Kitab

আল হিজর

Chapter 15, 99 verses

  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক

আলিফ, লাম, রা। এগুলো হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের আয়াতসমূহ, আর একটি সুস্পষ্ট পাঠ্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ - লাম - রা, এইগুলি আয়াত মহাগ্রন্থের, সুস্পষ্ট কুরআনের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-রা; এ হল কিতাব ও সুস্পষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহ।

জহুরুল হক

সময়কালে যারা অবিশ্বাস করেছিল তারা চাইবে যে যদি তারা মুসলিম হতো!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনও কখনও কাফিররা আকাঙ্ক্ষা করিবে যে, তাহারা যদি মুসলিম হইত!

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন কোন সময় কাফিরেরা আকাংখা করবে যে, তারা যদি মুসলিম হত!

জহুরুল হক

ছেড়ে দাও তাদের খানাপিনা করতে ও আমোদ - আাদ করতে, আর আশা - আকাঙ্খা তাদের ভুলিয়ে রাখুক, যেহেতু শীগগিরই তারা বুঝতে পারবে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে ছাড়, উহারা খাইতে থাকুক, ভোগ করিতে থাকুক এবং আশা উহাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখুক; অচিরেই উহারা জানিতে পারিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে ছেড়ে দাও, আহারে ও ভোগে তারা মত্ত থাকুক এবং আশা তাদেরকে গাফেল করে রাখুক, আর অচিরেই তারা জানতে পারবে।

জহুরুল হক

আর আমরা কোনো জনপদকে ধ্বংস করি নি যে পর্যন্ত না তার জন্য বিধান মালুম করানো হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যে কোন জনপদকে ধ্বংস করিয়াছি তাহার জন্য ছিল একটি নির্দিষ্ট লিপিবদ্ধ কাল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করিনি তার জন্য নির্ধারিত সময় ছাড়া।

জহুরুল হক

কোনো জাতি তার নির্ধারিত কাল ত্বরান্বিত করতে পারবে না, আর তারা বিলন্বিত করতে পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কোন জাতি তাহার নির্দিষ্ট কালকে ত্বরান্নিত করিতে পারে না, বিলম্বিতও করিতে পারে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন জাতিই তাদের সুনির্ধারিত সময় থেকে আগে বাড়তে পারে না আর পিছাতেও পারে না।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''ওহে যার কাছে স্মারকগ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো আলবৎ মাথা - পাগলা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘ওহে, যাহার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হইয়াছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলল, ‘হে ঐ ব্যক্তি, যার উপর কুরআন নাযিল করা হয়েছে, তুমি তো নিশ্চিত পাগল’।

জহুরুল হক

''তুমি কেন আমাদের কাছে ফিরিশ্‌তাদের নিয়ে এস না, যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি সত্যবাদী হইলে আমাদের নিকট ফিরিশ্‌তাগণকে উপস্থিত করিতেছ না কেন?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘কেন আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসছ না, যদি তুমি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাক’?

জহুরুল হক

আমরা ফিরিশ্‌তাদের পাঠাই না সত্যের সাথে ছাড়া, আর তখন তারা অবকাশ প্রাপ্ত হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ফিরিশ্‌তাগণকে প্রেরণ করি না যথার্থ কারণ ব্যতীত; ফিরিশ্‌তাগণ উপস্থিত হইলে উহারা অবকাশ পাইবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি যথাযথ কারণ ছাড়া ফেরেশতাদের নাযিল করি না, আর (নাযিল করলে) তখন তারা অবকাশও পেত না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই স্মারকগ্রন্থ অবতারণ করেছি, আর আমরাই তো এর সংরক্ষণকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি এবং অবশ্য আমিই উহার সংরক্ষক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি কুরআন* নাযিল করেছি, আর আমিই তার হেফাযতকারী। * الذكر দ্বারা উদ্দেশ্য কুরআন।

জহুরুল হক

আর তোমার আগে আমরা নিশ্চয়ই পাঠিয়েছিলাম প্রাচীনকালের সম্প্রদায়ের মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বে আমি আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের নিকট রাসূল পাঠাইয়াছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমার পূর্বে অতীত সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে রাসূল প্রেরণ করেছি।

জহুরুল হক

কিন্তু তাদের কাছে এমন কোনো রসূল আসেন নি যাঁকে নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের নিকট আসে নাই এমন কোন রাসূল যাহাকে তাহারা ঠাট্টা - বিদ্রপ করিত না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখনই তাদের নিকট কোন রাসূল আসত তারা তাকে নিয়ে উপহাস করত।

জহুরুল হক

এইভাবে আমরা একে অপরাধীদের অন্তরে প্রবেশ করাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি অপরাধীদের অন্তরে উহা সঞ্চার করি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমনিভাবে আমি তা অপরাধীদের অন্তরে সঞ্চার করি।

জহুরুল হক

তারা এতে বিশ্বাস করে না, অথচ পূর্ববর্তীদের নজীর অবশ্যই গত হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা কুরআনের প্রতি ঈমান আনিবে না এবং অতীতে পূর্ববর্তীদেরও এই আচরণ ছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা এতে ঈমান আনবে না, আর পূর্ববর্তীদের (ব্যাপারে আল্লাহর) রীতি তো বিগত হয়েছে।

জহুরুল হক

আর যদি আমরা তাদের জন্য মহাকাশের দরজা খুলে দিই আর তাতে তারা আরোহণ করতে থাকে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি উহাদের জন্য আকাশের দুয়ার খুলিয়া দেই এবং উহারা সারাদিন উহাতে আরোহণ করিতে থাকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি আমি তাদের জন্য আসমানের কোন দরজা খুলে দিতাম, অতঃপর তারা তাতে আরোহণ করতে থাকত ।

জহুরুল হক

তারা তবুও বলবে - - ''আমাদের চোখে ধাঁধা লেগেছে, আমরা বরং মোহাচ্ছন্ন দল হয়েছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও উহারা বলিবে, ‘আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হইয়াছে; না, বরং আমরা এক জাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবুও তারা বলত, নিশ্চয় আমাদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়া হয়েছে, বরং আমরা তো যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।

জহুরুল হক

আর বাস্তবিকই আমরা আকাশে দুর্গ তৈরি করেছি, আর তা সুশোভিত করেছি দর্শকদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি আকাশে গ্রহ - নক্ষত্র সৃষ্টি করিয়াছি এবং উহাকে সুশোভিত করিয়াছি দর্শকদের জন্য;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি আসমানে স্থাপন করেছি কক্ষপথসমূহ এবং তাকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি দর্শকদের জন্য।

জহুরুল হক

আর আমরা তাকে রক্ষা করি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তানের থেকে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হইতে আমি উহাকে রক্ষা করিয়া থাকি;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে সুরক্ষিত করেছি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে।

জহুরুল হক

সে ব্যতীত যে লুকিয়ে শোনে, ফলে তার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রখর অগ্নিশিখা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু কেহ চুরি করিয়া সংবাদ শুনিতে চাহিলে উহার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রদীপ্ত শিখা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে যে গোপনে শোনে, তৎক্ষণাৎ সুস্পষ্ট জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তার পিছু নেয়।

জহুরুল হক

আর পৃথিবী - - আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পৃথিবী, উহাকে আমি বিস্তৃত করিয়াছি, উহাতে পর্বতমালা স্থাপন করিয়াছি; এবং আমি উহাতে প্রত্যেক বস্তু উদ্‌গত করিয়াছি সুপরিমিতভাবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যমীনকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পাহাড় স্থাপন করেছি। আর তাতে উৎপন্ন করেছি সকল প্রকার বস্তু সুনির্দিষ্ট পরিমাণে ।

জহুরুল হক

আর তোমাদের জন্য তাতে সৃষ্টি করেছি খাদ্যবস্তু, আর তোমরা যাদের জীবিকাদাতা নও তাদের জন্যেও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাতে জীবিকার ব্যবস্থা করিয়াছি তোমাদের জন্য, আর তোমরা যাহাদের জীবিকাদাতা নও তাহাদের জন্যও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাতে তোমাদের জন্য এবং তোমরা যার রিয্ক দাতা নও তাদের জন্য রেখেছি জীবনোপকরণ ।

জহুরুল হক

আর এমন কোনো - কিছু নেই যার ভান্ডার আমাদের কাছে নয়, আর আমরা তা পাঠাই না নির্ধারিত পরিমাপে ছাড়া।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমারই নিকট আছে প্রত্যেক বস্তুর ভাণ্ডার এবং আমি উহা পরিজ্ঞাত পরিমাণেই সরবরাহ করিয়া থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রতিটি বস্তুরই ভান্ডারসমূহ রয়েছে আমার কাছে এবং আমি তা অবতীর্ণ করি কেবল নির্দিষ্ট পরিমাণে।

জহুরুল হক

আর আমরা উর্বরতা - সঞ্চারক বায়ু পাঠাই, তারপর আকাশ থেকে আমরা পানি পাঠাই, তখন তোমাদের তা পান করতে দিই, আর তোমরা তার কোষাধ্যক্ষ নও!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি বৃষ্টি - গর্ভ বায়ু প্রেরণ করি, অতঃপর আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করি এবং উহা তোমাদেরকে পান করিতে দেই; আর তোমরা উহার ভাণ্ডার রক্ষক নও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি বায়ুকে ঊর্বরকারীরূপে প্রেরণ করি অতঃপর আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং তা তোমাদের পান করাই। তবে তোমরা তার সংরক্ষণকারী নও।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই, আর আমরাই হচ্ছি উত্তরাধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আমি জীবিত করি ও মৃত্যু দেই এবং আমিই ওয়ারিস।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই জানি তোমাদের মধ্যের অগ্রগামীদের, আর আমরা অবশ্য জানি পশ্চাতে - পড়ে - থাকাদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্য হইতে পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে আমি তাহাদেরকে জানি এবং পরে যাহারা আসিবে তাহাদেরকেও জানি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি জানি তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং অবশ্যই জানি পরবর্তীদেরকে।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি তাদেরকে একত্রে সমবেত করবেন। তিনি নিশ্চয়ই পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকই উহাদেরকে সমবেত করিবেন; তিনি তো প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব তাদেরকে একত্র করবেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞানী।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই মানুষ সৃষ্টি করেছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মানুষ সৃষ্টি করিয়াছি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্‌ঠনা মৃত্তিকা হইতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুকনো ঠনঠনে, কালচে কাদামাটি থেকে।

জহুরুল হক

আর আমরা এর আগে জিন সৃষ্টি করেছি প্রখর আগুন দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইহার পূর্বে সৃষ্টি করিয়াছি জিন অত্যুষ্ণ অগ্নি হইতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইতঃপূর্বে জিনকে সৃষ্টি করেছি উত্তপ্ত অগ্নিশিখা থেকে।

জহুরুল হক

আর স্মরণ কর! তোমার প্রভু ফিরিশ্‌তাদের বললেন - - ''নিঃসন্দেহ আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ফিরিশ্‌তাগণকে বলিলেন, ‘আমি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্‌ঠনা মৃত্তিকা হইতে মানুষ সৃষ্টি করিতেছি;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের বললেন, ‘আমি একজন মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি শুকনো ঠনঠনে কালচে মাটি থেকে’।

জহুরুল হক

সুতরাং যখন আমি তাকে সুঠাম করব আর তাতে আমার রূহ্ ফুকঁবো তখন তার প্রতি তোমরা পড় সিজদাবনত হয়ে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যখন আমি উহাকে সুঠাম করিব এবং উহাতে আমার পক্ষ হইতে রূহ্ সঞ্চার করিব তখন তোমরা উহার প্রতি সিজ্‌দাবনত হইও’,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অতএব যখন আমি তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেব এবং তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার জন্য সিজদাবনত হও’।

জহুরুল হক

তখন ফিরিশ্‌তারা সিজদা করলে, তাদের সবাই সববেত - ভাবে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ফিরিশ্‌তাগণ সকলেই একত্রে সিজ্‌দা করিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর, ফেরেশতারা সকলেই সিজদা করল।

জহুরুল হক

ইবলিস ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইবলীস ব্যতীত, সে সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইতে অস্বীকার করিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবলীস ছাড়া। সে সিজদাকারীদের সঙ্গী হতে অস্বীকার করল।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''হে ইবলিস! তোমার কি হয়েছে যে তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘হে ইব্‌লিস তোমার কি হইল যে, তুমি সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইলে না?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘হে ইবলীস, তোমার কী হল যে, তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না’?

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমি তেমন নই যে আমি সিজদা করব একজন মানুষকে যাকে তুমি সৃষ্টি করেছ আওয়াজদায়ক মাটি থেকে - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আপনি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্‌ঠনা মৃত্তিকা হইতে যে মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন আমি তাহাকে সিজ্‌দা করিবার নহি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘আমি তো এমন নই যে, একজন মানুষকে আমি সিজদা করব, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন শুকনো ঠনঠনে কালচে মাটি থেকে’।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তাহলে বেরিয়ে যাও এখান থেকে, কেননা নিঃসন্দেহ তুমি বিতাড়িত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি বলিলেন, ‘তবে তুমি এখান হইতে বাহির হইয়া যাও, কারণ তুমি তো অভিশপ্ত;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘তাহলে তুমি এখান থেকে বেরিয়ে যাও, তুমি বিতাড়িত’।

জহুরুল হক

''আর নিশ্চয় তোমার উপরে থাকবে অসন্তষ্টি শেষবিচারের দিন পর্যন্ত।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং কর্মফল দিবস পর্যন্ত অবশ্যই তোমার প্রতি রহিল লা‘নত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর নিশ্চয় কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তোমার উপর লা‘নত’।

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমার প্রভু! তবে আমাকে অবকাশ দাও সেই দিন পর্যন্ত যখন তাদের পুনরুত্থিত করা হবে!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, তাহলে আমাকে অবকাশ দিন সে দিন পর্যন্ত, যেদিন তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে’।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তবে তুমি নিশ্চয়ই অবকাশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি বলিলেন, ‘যাহাদেরকে অবকাশ দেওয়া হইয়াছে তুমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইলে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘তুমি নিশ্চয় অবকাশপ্রাপ্তদের একজন’।

জহুরুল হক

নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত’।

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমার প্রভু! তুমি যেমনি আমাকে বিপথে যেতে দিয়েছ, আমিও তেমনি নিশ্চয়ই তাদের নিকট চিত্তাকর্ষক করব এই পৃথিবীতে, আর অবশ্যই তাদের একসাথে বিপথগামী করব - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করিলেন তজ্জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করিয়া তুলিব এবং আমি উহাদের সকলকেই বিপথগামী করিব,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, যেহেতু আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তাই যমীনে আমি তাদের জন্য (পাপকে) শোভিত করব এবং নিশ্চয় তাদের সকলকে পথভ্রষ্ট করব’।

জহুরুল হক

তাদের মধ্যে তোমার খাস বান্দাদের ব্যতীত।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তবে উহাদের মধ্যে আপনার নির্বাচিত বান্দাগণ ব্যতীত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের মধ্য থেকে আপনার একান্ত বান্দাগণ ছাড়া।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এটিই হচ্ছে আমার দিকে সহজ - সঠিক পথ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘ইহাই আমার নিকট পৌঁছিবার সরল পথ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘এটা আমার দিকে আনয়নকারী সরল পথ’।

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ আমার দাসদের সন্বন্ধে - - তাদের উপরে তোমার কোনো আধিপত্য নেই, বিপথগামীদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে তাদের ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘বিভ্রান্তদের মধ্যে যাহারা তোমার অনুসরণ করিবে তাহারা ব্যতীত আমার বান্দাদের উপর তোমার কোনই ক্ষমতা থাকিবে না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমার বান্দাদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই, তবে পথভ্রষ্টরা ছাড়া যারা তোমাকে অনুসরণ করেছে’।

জহুরুল হক

''আর নিঃসন্দেহ জাহান্নাম হচ্ছে তাদের সকলের জন্য প্রতি‌শ্রুত স্থান - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অবশ্যই জাহান্নাম তাহাদের সকলেরই প্রতিশ্রুত স্থান,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর নিশ্চয় জাহান্নাম তাদের সকলের প্রতিশ্রুত স্থান’।

জহুরুল হক

''তার সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক প্রবেশপথের জন্য রয়েছে তাদের মধ্যের পৃথক পৃথক দল।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহার সাতটি দরজা আছে, প্রত্যেক দরজার জন্য পৃথক পৃথক শ্রেণী আছে।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তার সাতটি দরজা রয়েছে। প্রতিটি দরজার জন্য রয়েছে তাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট একটি শ্রেণী’।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা থাকবে স্বর্গোদ্যানে ও ঝরনারাজির মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীরা থাকিবে জান্নাতে ও প্রস্রবণসমূহের মধ্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীগণ থাকবে জান্নাত ও ঝর্ণাধারাসমূহে।

জহুরুল হক

''তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তিতে ও নিরাপত্তায়।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে উহাতে প্রবেশ কর।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তাতে প্রবেশ কর শান্তিতে, নিরাপদ হয়ে’।

জহুরুল হক

আর আমরা বের করে দেব তাদের অন্তরে যা - কিছু হিংসা - বিদ্বেষ রয়েছিল, ফলে তারা ভাইদের মতো থাকবে আসনের উপরে মুখোমুখি হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের অন্তর হইতে বিদ্বেষ দূর করিব; তাহারা ভ্রাতৃভাবে পরস্পর মুখোমুখি হইয়া আসনে অবস্থান করিবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের অন্তর থেকে হিংসা বিদ্বেষ বের করে ফেলব, তারা সেখানে ভাই ভাই হয়ে আসনে মুখোমুখি বসবে।

জহুরুল হক

সেখানে তাদের স্পর্শ করবে না কোনো অবসাদ, আর তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃত হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহাদেরকে অবসাদ স্পর্শ করিবে না এবং তাহারা সেই স্থান হইতে বহিষ্কৃতও হইবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তাদেরকে ক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না।

জহুরুল হক

আমার বান্দাদের খবর দাও যে আমিই তো নিশ্চয়ই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার বান্দাদেরকে বলিয়া দাও যে, আমি তো পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, আমি নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর আমার শাস্তি, - - তা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমার শাস্তি - উহা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমার আযাবই যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

আর তাদের খবর দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের সন্বন্ধে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহাদেরকে বল, ইব্‌রাহীমের অতিথিদের কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে বলঃ ইবরাহীমের অতিথিদের কথা।

জহুরুল হক

যখন তারা তাঁর কাছে হাজির হল তখন তারা বললে - - ''সালাম’’। তিনি বললেন - - ''আমরা অবশ্য তোমাদের সন্বন্ধে ভয় করছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’, তখন সে বলিয়াছিল, ‘আমরা তো তোমাদের আগমনে আতঙ্কিত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তারা তার নিকট প্রবেশ করল, অতঃপর বলল, ‘সালাম’। সে বলল, ‘আমরা নিশ্চয় তোমাদের ব্যাপারে শঙ্কিত’।

জহুরুল হক

তারা বললেন - - ''ভয় করো না, নিঃসন্দেহ আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানবান ছেলের সন্বন্ধে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘ভয় করিও না, আমরা তো তোমাকে এক জ্ঞানী পুত্রের শুভ সংবাদ দিতেছি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তুমি ভীত হয়ো না, নিশ্চয় আমরা তোমাকে এক জ্ঞানী শিশুর সুসংবাদ দিচ্ছি’।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? তবে কিসের তোমরা সুসংবাদ দিচ্ছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা কি আমাকে শুভ সংবাদ দিতেছ আমি বার্ধক্যগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও? তোমরা কী বিষয়ে শুভ সংবাদ দিতেছ?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে ? সুতরাং তোমরা কিসের সুসংবাদ দিচ্ছ’ ?

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি সত্যের সাথে, সুতরাং তুমি হতাশদের মধ্যেকার হয়ো না।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা তোমাকে সত্য সংবাদ দিতেছি; সুতরাং তুমি হতাশ হইও না।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা তোমাকে যথার্থ সুসংবাদ দিচ্ছি। সুতরাং তুমি নিরাশদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না’।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আর কে হতাশ হয় তার প্রভুর করুণা থেকে পথভ্রষ্টরা ব্যতীত?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘যাহারা পথভ্রষ্ট তাহারা ব্যতীত আর কে তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ হইতে হতাশ হয়?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘পথভ্রষ্টরা ছাড়া, কে তার রবের রহমত থেকে নিরাশ হয়’ ?

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তবে কি তোমাদের কাজ রয়েছে, হে প্রেরিতগণ?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে ফিরিশ্‌তাগণ! তোমাদের আর বিশেষ কি কাজ আছে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তবে তোমাদের কী কাজ হে প্রেরিতগণ’ ?

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই প্রেরিত হয়েছি একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হইয়াছে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘নিশ্চয় আমরা প্রেরিত হয়েছি অপরাধী কওমের নিকট’।

জহুরুল হক

''লুতের অনুবর্তীরা ব্যতীত। নিঃসন্দেহ তাঁদের সবাইকে আমরা অবশ্যই উদ্ধার করব - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তবে লূতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা অবশ্যই ইহাদের সকলকে রক্ষা করিব,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘লূতের পরিবার ছাড়া, আমরা নিশ্চয় তাদের সবাইকে রক্ষা করব’।

জহুরুল হক

তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। আমরা সঠিক জেনেছি যে সে তো নিশ্চয়ই পেছনে - পড়েথাকাদের মধ্যেকার।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘কিন্তু তাহার স্ত্রীকে নহে; আমরা স্থির করিয়াছি যে, সে অবশ্যই পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তবে তার স্ত্রী ছাড়া, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, নিশ্চয় সে শাস্তিপ্রাপ্তদের দলভুক্ত’।

জহুরুল হক

তারপর যখন বাণীবাহকরা লূত - এর পরিজনের কাছে এল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাগণ যখন লূত - পরিবারের নিকট আসিল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরপর যখন ফেরেশতাগণ লূতের পরিবারের কাছে আসল,

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা তো অপরিচিত লোক।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন লূত বলিল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক’।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছি তাই নিয়ে যে - সন্বন্ধে তারা তর্ক - বিতর্ক করত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিল, ‘না, উহারা যে বিষয়ে সন্দিগ্ধ ছিল আমরা তোমার নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘বরং আমরা তোমার কাছে এমন বিষয় নিয়ে এসেছি, যাতে তারা সন্দেহ করত’।

জহুরুল হক

''আর আমরা তোমার কাছে নিয়ে এসেছি সত্যবার্তা, আর আমরা নিঃসন্দেহ সত্যবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তোমার নিকট সত্য সংবাদ লইয়া আসিয়াছি এবং অবশ্যই আমরা সত্যবাদী;

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা তোমার নিকট সত্য নিয়ে এসেছি এবং আমরা অবশ্যই সত্যবাদী’।

জহুরুল হক

''সুতরাং তোমার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের এক অংশে, আর তুমি তাদের পেছন থেকে অনুসরণ কর, আর তোমাদের মধ্যের কেউ যেন পিছন দিকে না দেখে, আর চলে যাও যেখানে তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বাহির হইয়া পড় এবং তুমি তাহাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যাইতে বলা হইতেছে তোমরা সেখানে চলিয়া যাও।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তুমি তোমার পরিবার নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের একাংশে, আর তুমি তাদের পেছনে চল, আর তোমাদের কেউ পেছনে ফিরে তাকাবে না এবং যেভাবে তোমাদের নির্দেশ করা হয়েছে সেভাবেই চলতে থাকবে’।

জহুরুল হক

আর তাঁর কাছে আমরা জানিয়ে দিলাম এই নির্দেশ যে এদের শেষটুকুও কেটে দেওয়া হবে ভোরে জেগে ওঠার বেলায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে এই বিষয়ে ফায়সালা জানাইয়া দিলাম যে, প্রত্যূষে উহাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলাম যে, নিশ্চয় সকালে এদের শিকড় কেটে ফেলা হবে।

জহুরুল হক

আর শহরের লোকেরা এল উৎফুল্ল হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নগরবাসিগন উল্লসিত হইয়া উপস্থিত হইল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর শহরের অধিবাসীরা উৎফুল্ল হয়ে হাযির হল।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এরা নিশ্চয়ই আমার অতিথি, সুতরাং আমাকে বেইজ্জত করো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘উহারা আমার অতিথি; সুতরাং তোমরা আমাকে বেইয্‌যত করিও না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘নিশ্চয় এরা আমার মেহমান, সুতরাং আমাকে অপমানিত করো না’।

জহুরুল হক

''আর ‌কে ভয়শ্রদ্ধা কর, আর আমাকে লজ্জা দিয়ো না!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা ‌কে ভয় কর ও আমাকে হেয় করিও না।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে লাঞ্ছিত করো না’।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা কি তোমাকে নিষেধ করি নি জগদ্বাসীদের সম্পর্কে?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা কি জগদ্বাসীর কারো মেহমানদারী করতে তোমাকে নিষেধ করিনি’?

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এরা আমার কন্যা, যদি তোমরা করতে চাও!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত বলিল, ‘একান্তই যদি তোমরা কিছু করিতে চাও তবে আমার এই কন্যাগণ রহিয়াছে।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘ওরা আমার মেয়ে* , যদি তোমরা করতেই চাও (তবে বিবাহের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে কর)। *‘আমার মেয়ে’ দ্বারা উদ্দেশ্য কওমের মেয়েরা। কারণ, যে কোন কওমের নবী তাদের পিতাতুল্য।

জহুরুল হক

তোমার জীবনের কসম! তারা নিঃসন্দেহ তাদের মত্ততায় অন্ধভাবে ঘুরছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার জীবনের শপথ, উহারা তো মত্ততায় বিমূঢ় হইয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার জীবনের কসম, নিশ্চয় তারা তাদেরকে নেশায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।

জহুরুল হক

কাজেই এক মহাধ্বনি তাদের পাকড়াও করল সূর্যোদয়কালে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সূর্যোদয়ের সময়ে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব সূর্যোদয়কালে বিকট আওয়াজ তাদের পেয়ে বসল।

জহুরুল হক

কাজেকাজেই এর উপরভাগ আমরা বানিয়ে দিলাম এর নিচের ভাগ, আর তাদের উপরে বর্ষণ করলাম পোড়া - মাটির পাথর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি জনপদকে উল্টাইয়া উপর নীচ করিয়া দিলাম এবং উহাদের উপর প্রস্তর - কংকর বর্ষণ করিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তার (নগরীর) উপরকে নিচে উলটে দিলাম এবং তাদের উপর বর্ষণ করলাম পোড়া মাটির পাথর।

জহুরুল হক

নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদের্শনাবলী রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছে পর্যবেক্ষণ - শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে পর্যবেক্ষণকারীদের জন্য রয়েছে নিদর্শনমালা।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি একটি সড়কের উপরে অবস্থিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা তো লোক চলাচলের পথিপার্শ্বে এখনও বিদ্যমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয়ই তা পথের পাশেই বিদ্যমান ।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহাতে মু’মিনদের জন্য রহিয়াছে নিদর্শন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে মুমিনদের জন্য রয়েছে নিদর্শন।

জহুরুল হক

আর আসহাবুল আইকাহ্ অবশ্যই ছিল অন্যায়াচারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ‘আয়কা’বাসীরাও তো ছিল সীমালংঘনকারী,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আইকার* অধিবাসীরা ছিল যালিম। * الأيكة বলা হয় ঘন উদ্যানকে। শুআইব (আ:)-এর কওম গহীন বনে বসবাস করত, তাই তাদেরকে أصحاب الأيكة বলা হয়।

জহুরুল হক

সেজন্য তাদের থেকে আমরা প্রতিফল আদায় করেছিলাম। তারা উভয়েই তো রয়েছে প্রকাশ্য রাজপথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি, অবশ্য উভয়টিই প্রকাশ্য পথিপার্শ্বে অবস্থিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম। আর এ (জনপদ) দু’টি উন্মুক্ত রাস্তার পাশেই বিদ্যমান।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয় পাথুরে - পাহাড়ের বাসিন্দারাও রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হিজরবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই হিজরের অধিবাসীরা [সালেহের (আঃ) কওম] রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছে।

জহুরুল হক

আর তাদের আমরা আমাদের নির্দেশাবলী দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সে - সব থেকে ফিরে গিয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে আমার নিদর্শন দিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়াছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে আমার আয়াতসমূহ দিয়েছিলাম, তবে তারা তা থেকে বিমুখ হয়েছে।

জহুরুল হক

আর তারা পাহাড় কেটে নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়িঘর তৈরি করত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিত নিরাপদ বাসের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা পাহাড় কেটে বাড়ি বানাত নিরাপদে।

জহুরুল হক

কিন্তু প্রচন্ড আওয়াজ তাদের পাকড়াও করল সকালবেলায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর প্রভাতকালে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু ভোরে বিকট আওয়াজ তাদেরকে পাকড়াও করল।

জহুরুল হক

কাজেই তারা যা অর্জন করত তা তাদের কোনো কাজে আসে নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং উহারা যাহা অর্জন করিত তাহা উহাদের কোন কাজে আসে নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা যা উপার্জন করত, তা তাদের কাজে আসল না।

জহুরুল হক

আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা সৃষ্টি করি নি সত্যের সঙ্গে ব্যতীত। আর নিঃসন্দেহ ঘড়ি - ঘন্টা তো এসে পড়ল; সুতরাং উপেক্ষা করো মহৎ উপেক্ষাভরে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি অযথা সৃষ্টি করি নাই এবং কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং তুমি পরম সৌজন্যের সঙ্গে উহাদেরকে ক্ষমা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দুয়ের মধ্যে যা আছে, তা যথার্থতা ছাড়া সৃষ্টি করিনি এবং নিশ্চয় কিয়ামত আসবে। সুতরাং তুমি সুন্দরভাবে তাদেরকে এড়িয়ে যাও।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রবই সৃষ্টিকর্তা, মহাজ্ঞানী।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তোমাকে আমরা দিয়েছি বারবার - পঠিত সাতটি, আর এক সুমহান কুরআন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমাকে দিয়াছি সাত আয়াত যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত হয় এবং দিয়াছি মহান কুরআন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো তোমাকে দিয়েছি পুনঃপুনঃ পঠিত সাতটি আয়াত ও মহান কুরআন।

জহুরুল হক

তাদের মধ্যের কতক পরিবারকে যা ভোগবিলাসের বস্তু দিয়েছি তার প্রতি তোমার চোখ দিয়ো না, আর তাদের প্রতি তুমি ক্ষোভ করো না, বরং তোমার ডানা নামাও মুমিনদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ - বিলাসের যে উপকরণ দিয়াছি, তাহার প্রতি তুমি কখনও তোমার চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করিও না। তাহাদের জন্য তুমি দুঃখ করিও না; তুমি মু’মিনদের জন্য তোমার পক্ষপুট অবনমিত কর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তাদের কিছু শ্রেণীকে যে ভোগ-উপকরণ দিয়েছি, তার প্রতি তুমি দু’চোখ প্রসারিত করো না। আর তাদের জন্য দুঃখিত হয়ো না এবং মুমিনদের জন্য তোমার বাহু অবনত কর।

জহুরুল হক

আর বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি, আমি হচ্ছি একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বল, ‘আমি তো কেবল এক প্রকাশ্য সতর্ককারী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বল, ‘নিশ্চয় আমিই সুস্পষ্ট সতর্ককারী’।

জহুরুল হক

যেমন আমরা পাঠিয়েছিলাম বিভক্তদের প্রতি, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেভাবে আমি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম বিভক্তকারীদের উপর;

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেভাবে আমি নাযিল করেছিলাম বিভক্তকারীদের (ইয়াহূদী ও নাসারা) উপর,

জহুরুল হক

যারা কুরআনকে করে ছিন্নভিন্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা কুরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছিল।* * ‘বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছিল, অর্থাৎ কুরআনকে তারা বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন অভিধায় চি‎‎হ্নত করত, যেমন কেউ বলত, এটি যাদু, কেউ বলত, কবিতা, আবার কেউ বলত, গণকদের গণনা ইত্যাদি।

জহুরুল হক

সুতরাং, তোমার প্রভুর কসম! আমরা নিশ্চয়ই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং শপথ তোমার প্রতিপালকের! আমি উহাদের সকলকে প্রশ্ন করিবই,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমার রবের কসম, আমি তাদের সকলকে অবশ্যই জেরা করব,

জহুরুল হক

তারা যা করে চলেছিল সে - সন্বন্ধে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই বিষয়ে, যাহা উহারা করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যা করত, সে সম্পর্কে।

জহুরুল হক

কাজেই প্রকাশ্যে ঘোষণা করো যা তোমাকে আদেশ করা হয়েছে, আর বহুখোদাবাদীদের থেকে ফিরে থেকো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি যে বিষয়ে আদিষ্ট হইয়াছ তাহা প্রকাশ্যে প্রচার কর এবং মুশরিকদেরকে উপেক্ষা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে, তা ব্যাপকভাবে প্রচার কর এবং মুশরিকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।

জহুরুল হক

আমরাই তো তোমার জন্য যথেষ্ট বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই যথেষ্ট তোমার জন্য বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তোমার জন্য উপহাসকারীদের বিপক্ষে যথেষ্ট।

জহুরুল হক

যারা ‌র সাথে দাঁড় করায় অন্য উপাস্য, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র সঙ্গে অপর ইলাহ্‌ নির্ধারণ করিয়াছে। সুতরাং শীঘ্রই ইহারা জানিতে পারিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা আল্লাহর সাথে অন্য নির্ধারণ করে। অতএব তারা অচিরেই জানতে পারবে।

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্য জানি যে তারা যা বলে তাতে তোমার বক্ষ আলবৎ পীড়িত হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি জানি যে, তারা যা বলে তাতে তোমার অন্তর সঙ্কুচিত হয়।

জহুরুল হক

সুতরাং তোমার প্রভুর প্রশংসা দ্বারা মহিমা কীর্তন করো, আর সিজদাকারীদের মধ্যেকার হও,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ কর এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভুর উপাসনা কর যে পর্যন্ত না তোমার কাছে আসে যা সুনিশ্চিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইয়াকীন (মৃত্যু) আসা পর্যন্ত তুমি তোমার রবের ইবাদাত কর।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme