Kitab

আল সাফফাত

Chapter 37, 182 verses

  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক

ভেবে দেখো তাদের যারা কাতারে কাতারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম সারিবদ্ধ ফেরেশতাদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।

জহুরুল হক

আর যারা বিতাড়িত করে প্রবল বিতাড়নে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও যাহারা কঠোর পরিচালক

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর (মেঘমালা) সুচারুরূপে পরিচালনাকারীদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।

জহুরুল হক

আর যারা স্মারকগ্রন্থ পাঠ করে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর উপদেশ গ্রন্থ (আসমানী কিতাব) তিলাওয়াতকারীদের;

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমাদের উপাস্য মাত্র একজন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমাদের এক;

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমাদের এক ও একক।

জহুরুল হক

যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এদের উভয়ের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু, আর যিনি উদয়স্থল সমূহেরও প্রভু,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’য়ের মধ্যে যা আছে তার রব এবং রব উদয়স্থলসমূহের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির শোভা দিয়ে সুশোভিত করেছি, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি কাছের আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্যে সুশোভিত করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,

জহুরুল হক

আর প্রতিরক্ষা প্রত্যেক বিদ্রোহাচারী শয়তান থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে হিফাযত করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।

জহুরুল হক

তারা কান পাততে পারে না ঊর্ধ্ব এলাকার দিকে, আর তাদের প্রতি নিক্ষেপ করা হয় সব দিক থেকে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা ঊর্ধ্বজগতের কিছু শুনতে পারে না, কারণ প্রত্যেক দিক থেকে তাদের দিকে নিক্ষেপ করা হয় (উল্কাপিন্ড)।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে

জহুরুল হক

বিতাড়িত, আর তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন শাস্তি, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাড়ানোর জন্য, আর তাদের জন্য আছে অব্যাহত আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।

জহুরুল হক

সে ব্যতীত যে ছিনিয়ে নেয় একটুকুন ছিনতাই, কিন্তু তাকে অনুসরণ করে একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কেউ সন্তর্পণে কিছু শুনে নিলে তাকে পিছু তাড়া করে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো, - - গঠনে তারা কি বেশী বলিষ্ঠ না যাদের আমরা সৃষ্টি করেছি? নিঃসন্দেহ তাদের আমরা সৃষ্টি করেছি আঠালো কাদা থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘সৃষ্টি হিসেবে তারা বেশি শক্তিশালী, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি তা’? নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আঠালো মাটি থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ তুমি তো তাজ্জব হচ্ছো, আর তারা করছে মস্করা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তুমি বিস্মিত হচ্ছ আর ওরা বিদ্রূপ করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তারা মনোযোগ দেয় না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন তারা স্মরণ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।

জহুরুল হক

আর যখন তারা কোনো নিদর্শন দেখতে পায় তারা ঠাট্টাবিদ্রূপ করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তারা কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।

জহুরুল হক

আর বলে - - ''এটি স্পষ্ট জাদু বৈ তো নয়’’,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বলে, ‘এতো স্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’!

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।

জহুরুল হক

''কী! যখন আমরা মারা যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব তখন কি আমরা ঠিকঠিকই পুনরুত্থিত হব?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মারা যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব’?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?

জহুরুল হক

''আর কি পুরাকালের আমাদের পিতৃপুরুষরাও?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষগণও’?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''হাঁ, আর তোমরা লাঞ্ছিত হবে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘হ্যাঁ, আর তোমরা অপমানিত-লাঞ্ছিত হবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’

জহুরুল হক

তখন সেটি কিন্তু একটিমাত্র মহাগর্জন হবে, তখন দেখো! তারা চেয়ে থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা হবে কেবল এক আওয়াজ আর তৎক্ষণাৎ তারা দেখতে পাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।

জহুরুল হক

আর তারা বলবে - - ''হায় ধিক্‌, আমাদের! এটিই তো বিচারের দিন!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলবে, ‘হায় আমাদের ধ্বংস, এ তো প্রতিদান দিবস’!

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’

জহুরুল হক

''এইটিই ফয়সালা করার দিন যেটি সন্বন্ধে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দিতে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটি ফয়সালা করার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’

জহুরুল হক

''যারা অনাচার করেছিল তাদের একত্র করো, আর তাদের সহচরদের, আর তাদেরও যাদের তারা উপাসনা করত - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -

বয়ান ফাউন্ডেশন

(ফেরেশতাদেরকে বলা হবে) ‘একত্র কর যালিম ও তাদের সঙ্গী-সাথীদেরকে এবং যাদের ইবাদাত তারা করত তাদেরকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো

জহুরুল হক

''‌কে বাদ দিয়ে, তারপর তাদের পরিচালিত করো দুযখের পথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আল্লাহকে বাদ দিয়ে, আর তাদেরকে আগুনের পথে নিয়ে যাও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।

জহুরুল হক

''আর তাদের থামাও, তারা অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তাদেরকে থামাও, অবশ্যই তারা জিজ্ঞাসিত হবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জহুরুল হক

''তোমাদের কি হল, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছ না?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হল, তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছ না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?

জহুরুল হক

বস্তুতঃ সেদিন তারা আ‌ত্মসমর্পিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তারা হবে আজ আত্মসমর্পণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।

জহুরুল হক

আর তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে প্রশ্ন করে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞাসা করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''তোমরাই তো নিশ্চয়ই আমাদের কাছে আসতে ডান দিকে থেকে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলবে, ‘তোমরাই তো আমাদের কাছে আসতে ধর্মীয় দিক থেকে’।* * এ আয়াতে اليمين বলতে দীন বুঝানো হয়েছে। কারো কারো মতে এ দ্বারা শক্তি-সামর্থ্য বা কল্যাণ-স্বাচ্ছন্দ্য বুঝানো হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''না, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

জবাবে তারা (নেতৃস্থানীয় কাফিররা) বলবে, ‘বরং তোমরা তো ছিলে না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই ছিলে না,

জহুরুল হক

''আর তোমাদের উপরে আমাদের কোনো আধিপত্য ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে উচ্ছৃঙ্খল লোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না, বরং তোমরা ছিলে সীমালঙ্ঘনকারী কওম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।

জহুরুল হক

''সেজন্যে আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর বাণী সত্য প্রতিপন্ন হয়েছে, আমরা নিশ্চয়ই আস্বাদন করতে যাচ্ছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের রবের বাণী সত্য হয়েছে; নিশ্চয় আমরা আস্বাদন করব (আযাব)’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।

জহুরুল হক

''বস্তুত আমরা তোমাদের বিপথে নিয়েছিলাম, কেননা আমরা নিজেরাই বিপথগামী ছিলাম।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করেছি, কারণ আমরা নিজেরাই ছিলাম বিভ্রান্ত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’

জহুরুল হক

সুতরাং সেইদিন তারা নিশ্চয়ই শাস্তিতে একে অন্যের শরিক হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা সেদিন আযাবে অংশীদার হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইরূপই আমরা অপরাধীদের প্রতি করে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের সাথে আমি এমন আচরণই করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যখন তাদের বলা হতো - - ' ছাড়া অন্য উপাস্য নেই’, তখন তারা হামবড়াই করত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে ‘‌ ব্যতীত কোন ইলাহ্‌ নাই’ বলা হইলে উহারা অহংকার করিত

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে যখন বলা হত, ‘ ছাড়া কোন (সত্য) নেই’, তখন নিশ্চয় তারা অহঙ্কার করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো নেই ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।

জহুরুল হক

আর তারা বলত - - ''কী! আমরা কি আমাদের উপাস্যদের সত্যিই ত্যাগ করব একজন পাগলা কবির কারণে?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্‌গণকে বর্জন করিব?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বলত, ‘আমরা কি এক পাগল কবির জন্য আমাদের উপাস্যদের ছেড়ে দেব?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’

জহুরুল হক

বস্তুত তিনি সত্য নিয়ে এসেছেন, আর রসূলগণকে তিনি সত্য প্রতিপন্ন করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং সে সত্য নিয়ে এসেছিল এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলে ঘোষণা দিয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।

জহুরুল হক

তোমরা নিশ্চয়ই মর্মন্তুদ শাস্তি আস্বাদন করতেই যাচ্ছ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তোমরা যন্ত্রণাদায়ক আযাব আস্বাদন করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

আর তোমাদের প্রতিদান দেওয়া হবে না তোমরা যা করতে তা ব্যতীত, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যে আমল করতে শুধু তারই প্রতিদান তোমাদেরকে দেয়া হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।

জহুরুল হক

‌র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহারা নয় যাহারা ‌র একনিষ্ঠ বান্দা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্য আল্লাহর মনোনীত বান্দারা ছাড়া;

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।

জহুরুল হক

এরাই - - এদের জন্য রয়েছে সুপরিচিত রিযেক,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের জন্য থাকবে নির্ধারিত রিয্ক,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।

জহুরুল হক

ফলমূল, আর তারা হবে সম্মানিত - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলমূল; আর তারা হবে সম্মানিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,

জহুরুল হক

আনন্দময় উদ্যানে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুখদ - কাননে

বয়ান ফাউন্ডেশন

নি‘আমত-ভরা জান্নাতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।

জহুরুল হক

তখতের উপরে মুখোমুখি হয়ে রইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মুখোমুখি পালঙ্কে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।

জহুরুল হক

তাদের কাছে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে নির্মল ফোয়ারা থেকে এক শরবতের পাত্র, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে বিশুদ্ধ সুরাপাত্র,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে

জহুরুল হক

সাদা সুস্বাদু পানকারীদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সাদা, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।

আবদুস শহীদ নাসিম

শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।

জহুরুল হক

এতে মাথাব্যথা নেই, আর তারা এ থেকে মাতালও হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাতে থাকবে না ক্ষতিকর কিছু* এবং তারা এগুলো দ্বারা মাতালও হবে না। * غول অর্থ নেশা, মাতলামি, মাথাব্যথা ও পেটের পীড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।

জহুরুল হক

আর তাদের কাছে থাকবে সলাজ - নম্র আয়তলোচন, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের কাছে থাকবে আনতনয়না, ডাগরচোখা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।

জহুরুল হক

যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যেন আচ্ছাদিত ডিম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।

জহুরুল হক

তখন তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা মুখোমুখি হয়ে পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।

জহুরুল হক

তাদের মধ্যে কোনো এক বক্তা বলবে - - ''আমার অবশ্য এক বন্ধু ছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের একজন বলবে, (‘পৃথিবীতে) আমার এক সঙ্গী ছিল’,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,

জহুরুল হক

''সে বলত, 'তুমি কি নিশ্চয়ই সমর্থনকারীদের মধ্যেকার?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলত, ‘তুমি কি সে লোকদের অন্তর্ভুক্ত যারা বিশ্বাস করে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলতো তুমি কি একথায় যে:

জহুরুল হক

''কী! যখন আমরা মরে যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব, তখন কি আমরা ঠিকঠিকই প্রতিফল ভোগ করব’?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেয়া হবে’?

আবদুস শহীদ নাসিম

‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’

জহুরুল হক

সে বলবে - - ''তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিবেন, ‘তোমরা কি তাহাকে দেখিতে চাও ?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বলবেন, ‘তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?

জহুরুল হক

তখন সে উঁকি দেবে আর ওকে দুযখের কেন্দ্রস্থলে দেখতে পাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে (পৃথিবীর সঙ্গীকে) দেখবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।

জহুরুল হক

সে বলবে - - ''‌র কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করেছিলে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বলিবে, ‌র কসম! তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলবে, ‘আল্লাহর কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিলে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।

জহুরুল হক

''আর আমার প্রভুর অনুগ্রহ যদি না থাকত তবে আমিও নিশ্চয় উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমার রবের অনুগ্রহ না থাকলে আমিও তো (জাহান্নামে) হাযিরকৃতদের একজন হতাম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’

জহুরুল হক

''তবে কি আমরা মরতে যাচ্ছি না, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না

বয়ান ফাউন্ডেশন

(জান্নাতবাসী ব্যক্তি বলবে) ‘তাহলে আমরা কি আর মরব না’?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা

জহুরুল হক

''আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত, আর আমরা শাস্তি পেতে যাচ্ছি না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া, আর আমরা কি আযাবপ্রাপ্ত হব না’?

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’

জহুরুল হক

''নিশ্চয়ই এই - - এটিই তো মহাসাফল্য!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো মহাসাফল্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় এটি মহাসাফল্য!’

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

এর অনুরূপ অবস্থার জন্য তবে কর্মীরা কাজ করে যাক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরূপ সাফল্যের জন্যই ‘আমলকারীদের আমল করা উচিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।

জহুরুল হক

এইটিই অধিক ভাল আপ্যায়ন, না যাক্কুম গাছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আপ্যায়নের জন্য এগুলো উত্তম না যাক্কূম* বৃক্ষ? * অতি তিক্ত স্বাদযুক্ত জাহান্নামের এক গাছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা এটিকে সৃষ্টি করেছি দুরাচারীদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তাকে যালিমদের জন্য করে দিয়েছি পরীক্ষা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি এমন এক গাছ যা দুযখের তলায় - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই বৃক্ষ উদ্‌গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এ গাছটি জাহান্নামের তলদেশ থেকে বের হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।

জহুরুল হক

এর ফলফসল যেন শয়তানদের মুন্ডু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর ফল যেন শয়তানের মাথা;

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।

জহুরুল হক

তারা তখন নিশ্চয় এ থেকে আহার করবে আর এর দ্বারা পেট ভর্তি করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।

জহুরুল হক

তারপর অবশ্য তাদের জন্য এর উপরে থাকবে ফুটন্ত জলের পানীয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তদুপরি তাদের জন্য থাকবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।

জহুরুল হক

তারপর নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল হবে ভয়ঙ্কর আগুনের প্রতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের আগুনে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।

জহুরুল হক

তারা আলবৎ তাদের পিতৃপুরুষদের পথভ্রষ্টরূপেই পেয়েছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এরা নিজদের পিতৃপুরুষদেরকে পথভ্রষ্ট পেয়েছিল;

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,

জহুরুল হক

তাই তারা তাদের পদচিহ্নের অন্ধ অনুসরণ করেছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে তারাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে দ্রুত ছুটেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।

জহুরুল হক

আর তাদের আগে অধিকাংশ পূর্ববর্তীরা বিপথে গিয়েছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় এদের পূর্বে প্রাথমিক যুগের মানুষের বেশীরভাগই পথভ্রষ্ট হয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।

জহুরুল হক

অথচ আমরা তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে সতর্ককারীদের পাঠিয়েছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই তাদের কাছে আমি সতর্ককারীদেরকে পাঠিয়েছিলাম;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।

জহুরুল হক

সুতরাং চেয়ে দেখো কেমন হয়েছিল সতর্কীকৃতদের পরিণাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং দেখ, যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের পরিণতি কী হয়েছিল!

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?

জহুরুল হক

শুধু ‌র খাস বান্দাদের ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্য আল্লাহর মনোনীত বান্দারা ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।

জহুরুল হক

আর ইতিপূর্বে অবশ্য নূহ আমাদের আহ্বান করেছিলেন, আর আমরা কত উত্তম উত্তরদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ আমাকে আহ্‌বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় নূহ আমাকে ডেকেছিল, আর আমি কতইনা উত্তম সাড়াদানকারী!

আবদুস শহীদ নাসিম

নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাকে ও তার পরিজনকে আমি মহাবিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।

জহুরুল হক

আর তাঁর সন্তান - সন্ততিকে আমরা বানিয়েছিলাম প্রকৃত টিকে থাকা দল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।

জহুরুল হক

আর তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে আমরা রেখেছিলাম - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পরবর্তীদের মধ্যে তার জন্য (সুখ্যাতি) রেখে দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।

জহুরুল হক

সমগ্র বিশ্বজগতের মধ্যে নূহের প্রতি সালাম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

বয়ান ফাউন্ডেশন

শান্তি বর্ষিত হোক নূহের উপর সকল সৃষ্টির মধ্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এভাবে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।

জহুরুল হক

তিনি অবশ্যই আমাদের বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে আমার বান্দাদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমার বান্দাদের একজন।

জহুরুল হক

আর আমরা অন্যান্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর আমি অন্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তাঁর পশ্চাদবর্তীদের মধ্যে ছিলেন ইব্রাহীম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ইব্‌রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় ইবরাহীম তার দীনের অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।

জহুরুল হক

স্মরণ কর! তিনি তাঁর প্রভুর কাছে এসেছিলেন বিশুদ্ধ চিত্ত নিয়ে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন সে বিশুদ্ধচিত্তে তার রবের নিকট উপস্থিত হয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।

জহুরুল হক

যখন তাঁর পিতৃপুরুষকে ও তাঁর স্বজাতিকে তিনি বলেছিলেন - - ''তোমরা কিসের উপাসনা করছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন সে তার পিতা ও তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা কিসের ইবাদত কর’?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?

জহুরুল হক

''তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কি এক মিথ্যা উপাস্যকেই কামনা কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তােমরা কি ‌র পরিবর্তে অলীক ইলাহ্‌গুলিকে চাও ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে মিথ্যা উপাস্যগুলোকে চাও’?

আবদুস শহীদ নাসিম

আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?

জহুরুল হক

''তাহলে বিশ্বজগতের প্রভু সন্বন্ধে কী তোমাদের ধারণা?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তাহলে সকল সৃষ্টির রব সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী’?

আবদুস শহীদ নাসিম

‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’

জহুরুল হক

তারপর তারকারাজির দিকে তিনি একনজর তাকালেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তারকারাজির মধ্যে একবার দৃষ্টি দিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো

জহুরুল হক

তখন তিনি বললেন - - ''আমি যারপর নাই বিরক্ত!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর বলল, ‘আমি তো অসুস্থ’।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’

জহুরুল হক

সুতরাং তারা তাঁর কাছ থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে তার কাছ থেকে চলে গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাদের উপাস্যদের কাছে ফিরে গেলেন এবং বললেন - - ''তোমরা খাও না কেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর চুপে চুপে সে তাদের দেবতাদের কাছে গেল এবং বলল, ‘তোমরা কি খাবে না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’

জহুরুল হক

''তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা কথা বলছ না?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা কথা বলছ না’?

আবদুস শহীদ নাসিম

‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’

জহুরুল হক

কাজেই তিনি তাদের উপরে লাফিয়ে পড়লেন ডানহাতে আঘাত করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তাদের উপর সজোরে আঘাত হানল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।

জহুরুল হক

তখন তারা তাঁর দিকে ছুটে এল হতবুদ্ধি হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন লোকেরা তার দিকে ছুটে আসল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা কি তার উপাসনা কর যা তোমরা কেটে বানাও,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা নিজেরা খোদাই করে যেগুলো বানাও, তোমরা কি সেগুলোর উপাসনা কর’,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?

জহুরুল হক

''অথচ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন আর তোমরা যা তৈরি কর তাও?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘প্রকৃতপক্ষে ‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যাহা তৈরি কর তাহাও।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অথচ আল্লাহই তোমাদেরকে এবং তোমরা যা কর তা সৃষ্টি করেছেন’?

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''এর জন্য এক কাঠামো তৈরি কর, তারপর তাকে নিক্ষেপ কর সেই ভয়ঙ্কর আগুনে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তার জন্য একটি স্থাপনা তৈরী কর, তারপর তাকে জ্বলন্ত আগুনে নিক্ষেপ কর’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’

জহুরুল হক

কাজেই তারা তাঁর বিরুদ্ধে এক চক্রান্ত ফাঁদলো, কিন্তু আমরা তাদের হীন বানিয়ে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তের সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তার ব্যাপারে একটা ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি তাদেরকে সম্পূর্ণ পরাভূত করে দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।

জহুরুল হক

আর তিনি বললেন - - ''আমি নিশ্চয়ই আমার প্রভুর দিকে যাত্রাকারী, তিনি আমাকে অচিরেই পরিচালিত করবেন।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে বলল, ‘আমি আমার রবের দিকে যাচ্ছি, তিনি অবশ্যই আমাকে হিদায়াত করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।

জহুরুল হক

''আমার প্রভু! আমার জন্য সৎকর্মীদের থেকে দান করো।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, আমাকে সৎকর্মশীল সন্তান দান করুন’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’

জহুরুল হক

সেজন্য আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিলাম এক অমায়িক পুত্রসন্তানের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাকে আমি পরম ধৈর্যশীল একজন পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।

জহুরুল হক

তারপর যখন সে তাঁর সঙ্গে কাজ করার যোগ্যতায় উপনীত হল তখন তিনি বললেন - - ''হে আমার পুত্রধন! নিঃসন্দেহ আমি স্বপ্নে দেখলাম যে আমি তোমাকে কুরবানি করছি, অতএব ভেবে দেখো - - কী তুমি দেখছো ।’’ তিনি বললেন - - ''হে আমার আব্বা! আপনি তাই করুন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। ইন - শা - আপনি এখনি আমাকে পাবেন অধ্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। ‌র ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন সে তার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন সে বলল, ‘হে প্রিয় বৎস, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি, অতএব দেখ তোমার কী অভিমত’; সে বলল, ‘হে আমার পিতা, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। আমাকে ইনশাআল্লাহ আপনি অবশ্যই ধৈর্যশীলদের অন্তর

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ ( চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’

জহুরুল হক

সুতরাং তাঁরা উভয়ে যখন আ‌ত্মসমর্পণ করলেন এবং তিনি তাঁকে ভূপাতিত করলেন কপালের জন্য,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্‌রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে* কাত করে শুইয়ে দিল * ইসমাঈলকে

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,

জহুরুল হক

তখনই আমরা তাঁকে ডেকে বললাম - - ''হে ইব্রাহীম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাহাকে আহ্‌বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্‌রাহীম!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাকে আহবান করে বললাম, ‘হে ইবরাহীম,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!

জহুরুল হক

''তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করলে। নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি’।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।

জহুরুল হক

''নিশ্চয়ই এটি - - এইটিই তো ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা’।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে বদলা দিয়েছিলাম এক মহান কুরবানি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি এক মহান যবেহের* বিনিময়ে তাকে মুক্ত করলাম। * তা ছিল একটি জান্নাতী দুম্বা।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার জন্য আমি পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।

জহুরুল হক

ইব্রাহীমের প্রতি ''সালাম’’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবরাহীমের প্রতি সালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।

জহুরুল হক

এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন আমাদের বান্দাদের মধ্যেকার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের - - একজন নবী সৎপথাবলন্বীদের মধ্যেকার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্‌হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে ইসহাকের সুসংবাদ দিয়েছিলাম, সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী হিসেবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।

জহুরুল হক

আর আমরা আশীর্বাদ বর্ষণ করেছিলাম তাঁর উপরে ও ইসহাকের উপরে। আর তাঁদের দুজনের বংশধরদের মধ্যে থেকে কেউ হচ্ছেন সৎকর্মশীল, আর কেউ হচ্ছে তাদের নিজেদের প্রতি স্পষ্টভাবে অন্যায়াচারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্‌হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে ও ইসহাককে বরকত দান করেছিলাম, আর তাদের বংশধরদের মধ্যে কেউ কেউ ছিল সৎকর্মশীল এবং কেউ নিজের প্রতি স্পষ্ট যালিম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয় আমরা মূসা ও হারূনের প্রতি অনুগ্রহ করেই ছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি নিশ্চয় হারূন ও মূসার প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,

জহুরুল হক

আর তাঁদের দুজনকে ও তাঁদের লোকদলকে আমরা ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে ও তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে নাজাত দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁদের সাহায্য করেছিলাম, সেজন্য তাঁরা খোদ বিজয়ী হয়েছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।

জহুরুল হক

আর তাঁদের উভয়কে আমরা দিয়েছিলাম এক স্পষ্ট গ্রন্থ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি উভয়কে সুস্পষ্ট কিতাব দান করেছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।

জহুরুল হক

আর তাঁদের উভয়কে আমরা পরিচালিত করেছিলাম সরল - সঠিক পথে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি দু’জনকেই সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।

জহুরুল হক

আর তাদের জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।

জহুরুল হক

মূসা ও হারূনের প্রতি ''সালাম’’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা ও হারূনের প্রতি সালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।

জহুরুল হক

এইভাবেই আমরা অবশ্য প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।

জহুরুল হক

নিশ্চয় তাঁরা ছিলেন আমাদের বান্দাদের মধ্যেকার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা দু’জনই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা উভয়েই ছিলো আমাদের দাসদের অন্তরভুক্ত।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই ইল্‌য়াস রসূলগণের মধ্যেকার ছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইলইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।

জহুরুল হক

স্মরণ করো, তিনি তাঁর স্বজাতিকে বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন সে তার কওমকে বলেছিল ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না’?

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?

জহুরুল হক

''তোমরা কি বা’লকে ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সৃষ্টিকর্তাদের সর্বশ্রেষ্ঠজনকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা কি ‘বা’ল’ কে* ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা- * بعل একটি দেবতার নাম, যার উপাসনা তারা করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা

জহুরুল হক

‌কে - - তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রভু?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌কে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের - প্রতিপালক তোমাদের প্রাক্তন পূর্বপুরুষদের ?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদেরও রব’?

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’

জহুরুল হক

কিন্তু তারা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল, সেজন্য তাদের নিশ্চয়ই হাজির করা হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করেছিল, ফলে তাদেরকে অবশ্যই (আযাবের জন্য) উপস্থিত করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।

জহুরুল হক

শুধু ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ‌র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর (আনুগত্যের জন্য) মনোনীত বান্দাগণ ছাড়া ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।

জহুরুল হক

আর তাঁর জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তার জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুনাম সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।

জহুরুল হক

ইল্‌য়াসীনের উপরে ''সালাম’’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইলইয়াসের প্রতি সালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।

জহুরুল হক

তিনি নিশ্চয়ই ছিলেন আমাদের বান্দাদের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।

জহুরুল হক

আর অবশ্যই লূত ছিলেন রসূলগণের মধ্যেকার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূতও ছিল রাসূলদের একজন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় লূতও ছিল রাসূলদেরই একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।

জহুরুল হক

স্মরণ কর! তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম, সব ক’জনকেই - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন আমি তাকে ও তার পরিবার পরিজন সকলকে নাজাত দিয়েছিলাম-

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম

জহুরুল হক

এক বৃদ্ধাকে ব্যতীত, যে ছিল পেছনে রয়ে যাওয়া দলের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

পিছনে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত এক বৃদ্ধা ছাড়া ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।

জহুরুল হক

তারপর আমরা অবশিষ্টদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি অবশিষ্টদেরকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমরা তো তাদের অতিক্রম করে থাক সকালবেলায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা নিশ্চয় তাদের (ধ্বংসাবশেষের) উপর দিয়ে অতিক্রম করে থাক সকালে-

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে

জহুরুল হক

এবং রাত্রিকালে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ও রাতে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই ইউনুস ছিলেন রসূলগণের অন্যতম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।

জহুরুল হক

স্মরণ করো! তিনি বোঝাই করা জাহাজে গিয়ে উঠেছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন সে একটি বোঝাই নৌযানের দিকে পালিয়ে গিয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।

জহুরুল হক

তাই তিনি লটারী খেলেছিলেন, কিন্তু তিনিই হয়ে গেলেন নিক্ষিপ্তদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে লটারীতে অংশগ্রহণ করল এবং তাতে সে হেরে গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।

জহুরুল হক

তখন একটি মাছ তাঁকে মুখে তুলে নিল, যদিও তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর বড় মাছ তাকে গিলে ফেলল। আর সে (নিজেকে) ধিক্কার দিচ্ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।

জহুরুল হক

আর তিনি যদি মহিমা জপতপে রত না থাকতেন - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে যদি ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা না করিত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে যদি (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হত,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,

জহুরুল হক

তাহলে তিনি তার পেটে রয়ে যেতেন পুনরুত্থান দিন পর্যন্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাহলে সে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তার পেটেই থেকে যেত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।

জহুরুল হক

তারপর আমরা তাঁকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে ফেলে দিলাম, আর তিনি ছিলেন অসুস্থ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাকে তৃণলতাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম এবং সে ছিল অসুস্থ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।

জহুরুল হক

তখন তাঁর উপরে আমরা জন্মিয়েছিলাম লাউজাতীয় গাছ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্‌গত করিলাম.

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি একটি ইয়াকতীন* গাছ তার উপর উদগত করলাম। * শসা, কাঁকড় ও লাউ জাতীয় গাছকে ইয়কতীন বলে। যা কান্ডের উপর দাঁড়াতে পারে না। তার জন্য মাচা তৈরী করতে হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে পাঠিয়েছিলাম এক লাখ বা আরো বেশী লোকের কাছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং তাকে আমি এক লক্ষ বা তার চেয়েও বেশী লোকের কাছে পাঠালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।

জহুরুল হক

তখন তারা বিশ্বাস করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের উপভোগ করতে দিয়েছিলাম কিছুকালের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা ঈমান আনল, ফলে আমি তাদেরকে কিছুকাল পর্যন্ত উপভোগ করতে দিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো - - তোমার প্রভুর জন্য কি কন্যাসন্তান রয়েছে, আর তাদের জন্য পুত্রসন্তান?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার রবের জন্য কি কন্যা সন্তান এবং তাদের জন্য পুত্র সন্তান’?

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?

জহুরুল হক

অথবা, আমরা কি ফিরিশ্‌তাদের নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম, আর তারা সাক্ষী ছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা আমি কি ফিরিশ্‌তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথবা আমি কি ফেরেশতাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম আর তারা তা প্রত্যক্ষ করছিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?

জহুরুল হক

এটি কি নয় যে তারা আলবৎ তাদের মিথ্যা থেকেই তো কথা বলছে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

জেনে রাখ, তারা অবশ্যই তাদের মনগড়া কথা বলে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:

জহুরুল হক

জন্ম দিয়েছিলেন? আর তারা তো নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌ সন্তান জন্ম দিয়াছেন!’ উহারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন’ আর তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।

জহুরুল হক

তিনি কি কন্যাদের পছন্দ করেছেন পুত্রদের পরিবর্তে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি কি পুত্রসন্তানদের উপর কন্যা সন্তানদের বেছে নিয়েছেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?

জহুরুল হক

তোমাদের কি হয়েছে? কিভাবে তোমরা বিচার করো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হল? তোমরা কেমন ফয়সালা করছ!

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?

জহুরুল হক

তোমরা কি তবে মনোযোগ দেবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাহলে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?

জহুরুল হক

নাকি তোমাদের কাছে কোনো স্পষ্ট দলিল - প্রমাণ রয়েছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি তোমাদের কোন সুস্পষ্ট দলীল- প্রমাণ আছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?

জহুরুল হক

তেমন হলে তোমাদের গ্রন্থ নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আস।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।

জহুরুল হক

আর তারা তাঁর মধ্যে ও জিনদের মধ্যে একটা সম্পর্ক দাঁড় করিয়েছে। আর জিনরা তো জেনেই ফেলেছে যে তাদের অবশ্যই উপস্থাপিত করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা ও জিন জাতির মধ্যে একটা বংশসম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জিন জাতি জানে যে, নিশ্চয় তাদেরকেও উপস্থিত করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।

জহুরুল হক

‌রই সব মহিমা! তারা যা আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যাহা বলে তাহা হইতে ‌ পবিত্র, মহান -

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে সব থেকে অতিপবিত্র ও মহান, যা তারা আরোপ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।

জহুরুল হক

‌র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র একনিষ্ঠ বান্দাগণ ব্যতিত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে আল্লাহর (আনুগত্যের জন্য) নির্বাচিত বান্দাগণ ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।

জহুরুল হক

অতএব নিশ্চয়ই তোমরা ও যাদের তোমরা উপাসনা কর তারা - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমরা এবং তোমরা যাদের ইবাদাত কর তারা-

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)

জহুরুল হক

তোমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তকারী হতে পারবে না, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কাহাকেও ‌ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিতে পারিবে না -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে (মুমিনদের) কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

জহুরুল হক

তাকে ব্যতীত যে জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে চায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।

জহুরুল হক

আর ''আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জন্যে নির্ধারিত আবাস নেই,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমাদের* প্রত্যেকের জন্যই একটা নির্ধারিতস্থান** রয়েছে। *এটা ফেরেশতাদের বক্তব্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।

জহুরুল হক

''আর নিশ্চয়ই আমরা, আমরাই তো সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াব,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমরা সারিবদ্ধ ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।

জহুরুল হক

''আর অবশ্য আমরা, আলবৎ আমরা জপ করতে থাকব।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমরা অবশ্যই তাসবীহ পাঠকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তারা বলতে থাকতো - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা (মক্কাবাসীরা) বলত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তো বলে আসছে:

জহুরুল হক

''যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে কোনো স্মরণীয় গ্রন্থ থাকতো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যদি আমাদের কাছে পূর্বর্তীদের মত কোন উপদেশ (কিতাব) থাকত,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,

জহুরুল হক

''তাহলে আমরা ‌র নিষ্ঠাবান বান্দা হতে পারতাম।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা অবশ্যই ‌র একনিষ্ঠ বান্দা হইতাম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাহলে অবশ্যই আমরা আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’

জহুরুল হক

কিন্তু তারা এতে অবিশ্বাস পোষণ করে, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তা অস্বীকার করল অতএব শীঘ্রই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।

জহুরুল হক

আর অবশ্যই আমাদের বক্তব্য আমাদের বান্দাদের - - প্রেরিত পুরুষদের, জন্য সাব্যস্ত হয়েই গেছে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আমার প্রেরিত বান্দাদের জন্য আমার কথা পূর্ব নির্ধারিত হয়েছে যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তাঁরা - - তাঁরাই তো হবে সাহায্যপ্রাপ্ত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অবশ্যই তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ আমাদের সেনাদল - - তারাই তো হবে বিজয়ী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আমার বাহিনীই বিজয়ী হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।

জহুরুল হক

অতএব তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কাল পর্যন্ত তুমি তাদের থেকে ফিরে থাক।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।

জহুরুল হক

আর তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, অচিরেই তারা দেখবে (এর পরিণাম) ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।

জহুরুল হক

তারা কি তবে আমাদের শাস্তি ত্বরান্বিত করতে চায়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি আমার আযাব ত্বরান্বিত করতে চায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?

জহুরুল হক

কিন্তু যখন তা তাদের আঙিনায় অবতরণ করবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তা তাদের আঙিনায় নেমে আসবে তখন সতর্ককৃতদের সকাল কতই না মন্দ হবে!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!

জহুরুল হক

আর তুমি তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আরো কিছু কাল পর্যন্ত তুমি তাদের থেকে ফিরে থাক।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।

জহুরুল হক

আর লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, অচিরেই তারা দেখবে (এর পরিণাম)।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।

জহুরুল হক

মহিমা কীর্তিত হোক তোমার প্রভুর - - পরম মর্যাদা সম্পন্ন প্রভুর, তারা যা - কিছু আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যা ব্যক্ত করে তোমার রব তা থেকে পবিত্র মহান, সম্মানের মালিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।

জহুরুল হক

আর 'সালাম’ প্রেরিতপুরুষদের উপরে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর রাসূলদের প্রতি সালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সালাম রসূলদের প্রতি।

জহুরুল হক

আর সকল প্রশংসা ‌রই জন্য - - বিশ্বজগতের প্রভু!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক ‌রই প্রাপ্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের জন্যে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme