You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল জীন (জীন সম্প্রদায়)
Chapter 72, 28 verses
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বয়ান ফাউন্ডেশন
সমকালীন বাংলা
র নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু;বলো, আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, জিনদের একদল মনোযোগ দিয়ে শুনেছিল, অতঃপর তারা বলেছিল, “নিশ্চয়ই আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি,"
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, একদল জিন মনোযোগ দিয়ে (কুরআন) শুনেছে। তারপর তারা (তাদের সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে: ‘‘আমরা শুনে এসেছি এক বিস্ময়কর কুরআন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমার প্রতি ওহী প্রেরিত হইয়াছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করিয়াছে এবং বলিয়াছে, ‘আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করিয়াছি,
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, নিশ্চয় জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শুনেছে। অতঃপর বলেছে, ‘আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি,
সমকালীন বাংলা
যা সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে; ফলে আমরা এতে ঈমান এনেছি, এবং আমরা কখনোই আমাদের প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক করব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
সেটি হিদায়াত করে সঠিক পথের দিকে। তাই আমরা সেটির প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করবোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘যাহা সঠিক পথনির্দেশ করে; ফলে আমরা ইহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। আমরা কখনও আমাদের প্রতিপালকের কোন শরীক স্থির করিব না,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যা সত্যের দিকে হিদায়াত করে; অতঃপর আমরা তাতে ঈমান এনেছি। আর আমরা কখনো আমাদের রবের সাথে কাউকে শরীক করব না’।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা সমুন্নত; তিনি কোনো সঙ্গিনী গ্রহণ করেননি এবং কোনো সন্তানও গ্রহণ করেননি।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই অনেক উঁচু আমাদের মহান প্রভুর মর্যাদা। তিনি না কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেছেন, না সন্তান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা ; তিনি গ্রহণ করেন নাই কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমাদের রবের মর্যাদা সমুচ্চ। তিনি কোন সংগিনী গ্রহণ করেননি এবং না কোন সন্তান’।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যের নির্বোধেরা সম্পর্কে সীমালঙ্ঘনমূলক কথা বলত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের নির্বোধরা তাঁর সম্পর্কে অবাস্তব কথাবার্তা বলতো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আরও এই যে, আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা র সম্বন্ধে অতি অবাস্তব উক্তি করিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা আল্লাহর ব্যাপারে অবাস্তব কথা- বার্তা বলত’।
সমকালীন বাংলা
আর আমরা ধারণা করেছিলাম যে মানুষ ও জিন কখনোই সম্পর্কে মিথ্যা বলবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা মনে করতাম, মানুষ এবং জিন আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অথচ আমরা মনে করিতাম মানুষ ও জিন সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করিবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘অথচ আমরা তো ধারণা করতাম যে, মানুষ ও জিন কখনো সম্পর্কে মিথ্যা আরোপ করবে না’।
সমকালীন বাংলা
এবং মানুষের মধ্য থেকে কিছু লোক কিছু জিনদের আশ্রয় চাইত; ফলে তারা মানুষের অবাধ্যতা বৃদ্ধি করত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক কিছু জিনের আশ্রয় গ্রহণ করতো। এটা জিনদের দাম্ভিকতা বাড়িয়ে দিতো।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আরও এই যে, কতিপয় মানুষ কতক জিনের শরণ লইত, ফলে উহারা জিনদের আত্মম্ভরিতা বাড়াইয়া দিত।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর নিশ্চয় কতিপয় মানুষ কতিপয় জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা তাদের অহংকার বাড়িয়ে দিয়েছিল।
সমকালীন বাংলা
এবং তারা ধারণা করেছিল, যেমন তোমরা ধারণা করেছিলে, যে কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
জিনেরা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে আরো বলেছিল: ‘‘তোমাদের মতো মানুষও মনে করতো, কাউকেও পুনরুত্থিত করবেননা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আরও এই যে, জিনেরা বলিয়াছিল, ‘তোমাদের মত মানুষও মনে করে যে, মৃত্যুর পর কাহাকেও পুনরুত্থিত করিবেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর নিশ্চয় তারা ধারণা করেছিল যেমন তোমরা ধারণা করেছ যে, কাউকে কখনই পুনরুত্থিত করবেন না।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা আকাশ অনুসন্ধান করেছিলাম; অতঃপর আমরা তা পেলাম কঠোর প্রহরা ও উল্কাপিণ্ডে পরিপূর্ণ।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা চেয়েছিলাম আকাশের খবর সংগ্রহ করতে, কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম সেখানে কঠোর প্রহরীতে ভরা, আরো দেখতে পেলাম ব্যাপক উল্কা পিন্ড।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আমরা চাহিয়াছিলাম আকাশের তথ্য সংগ্রহ করিতে কিন্তু আমরা দেখিতে পাইলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ ;
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমরা আকাশ স্পর্শ করতে চেয়েছিলাম*, কিন্তু আমরা সেটাকে পেলাম যে, তা কঠোর প্রহরী এবং উল্কাপিন্ড দ্বারা পরিপূর্ণ’। *আকাশের সংবাদ সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলাম।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা সেখানে শুনবার জন্য বিভিন্ন জায়গায় বসতাম; কিন্তু এখন যে শুনতে চায়, সে তার জন্য ওত পেতে থাকা উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
ইতোপূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে খবর সংগ্রহের জন্যে বসতাম। কিন্তু এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে নিক্ষেপের জন্যে প্রস্ত্তত উল্কাপিন্ডের সম্মুখীন হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর পূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শুনিবার জন্য বসিতাম কিন্তু এখন কেহ সংবাদ শুনিতে চাহিলে সে তাহার উপর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর আমরা তো সংবাদ শোনার জন্য আকাশের বিভিন্ন ঘাটিতে বসতাম, কিন্তু এখন যে শুনতে চাইবে, সে তার জন্য প্রস্তুত জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড পাবে’।
সমকালীন বাংলা
এবং আমরা জানি না, পৃথিবীতে যারা আছে তাদের জন্য অকল্যাণ ইচ্ছা করা হয়েছে, নাকি তাদের প্রতিপালক তাদের জন্য সঠিক পথ ইচ্ছা করেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা জানিনা, বিশ্ববাসীর মন্দই কি চাওয়া হচ্ছে, নাকি তাদের প্রভু তাদের সঠিক পথে আনতে চাইছেন?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা জানি না জগদ্বাসীর অমঙ্গলই অভিপ্রেত, না তাহাদের প্রতিপালক তাহাদের মঙ্গল চান।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমরা জানি না, যমীনে যারা রয়েছে তাদের জন্য অকল্যাণ চাওয়া হয়েছে, নাকি তাদের রব তাদের ব্যাপারে মঙ্গল চেয়েছেন’।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যে কেউ সৎ, অন্যেরা তা নয়; আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের মধ্যে কিছু পুণ্যবানও আছে, কিছু আছে এর ব্যতিক্রমও। মূলত আমরা ছিলাম বহু পথের অনুসারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আমাদের কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক ইহার ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী;
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমাদের কতিপয় সৎকর্মশীল এবং কতিপয় এর ব্যতিক্রম। আমরা ছিলাম বিভিন্ন মত ও পথে বিভক্ত’।
সমকালীন বাংলা
আমরা পৃথিবীতে কখনোই আল্লাহর নাগালের বাইরে যেতে পারবো না, এবং পালিয়েও তাঁকে এড়াতে পারবো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
এখন আমরা বুঝতে পেরেছি, বিশ্বের বুকে আমরা আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবো না এবং তাঁকে আমরা ব্যর্থও করতে পারবোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এখন আমরা বুঝিয়াছি যে, আমরা পৃথিবীতে কে পরাভূত করিতে পারিব না এবং পলায়ন করিয়াও তাঁহাকে ব্যর্থ করিতে পারিব না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর আমরা তো বুঝতে পেরেছি যে, আমরা কিছুতেই যমীনের মধ্যে আল্লাহকে অপারগ করতে পারব না এবং পালিয়েও কখনো তাকে অপারগ করতে পারব না’।
সমকালীন বাংলা
এবং যখন আমরা পথনির্দেশ শুনলাম, তখন আমরা তাতে ঈমান আনলাম; আর যে তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোনো ক্ষতির ভয় করবে, না কোনো অবিচারের।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, আমরা তাতে ঈমান আনলাম। যে কেউ তার প্রভুর প্রতি ঈমান আনবে তার কোনো ক্ষতি বা অন্যায়ের আশংকা থাকবেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা যখন পথনির্দেশক বাণী শুনিলাম তাহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিলাম। যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে তাহার কোন ক্ষতি ও কোন অন্যায়ের আশংকা থাকিবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, তখন তার প্রতি ঈমান আনলাম। আর যে তার রবের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোন ক্ষতির আশংকা করবে এবং না কোন অন্যায়ের’।
সমকালীন বাংলা
এবং আমাদের মধ্যে কেউ আত্মসমর্পণকারী, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
Note
এবং আমাদের মধ্যে কেউ মুসলিম, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের মধ্যে মুসলিমও আছে, সীমালংঘনকারীও আছে। যারা মুসলিম (আত্মসমর্পনকারী) হয়েছে তারা স্বাধীনভাবে সঠিক পথ বেছে নিয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমাদের কতক আত্মসমর্পণকারী এবং কতক সীমালংঘনকারী ; যাহারা আত্মসর্মপণ করে তাহারা সুচিন্তিতভাবে সত্যপথ বাছিয়া নেয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর নিশ্চয় আমাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক আছে আত্মসমর্পণকারী এবং আমাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক সীমালংঘনকারী। কাজেই যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারাই সঠিক পথ বেছে নিয়েছে’।
সমকালীন বাংলা
আর যারা সত্যচ্যুত, তারা জাহান্নামের জন্য জ্বালানি হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু সীমালংঘনকারীরা তো হবে জাহান্নামেরই জ্বালানি।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অপরপক্ষে সীমালংঘন - কারী তো জাহান্নামেরই ইন্ধন।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘আর যারা সীমালঙ্ঘনকারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন’।
সমকালীন বাংলা
আর যদি তারা সেই পথে অবিচল থাকত, তবে অবশ্যই আমরা তাদেরকে প্রচুর পানি পান করাতাম,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যদি সত্য পথে কায়েম থাকতো, অবশ্যি আমরা প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে তাদের সমৃদ্ধ করতাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা যদি সত্যপথে প্রতিষ্ঠিত থাকিত উহাদেরকে আমি প্রচুর বারি বর্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করিতাম,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তারা যদি সঠিক পথে অবিচল থাকত, তাহলে আমি অবশ্যই তাদেরকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করাতাম।
সমকালীন বাংলা
যাতে আমরা তাদেরকে এর মাধ্যমে পরীক্ষা করি; আর যে তার প্রতিপালকের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে ক্রমবর্ধমান কঠিন শাস্তিতে প্রবেশ করাবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তার মাধ্যমে আমরা তাদের পরীক্ষা করতাম। যে কেউ তার প্রভুর যিকির থেকে বিমুখ হবে, তিনি তাকে প্রবেশ করাবেন দুঃসহ আযাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদ্দ্বারা আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিতাম। যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের স্মরণ হইতে বিমুখ হয় তিনি তাহাকে দুঃসহ শাস্তিতে প্রবেশ করাইবেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যাতে আমি তা দিয়ে তাদেরকে পরীক্ষা করতে পারি। আর যে তার রবের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাকে তিনি কঠিন আযাবে প্রবেশ করাবেন।
সমকালীন বাংলা
এবং মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য; অতএব আল্লাহর সাথে কাউকে ডেকো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
মসজিদসমূহ আল্লাহর, সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকেও ডেকোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং এই যে মসজিদসমূহ রই জন্য। সুতরাং র সঙ্গে তোমরা অন্য কাহাকেও ডাকিও না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর নিশ্চয় মসজিদগুলো আল্লাহরই জন্য। কাজেই তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ডেকো না।
সমকালীন বাংলা
এবং যখন আল্লাহর বান্দা তাঁকে ডাকার জন্য দাঁড়িয়েছিল, তখন তারা তার চারপাশে প্রায় ভিড় করে ফেলেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
আল্লাহর দাস (মুহাম্মদ) যখন তাঁকে ডাকার জন্যে (সালাতে) দাঁড়ায়, তখন তারা তার কাছে ভীড় জমায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এই যে, যখন র বান্দা তাঁহাকে ডাকিবার জন্য দণ্ডায়মান হইল তখন তাহারা তাহার নিকট ভিড় জমাইল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর নিশ্চয় আল্লাহর বান্দা* যখন তাঁকে ডাকার জন্য দাঁড়াল, তখন তারা** তার নিকট ভিড় জমাল। *রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। **কাফিরগণ।
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি কেবল আমার প্রতিপালককেই আহ্বান করি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে মুহাম্মদ! বলো: ‘নিশ্চয়ই আমি আমার প্রভুকে ডাকি তাঁর কাছেই দোয়া করি, কিন্তু তাঁর সাথে কাউকেও শরিক করিনা।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি আমার প্রতিপালককেই ডাকি এবং তাঁহার সঙ্গে কাহাকেও শরীক করি না।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘নিশ্চয় আমি আমার রবকে ডাকি এবং তার সাথে কাউকে শরীক করি না’।
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি তোমাদের জন্য কোনো ক্ষতি বা সঠিক পথের মালিক নই।
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: ‘আমি তোমাদের ক্ষতি বা লাভের মালিক নই।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি তোমাদের ইষ্ট - অনিষ্টের মালিক নই।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য না কোন অকল্যাণ করার ক্ষমতা রাখি এবং না কোন কল্যাণ করার’।
সমকালীন বাংলা
বলো, "নিশ্চয়ই থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না, এবং আমি তাঁকে ছাড়া কোনো আশ্রয় পাব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
বলো: ‘‘আল্লাহর পাকড়াও থেকে কেউই আমাকে রক্ষা করতে পারবেনা এবং তাঁকে ছাড়া আমি কোনো আশ্রয়ও পাবোনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, র শাস্তি হইতে কেহই আমাকে রক্ষা করিতে পারিবে না এবং ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়ও পাইব না,
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘নিশ্চয় আল্লাহর কাছ থেকে কেউ আমাকে রক্ষা করতে পারবে না এবং তিনি ছাড়া কখনো আমি কোন আশ্রয়ও পাব না।
সমকালীন বাংলা
কেবল আল্লাহর পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব।" যাহারা আল্লাহর ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আল্লাহর বার্তা পৌঁছে দেয়াই কেবল আমার দায়িত্ব।’’ যে কেউ আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অমান্য করবে, তার জন্যে জাহান্নামই অবধারিত, চিরদিন চিরকাল তারা পড়ে থাকবে সেখানেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘কেবল র পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব। যাহারা ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কেবল আল্লাহর বাণী ও তাঁর রিসালাত পৌঁছানোই দায়িত্ব। আর যে ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাতে তারা চিরস্থায়ী হবে।
সমকালীন বাংলা
যখন তারা তা দেখবে, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন তারা জানতে পারবে কার সাহায্যকারী দুর্বলতর এবং কার সংখ্যা কম।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখনই জানতে পারবে সাহায্যকারী হিসেবে কে দুর্বল আর কে সংখ্যায় নগণ্য?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন উহারা প্রতিশ্রুতি শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, বুঝিতে পারিবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়া দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অবশেষে যখন তারা তা প্রত্যক্ষ করবে, যে সম্পর্কে তাদেরকে সাবধান করা হয়েছিল। তখন তারা জানতে পারবে যে, সাহায্যকারী হিসেবে কে অধিকতর দুর্বল এবং সংখ্যায় কারা সবচেয়ে কম।
সমকালীন বাংলা
বলো, আমি জানি না নিকটবর্তী কি, তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা নিকটবর্তী কি না, অথবা আমার প্রতিপালক তার জন্য দীর্ঘ সময় নির্ধারণ করেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! বলো: ‘‘আমি জানিনা, তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা কি নিকটে নাকি আমার প্রভু সেটার জন্যে দীর্ঘ সময় নির্দিষ্ট করবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি জানি না তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা কি আসন্ন, না আমার প্রতিপালক ইহার জন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করিবেন?’
বয়ান ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি জানি না তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, তা কি নিকটবর্তী নাকি এর জন্য আমার রব কোন দীর্ঘ মেয়াদ নির্ধারণ করবেন’।
সমকালীন বাংলা
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী; অতএব তিনি তাঁর বিষয়ে কাউকে অবহিত করেন না,
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই আলেমুল - - এর জ্ঞানী। তাঁর গায়েবি জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করা হয়না।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, তিনি তাঁহার অদৃশ্যের জ্ঞান কাহারও নিকট প্রকাশ করেন না,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী, আর তিনি তাঁর অদৃশ্যের জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করেন না।
সমকালীন বাংলা
তবে কোনো রসূলকে ব্যতীত, যাকে তিনি মনোনীত করেন। তখন তিনি তার সামনে ও পেছনে প্রহরা নিয়োজিত করেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে তাঁর মনোনীত কোনো রসূলকেই তিনি তা অবহিত করেন। সেক্ষেত্রে ঐ রসূলের সামনে এবং পেছনে তিনি প্রহরী নিযুক্ত করেন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাঁহার মনোনীত রাসূল ব্যতীত। সেই ক্ষেত্রে রাসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তবে তাঁর মনোনীত রাসূল ছাড়া। আর তিনি তখন তার সামনে ও তার পিছনে প্রহরী নিযুক্ত করবেন।
সমকালীন বাংলা
যাতে তিনি জেনে নেন যে তারা তাদের প্রতিপালকের বার্তাসমূহ পৌঁছে দিয়েছে। আর তাদের কাছে যা আছে তা তিনি পরিবেষ্টন করে রেখেছেন, এবং তিনি সবকিছুকে সংখ্যায় গণনা করেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
রসূলরা তাদের প্রভুর বার্তা পৌঁছে দিয়েছে কিনা তা জানার জন্যে। তাদের কাছে যা আছে তা তাঁর জ্ঞানের পরিবেষ্টনেই রয়েছে। তিনি গুণে গুণে হিসাব রাখেন সব কিছুর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
রাসূলগণ তাহাদের প্রতিপালকের বাণী পৌঁছাইয়া দিয়াছেন কি না জানিবার জন্য। রাসূলগণের নিকট যাহা আছে তাহা তাঁহার জ্ঞানগোচর এবং তিনি সমস্ত কিছুর বিস্তারিত হিসাব রাখেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যাতে তিনি এটা জানতে পারেন যে, তারা* তাদের রবের রিসালাত পৌঁছিয়েছে কিনা। আর তাদের কাছে যা রয়েছে, তা তিনি পরিবেষ্টন করে রেখেছেন এবং তিনি প্রতিটি বস্তু গুণে গুণে হিসাব করে রেখেছেন। *রাসূলগণ।