Kitab

আল মুদ্দাসসির

Chapter 74, 56 verses

  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক

হে প্রিয় পোশাক - পরিহিত!

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; হে বস্ত্রাবৃত,

আবদুস শহীদ নাসিম

হে বস্ত্রাচ্ছাদিত !

জহুরুল হক

ওঠো এবং সতর্ক করো,

সমকালীন বাংলা

উঠো, অতঃপর সতর্ক কর,

আবদুস শহীদ নাসিম

উঠো, (মানুষকে) সতর্ক করো।

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভু - - মাহা‌ত্ম্য ঘোষণা করো,

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার রব - এর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করো।

জহুরুল হক

আর তোমার পোশাক - - তবে পবিত্র করো,

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার পোশাক পরিচ্ছদ পবিত্র রাখো।

জহুরুল হক

আর কদর্যতা - - তবে পরিহার করো,

সমকালীন বাংলা

এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকো,

আবদুস শহীদ নাসিম

আবিলতা (শিরকের অপবিত্রতা) পরিত্যাগ করো।

জহুরুল হক

আর অনুগ্রহ করো না বেশি পাবার প্রত্যাশায়,

সমকালীন বাংলা

এবং অধিক পাওয়ার আশায় দান করো না,

আবদুস শহীদ নাসিম

বেশি পাওয়ার আশায় উপকার করোনা।

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভুর জন্য তবে অধ্যবসায় চালিয়ে যাও।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার প্রতিপালকের জন্য ধৈর্য ধারণ করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমার প্রভুর উদ্দেশ্যে সবর অবলম্বন করো।

জহুরুল হক

তারপর যখন শিঙায় আওয়াজ দেওয়া হবে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফুৎকার দেয়া হবে শিংগায়,

জহুরুল হক

সেটি তবে হবে, সেই দিনটি, এক মহাসংকটের দিন - -

সমকালীন বাংলা

তখন সে দিন হবে এক কঠিন দিন,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিনটি হবে এক কঠিন দিন।

জহুরুল হক

অবিশ্বাসীদের উপরে; আরামদায়ক নয়।

সমকালীন বাংলা

অস্বীকারকারীদের উপর সহজ হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি সহজ হবেনা কাফিরদের জন্যে।

জহুরুল হক

ছেড়ে দাও আমাকে ও তাকে যাকে আমি সৃষ্টি করেছি এককভাবে,

সমকালীন বাংলা

ছেড়ে দাও আমাকে এবং যাকে আমি একা সৃষ্টি করেছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাকে ছেড়ে দাও আর যাকে আমি সৃষ্টি করেছি একাই।

জহুরুল হক

আর তার জন্য আমি বিপুল ধনসম্পদ দিয়েছিলাম,

সমকালীন বাংলা

এবং তাকে দিয়েছি বিপুল সম্পদ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তাকে দিয়েছি বিপুল মাল - সম্পদ।

জহুরুল হক

আর সন্তানসন্ততি প্রত্যক্ষ অবস্থানকারী,

সমকালীন বাংলা

এবং উপস্থিত সন্তানদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

দিয়েছি সংগে উপস্থিত থাকা পুত্রদের।

জহুরুল হক

আর তার জন্য আমি সহজ করে দিয়েছিলাম স্বচ্ছন্দভাবে,

সমকালীন বাংলা

এবং তার জন্য ব্যাপক সুব্যবস্থা,

আবদুস শহীদ নাসিম

সরবরাহ করেছি স্বচ্ছন্দ জীবনের প্রচুর উপকরণ।

জহুরুল হক

তারপরেও সে চায় যে আমি যেন আরো বাড়িয়ে দিই!

সমকালীন বাংলা

এরপরেও সে আশা করে যে আমি আরও দেই,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপরেও সে লোভ করে আমি যেনো তাকে আরো বেশি করে দেই।

জহুরুল হক

কখনো নয়! কেননা সে আমাদের নির্দেশাবলী সন্বন্ধে ঘোর বিরুদ্ধাচারী।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই সে আমার নিদর্শনসমূহের প্রতি ছিলো উদ্ধত,

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, সে তো আমাদের আয়াতের উগ্র বিরোধিতাকারী।

জহুরুল হক

আমি তার উপরে আনব এক ক্রমবর্ধমান আঘাত।

সমকালীন বাংলা

শীঘ্রই আমি তাকে দুর্গম আরোহনে বাধ্য করবো।

আবদুস শহীদ নাসিম

অচিরেই আমি তাকে চড়াবো এক কঠিন স্থানে (জাহান্নামের পাহাড়ে)।

জহুরুল হক

কেননা নিশ্চয় সে ভাবনাচিন্তা করল এবং মেপেজোখে দেখল।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সে চিন্তা করেছে এবং পরিকল্পনা করেছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে চিন্তা করেছে এবং একটা চক্রান্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জহুরুল হক

সুতরাং সে নিপাত যাক! কেমনতর সে যাচাই করেছিল!

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ধ্বংস হোক সে! কীভাবে সে পরিকল্পনা করলো!

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ধ্বংস হোক, কী করে সে এ সিদ্ধান্ত নিলো?

জহুরুল হক

পুনশ্চ সে নিপাত যাক! কেমন করে সে যাচাই করছিল!

সমকালীন বাংলা

আবার ধ্বংস হোক সে! কীভাবে সে পরিকল্পনা করলো!

আবদুস শহীদ নাসিম

সে আবারো ধ্বংস হোক, কী করে নিলো সে এ সিদ্ধান্ত!

জহুরুল হক

সে আবার তাকিয়ে দেখল,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে লক্ষ্য করলো,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে নজর করে দেখেছে।

জহুরুল হক

তারপর সে ভ্রকুঞ্চিত করল ও মুখ বিকৃত করল,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে ভ্রূকুটি করল ও মুখ বিকৃত করলো,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর ভ্রুকুঞ্চিত করে মুখ বিকৃত করেছে।

জহুরুল হক

তারপর সে পিছিয়ে গেল ও বুক ফুলিয়ে এগিয়ে এল,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করল ও অহংকার করল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর পেছনে গিয়ে দাম্ভিকতা প্রকাশ করেছে।

জহুরুল হক

তারপর বললে - - ''এ বরাবর চলে আসা জাদু বৈ তো নয়!

সমকালীন বাংলা

এবং বলল, “এ তো কেবল প্রচলিত জাদু,”

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছে: ‘‘এ তো সমাজে চলে আসা প্রচলিত ম্যাজিক ছাড়া আর কিছু নয়।

জহুরুল হক

''এ একজন মানুষের কথা বৈ তো নয়।’’

সমকালীন বাংলা

“এ তো মানুষেরই কথা ছাড়া কিছু নয়।”

আবদুস শহীদ নাসিম

এতো মানুষের কথা ছাড়া অন্য কিছু নয়।’’

জহুরুল হক

আমি শীঘ্রই তাকে ফেলব জ্বালাময় আগুনে।

সমকালীন বাংলা

আমি তাকে সাকারে নিক্ষেপ করবো।

আবদুস শহীদ নাসিম

অচিরেই আমি তাকে নিক্ষেপ করবো সাকারে।

জহুরুল হক

আর কী তোমাকে বোঝাবে জ্বালাময় আগুনটা কি?

সমকালীন বাংলা

আর তুমি কীভাবে জানবে সাকার কী?

আবদুস শহীদ নাসিম

কিভাবে জানবে তুমি - সাকার কী?

জহুরুল হক

তা কিছুই বাকী রাখে না, আর কিছুই ছেড়ে দেয় না,

সমকালীন বাংলা

তা কিছু অবশিষ্ট রাখে না এবং কিছু ছাড়েও না,

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেটা এমন জিনিস) যা বাকিও রাখেনা, ছেড়েও দেয়না।

জহুরুল হক

মানুষকে একেবারে ঝলসে দেবে,

সমকালীন বাংলা

তা চামড়া দগ্ধকারী,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা মানুষের (গায়ের চামড়া) দগ্ধকারী।

জহুরুল হক

তার উপরে রয়েছে ''উনিশ’’।

সমকালীন বাংলা

তার উপর রয়েছে উনিশ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটার তত্ত্বাবধানে আছে ঊনিশজন (ফেরেশতা)।

জহুরুল হক

আর আমরা ফিরিশ্‌তাদের ছাড়া আগুনের প্রহরী করি নি, আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছে তাদের পরীক্ষারূপে ছাড়া আমরা এদের সংখ্যা নির্ধারণ করি নি, যেন যাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছিল তাদের দৃঢ়প্রত্যয় জন্মে, আর যারা বিশ্বাস করেছে তাদের ঈমান যেন বর্ধিত হয়, আর যাদের গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে ও যারা তারা যেন সন্দেহ না করে, আর যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে ও যারা অবিশ্বাসী তারা যেন বলতে পারে - - ''এই রূপকের দ্বারা কী বোঝাতে চাইছেন?’’ এইভাবে বিভ্রান্ত করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন, এবং পথনির্দেশ দেন যাকে তিনি চান। আর তিনি ছাড়া আর কেউ তোমার প্রভুর বাহিনীকে সম্যক জানে না। বস্তুত এটি মানবকুলের জন্য এক সতর্কীকরণ বৈ তো নয়।

সমকালীন বাংলা

এবং আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া আগুনের তত্ত্বাবধায়ক বানাইনি, এবং এদের সংখ্যা নির্ধারণ করিনি অবিশ্বাসীদের জন্য এক পরীক্ষা ছাড়া, যেনো কিতাবপ্রাপ্তরা নিশ্চিত হতে পারে, এবং মুমিনদের বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়, এবং কিতাবপ্রাপ্তরা ও মুমিনরা সন্দেহ না করে; আর যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং অস্বীকারকারীরা বলে, “ এ উদাহরণ দ্বারা কী উদ্দেশ্য করেছেন?” এভাবেই যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ দেন। আর তোমার প্রতিপালকের বাহিনীসমূহ সম্পর্কে তিনি ছাড়া কেউ জানে না। এবং এটি মানুষের জন্য এক উপদেশ ছাড়া কিছু নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেছি ফেরেশতাদের। আমরা কাফিরদের পরীক্ষার জন্যেই তাদের এই সংখ্যা উল্লেখ করেছি, যাতে করে ইতোপূর্বে যাদের কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের একীন জন্মে এবং যেনো ঈমানদারদের ঈমান বেড়ে যায় আর কিতাবীরা এবং মুমিনরা যেনো সন্দেহে না পড়ে। আর যাদের মনে রোগ (মুনাফিকি) আছে তারা এবং কাফিররা যেনো বলে: ‘ এই কথার মাধ্যমে কী বুঝাতে চেয়েছেন?’ এভাবেই যাকে চান বিপথগামী করেন এবং যাকে চান সঠিক পথ দেখান। তোমার প্রভুর বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনি ছাড়া কেউই জানেনা। জাহান্নামের এই তথ্য মানুষের জন্যে একটি সতর্কবাণী।

জহুরুল হক

না! ভাবো চাঁদের কথা;

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! শপথ চাঁদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, শপথ চাঁদের,

জহুরুল হক

আর রাতের কথা যখন তার অবসান ঘটে।

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, যখন তা অপসারিত হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের যখন তা পেছনে ফিরে (চলে) যায়,

জহুরুল হক

আর প্রভাতকালের কথা যখন তা হয় আলোকোজ্জ্বল।

সমকালীন বাংলা

এবং সকালের, যখন তা আলোকিত হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ভোর বেলার যখন তা আলোকিত হয়ে উঠে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি অতি বিরাট এক ব্যাপার - -

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তা এক মহাবিষয়ের অন্যতম।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এ (জাহান্নাম) গুরুতর বিপদ সমূহের একটি,

জহুরুল হক

মানুষের জন্য সতর্কীকরণরূপে,

সমকালীন বাংলা

মানুষের জন্য সতর্কবার্তা,

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের জন্যে সতর্ককারী।

জহুরুল হক

তোমাদের মধ্যের তার জন্য যে আগবাড়তে চায়, অথবা পেছনে থাকতে চায়।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের মধ্যে যে অগ্রসর হতে বা পিছিয়ে থাকতে চায় তার জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যে এগিয়ে আসতে চায় কিংবা যে পিছিয়ে পড়তে চায় তার জন্যে।

জহুরুল হক

প্রত্যেক সত্ত্বাই জামিন থাকবে যা সে অর্জন করে তার জন্য, - -

সমকালীন বাংলা

প্রত্যেক ব্যক্তি তার অর্জনের জন্য দায়বদ্ধ;

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের অর্জনের কাছে আবদ্ধ।

জহুরুল হক

ডানদিকের লোকেরা ব্যতীত,

সমকালীন বাংলা

তবে ডানদিকের সঙ্গীরা ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে ডান পাশের লোকেরা নয়।

জহুরুল হক

জান্নাতে, তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে - -

সমকালীন বাংলা

তারা থাকবে উদ্যানসমূহে; পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে উদ্যানসমূহে, তারা প্রশ্ন করবে

জহুরুল হক

অপরাধীদের সম্পর্কে;

সমকালীন বাংলা

অপরাধীদের সম্পর্কে,

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীদের বিষয়ে:

জহুরুল হক

''কিসে তোমাদের নিয়ে এসেছে জ্বালাময় আগুনে?’’

সমকালীন বাংলা

“কী তোমাদের সাকারে প্রবেশ করিয়েছে?”

আবদুস শহীদ নাসিম

‘কোন্ জিনিস তোমাদের নিক্ষেপ করেছে সাকারে?’

জহুরুল হক

তারা বলবে - - ''আমরা নামাযীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না,

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “আমরা আদায়কারীদের মধ্যে ছিলাম না,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘‘আমরা মুসল্লিদের মধ্যে ছিলাম না,

জহুরুল হক

''আর আমরা অভাবগ্রস্তদের খাবার দিতে চাইতাম না;

সমকালীন বাংলা

এবং অভাবগ্রস্তকে আহার করাতাম না,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা মিসকিনদের (অভাবীদের) খাবার দিতামনা,

জহুরুল হক

''বরং আমরা বৃথা তর্ক করতাম বৃথা তর্ককারীদের সঙ্গে,

সমকালীন বাংলা

এবং আমরা অর্থহীন আলোচনায় লিপ্তদের সঙ্গে যোগ দিতাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মিথ্যা রটনাকারীদের সাথে মিথ্যা রটনা করতাম,

জহুরুল হক

''আর আমরা বিচারের দিনকে মিথ্যা বলতাম, - -

সমকালীন বাংলা

এবং প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা প্রত্যাখ্যান করতাম প্রতিদান দিবসকে,

জহুরুল হক

''যতক্ষণ না অবশ্যাম্ভাবী আমাদের কাছে এসেছিল।’’

সমকালীন বাংলা

অবশেষে নিশ্চিত বিষয়টি আমাদের কাছে আসলো।”

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের কাছে একীন (মৃত্যু) এসে পৌছা পর্যন্ত।’’

জহুরুল হক

ফলে সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোনো কাজে আসবে না।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর কাজে আসবে না সুপারিশকারীদের সুপারিশ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব শাফায়াতকারীদের শাফায়াত তাদের কোনো কাজে আসবেনা।

জহুরুল হক

তাদের তবে কি হয়েছে যে তারা অনুশাসন থেকে ফিরে চলে যায়,

সমকালীন বাংলা

তাহলে তাদের কী হয়েছে যে তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কী হয়েছে, কেন তারা উপদেশ বাণী (কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে?

জহুরুল হক

যেন তারা ভীত - ত্রস্ত গাধার দল,

সমকালীন বাংলা

তারা যেন ভীতসন্ত্রস্ত গাধা

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা যেনো পলায়নপর গাধার দল,

জহুরুল হক

পালিয়ে যাচ্ছে সিংহের থেকে?

সমকালীন বাংলা

যারা সিংহ থেকে পালিয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা দ্রুত পালাচ্ছে সিংহের সামনে থেকে।

জহুরুল হক

বস্তুত তাদের মধ্যের প্রত্যেকটি লোকই চায় যে তাকে যেন দেওয়া হয় খোলামেলা কাগজের তাড়া।

সমকালীন বাংলা

বরং তাদের প্রত্যেকে চায় যে তাকে খোলা পাতা সমূহ দেওয়া হোক।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা প্রত্যেকে চায়, তাকে একটি উন্মুক্ত সহিফা (বই) দেয়া হোক।

জহুরুল হক

কখনো না। তারা কিন্ত পরকালের ভয় করে না।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! বরং তারা পরকালকে ভয় করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, বরং তারা আখিরাতকেই ভয় পায়না।

জহুরুল হক

কক্ষনো না! এটি নিশ্চয়ই এক অনুশাসন।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই এটি এক উপদেশ,

আবদুস শহীদ নাসিম

না, তা হবার নয়। নিশ্চয়ই এ কুরআন এক উপদেশ বাণী।

জহুরুল হক

সুতরাং যে কেউ চায় সে এটি স্মরণ করুক।

সমকালীন বাংলা

অতএব যার ইচ্ছা, সে তা স্মরণ করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং যার ইচ্ছা, সে এ থেকে উপদেশ গ্রহণ করুক।

জহুরুল হক

আর তারা মনোনিবেশ করবে না যদি না ইচ্ছা করেন। তিনিই ভয়ভক্তি করার যোগ্য পাত্র এবং তিনিই পরিত্রাণের যথার্থ অধিকারী।

সমকালীন বাংলা

আর তারা স্মরণ করবে না, যদি না ইচ্ছা করেন। তিনিই ভয়ের অধিক যোগ্য এবং ক্ষমা করার অধিক যোগ্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তারা আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া উপদেশ গ্রহণ করবেনা। একমাত্র তিনিই উপযুক্ত যাকে ভয় করা উচিত এবং একমাত্র তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme