Kitab

আল ত্বালাক্ব

Chapter 65, 12 verses

  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
জহুরুল হক

হে প্রিয় নবী! যখন তোমরা স্ত্রীলোকদের তালাক দাও তখন তাদের তালাক দিয়ো তাদের নির্ধারিত দিনের জন্য, আর ইদ্দতের হিসাব রেখো, আর তোমাদের প্রভু ‌কে ভয় - ভক্তি করো। তোমরা তাদের বের করে দিও না তাদের থাকা - ঘর থেকে, এবং তারাও যেন বেরিয়ে না যায় যদি না তারা স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়ে থাকে। আর এগুলোই ‌র সীমা। আর যে কেউ ‌র বিধান লংঘন করে সে তো তবে নিজের অন্তরা‌ত্মার প্রতি অন্যায় করেই ফেলেছে। তুমি জানো না, হয়ত এর পরে কোনো উপায় করে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর, উহাদেরকে তালাক দিও ‘ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া এবং তোমরা ‘ইদ্দতের হিসাব রাখিও এবং তোমাদের প্রতিপালক ‌কে ভয় করিও। তোমরা উহাদেরকে উহাদের বাসগৃহ হইতে বহিষ্কার করিও না এবং উহারাও যেন বাহির না হয়, যদি না উহারা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়। এইগুলি ‌র নির্ধারিত সীমা ; যে ‌র সীমা লংঘন করে সে নিজেরই উপর অত্যাচার করে। তুমি জান না, হয়তো ‌ ইহার পর কোন উপায় করিয়া দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দেয়ার উদ্যোগ নাও, তখন তাদের তালাক দেবে ইদ্দত পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতের হিসাব রাখবে। তোমাদের প্রভু আল্লাহকে ভয় করবে। তাদের বের করে দিয়োনা তাদের ঘর থেকে এবং তারা নিজেরাও যেনো বের হয়ে না যায়। তবে যদি তারা স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়, সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। এগুলো আল্লাহর হুদুদ (আইন)। যে কেউ লংঘন করবে আল্লাহর হুদুদ, সে নিজের প্রতিই যুলুম করবে। তুমি জানোনা, হয়তো এরপর বের করে দেবেন কোনো উপায়।

মুহিউদ্দীন খান

হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।

জহুরুল হক

তারপর যখন তারা তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে যায় তখন হয় তাদের রেখে দেবে ভালভাবে অথবা তাদের ছাড়াছাড়ি করে দেবে ভালভাবে, আর তোমাদের মধ্যে থেকে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী করো, আর তোমরা ‌র উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য কায়েম করবে। এইভাবেই এর দ্বারা তাকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে যে ‌তে ও আখেরাতের দিনে বিশ্বাস করে। আর যে কেউ ‌কে ভয় - ভক্তি করে তার জন্য তিনি বেরুবার পথ করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের ‘ইদ্দত পূরণের কাল আসন্ন হইলে তোমরা হয় যথাবিধি উহাদেরকে রাখিয়া দিবে, না হয় উহাদেরকে যথাবিধি পরিত্যাগ করিবে এবং তোমাদের মধ্য হইতে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখিবে আর তোমরা ‌র জন্য সঠিক সাক্ষ্য দিবে। ইহা দ্বারা তোমাদের মধ্যে যে কেহ ‌ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে তাহাকে উপদেশ দেওয়া হইতেছে। যে কেহ ‌কে ভয় করে ‌ তাহার পথ করিয়া দিবেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের ইদ্দতকাল পূর্ণ হয়ে আসবে, তখন তোমরা হয় প্রচলিত উত্তম পন্থায় তাদের রেখে দেবে, নতুবা প্রচলিত উত্তম পন্থায় তাদের বিদায় করে দেবে। আর এ সময় তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে সাক্ষী রাখবে এবং তোমরা আল্লাহর জন্যে সঠিক সাক্ষ্য দেবে। এর মাধ্যমে উপদেশ দেয়া হচ্ছে তোমাদের যারা ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, তাদেরকে। যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তার জন্যে বের হবার পথ খোলাসা করে দেবেন,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।

