোক আমাদের প্রভুর মহিমা, - - তিনি কোনো সহচরী গ্রহণ করেন নি, আর না কোনো সন্তান,
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই অনেক উঁচু আমাদের মহান প্রভুর মর্যাদা। তিনি না কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেছেন, না সন্তান।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা সমুন্নত; তিনি কোনো সঙ্গিনী গ্রহণ করেননি এবং কোনো সন্তানও গ্রহণ করেননি।
মুহিউদ্দীন খান
এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।
জহুরুল হক
'আর এই যে আমাদের মধ্যের নির্বোধেরা সন্বন্ধে অমূলক কথা বলত,
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের নির্বোধরা তাঁর সম্পর্কে অবাস্তব কথাবার্তা বলতো।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যের নির্বোধেরা সম্পর্কে সীমালঙ্ঘনমূলক কথা বলত।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের মধ্যে নির্বোধেরা তা’আলা সম্পর্কে বাড়াবাড়ির কথাবার্তা বলত।
জহুরুল হক
'আর এই যে আমরা ভেবেছিলাম যে মানুষ ও জিন সন্বন্ধে কখনো মিথ্যাকথা বলবে না’,
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা মনে করতাম, মানুষ এবং জিন আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করেনা।
সমকালীন বাংলা
আর আমরা ধারণা করেছিলাম যে মানুষ ও জিন কখনোই সম্পর্কে মিথ্যা বলবে না।
মুহিউদ্দীন খান
অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন কখনও তা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না।
জহুরুল হক
''আর এই যে মানুষের মধ্যের কিছু লোক জিনজাতির কিছু লোকের আশ্রয় নিত, ফলে ওরা তাদের পাপাচার বাড়িয়ে দিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক কিছু জিনের আশ্রয় গ্রহণ করতো। এটা জিনদের দাম্ভিকতা বাড়িয়ে দিতো।’’
সমকালীন বাংলা
এবং মানুষের মধ্য থেকে কিছু লোক কিছু জিনদের আশ্রয় চাইত; ফলে তারা মানুষের অবাধ্যতা বৃদ্ধি করত।
মুহিউদ্দীন খান
অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জিনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।
জহুরুল হক
''আর এই যে তারা ভেবেছিল যেমন তোমরা ভাবছো যে কাউকেও পুনরুত্থিত করবেন না,
আবদুস শহীদ নাসিম
জিনেরা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে আরো বলেছিল: ‘‘তোমাদের মতো মানুষও মনে করতো, কাউকেও পুনরুত্থিত করবেননা।
সমকালীন বাংলা
এবং তারা ধারণা করেছিল, যেমন তোমরা ধারণা করেছিলে, যে কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
মুহিউদ্দীন খান
তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর তা’আলা কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
জহুরুল হক
''আর 'আমরা আকাশে আড়ি পাততাম, কিন্ত আমরা তাকে দেখতে পেতাম কড়া প্রহরী ও অগ্নিশিখা দিয়ে ভরপূর,
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা চেয়েছিলাম আকাশের খবর সংগ্রহ করতে, কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম সেখানে কঠোর প্রহরীতে ভরা, আরো দেখতে পেলাম ব্যাপক উল্কা পিন্ড।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা আকাশ অনুসন্ধান করেছিলাম; অতঃপর আমরা তা পেলাম কঠোর প্রহরা ও উল্কাপিণ্ডে পরিপূর্ণ।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করছি, অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ।
জহুরুল হক
'আর আমরা নিশ্চয় তার মধ্যের বসবার জায়গাগুলোয় বসে থাকতাম গুনবার জন্য, কিন্ত যে কেউ শুনতে চায় সে এখন দেখতে পায় তার জন্য রয়েছে অগ্নিশিখা অপেক্ষারত;
আবদুস শহীদ নাসিম
ইতোপূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে খবর সংগ্রহের জন্যে বসতাম। কিন্তু এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে নিক্ষেপের জন্যে প্রস্ত্তত উল্কাপিন্ডের সম্মুখীন হয়।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা সেখানে শুনবার জন্য বিভিন্ন জায়গায় বসতাম; কিন্তু এখন যে শুনতে চায়, সে তার জন্য ওত পেতে থাকা উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে থাকতে দেখে।
জহুরুল হক
'আর আমরা অবশ্য জানি না - - পৃথিবীতে যারা রয়েছে তাদের জন্য অমঙ্গল কামনা করা হচ্ছে, না এ - সবের দ্বারা তাদের প্রভু সুষ্ঠুপথের দিশা চাইছেন;
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা জানিনা, বিশ্ববাসীর মন্দই কি চাওয়া হচ্ছে, নাকি তাদের প্রভু তাদের সঠিক পথে আনতে চাইছেন?
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা জানি না, পৃথিবীতে যারা আছে তাদের জন্য অকল্যাণ ইচ্ছা করা হয়েছে, নাকি তাদের প্রতিপালক তাদের জন্য সঠিক পথ ইচ্ছা করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা জানি না পৃথিবীবাসীদের অমঙ্গল সাধন করা অভীষ্ট, না তাদের পালনকর্তা তাদের মঙ্গল সাধন করার ইচ্ছা রাখেন।
জহুরুল হক
'আর নিশ্চয় আমাদের কেউ - কেউ সৎপথাবলন্বী আর আমাদের অন্যেরা এর বিপরীত। আমরা বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভিন্ন পন্থী;
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের মধ্যে কিছু পুণ্যবানও আছে, কিছু আছে এর ব্যতিক্রমও। মূলত আমরা ছিলাম বহু পথের অনুসারী।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যে কেউ সৎ, অন্যেরা তা নয়; আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
জহুরুল হক
'আর আমরা বুঝি যে আমরা দুনিয়াতে কখনো কে পরাভূত করতে পারব না এবং পলায়নের দ্বারাও তাঁকে কখনও এড়াতে পারব না,
আবদুস শহীদ নাসিম
এখন আমরা বুঝতে পেরেছি, বিশ্বের বুকে আমরা আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবো না এবং তাঁকে আমরা ব্যর্থও করতে পারবোনা।
সমকালীন বাংলা
আমরা পৃথিবীতে কখনোই আল্লাহর নাগালের বাইরে যেতে পারবো না, এবং পালিয়েও তাঁকে এড়াতে পারবো না।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা বুঝতে পেরেছি যে, আমরা পৃথিবীতে তা’আলাকে পরাস্ত করতে পারব না এবং পলায়ন করেও তাকে অপারক করত পরব না।
জহুরুল হক
'আর আমরা যখন পথনির্দেশ শুনেছি আমরা তাতে বিশ্বাস করেছি। সুতরাং যে কেউ তার প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে তবে আশংকা করবে না কমে যাওয়ার অথবা লাঞ্ছনা পাবার,
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, আমরা তাতে ঈমান আনলাম। যে কেউ তার প্রভুর প্রতি ঈমান আনবে তার কোনো ক্ষতি বা অন্যায়ের আশংকা থাকবেনা।
সমকালীন বাংলা
এবং যখন আমরা পথনির্দেশ শুনলাম, তখন আমরা তাতে ঈমান আনলাম; আর যে তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোনো ক্ষতির ভয় করবে, না কোনো অবিচারের।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস করে, সে লোকসান ও জোর - জবরের আশংকা করে না।
জহুরুল হক
''আর আমাদের মধ্যের কেউ - কেউ অবশ্য মুসলিম আর আমাদের অন্যেরা সীমালংঘনকারী। সুতরাং যারা আত্মসমর্পণ করেছে তারাই তবে সুষ্ঠুপথের সন্ধান খোঁজেছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের মধ্যে মুসলিমও আছে, সীমালংঘনকারীও আছে। যারা মুসলিম (আত্মসমর্পনকারী) হয়েছে তারা স্বাধীনভাবে সঠিক পথ বেছে নিয়েছে।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যে কেউ আত্মসমর্পণকারী, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
Note
এবং আমাদের মধ্যে কেউ মুসলিম, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে।
জহুরুল হক
'আর সীমালংঘনকারীদের ক্ষেত্রে - - তারা তো জাহান্নামেরই ইন্ধন হয়েছে।’”
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু সীমালংঘনকারীরা তো হবে জাহান্নামেরই জ্বালানি।’’
সমকালীন বাংলা
আর যারা সত্যচ্যুত, তারা জাহান্নামের জন্য জ্বালানি হবে।
মুহিউদ্দীন খান
আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
জহুরুল হক
আর এই যে যদি তারা নির্দেশিত পথে কায়েম থাকত তবে আমরা অবশ্যই তাদের প্রচুর পানি দিয়ে সমৃদ্ধ করতাম;
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যদি সত্য পথে কায়েম থাকতো, অবশ্যি আমরা প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে তাদের সমৃদ্ধ করতাম।
সমকালীন বাংলা
আর যদি তারা সেই পথে অবিচল থাকত, তবে অবশ্যই আমরা তাদেরকে প্রচুর পানি পান করাতাম,
মুহিউদ্দীন খান
আর এই প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে, তারা যদি সত্যপথে কায়েম থাকত, তবে আমি তাদেরকে প্রচুর পানি বর্ষণে সিক্ত করতাম।
জহুরুল হক
যেন আমরা তাদের পরীক্ষা করতে পারি তার দ্বারা। আর যে কেউ তার প্রভুর স্মরণ থেকে ফিরে থাকে, তিনি তাকে ঢুকিয়ে দেবেন চিরবর্ধমান শাস্তিতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তার মাধ্যমে আমরা তাদের পরীক্ষা করতাম। যে কেউ তার প্রভুর যিকির থেকে বিমুখ হবে, তিনি তাকে প্রবেশ করাবেন দুঃসহ আযাবে।
সমকালীন বাংলা
যাতে আমরা তাদেরকে এর মাধ্যমে পরীক্ষা করি; আর যে তার প্রতিপালকের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে ক্রমবর্ধমান কঠিন শাস্তিতে প্রবেশ করাবেন।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে এ ব্যাপারে তাদেরকে পরীক্ষা করি। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে উদীয়মান আযাবে পরিচালিত করবেন।
জহুরুল হক
আর এই যে মসজিদগুলো হচ্ছে র জন্য, সুতরাং তোমরা র সঙ্গে আর কাউকেও ডেকো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
মসজিদসমূহ আল্লাহর, সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকেও ডেকোনা।
সমকালীন বাংলা
এবং মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য; অতএব আল্লাহর সাথে কাউকে ডেকো না।
মুহিউদ্দীন খান
এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে, মসজিদসমূহ তা’আলাকে স্মরণ করার জন্য। অতএব, তোমরা তা’আলার সাথে কাউকে ডেকো না।
জহুরুল হক
আর এই যে যখন র বান্দা তাঁকে আহ্বান করতে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তারা চেয়েছিল তাঁর চারিদিকে ভিড় করতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আল্লাহর দাস (মুহাম্মদ) যখন তাঁকে ডাকার জন্যে (সালাতে) দাঁড়ায়, তখন তারা তার কাছে ভীড় জমায়।
সমকালীন বাংলা
এবং যখন আল্লাহর বান্দা তাঁকে ডাকার জন্য দাঁড়িয়েছিল, তখন তারা তার চারপাশে প্রায় ভিড় করে ফেলেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
আর যখন তা’আলার বান্দা তাঁকে ডাকার জন্যে দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জিন তার কাছে ভিড় জমাল।
জহুরুল হক
বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি আমার প্রভুকেই ডাকি, আর আমি তাঁর সঙ্গে কাউকেও শরিক করি না।’’
আবদুস শহীদ নাসিম
হে মুহাম্মদ! বলো: ‘নিশ্চয়ই আমি আমার প্রভুকে ডাকি তাঁর কাছেই দোয়া করি, কিন্তু তাঁর সাথে কাউকেও শরিক করিনা।’
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি কেবল আমার প্রতিপালককেই আহ্বান করি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি তো আমার পালনকর্তাকেই ডাকি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
জহুরুল হক
তুমি বলো - - ''আমি কোনো কর্তৃত্ব করি না তোমাদের উপরে আঘাত হানার অথবা উপকার করার।’’
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: ‘আমি তোমাদের ক্ষতি বা লাভের মালিক নই।’
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি তোমাদের জন্য কোনো ক্ষতি বা সঠিক পথের মালিক নই।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও সুপথে আনয়ন করার মালিক নই।
জহুরুল হক
তুমি বলে যাও - - ''নিশ্চয়ই কেউ আমাকে কখনো রক্ষা করতে পারবে না থেকে, আর তাঁকে বাদ দিয়ে আমি কখনো কোনো আশ্রয়ও পাব না, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: ‘‘আল্লাহর পাকড়াও থেকে কেউই আমাকে রক্ষা করতে পারবেনা এবং তাঁকে ছাড়া আমি কোনো আশ্রয়ও পাবোনা।
সমকালীন বাংলা
বলো, "নিশ্চয়ই থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না, এবং আমি তাঁকে ছাড়া কোনো আশ্রয় পাব না।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ তা’আলার কবল থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না এবং তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না।
জহুরুল হক
শুধু থেকে পৌঁছে দেওয়া, আর তাঁর বাণীসমূহ।’’ আর যে ও তাঁর রসূলের অবাধ্যতা করে, তার জন্য তবে নিশ্চয়ই রয়েছে জাহান্নামের আগুন, তাতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।
আবদুস শহীদ নাসিম
আল্লাহর বার্তা পৌঁছে দেয়াই কেবল আমার দায়িত্ব।’’ যে কেউ আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অমান্য করবে, তার জন্যে জাহান্নামই অবধারিত, চিরদিন চিরকাল তারা পড়ে থাকবে সেখানেই।
সমকালীন বাংলা
কেবল আল্লাহর পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব।" যাহারা আল্লাহর ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু তা’আলার বাণী পৌছানো ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায় তারা চিরকাল থাকবে।
জহুরুল হক
যে পর্যন্ত না তারা দেখতে পায় যা তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, তখন তারা সঙ্গে - সঙ্গে জানতে পারবে কে সাহায্যলাভের ক্ষেত্রে দুর্বলতর, আর সংখ্যার দিক দিয়ে অল্প।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখনই জানতে পারবে সাহায্যকারী হিসেবে কে দুর্বল আর কে সংখ্যায় নগণ্য?
সমকালীন বাংলা
যখন তারা তা দেখবে, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন তারা জানতে পারবে কার সাহায্যকারী দুর্বলতর এবং কার সংখ্যা কম।
মুহিউদ্দীন খান
এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।
জহুরুল হক
বলো - - ''আমি জানি না তোমাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে তা আসন্ন, না আমার প্রভু তার জন্য কোনো দীর্ঘমিয়াদ স্থির করবেন।’’
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: ‘‘আমি জানিনা, তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা কি নিকটে নাকি আমার প্রভু সেটার জন্যে দীর্ঘ সময় নির্দিষ্ট করবেন।
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি জানি না নিকটবর্তী কি, তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা নিকটবর্তী কি না, অথবা আমার প্রতিপালক তার জন্য দীর্ঘ সময় নির্ধারণ করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুত বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন।
জহুরুল হক
তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, তাই কারো কাছে তিনি তাঁর রহস্য প্রকাশ করেন না, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই আলেমুল - - এর জ্ঞানী। তাঁর গায়েবি জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করা হয়না।’’
সমকালীন বাংলা
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী; অতএব তিনি তাঁর বিষয়ে কাউকে অবহিত করেন না,
মুহিউদ্দীন খান
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
জহুরুল হক
রসূলের মধ্যে যাঁকে তিনি মনোনয়ন করেছেন তাঁকে ব্যতীত, সেজন্য নিশ্চয় তিনি তাঁর সামনে ও তাঁর পেছনে প্রহরী নিয়োজিত করেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে তাঁর মনোনীত কোনো রসূলকেই তিনি তা অবহিত করেন। সেক্ষেত্রে ঐ রসূলের সামনে এবং পেছনে তিনি প্রহরী নিযুক্ত করেন,
সমকালীন বাংলা
তবে কোনো রসূলকে ব্যতীত, যাকে তিনি মনোনীত করেন। তখন তিনি তার সামনে ও পেছনে প্রহরা নিয়োজিত করেন,
মুহিউদ্দীন খান
তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। তখন তিনি তার অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত করেন
জহুরুল হক
যেন তিনি জানতে পারেন যে তাঁরা তাঁদের প্রভুর বাণীসমূহ পৌঁছে দিয়েছেন কি না, আর তিনি ঘিরে আছেন তাঁদের কাছের সব - কিছু, আর তিনি সব - কিছুর হিসাব রাখেন গোনে - গোনে।
আবদুস শহীদ নাসিম
রসূলরা তাদের প্রভুর বার্তা পৌঁছে দিয়েছে কিনা তা জানার জন্যে। তাদের কাছে যা আছে তা তাঁর জ্ঞানের পরিবেষ্টনেই রয়েছে। তিনি গুণে গুণে হিসাব রাখেন সব কিছুর।
সমকালীন বাংলা
যাতে তিনি জেনে নেন যে তারা তাদের প্রতিপালকের বার্তাসমূহ পৌঁছে দিয়েছে। আর তাদের কাছে যা আছে তা তিনি পরিবেষ্টন করে রেখেছেন, এবং তিনি সবকিছুকে সংখ্যায় গণনা করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে তা’আলা জেনে নেন যে, রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পয়গাম পৌছিয়েছেন কি না। রসূলগণের কাছে যা আছে, তা তাঁর জ্ঞান - গোচর। তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন।