Kitab

আর রূম (রোম রাজ্য বা সাম্রাজ্য)

Chapter 30, 60 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • Word by word
সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; আলিফ - লাম - মীম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম।

মুহিউদ্দীন খান

আলিফ - লাম - মীম,

জহুরুল হক

আলিফ, লাম, মীম।

Word by word

الٓمٓ

সমকালীন বাংলা

রোমকগণ পরাজিত হইয়াছে -

আবদুস শহীদ নাসিম

রোমানরা পরাজিত হয়েছে

মুহিউদ্দীন খান

রোমকরা পরাজিত হয়েছে,

জহুরুল হক

রোমানজাতি পরাজিত হয়েছে - -

Word by word

غُلِبَتِ ٱلرُّومُ

সমকালীন বাংলা

নিকটবর্তী অঞ্চলে; কিন্তু উহারা উহাদের এই পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিকটবর্তী ভূ - খন্ডে, তবে তারা তাদের পরাজয়ের পর অচিরেই আবার বিজয়ী হবে

মুহিউদ্দীন খান

নিকটবর্তী এলাকায় এবং তারা তাদের পরাজয়ের পর অতিসত্বর বিজয়ী হবে,

জহুরুল হক

নিকটবর্তী দেশে, কিন্তু তাদের এ পরাজয়ের পরে তারা শীঘ্রই বিজয়লাভ করবে, - -

Word by word

فِىٓ أَدْنَى ٱلْأَرْضِ وَهُم مِّنۢ بَعْدِ غَلَبِهِمْ سَيَغْلِبُونَ

সমকালীন বাংলা

কয়েক বৎসরের মধ্যেই। পূর্বের ও পরের ফয়সালা আর সেই দিন মু’মিনগণ আনন্দতি হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কয়েক (তিন থেকে নয়) বছরের মধ্যেই। সব বিষয়ে ফায়সালার এখতিয়ার আল্লাহরই ইতোপূর্বেও এবং পরেও। সেদিন মুমিনরা হবে উৎফুল্ল।

মুহিউদ্দীন খান

কয়েক বছরের মধ্যে। অগ্র - পশ্চাতের কাজ আল্লাহর হাতেই। সেদিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে।

জহুরুল হক

বছর কয়েকের মধ্যেই। বিধান হচ্ছে ‌রই - - আগেরবারে এবং পরেরবারে। আর সেইদিন মুমিনরা হর্ষোল্লাস করবে - -

Word by word

فِى بِضْعِ سِنِينَ لِلَّهِ ٱلْأَمْرُ مِن قَبْلُ وَمِنۢ بَعْدُ وَيَوْمَئِذٍ يَفْرَحُ ٱلْمُؤْمِنُونَ

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর সাহায্য। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিজ সাহায্যে যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহাশক্তিধর, পরম করুণাময়।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

‌র সাহায্যের ফলে। তিনি সাহায্য করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন। আর তিনি মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

Word by word

بِنَصْرِ ٱللَّهِ يَنصُرُ مَن يَشَآءُ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

সমকালীন বাংলা

ইহা প্রতিশ্রুতি ; তাহার প্রতিশ্রুতি ব্যতিক্রম করেন না, কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা আল্লাহর ওয়াদা। খেলাফ করেননা তাঁর ওয়াদা। তবে, অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হয়ে গেছে। তার প্রতিশ্রুতি খেলাফ করবেন না। কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না।

জহুরুল হক

এ ‌র প্রতি‌শ্রুতি। তাঁর ওয়াদার খেলাপ করেন না, কিন্তু অধিকাংশ লোকেই জানে না।

Word by word

وَعْدَ ٱللَّهِ لَا يُخْلِفُ ٱللَّهُ وَعْدَهُۥ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ

সমকালীন বাংলা

উহারা পার্থিব জীবনের বাহ্য দিক সম্বন্ধে অবগত, আর সম্বন্ধে উহারা গাফিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা দুনিয়ার জীবনের বাহ্যিক দিকটাই জানে, আর সম্পর্কে তারা একেবারেই গাফিল - অজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা পার্থিব জীবনের বাহ্যিক দিক জানে এবং তারা পরকালের খবর রাখে না।

জহুরুল হক

তারা দুনিয়ার জীবনের বাহিরটাই জানে, কিন্তু আখেরাত সন্বন্ধে তারা নিজেরাই সম্পূর্ণ বেখেয়াল রয়েছে।

Word by word

يَعْلَمُونَ ظَٰهِرًا مِّنَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَهُمْ عَنِ ٱلْءَاخِرَةِ هُمْ غَٰفِلُونَ

সমকালীন বাংলা

উহারা কি নিজেদের অন্তরে ভাবিয়া দেখে না? আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্তকিছু সৃষ্টি করিয়াছেন যথাযথভাবে এবং এক নির্দিষ্ট কালের জন্য। কিন্তু মানুষের মধ্যে অনেকেই তাহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাতে অবিশ্বাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি নিজেদের মনে মনে ভেবে দেখেনা, মহাকাশ, এই পৃথিবী আর এ দুয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে এসবই সৃষ্টি করেছেন সত্য ও বাস্তবতার নিরিখে এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে? অনেক মানুষই তাদের প্রভুর সাক্ষাত লাভের বিষয়ে অবিশ্বাসী।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি তাদের মনে ভেবে দেখে না যে, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু সৃষ্টি করেছেন যথাযথরূপে ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, কিন্তু অনেক মানুষ তাদের পালনকর্তার সাক্ষাতে অবিশ্বাসী।

জহুরুল হক

তারা কি তবু নিজেদের অন্তরে ভেবে দেখে না - - মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা কিছু রয়েছে তা সৃষ্টি করেন নি বাস্তবতা ব্যতীত আর একটি নির্ধারিত কালের জন্য। আর বস্তুত লোকেদের মধ্যে অনেকেই তাদের প্রভুর সাথে মোলাকাত সন্বন্ধে সত্যিই অবিশ্বাসী।

Word by word

أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا۟ فِىٓ أَنفُسِهِم مَّا خَلَقَ ٱللَّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَآ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَأَجَلٍ مُّسَمًّى وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ ٱلنَّاسِ بِلِقَآئِ رَبِّهِمْ لَكَٰفِرُونَ

সমকালীন বাংলা

উহারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না? তাহা হইলে দেখিত যে, উহাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হইয়াছিল! শক্তিতে তাহারা ছিল ইহাদের অপেক্ষা প্রবল, তাহারা জমি চাষ করিত, তাহারা উহা আবাদ করিত ইহাদের আবাদ করা অপেক্ষা অধিক। তাহাদের নিকট আসিয়াছিল তাহাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ ; বস্তুত এমন নন যে, উহাদের প্রতি জুলুম করেন, উহারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করিয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি পৃথিবী পরিভ্রমণ করে দেখেনা, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণতি কী হয়েছিল? শক্তিতে তারা ছিলো এদের চাইতে দুর্ধর্ষ। তারা জমিন চাষ করতো এবং তা আবাদ করতো এদের আবাদ করার চাইতে অধিক রকম। তাদের কাছে এসেছিল তাদের রসূলরা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। তাদের প্রতি যুলুমকারী নন, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না অতঃপর দেখে না যে; তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি কি হয়েছে? তারা তাদের চাইতে শক্তিশালী ছিল, তারা যমীন চাষ করত এবং তাদের চাইতে বেশী আবাদ করত। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নির্দেশ নিয়ে এসেছিল। বস্তুতঃ তাদের প্রতি জুলুমকারী ছিলেন না। কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।

জহুরুল হক

তারা কি তবে পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে না, তাহলে তারা দেখতে পেতো কেমন হয়েছিল তাদের পরিণাম যারা তাদের আগেকার ছিল? তারা এদের চাইতেও শক্তিতে প্রবল ছিল, আর মাটি খুড়ঁতো, আর তারা এতে এমারত গড়তো যা এরা এতে গড়েছিল তার চাইতেও বেশি, আর তাদের রসূলগণ তাদের কাছে এসেছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে। কাজেই এটি ‌র কাজ নয় যে তিনি তাদের প্রতি অন্যায় করবেন, কিন্তু তারা তাদের নিজেদেরই প্রতি অন্যায় করে যাচ্ছিল।

Word by word

أَوَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ كَانُوٓا۟ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةً وَأَثَارُوا۟ ٱلْأَرْضَ وَعَمَرُوهَآ أَكْثَرَ مِمَّا عَمَرُوهَا وَجَآءَتْهُمْ رُ

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যাহারা মন্দ কর্ম করিয়াছিল তাহাদের পরিণাম হইয়াছে মন্দ; কারণ, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মথ্যিা বলত এবং সেগুলোকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রোপ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর যারা মন্দ কাজ করেছিল তাদের পরিণাম মন্দই হয়েছিল, কারণ তারা মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত এবং তারা তা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যারা মন্দ কর্ম করত, তাদের পরিণাম হয়েছে মন্দ। কারণ, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলত এবং সেগুলো নিয়ে ঠাট্টা - বিদ্রূপ করত।

জহুরুল হক

অতঃপর তাদের পরিণাম হয়েছিল মন্দ যারা মন্দ কাজ করেছিল, যেহেতু তারা ‌র নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করেছিল, আর তা নিয়ে তারা হাসাহাসি করত।

Word by word

ثُمَّ كَانَ عَٰقِبَةَ ٱلَّذِينَ أَسَٰٓـُٔوا۟ ٱلسُّوٓأَىٰٓ أَن كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَكَانُوا۟ بِهَا يَسْتَهْزِءُونَ

সমকালীন বাংলা

প্রথমবার সৃষ্টি করেন, অতঃপর তিনি পুনরায় সৃষ্টি করবনে। এরপর তােমরা তাঁরই দকিে প্রত্যার্বততি হইবে। তাঁহারই নিকট প্রত্যানীত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই সূচনা করেন সৃষ্টির, তারপর তিনি পুন:সৃষ্টি করেন, তারপর তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে তাঁরই কাছে।

মুহিউদ্দীন খান

প্রথমবার সৃষ্টি করেন, অতঃপর তিনি পুনরায় সৃষ্টি করবেন। এরপর তোমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে।

জহুরুল হক

সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর তিনি তা পুনঃসৃষ্টি করেন, তারপর তাঁরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

Word by word

ٱللَّهُ يَبْدَؤُا۟ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

সমকালীন বাংলা

যেই দিন কিয়ামত হইবে সেই দিন অপরাধীরা হতাশ হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যেদিন কায়েম হবে কিয়ামত, সেদিন হতাশ - হতবাক হয়ে পড়বে অপরাধীরা।

মুহিউদ্দীন খান

যে দিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে যাবে।

জহুরুল হক

আর সেইদিন যখন ঘড়িঘন্টা এসে দাঁড়াবে তখন অপরাধীরা হতাশ হয়ে পড়বে।

Word by word

وَيَوْمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يُبْلِسُ ٱلْمُجْرِمُونَ

সমকালীন বাংলা

উহাদের দেব - দেবীগুলি উহাদের জন্য সুপারিশকারী হইবে না এবং উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে প্রত্যাখ্যান করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের (মনগড়া) দেবদেবীরা তাদের জন্যে সুপারিশকারী হবেনা এবং তারা তাদের দেবদেবীদের সেদিন প্রত্যাখ্যান করবে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দেবতা গুলোর মধ্যে কেউ তাদের সুপারিশ করবে না। এবং তারা তাদের দেবতাকে অস্বীকার করবে।

জহুরুল হক

আর তাদের জন্য তাদের অংশী - দেবতাদের থেকে কোনো সুপারিশকারী থাকবে না, আর তাদের অংশীদেবতাদের সন্বন্ধে তারা অস্বীকারকারী হবে।

Word by word

وَلَمْ يَكُن لَّهُم مِّن شُرَكَآئِهِمْ شُفَعَٰٓؤُا۟ وَكَانُوا۟ بِشُرَكَآئِهِمْ كَٰفِرِينَ

সমকালীন বাংলা

যেই দিন কিয়ামত হইবে সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন কিয়ামত হবে সেদিন সব মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।

জহুরুল হক

আর সেদিন যখন ঘড়ি - ঘন্টা এসে দাঁড়াবে তখনকার দিনে তারা আলাদা হয়ে যাবে।

Word by word

وَيَوْمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يَوْمَئِذٍ يَتَفَرَّقُونَ

সমকালীন বাংলা

অতএব যাহারা ঈমান আনিয়াছে ও সৎ কর্ম করিয়াছে তাহারা জান্নাতে থাকিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে, তারা থাকবে জান্নাতে আনন্দে উৎফুল্লে।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতে সমাদৃত হবে;

জহুরুল হক

সুতরাং যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তারা তবে তৃণভূমিতে পরমানন্দ ভোগ করবে।

Word by word

فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَهُمْ فِى رَوْضَةٍ يُحْبَرُونَ

সমকালীন বাংলা

এবং যাহারা করিয়াছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও আখিরাতের সাক্ষাৎ অস্বীকার করিয়াছে, তাহারাই শাস্তি ভোগ করিতে থাকিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করবে এবং প্রত্যাখ্যান করবে আমাদের আয়াত ও আখিরাতের সাক্ষাত, তাদেরই হাজির রাখা হবে আযাবে।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা এবং আমার আয়াতসমূহ ও পরকালের সাক্ষাতকারকে মিথ্যা বলছে, তাদেরকেই আযাবের মধ্যে উপস্থিত করা হবে।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছিল এবং আমাদের নির্দেশাবলীতে মিথ্যারোপ করেছিল ও পরকালের মোলাকাতকেও, তাদেরই তবে শাস্তির মাঝে হাজির করা হবে।

Word by word

وَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا وَلِقَآئِ ٱلْءَاخِرَةِ فَأُو۟لَٰٓئِكَ فِى ٱلْعَذَابِ مُحْضَرُونَ

সমকালীন বাংলা

সুতরাং তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সন্ধ্যা ও প্রভাতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং সকাল ও সন্ধ্যায় তোমরা ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহর তসবিহ্) ঘোষণা করো।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা স্মরণ কর সন্ধ্যায় ও সকালে,

জহুরুল হক

সেজন্য ‌র মহিমা ঘোষিত হোক যখন তোমরা বিকেল প্রাপ্ত হও এবং যখন তোমরা ভোরে পৌঁছাও।

Word by word

فَسُبْحَٰنَ ٱللَّهِ حِينَ تُمْسُونَ وَحِينَ تُصْبِحُونَ

সমকালীন বাংলা

এবং অপরাহ্নে ও যোহরের সময়ে; আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তো তাঁহারই।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত প্রশংসা তাঁরই মহাবিশ্বে এবং পৃথিবীতে, আর (সুবহানাল্লাহ ঘোষণা করো) অপরাহ্নে ও যুহরের সময়ও।

মুহিউদ্দীন খান

এবং অপরাহ্নে ও মধ্যাহ্নে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে, তাঁরই প্রসংসা।

জহুরুল হক

আর তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে, আর নিশাকালে এবং যখন তোমরা মধ্যাহ্নে পৌঁছো।

Word by word

وَلَهُ ٱلْحَمْدُ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَعَشِيًّا وَحِينَ تُظْهِرُونَ

সমকালীন বাংলা

তিনিই মৃত হইতে জীবন্তের আবির্ভাব ঘটান এবং তিনিই জীবন্তহইতে মৃতের আবির্ভাব ঘটান এবং ভূমিকে পুনর্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর। এইভাবেই তোমরা উত্থিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বের করেন মৃত থেকে জীবিতকে এবং জীবিত থেকে মৃতকে। মরে শুকিয়ে যাবার পর তিনিই জমিনকে জীবিত করেন, আর এভাবেই তোমাদের বের করে আনা হবে (মাটির নীচে থেকে)।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বহির্গত করেন জীবিত থেকে মৃতকে বহির্গত করেন, এবং ভূমির মৃত্যুর পর তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। এভাবে তোমরা উত্থিত হবে।

জহুরুল হক

তিনি জীবন্তদের বের করে আনেন মৃতদের থেকে আর মৃতদের বের করে আনেন জীবন্তদের থেকে, আর পৃথিবীকে তিনি সঞ্জীবিত করেন তার মৃত্যুর পরে। আর এইভাবেই তোমাদের বের করে আনা হবে।

Word by word

يُخْرِجُ ٱلْحَىَّ مِنَ ٱلْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ ٱلْمَيِّتَ مِنَ ٱلْحَىِّ وَيُحْىِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَكَذَٰلِكَ تُخْرَجُونَ

সমকালীন বাংলা

তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন। তাহার পর এখন তোমরা মানুষ, সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িতেছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর একটি নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন তারপর এখন তোমরা সেই মানুষই ছড়িয়ে পড়েছো সবখানে।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে এক নিদর্শন এই যে, তিনি মৃত্তিকা থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছেন। এখন তোমরা মানুষ, পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছ।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে হচ্ছে যে তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর দেখো! তোমরা হয়ে গেলে মানুষ - - ছড়িয়ে রয়েছ।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنْ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ إِذَآ أَنتُم بَشَرٌ تَنتَشِرُونَ

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হইতেসৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদের সংগিনীদেরকে যাহাতে তোমরা উহাদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর আরেকটি নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের থেকেই সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্যে জুড়ি (স্বামী - স্ত্রী), যাতে করে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো। এ উদ্দেশ্যে তিনি তোমাদের মাঝে সৃষ্টি করে দিয়েছেন বন্ধুতা - ভালবাসা এবং দয়া - অনুকম্পা। এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে হচ্ছে যে তিনি তোমাদের মধ্যে থেকে তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন যুগলদের, যেন তোমরা তাদের মধ্যে স্বস্তি পেতে পার, আর তিনি তোমাদের মধ্যে প্রেম ও করুণা সৃষ্টি করেছেন। নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শনাবলী রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা চিন্তা করে।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَٰجًا لِّتَسْكُنُوٓا۟ إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। ইহাতে জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর আরেকটি নিদর্শন হলো মহাকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বিভিন্নতা। এতেও রয়েছে অনেক নিদর্শন জ্ঞানী লোকদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর আর ও এক নিদর্শন হচ্ছে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃজন এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে হচ্ছে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি, আর তোমাদের ভাষা ও তোমাদের বর্ণের বৈচিত্র। নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শনাবলী রয়েছে জ্ঞানী লোকদের জন্য।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦ خَلْقُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱخْتِلَٰفُ أَلْسِنَتِكُمْ وَأَلْوَٰنِكُمْ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّلْعَٰلِمِينَ

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে রাত্রিতে ও দিবাভাগে তোমাদের নিদ্রা এবং তোমাদের অন্নেষণ তাঁহার অনুগ্রহ হইতে। ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে শ্রবণকারী সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর আরো একটি নিদর্শন হলো রাত এবং দিনের বেলায় তোমাদের ঘুম আর আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে তোমাদের (জীবিকা) অন্বেষণ। এতেও রয়েছে অনেক নিদর্শন মনোযোগী লোকদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর আরও নিদর্শনঃ রাতে ও দিনে তোমাদের নিদ্রা এবং তাঁর কৃপা অন্বেষণ। নিশ্চয় এতে মনোযোগী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে হচ্ছে রাতে ও দিনে তোমাদের ঘুম, আর তাঁর করুণাভান্ডার থেকে তোমাদের অন্বেষণ। নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শনাবলী রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা শোনে।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦ مَنَامُكُم بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَٱبْتِغَآؤُكُم مِّن فَضْلِهِۦٓ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يَسْمَعُونَ

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে, তিনি তোমাদেরকে প্রদর্শন করেন বিদ্যুৎ, ভয় ও ভরসা সঞ্চারকরূপে এবং আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন ও তদ্দারা ভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর; ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আরো রয়েছে, তিনি তোমাদের দেখান বিদ্যুতের চমকানি, তাতে থাকে তোমাদের ভয় এবং আশা, তারপর তিনি নাযিল করেন আসমান থেকে পানি আর তা দিয়ে জীবিত করেন মরা জমিন। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন বুঝ - বুদ্ধি সম্পন্ন লোকদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর আরও নিদর্শনঃ তিনি তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ, ভয় ও ভরসার জন্যে এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তদ্দ্বারা ভূমির মৃত্যুর পর তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমান লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে হচ্ছে - - তিনি তোমাদের বিদ্যুৎ দেখান ভয় ও আশারূপে, আর তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, তারপর তা দিয়ে পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে সঞ্জীবিত করেন। নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শনাবলী রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা বুদ্ধিশুদ্ধি রাখে।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦ يُرِيكُمُ ٱلْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنَزِّلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَيُحْىِۦ بِهِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَآ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ

সমকালীন বাংলা

এবং তাহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তাঁহারই আদেশে আকাশ ও পৃথিবীর স্থিতি থাকে; অতঃপর যখন তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে উঠিবার জন্য একবার আহ্বান করিবেন তখন তোমরা উঠিয়া আসিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আরো রয়েছে, তাঁর নির্দেশেই কায়েম রয়েছে আসমান ও জমিন। তারপর যখন তোমাদের জমিন থেকে উঠে আসার জন্যে ডাক দেবেন একটিমাত্র ডাক, তখন তোমরা সাথে সাথে উঠে আসবে।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর অন্যতম নিদর্শন এই যে, তাঁরই আদেশে আকাশ ও পৃথিবী প্রতিষ্ঠিত আছে। অতঃপর যখন তিনি মৃত্তিকা থেকে উঠার জন্যে তোমাদের ডাক দেবেন, তখন তোমরা উঠে আসবে।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে হচ্ছে যে আকাশ ও পৃথিবী অটুট রয়েছে তাঁরই আদেশে। তারপর তিনি যখন তোমাদের এক ডাক দিয়ে ডাকেন, মাটি থেকে, তখন তোমরা বেরিয়ে আসছ।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦٓ أَن تَقُومَ ٱلسَّمَآءُ وَٱلْأَرْضُ بِأَمْرِهِۦ ثُمَّ إِذَا دَعَاكُمْ دَعْوَةً مِّنَ ٱلْأَرْضِ إِذَآ أَنتُمْ تَخْرُجُونَ

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা তাঁহারই। সকলেই তাঁহার আজ্ঞাবহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। প্রত্যেকেই তাঁর প্রতি বিনত।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডলে ও ভুমন্ডলে যা কিছু আছে, সব তাঁরই। সবাই তাঁর আজ্ঞাবহ।

জহুরুল হক

আর যারা রয়েছে মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে তারা তাঁরই। সবাই তাঁর প্রতি আজ্ঞাবহ।

Word by word

وَلَهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ كُلٌّ لَّهُۥ قَٰنِتُونَ

সমকালীন বাংলা

তিনি সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন, অতঃপর তিনি ইহাকে সৃষ্টি করিবেন পুনর্বার; ইহা তাঁহার জন্য অতি সহজ। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁহারই; এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি সেই মহান সত্তা যিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করবেন এবং সেটা হবে তাঁর জন্যে একেবারেই সহজ। মহাকাশ এবং পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা কেবল তাঁর। তিনি মহাশক্তিধর, মহাবিজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই প্রথমবার সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন, অতঃপর তিনি সৃষ্টি করবেন। এটা তাঁর জন্যে সহজ। আকাশ ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁরই এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি সৃষ্টির সূচনা করেছেন, তারপর তিনি তা পুনঃসৃষ্টি করেন, আর এটি তাঁর জন্য অতি সহজ। আর তাঁরই হচ্ছে সর্বোচ্চ আদর্শ মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে, আর তিনিই হচ্ছেন মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

Word by word

وَهُوَ ٱلَّذِى يَبْدَؤُا۟ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ وَهُوَ أَهْوَنُ عَلَيْهِ وَلَهُ ٱلْمَثَلُ ٱلْأَعْلَىٰ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

সমকালীন বাংলা

তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন: তোমাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়াছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস - দাসিগণের কেহ কি তাহাতে অংশীদার? ফলে তোমরা কি এই ব্যাপারে সমান? তোমরা কি উহাদেরকে সেইরূপ ভয় কর যেইরূপ তোমরা পরস্পর পরস্পরকে ভয় কর? এইভাবেই আমি বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের নিকট নিদর্শনাবলী বিবৃত করি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের নিজেদের থেকেই একটি দৃষ্টান্ত পেশ করছেন: তোমাদেরকে আমরা যে রিযিক দিয়েছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস - দাসীদের কেউ কি তাতে অংশীদার? এবং তোমরা এই অংশীদারিত্বের ব্যাপারে কি সমান অধিকারী? তোমরা কি তাদেরকে সে রকম ভয় করো যে রকম তোমাদের পরস্পরকে ভয় করো? এভাবেই আমরা আয়াত বর্ণনা করি তফসিলসহ সমুঝদার লোকদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের জন্যে তোমাদেরই মধ্য থেকে একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ তোমাদের আমি যে রুযী দিয়েছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস - দাসীরা কি তাতে তোমাদের সমান সমান অংশীদার? তোমরা কি তাদেরকে সেরূপ ভয় কর, যেরূপ নিজেদের লোককে ভয় কর? এমনিভাবে আমি সমঝদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী বিস্তারিত বর্ণনা করি।

জহুরুল হক

তিনি তোমাদের কাছে তোমাদের মধ্যে থেকেই একটি দৃষ্টান্ত ছুড়ঁছেন - - তোমাদের ডান হাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের মধ্যে থেকে কি তোমাদের জন্য অংশীদার রয়েছে আমরা তোমাদের যা জীবনোপকরণ দিয়েছি তাতে, - - ফলে তোমরা এতে একসমান, আর তাদের ক্ষেত্রে তোমরা ভাবনা - চিন্তা কর তোমার নিজেদের সন্বন্ধে তোমাদের ভাবনা - চিন্তার ন্যায়? এইভাবেই আমরা নির্দেশাবলী ব্যাখ্যা করি সেই লোকদের জন্য যারা বুদ্ধিশুদ্ধি রাখে।

Word by word

ضَرَبَ لَكُم مَّثَلًا مِّنْ أَنفُسِكُمْ هَل لَّكُم مِّن مَّا مَلَكَتْ أَيْمَٰنُكُم مِّن شُرَكَآءَ فِى مَا رَزَقْنَٰكُمْ فَأَنتُمْ فِيهِ سَوَآءٌ تَخَافُونَهُمْ كَخِيفَتِكُمْ أَنفُسَكُمْ كَذَٰلِكَ نُفَصِّلُ

সমকালীন বাংলা

বরং সীমালংঘনকারীরা অজ্ঞানতাবশত তাহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, সুতরাং যাহাকে পথভ্রষ্ট করিয়াছেন, কে তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করিবে? আর তাহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যালিমরা না জেনে শুনে তাদের খেয়াল খুশিরই অনুগামী হয়ে চলছে। যাকে বিপথগামী করে দেন, কে তাকে সঠিক পথে চালাবে? আর তাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারীই থাকবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

বরং যারা যে - ইনসাফ, তারা অজ্ঞানতাবশতঃ তাদের খেয়াল - খূশীর অনুসরণ করে থাকে। অতএব, যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে কে বোঝাবে? তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।

জহুরুল হক

বস্তুত যারা অন্যায়াচরণ করে তারা জ্ঞানহীনতা বশতঃ তাদের কামনার অনুসরণ করে। সেজন্যে যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কে সৎপথে চালিত করবে? আর তাদের জন্য সাহায্যকারীদের কেউ নেই।

Word by word

بَلِ ٱتَّبَعَ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓا۟ أَهْوَآءَهُم بِغَيْرِ عِلْمٍ فَمَن يَهْدِى مَنْ أَضَلَّ ٱللَّهُ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ

সমকালীন বাংলা

তুমি একনিষ্ঠ হইয়া নিজকে দীনে প্রতিষ্ঠিত কর। প্রকৃতির অনুসরণ কর, যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন ; সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নাই। ইহাই সরল দীন ; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি একনিষ্ঠভাবে নিজেকে দীনের জন্যে কায়েম করো। আল্লাহর ফিতরতের (প্রকৃতির) উপর প্রতিষ্ঠিত হও, যে ফিতরতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টি - প্রকৃতির কোনো পরিবর্তন হয়না। এটাই সঠিক সুষম দীন। তবে অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি একনিষ্ঠ ভাবে নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ। এটাই আল্লাহর প্রকৃতি, যার উপর তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সরল ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।

জহুরুল হক

অতএব তোমার মুখ ধর্মের প্রতি একনিষ্ঠভাবে কায়েম করো। ‌র প্রকৃতি - - যার উপরে তিনি মানুষকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ‌র সৃষ্টিতে কোনো পরিবর্তন নেই। এটিই হচ্ছে সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম, কিন্তু অধিকাংশ লোকেই জানে না।

Word by word

فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ حَنِيفًا فِطْرَتَ ٱللَّهِ ٱلَّتِى فَطَرَ ٱلنَّاسَ عَلَيْهَا لَا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ ٱللَّهِ ذَٰلِكَ ٱلدِّينُ ٱلْقَيِّمُ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ

সমকালীন বাংলা

বিশুদ্ধচিত্তে তাঁহার অভিমুখী হইয়া তাহাকে ভয় কর, কায়েম কর এবং অন্তর্ভুক্ত হইও না মুশরিকদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

বিনীত হৃদয়ে তাঁর অভিমুখী হও এবং তাঁকে ভয় করো, কায়েম করো আর মুশরিকদের অন্তরভুক্ত হয়োনা।

মুহিউদ্দীন খান

সবাই তাঁর অভিমুখী হও এবং ভয় কর, কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

জহুরুল হক

তাঁরই দিকে একান্ত মনোযোগী হও, আর তাঁকেই ভয়ভক্তি করো, আর কায়েম করো, আর মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না - -

Word by word

مُنِيبِينَ إِلَيْهِ وَٱتَّقُوهُ وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَلَا تَكُونُوا۟ مِنَ ٱلْمُشْرِكِينَ

সমকালীন বাংলা

যাহারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে। প্রত্যকে দলই নজি নজি মতবাদ নয়িে উল্লসতি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা নিজেদের দীনের মধ্যে বিভিন্ন মত সৃষ্টি করেছে, তারা বিভিন্ন দলে - উপদলে বিভক্ত হয়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মত নিয়ে উৎফুল্ল।

মুহিউদ্দীন খান

যারা তাদের ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে এবং অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উল্লসিত।

জহুরুল হক

তাদের দলের যারা তাদের ধর্মকে বিভক্ত করেছে আর তারা হয়ে গেছে নানা দলীয়। প্রত্যেক দলই যা তাদের কাছে রয়েছে তাতেই উল্লসিত।

Word by word

مِنَ ٱلَّذِينَ فَرَّقُوا۟ دِينَهُمْ وَكَانُوا۟ شِيَعًا كُلُّ حِزْبٍۭ بِمَا لَدَيْهِمْ فَرِحُونَ

সমকালীন বাংলা

মানুষকে যখন দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন উহারা বিশুদ্ধচিত্তে উহাদের প্রতিপালককে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন উহাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন উহাদের একদল উহাদের প্রতিপালকের শরীক করিয়া থাকে;

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের প্রভুকে ডাকে তাঁর প্রতি বিনীত হয়ে। আবার যখন তিনি তাদেরকে তাঁর অনুগ্রহের কিছু স্বাদ আস্বাদন করান, তখন তাদের একদল তাদের প্রভুর সাথে শিরক করতে থাকে,

মুহিউদ্দীন খান

মানুষকে যখন দুঃখ - কষ্ট স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের পালনকর্তাকে আহবান করে তাঁরই অভিমুখী হয়ে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে রহমতের স্বাদ আস্বাদন করান, তখন তাদের একদল তাদের পালনকর্তার সাথে শিরক করতে থাকে,

জহুরুল হক

আর মানুষকে যখন দুঃখকষ্ট স্পর্শ করে তখন তারা তাদের প্রভুকে আহ্বান করে তাঁর প্রতি একান্ত মনোযোগী হয়ে, তারপর যখন তিনি তাদের তাঁর তরফ থেকে অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন দেখো! তাদের মধ্যের একদল তাদের প্রভুর সঙ্গে অংশী দাঁড় করায়, - -

Word by word

وَإِذَا مَسَّ ٱلنَّاسَ ضُرٌّ دَعَوْا۟ رَبَّهُم مُّنِيبِينَ إِلَيْهِ ثُمَّ إِذَآ أَذَاقَهُم مِّنْهُ رَحْمَةً إِذَا فَرِيقٌ مِّنْهُم بِرَبِّهِمْ يُشْرِكُونَ

সমকালীন বাংলা

ফলে উহাদেরকে আমি যাহা দিয়াছি, তাহা উহারা অস্বীকার করে। সুতরাং ভোগ করিয়া লও, শীঘ্রই তোমরা জানিতে পারিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকে আমরা যা দিয়েছি তার প্রতি কুফুরি করার জন্যে। সুতরাং ভোগ বিলাস করে নাও, শীঘ্রি তোমরা জানতে পারবে (এর পরিণতি)।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তারা অস্বীকার করে যা আমি তাদেরকে দিয়েছি। অতএব, মজা লুটে নাও, সত্বরই জানতে পারবে।

জহুরুল হক

যেন তারা অস্বীকার করতে পারে যা আমরা তাদের প্রদান করেছিলাম। সুতরাং ''ভোগ করে নাও, কেননা শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।’’

Word by word

لِيَكْفُرُوا۟ بِمَآ ءَاتَيْنَٰهُمْ فَتَمَتَّعُوا۟ فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ

সমকালীন বাংলা

আমি কি উহাদের নিকট এমন কোন দলীল অবতীর্ণ করিয়াছি যাহা উহাদেরকে শরীক করিতে বলে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমরা তাদের কাছে কোনো সনদ পাঠিয়েছি এবং সেটি আল্লাহর সাথে শিরক করার ব্যাপারে তাদের পক্ষে কথা বলে?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি তাদের কাছে এমন কোন দলীল নাযিল করেছি, যে তাদেরকে আমার শরীক করতে বলে?

জহুরুল হক

অথবা, আমরা কি তাদের কাছে কোনো দলিল পাঠিয়েছি যাতে সেটি ওরা তাঁর সঙ্গে যে অংশী দাঁড় করায় সে সন্বন্ধে কথা বলে?

Word by word

أَمْ أَنزَلْنَا عَلَيْهِمْ سُلْطَٰنًا فَهُوَ يَتَكَلَّمُ بِمَا كَانُوا۟ بِهِۦ يُشْرِكُونَ

সমকালীন বাংলা

আমি যখন মানুষকে অনুগ্রহের আস্বাদ দেই উহারা তাহাতে হয় এবং উহাদের কৃতকর্মের ফলে দুর্দশাগ্রস্ত হইলেই উহারা হতাশ হইয়া পড়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই আমরা মানুষকে আমাদের অনুগ্রহের কিছু স্বাদ আস্বাদন করাই, তখন তারা উৎফুল্ল হয়ে উঠে। আবার তাদেরকে যখন কোনো দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে তাদের কৃতকর্মের কারণে, তখন তারা হয়ে পড়ে নিরাশ।

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন আমি মানুষকে রহমতের স্বাদ আস্বাদন করাই, তারা তাতে আনন্দিত হয় এবং তাদের কৃতকর্মের ফলে যদি তাদেরকে কোন দুদর্শা পায়, তবে তারা হতাশ হয়ে পড়ে।

জহুরুল হক

আর যখন আমরা মানুষকে অনুগ্রহ আস্বাদন করাই তারা তাতে আনন্দ করে, কিন্তু তাদের উপরে যদি এসে পড়ে কোনো দুর্দশা যা তাদের হাত আগবাড়িয়েছে, দেখো! তারা হতাশ হয়ে পড়ে।

Word by word

وَإِذَآ أَذَقْنَا ٱلنَّاسَ رَحْمَةً فَرِحُوا۟ بِهَا وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۢ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ إِذَا هُمْ يَقْنَطُونَ

সমকালীন বাংলা

উহারা কি লক্ষ্য করে না, যাহার জন্য ইচ্ছা রিযিক প্রশস্তকরেন এবং সীমিত করেন? ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করে দেন এবং (যাকে ইচ্ছা) সীমিত করে দেন? এতেও বিশ্বাসীদের জন্যে রয়েছে অনেক নিদর্শন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি দেখে না যে, যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক বর্ধিত করেন এবং হ্রাস করেন। নিশ্চয় এতে সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

জহুরুল হক

তারা কি তবে দেখে না যে রিযেক প্রসারিত করেন যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন এবং সঙ্কুচিতও করেন। নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শনাবলী রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা বিশ্বাস করে।

Word by word

أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ

সমকালীন বাংলা

অতএব আত্মীয়কে দিবে তাহার হক এবং অভাবগ্রস্তও মুসাফিরকেও। যাহারা সন্তুষ্টি কামনা করে তাহাদের জন্য ইহা শ্রেয় এবং তাহারাই ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, আত্মীয়দের দিয়ে দাও তাদের হক এবং মিসকিন (অভাবী) আর পথিকদেরকেও। এটাই কল্যাণকর সেইসব লোকদের জন্যে যারা এরাদা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের, আর তারাই হবে সফলতা অর্জনকারী।

মুহিউদ্দীন খান

আত্নীয় - স্বজনকে তাদের প্রাপ্য দিন এবং মিসকীন ও মুসাফিরদেরও। এটা তাদের জন্যে উত্তম, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। তারাই ।

জহুরুল হক

কাজেই নিকট আ‌ত্মীয়কে তার প্রাপ্য প্রদান করো, আর নিঃস্বকে ও পথচারীকেও। এটি তাদের জন্য শ্রেয় যারা ‌র চেহারা কামনা করে, আর এরাই স্বয়ং হচ্ছে ।

Word by word

فَـَٔاتِ ذَا ٱلْقُرْبَىٰ حَقَّهُۥ وَٱلْمِسْكِينَ وَٱبْنَ ٱلسَّبِيلِ ذَٰلِكَ خَيْرٌ لِّلَّذِينَ يُرِيدُونَ وَجْهَ ٱللَّهِ وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ

সমকালীন বাংলা

মানুষের ধনে বৃদ্ধি পাইবে বলিয়া তোমরা যে সুদ দিয়া থাক, আল্লাহর দৃষ্টিতে তাহা ধন - সম্পদ বৃদ্ধি করে না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে যাকাত তোমরা দিয়া থাক তাহাই বৃদ্ধি পায়; উহারাই সমৃদ্ধিশালী।

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের অর্থ - সম্পদে বৃদ্ধি পাওয়ার উদ্দেশ্যে তোমরা যে সূদ দিয়ে থাকো, আল্লাহর দৃষ্টিতে তা অর্থ - সম্পদ বৃদ্ধি করেনা। তবে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তোমরা যে যাকাত দিয়ে থাকো, তাই বৃদ্ধি পায় এবং তারাই বৃদ্ধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষের ধন - সম্পদে তোমাদের ধন - সম্পদ বৃদ্ধি পাবে, এই আশায় তোমরা সুদে যা কিছু দাও, আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না। পক্ষান্তরে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পবিত্র অন্তরে যারা দিয়ে থাকে, অতএব, তারাই দ্বিগুণ লাভ করে।

জহুরুল হক

আর যা - কিছু তোমরা সুদে দিয়ে থাক যেন এটি বাড়তে পারে, - - তা কিন্তু ‌র সমক্ষে বাড়বে না। আর যা তোমরা দিয়ে থাক যাকাতে ‌র চেহারা কামনা করে, তাহলে এরাই স্বয়ং বহুগুণিত লাভবান হবে।

Word by word

وَمَآ ءَاتَيْتُم مِّن رِّبًا لِّيَرْبُوَا۟ فِىٓ أَمْوَٰلِ ٱلنَّاسِ فَلَا يَرْبُوا۟ عِندَ ٱللَّهِ وَمَآ ءَاتَيْتُم مِّن زَكَوٰةٍ تُرِيدُونَ وَجْهَ ٱللَّهِ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُضْعِفُونَ

সমকালীন বাংলা

আল্লাহই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাদেরকে রিযিক দিয়াছেন, তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাইবেন ও পরে তোমাদেরকে জীবিত করিবেন। তোমাদের দেব - দেবীগুলির এমন কেহ আছে কি, যে এ সমস্তের কোন কিছু করিতে পারে? উহারা যাহাদেরকে শরীক করে, তা থাকলে পবত্রি ও মহান।

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনিই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদের রিযিক দিয়েছেন, তারপর তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর তোমাদের পুনরায় জীবিত করবেন। তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরিকদার বানিয়েছো, তাদের কেউ কি এসবের কিছু করতে পারে? তারা যাদেরকে আল্লাহর শরিক বানায়, তা থেকে পবিত্র, মহান।

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর রিযিক দিয়েছেন, এরপর তোমাদের মৃত্যু দেবেন, এরপর তোমাদের জীবিত করবেন। তোমাদের শরীকদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে এসব কাজের মধ্যে কোন একটিও করতে পারবে? তারা যাকে শরীক করে, তা থেকে পবিত্র ও মহান।

জহুরুল হক

‌ই সেইজন যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদের জীবিকা দিয়েছেন, তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর তিনি তোমাদের জীবনদান করবেন। তোমাদের অংশীদারদের মধ্যে কি কেউ আছে যে করতে পারে এগুলোর মধ্যের কোনো কিছু? সকল মহিমা তাঁরই, আর তারা যে - সব অংশী দাঁড় করায় সে - সব থেকে তিনি বহু ঊর্ধ্বে।

Word by word

ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَكُمْ ثُمَّ رَزَقَكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ هَلْ مِن شُرَكَآئِكُم مَّن يَفْعَلُ مِن ذَٰلِكُم مِّن شَىْءٍ سُبْحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشْرِكُونَ

সমকালীন বাংলা

মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে বিপর্যয় ছড়াইয়া পড়ে; যাহার ফলে উহাদেরকে উহাদের কোন কোন কর্মের শাস্তি তিনি আস্বাদন করান, যাহাতে উহারা ফিরিয়া আসে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে স্থলে ও সমুদ্রে মানুষের কর্মফলে, এরি মাধ্যমে তাদের কোনো কোনো কাজের শাস্তি তাদের আস্বাদন করান, যাতে করে তারা ফিরে আসে।

মুহিউদ্দীন খান

স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা ফিরে আসে।

জহুরুল হক

বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল স্থলে ও জলে মানুষের হাত যা অর্জন করেছিল তার ফলে, যেন তিনি তাদের আস্বাদন করাতে পারেন যা তারা করেছিল তার কিছুটা, যাতে তারা হয়তো ফিরে আসতে পারে।

Word by word

ظَهَرَ ٱلْفَسَادُ فِى ٱلْبَرِّ وَٱلْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى ٱلنَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ ٱلَّذِى عَمِلُوا۟ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং দেখ তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হইয়াছে !’ উহাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: পৃথিবীতে ভ্রমণ করে দেখো, তোমাদের আগেকার লোকদের কী পরিণতি হয়েছিল? তাদের অধিকাংশই ছিলো মুশরিক।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং দেখ তোমাদের পুর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছে। তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো এবং দেখো কেমন হয়েছিল তাদের পরিণাম যারা পূর্বে অধিষ্ঠিত ছিল। তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।’’

Word by word

قُلْ سِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَٱنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلُ كَانَ أَكْثَرُهُم مُّشْرِكِينَ

সমকালীন বাংলা

তুমি সরল দীনে নিজকে প্রতিষ্ঠিত কর, পক্ষ হইতে যে দিবস অনিবার্য তাহা উপস্থিত হইবার পূর্বে, সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি নিজেকে কায়েম করো সঠিক সুষম দীনের উপর সেই দিনটি আসার আগেই, আল্লাহর পক্ষ থেকে যে দিনটির আগমন কেউই রুখতে পারবেনা। সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।

মুহিউদ্দীন খান

যে দিবস আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাহূত হবার নয়, সেই দিবসের পূর্বে আপনি সরল ধর্মে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুন। সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।

জহুরুল হক

অতএব তোমার মুখ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখ শাশ্বত ধর্মের প্রতি, সেইদিন আসার আগে - - ‌র কাছ থেকে যার কোনো প্রতিরোধ নেই, সেইদিন তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

Word by word

فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ ٱلْقَيِّمِ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌ لَّا مَرَدَّ لَهُۥ مِنَ ٱللَّهِ يَوْمَئِذٍ يَصَّدَّعُونَ

সমকালীন বাংলা

যে করে, কুফরীর শাস্তিতাহারই প্রাপ্য; যাহারা সৎকর্ম করে তাহারা নিজেদেরই জন্য রচনা করে সুখশয্যা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে কুফুরি করে, তারই উপর পড়বে কুফুরির শাস্তি। আর যারা আমলে সালেহ্ করে তারা নিজেদের জন্যেই রচনা করে সুখশয্যা।

মুহিউদ্দীন খান

যে করে, তার কফুরের জন্যে সে - ই দায়ী এবং যে সৎকর্ম করে, তারা নিজেদের পথই শুধরে নিচ্ছে।

জহুরুল হক

যে কেউ অবিশ্বাস করে, তার উপরেই তবে তার অবিশ্বাস, আর যে কেউ সৎকর্ম করে, তাহলে তাদের নিজেদের জন্যেই তারা সুখশয্যা পাতে, - -

Word by word

مَن كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهُۥ وَمَنْ عَمِلَ صَٰلِحًا فَلِأَنفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ

সমকালীন বাংলা

কারণ যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পুরস্কৃত করেন। তিনি কাফিরদেরকে পসন্দ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পুরস্কৃত করেন। নিশ্চয়ই কাফিরদের পছন্দ করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস করেছে ও সৎকর্ম করেছে যাতে, তা’আলা তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে প্রতিদান দেন। নিশ্চয় তিনি কাফেরদের ভালবাসেন না।

জহুরুল হক

যেন তিনি তাঁর করুণাভান্ডার থেকে পুরস্কৃত করতে পারেন তাদের যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে। তিনি অবিশ্বাসীদের নিশ্চয়ই ভালবাসেন না।

Word by word

لِيَجْزِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ مِن فَضْلِهِۦٓ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلْكَٰفِرِينَ

সমকালীন বাংলা

তাঁহার নিদর্শনাবলীর একটি যে, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন সুসংবাদ দিবার জন্য ও তোমাদেরকে তাঁহার অনুগ্রহ আস্বাদন করাইবার জন্য; এবং যাহাতে তাঁহার নির্দেশে নৌযানগুলি বিচরণ করে, যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার ও তাঁহার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির একটি হলো, তোমাদেরকে সুসংবাদ দেয়ার জন্যে এবং তোমাদেরকে তাঁর রহমত থেকে আস্বাদন করানোর জন্যে তিনি বাতাস পাঠান, এছাড়া তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী যেনো নৌযানগুলো চলাচল করে এবং তোমরা যেনো শোকর আদায় করতে পারো।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি এই যে, তিনি সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন, যাতে তিনি তাঁর অনুগ্রহ তোমাদের আস্বাদন করান এবং যাতে তাঁর নির্দেশে জাহাজসমূহ বিচরণ করে এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ তালাশ কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হও।

জহুরুল হক

আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে হচ্ছে যে তিনি বায়ুপ্রবাহ পাঠান সুসংবাদদাতারূপে, যেন তিনি তোমাদের আস্বাদন করাতে পারেন তাঁর অনুগ্রহ থেকে, আর যেন জাহাজগুলি বিচরণ করতে পারে তাঁর বিধানে, আর যেন তোমরা অন্বেষণ করতে পার তাঁর করুণাভান্ডার থেকে, যেন তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে পার।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦٓ أَن يُرْسِلَ ٱلرِّيَاحَ مُبَشِّرَٰتٍ وَلِيُذِيقَكُم مِّن رَّحْمَتِهِۦ وَلِتَجْرِىَ ٱلْفُلْكُ بِأَمْرِهِۦ وَلِتَبْتَغُوا۟ مِن فَضْلِهِۦ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

সমকালীন বাংলা

আমি তো তোমার পূর্বে রাসূলগণকে প্রেরণ করিয়াছিলাম তাহাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের নিকট। তাহারা উহাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শন লইয়া আসিয়াছিল; অতঃপর আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। মু’মিনদেরকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগে আমরা বহু রসূল পাঠিয়েছি তাদের নিজ নিজ কওমের কাছে। তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে এসেছিল। তারপর আমরা অপরাধীদের থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিলাম। আর মুমিনদের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে আমি রসূলগণকে তাঁদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছি। তাঁরা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আগমন করেন। অতঃপর যারা পাপী ছিল, তাদের আমি শাস্তি দিয়েছি। মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।

জহুরুল হক

আর আমরা তো নিশ্চয়ই তোমার আগে রসূলগণকে পাঠিয়েছিলাম তাঁদের স্বজাতির কাছে, সুতরাং তাঁরা তাদের কাছে এসেছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, তারপর যারা অপরাধ করেছিল তাদের থেকে আমরা পরিণতি নিয়েছিলাম। আর আমাদের উপরে দায়িত্ব বর্তেছে মুমিনদের সাহায্য করা।

Word by word

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ رُسُلًا إِلَىٰ قَوْمِهِمْ فَجَآءُوهُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَٱنتَقَمْنَا مِنَ ٱلَّذِينَ أَجْرَمُوا۟ وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ ٱلْمُؤْمِنِينَ

সমকালীন বাংলা

তিনি বায়ু প্রেরণ করেন, ফলে ইহা মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে; অতঃপর তিনি ইহাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়াইয়া দেন; পরে ইহাকে খণ্ড - বিখণ্ড করেন এবং তুমি দেখিতে পাও উহা হইতে নির্গত হয় বারিধারা; অতঃপর যখন তিনি তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহাদের নিকট ইচ্ছা পৌঁছান; তখন উহার হয় হর্ষোৎফুল্ল,

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই বাতাস পাঠান, তা মেঘমালাকে উড়িয়ে নিয়ে চলে, তারপর তিনি এগুলোকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন। পরে এগুলো খন্ড খন্ড করেন এবং তুমি দেখতে পাও সেগুলো থেকে বেরিয়ে আসে বারিধারা, তখন তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের ইচ্ছে তা পৌঁছে দেন, তখন তারা হয়ে উঠে চরম আনন্দিত।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি , যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়।

জহুরুল হক

‌ই তিনি যিনি বায়ুপ্রবাহ পাঠান। তারপর তারা মেঘ সঞ্চার করে, তখন তিনি যেমন ইচ্ছা করেন তা ছড়িয়ে দেন আকাশের মধ্যে, তারপর একে তিনি টুকরো টুকরো করেন, ফলে তোমরা দেখতে পাও তার নিচে থেকে বৃষ্টি বেরিয়ে আসছে, অতঃপর যখন তিনি তা পড়তে দেন তাঁর বান্দাদের যাকে তিনি ইচ্ছা করেন তার উপরে, দেখো! তারা উল্লাস করে, - -

Word by word

ٱللَّهُ ٱلَّذِى يُرْسِلُ ٱلرِّيَٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَيَبْسُطُهُۥ فِى ٱلسَّمَآءِ كَيْفَ يَشَآءُ وَيَجْعَلُهُۥ كِسَفًا فَتَرَى ٱلْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَٰلِهِۦ فَإِذَآ أَصَابَ بِهِۦ مَن يَشَآءُ مِنْ

সমকালীন বাংলা

যদিও ইতিপূর্বে উহাদের প্রতি বৃষ্টি বর্ষণের আগে উহারা নিরাশ ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদিও ইতোপূর্বে বৃষ্টি নাযিলের আগে তারা ছিলো হতাশ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা প্রথম থেকেই তাদের প্রতি এই বৃষ্টি বর্ষিত হওয়ার পূর্বে নিরাশ ছিল।

জহুরুল হক

যদিও ইতিপূর্বে এটি তাদের উপরে বর্ষণের আগে পর্যন্ত তারা ছিল নিশ্চিত নিরাশ।

Word by word

وَإِن كَانُوا۟ مِن قَبْلِ أَن يُنَزَّلَ عَلَيْهِم مِّن قَبْلِهِۦ لَمُبْلِسِينَ

সমকালীন বাংলা

অনুগ্রহের ফল সম্বন্ধে চিন্তা কর, কিভাবে তিনি ভূমিকে জীবিত করেন উহার মৃত্যুর

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব আল্লাহর রহমতের প্রভাব সম্পর্কে চিন্তা করো, তিনি কিভাবে জমিনকে মরে (শুকিয়ে) যাবার পর আবার জীবিত করেন। এভাবেই তিনি মৃতদের জীবিত করবেন। তিনি প্রতিটি বিষয়ে শক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহর রহমতের ফল দেখে নাও, কিভাবে তিনি মৃত্তিকার মৃত্যুর পর তাকে জীবিত করেন। নিশ্চয় তিনি মৃতদেরকে জীবিত করবেন এবং তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান।

জহুরুল হক

অতএব তাকিয়ে দেখ ‌র অনুগ্রহের চিহগুলোর প্রতি - - কেমন ক’রে তিনি পৃথিবীকে সঞ্জীবিত করেন তার মৃত্যুর পরে। নিঃসন্দেহ এইভাবে তিনি নিশ্চয়ই মৃতের জীবন - দাতা। আর তিনি সব কিছুতেই সর্বশক্তিমান।

Word by word

فَٱنظُرْ إِلَىٰٓ ءَاثَٰرِ رَحْمَتِ ٱللَّهِ كَيْفَ يُحْىِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَآ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

সমকালীন বাংলা

আর আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যাহার ফলে উহারা দেখে শস্য পীতবর্ণ ধারণ করিয়াছে, তখন তো উহারা অকৃতজ্ঞ হইয়া পড়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি এমন বাতাস পাঠাই যার ফলস্বরূপ তারা দেখে শস্য হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে, তখন তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যার ফলে তারা শস্যকে হলদে হয়ে যেতে দেখে, তখন তো তারা অবশ্যই অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।

জহুরুল হক

আর যদি আমরা বায়ুপ্রবাহ পাঠাই আর তারা তা দেখে হলদে হয়ে গেছে, তার পরেও তারা অবিশ্বাস করতেই থাকবে।

Word by word

وَلَئِنْ أَرْسَلْنَا رِيحًا فَرَأَوْهُ مُصْفَرًّا لَّظَلُّوا۟ مِنۢ بَعْدِهِۦ يَكْفُرُونَ

সমকালীন বাংলা

তুমি তো মৃতকে শোনাইতে পারিবে না, বধিরকেও পারিবে না আহ্বান শোনাইতে, যখন উহারা মুখ ফিরাইয়া চলিয়া যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি মৃতকে শুনাতে পারবেনা, বধিরকেও পারবেনা তোমার আহবান শুনাতে, যেহেতু তারা মুখ ফিরিয়ে চলে যায়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি মৃতদেরকে শোনাতে পারবেন না এবং বধিরকেও আহবান শোনাতে পারবেন না, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি নিশ্চয়ই মৃতকে শোনাতে পারবে না, আর বধিরকেও তুমি আহ্বান শোনাতে পারবে না, যখন তারা ফিরে যায় পিছু হটে।

Word by word

فَإِنَّكَ لَا تُسْمِعُ ٱلْمَوْتَىٰ وَلَا تُسْمِعُ ٱلصُّمَّ ٱلدُّعَآءَ إِذَا وَلَّوْا۟ مُدْبِرِينَ

সমকালীন বাংলা

আর তুমি অন্ধকেও পথে আনিতে পারিবে না উহাদের পথভ্রষ্টতা হইতে। যাহারা আমার নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে শুধু তাহাদেরকেই তুমি শোনাইতে পারিবে, কারণ তাহারা আত্মসমর্পণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি অন্ধদের সঠিক পথে আনতে পারবেনা তাদের বিপথগামিতা থেকে। তুমি তো শুনাতে পারবে তাদেরকেই, যারা ঈমান আনে আমাদের আয়াতের প্রতি, তারপর আত্মসমর্পণ করে দেয়।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি অন্ধদেরও তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে পথ দেখাতে পারবেন না। আপনি কেবল তাদেরই শোনাতে পারবেন, যারা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস করে। কারন তারা মুসলমান।

জহুরুল হক

আর তুমি অন্ধদেরও তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে পথপ্রদর্শক হতে পারবে না। তুমি তো শোনাতে পার শুধু তাকে যে আমাদের বাণীসমূহে বিশ্বাস করে, ফলে তারা মুসলিম হয়।

Word by word

وَمَآ أَنتَ بِهَٰدِ ٱلْعُمْىِ عَن ضَلَٰلَتِهِمْ إِن تُسْمِعُ إِلَّا مَن يُؤْمِنُ بِـَٔايَٰتِنَا فَهُم مُّسْلِمُونَ

সমকালীন বাংলা

তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেন দুর্বল অবস্থায়, দুর্বলতার পর তিনি দেন শক্তি ; শক্তির পর আবার দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যাহা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেন দুর্বল অবস্থায়। তারপর দুর্বলতার পরে দেন শক্তি। শক্তির পর পুনরায় দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। তিনি সর্বজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি দূর্বল অবস্থায় তোমাদের সৃষ্টি করেন অতঃপর দূর্বলতার পর শক্তিদান করেন, অতঃপর শক্তির পর দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

জহুরুল হক

‌ই তিনি যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন শক্তিহীন দশা থেকে, তার পরে তিনি শক্তিহীনতার পরে দিয়েছেন শক্তি, তার পর শক্তিলাভের পরে তিনি দিয়েছেন শক্তিহীনতা ও পাকাচুল। তিনি যা চান তাই সৃষ্টি করেন, আর তিনিই সর্বজ্ঞাতা, পরম ক্ষমতাবান।

Word by word

ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَكُم مِّن ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنۢ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنۢ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ وَهُوَ ٱلْعَلِيمُ ٱلْقَدِيرُ

সমকালীন বাংলা

যেদিন কিয়ামত হইবে সেদিন অপরাধীরা শপথ করিয়া বলিবে যে, তাহারা মুহূর্তকালের বেশি অবস্থান করে নাই। এইভাবেই তাহারা সত্যভ্রষ্ট হইত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন অপরাধীরা কসম খেয়ে বলবে: তারা ঘণ্টাখানেকের বেশি অবস্থান করেনি। এভাবেই তারা (দুনিয়ার জীবনেও) হতো সত্যভ্রষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা কসম খেয়ে বলবে যে, এক মুহুর্তেরও বেশী অবস্থান করিনি। এমনিভাবে তারা সত্যবিমুখ হত।

জহুরুল হক

আর যেদিন ঘড়িঘন্টা সংস্থাপিত হবে তখন অপরাধীরা শপথ করে বলবে যে এক ঘড়ি ব্যতীত তারা অবস্থান করে নি। এইভাবেই তারা প্রতারিত হয়ে চলেছে।

Word by word

وَيَوْمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يُقْسِمُ ٱلْمُجْرِمُونَ مَا لَبِثُوا۟ غَيْرَ سَاعَةٍ كَذَٰلِكَ كَانُوا۟ يُؤْفَكُونَ

সমকালীন বাংলা

কিন্তু যাহাদেরকে জ্ঞান ও ঈমান দেওয়া হইয়াছে তাহারা বলিবে, ‘তোমরা তো বিধানে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করিয়াছ। ইহাই তো পুনরুত্থান দিবস, কিন্তু তোমরা জানিতে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদেরকে এলেম এবং ঈমান দেয়া হয়েছে, তারা বলবে: তোমরা আল্লাহর রেকর্ড অনুযায়ী পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করেছো। আজ সেই পুনরুত্থান দিবস। কিন্তু তোমরা ছিলে অজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

যাদের জ্ঞান ও ঈমান দেয়া হয়েছে, তারা বলবে আমরা আল্লাহর কিতাব মতে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করেছি। এটাই পুনরুত্থান দিবস, কিন্তু তোমরা তা জানতে না।

জহুরুল হক

আর যাদের জ্ঞান ও বিশ্বাস দেওয়া হয়েছে তারা বলবে - - ''তোমরা তো ‌র বিধান অনুসারে অবস্থান করেছিলে পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত, - - সেজন্য এই - ই হচ্ছে পুনরুত্থানের দিন, কিন্তু তোমরা না - অবস্থায় রয়েছ।’’

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ وَٱلْإِيمَٰنَ لَقَدْ لَبِثْتُمْ فِى كِتَٰبِ ٱللَّهِ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْبَعْثِ فَهَٰذَا يَوْمُ ٱلْبَعْثِ وَلَٰكِنَّكُمْ كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ

সমকালীন বাংলা

সেই দিন সীমালংঘনকারীদের ওযর - আপত্তি উহাদের কাজে আসিবে না এবং উহাদেরকে তওবা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভরে সুযােগও তাদরে দয়ো হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যালিমদের ওজর আপত্তি কোনো কাজে আসবেনা এবং তাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভেরও সুযোগ দেয়া হবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন জালেমদের ওযর - আপত্তি তাদের কোন উপকারে আসবে না এবং তওবা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগও তাদের দেয়া হবে না।

জহুরুল হক

সুতরাং সেইদিন যারা অন্যায় করেছিল তাদের ওজর আপত্তি কোনো কাজে আসবে না, আর তাদের সদয়ভাবে লওয়াও হবে না।

Word by word

فَيَوْمَئِذٍ لَّا يَنفَعُ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مَعْذِرَتُهُمْ وَلَا هُمْ يُسْتَعْتَبُونَ

সমকালীন বাংলা

আমি তো মানুষের জন্য এই কুরআনে সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত দিয়াছি। তুমি যদি উহাদের নিকট কোন নিদর্শন উপস্থিত কর, কাফিররা অবশ্যই বলিবে, ‘তোমরা তো মিথ্যাশ্রয়ী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মানুষের জন্যে এ কুরআনে সব ধরনের দৃষ্টান্ত দিয়েছি। তুমি যদি তাদের সামনে কোনো নিদর্শন হাজিরও করো, কাফিররা অবশ্যি বলবে: ‘তোমরা মিথ্যা বাতিল নিয়ে এসেছো।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি এই কোরআনে মানুষের জন্য সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছি। আপনি যদি তাদের কাছে কোন নিদর্শন উপস্থিত করেন, তবে কাফেররা অবশ্যই বলবে, তোমরা সবাই মিথ্যাপন্থী।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই লোকেদের জন্য এই কুরআনে সব রকমের দৃষ্টান্ত থেকেই প্রস্তাবনা করেছি। আর তুমি যদি তাদের কাছে একটি নিদর্শন নিয়েও আস তথাপি যারা অবিশ্বাস করে তারা অবশ্যই বলবে - - ''তুমি ঝুটো বৈ তো নও।’’

Word by word

وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِى هَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ مِن كُلِّ مَثَلٍ وَلَئِن جِئْتَهُم بِـَٔايَةٍ لَّيَقُولَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا مُبْطِلُونَ

সমকালীন বাংলা

এমনিভাবে জ্ঞানহীনদের হৃদয় মােহরাঙ্কতি করে দনে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই অজ্ঞ লোকদের অন্তরে সীলমোহর মেরে দেন।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে জ্ঞানহীনদের হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দেন।

জহুরুল হক

এইভাবে একটি মোহর মেরে দেন তাদের হৃদয়ে যারা জানে না।

Word by word

كَذَٰلِكَ يَطْبَعُ ٱللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِ ٱلَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি ধৈর্য্ ধারণ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। যাহারা দৃঢ় নয় তাহারা যেন তোমাকে বিচলিত করিতে না পারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, সবর অবলম্বন করো, অবশ্যি আল্লাহর ওয়াদা সত্য। যারা একীন রাখেনা, তারা যেনো তোমাকে (আহবান জানানোর কাজ থেকে) টলাতে না পারে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি সবর করুন। আল্লাহর ওয়াদা সত্য। যারা নয়, তারা যেন আপনাকে বিচলিত করতে না পারে।

জহুরুল হক

অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, নিঃসন্দেহ ‌র ওয়াদা ধ্রুব - সত্য। আর যারা দৃঢ়বিশ্বাস রাখে না তারা যেন তোমাকে বিচলিত করতে না পারে।

Word by word

فَٱصْبِرْ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّ وَلَا يَسْتَخِفَّنَّكَ ٱلَّذِينَ لَا يُوقِنُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme