Kitab

আল মারিজ

Chapter 70, 44 verses

  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Word by word
জহুরুল হক

এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করছে অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে - -

মুহিউদ্দীন খান

একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক ব্যক্তি চাহিল সংঘটিত হউক শাস্তি, যাহা অবধারিত -

আবদুস শহীদ নাসিম

এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করলো অবধারিত আযাব সম্পর্কে,

Word by word

سَأَلَ سَآئِلٌۢ بِعَذَابٍ وَاقِعٍ

জহুরুল হক

অবিশ্বাসীদের জন্য, এর প্রতিরোধকারী কেউ নেই - -

মুহিউদ্দীন খান

কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করিবার কেহ নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

(যা অবধারিত) কাফিরদের জন্যে, যা প্রতিরোধ করার কেউ নেই,

Word by word

لِّلْكَٰفِرِينَ لَيْسَ لَهُۥ دَافِعٌ

জহুরুল হক

‌র নিকট থেকে, যিনি উন্নয়নের সোপানের অধিকর্তা।

মুহিউদ্দীন খান

তা আসবে তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা আসিবে ‌র নিকট হইতে, তিনি সুমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যা আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।

Word by word

مِّنَ ٱللَّهِ ذِى ٱلْمَعَارِجِ

জহুরুল হক

ফিরিশ্‌তাগণ ও আ‌ত্মা তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে যার পরিমাপ হলো পঞ্চাশ হাজার বছর।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরেশতাগণ এবং রূহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তা এবং রূহ্ ‌র দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় এমন এক দিনে, যাহার পরিমাণ পার্থিব পঞ্চাশ হাযার বৎসর।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরেশতারা এবং রূহ (জিবরিল) তাঁর দিকে উঠে এমন একটি ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যে (পৃথিবীর সময় অনুযায়ী) যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।

Word by word

تَعْرُجُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُۥ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ

জহুরুল হক

অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও এক সুমহান ধৈর্যধারণে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর, পরম ধৈর্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি সবর করো সব্রে জামিল (সুন্দর সবর)।

Word by word

فَٱصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তারা একে মনে করে বহু দূরে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেই (দিনটিকে) দেখে সুদূর,

Word by word

إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُۥ بَعِيدًا

জহুরুল হক

কিন্তু আমরা দেখছি এ নিকটে।

মুহিউদ্দীন খান

আর আমি একে আসন্ন দেখছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু আমি দেখিতেছি ইহা আসন্ন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা দেখছি একেবারে অদূর।

Word by word

وَنَرَىٰهُ قَرِيبًا

জহুরুল হক

সেইদিন আকাশ হয়ে যাবে গলানো তামার মতো,

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন আকাশ হইবে গলিত ধাতুর মত

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন আসমান হবে গলিত ধাতুর মতো,

Word by word

يَوْمَ تَكُونُ ٱلسَّمَآءُ كَٱلْمُهْلِ

জহুরুল হক

আর পাহাড়গুলো হবে উলের মতো,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতসমূহ হইবে রঙ্গীন পশমের মত,

আবদুস শহীদ নাসিম

পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মতো।

Word by word

وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ

জহুরুল হক

আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদ করবে না অন্তরঙ্গ বন্ধু সন্বন্ধে - -

মুহিউদ্দীন খান

বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব লইবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন কোনো সহমর্মী বন্ধু কোনো খোঁজ খবর নেবেনা অপর সহমর্মী বন্ধুর।

Word by word

وَلَا يَسْـَٔلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا

জহুরুল হক

তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,

মুহিউদ্দীন খান

যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে করা হইবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তাহার সন্তান - সন্ততিকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকে পরস্পরের চোখের সামনেই রাখা হবে। অপরাধীরা সেদিনকার আযাবের বিনিময়ে দিয়ে দিতে চাইবে তার সন্তানদের,

Word by word

يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ ٱلْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِى مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍۭ بِبَنِيهِ

জহুরুল হক

আর তার সহধর্মিণীর ও তার ভাইয়ের,

মুহিউদ্দীন খান

তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,

Word by word

وَصَٰحِبَتِهِۦ وَأَخِيهِ

জহুরুল হক

আর তার নিকট - আ‌ত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,

মুহিউদ্দীন খান

তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে, যাহারা তাহাকে আশ্রয় দিত

আবদুস শহীদ নাসিম

তার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে যারা তাকে দিতো আশ্রয় ও নিরাপত্তা,

Word by word

وَفَصِيلَتِهِ ٱلَّتِى تُـْٔوِيهِ

জহুরুল হক

আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সমস্তটাই, - - যেন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পৃথিবীর সকলকে, যাহাতে এই মুক্তিপণ তাহাকে মুক্তি দেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে করে তাকে নাজাত দেয় এসব মুক্তিপণ।

Word by word

وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ

জহুরুল হক

কখনোই নয়! নিঃসন্দেহ এটি এক শিখায়িত আগুন, - -

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, কখনই নয়, ইহা তো লেলিহান অগ্নি,

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, অবশ্যি তার জন্যে রয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা,

Word by word

كَلَّآ إِنَّهَا لَظَىٰ

জহুরুল হক

চামড়া ঝলসিয়ে খসাতে উদগ্রীব, - -

মুহিউদ্দীন খান

যা চামড়া তুলে দিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা গাত্র হইতে চামড়া খসাইয়া দিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যা খসিয়ে দেবে গায়ের চামড়া।

Word by word

نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ

জহুরুল হক

এ ডাকবে তাকে যে পালিয়েছিল ও ফিরে গিয়েছিল,

মুহিউদ্দীন খান

সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকিবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নাম ডাকবে ঐ ব্যক্তিকে, যে সত্যের আহবান থেকে পিছু হটে যায় এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়,

Word by word

تَدْعُوا۟ مَنْ أَدْبَرَ وَتَوَلَّىٰ

জহুরুল হক

আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে (অর্থ সম্পদ) জমা করে রেখেছিল এবং সংরক্ষণ করেছিল।

Word by word

وَجَمَعَ فَأَوْعَىٰٓ

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা - - তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ তো সৃজিত হইয়াছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের করে,

Word by word

إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ خُلِقَ هَلُوعًا

জহুরুল হক

যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন বিপদ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় হা - হুতাশকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন কোনো মন্দ তাকে স্পর্শ করে, সে হা - হুতাশ করে।

Word by word

إِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ جَزُوعًا

জহুরুল হক

আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড় - কিপটে,

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যখন কল্যাণ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় অতি কৃপণ ;

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে লাভ করে কোনো কল্যাণ, তখন সে হয় কৃপণ।

Word by word

وَإِذَا مَسَّهُ ٱلْخَيْرُ مَنُوعًا

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, - -

মুহিউদ্দীন খান

তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা আদায় কারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে আদায়কারীগণ ব্যতীত,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে, মুসল্লিরা এর ব্যতিক্রম

Word by word

إِلَّا ٱلْمُصَلِّينَ

জহুরুল হক

যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,

মুহিউদ্দীন খান

যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা স্থায়ীভাবে নিয়মিত আদায়কারী,

Word by word

ٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَآئِمُونَ

জহুরুল হক

আর যারা তাদের ধনসম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহাদের সম্পদে নির্ধারিত হক রহিয়াছে

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের মাল সম্পদে নির্ধারিত হক থাকে

Word by word

وَٱلَّذِينَ فِىٓ أَمْوَٰلِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ

জহুরুল হক

ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,

মুহিউদ্দীন খান

যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,

আবদুস শহীদ নাসিম

ভিক্ষুক এবং মাহরুমদের (বঞ্চিতদের) জন্যে,

Word by word

لِّلسَّآئِلِ وَٱلْمَحْرُومِ

জহুরুল হক

আর যারা বিচারের দিনকে সত্য বলে গ্রহণ করে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা কর্মফল দিবসকে সত্য বলিয়া জানে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা সত্য বলে স্বীকার করে প্রতিদান দিবসকে,

