Kitab

আল কালাম

Chapter 68, 52 verses

  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
জহুরুল হক

নূন! ভাবো কলম ও যা তারা লেখে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূন - শপথ কলমের এবং উহারা যাহা লিপিবদ্ধ করে তাহার,

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; নূন। কলমের শপথ এবং তারা যা লিখে তারও।

মুহিউদ্দীন খান

নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি কিন্তু পাগল নও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।

জহুরুল হক

আর তোমার জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে এমন এক প্রতিদান যা শেষ হবার নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার জন্য অবশ্যই রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার,

সমকালীন বাংলা

এবং নিশ্চয়ই তোমার জন্য রয়েছে এমন প্রতিদান, যা কখনো শেষ হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তুমি সুমহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

সমকালীন বাংলা

তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।

জহুরুল হক

ফলে তুমি শীঘ্রই দেখবে এবং তারাও দেখতে পাবে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শীঘ্রই তুমি দেখিবে এবং উহারাও দেখিবে -

সমকালীন বাংলা

অতএব অচিরেই তুমি দেখবে, এবং তারাও দেখবে,

মুহিউদ্দীন খান

সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।

জহুরুল হক

যে তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের মধ্যে কে বিভ্রান্ত।

মুহিউদ্দীন খান

কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, তিনি ভাল জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি ভাল জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক তো সম্যক অবগত আছেন কে তাঁহার পথ হইতে বিচ্যুত হইয়াছে এবং তিনি সম্যক জানেন তাহাদেরকে, যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকই সর্বাধিক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, এবং তিনিই সর্বাধিক জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।

জহুরুল হক

অতএব মিথ্যাচারীদের আজ্ঞাপালন করো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি মিথ্যাচারীদের অনুসরণ করিও না।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি অস্বীকারকারীদের অনুসরণ করো না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।

জহুরুল হক

তারা চায় যে তুমি যদি নমনীয় হও তাহলে তারাও নমনীয় হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা চায় যে, তুমি নমনীয় হও, তাহা হইলে উহারাও নমনীয় হইবে,

সমকালীন বাংলা

তারা চায়, যদি তুমি আপস করো, তবে তারাও আপস করবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।

জহুরুল হক

আর আজ্ঞাপালন করো না প্রত্যেকটি হলফকারীর, লাঞ্ছিতজনের, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অনুসরণ করিও না তাহার - যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,

সমকালীন বাংলা

আর তুমি অনুসরণ করো না প্রত্যেক অত্যাধিক শপথকারীর।

মুহিউদ্দীন খান

যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।

জহুরুল হক

পরনিন্দাকারীর, কলঙ্ক রটাতে ঘুরে - বেড়ানো লোকের, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পশ্চাতে নিন্দাকারী, যে একের কথা অপরের নিকট লাগাইয়া বেড়ায়,

সমকালীন বাংলা

নিন্দাকারী, কথা লাগিয়ে বেড়ানো ব্যক্তি,

মুহিউদ্দীন খান

যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।

জহুরুল হক

ভালোকাজে নিষেধকারীর, সীমালংঘনকারীর পাপাচারীর, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কল্যাণের কার্যে বাধা দান করে, যে সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ,

সমকালীন বাংলা

কল্যাণে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী,

মুহিউদ্দীন খান

যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,

জহুরুল হক

ষন্ডা - গুন্ডার, তদুপরি অসচ্চরিত্রের, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রূঢ় স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত ;

সমকালীন বাংলা

কঠোরস্বভাব, তার উপর আবার বংশের দাবিদার।

মুহিউদ্দীন খান

কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;

জহুরুল হক

এইজন্য যে সে ধনসম্পদের এবং সন্তানসন্ততির অধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইজন্য যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী।

সমকালীন বাংলা

কারণ সে সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

এ কারণে যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।

জহুরুল হক

যখন তার কাছে আমাদের বাণীসমূহ পাঠ করা হয় সে বলে - - ''সেকেলে কল্পকাহিনী!’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হইলে সে বলে, ‘ইহা তো সেকালের উপকথা মাত্র।’

সমকালীন বাংলা

যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, সে বলে, "এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী।"

মুহিউদ্দীন খান

তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।

জহুরুল হক

আমরা শীঘ্রই তার উঁচু নাকে দাগ করে দেব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহার শুঁড় দাগাইয়া দিব।

সমকালীন বাংলা

অচিরেই আমরা তার নাকের উপর চিহ্ন এঁকে দেব।

Note

খুরতূম (الخرطوم): আক্ষরিক অর্থে এমন একটি শব্দ যা প্রাণীর শুঁড় বা থুতনিযুক্ত নাক/মুখের জন্যও ব্যবহৃত হয়। এখানে সম্ভবত অপমানসূচক হিসেবে ব্যবহার রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।

জহুরুল হক

আমরা নিশ্চয়ই তাদের পরীক্ষা করব যেমন আমরা পরীক্ষা করেছিলাম বাগান - মালিকদের, যখন ওরা কসম খেয়েছিল যে তারা নিশ্চয় ভোরবেলা এর ফসল কাটবে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিয়াছি, যেভাবে পরীক্ষা করিয়াছিলাম উদ্যান - অধিপতিগণকে, যখন উহারা শপথ করিয়াছিল যে, উহারা প্রত্যূষে আহরণ করিবে বাগানের ফল,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের অধিকারীদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে তারা অবশ্যই ভোরবেলায় তার ফল সংগ্রহ করবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,

জহুরুল হক

আর তারা কোনো সংরক্ষণ করে নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা ‘ইন্‌শাআল্লাহ্‌’ বলে নাই।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা কোনো ব্যতিক্রম রাখেনি।

Note

আল্লাহ এখানে আমাদের উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন বিবিধ কারণে বা আল্লাহ না চাইলে আমাদের প্রতিশ্রুত কাজটি আমাদের দ্বারা করা সম্ভব নাও হতে পারে; তাই কারো সাথে কোনো প্রতিজ্ঞা বা চুক্তি করার সময় "ইন শাহ আল্লাহ" বলা বা Force Majeure / Act of God Exception Clause / Option রাখা উত্তম। তবে মূল আরবীতে "ইন শাহ আল্লাহ" কথাটি উল্লেখ নেই।


এখান থেকে আমরা আরো একটি শিক্ষা পাই যে, খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করতে নেই।

মুহিউদ্দীন খান

ইনশাআল্লাহ না বলে।

জহুরুল হক

ফলে তোমার প্রভুর কাছ থেকে এক দুর্বিপাক এর উপরে আপতিত হয়েছিল যখন তারা ঘুমিয়ে পড়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে এক বিপর্যয় হানা দিল সেই উদ্যানে, যখন উহারা ছিল নিদ্রিত।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তার উপর এক দুর্যোগ বয়ে গেল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।

জহুরুল হক

কাজেই সকালবেলায় তা হয়ে গেল এক কালো নিষ্ফলা জমির মতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহা দগ্ধ হইয়া কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করিল।

সমকালীন বাংলা

ফলে তা হয়ে গেল কাটা ক্ষেতের মতো।

মুহিউদ্দীন খান

ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।

জহুরুল হক

তারা কিন্তু সাত - সকালে একে অপরকে ডাকাডাকি করলে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যূষে উহারা একে অপরকে ডাকিয়া বলিল,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা ভোরবেলায় একে অপরকে ডাকল,

মুহিউদ্দীন খান

সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,

জহুরুল হক

এই বলে - - ''সকাল সকাল তোমাদের খেত - খামারে যাও যদি তোমরা ফসল কাটতে চাও।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যদি ফল আহরণ করিতে চাও তবে সকাল সকাল বাগানে চল।’

সমকালীন বাংলা

“যদি তোমরা ফল সংগ্রহ করতে চাও, তবে সকালেই তোমাদের ক্ষেতে চলে যাও।”

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।

জহুরুল হক

তখন তারা বেরিয়ে পড়ল, আর তারা ফিসফিস করতে থাকল - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা চলিল নিম্নস্বরে কথা বলিতে বলিতে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা রওনা হলো, নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কথা বলতে থাকলো,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,

জহুরুল হক

এই বলে - - ''আজ যেন তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো হাভাতে সেখানে ঢুকে না পড়ে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অদ্য যেন তোমাদের নিকটে কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি উহাতে প্রবেশ করিতে না পারে।’

সমকালীন বাংলা

“আজ যেন কোনো দরিদ্র সেখানে তোমাদের কাছে প্রবেশ করতে না পারে।”

মুহিউদ্দীন খান

অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।

জহুরুল হক

আর তারা সকাল সকাল সংকল্পে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে যাত্রা করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা নিবৃত্ত করিতে সক্ষম - এই বিশ্বাস লইয়া প্রভাতকালে বাগানে যাত্রা করিল।

সমকালীন বাংলা

এবং তারা ভোরে রওনা হলো, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, নিজেদের সক্ষম মনে করে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।

জহুরুল হক

কিন্তু যখন তারা তা দেখল তারা বললে - - ''নিশ্চয় আমরা পথ ভুল করেছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা যখন বাগানের অবস্থা প্রত্যক্ষ করিল, তখন বলিল, ‘আমরা তো দিশা হারাইয়া ফেলিয়াছি।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন তারা তা দেখল, তারা বলল, “নিশ্চয়ই আমরা পথ ভুল করেছি।”

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।

জহুরুল হক

''না, আমরা বঞ্চিত হয়েছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘বরং আমরা তো বঞ্চিত।’

সমকালীন বাংলা

“বরং আমরাই বঞ্চিত হয়েছি।”

মুহিউদ্দীন খান

বরং আমরা তো কপালপোড়া,

জহুরুল হক

ওদের মধ্যের শ্রেষ্ঠজন বললে - - ''আমি কি তোমাদের বলি নি, কেন তোমরা জপতপ করছ না?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি বলিল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলি নাই ? এখনও তোমরা ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছ না কেন ?’

সমকালীন বাংলা

তাদের মধ্যে মধ্যপন্থী ব্যক্তি বলল, “আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা পবিত্রতা ঘোষণা করো না?”

মুহিউদ্দীন খান

তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমাদের প্রভুর মহিমা ঘোষিত হোক, আমরা নিশ্চয় কিছুটা ফসল দান করতে অন্যায় করেছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছি, আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’

সমকালীন বাংলা

তারা বলল, “আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। নিশ্চয়ই আমরাই ছিলাম অন্যায়কারী।”

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।

জহুরুল হক

তারপর তাদের কেউ - কেউ অন্যের কাছে গেল নিজেদের দোষারোপ করতে করতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিতে লাগিল।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তারা পরস্পরের দিকে ফিরে পরস্পরকে দোষারোপ করতে লাগল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''হায়, ধিক্ আমাদের! আমরা নিশ্চয়ই সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম সীমালংঘনকারী।

সমকালীন বাংলা

তারা বললো, “হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।

জহুরুল হক

''হতে পারে আমাদের প্রভু আমাদের জন্য এর চেয়েও ভাল কিছু বদলে দেবেন, নিশ্চয় আমাদের প্রভুর কাছেই আমরা সানুনয় প্রার্থনা করছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্ভবত আমাদের প্রতিপালক ইহা হইতে আমাদেরকে উৎকৃষ্টতর বিনিময় দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হইলাম।’

সমকালীন বাংলা

হয়তো আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন। নিশ্চয়ই আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছেই প্রত্যাশী।”

মুহিউদ্দীন খান

সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।

জহুরুল হক

এমনটাই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরো বিরাট, - - যদি তারা জানতো!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শাস্তি এইরূপই হইয়া থাকে এবং আখিরাতের শাস্তি কঠিনতর। যদি উহারা জানিত।

সমকালীন বাংলা

এভাবেই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরও বড়, যদি তারা জানত।

মুহিউদ্দীন খান

শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মভীরুদের জন্য তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে আনন্দময় উদ্যান - সমূহ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রহিয়াছে ভোগ - বিলাসপূর্ণ জান্নাত তাহাদের প্রতিপালকের নিকট।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে বিলাসবহুল  বেহেস্ত।

মুহিউদ্দীন খান

মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।

জহুরুল হক

কী, আমরা কি তবে মুসলিমদের বানাব অপরাধীদের মতো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কি আত্মসমর্পণ - কারীদেরকে অপরাধীদের সমতুল্য গণ্য করিব?

সমকালীন বাংলা

তবে কি আমরা মুসলিমদেরকে অপরাধীদের মতো গণ্য করব?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?

জহুরুল হক

কি হয়েছে তোমাদের? কিভাবে তোমরা বিচার কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা এ কেমন সিদ্ধান্ত দিতেছ?

সমকালীন বাংলা

তোমাদের কী হয়েছে? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নাও?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?

জহুরুল হক

না কি তোমাদের জন্য কোনো গ্রন্থ রয়েছে যা তোমরা অধ্যয়ন কর - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের নিকট কী কোন কিতাব আছে যাহাতে তোমরা অধ্যয়ন কর -

সমকালীন বাংলা

নাকি তোমাদের কাছে এমন কোনো কিতাব রয়েছে, যা তোমরা অধ্যয়ন কর?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।

জহুরুল হক

যে, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য তাতে তাই রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে, তোমাদের জন্য উহাতে রহিয়াছে যাহা তোমরা পসন্দ কর?

সমকালীন বাংলা

যাতে তোমাদের জন্য যা ইচ্ছা, তাই রয়েছে?

মুহিউদ্দীন খান

তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?

জহুরুল হক

অথবা, তোমাদের জন্য আমাদের উপরে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকা এমন কোনো অংগীকার রয়েছে কি যে তোমাদের জন্য আলবৎ তাই থাকবে যা তোমরা স্থির করবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কি আমার সঙ্গে কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ এমন কোন অঙ্গীকার রহিয়াছে যে, তোমরা নিজেদের জন্য যাহা স্থির করিবে তাহাই পাইবে?

সমকালীন বাংলা

নাকি আমাদের ওপর তোমাদের জন্য কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে—এমন কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে, যাতে তোমরা যা নির্ধারণ কর, সেটিই তোমাদের জন্য থাকবে?

মুহিউদ্দীন খান

না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?

জহুরুল হক

তাদের জিজ্ঞাসা করো - - তাদের মধ্যে কে এ - সন্বন্ধে জামিন হবে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর উহাদের মধ্যে এই দাবির যিম্মাদার কে?

সমকালীন বাংলা

তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, তাদের মধ্যে কে এর দায়িত্ব নিতে পারে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?

জহুরুল হক

না তাদের জন্য অংশী - দেবতারা আছে? তেমন হলে তাদের অংশী - দেবতাদের তারা নিয়ে আসুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের কি কোন দেব - দেবী আছে? থাকিলে উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে উপস্থিত করুক - যদি উহারা সত্যবাদী হয়।

সমকালীন বাংলা

নাকি তাদের কোনো শরীক রয়েছে? যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে তারা তাদের শরীকদের উপস্থিত করুক।

মুহিউদ্দীন খান

না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।

জহুরুল হক

একদিন চরম সংকট দেখা দেবে, আর তাদের ডাকা হবে সিজদা করতে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর সেই দিনের কথা, যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হইবে, সেই দিন উহাদেরকে আহ্বান করা হইবে সিজ্‌দা করিবার জন্য কিন্তু উহারা সক্ষম হইবে না;

সমকালীন বাংলা

যেদিন পায়ের গোড়ালি উন্মোচিত হবে এবং তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।

জহুরুল হক

তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, লাঞ্ছনা তাদের জড়িয়ে ফেলবে। অথচ তাদের আহ্বান করা হয়েই থাকত সিজদা করতে যখন তারা ছিল নিরাপদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের দৃষ্টি অবনত, হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে অথচ যখন উহারা নিরাপদ ছিল তখন তো উহাদেরকে আহ্বান করা হইয়াছিল সিজ্‌দা করিতে।

সমকালীন বাংলা

তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে সিজদার জন্য ডাকা হতো, যখন তারা সুস্থ-সক্ষম ছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।

জহুরুল হক

অতএব আমাকে এবং যে এই বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাকে ছেড়ে দাও। আমরা তাদের ধাপে ধাপে নিয়ে যাব, কেমন করে তা তারা বুঝতেও পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ছাড়িয়া দাও আমাকে এবং যাহারা এই বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে, আমি উহাদেরকে ক্রমে ক্রমে ধরিব এমনভাবে যে, উহারা জানিতে পারিবে না।

সমকালীন বাংলা

অতএব, আমাকে এবং এই বাণীকে যে অস্বীকার করে তাকে ছেড়ে দাও। অচিরেই আমরা তাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করব, যা তারা উপলব্ধিও করতে পারবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।

জহুরুল হক

তথাপি আমি ওদের সহ্য করি। আমার ফাঁদ নিশ্চয়ই বড় মজবুত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি উহাদেরকে সময় দিয়া থাকি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।

সমকালীন বাংলা

আর আমি তাদেরকে অবকাশ দিচ্ছি। নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত দৃঢ়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।

জহুরুল হক

অথবা তুমি কি তাদের থেকে কোনো পারিশ্রমিক চাইছ যার ফলে তারা ধারকর্জ করে ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাহিতেছ যে, তাহা উহাদের কাছে দুর্বহ দণ্ড মনে হয়?

সমকালীন বাংলা

নাকি তুমি তাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাও, ফলে তারা ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?

জহুরুল হক

অথবা কি তাদের কাছে রয়েছে, যার ফলে তারা লিখে রাখে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, উহারা তাহা লিখিয়া রাখে।

সমকালীন বাংলা

নাকি তাদের কাছে অদৃশ্যের জ্ঞান রয়েছে, তাই তারা তা লিখে রাখে?

মুহিউদ্দীন খান

না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।

জহুরুল হক

অতএব তোমার প্রভুর হুকুমের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, এবং তুমি মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না। দেখো! তিনি বিষাদে কাতর হয়ে ডেকেছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়, তুমি মৎস্য - সহচরের ন্যায় অধৈর্য হইও না, সে বিষাদ - আচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর প্রার্থনা করিয়াছিল।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না, যখন সে আহ্বান করেছিল, আর সে ছিল গভীর দুঃখে আচ্ছন্ন।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।

জহুরুল হক

যদি তাঁর প্রভুর কাছ থেকে অনুগ্রহ তাঁর কাছে না পৌঁছুত তাহলে তিনি অবশ্যই উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতেন, আর তিনি হতেন নিন্দিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তাহার নিকট না পৌঁছিলে সে লাঞ্ছিত হইয়া নিক্ষিপ্ত হইত উন্মুক্ত প্রান্তরে।

সমকালীন বাংলা

যদি না তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ তার কাছে পৌঁছাত, তবে অবশ্যই সে উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতো, নিন্দিত অবস্থায়।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।

জহুরুল হক

কিন্তু তাঁর প্রভু তাঁকে মনোনীত করেছিলেন, ফলে তাঁকে সৎপথাবলন্বীদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পুনরায় তাহার প্রতিপালক তাহাকে মনোনীত করিলেন এবং তাহাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করিলেন।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছে তারা যখন স্মারক - গ্রন্থ শোনে তখন তারা যেন তাদের চোখ দিয়ে তোমাকে আছড়ে মারবে, আর তারা বলে - - ''সে তো নিশ্চয়ই এক পাগল।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন উহারা যেন উহাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়াইয়া ফেলিবে এবং বলে, ‘এ তো এক পাগল!’

সমকালীন বাংলা

আর যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা যখন এই স্মারক শুনে, তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টির দ্বারা তোমাকে পিছলিয়ে দিতে উদ্যত হয়। আর তারা বলে, “সে তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।”

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।

জহুরুল হক

আর এটি জগদ্বাসীর জন্য স্মারক - গ্রন্থ বৈ তো নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কুরআন তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।

সমকালীন বাংলা

অথচ এটি তো সমগ্র জগতের জন্য এক উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme