এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করছে অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে - -
আল মারিজ
Chapter 70, 44 verses
অবিশ্বাসীদের জন্য, এর প্রতিরোধকারী কেউ নেই - -
র নিকট থেকে, যিনি উন্নয়নের সোপানের অধিকর্তা।
ফিরিশ্তাগণ ও আত্মা তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে যার পরিমাপ হলো পঞ্চাশ হাজার বছর।
অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও এক সুমহান ধৈর্যধারণে।
নিঃসন্দেহ তারা একে মনে করে বহু দূরে,
কিন্তু আমরা দেখছি এ নিকটে।
সেইদিন আকাশ হয়ে যাবে গলানো তামার মতো,
আর পাহাড়গুলো হবে উলের মতো,
আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদ করবে না অন্তরঙ্গ বন্ধু সন্বন্ধে - -
তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,
আর তার সহধর্মিণীর ও তার ভাইয়ের,
আর তার নিকট - আত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,
আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সমস্তটাই, - - যেন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কখনোই নয়! নিঃসন্দেহ এটি এক শিখায়িত আগুন, - -
চামড়া ঝলসিয়ে খসাতে উদগ্রীব, - -
এ ডাকবে তাকে যে পালিয়েছিল ও ফিরে গিয়েছিল,
আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।
নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা - - তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,
যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,
আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড় - কিপটে,
তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, - -
যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,
আর যারা তাদের ধনসম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে - -
ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,
আর যারা বিচারের দিনকে সত্য বলে গ্রহণ করে,
আর যারা তাদের প্রভুর শাস্তি সম্পর্কে খোদ ভীতসন্ত্রস্ত, - -
নিশ্চয় তাদের প্রভুর শাস্তি প্রশান্তিদায়ক নয়;
আর যারা নিজেরাই তাদের আঙ্গিক - কর্তব্যাবলী সম্পর্কে যত্নবান, - -
তবে নিজেদের দম্পতি অথবা তাদের ডানহাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের ছাড়া, কেননা সেক্ষেত্রে তারা নিন্দনীয় নহে,
কিন্তু যে এর বাইরে যাওয়া কামনা করে তাহলে তারা নিজেরাই হবে সীমালংঘনকারী।
আর যারা খোদ তাদের আমানত সন্বন্ধে ও তাদের অংগীকার সন্বন্ধে সজাগ থাকে,
আর যারা স্বয়ং তাদের সাক্ষ্যদানে সুপ্রতিষ্ঠিত,
আর যারা নিজেরা তাদের সন্বন্ধে সদা যত্নবান,
তারাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়।
কিন্তু কি হয়েছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, যে তারা তোমার দিকে উদগ্রীব হয়ে ছুটে আসছে - -
ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে, দলেদলে?
তাদের মধ্যের প্রত্যেক লোকই কি আশা করে যে তাকে প্রবেশ করানো হবে আনন্দময় উদ্যানে?
কখনই না। নিঃসন্দেহ আমরা কি দিয়ে তাদের গড়েছি তা তারা জানে।
কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ - -
যে আমরা তাদের চেয়ে ভালোদের দিয়ে বদলে দেব, আর আমরা পরাজিত হবার নই।
সেজন্য তাদের ছেড়ে দাও গল্পগুজব ও খেলাধুলো করতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যার সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, - -
সেইদিন তারা কবরগুলো থেকে বেরিয়ে আসবে ব্যস্তসমস্ত হয়ে, যেন তারা একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হয়েছে,
তাদের চোখ হবে অবনত, হীনতা তাদের আচ্ছন্ন করবে। এমনটাই সেইদিন যার বিষয়ে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।