আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময়, পরম দয়ালু; বলো, আমি মানুষের প্রতিপালকের কাছে আশ্রয় চাই,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
বল, ‘আমি শরণ লইতেছি মানুষের প্রতিপালকের,
Chapter 114, 6 verses
" الْخَنَّاسِ খান্নাস" ভালো কাজে আর যে বাধা দেয়, কুমন্ত্রণা দেয়,
গুপ্ত থাকে এবং আল্লাহের স্বরণ যেখানে হয় সেখান হইতে সরিয়া পড়ে। এটি
শয়তানের একটি গুণবাচক নামও বটে(জালালাইন)।
একবার লাবীদ ইব্ন আসিম নামক
এক ইহুদী দাস তার কন্যাদের সহযোগিতায় রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে তাঁর একটি চুলে এগারটি গিঁঠ দিয়া জাদু করেছিল। এর প্রভাবে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কষ্ট
হচ্ছিলো, তখন ১১ আয়াত বিশিষ্ট সূরা ফালাক ও সূরা নাস—এই দুইটি সূরা নাযিল
হয়। প্রতিটি আয়াত আবৃত্তি করিয়া ফুঁক দেওয়া হলে এক-একটি গিঁঠ খুলে যায় এবং জাদুর প্রভাব চলে যায়।
এটি পবিত্র কুরআনের সবশেষ সূরা বা Chapter.
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময়, পরম দয়ালু; বলো, আমি মানুষের প্রতিপালকের কাছে আশ্রয় চাই,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
বল, ‘আমি শরণ লইতেছি মানুষের প্রতিপালকের,
মানুষের অধিপতির কাছে,
مَلِكِ النَّاسِ
‘মানুষের অধিপতির,
মানুষের উপাস্যের কাছে,
إِلَٰهِ النَّاسِ
‘মানুষের ইলাহের নিকট
পলায়নপর কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে,
الْخَنَّاسِ (খান্নাস শয়তানের একটি গুণবাচক নাম ref. তাফসীরে জালালাইন) যে ভালো কাজে বাধা দেয়, কুমন্ত্রণা দেয়, গুপ্ত থাকে এবং আল্লাহের স্বরণ যেখানে হয় সেখান থেকে সরে পড়ে।
مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হইতে’
যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
‘যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে,
জ্বীন ও মানুষের মধ্য থেকে।
مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
‘জিনের মধ্য হইতে এবং মানুষের মধ্য হইতে।’