Kitab

আল ফাত্হ (বিজয়)

Chapter 48, 29 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; নিশ্চয়ই আমরা আপনাকে বিজয় দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে বিজয় দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই আমি তোমাকে দিয়াছি সুস্পষ্ট বিজয়,

সমকালীন বাংলা

যেন তোমার অতীত ও ভবিষ্যত ত্রটিসমূহ মার্জনা করেন এবং তোমার প্রতি তাঁহার অনুগ্রহ পূর্ণ করেন ও তোমাকে সরল পথে পরিচালিত করেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যেনো ক্ষমা করে দেন তোমার অতীত ও ভবিষ্যত ত্রুটিসমূহ, যেনো তোমার প্রতি পূর্ণ করেন তাঁর নিয়ামতসমূহ আর পরিচালিত করেন তোমাকে সিরাতুল মুস্তাকিমের উপর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেন ‌ তোমার অতীত ও ভবিষ্যত ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন এবং তোমার প্রতি তাঁহার অনুগ্রহ পূর্ণ করেন ও তোমাকে সরল পথে পরিচালিত করেন,

সমকালীন বাংলা

তোমাকে বলিষ্ঠ সাহায্য দান করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যেনো তোমাদের সাহায্য করেন অপ্রতিরোধ্য সাহায্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ‌ তোমাকে বলিষ্ঠ সাহায্য দান করেন।

সমকালীন বাংলা

তিনিই মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেন যেন তাহারা তাহাদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান দৃঢ় হয়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলরে বাহনিীসমূহ আল্লাহরই এবং র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই মুমিনদের অন্তরে নাযিল করেন প্রশান্তি, যাতে করে তারা তাদের ঈমানের সাথে ঈমান বৃদ্ধি করে নেয়। মহাকাশ ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহর। আর সর্বজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেন যেন তাহারা তাহাদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান দৃঢ় করিয়া নেয়, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ ‌রই এবং ‌ র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইজন্য যে, তিনি পুরুষ ও নারীদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার নিম্নদেশেনদী প্রবাহিত, যেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে এবং তিনি তাহাদের পাপ মোচন করিবেন ; এটাই আল্লাহর কাছে মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেনো তিনি পুরুষ ও নারীদের দাখিল করেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। চিরদিন থাকবে তারা সেখানে এবং যেনো তিনি মোচন করে দেন তাদের পাপসমূহ, আর আল্লাহর দৃষ্টিতে এটাই মহাসাফল্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, তিনি পুরুষ ও নারীদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত, যেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে এবং তিনি তাহাদের পাপ মোচন করিবেন ; ইহাই ‌র দৃষ্টিতে মহাসাফল্য।

সমকালীন বাংলা

আর তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারী যাহারা আল্লাহর সম্বন্ধে মন্দ ধারণা পোষণ করে তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন। অমঙ্গল চক্র উহাদের জন্য, উহাদের প্রতি রুষ্ট হইয়াছেন এবং উহাদেরকে লা‘নত করিয়াছেন এবং উহাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত রাখিয়াছেন, উহা কত নিকৃষ্ট আবাস!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তিনি শাস্তি দেবেন মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারীদের, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারীদের, কারণ তারা আল্লাহর ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণকারী। তাদের ঘেরাও করে রেখেছে দুষ্ট চক্র (vicious circle)। তাদের প্রতি রুষ্ট হয়েছেন, তিনি তাদের লানত করেছেন এবং তাদের জন্যে তৈরি করে রেখেছেন জাহান্নাম, আর আবাস হিসেবে সেটা কতো যে মন্দ!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারী যাহারা ‌ সম্বন্ধে মন্দ ধারণা পোষণ করে তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন। অমঙ্গল চক্র উহাদের জন্য, ‌ উহাদের প্রতি রুষ্ট হইয়াছেন এবং উহাদেরকে লা‘নত করিয়াছেন এবং উহাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত রাখিয়াছেন, উহা কত নিকৃষ্ট আবাস!

সমকালীন বাংলা

আকাশ মন্ডলী পৃথিবীর বাহিণী সমূহের মালিক আল্লাহই এবং পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ আল্লাহর। আর মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিণীসমূহ ‌রই এবং ‌ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

আমি তোমাকে প্রেরণ করিয়াছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে,

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! আমরা তোমাকে পাঠিয়েছি সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমাকে প্রেরণ করিয়াছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে,

সমকালীন বাংলা

যাহাতে তোমরা ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং রাসূলকে শক্তি যোগাও ও তাঁকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল - সন্ধ্যায় আল্লাহর পবত্রিতা ঘােষণা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি, আর যেনো রসূলকে সাহায্য করো এবং তাকে সম্মান করো। এছাড়া যেনো আল্লাহর তসবিহ ঘোষণা করো সকাল - সন্ধ্যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাতে তোমরা ‌ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং রাসূলকে শক্তি যোগাও ও তাহাকে সম্মান কর ; সকাল - সন্ধ্যায় ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘােষণা কর।

সমকালীন বাংলা

যাহারা তোমার হাতে বায়‘আত করে তাহারা তো হাতে বায়‘আত করে। হাত তাহাদের হাতের উপর। অতঃপর যে উহা ভঙ্গ করে, উহা ভঙ্গ করিবার পরিণাম তাহারই নজিরে ক্ষতরি জন্যেই করে এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার র্পূণ করে তিনি অবশ্যই তাহাকে মহাপুরস্কার দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তোমার কাছে বায়াত করেছে, তারা মূলত আল্লাহর কাছেই বায়াত করেছে। আল্লাহর হাত ছিলো তাদের হাতের উপর। অত:পর যে তা ভঙ্গ করবে, ভঙ্গ করার পরিণতি তার উপরই বর্তাবে। যে কেউ আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে, তাকে প্রদান করবেন মহাপুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তোমার হাতে বায়‘আত করে তাহারা তো ‌রই হাতে বায়‘আত করে। ‌র হাত তাহাদের হাতের উপর। অতঃপর যে উহা ভঙ্গ করে, উহা ভঙ্গ করিবার পরিণাম তাহারই এবং যে ‌র সঙ্গে অঙ্গীকার র্পূণ করে তিনি অবশ্যই তাহাকে মহাপুরস্কার দিবেন।

সমকালীন বাংলা

যে সকল মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছে তাহারা তোমাকে বলিবে, ‘আমাদের ধন - সম্পদ ও পরিবার - পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রাখিয়াছে, অতএব আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ উহারা মুখে তাহা বলে যাহা উহাদের অন্তরে নাই। উহাদেরকে বল,‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’ তোমাদের কাহারও কোন ক্ষতি কিংবা মঙ্গল সাধনের ইচ্ছা করিলে কে তাঁহাকে নিবৃত্ত করিতে পারে? বস্তুত তোমরা যাহা কর সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যেসব মরুবাসী পেছনে রয়ে গেছে, তারা তোমাকে বলবে: ‘আমাদের মাল - সম্পদ এবং পরিবার - পরিজন আমাদের ব্যস্ত রেখেছে, আমাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ তারা মুখে যা বলে, তা তাদের অন্তরে নেই। তুমি বলো: ‘‘ তোমাদের কারো কোনো ক্ষতি কিংবা উপকার করতে চাইলে কে তাঁকে প্রতিরোধ করতে পারবে? তোমরা যা করো সে বিষয়ে অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে সকল মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছে তাহারা তোমাকে বলিবে, ‘আমাদের ধন - সম্পদ ও পরিবার - পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রাখিয়াছে, অতএব আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ উহারা মুখে তাহা বলে যাহা উহাদের অন্তরে নাই। উহাদেরকে বল,‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’ তোমাদের কাহারও কোন ক্ষতি কিংবা মঙ্গল সাধনের ইচ্ছা করিলে কে তাঁহাকে নিবৃত্ত করিতে পারে? বস্তুত তোমরা যাহা কর সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’

সমকালীন বাংলা

না, তোমরা ধারণা করিয়াছিলে যে, রাসূল ও মু’মিনগণ তাহাদের পরিবার - পরিজনের নিকট কখনই ফিরিয়া আসিতে পারিবে না এবং এই ধারণা তোমাদের অন্তরে প্রীতিকর মনে হইয়াছিল; তোমরা মন্দ ধারণা করিয়াছিলে, তোমরা তো ধ্বংসমুখী এক সম্প্রদায় !

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তোমরা তো মনে করেছিলে রসূল এবং মুমিনরা আর কখনো তাদের পরিবারবর্গের কাছে ফিরে আসতে পারবে না। এই ধারণা তোমাদের অন্তরে চমৎকার মনে হয়েছিল। তোমরা চরম নিকৃষ্ট ধারণা করেছিলে। আসলে তোমরা একটি বুরা (ধ্বংসমুখী) কওম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, তোমরা ধারণা করিয়াছিলে যে, রাসূল ও মু’মিনগণ তাহাদের পরিবার - পরিজনের নিকট কখনই ফিরিয়া আসিতে পারিবে না এবং এই ধারণা তোমাদের অন্তরে প্রীতিকর মনে হইয়াছিল; তোমরা মন্দ ধারণা করিয়াছিলে, তোমরা তো ধ্বংসমুখী এক সম্প্রদায় !

সমকালীন বাংলা

যাহারা ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আনে না, আমি সেই সব কাফিরের জন্য জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা এবং তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনেনা, আমরা সেইসব কাফিরদের জন্যে তৈরি করে রেখেছি জ্বলন্ত আগুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আনে না, আমি সেই সব কাফিরের জন্য জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রাখিয়াছি।

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব তিনি যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহর। যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করে দেন এবং যাকে ইচ্ছা আযাব দেন। পরম ক্ষমাশীল করুণাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব ‌রই, তিনি যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সমকালীন বাংলা

তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাইবে তখন যাহারা পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল উহাদেরকে বল,‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’ তোমাদের কাহারও কোন ক্ষতি কিংবা মঙ্গল সাধনের ইচ্ছা করিলে কে তাঁহাকে নিবৃত্ত করিতে পারে? বস্তুত তোমরা যাহা কর সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’ তাহারা বলিবে, ’আমাদেরকে তোমাদের সঙ্গে যাইতে দাও।’ উহারা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন করিতে চায়। বল, ’তোমরা কিছুইতেই আমাদের সঙ্গী হইতে পারিবে না। পূর্বেই এইরূপ ঘোষণা করিয়াছেন।’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ’তোমরা তো আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করিতেছ।’ বস্তুত উহাদের বোধশক্তি সামন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যখন গণিমতের মাল সংগ্রহের জন্যে যাবে, তখন পেছনে পড়ে থাকা লোকেরা বলবে: ‘ছেড়ে দাও, আমরা তোমাদের সাথে যাবো।’ তারা আল্লাহর ফায়সালা পরিবর্তন করতে চায়। বলো: ‘তোমরা কখনো আমাদের সাথি হতে পারবে না। আগেই এ রকম ঘোষণা দিয়েছেন।’ তখন তারা অবশ্যি বলবে: ‘তোমরা তো আমাদের সাথে বিদ্বেষ পোষণ করছো।’ আসল কথা হলো, কথা বুঝার যোগ্যতাই ওদের সামান্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাইবে তখন যাহারা পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল তাহারা বলিবে, ‘আমাদেরকে তোমাদের সঙ্গে যাইতে দাও।’ উহারা ‌র প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন করিতে চায়। বল, ‘তোমরা কিছুইতেই আমাদের সঙ্গী হইতে পারিবে না। পূর্বেই এইরূপ ঘোষণা করিয়াছেন।’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘তোমরা তো আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করিতেছ।’ বস্তুত উহাদের বোধশক্তি সামন্য।

সমকালীন বাংলা

যে সব মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল তাহাদেরক বল, তোমরা আহুত হইবে এক প্রবল পরাক্রান্ত জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে; তোমরা উহাদের সঙ্গে যুদ্ধ করিবে যতক্ষণ না উহারা আত্মসমর্পণ করে করে। তোমরা এই নির্দেশ পালন করিলে পালন করিলে তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করিবেন। আর তোমরা যদি পূর্বানুরূপ পৃষ্ঠা প্রদর্শন কর, তিনি তোমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

পিছে পড়া মরুবাসী বেদুঈনদের বলো: ‘তোমাদের ডাকা হবে প্রবল যোদ্ধা এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করে যাবে যতোক্ষণ না তারা আত্মসমর্পণ করে। তোমরা যদি একথা মেনে নাও, তবে তোমাদের উত্তম পুরস্কার দেবেন, আর যদি তোমরা আগের মতোই পেছনে হটে যাও, তোমাদের আযাব দেবেন এক বেদনাদায়ক আযাব।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেসব মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল তাহাদেরক বল, ‘তোমরা আহুত হইবে এক প্রবল - পরাক্রান্ত জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে; তোমরা উহাদের সঙ্গে যুদ্ধ করিবে যতক্ষণ না উহারা আত্মসমর্পণ করে করে। তোমরা এই নির্দেশ পালন করিলে তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করিবেন। আর তোমরা যদি পূর্বানুরূপ পৃষ্ঠা প্রদর্শন কর, তিনি তোমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

সমকালীন বাংলা

অন্ধের জন্য কোন অপরাধ নাই, খঞ্জের জন্য কোন অপরাধ নাই এবং পীড়িতের জন্য কোন অপরাধ নাই; এবং যে কেহ ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিবে তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার নিম্নদেশেনদী প্রবাহিত; কিন্তু যে ব্যক্তি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে তিনি তাহাকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অন্ধদের কোনো দোষ হবেনা, পঙ্গুদের কোনো দোষ হবেনা এবং রোগীদেরও কোনো দোষ হবেনা (যদি তারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে)। যে কেউ আল্লাহর এবং তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। আর কেউ যদি পিছে হটে যায়, তিনি তাকে আযাব দেবেন এক বেদনাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অন্ধের জন্য কোন অপরাধ নাই, খঞ্জের জন্য কোন অপরাধ নাই এবং পীড়িতের জন্য কোন অপরাধ নাই; এবং যে কেহ ‌ ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিবে ‌ তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত; কিন্তু যে ব্যক্তি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে তিনি তাহাকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

সমকালীন বাংলা

তো মু’মিনগণের উপর সন্তুষ্ট হইলেন যখন তাহারা বৃক্ষতলে তোমার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করিল, তাহাদের অন্তরে যাহা ছিল তাহা তিনি অবগত ছিলেন; তাহাদেরকে তিনি দান করিলেন প্রশান্তি এবং তাহাদেরকে পুরস্কার দিলেন আসন্ন বিজয়

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের প্রতি রাজি হয়েছেন যখন তারা গাছের নিচে তোমার কাছে বায়াত গ্রহণ করেছিল। তাদের অন্তরে যা ছিলো তিনি তা অবহিত ছিলেন। ফলে তিনি তাদের প্রতি নাযিল করলেন প্রশান্তি এবং তাদের পুরস্কার দিলেন এক নিকটবর্তী বিজয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তো মু’মিনগণের উপর সন্তুষ্ট হইলেন যখন তাহারা বৃক্ষতলে তোমার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করিল, তাহাদের অন্তরে যাহা ছিল তাহা তিনি অবগত ছিলেন; তাহাদেরকে তিনি দান করিলেন প্রশান্তি এবং তাহাদেরকে পুরস্কার দিলেন আসন্ন বিজয়

সমকালীন বাংলা

ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধে লভ্য সম্পদ, যাহা উহারা হস্তগত করিবে ; পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর বিপুল পরিমাণ গণিমতের মাল যা তারা হস্তগত করবে। সর্বশক্তিমান, মহাপ্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধে লভ্য সম্পদ, যাহা উহারা হস্তগত করিবে ; ‌ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন যুদ্ধে লভ্য বিপুল সম্পদের যাহার অধিকারী হইবে তোমরা। তিনি ইহা তোমাদের জন্য ত্বরান্নিত করিয়াছেন এবং তিনি তোমাদের হইতে মানুষের হস্তনিবারিত করিয়াছেন যেন ইহা হয় মু’মিনদের জন্য এক নিদর্শন এবং তোমাদেরকে পরিচালিত করেন সরল পথে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের ওয়াদা দিয়েছেন তোমরা বিপুল পরিমাণ গণিমতের মালের অধিকারী হবে। তিনি এটা তোমাদের জন্যে জল্দি করছেন এবং তোমাদের থেকে মানুষের হাত গুটিয়ে দিয়েছেন যেনো এটা হয় মুমিনদের জন্যে একটি নিদর্শন এবং তোমাদের পরিচালিত করেন সরল সঠিক পথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন যুদ্ধে লভ্য বিপুল সম্পদের যাহার অধিকারী হইবে তোমরা। তিনি ইহা তোমাদের জন্য ত্বরান্বিত করিয়াছেন এবং তিনি তোমাদের হইতে মানুষের হস্ত নিবারিত করিয়াছেন যেন ইহা হয় মু’মিনদের জন্য এক নিদর্শন এবং ‌ তোমাদেরকে পরিচালিত করেন সরল পথে;

সমকালীন বাংলা

এবং আরও রহিয়াছে যাহা এখনও তোমাদের অধিকারে আসে নাই, উহা তো আয়ত্তে বষ্টেন করে আছনে। র্সববিষয়ে ক্ষমতাবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

এছাড়া তোমাদের জন্যে রয়েছে আরো অনেক পুরস্কার যা এখনো তোমাদের আয়ত্তে আসেনি। সেগুলো পরিবেষ্টন করে রেখেছেন। প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আরও রহিয়াছে যাহা এখনও তোমাদের অধিকারে আসে নাই, উহা তো ‌ আয়ত্তে রাখিয়াছেন। ‌ র্সববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

কাফিররা তোমাদের মুকাবিলা করিলে উহারা অবশ্যই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিত, তখন উহারা কোন অভিভাবক ও সাহায্য - কারী পাইত না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা যদি তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেই, তবে তারা পেছনে ফিরে পালাবে এবং তারা কোনো অলি (বন্ধু) এবং সাহায্যকারী পাবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা তোমাদের মুকাবিলা করিলে উহারা অবশ্যই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিত, তখন উহারা কোন অভিভাবক ও সাহায্য - কারী পাইত না।

সমকালীন বাংলা

ইহাই আল্লাহর বিধান - প্রাচীন কাল হইতে চলিয়া আসিতেছে, তুমি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটাই আল্লাহর সুন্নত (নিয়ম), প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। তুমি আল্লাহর সুন্নতে কোনো পরিবর্তন পাবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই ‌র বিধান - প্রাচীন কাল হইতে চলিয়া আসিতেছে, তুমি ‌র বিধানে কোন পরিবর্তন পাইবে না।

সমকালীন বাংলা

তিনি মক্কা উপত্যকায় উহাদের হস্ত তোমাদের হইতে এবং তোমাদের হস্ত উহাদের হইতে নিবারিত করিয়াছেন, উহাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করিবার পর, তোমরা যা কছিু কর, তা দেখেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি মক্কা উপত্যকায় তাদের হাত তোমাদের থেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন এবং তোমাদের হাত গুটিয়ে রেখেছিলেন তাদের থেকে তাদের উপর তোমাদের বিজয়ী করার পর। তোমরা যা করো তার প্রতি দৃষ্টিবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি মক্কা উপত্যকায় উহাদের হস্ত তোমাদের হইতে এবং তোমাদের হস্ত উহাদের হইতে নিবারিত করিয়াছেন, উহাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করিবার পর, তোমরা যাহা কিছু কর ‌ তাহা দেখেন।

সমকালীন বাংলা

উহারাই তো করিয়াছিল এবং নিবৃত্ত করিয়াছিল তোমাদেরকে মসজিদুল - হারাম হইতে ও বাধা দিয়াছিল কুরবানীর জন্য আবদ্ধ পশুগুলিকে যথাস্থানে পৌঁছিতে। তোমাদেরকে যুদ্ধের আদেশ দেওয়া হইত যদি না থাকিত এমন কতক নর ও নারী যাহাদেরকে তোমরা জান না, তোমরা তাহাদেরকে পদদলিত করিতে অজ্ঞাতসারে, ফলে তাহাদের কারণে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে। যুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় নাই এইজন্য যে, তিনি যাহাকে ইচ্ছা নিজ অনুগ্রহ দান করিবেন। যদি উহারা পৃথক হইত, আমি উহাদের মধ্যে কাফিরদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিতাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারাই তো কুফুরি করেছিল এবং তোমাদেরকে মসজিদুল হারামে যেতে বাধা দিয়েছিল এবং কুরবানির পশুগুলো যথাস্থানে পৌঁছাতেও। তোমাদেরকে যুদ্ধের আদেশ দেয়া হতো যদি পুরুষ ও নারীরা সেখানে না থাকতো। তোমরা তাদের জানোনা। তখন তোমরা অজ্ঞাতসারে তাদের পদদলিত করতে, ফলে তাদের জন্যে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে। যুদ্ধের নির্দেশ দেয়া হয়নি এ কারণে যে, তিনি যাকে ইচ্ছা নিজ অনুগ্রহ দান করবেন। যদি তারা পৃথক হতো তবে তাদের মধ্যকার কাফিরদের আমরা এক বেদনাদায়ক শাস্তি দিতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই তো করিয়াছিল এবং নিবৃত্ত করিয়াছিল তোমাদেরকে মসজিদুল - হারাম হইতে ও বাধা দিয়াছিল কুরবানীর জন্য আবদ্ধ পশুগুলিকে যথাস্থানে পৌঁছিতে। তোমাদেরকে যুদ্ধের আদেশ দেওয়া হইত যদি না থাকিত এমন কতক নর ও নারী যাহাদেরকে তোমরা জান না, তোমরা তাহাদেরকে পদদলিত করিতে অজ্ঞাতসারে, ফলে তাহাদের কারণে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে। যুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় নাই এইজন্য যে, তিনি যাহাকে ইচ্ছা নিজ অনুগ্রহ দান করিবেন। যদি উহারা পৃথক হইত, আমি উহাদের মধ্যে কাফিরদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিতাম।

সমকালীন বাংলা

যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিত গোত্রীয় অহমিকা - অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদেরকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন ; আর তাহাদেরকে তাক্ওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিল ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। র্সববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন কাফিররা তাদের অন্তরে দম্ভ পোষণ করতো জাহেলি যুগের দম্ভ, তখন তাঁর রসূল ও মুমিনদের প্রতি নাযিল করলেন নিজের থেকে প্রশান্তি, আর তাদের মজবুত করলেন তাকওয়ার বাক্যে। কারণ, তারাই ছিলো এর অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিত গোত্রীয় অহমিকা - অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন ‌ তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদেরকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন ; আর তাহাদেরকে তাক্ওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিল ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। ‌ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখেন।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তাঁহার রাসূলকে স্বপ্নটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করিয়া দেখাইয়াছেন, এছাড়াও তিনি দয়িছেনে তা তোমাদেরকে একটি আসন্ন বজিয়। ইচ্ছায় তোমরা অবশ্যই মস্জিদুল - হারামে প্রবেশ করিবে নিরাপদে - তোমাদের কেহ কেহ মস্তক মুণ্ডিত করিবে আর কেহ কেহ কেশ কর্তন করিবে। তোমাদের কোন ভয় থাকিবে না। জানেন তোমরা যাহা জান না। ইহা ছাড়াও তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন এক সদ্য বিজয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তাঁর রসূলের দেখা স্বপ্নটি যথাযথভাবে সত্যে পরিণত করেছেন। ইনশাল্লাহ ( চাইলে) তোমরা অবশ্যি মসজিদুল হারামে দাখিল হবে নিরাপদে মাথা কামিয়ে এবং চুল ছেঁটে। তোমরা কাউকেও ভয় পাবেনা। জানেন তোমরা যা জানো না। এছাড়াও তিনি তোমাদের দেবেন এক নিকটবর্তী বিজয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ‌ তাঁহার রাসূলকে স্বপ্নটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করিয়া দেখাইয়াছেন, ‌র ইচ্ছায় তোমরা অবশ্যই মস্‌জিদুল - হারামে প্রবেশ করিবে নিরাপদে - তোমাদের কেহ কেহ মস্তক মুণ্ডিত করিবে আর কেহ কেহ কেশ কর্তন করিবে। তোমাদের কোন ভয় থাকিবে না। ‌ জানেন তোমরা যাহা জান না। ইহা ছাড়াও তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন এক সদ্য বিজয়।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তাঁহার রাসূলকে পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করিয়াছেন, অপর সমস্ত দীনের উপর ইহাকে জয়যুক্ত করেন সত্য প্রতষ্ঠিাতারূপে যথষ্টে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর রসূলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত এবং সত্য দীন নিয়ে, যাতে করে সে এটিকে বিজয়ী করে অন্য সব দীনের উপর। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তাঁহার রাসূলকে পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করিয়াছেন, অপর সমস্ত দীনের উপর ইহাকে জয়যুক্ত করিবার জন্য। আর সাক্ষী হিসাবে ‌ই যথেষ্ট।

সমকালীন বাংলা

মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল; তাঁহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদেরকে রুকূ‘ ও সিজ্দায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষণ তাহাদের মুখমণ্ডলে সিজ্দার প্রভাবে পরিস্ফুটিত থাকিবে; তাওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জীলেও তাহাদের বর্ণনা এইরূপই। তাহাদের দৃষ্টান্তএকটি চারাগাছ, যাহা হইতে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কাণ্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যাহা চাষীর জন্য আনন্দদায়ক। এইভাবে মু’মিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা কাফিরদের অন্তর্জ্বালা সৃষ্টি করেন। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহর তাহাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল, আর যারা তার সাথে রয়েছে, তারা কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে একে অপরের প্রতি পরম দয়াবান। তুমি লক্ষ্য করছো, তারা রুকু ও সাজদায় অবনত হয়ে কামনা করছে আল্লাহর অনুগ্রহ এবং সন্তুষ্টি। তাদের লক্ষণ হলো, তাদের মুখমন্ডলে পরিস্ফুট দেখবে সাজদার প্রভাব। তাওরাতেও তাদের এ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে এবং ইনজিলেও তাদের এই বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। তাদের দৃষ্টান্ত হলো: একটি চারাগাছ। তা থেকে বের হয় কিশলয়, তারপর তা হয় শক্ত ও পুষ্ট, অত:পর সেটি দাঁড়ায় তার কান্ডের উপর মজবুত হয়ে, যা আনন্দিত করে তোলে চাষীকে। এভাবে মুমিনদের ক্রমবৃদ্ধিও সৃষ্টি করে কাফিরদের অন্তরজ্বালা। যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের ওয়াদা দিয়েছেন মাগফিরাতের (ক্ষমা করে দেয়ার) এবং এক মহাপুরস্কারের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুহাম্মদ ‌র রাসূল ; তাঁহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল ; ‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদেরকে রুকূ‘ ও সিজ্‌দায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষণ তাহাদের মুখমণ্ডলে সিজ্‌দার প্রভাবে পরিস্ফুটিত থাকিবে ; তাওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জীলেও তাহাদের বর্ণনা এইরূপই। তাহাদের দৃষ্টান্ত একটি চারাগাছ, যাহা হইতে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কাণ্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যাহা চাষীর জন্য আনন্দদায়ক। এইভাবে ‌ মু’মিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা কাফিরদের অন্তর্জ্বালা সৃষ্টি করেন। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে ‌ তাহাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme