আল কলম (কলম) , choose another chapter
আল কলম (কলম)
Chapter 68, 52 verses
সমকালীন বাংলা
Arabic, with marks
আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Add book
List
Grid
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; নূন। কলমের শপথ এবং তারা যা লিখে তারও।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ن ۚ وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১ নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ নূন - শপথ কলমের এবং উহারা যাহা লিপিবদ্ধ করে তাহার,
সমকালীন বাংলা
২ তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
Arabic, with marks
٢ مَا أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
সমকালীন বাংলা
৩ এবং নিশ্চয়ই তোমার জন্য রয়েছে এমন প্রতিদান, যা কখনো শেষ হবে না।
Arabic, with marks
٣ وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ অবশ্যি তোমার জন্যে রয়েছে পুরস্কার অফুরান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ তোমার জন্য অবশ্যই রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার,
সমকালীন বাংলা
৪ তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
Arabic, with marks
٤ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ অবশ্যি তুমি এক মহান চরিত্রের অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
সমকালীন বাংলা
৫ অতএব অচিরেই তুমি দেখবে, এবং তারাও দেখবে,
Arabic, with marks
٥ فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ অচিরেই তুমি দেখবে, আর দেখবে তারাও,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ শীঘ্রই তুমি দেখিবে এবং উহারাও দেখিবে -
সমকালীন বাংলা
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিভ্রান্ত।
Arabic, with marks
٦ بِأَييِّكُمُ الْمَفْتُونُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তোমাদের মধ্যে কে আপতিত ফিতনায়?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।
সমকালীন বাংলা
৭ নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকই সর্বাধিক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, এবং তিনিই সর্বাধিক জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের।
Arabic, with marks
٧ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তোমার প্রভুই সেই সত্তা, যিনি সর্বাধিক জানেন কারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত এবং তিনিই তাদের সর্বাধিক জানেন, যারা হিদায়াত প্রাপ্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ তোমার প্রতিপালক তো সম্যক অবগত আছেন কে তাঁহার পথ হইতে বিচ্যুত হইয়াছে এবং তিনি সম্যক জানেন তাহাদেরকে, যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।
সমকালীন বাংলা
৮ অতএব তুমি অস্বীকারকারীদের অনুসরণ করো না।
Arabic, with marks
٨ فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ সুতরাং তুমি মিথ্যাবাদীদের আনুগত্য করোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সুতরাং তুমি মিথ্যাচারীদের অনুসরণ করিও না।
সমকালীন বাংলা
৯ তারা চায়, যদি তুমি আপস করো, তবে তারাও আপস করবে।
Arabic, with marks
٩ وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তারা চায়, তুমি যদি নমনীয় হও, তবেই তারা নমনীয় হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ উহারা চায় যে, তুমি নমনীয় হও, তাহা হইলে উহারাও নমনীয় হইবে,
সমকালীন বাংলা
১০ আর তুমি অনুসরণ করো না প্রত্যেক অত্যাধিক শপথকারীর।
Arabic, with marks
١٠ وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তুমি আনুগত্য করোনা বারবার হলফকারী হীন ব্যক্তির,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং অনুসরণ করিও না তাহার - যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,
সমকালীন বাংলা
১১ নিন্দাকারী, কথা লাগিয়ে বেড়ানো ব্যক্তি,
Arabic, with marks
١١ هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ যে পেছনে নিন্দা করে এবং একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ পশ্চাতে নিন্দাকারী, যে একের কথা অপরের নিকট লাগাইয়া বেড়ায়,
সমকালীন বাংলা
১২ কল্যাণে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী,
Arabic, with marks
١٢ مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ সে ভালো কাজে বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ যে কল্যাণের কার্যে বাধা দান করে, যে সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ,
সমকালীন বাংলা
১৩ কঠোরস্বভাব, তার উপর আবার বংশের দাবিদার।
Arabic, with marks
١٣ عُتُلٍّ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ সে কর্কশ স্বভাবের, তারপর কুখ্যাত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ রূঢ় স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত ;
সমকালীন বাংলা
১৪ কারণ সে সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির অধিকারী।
Arabic, with marks
١٤ أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ এর কারণ, তার অনেক মাল সম্পদ আছে এবং আছে অনেক সন্তান সন্ততি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ এইজন্য যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী।
সমকালীন বাংলা
১৫ যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, সে বলে, "এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী।"
Arabic, with marks
١٥ إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তার কাছে যখন আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে বলে: ‘এগুলো তো সেকালের কাহিনী।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ উহার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হইলে সে বলে, ‘ইহা তো সেকালের উপকথা মাত্র।’
সমকালীন বাংলা
১৬ অচিরেই আমরা তার নাকের উপর চিহ্ন এঁকে দেব।
Noteখুরতূম (الخرطوم): আক্ষরিক অর্থে এমন একটি শব্দ যা প্রাণীর শুঁড় বা থুতনিযুক্ত নাক/মুখের জন্যও ব্যবহৃত হয়। এখানে সম্ভবত অপমানসূচক হিসেবে ব্যবহার রয়েছে।
Arabic, with marks
١٦ سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ অচিরেই আমরা দাগ লাগিয়ে দেবো তার শুঁড়ে (নাকে)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ আমি উহার শুঁড় দাগাইয়া দিব।
সমকালীন বাংলা
১৭ নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের অধিকারীদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে তারা অবশ্যই ভোরবেলায় তার ফল সংগ্রহ করবে।
Arabic, with marks
١٧ إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা তাদের পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানওয়ালাদের, যখন তারা কসম খেয়ে বলেছিল তারা সকালে বাগানের ফল পাড়বে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিয়াছি, যেভাবে পরীক্ষা করিয়াছিলাম উদ্যান - অধিপতিগণকে, যখন উহারা শপথ করিয়াছিল যে, উহারা প্রত্যূষে আহরণ করিবে বাগানের ফল,
সমকালীন বাংলা
১৮ এবং তারা কোনো ব্যতিক্রম রাখেনি।
Noteআল্লাহ এখানে আমাদের উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন বিবিধ কারণে বা আল্লাহ না চাইলে আমাদের প্রতিশ্রুত কাজটি আমাদের দ্বারা করা সম্ভব নাও হতে পারে; তাই কারো সাথে কোনো প্রতিজ্ঞা বা চুক্তি করার সময় "ইন শাহ আল্লাহ" বলা বা Force Majeure / Act of God Exception Clause / Option রাখা উত্তম। তবে মূল আরবীতে "ইন শাহ আল্লাহ" কথাটি উল্লেখ নেই।
এখান থেকে আমরা আরো একটি শিক্ষা পাই যে, খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করতে নেই।
Arabic, with marks
١٨ وَلَا يَسْتَثْنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তারা ইনশাল্লাহ (আল্লাহ চাহেন তো) বলেনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ এবং তাহারা ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলে নাই।
সমকালীন বাংলা
১৯ অতঃপর তারা যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তার উপর এক দুর্যোগ বয়ে গেল।
Arabic, with marks
١٩ فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ তারপর তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সেই বাগানের উপর দিয়ে বয়ে গেলো একটি ঝাপটা। তখন তারা ছিলো ঘুমে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ অতঃপর তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে এক বিপর্যয় হানা দিল সেই উদ্যানে, যখন উহারা ছিল নিদ্রিত।
সমকালীন বাংলা
২০ ফলে তা হয়ে গেল কাটা ক্ষেতের মতো।
Arabic, with marks
٢٠ فَأَصْبَحَتْ كَالصَّرِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ ফলে সেই বাগান হয়ে যায় কালো বর্ণ (কয়লার মতো)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ ফলে উহা দগ্ধ হইয়া কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করিল।
সমকালীন বাংলা
২১ অতঃপর তারা ভোরবেলায় একে অপরকে ডাকল,
Arabic, with marks
٢١ فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ভোরে তারা পরস্পরকে ডাকলো (বললো:)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ প্রত্যূষে উহারা একে অপরকে ডাকিয়া বলিল,
সমকালীন বাংলা
২২ “যদি তোমরা ফল সংগ্রহ করতে চাও, তবে সকালেই তোমাদের ক্ষেতে চলে যাও।”
Arabic, with marks
٢٢ أَنِ اغْدُوا عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَارِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ ‘যদি তোমরা সকাল সকাল ফল পাড়তে চাও, তবে সকাল সকাল বাগানে চলো।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ ‘তোমরা যদি ফল আহরণ করিতে চাও তবে সকাল সকাল বাগানে চল।’
সমকালীন বাংলা
২৩ অতঃপর তারা রওনা হলো, নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কথা বলতে থাকলো,
Arabic, with marks
٢٣ فَانطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তারপর তারা (বাগানের দিকে) চললো নিচু স্বরে (এই) কথা বলতে বলতে:
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ অতঃপর উহারা চলিল নিম্নস্বরে কথা বলিতে বলিতে,
সমকালীন বাংলা
২৪ “আজ যেন কোনো দরিদ্র সেখানে তোমাদের কাছে প্রবেশ করতে না পারে।”
Arabic, with marks
٢٤ أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আজ যেনো তোমাদের কাছে বাগানে দাখিল না হয় কোনো মিসকিন (অভাবী)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ ‘অদ্য যেন তোমাদের নিকটে কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি উহাতে প্রবেশ করিতে না পারে।’
সমকালীন বাংলা
২৫ এবং তারা ভোরে রওনা হলো, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, নিজেদের সক্ষম মনে করে।
Arabic, with marks
٢٥ وَغَدَوْا عَلَىٰ حَرْدٍ قَادِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আর তারা ভোরে ভোরেই বাগানে রওয়ানা করলো (মিসকিন) প্রতিরোধ করতে সক্ষম মনে করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ অতঃপর উহারা নিবৃত্ত করিতে সক্ষম - এই বিশ্বাস লইয়া প্রভাতকালে বাগানে যাত্রা করিল।
সমকালীন বাংলা
২৬ অতঃপর যখন তারা তা দেখল, তারা বলল, “নিশ্চয়ই আমরা পথ ভুল করেছি।”
Arabic, with marks
٢٦ فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ তারপর যখন বাগানের অবস্থা দেখলো, বললো: ‘‘আমরা তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ অতঃপর উহারা যখন বাগানের অবস্থা প্রত্যক্ষ করিল, তখন বলিল, ‘আমরা তো দিশা হারাইয়া ফেলিয়াছি।
সমকালীন বাংলা
২৭ “বরং আমরাই বঞ্চিত হয়েছি।”
Arabic, with marks
٢٧ بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ ‘বরং আমরা তো বঞ্চিত।’
সমকালীন বাংলা
২৮ তাদের মধ্যে মধ্যপন্থী ব্যক্তি বলল, “আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা পবিত্রতা ঘোষণা করো না?”
Arabic, with marks
٢٨ قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের সবচে’ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি বললো: ‘আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা তসবিহ করছোনা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ উহাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি বলিল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলি নাই ? এখনও তোমরা আল্লাহ্ র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছ না কেন ?’
সমকালীন বাংলা
২৯ তারা বলল, “আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। নিশ্চয়ই আমরাই ছিলাম অন্যায়কারী।”
Arabic, with marks
٢٩ قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ (তারা বললো:) আমাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, অবশ্যি আমরা ছিলাম যালিম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ তখন উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছি, আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’
সমকালীন বাংলা
৩০ অতঃপর তারা পরস্পরের দিকে ফিরে পরস্পরকে দোষারোপ করতে লাগল।
Arabic, with marks
٣٠ فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তখন তারা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে থাকলো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ অতঃপর উহারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিতে লাগিল।
সমকালীন বাংলা
৩১ তারা বললো, “হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম।
Arabic, with marks
٣١ قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তারা বললো: ‘‘হায় ধ্বংস আমাদের, অবশ্যি আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ উহারা বলিল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম সীমালংঘনকারী।
সমকালীন বাংলা
৩২ হয়তো আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন। নিশ্চয়ই আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছেই প্রত্যাশী।”
Arabic, with marks
٣٢ عَسَىٰ رَبُّنَا أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَا إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا رَاغِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ হয়তো আমাদের প্রভু আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম বদলা (বিনিময়) দেবেন, আমরা আমাদের প্রভুর অভিমুখী হলাম।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ সম্ভবত আমাদের প্রতিপালক ইহা হইতে আমাদেরকে উৎকৃষ্টতর বিনিময় দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হইলাম।’
সমকালীন বাংলা
৩৩ এভাবেই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরও বড়, যদি তারা জানত।
Arabic, with marks
٣٣ كَذَٰلِكَ الْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ আযাব এরকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের আযাব অবশ্যি এর চাইতে অনেক জঘন্যতর, যদি তারা জানতো!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ শাস্তি এইরূপই হইয়া থাকে এবং আখিরাতের শাস্তি কঠিনতর। যদি উহারা জানিত।
সমকালীন বাংলা
৩৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে বিলাসবহুল বেহেস্ত।
Arabic, with marks
٣٤ إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে ‘জান্নাতুন নায়ীম’।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রহিয়াছে ভোগ - বিলাসপূর্ণ জান্নাত তাহাদের প্রতিপালকের নিকট।
সমকালীন বাংলা
৩৫ তবে কি আমরা মুসলিমদেরকে অপরাধীদের মতো গণ্য করব?
Arabic, with marks
٣٥ أَفَنَجْعَلُ الْمُسْلِمِينَ كَالْمُجْرِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমরা কি আত্মসমর্পণকারী - মুসলিমদের গণ্য করবো অপরাধীদের সমতুল্য?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ আমি কি আত্মসমর্পণ - কারীদেরকে অপরাধীদের সমতুল্য গণ্য করিব?
সমকালীন বাংলা
৩৬ তোমাদের কী হয়েছে? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নাও?
Arabic, with marks
٣٦ مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ তোমাদের কী হয়েছে - তোমরা কিভাবে ফায়সালা করছো?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা এ কেমন সিদ্ধান্ত দিতেছ?
সমকালীন বাংলা
৩৭ নাকি তোমাদের কাছে এমন কোনো কিতাব রয়েছে, যা তোমরা অধ্যয়ন কর?
Arabic, with marks
٣٧ أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ নাকি তোমাদের কাছে কোনো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে (এসব) তোমরা পাঠ করছো?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ তোমাদের নিকট কী কোন কিতাব আছে যাহাতে তোমরা অধ্যয়ন কর -
সমকালীন বাংলা
৩৮ যাতে তোমাদের জন্য যা ইচ্ছা, তাই রয়েছে?
Arabic, with marks
٣٨ إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তাতে কি লেখা রয়েছে তোমাদের পছন্দসই কথা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ যে, তোমাদের জন্য উহাতে রহিয়াছে যাহা তোমরা পসন্দ কর?
সমকালীন বাংলা
৩৯ নাকি আমাদের ওপর তোমাদের জন্য কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে—এমন কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে, যাতে তোমরা যা নির্ধারণ কর, সেটিই তোমাদের জন্য থাকবে?
Arabic, with marks
٣٩ أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ নাকি আমার সাথে তোমাদের কোনো অংগীকার আছে যা কিয়ামতকাল পর্যন্ত বলবত থাকবে? নিশ্চয়ই তোমরা তাই পাবে, যা নিজেদের জন্যে ফায়সালা করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ তোমাদের কি আমার সঙ্গে কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ এমন কোন অঙ্গীকার রহিয়াছে যে, তোমরা নিজেদের জন্য যাহা স্থির করিবে তাহাই পাইবে?
সমকালীন বাংলা
৪০ তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, তাদের মধ্যে কে এর দায়িত্ব নিতে পারে?
Arabic, with marks
٤٠ سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তাদের তুমি প্রশ্ন করো, এ ব্যাপারে তাদের যিম্মাদার কে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর উহাদের মধ্যে এই দাবির যিম্মাদার কে?
সমকালীন বাংলা
৪১ নাকি তাদের কোনো শরীক রয়েছে? যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে তারা তাদের শরীকদের উপস্থিত করুক।
Arabic, with marks
٤١ أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِن كَانُوا صَادِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ নাকি তাদের শরিক করা (দেব দেবী) আছে? তবে তারা সেই শরিকদের নিয়ে আসুক যদি তারা হয়ে থাকে সত্যবাদী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ উহাদের কি কোন দেব - দেবী আছে? থাকিলে উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে উপস্থিত করুক - যদি উহারা সত্যবাদী হয়।
সমকালীন বাংলা
৪২ যেদিন পায়ের গোড়ালি উন্মোচিত হবে এবং তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।
Arabic, with marks
٤٢ يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ স্মরণ করো, যেদিন তাদের পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে এবং তাদের ডাকা হবে সাজদা করতে, কিন্তু তাদের তা করার শক্তি থাকবেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ স্মরণ কর সেই দিনের কথা, যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হইবে, সেই দিন উহাদেরকে আহ্বান করা হইবে সিজ্দা করিবার জন্য কিন্তু উহারা সক্ষম হইবে না;
সমকালীন বাংলা
৪৩ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে সিজদার জন্য ডাকা হতো, যখন তারা সুস্থ-সক্ষম ছিল।
Arabic, with marks
٤٣ خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের গ্রাস করে নেবে যিল্লতি। অথচ (পৃথিবীতে) যখন তাদের সাজদা করতে ডাকা হতো তখন তারা নিজেদের (তা থেকে) রাখতো দূরে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ উহাদের দৃষ্টি অবনত, হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে অথচ যখন উহারা নিরাপদ ছিল তখন তো উহাদেরকে আহ্বান করা হইয়াছিল সিজ্দা করিতে।
সমকালীন বাংলা
৪৪ অতএব, আমাকে এবং এই বাণীকে যে অস্বীকার করে তাকে ছেড়ে দাও। অচিরেই আমরা তাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করব, যা তারা উপলব্ধিও করতে পারবে না।
Arabic, with marks
٤٤ فَذَرْنِي وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا الْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ আমাকে ছেড়ে দাও আর যারা এই বাণীকে (আল কুরআনকে) অস্বীকার করে তাদেরকে। আমরা ক্রমান্বয়ে তাদেরকে এমনভাবে ধরবো যে, তারা জানতেও পারবেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ছাড়িয়া দাও আমাকে এবং যাহারা এই বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে, আমি উহাদেরকে ক্রমে ক্রমে ধরিব এমনভাবে যে, উহারা জানিতে পারিবে না।
সমকালীন বাংলা
৪৫ আর আমি তাদেরকে অবকাশ দিচ্ছি। নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত দৃঢ়।
Arabic, with marks
٤٥ وَأُمْلِي لَهُمْ ۚ إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ আমি তাদের অবকাশ দিই, আমার কৌশল মজবুত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ আর আমি উহাদেরকে সময় দিয়া থাকি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
সমকালীন বাংলা
৪৬ নাকি তুমি তাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাও, ফলে তারা ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত?
Arabic, with marks
٤٦ أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছো আর তারা সেটাকে মনে করছে দুর্বহ বোঝা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ তুমি কি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাহিতেছ যে, তাহা উহাদের কাছে দুর্বহ দণ্ড মনে হয়?
সমকালীন বাংলা
৪৭ নাকি তাদের কাছে অদৃশ্যের জ্ঞান রয়েছে, তাই তারা তা লিখে রাখে?
Arabic, with marks
٤٧ أَمْ عِندَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নাকি তাদের কাছে গায়েবের জ্ঞান আছে আর তারা তা লিখে রাখছে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ উহাদের কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, উহারা তাহা লিখিয়া রাখে।
সমকালীন বাংলা
৪৮ অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না, যখন সে আহ্বান করেছিল, আর সে ছিল গভীর দুঃখে আচ্ছন্ন।
Arabic, with marks
٤٨ فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ তোমার প্রভুর হুকুমের অপেক্ষায় সবর করো, মাছওয়ালার (ইউনুসের) মতো (অধৈর্য) হয়োনা। সে চরম হতাশায় আচ্ছন্ন অবস্থায় (আমাকে বিনীতভাবে) ডেকেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়, তুমি মৎস্য - সহচরের ন্যায় অধৈর্য হইও না, সে বিষাদ - আচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর প্রার্থনা করিয়াছিল।
সমকালীন বাংলা
৪৯ যদি না তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ তার কাছে পৌঁছাত, তবে অবশ্যই সে উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতো, নিন্দিত অবস্থায়।
Arabic, with marks
٤٩ لَّوْلَا أَن تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ তার প্রভুর অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছুলে সে চরম লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতো উন্মুক্ত প্রান্তরে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তাহার নিকট না পৌঁছিলে সে লাঞ্ছিত হইয়া নিক্ষিপ্ত হইত উন্মুক্ত প্রান্তরে।
সমকালীন বাংলা
৫০ অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
Arabic, with marks
٥٠ فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ তারপর তার প্রভু তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে তাঁর সালেহ্ বান্দাদের অন্তরভুক্ত করলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ পুনরায় তাহার প্রতিপালক তাহাকে মনোনীত করিলেন এবং তাহাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করিলেন।
সমকালীন বাংলা
৫১ আর যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা যখন এই স্মারক শুনে, তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টির দ্বারা তোমাকে পিছলিয়ে দিতে উদ্যত হয়। আর তারা বলে, “সে তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।”
Arabic, with marks
٥١ وَإِن يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ কাফিররা যখন আয যিক্র (আল কুরআন) শুনে, তখন যেনো তারা তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছাড় মারবে। তারা বলে: ‘এতো এক পাগল।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ কাফিররা যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন উহারা যেন উহাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়াইয়া ফেলিবে এবং বলে, ‘এ তো এক পাগল!’
সমকালীন বাংলা
৫২ অথচ এটি তো সমগ্র জগতের জন্য এক উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।
Arabic, with marks
٥٢ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ অথচ এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে এক (কল্যাণময়) উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ কুরআন তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report