Word by word

وَٱلَّذِينَ يُصَدِّقُونَ بِيَوْمِ ٱلدِّينِ

জহুরুল হক

আর যারা তাদের প্রভুর শাস্তি সম্পর্কে খোদ ভীতসন্ত্রস্ত, - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যারা তাদের প্রভুর আযাব সম্পর্কে থাকে সব সময় ভীত - সন্ত্রস্ত।

Word by word

وَٱلَّذِينَ هُم مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشْفِقُونَ

জহুরুল হক

নিশ্চয় তাদের প্রভুর শাস্তি প্রশান্তিদায়ক নয়;

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি হইতে নিঃশংক থাকা যায় না -

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর আযাব নিরাপদ নয়।

Word by word

إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَيْرُ مَأْمُونٍ

জহুরুল হক

আর যারা নিজেরাই তাদের আঙ্গিক - কর্তব্যাবলী সম্পর্কে যত্নবান, - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হিফাযতকারী তাদের যৌনাংগ।

Word by word

وَٱلَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَٰفِظُونَ

জহুরুল হক

তবে নিজেদের দম্পতি অথবা তাদের ডানহাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের ছাড়া, কেননা সেক্ষেত্রে তারা নিন্দনীয় নহে,

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত, ইহাতে তাহারা নিন্দনীয় হইবে না -

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে নিজেদের স্ত্রী (এবং স্বামী) এবং অধিকারভুক্ত দাসীদের ছাড়া, কারণ তারা নিন্দনীয় নয়।

Word by word

إِلَّا عَلَىٰٓ أَزْوَٰجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَٰنُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ

জহুরুল হক

কিন্তু যে এর বাইরে যাওয়া কামনা করে তাহলে তারা নিজেরাই হবে সীমালংঘনকারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কেহ ইহাদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করিলে তাহারা হইবে সীমালংঘনকারী -

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু কেউ এর বাইরে অন্য কাউকেও কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।

Word by word

فَمَنِ ٱبْتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْعَادُونَ

জহুরুল হক

আর যারা খোদ তাদের আমানত সন্বন্ধে ও তাদের অংগীকার সন্বন্ধে সজাগ থাকে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাদের আরো বৈশিষ্ট্য হলো,) তারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী।

Word by word

وَٱلَّذِينَ هُمْ لِأَمَٰنَٰتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَٰعُونَ

জহুরুল হক

আর যারা স্বয়ং তাদের সাক্ষ্যদানে সুপ্রতিষ্ঠিত,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা তাহাদের সাক্ষ্যদানে অটল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত তাদের সাক্ষ্যদানের উপর,

Word by word

وَٱلَّذِينَ هُم بِشَهَٰدَٰتِهِمْ قَآئِمُونَ

জহুরুল হক

আর যারা নিজেরা তাদের সন্বন্ধে সদা যত্নবান,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা হিফাযতকারী তাদের সালাতের,

Word by word

وَٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ

জহুরুল হক

তারাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়।

মুহিউদ্দীন খান

তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারাই সম্মানিত হইবে জান্নাতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারাই হবে জান্নাতে সম্মানিত।

Word by word

أُو۟لَٰٓئِكَ فِى جَنَّٰتٍ مُّكْرَمُونَ

জহুরুল হক

কিন্তু কি হয়েছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, যে তারা তোমার দিকে উদগ্রীব হয়ে ছুটে আসছে - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের হইল কি যে, উহারা তোমার দিকে ছুটিয়া আসিতেছে

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরি করেছে তাদের কী হলো যে, (তুমি কুরআন পাঠ করলেই) তারা তোমার দিকে তেড়ে আসে

Word by word

فَمَالِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ قِبَلَكَ مُهْطِعِينَ

জহুরুল হক

ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে, দলেদলে?

মুহিউদ্দীন খান

ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দক্ষিণ ও বাম দিক হইতে, দলে দলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে দলে দলে?

Word by word

عَنِ ٱلْيَمِينِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ عِزِينَ

জহুরুল হক

তাদের মধ্যের প্রত্যেক লোকই কি আশা করে যে তাকে প্রবেশ করানো হবে আনন্দময় উদ্যানে?

মুহিউদ্দীন খান

তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাহাকে দাখিল করা হইবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নিয়ামতে ভরা জান্নাতে দাখিল করা হবে?

Word by word

أَيَطْمَعُ كُلُّ ٱمْرِئٍ مِّنْهُمْ أَن يُدْخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٍ

জহুরুল হক

কখনই না। নিঃসন্দেহ আমরা কি দিয়ে তাদের গড়েছি তা তারা জানে।

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনো না, আমি উহাদেরকে যাহা হইতে সৃষ্টি করিয়াছি তাহা উহারা জানে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, আমরা তাদেরকে যা দিয়ে সৃষ্টি করেছি, তা তারা জানে।

Word by word

كَلَّآ إِنَّا خَلَقْنَٰهُم مِّمَّا يَعْلَمُونَ

জহুরুল হক

কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির - নিশ্চয়ই আমি সক্ষম,

আবদুস শহীদ নাসিম

না, আমি উদয়াচল এবং অস্তাচলসমূহের প্রভুর কসম খেয়ে বলছি, অবশ্যি আমরা সক্ষম,

Word by word

فَلَآ أُقْسِمُ بِرَبِّ ٱلْمَشَٰرِقِ وَٱلْمَغَٰرِبِ إِنَّا لَقَٰدِرُونَ

জহুরুল হক

যে আমরা তাদের চেয়ে ভালোদের দিয়ে বদলে দেব, আর আমরা পরাজিত হবার নই।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠীকে উহাদের স্থলবর্তী করিতে এবং ইহাতে আমি অক্ষম নই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বদলে তাদের চেয়ে উত্তম (মানব দলকে) তাদের স্থলাভিষিক্ত করতে এবং একাজে কেউ পারবেনা আমাদের পরাস্ত করতে।

Word by word

عَلَىٰٓ أَن نُّبَدِّلَ خَيْرًا مِّنْهُمْ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ

জহুরুল হক

সেজন্য তাদের ছেড়ে দাও গল্পগুজব ও খেলাধুলো করতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যার সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব উহাদেরকে বাকবিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুকে মত্ত থাকিতে দাও, যে দিবস সম্পর্কে তাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদেরকে বাক - বিতর্ক আর খেলতামাশায় মত্ত থাকতে দাও যেদিনটি সম্পর্কে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল সেই দিনটি আসার আগ পর্যন্ত।

Word by word

فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا۟ وَيَلْعَبُوا۟ حَتَّىٰ يُلَٰقُوا۟ يَوْمَهُمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ

জহুরুল হক

সেইদিন তারা কবরগুলো থেকে বেরিয়ে আসবে ব্যস্তসমস্ত হয়ে, যেন তারা একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হয়েছে,

মুহিউদ্দীন খান

সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে দ্রুতবেগে, মনে হইবে উহারা কোন উপাসনালয়ের দিকে ধাবিত হইতেছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তারা দ্রুত বেরিয়ে আসবে কবর থেকে, মনে হবে যেনো তারা উপাসনালয়ের দিকে দৌড়াচ্ছে।

Word by word

يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ سِرَاعًا كَأَنَّهُمْ إِلَىٰ نُصُبٍ يُوفِضُونَ

জহুরুল হক

তাদের চোখ হবে অবনত, হীনতা তাদের আচ্ছন্ন করবে। এমনটাই সেইদিন যার বিষয়ে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবনত নেত্রে। হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে; ইহাই সেই দিন, যাহার বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল উহাদেরকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে যিল্লতি। এটাই সেই দিন যার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের।

Word by word

خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يُوعَدُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme