You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল নূর
Chapter 24, 64 verses
জহুরুল হক
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Arabic, with marks
Transliteration
Word by word
জহুরুল হক
একটি সূরাহ্ - - আমরা এটি অবতারণ করেছি এবং এটিকে অবশ্য - পালনীয় করেছি, আর এতে আমরা অবতারণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যেন তোমরা মনোনিবেশ করতে পার।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা একটি সূরা, ইহা আমি অবতীর্ণ করিয়াছি এবং ইহার বিধান - কে অবশ্যপালনীয় করিয়াছি, ইহাতে আমি অবতীর্ণ করিয়াছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী - - তাদের দুজনের প্রত্যেককে একশ’ বেত্রাঘাতে চাবুক মার, আর র বিধান পালনে তাদের প্রতি অনুকম্পা যেন তোমাদের পাকড়াও না করে, যদি তোমরা তে ও আখেরাতের দিনে বিশ্বাস কর, আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি দেখতে পায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী - উহাদের প্রত্যেককে এক শত কশাঘাত করিবে, র বিধান কার্যকরীকরণে উহাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে প্রভাবান্বিত না করে, যদি তোমরা যদি তোমরা আল্লাহে এবং পরকালে হও; মু’মিনদের একটি দল যেন ইহাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।
ব্যভিচারী সহবাস করতে পারে না ব্যভিচারিণী অথবা বহুখোদাবাদিনী ব্যতীত, আর ব্যভিচারিণী - - তার সঙ্গে সহবাস করতে পারে না ব্যভিচারী অথবা বহুখোদাবাদী ব্যতীত। আর এটি মুমিনদের জন্য নিষিদ্ধ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ব্যভি - চারী - ব্যভিচারিণীকে অথবা মুশরিক নারীকে ব্যতীত বিবাহ করে না এবং ব্যভিচারিণী - তাহাকে ব্যভিচারী অথবা মুশরিক ব্যতীত কেহ বিবাহ করে না, মু’মিনদের জন্য ইহা নিষিদ্ধ করা হইয়াছে।
আর যারা সতী - সাধ্বী নারীকে অপবাদ দেয় এবং চারজন সাক্ষী পেশ করে না, তাদের আশি বেত্রাঘাতে চাবুক মার, আর তাদের থেকে কখনও সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না, কেননা তারা নিজেরাই তো সীমালংঘনকারী, - -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা সাধ্বী রমণীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং চার জন সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাহাদেরকে আশিটি কশাঘাত করিবে এবং কখনও তাহাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করিবে না; ইহারাই তো সত্যত্যাগী।
আর যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ দেয় এবং তাদের জন্য তাদের নিজেদের ছাড়া অন্য সাক্ষী থাকে না, তাহলে তাদের একজনই র নামে চারবার সাক্ষ্যদানে সাক্ষীসাবুত খাড়া করবে যে সে নিশ্চয়ই সত্যবাদীদের মধ্যেকার, - -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাহাদের কোন সাক্ষী নাই, তাহাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হইবে যে, সে র নামে চার বার শপথ করিয়া বলিবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী,
যারা কুৎসা রটনা করেছিল তারা তো তোমাদেরই মধ্যেকার একটি দল। এটিকে তোমাদের জন্য অনিষ্টকর মনে করো না, বরং এটি তোমাদের জন্য কল্যাণকর। তাদের প্রত্যেক লোকের জন্য রয়েছে পাপের যা সে অর্জন করেছে, আর তদের মধ্যের যে এ ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিল তার জন্য রইছে কঠোর শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা এই অপবাদ রচনা করিয়াছে তাহারা তো তোমাদেরই একটি দল; ইহাকে তোমরা তোমাদের জন্য অনিষ্টকর মনে করিও না; বরং ইহা তো তোমাদের জন্য কল্যাণকর; উহাদের প্রত্যেকের জন্য আছে উহাদের কৃত পাপকর্মের ফল এবং উহাদের মধ্যে যে এই ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করিয়াছে, তাহার জন্য আছে মহাশাস্তি।
আর র অনুগ্রহ ও তাঁর করুণা যদি তোমাদের উপরে না থাকত এই দুনিয়াতে এবং পরকালে, তাহলে এই ব্যাপারে তোমরা যা রটাচ্ছিলে সেজন্য তোমাদের নিশ্চয়ই স্পর্শ করত এক কঠোর শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের প্রতি র অনুগ্রহ ও দয়া না থাকিলে, তোমরা যাহাতে লিপ্ত ছিলে তজ্জন্য মহাশাস্তি অবশ্যই তোমাদেরকে স্পর্শ করিত,
বাঃ! তোমরা তোমাদের জিব দিয়ে এটি গ্রহণ করেছিলে, আর যে ব্যাপারে তোমাদের কোনো জ্ঞান নেই সেই নিয়ে তোমাদের মুখে মুখে তোমরা বলাবলি করছিলে, আর তোমরা একে ভেবেছিলে এক তুচ্ছ ব্যাপার, অথচ র কাছে এ ছিল গুরুতর বিষয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তোমরা মুখে মুখে ইহা ছড়াইতেছিলে এবং এমন বিষয় মুখে উচ্চারণ করিতেছিলে যাহার কোন জ্ঞান তোমাদের ছিল না এবং তোমরা ইহাকে তুচ্ছ গণ্য করিয়াছিলে, যদিও র নিকট ইহা ছিল গুরুতর বিষয়।
নিঃসন্দেহ যারা ভালবাসে যে যারা ঈমান এনেছে তাদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার করুক তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি এই দুনিয়াতে ও আখেরাতে। আর জানেন, আর তোমরা জান না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা মু’মিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাহাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতের মর্মন্তুদ শাস্তি এবং জানেন, তােমরা জান না।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। আর যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, সে তো তবে অশ্লীলতা ও মন্দ কাজের নির্দেশ দেয়। আর যদি র অনুগ্রহ ও তাঁর করুণা তোমাদের উপরে না থাকত তবে তোমাদের মধ্যের একজনও কদাপি পবিত্র হতে পারত না। কিন্ত যাকে ইচ্ছা করেন তাকে পবিত্র করেন। আর সর্বশ্রোতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! তোমরা শয়তানের পদাংক অনুসরণ করিও না। কেহ শয়তানের পদাংক অনুসরণ করিলে শয়তান তো অশ্লীলতা ও মন্দ কাজের নির্দেশ দেয়। র অনুগ্রহ ও দয়া না থাকিলে তোমাদের কেহই কখনও পবিত্র হইতে পারিতে না, তবে যাহাকে ইচ্ছা পবিত্র করিয়া থাকেন এবং সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
আর তোমাদের মধ্যে যারা করুণাভান্ডারের ও প্রাচুর্যের অধিকারী তারা নিকট - আত্মীয়দের ও মিসকিনদের ও র পথে হিজরতকারীদের দান করার বিরুদ্ধে শপথ গ্রহণ না করুক, আর তারা ক্ষমা করুক ও উপেক্ষা করুক। তোমরা কি ভালবাস না যে তোমাদের পরিত্রাণ করবেন? বস্তুতঃ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদের মধ্যে যাহারা ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের অধিকারী তাহারা যেন শপথ গ্রহণ না করে যে, তাহারা আত্মীয় - স্বজন ও অভাবগ্রস্তকে এবং র রাস্তায় যাহারা হিজরত করিয়াছে তাহাদেরকে কিছুই দিবে না; তাহারা যেন উহাদেরকে ক্ষমা করে এবং উহাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না যে, তোমাদেরকে ক্ষমা করুন ? এবং ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষের জন্য, আর দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্য, আর সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র পুরুষের জন্য, আর সচ্চরিত্র পুরুষ সচ্চরিত্রা নারীর জন্যে, - - তারা যা বলে এরা তা থেকে মুক্ত। তাদের জন্য রয়েছে পরিত্রাণ ও সম্মানজনক জীবিকা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষের জন্য; দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্য; সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র পুরুষের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষ সচ্চরিত্রা নারীর জন্য। লোকে যাহা বলে ইহারা তাহা হইতে পবিত্র; ইহাদের জন্য আছে ক্ষমা এবং সম্মানজনক জীবিকা।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! নিজেদের গৃহ ছাড়া তোমরা গৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমরা অনুমতি নিয়েছ ও তাদের বাসিন্দাদের সালাম করেছ। এইটিই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যেন তোমরা মনোযোগ দিতে পার।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য কাহারও গৃহে গৃহবাসীদের অনুমতি না লইয়া এবং তাহাদেরকে সালাম না করিয়া প্রবেশ করিও না। ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
কিন্ত যদি তোমরা তাতে কাউকে না পাও তবে তাতে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমাদের অনুমতি দেওয়া হয়, আর যদি তোমাদের বলা হয় - - 'ফিরে যাও’, তবে ফিরে যেয়ো, - - এটিই তোমাদের জন্য উত্তম। আর তোমরা যা কর সে - বিষয়ে সর্বজ্ঞাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদি তোমরা গৃহে কাহাকেও না পাও তাহা হইলে উহাতে প্রবেশ করিবে না যতক্ষণ না তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়া হয়। যদি তোমাদেরকে বলা হয়, ‘ফিরিয়া যাও’, তবে তোমরা ফিরিয়া যাইবে, ইহাই তোমাদের জন্য উত্তম, এবং তোমরা যাহা কর সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।
তোমাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না যদি তোমরা এমন ঘরে প্রবেশ কর যেখানে কোনো বাসিন্দা নেই, তোমাদের জন্য সেখানে প্রয়োজন রয়েছে। আর জানেন যা তোমরা প্রকাশ কর ও যা তোমরা গোপন রাখ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে গৃহে কেহ বাস করে না তাহাতে তোমাদের জন্য দ্রব্যসামগ্রী থাকিলে সেখানে তোমাদের প্রবেশে কোনও পাপ নাই এবং জানেন যাহা তোমরা প্রকাশ কর এবং যাহা তোমরা গোপন কর।
তুমি পুরুষদের বলো যে তারা তাদের দৃষ্টি অবনত করুক এবং তাদের আঙ্গিক কর্তব্যাবলীর হেফাজত করুক। এ তাদের জন্য পবিত্রতর। তারা যা করে সে - বিষয়ে নিশ্চয়ই পূর্ণ ওয়াকিফহাল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মু’মিনদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাহাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে; ইহাই তাহাদের জন্য উত্তম। উহারা যাহা করে নিশ্চয় সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।
আর নারীদের বলো যে তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে, আর তাদের আঙ্গিক কর্তব্যাবলীর হেফাজত করে, আর তাদের অঙ্গশোভা যেন প্রদর্শন না করে শুধু তার মধ্যে যা প্রকাশ হয়ে থাকে তা ভিন্ন, আর যেন তারা তাদের মাথার কাপড় দিয়ে তাদের বুকের উপরটা ঢেকে রাখে, আর তারা যেন তাদের শোভা - সৌন্দর্য প্রদর্শন করে না শুধু তাদের স্বামীদের অথবা তাদের পিতাদের অথবা তাদের শ্বশুরদের অথবা তাদের পুত্রদের অথবা তাদের সৎপুত্রদের অথবা তাদের ভাইদের অথবা তাদের ভ্রাতুস্পুত্রদের অথবা তাদের ভাগনেদের অথবা তাদের পরিচারিকাদের অথবা তাদের ডান হাত যাদের ধরে রেখেছে, অথবা পুরুষ চাকর - নকর যাদের কাম - লালসা নেই, অথবা ছেলেপিলেদের যাদের নারীদের গোপন অঙ্গ সন্বন্ধে জ্ঞানবোধ হয় নি, এমন লোকদের ভিন্ন, আর তাদের পা দিয়ে যেন তারা আঘাত না করে যাতে তাদের অলংকারের যা লুকিয়ে আছে তা জানানো যায়। আর হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে মিলে র দিকে ফেরো যেন তোমাদের সফলতা অর্জন হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর নারীদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাহাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে; তাহারা যেন যাহা সাধারণত প্রকাশ থাকে তাহা ব্যতীত তাহাদের আভরণ প্রদর্শন না করে, তাহাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে, তাহারা যেন তাহাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, আপন নারীগণ, তাহাদের মালিকানাধীন দাসী, পুরুষদের মধ্যে যৌন কামনা - রহিত পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্বন্ধে অজ্ঞ বালক ব্যতীত কাহারও নিকট তাহাদের আভরণ প্রকাশ না করে, তাহারা যেন তাহাদের গোপন আভরণ প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পদক্ষেপ না করে। হে মু’মিনগণ! তোমরা সকলে র দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যাহাতে তোমরা হইতে পার।
Waqul lilmuminati yaghdudna min absarihinna wayahfathna furoojahunna wala yubdeena zeenatahunna illa mathahara minha walyadribna bikhumurihinna AAala juyoobihinna wala yubdeena zeenatahunna illa libuAAoolatihinna aw abaihinna aw abai buAAoolatihinna aw abnaihinna aw abnai buAAoolatihinna aw ikhwanihinna aw banee ikhwanihinna aw banee akhawatihinna aw nisaihinna aw ma malakat aymanuhunna awi alttabiAAeena ghayri olee alirbati mina alrrijali awi alttifli allatheena lam yathharoo AAala AAawrati alnnisai wala yadribna biarjulihinna liyuAAlama ma yukhfeena min zeenatihinna watooboo ila Allahi jameeAAan ayyuha almuminoona laAAallakum tuflihoona
আর বিয়ে দিয়ে দাও তোমাদের মধ্যের অবিবাহিতদের, আর তোমাদের দাসদের ও তোমাদের দাসীদের মধ্যের সচ্চরিত্রদের। যদি তারা অভাবগ্রস্ত হয় তবে তাঁর করুণাভান্ডার থেকে তাদের সম্পদ দান করবেন। আর মহাবদান্য, সর্বজ্ঞাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদের মধ্যে যাহারা ‘আয়্যিম’ তাহাদের বিবাহ সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যাহারা সৎ তাহাদেরও। তাহারা অভাবগ্রস্ত হইলে নিজ অনুগ্রহে তাহাদেরকে অভাবমুক্ত করিয়া দিবেন; তো প্রার্চুযময়, র্সবজ্ঞ।
আর যারা বিবাহের পাত্রপাত্রী খোঁজে পায় না তারা যেন সংযত হয়ে চলে যতক্ষণ না তাঁর করুণাভান্ডার থেকে তাদের সম্পদ দান করেন। আর তোমাদের ডানহাতে যাদের ধরে রেখেছে তাদের মধ্যের যারা নিখাপড়া চায় তাদের তবে লিখে দাও যদি তাদের মধ্যে কল্যাণকর কিছু থাকা সন্বন্ধে জানতে পার, আর তিনি তোমাদের যা দিয়েছেন র সেই ধন থেকে তাদের দান করো। আর তোমাদের দাসী - বাঁদীদের বেশ্যাবৃত্তিতে বাধ্য কর না পার্থিব জীবনের নশ্বর বস্তু কামনা ক’রে যদি তারা সচ্চরিত্র থাকা পছন্দ করে। আর যে কেউ তাদের বাধ্য করে সেক্ষেত্রে তাদের প্রতি জবরদস্তির পরে নিশ্চয়ই ক্ষমাকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহাদের বিবাহের সামর্থ্য নাই, তাহাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তাহারা যেন সংযম অবলম্বন করে এবং তোমাদের মালিকানাধীন দাস - দাসীদের মধ্যে কেহ তাহার মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি চাহিলে, তাহাদের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হও, যদি তোমরা উহাদের মধ্যে মঙ্গলের সন্ধান পাও। তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়াছেন তাহা হইতে তোমরা উহাদেরকে দান করিবে। তোমাদের দাসিগণ, সতীত্ব রক্ষা করিতে চাহিলে পার্থিব জীবনের ধনলালসায় তাহাদেরকে ব্যভিচারিণী হইতে বাধ্য করিও না, আর যে তাহাদেরকে বাধ্য করে, তবে তাহাদের উপর জবরদস্তির পর তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আর আমরা নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী অবতারণ করেছি, আর তোমাদের পূর্বে যারা গত হয়েছে তাদের উদাহরণ, আর ধর্মভীরুদের জন্য দিয়েছি উপদেশ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তো তোমাদের নিকট অবতীর্ণ করিয়াছি সুস্পষ্ট আয়াত, তোমাদের পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত এবং মুত্তাকীদের জন্য উপদেশ।
হচ্ছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর আলোক। তাঁর আলোকের উপমা হচ্ছে যেন একটি কুলঙ্গী যাতে আছে একটি প্রদীপ। প্রদীপটি রয়েছে একটি কাচের চিমনির ভেতরে। চিমনিটি যেন একটি উজ্জ্বল তারকা, যেটি জ্বালানো হয়েছে পবিত্র জয়তুন গাছ থেকে, - - পূর্বাঞ্চলীয় নয়, পাশ্চাত্যেরও নয়, তার তেলটা যেন প্রজ্জ্বলিত যদিও আগুন তাকে স্পর্শ করতে পারে না। আলোকের উপরে আলোক! তাঁর আলোকের দিকে যাকে ইচ্ছে করেন পথ দেখিয়ে নেন। আর মানুষের জন্য উপমাগুলো ছোঁড়েন। আর সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর জ্যোতি, তাঁহার জ্যোতির উপমা যেন একটি দীপাধার যাহার মধ্যে আছে এক প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত, কাচের আবরণটি উজ্জ্বল নক্ষত্রসদৃশ; ইহা করা হয় পূত - পবিত্র যায়তূন বৃক্ষের তৈল দ্বারা যাহা প্রাচ্যের নয়, প্রতীচ্যেরও নয়, অগ্নি উহাকে স্পর্শ না করিলেও যেন উহার তৈল উজ্জ্বল আলো দিতেছে; জ্যোতির উপর জ্যোতি! যাহাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ করেন তাঁহার জ্যোতির দিকে। মানুষের জন্য উপমা দিয়া থাকেন এবং সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।
ব্যক্তিবর্গ, - - ব্যবসা - বাণিজ্য ও বেচা - কেনা তাদের বিরত করতে পারে না র নাম - কীর্তন থেকে ও কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা থেকে, তারা ভয় করে সেই দিনকে যেদিন হৃদয় ও চোখ আন্দোলিত হবে, - -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেইসব লোক, যাহাদেরকে ব্যবসা - বাণিজ্য এবং ক্রয় - বিক্রয় র স্মরণ হইতে এবং কায়েম ও যাকাত প্রদান হইতে বিরত রাখে না, তাহারা ভয় করে সেই দিনকে যেই দিন অনেক অন্তর ও দৃষ্টি বিপর্যস্ত হইয়া পড়িবে -
যেন তাদের প্রতিদান দিতে পারেন শ্রেষ্ঠ - সুন্দরভাবে যা তারা করেছে সেজন্য, আর তাঁর করুণাভান্ডার থেকে তাদের বাড়িয়েও দিতে পারেন। আর বেহিসাব রিযেক দিয়ে থাকেন যাকে তিনি ইচ্ছে করেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহাতে তাহারা যে কর্ম করে তজ্জন্য তাহাদেরকে উত্তম পুরস্কার দেন এবং নিজ অনুগ্রহে তাহাদের প্রাপ্যের অধিক দেন। যাহাকে ইচ্ছা অপরিমিত জীবিকা দান করেন।
পক্ষান্তরে যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের ক্রিয়াকর্ম মরুভূমির মরীচিকার ন্যায়, পিপাসার্ত তাকে পানি বলে মনে করে যে পর্যন্ত না সে তার কাছে আসে সে ঐটির কিছুই দেখতে পায় না, বরং সে আল্লাহকে তার সামনে দেখতে পাবে, সুতরাং তিনি তার হিসাব চুকিয়ে দেবেন। আর হিসাব - নিকাশে তৎপর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা করে তাহাদের কর্ম মরুভূমির মরীচিকাসদৃশ, পিপাসার্ত যাহাকে পানি মনে করিয়া থাকে, কিন্তু সে উহার নিকট উপস্থিত হইলে দেখিবে উহা কিছু নয় এবং সে পাইবে সেখানে কে, অতঃপর তিনি তাহার কর্মফল পূর্ণ মাত্রায় দিবেন। হিসাব গ্রহণে তৎপর।
অথবা গভীর সমুদ্রের তলার ঘোর অন্ধকারের ন্যায়, তাকে ঢেকে রাখে এক ঢেউ, তার উপরে আরেক ঢেউ, তার উপরে আছে মেঘ। ঘোর অন্ধকার - - যার একটি অপরটির উপরে। সে যখন তার হাত বাড়ায় সে তা যেন দেখতেই পায় না। আর যাকে তার নিমিত্তে আলোক দেন নি তার জন্য তবে কোনো আলোক নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অথবা তাহাদের কর্ম গভীর সমুদ্র তলের অন্ধকারসদৃশ, যাহাকে আচ্ছন্ন করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যাহার ঊর্ধ্বে মেঘপুঞ্জ, অন্ধকারপুঞ্জ স্তরের উপর স্তর, এমনকি সে হাত বাহির করিলে তাহা আদৌ দেখিতে পাইবে না। যাহাকে জ্যোতি দান করেন না তাহার জন্য কোন জ্যোতিই নাই।
তুমি কি দেখ না যে - - তাঁরই জপতপ করে যারাই আছে মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে, আর পাখা - মেলে - থাকা পাখি? প্রত্যেকেই জেনে রেখেছে তার ও তার নামজপ। আর তারা যা করে সে - সন্বন্ধে সম্যক জ্ঞাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি দেখ না যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহারা আছে তাহারা এবং উড্ডীয়মান বিহঙ্গকুল র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই জানে তাহার ‘ইবাদতের ও পবিত্রতা ঘোষণার পদ্ধতি এবং উহারা যাহা করে সে বিষয়ে সম্যক অবগত।
Alam tara anna Allaha yusabbihu lahu man fee alssamawati waalardi waalttayru saffatin kullun qad AAalima salatahu watasbeehahu waAllahu AAaleemun bima yafAAaloona
তুমি কি দেখতে পাচ্ছ না যে মেঘমালাকে চালিয়ে নিয়ে যান, তারপর তিনি তাদের পরস্পরের মধ্যে জড় করেন, তারপর তাদের তিনি পুঞ্জীভূত করেন, তখন তুমি দেখতে পাও তার ভেতর থেকে বেরুচ্ছে বৃষ্টি? আর তিনি আকাশ থেকে পাহাড়গুলো হতে পাঠান তাতে থাকা শিলার রাশি, আর তা দিয়ে তিনি আঘাত করেন যাকে খুশি, এবং তা ফিরিয়ে রাখেন যাকে ইচ্ছা তার থেকে। তার বিদ্যুতের ঝলক দৃষ্টিশক্তি প্রায় নিয়েই নেয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি দেখ না, সঞ্চালিত করেন মেঘমালাকে, তৎপর তাহাদেরকে একত্র করেন এবং পরে পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তুমি দেখিতে পাও, উহার মধ্য হইতে নির্গত হয় বারিধারা; আকাশস্থিত শিলাস্তূপ হইতে তিনি বর্ষণ করেন শিলা এবং ইহা দ্বারা তিনি যাহাকে ইচ্ছা আঘাত করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা তাহার উপর হইতে ইহা অন্য দিকে ফিরাইয়া দেন। মেঘের বিদ্যুৎ ঝলক দৃষ্টিশক্তি প্রায় কাড়িয়া নেয়।
Alam tara anna Allaha yuzjee sahaban thumma yuallifu baynahu thumma yajAAaluhu rukaman fatara alwadqa yakhruju min khilalihi wayunazzilu mina alssamai min jibalin feeha min baradin fayuseebu bihi man yashao wayasrifuhu AAan man yashao yakadu sana barqihi yathhabu bialabsari
আর সব জীবন্তজগতকে সৃষ্টি করেছেন পানি থেকে, সুতরাং তাদের মধ্যে রয়েছে যা তার পেটের উপরে চলে, আর তাদের মধ্যে আছে যা দুই পায়ে হাঁটে, আর তাদের মধ্যে রয়েছে যা চারখানায় চলে। সৃষ্টি করে যান যা তিনি চান। নিঃসন্দেহ সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সমস্ত জীব সৃষ্টি করিয়াছেন পানি হইতে, উহাদের কতক পেটে ভর দিয়া চলে, কতক দুই পায়ে চলে এবং কতক চলে চার পায়ে, যাহা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন, নিশ্চয় সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
WaAllahu khalaqa kulla dabbatin min main faminhum man yamshee AAala batnihi waminhum man yamshee AAala rijlayni waminhum man yamshee AAala arbaAAin yakhluqu Allahu ma yashao inna Allaha AAala kulli shayin qadeerun
নিঃসন্দেহ মুমিনদের কথা হচ্ছে - - যখন তাদের ডাকা হয় ও তাঁর রসূলের প্রতি যেন তিনি তাদের মধ্যে বিচার করতে পারেন, তখন তারা বলে - - ''আমরা শুনি ও পালন করি।’’ আর তারা নিজেরাই হয় ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মু’মিনদের উক্তি তো এই - যখন তাহাদের মধ্যে ফয়সালা করিয়া দিবার জন্য এবং তাঁহার রাসূলের দিকে আহ্বান করা হয় তখন তাহারা বলে, ‘আমরা শ্রবণ করিলাম ও আনুগত্য করিলাম।’ আর উহারাই তো ।
আর তারা তাদের সুদৃঢ় আস্থার সাথে র নামে কসম খায় যে যদি তুমি তাদের আদেশ করতে তাহলে তারা আলবৎ বেরিয়ে পড়ত। তুমি বলো, ''শপথ করো না, আনুগত্য তো জানাই আছে! তোমরা যা কর নিশ্চয়ই সে - বিষয়ে ওয়াকিফহাল।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা দৃঢ়ভাবে র শপথ করিয়া বলে যে, তুমি উহাদেরকে আদেশ করিলে উহারা অবশ্যই বাহির হইবে; তুমি বল, ‘শপথ করিও না, যথার্থ আনুগত্যই কাম্য। তোমরা যাহা কর নিশ্চয়ই সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’
বলো - - ''র আনুগত্য কর ও রসূলেরও আজ্ঞাপালন কর।’’ কিন্ত যদি তোমরা ফিরে যাও, তাহলে নিঃসন্দেহ তাঁর উপরে রয়েছে শুধু তাঁকে যে ভার দেওয়া হয়েছে, আর তোমাদের উপরে রয়েছে তোমাদের যে ভার দেওয়া হয়েছে। আর যদি তোমরা তাঁর আজ্ঞাপালন কর তবে তোমরা সৎপথ পাবে। আর রসূলের উপরে কোনো দায়িত্ব নেই সুস্পষ্টভাবে পৌঁছানো ছাড়া।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, র আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর।’ অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরাইয়া লও, তবে তাহার উপর অর্পিত দায়িত্বের জন্য সে - ই দায়ী এবং তোমাদের উপর অর্পিত দায়িত্বের জন্য তোমরাই দায়ী; এবং তোমরা তাহার আনুগত্য করিলে সৎপথ পাইবে, আর রাসূলের কাজ তো কেবল স্পষ্টভাবে পৌঁছাইয়া দেওয়া।
তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করছে তাদের ওয়াদা করছেন যে, তিনি নিশ্চয়ই তাদের পৃথিবীতে প্রতিনিধিত্ব দান করবেন, যেমন তিনি প্রতিনিধিত্ব দান করেছিলেন তাদের যারা ছিল এদের পূর্ববর্তী, আর অবশ্যই তিনি তাদের জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন তাদের ধর্ম যা তিনি তাদের জন্য মনোনীত করেছেন, আর নিশ্চয়ই তাদের ভয় - ভীতির পরে তাদের জন্যে বদলে আনবেন নিরাপত্তা। তারা আমারই এবাদত করবে, আমার সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করবে না। আর যে কেউ এর পরে অকৃতজ্ঞতা দেখাবে - - তাহলে তারা নিজেরাই হচ্ছে সীমা - লংঘনকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদের মধ্যে যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিতেছেন যে, তিনি অবশ্যই তাহাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধিত্ব দান করিবেন, যেমন তিনি প্রতিনিধিত্ব দান করিয়াছিলেন তাহাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই তাহাদের জন্য প্রতিষ্ঠিত করিবেন তাহাদের দীনকে যাহা তিনি তাহাদের জন্য পসন্দ করিয়াছেন এবং তাহাদের ভয়ভীতির পরিবর্তে তাহাদেরকে অবশ্য নিরাপত্তা দান করিবেন। তাহারা আমার ‘ইবাদত করিবে, আমার কোন শরীক করিবে না, অতঃপর যাহারা অকৃতজ্ঞ হইবে তাহারা তো সত্যত্যাগী।
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের ডান হাত যাদের ধরে রেখেছে এবং তোমাদের মধ্যের যারা সাবালগত্বে পৌঁছায়নি তারা যেন তোমাদের অনুমতি নেয় তিনটি সময়ে, - - ফজরের নামাযের আগে, আর যখন তোমরা মধ্যাহ্নের গরমে তোমাদের জামাকাপড় ছেড়ে দাও, এবং ঈশার নামাযের পরে। এই তিন হচ্ছে তোমাদের জন্য গোপনীয়তা অবলন্বনের সময়। এইসব বাদ দিয়ে তোমাদের জন্য কোনো দোষ হবে না এবং তাদের জন্যও নয়। তোমাদের কাউকে অপরের কাছে তো ঘোরাঘুরি করতেই হয়। এইভাবেই তোমাদের জন্য বাণীসমূহ সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। আর সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! তোমাদের মালিকানাধীন দাস - দাসিগণ এবং তোমাদের মধ্যে যাহারা বয়ঃপ্রাপ্ত হয় নাই তাহারা যেন তোমাদের কক্ষে প্রবেশ করিতে তিন সময়ের অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের সালাতের পূর্বে, দ্বিপ্রহরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলিয়া রাখ তখন এবং ‘ইশার সালাতের পর; এই তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তার সময়। এই তিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করিলে তোমাদের জন্য এবং তাহাদের জন্য কোন দোষ নাই। তোমাদের এক - কে অপরের নিকট তো যাতায়াত করিতেই হয়। এইভাবে তোমাআদের নিকট তাঁহার নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করেন। র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
আর তোমাদের মধ্যেকার ছেলেপিলেরা যখন সাবালগত্বে পৌঁছে যায় তখন তারাও যেন অনুমতি চায় যেমন অনুমতি চাইত তারা যারা এদের আগে রয়েছিল। এইভাবেই তোমাদের জন্য তাঁর বাণীসমূহ সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। আর সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমাদের সন্তান - সন্ততি বয়ঃপ্রাপ্ত হইলে তাহারাও যেন অনুমতি প্রার্থনা করে যেমন অনুমতি প্রার্থনা করিয়া থাকে তাহাদের বয়োজ্যেষ্ঠগণ। এইভাবে তোমাদের নিকট তাঁহার নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করেন। র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
আর নারীদের মধ্যের প্রেঢ়ারা যারা বিয়ের আশা করে না, তাদের জন্যে তবে অপরাধ হবে না যদি তারা তাদের পোশাক খুলে রাখে শোভা - সৌন্দর্য প্রদর্শন না ক’রে। আর যদি তারা সংযত থাকে তবে তাদের জন্য বেশি ভাল। আর সর্বশ্রতা, সর্বজ্ঞাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বৃদ্ধা নারী, যাহারা বিবাহের আশা রাখে না, তাহাদের জন্য অপরাধ নাই, যদি তাহারা তাহাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করিয়া তাহাদের বহির্বাস খুলিয়া রাখে; তবে ইহা হইতে তাহাদের বিরত থাকাই তাহাদের জন্য উত্তম। সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
অন্ধের উপরে কোনো দোষ নেই ও খোঁড়ার উপরেও নয়, যদি তোমরা আহার কর তোমাদের বাড়ি থেকে, অথবা তোমাদের পিতাদের বাড়িতে, কিংবা তোমাদের মায়েদের বাড়িতে, নয়ত তোমাদের ভাইদের বাড়িতে, না হয় তোমাদের বোনদের বাড়িতে, কিংবা তোমাদের চাচাদের বাড়িতে, অথবা তোমাদের ফুফুদের বাড়িতে, নয়ত তোমাদের মামাদের বাড়িতে, অথবা তোমাদের খালাদের বাড়িতে, কিংবা সেইসবে যার চাবি তোমাদের দখলে রয়েছে, অথবা তোমাদের বন্ধুদের। তোমাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না যদি তোমরা একসঙ্গে আহার কর অথবা আলাদাভাবে। সুতরাং যখন তোমরা বাড়িঘরে প্রবেশ কর তখন তোমাদের পরস্পরকে সালাম কর র তরফ থেকে কল্যাণময় পবিত্র সম্ভাষণে। এইভাবেই তোমাদের জন্য বাণীসমূহ সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন যেন তোমরা বুঝতে পার।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অন্ধের জন্য দোষ নাই, খঞ্জের জন্য দোষ নাই, রুগ্নের জন্য দোষ নাই এবং তোমাদের নিজেদের জন্যও দোষ নাই আহার করা তোমাদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতৃগণের গৃহে, মাতৃগণের গৃহে, ভ্রাতৃগণের গৃহে, ভগ্নিগণের গৃহে, পিতৃব্যদের গৃহে, ফুফুদের গৃহে, মাতুলদের গৃহে, খালাদের গৃহে অথবা সেইসব গৃহে যাহার চাবির মালিক তোমরা অথবা তোমাদের বন্ধুদের গৃহে। তোমরা একত্রে আহার কর অথবা পৃথক পৃথকভাবে আহার কর তাহাতে তোমাদের জন্য কোন অপরাধ নাই। তবে যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ করিবে তখন তোমরা তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম করিবে অভিবাদনস্বরূপ যাহা র নিকট হইতে কল্যাণময় ও পবিত্র। এইভাবে তোমাদের জন্য তাঁহার নির্দেশ বিশদভাবে বিবৃত করেন যাহাতে তোমরা বুঝিতে পার।
Laysa AAala alaAAmaharajun wala AAala alaAAraji harajun wala AAala almareedi harajun wala AAala anfusikum an takuloo min buyootikum aw buyooti abaikum aw buyooti ommahatikum aw buyooti ikhwanikum aw buyooti akhawatikum aw buyooti aAAmamikum aw buyooti AAammatikum aw buyooti akhwalikum aw buyooti khalatikum aw ma malaktum mafatihahu aw sadeeqikum laysa AAalaykum junahun an takuloo jameeAAan aw ashtatan faitha dakhaltum buyootan fasallimoo AAala anfusikum tahiyyatan min AAindi Allahi mubarakatan tayyibatan kathalika yubayyinu Allahu lakumu alayati laAAallakum taAAqiloona
তারাই কেবল যারা তে ও তাঁর রসূলে ঈমান আনে, আর যখন তারা কোনো সমষ্টিগত ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে থাকে তখন তারা চলে যায় না যতক্ষণ না তারা তাঁর থেকে অনুমতি নিয়েছে। নিঃসন্দেহ যারা তোমার অনুমতি প্রার্থনা করে তারাই হচ্ছে ওরা যারা তে ও তাঁর রসূলে ঈমান এনেছে, সুতরাং তারা যখন তাদের কোনো ব্যাপারের জন্য তোমার অনুমতি প্রার্থনা করে তখন অনুমতি দাও তাদের মধ্যের যাকে তুমি ইচ্ছা কর, আর তাদের জন্য র ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিঃসন্দেহ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তো তাহারাই যাহারা এবং তাঁহার রাসূলে ঈমান আনে এবং রাসূলের সঙ্গে সমষ্টিগত ব্যাপারে একত্র হইলে তাহারা অনুমতি ব্যতীত সরিয়া পড়ে না; যাহারা তোমার অনুমতি প্রার্থনা করে তাহারাই এবং তাঁহার রাসূলে । অতএব তাহারা তাহাদের কোন কাজে বাহিরে যাইবার জন্য তোমার অনুমতি চাহিলে তাহাদের মধ্যে যাহাদেরকে ইচ্ছা তুমি অনুমতি দিও এবং তাহাদের জন্য র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিও। নিশ্চয় পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
তোমাদের মধ্যে রসূলের আহ্বানকে তোমরা তোমাদের মধ্যের একে অন্যে আহ্বানের মতো গণ্য করো না। অবশ্যই তাদের জানেন তোমাদের মধ্যের যারা চুপি চুপি সরে পড়ে, সেজন্য যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধে যায় তারা সাবধান হোক পাছে কোনো বিপর্যয় তাদের উপরে পতিত হয়, অথবা কোনো মর্মন্তদ শাস্তি তাদের উপরে আপতিত হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
রাসূলের আহ্বানকে তোমরা তোমাদের একে অপরের প্রতি আহ্বানের মত গণ্য করিও না; তোমাদের মধ্যে যাহারা অলক্ষ্যে সরিয়া পড়ে তো তাহাদেরকে জানেন। সুতরাং যাহারা তাঁহার আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তাহারা সতর্ক হউক যে, বিপর্যয় তাহাদের উপর আপতিত হইবে অথবা আপতিত হইবে তাহাদের উপর মর্মন্তুদ শাস্তি।
এটি কি নয় যে মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে যা - কিছু আছে তা নিশ্চয়ই র? তিনি অবশ্য জানেন তোমরা যা - কিছুতে রয়েছ। আর যেদিন তাদের তাঁর কাছে ফেরত নেওয়া হবে সেদিন তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে যা তারা করত। আর সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জানিয়া রাখ, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা রই; তোমরা যাহাতে ব্যাপৃত তিনি তাহা জানেন। যেদিন তাহারা তাঁহার নিকট প্রত্যার্বততি হইবে, সেদিন তিনি তাহাদেরকে জানাইয়া দিবেন তাহারা যাহা করিত। সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।