আল হিজর (হিজর নামক একটি পাহাড়ী উপত্যকা) , choose another chapter
আল হিজর (হিজর নামক একটি পাহাড়ী উপত্যকা)
Chapter 15, 99 verses
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক
Word by word
Add book
List
Grid
সমকালীন বাংলা
১ পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; আলিফ - লাম - রা, এইগুলি আয়াত মহাগ্রন্থের, সুস্পষ্ট কুরআনের।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ আলিফ - লাম - রা। এগুলো আয়াত আল কিতাব এবং সুস্পষ্ট কুরআনের।
জহুরুল হক
১ আলিফ, লাম, রা। এগুলো হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের আয়াতসমূহ, আর একটি সুস্পষ্ট পাঠ্য।
Word by word
١ الٓر تِلْكَ ءَايَٰتُ ٱلْكِتَٰبِ وَقُرْءَانٍ مُّبِينٍ
সমকালীন বাংলা
২ কখনও কখনও কাফিররা আকাঙ্খা করিবে যে, তাহারা যদি মুসলিম হইত!
আবদুস শহীদ নাসিম
২ কাফিররাও কখনো কখনো আকাঙ্খা করে, যদি তারা মুসলিম হতো!
জহুরুল হক
২ সময়কালে যারা অবিশ্বাস করেছিল তারা চাইবে যে যদি তারা মুসলিম হতো!
Word by word
٢ رُّبَمَا يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ كَانُوا۟ مُسْلِمِينَ
সমকালীন বাংলা
৩ উহাদেরকে ছাড়, উহারা খাইতে থাকুক, ভোগ করিতে থাকুক এবং আশা উহাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখুক; অচিরেই উহারা জানিতে পারিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তাদের উপেক্ষা করো: তারা খেতে থাকুক, ভোগ করতে থাকুক এবং তাদের আশা - আকাঙ্খা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
জহুরুল হক
৩ ছেড়ে দাও তাদের খানাপিনা করতে ও আমোদ - আাদ করতে, আর আশা - আকাঙ্খা তাদের ভুলিয়ে রাখুক, যেহেতু শীগগিরই তারা বুঝতে পারবে!
Word by word
٣ ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا۟ وَيَتَمَتَّعُوا۟ وَيُلْهِهِمُ ٱلْأَمَلُ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
সমকালীন বাংলা
৪ আমি যে কোন জনপদকে ধ্বংস করিয়াছি তাহার জন্য ছিল একটি নির্দিষ্ট লিপিবদ্ধ কাল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আমরা যে কোনো জনপদকেই হালাক করেছি, তার অবশ্যি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল রেকর্ড করা ছিলো।
জহুরুল হক
৪ আর আমরা কোনো জনপদকে ধ্বংস করি নি যে পর্যন্ত না তার জন্য বিধান মালুম করানো হয়েছে।
Word by word
٤ وَمَآ أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَّعْلُومٌ
সমকালীন বাংলা
৫ কোন জাতি তাহার নির্দিষ্ট কালকে ত্বরান্নিত করিতে পারে না, বিলম্বিতও করিতে পারে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ কোনো উম্মতের (ধ্বংসের) মেয়াদকাল এগিয়েও আসেনা এবং পিছিয়েও যায়না।
জহুরুল হক
৫ কোনো জাতি তার নির্ধারিত কাল ত্বরান্বিত করতে পারবে না, আর তারা বিলন্বিত করতে পারবে না।
Word by word
٥ مَّا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَـْٔخِرُونَ
সমকালীন বাংলা
৬ উহারা বলে, ‘ওহে, যাহার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হইয়াছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তারা বলে: ‘‘হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি আয - যিকির (আল - কুরআন) নাযিল করা হয়েছে, তুমি অবশ্যি একজন পাগল।
জহুরুল হক
৬ আর তারা বলে - - ''ওহে যার কাছে স্মারকগ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো আলবৎ মাথা - পাগলা।
Word by word
٦ وَقَالُوا۟ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِى نُزِّلَ عَلَيْهِ ٱلذِّكْرُ إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ
সমকালীন বাংলা
৭ ‘তুমি সত্যবাদী হইলে আমাদের নিকট ফিরিশতাগণকে উপস্থিত করিতেছ না কেন?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসোনা কেন?’’
জহুরুল হক
৭ ''তুমি কেন আমাদের কাছে ফিরিশ্তাদের নিয়ে এস না, যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।
Word by word
٧ لَّوْ مَا تَأْتِينَا بِٱلْمَلَٰٓئِكَةِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ
সমকালীন বাংলা
৮ আমি ফিরিশ্তাগণকে প্রেরণ করি না যথার্থ কারণ ব্যতীত; ফিরিশ্তাগণ উপস্থিত হইলে উহারা অবকাশ পাইবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ আমরা তো বাস্তব পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া ছাড়া ফেরেশতা পাঠাইনা; আর যখনই ফেরেশতা পাঠাই তখন আর তাদের অবকাশ দেয়া হয়না।
জহুরুল হক
৮ আমরা ফিরিশ্তাদের পাঠাই না সত্যের সাথে ছাড়া, আর তখন তারা অবকাশ প্রাপ্ত হবে না।
Word by word
٨ مَا نُنَزِّلُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَمَا كَانُوٓا۟ إِذًا مُّنظَرِينَ
সমকালীন বাংলা
৯ আমিই কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি এবং অবশ্য আমিই উহার সংরক্ষক।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ আয - যিকির (আল - কুরআন) আমরাই নাযিল করেছি এবং আমরাই সেটির হিফাযতকারী।
জহুরুল হক
৯ নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই স্মারকগ্রন্থ অবতারণ করেছি, আর আমরাই তো এর সংরক্ষণকারী।
Word by word
٩ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا ٱلذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُۥ لَحَٰفِظُونَ
সমকালীন বাংলা
১০ তোমার পূর্বে আমি আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের নিকট রাসূল পাঠাইয়াছিলাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তোমার আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের কাছেই আমরা রসূল পাঠিয়েছিলাম।
জহুরুল হক
১০ আর তোমার আগে আমরা নিশ্চয়ই পাঠিয়েছিলাম প্রাচীনকালের সম্প্রদায়ের মধ্যে।
Word by word
١٠ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ فِى شِيَعِ ٱلْأَوَّلِينَ
সমকালীন বাংলা
১১ তাহাদের নিকট আসে নাই এমন কোন রাসূল যাহাকে তাহারা ঠাট্টা - বিদ্রপকরিত না।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছে তারা (তাকে নিয়ে) বিদ্রূপ করেছে
জহুরুল হক
১১ কিন্তু তাদের কাছে এমন কোনো রসূল আসেন নি যাঁকে নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করত না।
Word by word
١١ وَمَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
সমকালীন বাংলা
১২ এইভাবে আমি অপরাধীদের অন্তরে উহা সঞ্চার করি,
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এভাবে আমরা (সর্বকালের) অপরাধীদের অন্তরে তা (কুফুরি ও হঠকারিতা) সঞ্চার করি।
জহুরুল হক
১২ এইভাবে আমরা একে অপরাধীদের অন্তরে প্রবেশ করাই।
Word by word
١٢ كَذَٰلِكَ نَسْلُكُهُۥ فِى قُلُوبِ ٱلْمُجْرِمِينَ
সমকালীন বাংলা
১৩ ইহারা কুরআনের প্রতি ঈমান আনিবে না এবং অতীতে পূর্ববর্তীদেরও এই আচরণ ছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তারা এর (কুরআনের) প্রতি ঈমান আনেনা। আর অতীতের (অপরাধীদের) সুন্নতও ছিলো এটাই।
জহুরুল হক
১৩ তারা এতে বিশ্বাস করে না, অথচ পূর্ববর্তীদের নজীর অবশ্যই গত হয়েছে।
Word by word
١٣ لَا يُؤْمِنُونَ بِهِۦ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ ٱلْأَوَّلِينَ
সমকালীন বাংলা
১৪ যদি উহাদের জন্য আকাশের দুয়ার খুলিয়া দেই এবং উহারা সারাদিন উহাতে আরোহণ করিতে থাকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ আমরা যদি তাদের জন্যে আসমানের দুয়ারও খুলে দিতাম এবং তারা যদি দিবালোকে তাতে মেরাজ (আরোহণ) করতেও থাকতো,
জহুরুল হক
১৪ আর যদি আমরা তাদের জন্য মহাকাশের দরজা খুলে দিই আর তাতে তারা আরোহণ করতে থাকে - -
Word by word
١٤ وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِم بَابًا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ فَظَلُّوا۟ فِيهِ يَعْرُجُونَ
সমকালীন বাংলা
১৫ তবুও উহারা বলিবে, ‘আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হইয়াছে; না, বরং আমরা এক জাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।’
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তখনো তারা বলতো, আমাদের চোখকে সম্মোহিত করা হয়েছে, বরং আমরা জাদুগ্রস্ত লোক।
জহুরুল হক
১৫ তারা তবুও বলবে - - ''আমাদের চোখে ধাঁধা লেগেছে, আমরা বরং মোহাচ্ছন্ন দল হয়েছি।’’
Word by word
١٥ لَقَالُوٓا۟ إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَٰرُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَّسْحُورُونَ
সমকালীন বাংলা
১৬ আমি আকাশে গ্রহ - নক্ষত্র সৃষ্টি করিয়াছি এবং উহাকে সুশোভিত করিয়াছি দর্শকদের জন্য;
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আমরা আসমানে বুরুজ (গ্রহ - নক্ষত্র) স্থাপন করেছি এবং সেগুলোকে দর্শকদের জন্যে শোভামন্ডিত করেছি।
জহুরুল হক
১৬ আর বাস্তবিকই আমরা আকাশে দুর্গ তৈরি করেছি, আর তা সুশোভিত করেছি দর্শকদের জন্য।
Word by word
١٦ وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِى ٱلسَّمَآءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّٰهَا لِلنَّٰظِرِينَ
সমকালীন বাংলা
১৭ এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হইতে আমি উহাকে রক্ষা করিয়া থাকি;
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ এবং প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেটিকে হিফাযত করেছি।
জহুরুল হক
১৭ আর আমরা তাকে রক্ষা করি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তানের থেকে, - -
Word by word
١٧ وَحَفِظْنَٰهَا مِن كُلِّ شَيْطَٰنٍ رَّجِيمٍ
সমকালীন বাংলা
১৮ কিন্তু কেহ চুরি করিয়া সংবাদ শুনিতে চাহিলে উহার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রদীপ্ত শিখা।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তবে কেউ যদি চুরি করে সংবাদ শুনতে চায় তার পশ্চাদধাবন করে উজ্জ্বল শিহাব (শিখা)।
জহুরুল হক
১৮ সে ব্যতীত যে লুকিয়ে শোনে, ফলে তার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রখর অগ্নিশিখা।
Word by word
١٨ إِلَّا مَنِ ٱسْتَرَقَ ٱلسَّمْعَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌ مُّبِينٌ
সমকালীন বাংলা
১৯ আর পৃথিবী, উহাকে আমি বিস্তৃত করিয়াছি, উহাতে পর্বতমালা স্থাপন করিয়াছি; এবং আমি উহাতে প্রত্যেক বস্তু উদ্গত করিয়াছি সুপরিমিতভাবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আর পৃথিবী, আমরা তাকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পাহাড় - পর্বত এবং তাতে উৎপন্ন করেছি প্রতিটি জিনিস ওজন মতো (যথাযথ পরিমাণে)।
জহুরুল হক
১৯ আর পৃথিবী - - আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।
Word by word
١٩ وَٱلْأَرْضَ مَدَدْنَٰهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَٰسِىَ وَأَنۢبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَىْءٍ مَّوْزُونٍ
সমকালীন বাংলা
২০ এবং উহাতে জীবিকার ব্যবস্থা করিয়াছি তোমাদের জন্য, আর তোমরা যাহাদের জীবিকাদাতা নও তাহাদের জন্যও।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তাতে ব্যবস্থা করে দিয়েছি তোমাদের জীবিকার, এবং তাদের জীবিকারও যাদের জীবিকাদাতা তোমরা নও।
জহুরুল হক
২০ আর তোমাদের জন্য তাতে সৃষ্টি করেছি খাদ্যবস্তু, আর তোমরা যাদের জীবিকাদাতা নও তাদের জন্যেও।
Word by word
٢٠ وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَٰيِشَ وَمَن لَّسْتُمْ لَهُۥ بِرَٰزِقِينَ
সমকালীন বাংলা
২১ আমারই নিকট আছে প্রত্যেক বস্তুর ভাণ্ডার এবং আমি উহা পরিজ্ঞাত পরিমাণেই সরবরাহ করিয়া থাকি।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ এমন কোনো জিনিস নেই, আমাদের কাছে যার ভান্ডার রক্ষিত নেই। আমরা তা নাযিল করি জ্ঞাত নির্দিষ্ট পরিমাণে।
জহুরুল হক
২১ আর এমন কোনো - কিছু নেই যার ভান্ডার আমাদের কাছে নয়, আর আমরা তা পাঠাই না নির্ধারিত পরিমাপে ছাড়া।
Word by word
٢١ وَإِن مِّن شَىْءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَآئِنُهُۥ وَمَا نُنَزِّلُهُۥٓ إِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُومٍ
সমকালীন বাংলা
২২ আমি বৃষ্টি - গর্ভ বায়ু প্রেরণ করি, অতঃপর আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করি এবং উহা তোমাদেরকে পান করিতে দেই; আর তোমরা উহার ভাণ্ডার রক্ষক নও।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আর আমরা বর্ষণমুখী মেঘবাহী বাতাস পাঠাই, তারপর আসমান থেকে নাযিল করি পানি এবং তা তোমাদের পান করাই, অথচ তোমরা তো সেই (পানি) ভান্ডারের মালিক নও।
জহুরুল হক
২২ আর আমরা উর্বরতা - সঞ্চারক বায়ু পাঠাই, তারপর আকাশ থেকে আমরা পানি পাঠাই, তখন তোমাদের তা পান করতে দিই, আর তোমরা তার কোষাধ্যক্ষ নও!
Word by word
٢٢ وَأَرْسَلْنَا ٱلرِّيَٰحَ لَوَٰقِحَ فَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَسْقَيْنَٰكُمُوهُ وَمَآ أَنتُمْ لَهُۥ بِخَٰزِنِينَ
সমকালীন বাংলা
২৩ আমিই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আমরাই হায়াত দেই এবং মউত ঘটাই এবং আমরাই ওয়ারিশ (মালিক)।
জহুরুল হক
২৩ আর নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই, আর আমরাই হচ্ছি উত্তরাধিকারী।
Word by word
٢٣ وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْىِۦ وَنُمِيتُ وَنَحْنُ ٱلْوَٰرِثُونَ
সমকালীন বাংলা
২৪ তোমাদের মধ্য হইতে পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে আমি তাহাদেরকে জানি এবং পরে যাহারা আসিবে তাহাদেরকেও জানি।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আমরা তোমাদের বিগতদের জানি এবং যারা আসবে তাদেরও জানি।
জহুরুল হক
২৪ আর আমরা নিশ্চয়ই জানি তোমাদের মধ্যের অগ্রগামীদের, আর আমরা অবশ্য জানি পশ্চাতে - পড়ে - থাকাদের।
Word by word
٢٤ وَلَقَدْ عَلِمْنَا ٱلْمُسْتَقْدِمِينَ مِنكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا ٱلْمُسْتَـْٔخِرِينَ
সমকালীন বাংলা
২৫ তোমার প্রতিপালকই উহাদেরকে সমবেত করিবেন; তিনি তো প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ নিশ্চয়ই তোমার প্রভু তাদের সবার হাশর করবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।
জহুরুল হক
২৫ আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি তাদেরকে একত্রে সমবেত করবেন। তিনি নিশ্চয়ই পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।
Word by word
٢٥ وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحْشُرُهُمْ إِنَّهُۥ حَكِيمٌ عَلِيمٌ
সমকালীন বাংলা
২৬ আমি তো মানুষ সৃষ্টি করিয়াছি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্ঠনা মৃত্তিকা হইতে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ আমরা সৃষ্টি করেছি মানুষকে গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।
জহুরুল হক
২৬ আর আমরা নিশ্চয়ই মানুষ সৃষ্টি করেছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।
Word by word
٢٦ وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِن صَلْصَٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
সমকালীন বাংলা
২৭ এবং ইহার পূর্বে সৃষ্টি করিয়াছি জিন অত্যুষ্ণ অগ্নি হইতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আর তাদের আগে আমরা জিনদের সৃষ্টি করেছি শিখাযুক্ত আগুন থেকে।
জহুরুল হক
২৭ আর আমরা এর আগে জিন সৃষ্টি করেছি প্রখর আগুন দিয়ে।
Word by word
٢٧ وَٱلْجَآنَّ خَلَقْنَٰهُ مِن قَبْلُ مِن نَّارِ ٱلسَّمُومِ
সমকালীন বাংলা
২৮ স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ফিরিশ্তাগণকে বলিলেন, ‘আমি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্ঠনা মৃত্তিকা হইতে মানুষ সৃষ্টি করিতেছি;
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ (স্মরণ করো,) যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।
জহুরুল হক
২৮ আর স্মরণ কর! তোমার প্রভু ফিরিশ্তাদের বললেন - - ''নিঃসন্দেহ আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।
Word by word
٢٨ وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَٰٓئِكَةِ إِنِّى خَٰلِقٌۢ بَشَرًا مِّن صَلْصَٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
সমকালীন বাংলা
২৯ ‘যখন আমি উহাকে সুঠাম করিব এবং উহাতে আমার পক্ষ হইতে রূহ্ সঞ্চার করিব তখন তোমরা উহার প্রতি সিজ্দাবনত হইও’,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ আমি যখন তাকে সুগঠিত করবো এবং আমার পক্ষ থেকে তাতে রূহ সঞ্চার করে দেবো, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় নুয়ে পড়বে।
জহুরুল হক
২৯ সুতরাং যখন আমি তাকে সুঠাম করব আর তাতে আমার রূহ্ ফুকঁবো তখন তার প্রতি তোমরা পড় সিজদাবনত হয়ে।’’
Word by word
٢٩ فَإِذَا سَوَّيْتُهُۥ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِى فَقَعُوا۟ لَهُۥ سَٰجِدِينَ
সমকালীন বাংলা
৩০ তখন ফিরিশ্তাগণ সকলেই একত্রে সিজ্দা করিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ ফলে ফেরেশতারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে সাজদা করে।
জহুরুল হক
৩০ তখন ফিরিশ্তারা সিজদা করলে, তাদের সবাই সববেত - ভাবে, - -
Word by word
٣٠ فَسَجَدَ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ
সমকালীন বাংলা
৩১ ইবলীস ব্যতীত, সে সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইতে অস্বীকার করিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তবে করেনি শুধু ইবলিস। সে সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হতে অস্বীকার করে।
জহুরুল হক
৩১ ইবলিস ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করল।
Word by word
٣١ إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰٓ أَن يَكُونَ مَعَ ٱلسَّٰجِدِينَ
সমকালীন বাংলা
৩২ আল্লাহ হে ইবলিস তোমার কি হল যে, তুমি সিজদাকারীদের অন্তভ্র্ক্তূ হইলে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলিস! তোর কী হয়েছে, তুই কেন সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হইস্নি?’
জহুরুল হক
৩২ তিনি বললেন - - ''হে ইবলিস! তোমার কি হয়েছে যে তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না?’’
Word by word
٣٢ قَالَ يَٰٓإِبْلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ ٱلسَّٰجِدِينَ
সমকালীন বাংলা
৩৩ সে বলিল, ‘আপনি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠনঠনা মৃত্তিকা হইতে যে মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন আমি তাহাকে সিজ্দা করিবার নহি।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ সে বললো: ‘‘আমি তো এমন একজনকে সাজদা করতে পারিনা, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।’
জহুরুল হক
৩৩ সে বললে - - ''আমি তেমন নই যে আমি সিজদা করব একজন মানুষকে যাকে তুমি সৃষ্টি করেছ আওয়াজদায়ক মাটি থেকে - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।’’
Word by word
٣٣ قَالَ لَمْ أَكُن لِّأَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهُۥ مِن صَلْصَٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
সমকালীন বাংলা
৩৪ তিনি বলিলেন, ‘তবে তুমি এখান হইতে বাহির হইয়া যাও, কারণ তুমি তো অভিশপ্ত;
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ তিনি বললেন: ‘‘তুই ওখান থেকে বেরিয়ে যা, কারণ তুই অভিশপ্ত।
জহুরুল হক
৩৪ তিনি বললেন - - ''তাহলে বেরিয়ে যাও এখান থেকে, কেননা নিঃসন্দেহ তুমি বিতাড়িত,
Word by word
٣٤ قَالَ فَٱخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ
সমকালীন বাংলা
৩৫ ‘এবং কর্মফল দিবস পর্যন্ত অবশ্যই তোমার প্রতি রহিল লা‘নত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ প্রতিদান দিবস পর্যন্ত বর্ষিত হবে তোর উপর লা’নত।’’
জহুরুল হক
৩৫ ''আর নিশ্চয় তোমার উপরে থাকবে অসন্তষ্টি শেষবিচারের দিন পর্যন্ত।’’
Word by word
٣٥ وَإِنَّ عَلَيْكَ ٱللَّعْنَةَ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلدِّينِ
সমকালীন বাংলা
৩৬ সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে অবকাশ দিন পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।’
জহুরুল হক
৩৬ সে বললে - - ''আমার প্রভু! তবে আমাকে অবকাশ দাও সেই দিন পর্যন্ত যখন তাদের পুনরুত্থিত করা হবে!’’
Word by word
٣٦ قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ
সমকালীন বাংলা
৩৭ তিনি বলিলেন, ‘যাহাদেরকে অবকাশ দেওয়া হইয়াছে তুমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইলে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তিনি বললেন: ‘‘যা, তুই তাদের অন্তরভুক্ত যাদের অবকাশ দেয়া হয়েছে।
জহুরুল হক
৩৭ তিনি বললেন - - ''তবে তুমি নিশ্চয়ই অবকাশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার - -
Word by word
٣٧ قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلْمُنظَرِينَ
সমকালীন বাংলা
৩৮ ‘অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ অবধারিত সময়টির (কিয়ামত) আগমন পর্যন্ত।’’
জহুরুল হক
৩৮ নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত।’’
Word by word
٣٨ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْوَقْتِ ٱلْمَعْلُومِ
সমকালীন বাংলা
৩৯ সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করিলেন তজ্জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করিয়া তুলিব এবং আমি উহাদের সকলকেই বিপথগামী করিব,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ সে বললো: ‘‘প্রভু! যেহেতু আপনি আমাকে বিপথগামী করেছেন, সে জন্যে আমি পৃথিবীতে তাদের (মানুষের) জন্যে বিপথগামিতাকে চাকচিক্যময় করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়বো।
জহুরুল হক
৩৯ সে বললে - - ''আমার প্রভু! তুমি যেমনি আমাকে বিপথে যেতে দিয়েছ, আমিও তেমনি নিশ্চয়ই তাদের নিকট চিত্তাকর্ষক করব এই পৃথিবীতে, আর অবশ্যই তাদের একসাথে বিপথগামী করব - -
Word by word
٣٩ قَالَ رَبِّ بِمَآ أَغْوَيْتَنِى لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
সমকালীন বাংলা
৪০ ‘তবে উহাদের মধ্যে আপনার নির্বাচিত বান্দাগণ ব্যতীত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তবে তাদের মধ্যকার আপনার মুখলেস বান্দাদের কথা ভিন্ন।’’
জহুরুল হক
৪০ তাদের মধ্যে তোমার খাস বান্দাদের ব্যতীত।’’
Word by word
٤٠ إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ ٱلْمُخْلَصِينَ
সমকালীন বাংলা
৪১ আল্লাহ বলিলেন ইহাই আমার নিকট পৌছাবার সরল পথ।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ আল্লাহ্ বললেন: ‘‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সঠিক পথ।
জহুরুল হক
৪১ তিনি বললেন - - ''এটিই হচ্ছে আমার দিকে সহজ - সঠিক পথ।
Word by word
٤١ قَالَ هَٰذَا صِرَٰطٌ عَلَىَّ مُسْتَقِيمٌ
সমকালীন বাংলা
৪২ ‘বিভ্রান্তদের মধ্যে যাহারা তোমার অনুসরণ করিবে তাহারা ব্যতীত আমার বান্দাদের উপর তোমার কোনই ক্ষমতা থাকিবে না;
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ আমার দাসদের উপর তোর কোনো কর্তৃত্ব খাটবেনা, তবে বিভ্রান্তদের যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের কথা ভিন্ন।
জহুরুল হক
৪২ ''নিঃসন্দেহ আমার দাসদের সন্বন্ধে - - তাদের উপরে তোমার কোনো আধিপত্য নেই, বিপথগামীদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে তাদের ব্যতীত।
Word by word
٤٢ إِنَّ عِبَادِى لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَٰنٌ إِلَّا مَنِ ٱتَّبَعَكَ مِنَ ٱلْغَاوِينَ
সমকালীন বাংলা
৪৩ ‘অবশ্যই জাহান্নাম তাহাদের সকলেরই প্রতিশ্রুতি স্থান,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ অবশ্যি তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান হলো জাহান্নাম।
জহুরুল হক
৪৩ ''আর নিঃসন্দেহ জাহান্নাম হচ্ছে তাদের সকলের জন্য প্রতিশ্রুত স্থান - -
Word by word
٤٣ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ
সমকালীন বাংলা
৪৪ ‘উহার সাতটি দরজা আছে, প্রত্যেক দরজার জন্য পৃথক পৃথক শ্রেণী আছে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তার আছে সাতটি দরজা, প্রত্যেক দরজার জন্যে তাদের একটি অংশ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
জহুরুল হক
৪৪ ''তার সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক প্রবেশপথের জন্য রয়েছে তাদের মধ্যের পৃথক পৃথক দল।’’
Word by word
٤٤ لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَٰبٍ لِّكُلِّ بَابٍ مِّنْهُمْ جُزْءٌ مَّقْسُومٌ
সমকালীন বাংলা
৪৫ মুত্তাকীরা থাকিবে জান্নাতে ও প্রস্রবণসমূহের মধ্যে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ অবশ্যি মুত্তাকিরা থাকবে উদ্যানসমূহ এবং ঝরণাধারা সমূহের মধ্যে।
জহুরুল হক
৪৫ নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা থাকবে স্বর্গোদ্যানে ও ঝরনারাজির মধ্যে।
Word by word
٤٥ إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّٰتٍ وَعُيُونٍ
সমকালীন বাংলা
৪৬ তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে উহাতে প্রবেশ কর।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের বলা হবে: ‘দাখিল হও শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে।’
জহুরুল হক
৪৬ ''তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তিতে ও নিরাপত্তায়।’’
Word by word
٤٦ ٱدْخُلُوهَا بِسَلَٰمٍ ءَامِنِينَ
সমকালীন বাংলা
৪৭ আমি তাহাদের অন্তর হইতে বিদ্বেষ দূর করিব; তাহারা ভ্রাতৃভাবে পরস্পর মুখোমুখি হইয়া আসনে অবস্থান করিবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ তাদের অন্তরে পরস্পরের জন্যে কোনো বিদ্বেষ থাকলে তা আমরা দূর করে দেবো, তারা পরস্পর মুখোমুখি হয়ে আসন গ্রহণ করবে ভাই ভাই হিসেবে।
জহুরুল হক
৪৭ আর আমরা বের করে দেব তাদের অন্তরে যা - কিছু হিংসা - বিদ্বেষ রয়েছিল, ফলে তারা ভাইদের মতো থাকবে আসনের উপরে মুখোমুখি হয়ে।
Word by word
٤٧ وَنَزَعْنَا مَا فِى صُدُورِهِم مِّنْ غِلٍّ إِخْوَٰنًا عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَٰبِلِينَ
সমকালীন বাংলা
৪৮ সেখানে তাহাদেরকে অবসাদ স্পর্শ করিবে না এবং তাহারা সেই স্থান হইতে বহিষ্কৃতও হইবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ সেখানে তাদের স্পর্শ করবেনা কোনো অবসাদ এবং সেখান থেকে তাদের বের করেও দেয়া হবেনা।
জহুরুল হক
৪৮ সেখানে তাদের স্পর্শ করবে না কোনো অবসাদ, আর তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃত হবে না।
Word by word
٤٨ لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُم مِّنْهَا بِمُخْرَجِينَ
সমকালীন বাংলা
৪৯ আমার বান্দাদেরকে বলিয়া দাও যে, আমি তো পরম ক্ষমাশীল, পপরম দয়ালু,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমার দাসদের সংবাদ দাও, নিশ্চয়ই আমি মহাক্ষমাশীল, মহাদয়াময়।
জহুরুল হক
৪৯ আমার বান্দাদের খবর দাও যে আমিই তো নিশ্চয়ই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা,
Word by word
٤٩ نَبِّئْ عِبَادِىٓ أَنِّىٓ أَنَا ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ
সমকালীন বাংলা
৫০ এবং আমার শাস্তি - উহা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি!
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আর আমার আযাব, তাও বেদনাদায়ক আযাব।
জহুরুল হক
৫০ আর আমার শাস্তি, - - তা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি।
Word by word
٥٠ وَأَنَّ عَذَابِى هُوَ ٱلْعَذَابُ ٱلْأَلِيمُ
সমকালীন বাংলা
৫১ আর উহাদেরকে বল, ইব্রাহীমের অতিথিদের কথা,
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ তাদের আরো সংবাদ দাও ইবরাহিমের মেহমানদের সম্পর্কে।
জহুরুল হক
৫১ আর তাদের খবর দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের সন্বন্ধে।’’
Word by word
٥١ وَنَبِّئْهُمْ عَن ضَيْفِ إِبْرَٰهِيمَ
সমকালীন বাংলা
৫২ যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’, তখন সে বলিয়াছিল, ‘আমরা তো তোমাদের আগমনে আতঙ্কিত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যখন তার কাছে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘আমরা আপনাদের আগমনে আতংকিত।’
জহুরুল হক
৫২ যখন তারা তাঁর কাছে হাজির হল তখন তারা বললে - - ''সালাম’’। তিনি বললেন - - ''আমরা অবশ্য তোমাদের সন্বন্ধে ভয় করছি।’’
Word by word
٥٢ إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَقَالُوا۟ سَلَٰمًا قَالَ إِنَّا مِنكُمْ وَجِلُونَ
সমকালীন বাংলা
৫৩ উহারা বলিল, ‘ভয় করিও না, আমরা তো তোমাকে এক জ্ঞানী পুত্রের শুভ সংবাদ দিতেছি।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ তখন তারা বলেছিল: ‘আপনি আতংকিত হবেন না, আমরা আপনাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানী পুত্রের।’
জহুরুল হক
৫৩ তারা বললেন - - ''ভয় করো না, নিঃসন্দেহ আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানবান ছেলের সন্বন্ধে।’’
Word by word
٥٣ قَالُوا۟ لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَٰمٍ عَلِيمٍ
সমকালীন বাংলা
৫৪ সে বলিল, ‘তোমরা কি আমাকে শুভ সংবাদ দিতেছ আমি বার্ধক্যগ্রস্তহওয়া সত্ত্বেও? তোমরা কী বিষয়ে শুভ সংবাদ দিতেছ?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ সে বলেছিল: ‘আপনারা আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন আমি বার্ধক্যে উপনীত হওয়া সত্ত্বেও। আপনারা কীভাবে সুসংবাদ দিচ্ছেন?’
জহুরুল হক
৫৪ তিনি বললেন - - ''তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? তবে কিসের তোমরা সুসংবাদ দিচ্ছ?
Word by word
٥٤ قَالَ أَبَشَّرْتُمُونِى عَلَىٰٓ أَن مَّسَّنِىَ ٱلْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ
সমকালীন বাংলা
৫৫ উহারা বলিল, ‘আমরা তোমাকে সত্য সংবাদ দিতেছি; সুতরাং তুমি হতাশ হইও না।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তারা বলেছিল: ‘আমাদের দেয়া সুসংবাদ সত্য। আপনি নিরাশ হবেন না।’
জহুরুল হক
৫৫ তারা বললে - - ''আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি সত্যের সাথে, সুতরাং তুমি হতাশদের মধ্যেকার হয়ো না।’’
Word by word
٥٥ قَالُوا۟ بَشَّرْنَٰكَ بِٱلْحَقِّ فَلَا تَكُن مِّنَ ٱلْقَٰنِطِينَ
সমকালীন বাংলা
৫৬ সে বলিল, ‘যাহারা পথভ্রষ্ট তাহারা ব্যতীত আর কে তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ হইতে হতাশ হয়?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে বলেছিল: ‘বিভ্রান্তরা ছাড়া কে নিরাশ হয় তার প্রভুর রহমত থেকে?’
জহুরুল হক
৫৬ তিনি বললেন - - ''আর কে হতাশ হয় তার প্রভুর করুণা থেকে পথভ্রষ্টরা ব্যতীত?’’
Word by word
٥٦ قَالَ وَمَن يَقْنَطُ مِن رَّحْمَةِ رَبِّهِۦٓ إِلَّا ٱلضَّآلُّونَ
সমকালীন বাংলা
৫৭ সে বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের আর বিশেষ কি কাজ আছে?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ তারপর সে বললো: ‘(হে ফেরেশতারা!) আপনাদের আর কী বক্তব্য?’
জহুরুল হক
৫৭ তিনি বললেন - - ''তবে কি তোমাদের কাজ রয়েছে, হে প্রেরিতগণ?’’
Word by word
٥٧ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا ٱلْمُرْسَلُونَ
সমকালীন বাংলা
৫৮ উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হইয়াছে -
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ তারা বললো: ‘‘আমরা প্রেরিত হয়েছি এক অপরাধী কওমের প্রতি,
জহুরুল হক
৫৮ তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই প্রেরিত হয়েছি একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি,
Word by word
٥٨ قَالُوٓا۟ إِنَّآ أُرْسِلْنَآ إِلَىٰ قَوْمٍ مُّجْرِمِينَ
সমকালীন বাংলা
৫৯ ‘তবে লূতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা অবশ্যই ইহাদের সকলকে রক্ষা করিব,
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ তবে, লুতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা তাদের সবাইকে নাজাত দেবো।
জহুরুল হক
৫৯ ''লুতের অনুবর্তীরা ব্যতীত। নিঃসন্দেহ তাঁদের সবাইকে আমরা অবশ্যই উদ্ধার করব - -
Word by word
٥٩ إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ
সমকালীন বাংলা
৬০ ‘কিন্তু তাহার স্ত্রীকে নহে; আমরা স্থির করিয়াছি যে, সে অবশ্যই পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ কিন্তু তাঁর (লুতের) স্ত্রীকে নয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সে ধবংস হবার জন্যে পেছনে পড়ে থাকাদের অন্তরভুক্ত হবে।’’
জহুরুল হক
৬০ তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। আমরা সঠিক জেনেছি যে সে তো নিশ্চয়ই পেছনে - পড়েথাকাদের মধ্যেকার।’’
Word by word
٦٠ إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ قَدَّرْنَآ إِنَّهَا لَمِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ
সমকালীন বাংলা
৬১ ফিরিশ্তাগণ যখন লূত - পরিবারের নিকট আসিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ অত:পর ফেরেশতারা যখন লুত পরিবারে এসে উপস্থিত হলো।
জহুরুল হক
৬১ তারপর যখন বাণীবাহকরা লূত - এর পরিজনের কাছে এল,
Word by word
٦١ فَلَمَّا جَآءَ ءَالَ لُوطٍ ٱلْمُرْسَلُونَ
সমকালীন বাংলা
৬২ তখন লূত বলিল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ সে (লুত) বললো: ‘আপনাদের তো চিনতে পারছিনা?’
জহুরুল হক
৬২ তিনি বললেন - - ''তোমরা তো অপরিচিত লোক।’’
Word by word
٦٢ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌ مُّنكَرُونَ
সমকালীন বাংলা
৬৩ তাহারা বলিল, ‘না, উহারা যে বিষয়ে সন্দিগ্ধ ছিল আমরা তোমার নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি;
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ তারা বললো: ‘‘তারা (আপনার জাতি) যে বিষয়ে সন্দেহ করছে আমরা আপনার কাছে তাই নিয়ে এসেছি।
জহুরুল হক
৬৩ তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছি তাই নিয়ে যে - সন্বন্ধে তারা তর্ক - বিতর্ক করত।
Word by word
٦٣ قَالُوا۟ بَلْ جِئْنَٰكَ بِمَا كَانُوا۟ فِيهِ يَمْتَرُونَ
সমকালীন বাংলা
৬৪ ‘আমরা তোমার নিকট সত্য সংবাদ লইয়া আসিয়াছি এবং অবশ্যই আমরা সত্যবাদী;
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ আমরা সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।
জহুরুল হক
৬৪ ''আর আমরা তোমার কাছে নিয়ে এসেছি সত্যবার্তা, আর আমরা নিঃসন্দেহ সত্যবাদী।
Word by word
٦٤ وَأَتَيْنَٰكَ بِٱلْحَقِّ وَإِنَّا لَصَٰدِقُونَ
সমকালীন বাংলা
৬৫ ‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বাহির হইয়া পড় এবং তুমি তাহাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যাইতে বলা হইতেছে তোমরা সেখানে চলিয়া যাও।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক সময় আপনার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন। আপনি তাদের পেছনে চলুন এবং আপনাদের কেউই যেনো পেছনে ফিরে না তাকায়। আপনাদেরকে যেখানে বলা হয়েছে সেখানে চলে যান।’’
জহুরুল হক
৬৫ ''সুতরাং তোমার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের এক অংশে, আর তুমি তাদের পেছন থেকে অনুসরণ কর, আর তোমাদের মধ্যের কেউ যেন পিছন দিকে না দেখে, আর চলে যাও যেখানে তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।’’
Word by word
٦٥ فَأَسْرِ بِأَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِّنَ ٱلَّيْلِ وَٱتَّبِعْ أَدْبَٰرَهُمْ وَلَا يَلْتَفِتْ مِنكُمْ أَحَدٌ وَٱمْضُوا۟ حَيْثُ تُؤْمَرُونَ
সমকালীন বাংলা
৬৬ আমি তাহাকে এই বিষয়ে ফায়সালা জানাইয়া দিলাম যে, প্রত্যূষে উহাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হইবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ আমরা তাকে ফায়সালা জানিয়ে দিলাম যে, প্রভাতেই তাদের শিকড় কেটে দেয়া হবে (সমূলে বিনাশ করা হবে)।
জহুরুল হক
৬৬ আর তাঁর কাছে আমরা জানিয়ে দিলাম এই নির্দেশ যে এদের শেষটুকুও কেটে দেওয়া হবে ভোরে জেগে ওঠার বেলায়।
Word by word
٦٦ وَقَضَيْنَآ إِلَيْهِ ذَٰلِكَ ٱلْأَمْرَ أَنَّ دَابِرَ هَٰٓؤُلَآءِ مَقْطُوعٌ مُّصْبِحِينَ
সমকালীন বাংলা
৬৭ নগরবাসিগন উল্লাসিত হইয়া উপস্থিত হইল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ নগরবাসীরা (মেহমান আগমনের সংবাদে) উল্লসিত হয়ে (লুতের বাড়িতে) এসে উপস্থিত হয়।
জহুরুল হক
৬৭ আর শহরের লোকেরা এল উৎফুল্ল হয়ে।
Word by word
٦٧ وَجَآءَ أَهْلُ ٱلْمَدِينَةِ يَسْتَبْشِرُونَ
সমকালীন বাংলা
৬৮ সে বলিল, ‘উহারা আমার অতিথি; সুতরাং তোমরা আমাকে বেইয্যত করিও না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ সে বললো: ‘‘এরা আমার মেহমান, তোমরা আমাকে বেইজ্জতি করোনা।
জহুরুল হক
৬৮ তিনি বললেন - - ''এরা নিশ্চয়ই আমার অতিথি, সুতরাং আমাকে বেইজ্জত করো না।
Word by word
٦٨ قَالَ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ ضَيْفِى فَلَا تَفْضَحُونِ
সমকালীন বাংলা
৬৯ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে হেয় করিও না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আমাকে অপমানিত করোনা।’’
জহুরুল হক
৬৯ ''আর আল্লাহ্ কে ভয়শ্রদ্ধা কর, আর আমাকে লজ্জা দিয়ো না!’’
Word by word
٦٩ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَلَا تُخْزُونِ
সমকালীন বাংলা
৭০ উহারা বলিল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ তারা বললো: আমরা কি জগতবাসীকে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?
জহুরুল হক
৭০ তারা বললে - - ''আমরা কি তোমাকে নিষেধ করি নি জগদ্বাসীদের সম্পর্কে?’’
Word by word
٧٠ قَالُوٓا۟ أَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ ٱلْعَٰلَمِينَ
সমকালীন বাংলা
৭১ লূত বলিল, ‘একান্তই যদি তোমরা কিছু করিতে চাও তবে আমার এই কন্যাগণ রহিয়াছে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ লুত বললো: এই যে আমার (জাতির) কন্যারা রয়েছে, তোমরা কিছু করতে চাইলে তাদের বিয়ে করে নাও।
জহুরুল হক
৭১ তিনি বললেন - - ''এরা আমার কন্যা, যদি তোমরা করতে চাও!’’
Word by word
٧١ قَالَ هَٰٓؤُلَآءِ بَنَاتِىٓ إِن كُنتُمْ فَٰعِلِينَ
সমকালীন বাংলা
৭২ তোমার জীবনের শপথ, উহারা তো মত্ততায় বিমূঢ় হইয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ তোমার জীবনের শপথ, তারা তখন উন্মত্ততায় উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।
জহুরুল হক
৭২ তোমার জীবনের কসম! তারা নিঃসন্দেহ তাদের মত্ততায় অন্ধভাবে ঘুরছিল।
Word by word
٧٢ لَعَمْرُكَ إِنَّهُمْ لَفِى سَكْرَتِهِمْ يَعْمَهُونَ
সমকালীন বাংলা
৭৩ অতঃপর সূর্যোদয়ের সময়ে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল;
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ তারপর সূর্যোদয়ের সময় তাদের পাকড়াও করে বিকটধ্বনি।
জহুরুল হক
৭৩ কাজেই এক মহাধ্বনি তাদের পাকড়াও করল সূর্যোদয়কালে।
Word by word
٧٣ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّيْحَةُ مُشْرِقِينَ
সমকালীন বাংলা
৭৪ আর আমি জনপদকে উল্টাইয়া উপর নীচ করিয়া দিলাম এবং উহাদের উপর প্রস্তর - কংকর বর্ষণ করিলাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ তখন আমরা (লুত জাতির) জনপদের উপরের দিক নিচে করে উল্টে দিয়েছি এবং তাদের উপর অবিরাম বর্ষণ করেছি পাথরের কংকর।
জহুরুল হক
৭৪ কাজেকাজেই এর উপরভাগ আমরা বানিয়ে দিলাম এর নিচের ভাগ, আর তাদের উপরে বর্ষণ করলাম পোড়া - মাটির পাথর।
Word by word
٧٤ فَجَعَلْنَا عَٰلِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ
সমকালীন বাংলা
৭৫ অবশ্যই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছে পর্যবেক্ষণ - শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ বিশ্লেষণ শক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।
জহুরুল হক
৭৫ নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদের্শনাবলী রয়েছে।
Word by word
٧٥ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّلْمُتَوَسِّمِينَ
সমকালীন বাংলা
৭৬ উহা তো লোক চলাচলের পথিপার্শ্বে এখনও বিদ্যমান।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ সেই বিরান জনপদ লোক চলাচলের পথপাশে এখনো বিদ্যমান।
জহুরুল হক
৭৬ আর নিঃসন্দেহ এটি একটি সড়কের উপরে অবস্থিত।
Word by word
٧٦ وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٍ مُّقِيمٍ
সমকালীন বাংলা
৭৭ অবশ্যই ইহাতে মু’মিনদের জন্য রহিয়াছে নিদর্শন।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ মুমিনদের জন্যে তাতে রয়েছে এক নিদর্শন।
জহুরুল হক
৭৭ নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।
Word by word
٧٧ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ
সমকালীন বাংলা
৭৮ আর ‘আয়কা’বাসীরাও তো ছিল সীমালংঘনকারী,
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আর আইকাবাসীরাও ছিলো সীমালংঘনকারী।
জহুরুল হক
৭৮ আর আসহাবুল আইকাহ্ অবশ্যই ছিল অন্যায়াচারী।
Word by word
٧٨ وَإِن كَانَ أَصْحَٰبُ ٱلْأَيْكَةِ لَظَٰلِمِينَ
সমকালীন বাংলা
৭৯ সুতরাং আমি উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি, অবশ্য উভয়টিই প্রকাশ্য পথিপার্শ্বে অবস্থিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ তাদের থেকেও আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বিরানভূমিই প্রকাশ্য মহাসড়কের পাশে এখনো বিদ্যমান।
জহুরুল হক
৭৯ সেজন্য তাদের থেকে আমরা প্রতিফল আদায় করেছিলাম। তারা উভয়েই তো রয়েছে প্রকাশ্য রাজপথে।
Word by word
٧٩ فَٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُّبِينٍ
সমকালীন বাংলা
৮০ হিজ্রবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল;
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ হিজরবাসীরাও রসূলদের মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
জহুরুল হক
৮০ আর নিশ্চয় পাথুরে - পাহাড়ের বাসিন্দারাও রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Word by word
٨٠ وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَٰبُ ٱلْحِجْرِ ٱلْمُرْسَلِينَ
সমকালীন বাংলা
৮১ আমি উহাদেরকে আমার নিদর্শন দিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়াছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ আমরা তাদের দিয়েছিলাম আমাদের নিদর্শনসমূহ, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।
জহুরুল হক
৮১ আর তাদের আমরা আমাদের নির্দেশাবলী দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সে - সব থেকে ফিরে গিয়েছিল।
Word by word
٨١ وَءَاتَيْنَٰهُمْ ءَايَٰتِنَا فَكَانُوا۟ عَنْهَا مُعْرِضِينَ
সমকালীন বাংলা
৮২ উহারা পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিত নিরাপদ বাসের জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ তারা পাহাড় কেটে বাসস্থান নির্মাণ করেছিল নিরাপদ থাকার জন্যে।
জহুরুল হক
৮২ আর তারা পাহাড় কেটে নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়িঘর তৈরি করত।
Word by word
٨٢ وَكَانُوا۟ يَنْحِتُونَ مِنَ ٱلْجِبَالِ بُيُوتًا ءَامِنِينَ
সমকালীন বাংলা
৮৩ অতঃপর প্রভাতকালে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ তাদেরকেও প্রভাতকালেই আঘাত করেছিল এক মহাবিকট শব্দ।
জহুরুল হক
৮৩ কিন্তু প্রচন্ড আওয়াজ তাদের পাকড়াও করল সকালবেলায়।
Word by word
٨٣ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ
সমকালীন বাংলা
৮৪ সুতরাং উহারা যাহা অর্জন করিত তাহা উহাদের কোন কাজে আসে নাই।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।
জহুরুল হক
৮৪ কাজেই তারা যা অর্জন করত তা তাদের কোনো কাজে আসে নি।
Word by word
٨٤ فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ
সমকালীন বাংলা
৮৫ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি অযথা সৃষ্টি করি নাই এবং কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং তুমি পরম সৌজন্যের সঙ্গে উহাদেরকে ক্ষমা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ মহাকাশ আর পৃথিবী এবং এই দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আমরা সৃষ্টি করেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে। কিয়ামত অবশ্যি আসবে। তাই তুমি সুন্দর সৌজন্যবোধের সাথে তাদের উপেক্ষা করো।
জহুরুল হক
৮৫ আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা সৃষ্টি করি নি সত্যের সঙ্গে ব্যতীত। আর নিঃসন্দেহ ঘড়ি - ঘন্টা তো এসে পড়ল; সুতরাং উপেক্ষা করো মহৎ উপেক্ষাভরে।
Word by word
٨٥ وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَآ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَإِنَّ ٱلسَّاعَةَ لَءَاتِيَةٌ فَٱصْفَحِ ٱلصَّفْحَ ٱلْجَمِيلَ
সমকালীন বাংলা
৮৬ নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ নিশ্চয়ই তোমার রব মহাস্রষ্টা, অতীব জ্ঞানী।
জহুরুল হক
৮৬ নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞাতা।
Word by word
٨٦ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ ٱلْخَلَّٰقُ ٱلْعَلِيمُ
সমকালীন বাংলা
৮৭ আমি তো তোমাকে দিয়াছি সাত আয়াত যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত হয় এবং দিয়াছি মহান কুরআন।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ আমরা তোমাকে দিয়েছি পুন: পুন: আবৃত্ত সাত (আয়াত) এবং মহাগ্রন্থ আল - কুরআন।
জহুরুল হক
৮৭ আর নিশ্চয়ই তোমাকে আমরা দিয়েছি বারবার - পঠিত সাতটি, আর এক সুমহান কুরআন।
Word by word
٨٧ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَٰكَ سَبْعًا مِّنَ ٱلْمَثَانِى وَٱلْقُرْءَانَ ٱلْعَظِيمَ
সমকালীন বাংলা
৮৮ আমি তাহাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ - বিলাসের যে উপকরণ দিয়াছি, তাহার প্রতি তুমি কখনও তোমার চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করিও না। তাহাদের জন্য তুমি দুঃখ করিও না; তুমি মু’মিনদের জন্য তোমার পক্ষপুট অবনমিত কর,
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ আমরা তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ বিলাসের যেসব উপকরণ দিয়েছি, সেগুলোর প্রতি তুমি কখনো তোমার দুই চোখ মেলে তাকিয়োনা। তাদের জন্যে তুমি দুঃখও করোনা। তুমি মুমিনদের জন্যে তোমার দুই ডানা অবনমিত করে দাও।
জহুরুল হক
৮৮ তাদের মধ্যের কতক পরিবারকে যা ভোগবিলাসের বস্তু দিয়েছি তার প্রতি তোমার চোখ দিয়ো না, আর তাদের প্রতি তুমি ক্ষোভ করো না, বরং তোমার ডানা নামাও মুমিনদের জন্য।
Word by word
٨٨ لَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًا مِّنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَٱخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِينَ
সমকালীন বাংলা
৮৯ এবং বল, ‘আমি তো কেবল এক প্রকাশ্য সতর্ককারী।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ তুমি বলো: ‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’
জহুরুল হক
৮৯ আর বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি, আমি হচ্ছি একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী।’’
Word by word
٨٩ وَقُلْ إِنِّىٓ أَنَا ٱلنَّذِيرُ ٱلْمُبِينُ
সমকালীন বাংলা
৯০ যেভাবে আমি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম বিভক্তকারীদের উপর;
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ (এটা ঠিক সেরকম) যেভাবে আমরা নাযিল করেছিলাম সেইসব বিভক্তকারীদের (ইহুদি ও খৃস্টানদের) উপর,
জহুরুল হক
৯০ যেমন আমরা পাঠিয়েছিলাম বিভক্তদের প্রতি, - -
Word by word
٩٠ كَمَآ أَنزَلْنَا عَلَى ٱلْمُقْتَسِمِينَ
সমকালীন বাংলা
৯১ যাহারা কুরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করিয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ যারা তাদের কুরআনকে (তাওরাতকে) বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে।
জহুরুল হক
৯১ যারা কুরআনকে করে ছিন্নভিন্ন।
Word by word
٩١ ٱلَّذِينَ جَعَلُوا۟ ٱلْقُرْءَانَ عِضِينَ
সমকালীন বাংলা
৯২ সুতরাং শপথ তোমার প্রতিপালকের! আমি উহাদের সকলকে প্রশ্ন করিবই,
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ তোমার প্রভুর শপথ! আমরা অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো,
জহুরুল হক
৯২ সুতরাং, তোমার প্রভুর কসম! আমরা নিশ্চয়ই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব - -
Word by word
٩٢ فَوَرَبِّكَ لَنَسْـَٔلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
সমকালীন বাংলা
৯৩ সেই বিষয়ে, যাহা উহারা করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ তাদের কর্মকান্ডের বিষয়ে।
জহুরুল হক
৯৩ তারা যা করে চলেছিল সে - সন্বন্ধে।
Word by word
٩٣ عَمَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
সমকালীন বাংলা
৯৪ অতএব তুমি যে বিষয়ে আদিষ্ট হইয়াছ তাহা প্রকাশ্যে প্রচার কর এবং মুশরিকদেরকে উপেক্ষা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ তোমাকে যার আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।
জহুরুল হক
৯৪ কাজেই প্রকাশ্যে ঘোষণা করো যা তোমাকে আদেশ করা হয়েছে, আর বহুখোদাবাদীদের থেকে ফিরে থেকো।
Word by word
٩٤ فَٱصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ ٱلْمُشْرِكِينَ
সমকালীন বাংলা
৯৫ আমিই যথেষ্ট তোমার জন্য বিদ্রুপকারীদের বিরুদ্ধে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্যে আমরাই কাফী (যথেষ্ট),
জহুরুল হক
৯৫ আমরাই তো তোমার জন্য যথেষ্ট বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে - -
Word by word
٩٥ إِنَّا كَفَيْنَٰكَ ٱلْمُسْتَهْزِءِينَ
সমকালীন বাংলা
৯৬ যাহারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহকে নির্ধারন করিয়াছে। সুতরাং শিগ্ররই ইহারা জানিতে পারিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ যারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
জহুরুল হক
৯৬ যারা আল্লাহ্ র সাথে দাঁড় করায় অন্য উপাস্য, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।
Word by word
٩٦ ٱلَّذِينَ يَجْعَلُونَ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
সমকালীন বাংলা
৯৭ আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ আমরা জানি, তাদের কথায় তোমার মন সংকুচিত হয়ে আসে।
জহুরুল হক
৯৭ আর আমরা অবশ্য জানি যে তারা যা বলে তাতে তোমার বক্ষ আলবৎ পীড়িত হয়,
Word by word
٩٧ وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ
সমকালীন বাংলা
৯৮ সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ সুতরাং তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো এবং তুমি সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত।
জহুরুল হক
৯৮ সুতরাং তোমার প্রভুর প্রশংসা দ্বারা মহিমা কীর্তন করো, আর সিজদাকারীদের মধ্যেকার হও,
Word by word
٩٨ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ ٱلسَّٰجِدِينَ
সমকালীন বাংলা
৯৯ তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ এবং তোমার প্রভুর ইবাদত করো যতোক্ষণ না তোমার কাছে আসে নিশ্চিত জিনিসটি (মৃত্যু)।
জহুরুল হক
৯৯ আর তোমার প্রভুর উপাসনা কর যে পর্যন্ত না তোমার কাছে আসে যা সুনিশ্চিত।
Word by word
٩٩ وَٱعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّىٰ يَأْتِيَكَ ٱلْيَقِينُ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report