Kitab

আল মুতাফফীন

Chapter 83, 36 verses

  • জহুরুল হক
  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক

ধিক্ প্রতারণাকারীদের জন্য - -

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; দুর্ভোগ তাদের জন্য, যারা পরিমাপে কম দেয়,

মুহিউদ্দীন খান

যারা মাপে কম করে, তাদের জন্যে দুর্ভোগ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

ধ্বংস যারা পরিমাপে কম দেয় তাদের জন্য।

জহুরুল হক

যারা মানুষের কাছ থেকে যখন মেপে নেয় তখন পুরো মাপ চায়,

সমকালীন বাংলা

যারা মানুষের কাছ থেকে মেপে নেওয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় নেয়,

মুহিউদ্দীন খান

যারা লোকের কাছ থেকে যখন মেপে নেয়, তখন পূর্ণ মাত্রায় নেয়

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের মেপে দেয় অথবা তাদের জন্য ওজন করে তখন কম করে।

সমকালীন বাংলা

আর যখন তাদের জন্য মাপে বা ওজনে দেয়, তখন কম দেয়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন লোকদেরকে মেপে দেয় কিংবা ওজন করে দেয়, তখন কম করে দেয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়।

জহুরুল হক

তারা কি ভাবে না যে তারাই তো - - তারা নিশ্চয়ই পুনরুত্থিত হবে - -

সমকালীন বাংলা

এরা কি ভাবেনা যে, এদের পুনরায় উঠিয়ে আনা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি চিন্তা করে না যে, তারা পুনরুত্থিত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি দৃঢ় বিশ্বাস করে না যে, নিশ্চয় তারা পুনরুত্থিত হবে,

জহুরুল হক

ভীষণ এক দিনে,

সমকালীন বাংলা

এক মহাদিবসে,

মুহিউদ্দীন খান

সেই মহাদিবসে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

এক মহা দিবসে ?

জহুরুল হক

যেদিন মানুষরা দাঁড়াবে বিশ্বজগতের প্রভুর সামনে?

সমকালীন বাংলা

যেদিন মানুষসমূহ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে?

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন মানুষ দাঁড়াবে বিশ্ব পালনকর্তার সামনে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন মানুষ সৃষ্টিকুলের রবের জন্য দাঁড়াবে।

জহুরুল হক

না, নিঃসন্দেহ দুষ্কৃতিকারীদের দলিল - দস্তাবেজ তো সিজ্জীনের ভেতরে রয়েছে ।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়; নিশ্চয়ই পাপাচারীদের রেকর্ড রয়েছে সিজ্জীনে,

মুহিউদ্দীন খান

এটা কিছুতেই উচিত নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের আমলনামা সিজ্জীনে আছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের ‘আমলনামা সিজ্জীনে।* *সপ্ত যমীনের নীচে অবস্থিত একটি স্থান। পাপীদের আমলনামা সেখানে রাখা হয়।

জহুরুল হক

আর কী তোমাকে বোঝাবে সিজ্জীন কি?

সমকালীন বাংলা

এবং কী তোমাকে জানাবে সিজ্জীন কী?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন, সিজ্জীন কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিসে তোমাকে জানাবে ‘সিজ্জীন’ কী?

জহুরুল হক

স্পষ্টভাবে লিখিত নিবন্ধগ্রন্থ।

সমকালীন বাংলা

একটি লিখিত নিবন্ধন,

মুহিউদ্দীন খান

এটা লিপিবদ্ধ খাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

লিখিত কিতাব।

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি - -

সমকালীন বাংলা

সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য,

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন ধ্বংস অস্বীকারকারীদের জন্য ।

জহুরুল হক

যারা বিচারের দিনকে মিথ্যা ভেবেছে!

সমকালীন বাংলা

যারা প্রতিদান দিবসকে মিথ্যা বলে,

মুহিউদ্দীন খান

যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে।

জহুরুল হক

আর কেউ একে অস্বীকার করে না কেবল প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠ ব্যতীত - -

সমকালীন বাংলা

আর তা মিথ্যা বলে কেবল প্রত্যেক সীমালঙ্ঘনকারী পাপী,

মুহিউদ্দীন খান

প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠই কেবল একে মিথ্যারোপ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সকল সীমালঙ্ঘনকারী পাপাচারী ছাড়া কেউ তা অস্বীকার করে না।

জহুরুল হক

যে, যখন তার কাছে আমাদের বাণীসমূহ পাঠ করা হয় তখন বলে - - ''আদ্যিকালের গালগল্প।’’

সমকালীন বাংলা

যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, সে বলে, “এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী,”

মুহিউদ্দীন খান

তার কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে সে বলে, পুরাকালের উপকথা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, ‘পূর্ববর্তীদের রূপকথা।’

জহুরুল হক

না, বরং তারা যা অর্জন করে চলেছিল তা তাদের হৃদয়ে মরচে ধরিয়েছে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! বরং তাদের অন্তরের ওপর মরিচা পড়েছে, যা তারা অর্জন করত তার কারণে,

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, বরং তারা যা করে, তাই তাদের হৃদয় মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, বরং তারা যা অর্জন করত তা-ই তাদের অন্তরসমূহকে ঢেকে দিয়েছে।

জহুরুল হক

না, তারা নিঃসন্দেহ তাদের প্রভুর কাছ থেকে সেদিন অবশ্যই বঞ্চিত হবে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই সেদিন তাদের প্রতিপালকের থেকে আড়ালে রাখা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় সেদিন তারা তাদের রব থেকে পর্দার আড়ালে থাকবে।

জহুরুল হক

তারপর তারা নিশ্চয় ভয়ংকর আগুনে প্রবেশ করবে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর নিশ্চয়ই তারা জাহিমে প্রবেশ করবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর নিশ্চয় তারা প্রজ্জ্বলিত আগুনে প্রবেশ করবে।

জহুরুল হক

তখন তাদের বলা হবে - - ''এই তো তাই যা তোমরা মিথ্যা বলতে।’’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর বলা হবে, “এটাই তা, যা তোমরা মিথ্যা বলতে,”

মুহিউদ্দীন খান

এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর বলা হবে, এটাই তা যা তোমরা অস্বীকার করতে।

জহুরুল হক

না, নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণদের কর্মবিবরণী তো ইল্লিয়ীনে রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

কখনোই নয়! নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণদের আমলনামা রয়েছে ইল্লীয়্যীনে,

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, নিশ্চয় সৎলোকদের আমলনামা আছে ইল্লিয়্যীনে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় নেককার লোকদের আমলনামা থাকবে ইল্লিয়্যীনে ।* *আমল নামা। অথবা সপ্তম আকাশে জান্নাতের নিচে অবস্থিত একটি স্থান। অথবা জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ স্থান।

জহুরুল হক

আর কেমন ক’রে তোমাকে বুঝানো যাবে ইল্লিয়ীন কি?

সমকালীন বাংলা

এবং কী তোমাকে জানাবে ইল্লীয়্যীন কী?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন ইল্লিয়্যীন কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিসে তোমাকে জানাবে ‘ইল্লিয়্যীন’ কী?

জহুরুল হক

স্পষ্টভাবে লিখিত নিবন্ধগ্রন্থ, - -

সমকালীন বাংলা

এটি এক লিখিত নিবন্ধন,

মুহিউদ্দীন খান

এটা লিপিবদ্ধ খাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

লিখিত কিতাব।

জহুরুল হক

নৈকট্যপ্রাপ্তরা তা দেখতে পাবে।

সমকালীন বাংলা

যার সাক্ষী থাকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা,

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ একে প্রত্যক্ষ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নৈকট্যপ্রাপ্তরাই তা অবলোকন করে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা তো থাকবে পরমানন্দে,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণরা থাকবে পরম সুখে,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় সৎলোকগণ থাকবে পরম আরামে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় নেককাররাই থাকবে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে।

জহুরুল হক

উঁচু আসনে চেয়ে থাকবে।

সমকালীন বাংলা

সুসজ্জিত আসনের ওপর বসে তারা তাকিয়ে দেখবে,

মুহিউদ্দীন খান

সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুসজ্জিত আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে।

জহুরুল হক

তাদের চেহারাতে তুমি পরিচয় পাবে পরমানন্দের দীপ্তি।

সমকালীন বাংলা

তুমি তাদের চেহারায় পরম সুখের উজ্জ্বলতা দেখতে পারবে,

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি তাদের চেহারাসমূহে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের লাবণ্যতা দেখতে পাবে।

জহুরুল হক

তাদের পান করানো হবে বিশুদ্ধ পানীয় থেকে, যা মোহর - মারা;

সমকালীন বাংলা

তাদের পান করানো হবে সীল করা বিশুদ্ধ পানীয়,

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে সীলমোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় থেকে পান করানো হবে।

জহুরুল হক

তার মোহর হচ্ছে কস্তুরীর। আর এর জন্যেই তবে উচ্চাকাঙক্ষীরা আকাঙক্ষা করুক।

সমকালীন বাংলা

যার সমাপ্তি হবে কস্তুরীর সুবাসে; আর এর জন্যই প্রতিযোগিতা করুক প্রতিযোগীরা,

Note

মৃগনাভী কস্তুরী সুবাস (fragrance of Deer Musk)  

মুহিউদ্দীন খান

তার মোহর হবে কস্তুরী। এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তার মোহর হবে মিসক। আর প্রতিযোগিতাকারীদের উচিৎ এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করা।

জহুরুল হক

আর তার সংমিশ্রণ হবে তসনীম থেকে,

সমকালীন বাংলা

এবং তার মিশ্রণ হবে তাসনীম থেকে,

Note
Tasnim is an Arabic name meaning "a fountain or spring in Paradise,"
মুহিউদ্দীন খান

তার মিশ্রণ হবে তসনীমের পানি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার মিশ্রণ হবে তাসনীম থেকে।

জহুরুল হক

একটি প্রস্রবণ যা থেকে পান করে নৈকট্যপ্রাপ্তরা।

সমকালীন বাংলা

এটিএকটিঝর্ণাধারা, যেখান থেকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে,

মুহিউদ্দীন খান

এটা একটা ঝরণা, যার পানি পান করবে নৈকট্যশীলগণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা এক প্রস্রবণ, যা থেকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে।

জহুরুল হক

যারা অপরাধ করত তারা অবশ্য উপহাস করতো তাদের যারা ঈমান এনেছে,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদের নিয়ে উপহাস করতো।

মুহিউদ্দীন খান

যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদেরকে উপহাস করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা অপরাধ করেছে তারা মুমিনদেরকে নিয়ে হাসত।

জহুরুল হক

আর যখন তারা তাদের পাশ দিয়ে যেতো তখন তারা পরস্পর চোখ ঠারতো;

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তারা তাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করত, তারা চোখ টিপে কটাক্ষ করতো,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা যখন তাদের কাছ দিয়ে গমন করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তারা মুমিনদের পাশ দিয়ে যেত তখন তারা তাদেরকে নিয়ে চোখ টিপে বিদ্রূপ করত।

জহুরুল হক

আর যখন তারা নিজেদের দলের কাছে ফিরে আসত তখন তারা ফিরতো উল্লাস করতে করতে।

সমকালীন বাংলা

আর যখন তারা নিজেদের লোকদের কাছে ফিরতো, উৎফুল্ল হয়ে ফিরতো,

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন তাদের পরিবার - পরিজনের কাছে ফিরত, তখনও হাসাহাসি করে ফিরত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তারা পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে আসত তখন তারা উৎফুল্ল হয়ে ফিরে আসত।

জহুরুল হক

আর যখন তারা তাদের দেখত তখন বলতো - - ''নিশ্চয় এরাই তো পথভ্রষ্ট।’’

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তারা তাদের দেখতো, বলতো, “নিশ্চয়ই এরাবিপথগামী,”

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন তারা বিশ্বাসীদেরকে দেখত, তখন বলত, নিশ্চয় এরা বিভ্রান্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তারা মুমিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘নিশ্চয় এরা পথভ্রষ্ট’।

জহুরুল হক

কিন্ত তাদের তো এদের উপরে তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠানো হয় নি।

সমকালীন বাংলা

অথচ তাদের ওপর এদের তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠানো হয়নি,

Note

অস্বীকারকারীদের= কাফিরদের

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তারা বিশ্বাসীদের তত্ত্বাবধায়করূপে প্রেরিত হয়নি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে তো মুমিনদের হিফাযতকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি।

জহুরুল হক

কাজেই আজকের দিনে যারা ঈমান এনেছিল তারা অবিশ্বাসীদের প্রতি হাসাহাসি করবে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আজ মুমিনরা অস্বীকারকারীদের নিয়ে হাসবে,

মুহিউদ্দীন খান

আজ যারা , তারা কাফেরদেরকে উপহাস করছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আজ মুমিনরাই কাফিরদেরকে নিয়ে হাসবে।

জহুরুল হক

উঁচু আসনে চেয়ে চেয়ে দেখবে।

সমকালীন বাংলা

সুসজ্জিত আসনের ওপর বসে তারা তাকিয়ে থাকবে,

মুহিউদ্দীন খান

সিংহাসনে বসে, তাদেরকে অবলোকন করছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

উচ্চ আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে।

জহুরুল হক

অবিশ্বাসীদের কি সেই প্রতিফলই দেওয়া হ’ল না যা তারা করত?

সমকালীন বাংলা

অস্বীকারকারীরা কি তাদের কাজের প্রতিফল পেয়েছে?

Note
কাফেররা=অস্বীকারকারীরা
মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা যা করত, তার প্রতিফল পেয়েছে তো?

বয়ান ফাউন্ডেশন

কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান দেয়া হল তো?

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme