তুমি পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন, - -
পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন -
بسم الله الرحمن الرحيم اقرأ باسم ربك الذي خلق
ٱقْرَأْ بِٱسْمِ رَبِّكَ ٱلَّذِى خَلَقَ
Chapter 96, 19 verses
তুমি পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন, - -
পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন -
بسم الله الرحمن الرحيم اقرأ باسم ربك الذي خلق
ٱقْرَأْ بِٱسْمِ رَبِّكَ ٱلَّذِى خَلَقَ
সৃষ্টি করেছেন মানুষকে এক রক্তপিন্ড থেকে।
সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।
সৃষ্টি করিয়াছেন মানুষকে ‘আলাক’ হইতে।
خلق الإنسان من علق
خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِنْ عَلَقٍ
পড়ো! আর তোমার প্রভু মহাসম্মানিত - -
পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু,
পাঠ কর, আর তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত,
اقرأ وربك الأكرم
ٱقْرَأْ وَرَبُّكَ ٱلْأَكْرَمُ
যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলমের সাহায্যে,
যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন,
যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়াছেন -
الذي علم بالقلم
ٱلَّذِى عَلَّمَ بِٱلْقَلَمِ
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানতোই না।
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।
শিক্ষা দিয়াছেন মানুষকে, যাহা সে জানিত না।
علم الإنسان ما لم يعلم
عَلَّمَ ٱلْإِنسَٰنَ مَا لَمْ يَعْلَمْ
বস্তুতঃ মানুষ নিশ্চয়ই সীমালংঘন করেই থাকে।
সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,
বস্তুত মানুষ তো সীমালংঘন করিয়াই থাকে,
كلا إن الإنسان ليطغى
كَلَّآ إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ لَيَطْغَىٰٓ
কারণ সে নিজেকে স্বয়ংসমৃদ্ধ দেখে।
এ কারণে যে, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।
কারণ সে নিজকে অভাবমুক্ত মনে করে।
أن رآه استغنى
أَن رَّءَاهُ ٱسْتَغْنَىٰٓ
নিশ্চয় তোমার প্রভুর কাছেই প্রত্যাবর্তন।
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার দিকেই প্রত্যাবর্তন হবে।
তোমার প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন সুনিশ্চিত।
إن إلى ربك الرجعى
إِنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ ٱلرُّجْعَىٰٓ
তুমি কি তাকে দেখেছ যে বারণ করে - -
আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে
তুমি কি উহাকে দেখিয়াছ, যে বাধা দেয়,
أرأيت الذي ينهى
أَرَءَيْتَ ٱلَّذِى يَنْهَىٰ
একজন বান্দাকে যখন সে পড়ে?
এক বান্দাকে যখন সে পড়ে?
এক বান্দাকে - যখন সে আদায় করে?
عبدا إذا صلى
عَبْدًا إِذَا صَلَّىٰٓ
তুমি কি লক্ষ্য করেছ - - সে সৎপথে রয়েছে কি না,
আপনি কি দেখেছেন যদি সে সৎপথে থাকে।
তুমি লক্ষ্য করিয়াছ কি, যদি সে সৎপথে থাকে
أرأيت إن كان على الهدى
أَرَءَيْتَ إِن كَانَ عَلَى ٱلْهُدَىٰٓ
অথবা ধর্মভীরুতা অবলন্বনের নির্দেশ দেয় কিনা?
অথবা খোদাভীতি শিক্ষা দেয়।
অথবা তাক্ওয়ার নির্দেশ দেয়,
أو أمر بالتقوى
أَوْ أَمَرَ بِٱلتَّقْوَىٰٓ
তুমি কি দেখেছ - - সে মিথ্যারোপ করছে ও ফিরে যাচ্ছে কি না?
আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।
তুমি লক্ষ্য করিয়াছ কি, যদি সে মিথ্যা আরোপ করে ও মুখ ফিরাইয়া নেয়,
أرأيت إن كذب وتولى
أَرَءَيْتَ إِن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰٓ
সে কি জানে না যে অবশ্যই দেখতে পাচ্ছেন?
সে কি জানে না যে, দেখেন?
তবে সে কি জানে না যে, দেখেন ?
ألم يعلم بأن الله يرى
أَلَمْ يَعْلَم بِأَنَّ ٱللَّهَ يَرَىٰ
না, যদি সে না থামে তবে আমরা নিশ্চয় টেনে ধরব কপালের চুলের গোছা - -
কখনই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই -
সাবধান, সে যদি বিরত না হয় তবে আমি তাহাকে অবশ্যই হেঁচড়াইয়া লইয়া যাইব, মস্তকের সম্মুখভাগের কেশগুচ্ছ ধরিয়া -
كلا لئن لم ينته لنسفعا بالناصية
كَلَّا لَئِن لَّمْ يَنتَهِ لَنَسْفَعًۢا بِٱلنَّاصِيَةِ
মিথ্যাচারী পাপাচারী চুলের গোছা!
মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ।
মিথ্যাচারী, পাপিষ্ঠের কেশগুচ্ছ।
ناصية كاذبة خاطئة
نَاصِيَةٍ كَٰذِبَةٍ خَاطِئَةٍ
তাহলে সে ডাকুক তার সাঙ্গোপাঙ্গদের,
অতএব, সে তার সভাসদদেরকে আহবান করুক।
অতএব সে তাহার পার্শ্বচরদেরকে আহ্বান করুক!
فليدع ناديه
فَلْيَدْعُ نَادِيَهُۥ
আমরাও সঙ্গে সঙ্গে ডাকবো দুর্ধর্ষ বাহিনীকে।
আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে
আমিও আহ্বান করিব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে।
سندع الزبانية
سَنَدْعُ ٱلزَّبَانِيَةَ
না, তুমি তার আজ্ঞা পালন করো না, বরং তুমি সিজদা করো এবং নিকটবর্তী হও।
কখনই নয়, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।
সাবধান ! তুমি উহার অনুসরণ করিও না এবং সিজ্দা কর ও আমার নিকটবর্তী হও।
كلا لا تطعه واسجد واقترب ۩
كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَٱسْجُدْ وَٱقْتَرِب