জহুরুল হক

আর তিনি তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করেন এমন দিক থেকে যা সে ধারণাও করে নি। আর যে ‌র উপরে নির্ভর করে - - তার জন্য তবে তিনিই যথেষ্ট। নিঃসন্দেহ তাঁর উদ্দেশ্য পরিপূর্ণকারী। নিশ্চয়ই সব - কিছুর জন্য এক পরিমাপ ধার্য করে রেখেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাকে তাহার ধারণাতীত উৎস হইতে দান করিবেন রিযিক। যে ব্যক্তি ‌র উপর নির্ভর করে তাহার জন্য ‌ই যথেষ্ট। ‌ তাঁহার ইচ্ছা পূরণ করিবেনই ; ‌ সমস্ত কিছুর জন্য স্থির করিয়াছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাকে রিযিক দেবেন এমন উৎস থেকে যা সে ধারণাই করেনি। যে কেউ তাওয়াক্কুল করবে আল্লাহর উপর, তিনিই তার জন্যে যথেষ্ট। তাঁর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেনই। তিনি প্রতিটি বস্ত্তর জন্যে নির্ধারণ করেছেন পরিমাণ ও মাত্রা।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। তার কাজ পূর্ণ করবেন। সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।

জহুরুল হক

আর তোমাদের নারীদের যারা ঋতু সন্বন্ধে হতাশ্বাস হয়েছে, যদি তোমরা সন্দেহ কর তাহলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস, আর তাদেরও যারা ঋতুমতী হয় নি। আর গর্ভবতী নারীরা - - তাদের সময়সীমা হচ্ছে যে তারা যেন তাদের গর্ভ নামিয়ে ফেলে। আর যে কেউ ‌কে ভয় - ভক্তি করে, তিনি তার কাজকর্ম তার জন্য সহজ করে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের যে সকল স্ত্রীর আর ঋতুমতী হইবার আশা নাই তাহাদের ‘ইদ্দত সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করিলে তাহাদের ‘ইদ্দতকাল হইবে তিন মাস এবং যাহারা এখনও রজঃস্বলা হয় নাই তাহাদেরও ; আর গর্ভবতী নারীদের ‘ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। আল্লাহকে যে ভয় করে ‌ তার সমস্যা সমাধান সহজ করিয়া দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যেসব স্ত্রী মাসিক স্রাব হওয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়েছে, তাদের ইদ্দতকাল সম্পর্কে তোমাদের সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দতকাল তিন মাস। আর যাদের এখনো মাসিক হতে শুরুই করেনি, তাদের ইদ্দতকালও অনুরূপ (তিন মাস)। আর গর্ভবতীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তার সমস্যার সমাধান সহজ করে দেবেন।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার কাজ সহজ করে দেন।

জহুরুল হক

এইটিই ‌র বিধান - - তোমাদের কাছে তিনি এ অবতারণ করেছেন। আর যে কেউ ‌কে ভয় - ভক্তি করে তার থেকে তিনি তার পাপসমূহ মোচন করবেন, আর তার জন্য প্রতিদান বাড়িয়ে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌র বিধান যাহা তিনি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন। ‌কে যে ভয় করে তিনি তাহার পাপ মোচন করিবেন এবং তাহাকে দিবেন মহাপুরস্কার।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো আল্লাহর বিধান, তিনি তা নাযিল করেছেন তোমাদের প্রতি। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তার পাপ মুছে দেবেন এবং বড় করে দেবেন তার পুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।

জহুরুল হক

তাদের বাস করতে দাও যেখানে তোমরা বাস করছ, তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী, আর তাদের কষ্ট দিয়ো না তাদের অবস্থা সংকটময় করে তোলার জন্যে। আর যদি তারা গর্ভবতী হয়ে থাকে তবে তাদের জন্য খরচ করো যে পর্যন্ত না তারা তাদের গর্ভভার নামিয়ে ফেলে, তারপর যদি তারা তোমাদের জন্য স্তন্যদান করে তাহলে তাদের মজুরি তাদের প্রদান করবে, আর তোমাদের মধ্যে ভালোভাবে কাজ করতে বলো, আর যদি তোমরা অমত হও তবে তার জন্য অন্যজনে স্তন্য দিক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেইরূপ গৃহে বাস কর তাহাদেরকেও সেইরূপ গৃহে বাস করিতে দিবে; তাহাদেরকে উত্ত্যক্ত করিবে না সঙ্কটে ফেলিবার জন্য ; তাহারা গর্ভবতী হইয়া থাকিলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত তাহাদের জন্য ব্যয় করিবে। যদি তাহারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্য দান করে তবে তাহাদেরকে পারিশ্রমিক দিবে এবং সন্তানের কল্যাণ সম্পর্কে তোমরা সঙ্গতভাবে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করিবে। তোমরা যদি নিজ নিজ দাবিতে অনমনীয় হও তাহা হইলে অন্য নারী তাহার পক্ষে স্তন্য দান করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তোমাদের সামর্থ অনুযায়ী যে ধরণের ঘরে বাস করো, তাদেরকেও সে ধরণের ঘরে বাস করতে দেবে। তাদের উত্যক্ত করোনা তাদেরকে সংকটে ফেলার উদ্দেশ্যে। তারা গর্ভবতী হয়ে থাকলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত তাদের নফকা (খোরপোষ) দাও। যদি তারা তোমাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করায়, তবে তাদের পারিশ্রমিক দেবে এবং সন্তানের কল্যাণ সম্পর্কে তোমরা প্রচলিত উত্তম পন্থায় নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করবে। কিন্তু তোমরা যদি নিজ নিজ দাবিতে অনমনীয় হও, তাহলে তার পক্ষে অন্য নারী বুকের দুধ পান করাবে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও। তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।

জহুরুল হক

প্রাচুর্যের অধিকারী যেন তার প্রাচুর্য থেকে খরচ করে, আর যার উপরে তার জীবিকা সীমিত করা হয়েছে সে যেন খরচ করে তাকে যা দিয়েছেন তা থেকে। কোনো সত্ত্বাকে কষ্ট দেন না তিনি তাকে যা দিয়েছেন তার অতিরিক্ত। অচিরেই কষ্টের পরে আরাম প্রদান করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিত্তবান নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করিবে এবং যাহার জীবনোপকরণ সীমিত সে ‌ যাহা দান করিয়াছেন তাহা হইতে ব্যয় করিবে। ‌ যাহাকে যে সামর্থ্য দিয়াছেন তদপেক্ষা গুরুতর বোঝা তিনি তাহার উপর চাপান না। ‌ কষ্টের পর দিবেন স্বস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সামর্থবানরা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী নফকা দেবে, আর যার জীবিকা সীমিত, সে ব্যয় করবে যা দিয়েছেন তা থেকেই। যা দান করেছেন তার চেয়ে বেশি বোঝা তিনি কোনো ব্যক্তির উপর চাপান না। কাঠিন্যের পর সহজতা দান করেন।

মুহিউদ্দীন খান

বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। কষ্টের পর সুখ দেবেন।

জহুরুল হক

আর কত না জনপদ তার প্রভুর ও তাঁর রসূলদের নির্দেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, ফলে আমরা তার হিসাব তলব করেছিলাম কড়া হিসাব তলবে, আর আমরা তাকে শাস্তি দিয়েছিলাম শক্ত শাস্তিতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত জনপদ উহাদের প্রতিপালক ও তাঁহার রাসূলগণের নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল! ফলে আমি উহাদের নিকট হইতে কঠোর হিসাব লইয়াছিলাম এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম কঠিন শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে জনপদ তাদের প্রভুর এবং তাঁর রসূলের নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করেছে, ফলে আমরা তাদের থেকে নিয়েছি কঠোর হিসাব এবং তাদের আযাব দিয়েছি এক দুঃসহ আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে ধৃত করেছিলাম এবং তাদেরকে ভীষণ শাস্তি দিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

সেজন্য তা তার কাজের মন্দফল আস্বাদন করেছিল, আর তার কাজের পরিণাম ক্ষতিকর হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা উহাদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করিল; ক্ষতিই হইল উহাদের কর্মের পরিণাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের কার্যকলাপের পরিণতির স্বাদ গ্রহণ করেছে আর তাদের কার্যকলাপের পরিণতি ছিলো ক্ষতিকর।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করল এবং তাদের কর্মের পরিণাম ক্ষতিই ছিল।

জহুরুল হক

তাদের জন্য ভীষণ শাস্তি তৈরি রেখেছেন, অতএব ‌কে ভয় - ভক্তি করো, হে জ্ঞানবান লোকেরা - - যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের কাছে প্রেরণ করেই রেখেছেন এক স্মারক - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ উহাদের জন্য কঠোর শাস্তি প্রস্তুত রাখিয়াছেন। অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর, হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ ! যাহারা ঈমান আনিয়াছ। নিশ্চয় ‌ তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছেন উপদেশ -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে প্রস্ত্তত রেখেছেন কঠোর শাস্তি। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো হে বুঝ - বুদ্ধিওয়ালা লোকেরা, যারা ঈমান এনেছো। তো নাযিল করেছেন তোমাদের প্রতি একটি যিকির (আল কুরআন)

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন।

জহুরুল হক

একজন রসূল - - তিনি তোমাদের কাছে আবৃত্তি করছেন ‌র নির্দেশাবলী, সুস্পষ্টভাবে, যেন যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে তাদের তিনি বের করে আনতে পারেন অন্ধকার থেকে আলোকে। আর যে কেউ ‌তে ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, তাকে তিনি প্রবেশ করাবেন স্বর্গোউদ্যানসমূহে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি, সেখানে সে অবস্থান করবে চিরকাল। তার জন্য জীবনোপকরণকে অতি উৎকৃষ্ট করেই রেখেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক রাসূল, যে তোমাদের নিকট ‌র সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করে, যাহারা ও সৎকর্মপরায়ণ তাহাদেরকে অন্ধকার হইতে আলোতে আনিবার জন্য। যে কেহ আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে ; ‌ তাহাকে উত্তম রিযিক দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এবং) একজন রসূল, যে তিলাওয়াত করে তোমাদের প্রতি আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত, যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোতে বের করে আনার জন্যে। যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি এবং আমলে সালেহ্ করবে, তাকে তিনি দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল স্থায়ীভাবে। তাকে প্রদান করবেন উত্তম জীবিকা।

মুহিউদ্দীন খান

একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে ও সৎকর্মপরায়ণদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে। তাকে উত্তম রিযিক দেবেন।

জহুরুল হক

‌ই তিনি যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান, আর পৃথিবীর বেলায়ও তাদের অনুরূপ। বিধান অবতরণ করে চলেছে তাদের মধ্যে, যেন তোমরা জানতে পার যে সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান, আর এই যে সব - কিছুকে ঘিরে রেখেছেন জ্ঞানের দ্বারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন সপ্ত আকাশ এবং উহাদের অনুরূপ পৃথিবীও, উহাদের মধ্যে নামিয়া আসে তাঁহার নির্দেশ ; যাহাতে তোমরা বুঝিতে পার যে, ‌ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং জ্ঞানে সবকিছুকে পরিবেষ্টন করিয়া আছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই তো সৃষ্টি করেছেন সাত আকাশ, পৃথিবী ও অনুরূপ। সেগুলোর মাঝে নাযিল করা হয় তাঁর নির্দেশ, যাতে করে তোমরা বুঝতে পারো প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং প্রতিটি বস্ত্তকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন তাঁর জ্ঞান দিয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme