Kitab

আল ওয়াক্বিয়া

Chapter 56, 96 verses

  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক

যখন বিরাট ঘটনাটি ঘটবে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন কিয়ামত ঘটিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ঘটনা (কিয়ামত) সংঘটিত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে।

জহুরুল হক

এর সংঘটনকে মিথ্যা বলার কেউ থাকবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার সংঘটন অস্বীকার করিবার কেহ থাকিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সেই ঘটনাকে অস্বীকার করার কেউ থাকবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তার সংঘটনের কোনই অস্বীকারকারী থাকবে না।

জহুরুল হক

এটি লাঞ্ছিত করবে, এটি করবে সমুন্নত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কাহাকেও করিবে নীচ, কাহাকেও করিবে সম্মুন্নত ;

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা কাউকে নামাবে নিচে, কাউকেও উঠাবে উপরে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা কাউকে ভূলুণ্ঠিত করবে এবং কাউকে করবে সমুন্নত।

জহুরুল হক

যখন পৃথিবী আলোড়িত হবে আলোড়নে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হইবে পৃথিবী,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন পৃথিবী কেঁপে উঠবে প্রচন্ড রকম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন যমীন প্রকম্পিত হবে প্রবল প্রকম্পনে।

জহুরুল হক

আর পাহাড়গুলো ভেঙ্গে পড়বে চূর্ণ - বিচূর্ণ হয়ে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতমালা চূর্ণ - বিচূর্ণ হইয়া পড়িবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে পাহাড় পর্বত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে।

জহুরুল হক

ফলে তা হয়ে যাবে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহা পর্যবসিত হইবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণায়;

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে সেগুলো পরিণত হবে ছুঁড়ে মারা ধুলোবালির মতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।

জহুরুল হক

আর তোমরা হয়ে পড়বে তিনটি শ্রেণীতে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা বিভক্ত হইয়া পড়িবে তিন শ্রেণীতে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়বে তিন ভাগে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়বে তিন দলে।

জহুরুল হক

যথা ডান দিকের দল, - - কেমনতর এই ডানদিকের দল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!

আবদুস শহীদ নাসিম

একটি হবে ডানদিকের দল। কী যে ভাগ্যবান হবে ডানদিকের দল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং ডান পার্শ্বের দল, ডান পার্শ্বের দলটি কত সৌভাগ্যবান!

জহুরুল হক

আর বাঁদিকের দল, - - কেমনতর এই বাঁদিকের দল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বাম দিকের দল; কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

আবদুস শহীদ নাসিম

একটি হবে বামদিকের দল। কী যে দুর্ভাগা হবে বামদিকের দল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বাম পার্শ্বের দল, বাম পার্শ্বের দলটি কত হতভাগ্য!

জহুরুল হক

আর অগ্রগামীগণ তো অগ্রগামী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর অগ্রবর্তীগণই তো অগ্রবর্তী,

আবদুস শহীদ নাসিম

আরেকটি হবে অগ্রগামী দল। তারা তো থাকবে অগ্রগামীই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অগ্রগামীরাই অগ্রগামী।

জহুরুল হক

এরাই হবে নৈকট্যপ্রাপ্ত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হবে সান্নিধ্য প্রাপ্ত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারাই সান্নিধ্যপ্রাপ্ত।

জহুরুল হক

আনন্দময় উদ্যানে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিয়ামতপূর্ণ উদ্যানে;

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা থাকবে নিআমতপূর্ণ জান্নাতসমূহে ।

জহুরুল হক

প্রথমকালীনদের থেকে অধিক সংখ্যায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বহুসংখ্যক হইবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হইতে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বেশিরভাগই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বহুসংখ্যক হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

জহুরুল হক

আর পরবর্তীকালীনদের থেকে অল্প সংখ্যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অল্পসংখ্যক হইবে পরবর্তীদের মধ্য হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্বল্প সংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অল্পসংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

জহুরুল হক

কারুকার্যময় সিংহাসনে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্বর্ণখচিত আসনে

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে সোনা ও মনিমুক্তা খচিত আসনে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

স্বর্ণ ও দামী পাথরখচিত আসনে!

জহুরুল হক

তাতে তারা হেলান দিয়ে আসন গ্রহণ করবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা হেলান দিয়া বসিবে, পরস্পর মুখোমুখি হইয়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে তারা হেলান দিয়ে বসবে মুখোমুখি হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা সেখানে হেলান দিয়ে আসীন থাকবে মুখোমুখি অবস্থায়।

জহুরুল হক

তাদের চারিদিকে ঘুরে বেড়াবে চিরনবীন তরুণেরা - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সেবায় ঘোরাফেরা করিবে চির - কিশোরেরা

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (সেবায়) তাওয়াফ করতে থাকবে চির বালকেরা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের আশ-পাশে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোররা,

জহুরুল হক

পানপাত্র ও সোরাই নিয়ে ও নির্মল পানীয়ের পেয়ালা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পানপাত্র, কুঁজা ও প্রস্রবণ - নিঃসৃত সুরাপূর্ণ পেয়ালা লইয়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

পানপাত্র, কুঁজা এবং বহমান ঝর্ণা থেকে নেয়া সুরার পাত্র নিয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

পানপাত্র, জগ ও প্রবাহিত ঝর্ণার শরাবপূর্ণ পেয়ালা নিয়ে,

জহুরুল হক

তাদের মাথা ধরবে না তাতে, আর তাদের নেশাও ধরবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই সুরা পানে তাহাদের শিরঃপীড়া হইবে না, তাহারা জ্ঞানহারাও হইবে না -

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই সুরা পানে তাদের মাথাব্যথাও হবেনা এবং তারা জ্ঞান হারিয়ে মাতালও হবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা পানে না তাদের মাথা ব্যথা করবে, আর না তারা মাতাল হবে।

জহুরুল হক

আর ফল - মূল যা তারা পছন্দ করে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের পসন্দমত ফলমূল,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে বিপুল ফলফলারি বেছে বেছে পছন্দসইটি গ্রহণ করার,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর (ঘোরাফেরা করবে) তাদের পছন্দমত ফল নিয়ে।

জহুরুল হক

আর পাখির মাংস যা তারা কামনা করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের ঈপ্সিত পাখির গোশ্‌ত লইয়া,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে পাখির গোশ্ত যেটা তাদের মন চাইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পাখির গোশ্‌ত নিয়ে, যা তারা কামনা করবে।

জহুরুল হক

আর আয়তলোচন হূরগণ - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের জন্য থাকিবে আয়তলোচনা হূর,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে আয়তলোচনা হুর (সুন্দরী নারীকুল)

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর থাকবে ডাগরচোখা হূর,

জহুরুল হক

আবৃত মুক্তার উদাহরণের ন্যায়; - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুরক্ষিত মুক্তাসদৃশ,

আবদুস শহীদ নাসিম

(ঝিনুকের মধ্যে) লুকানো মুক্তার মতো,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেন তারা সুরক্ষিত মুক্তা,

জহুরুল হক

যা তারা করতো তার পুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের কর্মের পুরস্কারস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আমলের প্রতিদান হিসেবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যে আমল করত তার প্রতিদানস্বরূপ।

জহুরুল হক

তারা সেখানে শুনবে না কোনো খেলোকথা, না কোনো পাপবাক্য, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা শুনিবে না কোন অসার অথবা পাপবাক্য,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে শুনবেনা কোনো অর্থহীন কথা কিংবা পাপালাপ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা;

জহুরুল হক

শুধু এই কথা ছাড়া - - ''সালাম! সালাম!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

শুনবে কেবল সালাম আর সালাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’

জহুরুল হক

আর ডানদিকের দল, - - কেমনতর এই ডানদিকের দল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ডানদিকের দল, কত ভাগ্যবান ডানদিকের দল!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর ডানদিকের দল, কী যে ভাগ্যবান ডানদিকের দল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!

জহুরুল হক

কাঁটা বিহীন সিদরাহ - গাছের নীচে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা থাকিবে এমন উদ্যানে, সেখানে আছে কণ্টকহীন কুলবৃক্ষ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুল বাগানে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুলগাছের নিচে,

জহুরুল হক

আর সারি সারি সাজানো কলাগাছ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাঁদি ভরা কদলী বৃক্ষ,

আবদুস শহীদ নাসিম

কাঁদিভরা কলার বাগানে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাঁদিপূর্ণ কলাগাছের নিচে,

জহুরুল হক

আর সুদূরবিস্তৃত ছায়া,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্প্রসারিত ছায়া,

আবদুস শহীদ নাসিম

বিস্তীর্ণ ছায়ার মাঝে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বিস্তৃত ছায়ায়,

জহুরুল হক

আর উছলে ওঠা পানি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সদা প্রবহমান পানি,

আবদুস শহীদ নাসিম

সদা বহমান পানির মধ্যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সদা প্রবাহিত পানির পাশে,

জহুরুল হক

আর প্রচুর পরিমাণে ফলমূল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও প্রচুর ফলমূল,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বিপুল ফলমূলের মাঝে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রচুর ফলমূলে,

জহুরুল হক

ব্যাহত হবার নয় এবং নিষিদ্ধ হবারও নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা শেষ হইবে না ও যাহা নিষিদ্ধও হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যা কখনো শেষও হবেনা, নিষিদ্ধও হবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা শেষ হবে না এবং নিষিদ্ধও হবে না।

জহুরুল হক

আর উঁচুদরের গালিচা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে উঁচু উঁচু শয্যায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

(তারা থাকবে) সুউচ্চ শয্যাসমূহে;

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা ওদের সৃষ্টি করেছি বিশেষ সৃষ্টিতে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি বিশেষরূপে -

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের (পৃথিবীর জান্নাতি স্ত্রীদের) সৃষ্টি করবো অপরূপ সৃষ্টিতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি হূরদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করব।

জহুরুল হক

আর তাদের বানিয়েছি চিরকুমারী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে করিয়াছি কুমারী,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বানিয়ে দেবো কুমারী,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদেরকে বানাব কুমারী,

জহুরুল হক

সোহাগিনী, সমবয়স্কা, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সোহাগিনী ও সমবয়স্কা,

আবদুস শহীদ নাসিম

স্বামীগত প্রাণ এবং সমবয়স্কা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সোহাগিনী ও সমবয়সী।

জহুরুল হক

দক্ষিণপন্থী লোকদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডানদিকের লোকদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

ডানদিকের লোকদের জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ডানদিকের লোকদের জন্য।

জহুরুল হক

প্রথমকালীনদের থেকে অধিক সংখ্যায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের অনেকে হইবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হইতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তী লোকদের থেকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

জহুরুল হক

আর পরবর্তীকালীনদের মধ্যে থেকেও অধিক সংখ্যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অনেকে হইবে পরবর্তীদের মধ্য হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং অনেকেই হবে পরবর্তী লোকদের থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

জহুরুল হক

কিন্তু বামপন্থীদল - - কেমনতর এই বামপন্থী দল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বামদিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর বামদিকের লোকেরা, কী যে হতভাগ্য বামদিকের লোকেরা!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

জহুরুল হক

উত্তপ্ত বাতাসে ও ফুটন্ত পানিতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা থাকিবে অত্যুষ্ণ বায়ু ও উত্তপ্ত পানিতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে প্রচন্ড গরম বাতাস আর টগবগে ফুটন্ত গরম পানির মধ্যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা থাকবে তীব্র গরম হাওয়া এবং প্রচন্ড উত্তপ্ত পানিতে,

জহুরুল হক

আর কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কৃষ্ণবর্ণ ধূম্রের ছায়ায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে কালো ধুঁয়ার ছায়ায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রচন্ড কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,

জহুরুল হক

শীতল নয় এবং সম্মানজনকও নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা শীতল নয়, আরামদায়কও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা ঠান্ডাও হবেনা, আরামদায়কও হবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা শীতলও নয়, সুখকরও নয়।

জহুরুল হক

অথচ তারা তো এর আগে ছিল ভোগবিলাসে মগ্ন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইতিপূর্বে উহারা তো মগ্ন ছিল ভোগ - বিলাসে

আবদুস শহীদ নাসিম

ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা তো মত্ত ছিলো ভোগ বিলাসে

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা ইতঃপূর্বে বিলাসিতায় মগ্ন ছিল,

জহুরুল হক

আর তারা ঘোরতর পাপাচারে জেদ ধরে থাকত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা অবিরাম লিপ্ত ছিল ঘোরতর পাপকর্মে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা অবিরাম লিপ্ত ছিলো গুরুতর পাপ কাজে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা জঘন্য পাপে লেগে থাকত।

জহুরুল হক

আর তারা বলত - - ''কী! আমরা যখন মরে যাব ও মাটি ও হাড্ডি হয়ে যাব তখন কি আমরা আদৌ পুনরুত্থিত হব, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহারা বলিত, ‘মরিয়া অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হইলেও কি উত্থিত হইব আমরা?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলতো: ‘‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি আর হাড়ে পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরুত্থিত করা হবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলত, ‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?’

জহুরুল হক

এবং আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও?’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''নিঃসন্দেহ পূর্ববর্তীরা এবং পরবর্তীরা - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘অবশ্যই পূর্ববর্তিগণ ও পরবর্তিগণ -

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: পূর্বের এবং পরের সবাইকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘নিশ্চয় পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা,

জহুরুল হক

''অবশ্যই সবাইকে একত্রিত করা হবে এক সুবিদিত দিনের নির্ধারিত স্থানে - ক্ষণে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সকলকে একত্র করা হইবে এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

একত্র করা হবে একটি নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে অবশ্যই একত্র হবে’।

জহুরুল হক

''তখন নিঃসন্দেহ তোমরাই, হে পথভ্রষ্ট মিথ্যাআরোপকারিগণ!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর হে বিভ্রান্ত অস্বীকারকারীরা!

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর হে বিভ্রান্ত অস্বীকারকারীরা!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা,

জহুরুল হক

''তোমরা আলবৎ আহার করবে যিক্কুমের গাছের থেকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই আহার করিবে যাক্কূম বৃক্ষ হইতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা অবশ্যি খাবে যাক্কুম গাছ থেকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই যাক্কূম গাছ থেকে খাবে,

জহুরুল হক

''এবং তাই দিয়ে তোমরা উদর পূর্ণ করবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহা দ্বারা তোমরা উদর পূর্ণ করিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তা দিয়ে পূর্ণ করবে তোমাদের উদর!

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।

জহুরুল হক

''তারপর তোমরা তার উপরে পান করবে উত্তপ্ত পানি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে তোমরা পান করিবে উহার উপর অত্যুষ্ণ পানি -

আবদুস শহীদ নাসিম

তার উপর পান করবে টগবগে ফুটন্ত গরম পানি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তদুপরি পান করবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি।

জহুরুল হক

''আর তোমরা পান করবে তৃষ্ণার্ত উটের পান করার ন্যায়।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পান করিবে তৃষ্ণার্ত উষ্ট্রের ন্যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তা তোমরা পান করবে তৃষার্ত উটের মতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তোমরা তা পান করবে তৃষ্ণাতুর উটের ন্যায়।

জহুরুল হক

এই হবে তাদের আপ্যায়ন বিচারের দিনে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের দিন ইহাই হইবে উহাদের আপ্যায়ন।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিদান দিবসে এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী,

জহুরুল হক

আমরাই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছি, তবে কেন তোমরা সত্য বলে স্বীকার কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি, তবে কেন তোমরা বিশ্বাস করিতেছ না?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরাই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছি, কেন তোমরা তা স্বীকার করছো না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি: তাহলে কেন তোমরা তা বিশ্বাস করছ না?

জহুরুল হক

তোমরা কি তবে ভেবে দেখেছ - - যা তোমরা স্খলন কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ তোমাদের বীর্যপাত সম্বন্ধে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে বীর্যপাত করো, সে বিষয়ে তোমরা ভেবে দেখেছো কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমরা যে বীর্যপাত করছ সে সম্পর্কে?

জহুরুল হক

তোমরা বুঝি ওকে সৃষ্টি করেছ, না আমরা সৃষ্টিকর্তা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তা কি তোমরা সৃষ্টি করো, নাকি আমরাই তার স্রষ্টা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমিই তার স্রষ্টা?

জহুরুল হক

আমরাই তোমাদের মধ্যে মৃত্যু ধার্য করে রেখেছি, আর আমরা প্রতিহত হব না, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারিত করিয়াছি এবং আমি অক্ষম নই -

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের জন্যে নির্ধারণ করে রেখেছি মউত এবং আমরা অক্ষম নই

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারণ করেছি এবং আমাকে অক্ষম করা যাবে না,

জহুরুল হক

যেন আমরা বদলে দিতে পারি তোমাদের অনুকরণে, এবং তোমাদের রূপান্তরিত করতে পারি তাতে যা তোমরা জান না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের স্থলে তোমাদের সদৃশ আনয়ন করিতে এবং তোমাদেরকে এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করিতে যাহা তোমরা জান না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের বদল করে তোমাদের স্থলে তোমাদের অনুরূপ অন্যদের নিয়ে আসতে এবং তোমাদের এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জানো না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের স্থানে তোমাদের বিকল্প আনয়ন করতে এবং তোমাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না।

জহুরুল হক

আর তোমরা অবশ্য প্রথম অভ্যুত্থান সন্বন্ধে অবগত হয়েছ, তবে কেন তোমরা ভেবে দেখ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো অবগত হইয়াছ প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তো কেবল প্রথম সৃষ্টির কথাই জানো। তবে কেন তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করোনা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা তো প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে জেনেছ, তবে কেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করছ না?

জহুরুল হক

তোমরা কি ভেবে দেখেছ যা তোমরা বপন কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে চিন্তা করিয়াছ কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে (ক্ষেত খামারে) বীজ বপন করে আসো, সে বিষয়ে তোমরা ভেবে দেখেছো কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা আমাকে বল, তোমরা যমীনে যা বপন কর সে ব্যাপারে,

জহুরুল হক

তোমরা কি তা গজিয়ে তুলো, না আমরা বর্ধনকারী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি উহাকে অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি অংকুরিত করো কি তোমরা, নাকি আমরাই অংকুর সৃষ্টিকারী?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?

জহুরুল হক

আমরা যদি চাইতাম তবে আমরা আলবৎ তাকে খড় - কুটোয় পরিণত করতে পারতাম, তখন তোমরা হাহুতাশ করতে থাকবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে ইহাকে খড় - কুটায় পরিণত করিতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হইয়া পড়িবে তোমরা;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইচ্ছা করলে তা খড় কুটায় পরিণত করে দিতে পারি, তাতে তোমরা হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে (এবং বলবে:)

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন তোমরা পরিতাপ করতে থাকবে-

জহুরুল হক

''আমরা তো নিশ্চয় ঋণগ্রস্ত হলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছি’,

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আমরা তো দেউলিয়া হয়ে পড়েছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

(এই বলে,) ‘নিশ্চয় আমরা দায়গ্রস্ত হয়ে গেলাম’।

জহুরুল হক

''বরং আমরা বঞ্চিত হলাম।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং ‘আমরা হৃতসর্বস্ব হইয়া পড়িয়াছি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘বরং আমরা মাহরূম হয়েছি’।

জহুরুল হক

তোমরা যে পানি পান কর সে - সন্বন্ধে তোমরা কি ভেবে দেখেছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে পানি পান কর তাহা সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করিয়াছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে পানি পান করো সে বিষয়ে ভেবে দেখেছো কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা যে পানি পান কর সে ব্যাপারে আমাকে বল।

জহুরুল হক

তোমরাই কি তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমরা বর্ষণকারী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি উহা মেঘ হইতে নামাইয়া আন, না আমি উহা বর্ষণ করি?

আবদুস শহীদ নাসিম

মেঘ থেকে তা কি তোমরা নাযিল করো, নাকি আমরা নামিয়ে আনি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

বৃষ্টিভরা মেঘ থেকে তোমরা কি তা বর্ষণ কর, না আমি বৃষ্টি বর্ষণকারী?

জহুরুল হক

আমরা যদি চাইতাম তাহলে আমরা তাকে লোনা করে দিতে পারতাম, কেন তবে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে উহা লবণাক্ত করিয়া দিতে পারি। তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইচ্ছা করলে তা লোনা লবণাক্ত রেখে দিতে পারি, তবু কেন তোমরা শোকর আদায় করোনা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইচ্ছা করলে আমি তা লবণাক্ত করে দিতে পারি: তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও না?

জহুরুল হক

তোমরা যে আগুন জ্বালাও তা কি তোমরা লক্ষ্য করেছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে অগ্নি কর তাহা লক্ষ্য করিয়া দেখিয়াছ কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে আগুন জ্বালাও, তার প্রতি লক্ষ্য করে দেখেছো কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে ব্যাপারে আমাকে বল,

জহুরুল হক

তোমরাই কি তার গাছকে জন্মইয়েছ, না আমরা উৎপাদনকারী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরাই কি উহার বৃক্ষ সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরাই কি তার জ্বালানি সৃষ্টি করো, নাকি আমরাই তার স্রষ্টা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরাই কি এর (লাকড়ির গাছ) উৎপাদন কর, না আমি করি?

জহুরুল হক

আমরাই তাকে বানিয়েছি এক নিদর্শনসামগ্রী এবং মরুচারীদের জন্য এক প্রয়োজনসামগ্রী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহাকে করিয়াছি নিদর্শন এবং মরুচারীদের প্রয়োজনীয় বস্তু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এটাকে করেছি একটি নিদর্শন এবং মরুচারীদের জন্যে অতীব প্রয়োজনীয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

একে আমি করেছি এক স্মারক ও মরুবাসীর প্রয়োজনীয় বস্তু।

জহুরুল হক

অতএব তোমার সর্বশক্তিমান প্রভুর নামের জপতপ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি তোমার মহান প্রভুর নাম নিয়ে তসবিহ করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।

জহুরুল হক

না, আমি কিন্তু শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অবস্থানের, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি শপথ করছি নক্ষত্র রাজির অস্তাচলের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি কসম করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি তো এক বিরাট শপথ, যদি তোমরা জানতে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহা এক মহাশপথ, যদি তোমরা জানিতে -

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি এটা একটা বড় শপথ, যদি তোমরা এর গুরুত্ব বুঝতে!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় এটি এক মহাকসম, যদি তোমরা জানতে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি তো এক সম্মানিত কুরআন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহা সম্মানিত কুরআন,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এটি একটি সম্মানিত কুরআন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এটি মহিমান্বিত কুরআন,

জহুরুল হক

এক সুরক্ষিত গ্রন্থে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি রয়েছে সুরক্ষিত কিতাবে (উম্মুল কিতাবে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে,

জহুরুল হক

কেউ তা স্পর্শ করবে না পূত - পবিত্র ছাড়া।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা পূত - পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

পবিত্ররা (ফেরেশতারা) ছাড়া কেউ এটি স্পর্শ করেনা (নবীর কাছে বহন করে আনেনা)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কেউ তা স্পর্শ করবে না পবিত্রগণ ছাড়া।

জহুরুল হক

এটি এক অবতারণ বিশ্বজগতের প্রভুর কাছ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি নাযিল হচ্ছে রাববুল আলামিনের পক্ষ থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা সৃষ্টিকুলের রবের কাছ থেকে নাযিলকৃত।

জহুরুল হক

তা সত্ত্বেও কি সেই বাণীর প্রতি তোমরা তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবাপন্ন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এই মহাবাণীকে তোমরা তুচ্ছ মনে করছো?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কি তোমরা এই বাণী তুচ্ছ গণ্য করছ?

জহুরুল হক

এবং তোমাদের জীবিকা বানিয়ে নিয়েছ যে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দেবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছ !

আবদুস শহীদ নাসিম

আর মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করাকেই কি তোমরা বানিয়ে নিয়েছো তোমাদের উপজীব্য?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা তোমাদের রিয্ক বানিয়ে নিয়েছ যে, তোমরা মিথ্যা আরোপ করবে।

জহুরুল হক

তবে কেন যখন কন্ঠাগত হয়ে যায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরন্তু কেন নয় - প্রাণ যখন কণ্ঠাগত হয়

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তোমাদের প্রাণ এসে পড়বে কণ্ঠনালীতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং কেন নয়- যখন রূহ কণ্ঠদেশে পৌঁছে যায়?

জহুরুল হক

এবং তোমরা যে - সময়ে তাকিয়ে থাকো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তখন তোমরা তাকাইয়া থাক,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তোমরা তাকিয়ে থাকবে এক দৃষ্টিতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তখন তোমরা কেবল চেয়ে থাক।

জহুরুল হক

আমরা তখন তোমাদের চাইতে তার বেশী নিকটবর্তী কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তাহার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখিতে পাও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তোমাদের চাইতেও তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের চাইতে আমি তার খুব কাছে; কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।

জহুরুল হক

যদি তোমরা আজ্ঞাধীন না হয়ে থাক তবে কেন তোমরা পার না - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যদি কর্তৃত্বাধীন না হও!

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি পুনরুত্থান ও প্রতিদান দিবসকে মেনে না নাও,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের যদি প্রতিফল দেয়া না হয়, তাহলে তোমরা কেন

জহুরুল হক

তাকে ফিরিয়ে দিতে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তোমরা উহা ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তোমরা তা (জীবন) ফিরাও না কেন তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফিরিয়ে আনছ না রূহকে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?

জহুরুল হক

আর পক্ষান্তরে যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যদি সান্নিধ্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে যদি নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্যতম হয়,

জহুরুল হক

তাহলে আয়েশ - আরাম ও সৌরভ, এবং আনন্দময় উদ্যান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহার জন্য রহিয়াছে আরাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখদ উদ্যান;

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তখন তার জন্যে থাকবে সুরভিত এবং ফুলেল উদ্যান আর জান্নাতুন নায়ীম (নিয়ামতে ভরা জান্নাত)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে তার জন্য থাকবে বিশ্রাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখময় জান্নাত।

জহুরুল হক

আর অপরপক্ষে সে যদি দক্ষিণপন্থীদের মধ্যেকার হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যদি সে ডানদিকের একজন হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সে যদি হয় ডানদিকের লোকদের একজন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে যদি হয় ডানদিকের একজন,

জহুরুল হক

তাহলে দক্ষিণপন্থীদের দলের থেকে - - ''তোমার প্রতি সালাম।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহাকে বলা হইবে, ‘হে দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী! তোমার প্রতি শান্তি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তাকে বলা হবে: ‘হে ডান পাশবর্তী! তোমার প্রতি সালাম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে (তাকে বলা হবে), ‘তোমাকে সালাম, যেহেতু তুমি ডানদিকের একজন’।

জহুরুল হক

আর পক্ষান্তরে সে যদি প্রত্যাখ্যানকারী পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে যদি সত্য অস্বীকারকারী ও বিভ্রান্তদের অন্যতম হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সে যদি হয় বিভ্রান্ত মিথ্যাবাদীদের একজন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে যদি হয় অস্বীকারকারী ও পথভ্রষ্ট,

জহুরুল হক

তাহলে আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে রহিয়াছে আপ্যায়ন অত্যুষ্ণ পানির দ্বারা,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তার আতিথ্য হবে টগবগে ফুটন্ত গরম পানি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে তার মেহমানদারী হবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি দিয়ে,

জহুরুল হক

এবং প্রবেশস্থল হবে ভয়ংকর আগুন!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং দহন জাহান্নামের;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর জাহান্নামের দহন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর জ্বলন্ত আগুনে প্রজ্জ্বলনে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি অবশ্য সুনিশ্চিত সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো ধ্রুব সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ এক নিশ্চিত সত্য বিষয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এটি অবধারিত সত্য।

জহুরুল হক

সুতরাং তোমার সর্বশক্তিমান প্রভুর নামের জপতপ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, তুমি তসবিহ্ করো তোমার মহান প্রভুর নামের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme