আল জীন (জীন সম্প্রদায়) , choose another chapter
আল জীন (জীন সম্প্রদায়)
Chapter 72, 28 verses
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক
Word by word
Add book
List
Grid
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহ র নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; বলো, আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, জিনদের একদল মনোযোগ দিয়ে শুনেছিল, অতঃপর তারা বলেছিল, “নিশ্চয়ই আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি,"
আবদুস শহীদ নাসিম
১ হে নবী! বলো: আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, একদল জিন মনোযোগ দিয়ে (কুরআন) শুনেছে। তারপর তারা (তাদের সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে: ‘‘আমরা শুনে এসেছি এক বিস্ময়কর কুরআন,
জহুরুল হক
১ বলো - - ''আমার কাছে প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে জিনদের একটি দল শুনেছিল, এবং বলেছিল - - 'আমরা নিশ্চয় এক আশ্চর্যজনক কুরআন শুনেছি,
Word by word
١ قُلْ أُوحِىَ إِلَىَّ أَنَّهُ ٱسْتَمَعَ نَفَرٌ مِّنَ ٱلْجِنِّ فَقَالُوٓا۟ إِنَّا سَمِعْنَا قُرْءَانًا عَجَبًا
সমকালীন বাংলা
২ যা সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে; ফলে আমরা এতে ঈমান এনেছি, এবং আমরা কখনোই আমাদের প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক করব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
২ সেটি হিদায়াত করে সঠিক পথের দিকে। তাই আমরা সেটির প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করবোনা।
জহুরুল হক
২ 'যা সুষ্ঠুপথের দিকে চালনা করে, তাই আমরা তাতে ঈমান এনেছি, আর আমরা কখনো আমাদের প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করব না,
Word by word
٢ يَهْدِىٓ إِلَى ٱلرُّشْدِ فَـَٔامَنَّا بِهِۦ وَلَن نُّشْرِكَ بِرَبِّنَآ أَحَدًا
সমকালীন বাংলা
৩ এবং আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা সমুন্নত; তিনি কোনো সঙ্গিনী গ্রহণ করেননি এবং কোনো সন্তানও গ্রহণ করেননি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ নিশ্চয়ই অনেক উঁচু আমাদের মহান প্রভুর মর্যাদা। তিনি না কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেছেন, না সন্তান।
জহুরুল হক
৩ 'আর তিনি, - - সুউন্নত হোক আমাদের প্রভুর মহিমা, - - তিনি কোনো সহচরী গ্রহণ করেন নি, আর না কোনো সন্তান,
Word by word
٣ وَأَنَّهُۥ تَعَٰلَىٰ جَدُّ رَبِّنَا مَا ٱتَّخَذَ صَٰحِبَةً وَلَا وَلَدًا
সমকালীন বাংলা
৪ এবং আমাদের মধ্যের নির্বোধেরা আল্লাহ সম্পর্কে সীমালঙ্ঘনমূলক কথা বলত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আমাদের নির্বোধরা তাঁর সম্পর্কে অবাস্তব কথাবার্তা বলতো।
জহুরুল হক
৪ 'আর এই যে আমাদের মধ্যের নির্বোধেরা আল্লাহ্ সন্বন্ধে অমূলক কথা বলত,
Word by word
٤ وَأَنَّهُۥ كَانَ يَقُولُ سَفِيهُنَا عَلَى ٱللَّهِ شَطَطًا
সমকালীন বাংলা
৫ আর আমরা ধারণা করেছিলাম যে মানুষ ও জিন কখনোই আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ আমরা মনে করতাম, মানুষ এবং জিন আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করেনা।
জহুরুল হক
৫ 'আর এই যে আমরা ভেবেছিলাম যে মানুষ ও জিন আল্লাহ্ সন্বন্ধে কখনো মিথ্যাকথা বলবে না’,
Word by word
٥ وَأَنَّا ظَنَنَّآ أَن لَّن تَقُولَ ٱلْإِنسُ وَٱلْجِنُّ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا
সমকালীন বাংলা
৬ এবং মানুষের মধ্য থেকে কিছু লোক কিছু জিনদের আশ্রয় চাইত; ফলে তারা মানুষের অবাধ্যতা বৃদ্ধি করত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক কিছু জিনের আশ্রয় গ্রহণ করতো। এটা জিনদের দাম্ভিকতা বাড়িয়ে দিতো।’’
জহুরুল হক
৬ ''আর এই যে মানুষের মধ্যের কিছু লোক জিনজাতির কিছু লোকের আশ্রয় নিত, ফলে ওরা তাদের পাপাচার বাড়িয়ে দিত,
Word by word
٦ وَأَنَّهُۥ كَانَ رِجَالٌ مِّنَ ٱلْإِنسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍ مِّنَ ٱلْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًا
সমকালীন বাংলা
৭ এবং তারা ধারণা করেছিল, যেমন তোমরা ধারণা করেছিলে, যে আল্লাহ কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ জিনেরা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে আরো বলেছিল: ‘‘তোমাদের মতো মানুষও মনে করতো, আল্লাহ কাউকেও পুনরুত্থিত করবেননা।
জহুরুল হক
৭ ''আর এই যে তারা ভেবেছিল যেমন তোমরা ভাবছো যে আল্লাহ্ কাউকেও পুনরুত্থিত করবেন না,
Word by word
٧ وَأَنَّهُمْ ظَنُّوا۟ كَمَا ظَنَنتُمْ أَن لَّن يَبْعَثَ ٱللَّهُ أَحَدًا
সমকালীন বাংলা
৮ এবং আমরা আকাশ অনুসন্ধান করেছিলাম; অতঃপর আমরা তা পেলাম কঠোর প্রহরা ও উল্কাপিণ্ডে পরিপূর্ণ।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ আমরা চেয়েছিলাম আকাশের খবর সংগ্রহ করতে, কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম সেখানে কঠোর প্রহরীতে ভরা, আরো দেখতে পেলাম ব্যাপক উল্কা পিন্ড।
জহুরুল হক
৮ ''আর 'আমরা আকাশে আড়ি পাততাম, কিন্ত আমরা তাকে দেখতে পেতাম কড়া প্রহরী ও অগ্নিশিখা দিয়ে ভরপূর,
Word by word
٨ وَأَنَّا لَمَسْنَا ٱلسَّمَآءَ فَوَجَدْنَٰهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِيدًا وَشُهُبًا
সমকালীন বাংলা
৯ এবং আমরা সেখানে শুনবার জন্য বিভিন্ন জায়গায় বসতাম; কিন্তু এখন যে শুনতে চায়, সে তার জন্য ওত পেতে থাকা উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ ইতোপূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে খবর সংগ্রহের জন্যে বসতাম। কিন্তু এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে নিক্ষেপের জন্যে প্রস্ত্তত উল্কাপিন্ডের সম্মুখীন হয়।
জহুরুল হক
৯ 'আর আমরা নিশ্চয় তার মধ্যের বসবার জায়গাগুলোয় বসে থাকতাম গুনবার জন্য, কিন্ত যে কেউ শুনতে চায় সে এখন দেখতে পায় তার জন্য রয়েছে অগ্নিশিখা অপেক্ষারত;
Word by word
٩ وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَٰعِدَ لِلسَّمْعِ فَمَن يَسْتَمِعِ ٱلْءَانَ يَجِدْ لَهُۥ شِهَابًا رَّصَدًا
সমকালীন বাংলা
১০ এবং আমরা জানি না, পৃথিবীতে যারা আছে তাদের জন্য অকল্যাণ ইচ্ছা করা হয়েছে, নাকি তাদের প্রতিপালক তাদের জন্য সঠিক পথ ইচ্ছা করেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ আমরা জানিনা, বিশ্ববাসীর মন্দই কি চাওয়া হচ্ছে, নাকি তাদের প্রভু তাদের সঠিক পথে আনতে চাইছেন?
জহুরুল হক
১০ 'আর আমরা অবশ্য জানি না - - পৃথিবীতে যারা রয়েছে তাদের জন্য অমঙ্গল কামনা করা হচ্ছে, না এ - সবের দ্বারা তাদের প্রভু সুষ্ঠুপথের দিশা চাইছেন;
Word by word
١٠ وَأَنَّا لَا نَدْرِىٓ أَشَرٌّ أُرِيدَ بِمَن فِى ٱلْأَرْضِ أَمْ أَرَادَ بِهِمْ رَبُّهُمْ رَشَدًا
সমকালীন বাংলা
১১ এবং আমাদের মধ্যে কেউ সৎ, অন্যেরা তা নয়; আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ আমাদের মধ্যে কিছু পুণ্যবানও আছে, কিছু আছে এর ব্যতিক্রমও। মূলত আমরা ছিলাম বহু পথের অনুসারী।
জহুরুল হক
১১ 'আর নিশ্চয় আমাদের কেউ - কেউ সৎপথাবলন্বী আর আমাদের অন্যেরা এর বিপরীত। আমরা বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভিন্ন পন্থী;
Word by word
١١ وَأَنَّا مِنَّا ٱلصَّٰلِحُونَ وَمِنَّا دُونَ ذَٰلِكَ كُنَّا طَرَآئِقَ قِدَدًا
সমকালীন বাংলা
১২ আমরা পৃথিবীতে কখনোই আল্লাহর নাগালের বাইরে যেতে পারবো না, এবং পালিয়েও তাঁকে এড়াতে পারবো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এখন আমরা বুঝতে পেরেছি, বিশ্বের বুকে আমরা আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবো না এবং তাঁকে আমরা ব্যর্থও করতে পারবোনা।
জহুরুল হক
১২ 'আর আমরা বুঝি যে আমরা দুনিয়াতে কখনো আল্লাহ্ কে পরাভূত করতে পারব না এবং পলায়নের দ্বারাও তাঁকে কখনও এড়াতে পারব না,
Word by word
١٢ وَأَنَّا ظَنَنَّآ أَن لَّن نُّعْجِزَ ٱللَّهَ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَن نُّعْجِزَهُۥ هَرَبًا
সমকালীন বাংলা
১৩ এবং যখন আমরা পথনির্দেশ শুনলাম, তখন আমরা তাতে ঈমান আনলাম; আর যে তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে, সে না কোনো ক্ষতির ভয় করবে, না কোনো অবিচারের।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ আমরা যখন হিদায়াতের বাণী শুনলাম, আমরা তাতে ঈমান আনলাম। যে কেউ তার প্রভুর প্রতি ঈমান আনবে তার কোনো ক্ষতি বা অন্যায়ের আশংকা থাকবেনা।
জহুরুল হক
১৩ 'আর আমরা যখন পথনির্দেশ শুনেছি আমরা তাতে বিশ্বাস করেছি। সুতরাং যে কেউ তার প্রভুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে তবে আশংকা করবে না কমে যাওয়ার অথবা লাঞ্ছনা পাবার,
Word by word
١٣ وَأَنَّا لَمَّا سَمِعْنَا ٱلْهُدَىٰٓ ءَامَنَّا بِهِۦ فَمَن يُؤْمِنۢ بِرَبِّهِۦ فَلَا يَخَافُ بَخْسًا وَلَا رَهَقًا
সমকালীন বাংলা
১৪ এবং আমাদের মধ্যে কেউ আত্মসমর্পণকারী, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
Noteএবং আমাদের মধ্যে কেউ মুসলিম, আর কেউ সত্যচ্যুত; অতঃপর যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে, তারাই সত্যপথ বেছে নিয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ আমাদের মধ্যে মুসলিমও আছে, সীমালংঘনকারীও আছে। যারা মুসলিম (আত্মসমর্পনকারী) হয়েছে তারা স্বাধীনভাবে সঠিক পথ বেছে নিয়েছে।
জহুরুল হক
১৪ ''আর আমাদের মধ্যের কেউ - কেউ অবশ্য মুসলিম আর আমাদের অন্যেরা সীমালংঘনকারী। সুতরাং যারা আত্মসমর্পণ করেছে তারাই তবে সুষ্ঠুপথের সন্ধান খোঁজেছে।
Word by word
١٤ وَأَنَّا مِنَّا ٱلْمُسْلِمُونَ وَمِنَّا ٱلْقَٰسِطُونَ فَمَنْ أَسْلَمَ فَأُو۟لَٰٓئِكَ تَحَرَّوْا۟ رَشَدًا
সমকালীন বাংলা
১৫ আর যারা সত্যচ্যুত, তারা জাহান্নামের জন্য জ্বালানি হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ কিন্তু সীমালংঘনকারীরা তো হবে জাহান্নামেরই জ্বালানি।’’
জহুরুল হক
১৫ 'আর সীমালংঘনকারীদের ক্ষেত্রে - - তারা তো জাহান্নামেরই ইন্ধন হয়েছে।’”
Word by word
١٥ وَأَمَّا ٱلْقَٰسِطُونَ فَكَانُوا۟ لِجَهَنَّمَ حَطَبًا
সমকালীন বাংলা
১৬ আর যদি তারা সেই পথে অবিচল থাকত, তবে অবশ্যই আমরা তাদেরকে প্রচুর পানি পান করাতাম,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ তারা যদি সত্য পথে কায়েম থাকতো, অবশ্যি আমরা প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করে তাদের সমৃদ্ধ করতাম।
জহুরুল হক
১৬ আর এই যে যদি তারা নির্দেশিত পথে কায়েম থাকত তবে আমরা অবশ্যই তাদের প্রচুর পানি দিয়ে সমৃদ্ধ করতাম;
Word by word
١٦ وَأَلَّوِ ٱسْتَقَٰمُوا۟ عَلَى ٱلطَّرِيقَةِ لَأَسْقَيْنَٰهُم مَّآءً غَدَقًا
সমকালীন বাংলা
১৭ যাতে আমরা তাদেরকে এর মাধ্যমে পরীক্ষা করি; আর যে তার প্রতিপালকের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে ক্রমবর্ধমান কঠিন শাস্তিতে প্রবেশ করাবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ তার মাধ্যমে আমরা তাদের পরীক্ষা করতাম। যে কেউ তার প্রভুর যিকির থেকে বিমুখ হবে, তিনি তাকে প্রবেশ করাবেন দুঃসহ আযাবে।
জহুরুল হক
১৭ যেন আমরা তাদের পরীক্ষা করতে পারি তার দ্বারা। আর যে কেউ তার প্রভুর স্মরণ থেকে ফিরে থাকে, তিনি তাকে ঢুকিয়ে দেবেন চিরবর্ধমান শাস্তিতে।
Word by word
١٧ لِّنَفْتِنَهُمْ فِيهِ وَمَن يُعْرِضْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِۦ يَسْلُكْهُ عَذَابًا صَعَدًا
সমকালীন বাংলা
১৮ এবং মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য; অতএব আল্লাহর সাথে কাউকে ডেকো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ মসজিদসমূহ আল্লাহর, সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকেও ডেকোনা।
জহুরুল হক
১৮ আর এই যে মসজিদগুলো হচ্ছে আল্লাহ্ র জন্য, সুতরাং তোমরা আল্লাহ্ র সঙ্গে আর কাউকেও ডেকো না।
Word by word
١٨ وَأَنَّ ٱلْمَسَٰجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدْعُوا۟ مَعَ ٱللَّهِ أَحَدًا
সমকালীন বাংলা
১৯ এবং যখন আল্লাহর বান্দা তাঁকে ডাকার জন্য দাঁড়িয়েছিল, তখন তারা তার চারপাশে প্রায় ভিড় করে ফেলেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আল্লাহর দাস (মুহাম্মদ) যখন তাঁকে ডাকার জন্যে (সালাতে) দাঁড়ায়, তখন তারা তার কাছে ভীড় জমায়।
জহুরুল হক
১৯ আর এই যে যখন আল্লাহ্ র বান্দা তাঁকে আহ্বান করতে দাঁড়িয়েছিলেন তখন তারা চেয়েছিল তাঁর চারিদিকে ভিড় করতে।
Word by word
١٩ وَأَنَّهُۥ لَمَّا قَامَ عَبْدُ ٱللَّهِ يَدْعُوهُ كَادُوا۟ يَكُونُونَ عَلَيْهِ لِبَدًا
সমকালীন বাংলা
২০ বলো, আমি কেবল আমার প্রতিপালককেই আহ্বান করি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ হে মুহাম্মদ! বলো: ‘নিশ্চয়ই আমি আমার প্রভুকে ডাকি তাঁর কাছেই দোয়া করি, কিন্তু তাঁর সাথে কাউকেও শরিক করিনা।’
জহুরুল হক
২০ বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি আমার প্রভুকেই ডাকি, আর আমি তাঁর সঙ্গে কাউকেও শরিক করি না।’’
Word by word
٢٠ قُلْ إِنَّمَآ أَدْعُوا۟ رَبِّى وَلَآ أُشْرِكُ بِهِۦٓ أَحَدًا
সমকালীন বাংলা
২১ বলো, আমি তোমাদের জন্য কোনো ক্ষতি বা সঠিক পথের মালিক নই।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ বলো: ‘আমি তোমাদের ক্ষতি বা লাভের মালিক নই।’
জহুরুল হক
২১ তুমি বলো - - ''আমি কোনো কর্তৃত্ব করি না তোমাদের উপরে আঘাত হানার অথবা উপকার করার।’’
Word by word
٢١ قُلْ إِنِّى لَآ أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا
সমকালীন বাংলা
২২ বলো, "নিশ্চয়ই আল্লাহ থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না, এবং আমি তাঁকে ছাড়া কোনো আশ্রয় পাব না।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ বলো: ‘‘আল্লাহর পাকড়াও থেকে কেউই আমাকে রক্ষা করতে পারবেনা এবং তাঁকে ছাড়া আমি কোনো আশ্রয়ও পাবোনা।
জহুরুল হক
২২ তুমি বলে যাও - - ''নিশ্চয়ই কেউ আমাকে কখনো রক্ষা করতে পারবে না আল্লাহ্ থেকে, আর তাঁকে বাদ দিয়ে আমি কখনো কোনো আশ্রয়ও পাব না, - -
Word by word
٢٢ قُلْ إِنِّى لَن يُجِيرَنِى مِنَ ٱللَّهِ أَحَدٌ وَلَنْ أَجِدَ مِن دُونِهِۦ مُلْتَحَدًا
সমকালীন বাংলা
২৩ কেবল আল্লাহর পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব।" যাহারা আল্লাহর ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আল্লাহর বার্তা পৌঁছে দেয়াই কেবল আমার দায়িত্ব।’’ যে কেউ আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অমান্য করবে, তার জন্যে জাহান্নামই অবধারিত, চিরদিন চিরকাল তারা পড়ে থাকবে সেখানেই।
জহুরুল হক
২৩ শুধু আল্লাহ্ থেকে পৌঁছে দেওয়া, আর তাঁর বাণীসমূহ।’’ আর যে আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের অবাধ্যতা করে, তার জন্য তবে নিশ্চয়ই রয়েছে জাহান্নামের আগুন, তাতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।
Word by word
٢٣ إِلَّا بَلَٰغًا مِّنَ ٱللَّهِ وَرِسَٰلَٰتِهِۦ وَمَن يَعْصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَإِنَّ لَهُۥ نَارَ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًا
সমকালীন বাংলা
২৪ যখন তারা তা দেখবে, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন তারা জানতে পারবে কার সাহায্যকারী দুর্বলতর এবং কার সংখ্যা কম।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা যখন প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখনই জানতে পারবে সাহায্যকারী হিসেবে কে দুর্বল আর কে সংখ্যায় নগণ্য?
জহুরুল হক
২৪ যে পর্যন্ত না তারা দেখতে পায় যা তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, তখন তারা সঙ্গে - সঙ্গে জানতে পারবে কে সাহায্যলাভের ক্ষেত্রে দুর্বলতর, আর সংখ্যার দিক দিয়ে অল্প।
Word by word
٢٤ حَتَّىٰٓ إِذَا رَأَوْا۟ مَا يُوعَدُونَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ أَضْعَفُ نَاصِرًا وَأَقَلُّ عَدَدًا
সমকালীন বাংলা
২৫ বলো, আমি জানি না নিকটবর্তী কি, তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা নিকটবর্তী কি না, অথবা আমার প্রতিপালক তার জন্য দীর্ঘ সময় নির্ধারণ করেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ হে নবী! বলো: ‘‘আমি জানিনা, তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা কি নিকটে নাকি আমার প্রভু সেটার জন্যে দীর্ঘ সময় নির্দিষ্ট করবেন।
জহুরুল হক
২৫ বলো - - ''আমি জানি না তোমাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে তা আসন্ন, না আমার প্রভু তার জন্য কোনো দীর্ঘমিয়াদ স্থির করবেন।’’
Word by word
٢٥ قُلْ إِنْ أَدْرِىٓ أَقَرِيبٌ مَّا تُوعَدُونَ أَمْ يَجْعَلُ لَهُۥ رَبِّىٓ أَمَدًا
সমকালীন বাংলা
২৬ তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী; অতএব তিনি তাঁর অদৃশ্য বিষয়ে কাউকে অবহিত করেন না,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ তিনিই আলেমুল গায়েব - গায়েব - এর জ্ঞানী। তাঁর গায়েবি জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করা হয়না।’’
জহুরুল হক
২৬ তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, তাই কারো কাছে তিনি তাঁর রহস্য প্রকাশ করেন না, - -
Word by word
٢٦ عَٰلِمُ ٱلْغَيْبِ فَلَا يُظْهِرُ عَلَىٰ غَيْبِهِۦٓ أَحَدًا
সমকালীন বাংলা
২৭ তবে কোনো রসূলকে ব্যতীত, যাকে তিনি মনোনীত করেন। তখন তিনি তার সামনে ও পেছনে প্রহরা নিয়োজিত করেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তবে তাঁর মনোনীত কোনো রসূলকেই তিনি তা অবহিত করেন। সেক্ষেত্রে ঐ রসূলের সামনে এবং পেছনে তিনি প্রহরী নিযুক্ত করেন,
জহুরুল হক
২৭ রসূলের মধ্যে যাঁকে তিনি মনোনয়ন করেছেন তাঁকে ব্যতীত, সেজন্য নিশ্চয় তিনি তাঁর সামনে ও তাঁর পেছনে প্রহরী নিয়োজিত করেন,
Word by word
٢٧ إِلَّا مَنِ ٱرْتَضَىٰ مِن رَّسُولٍ فَإِنَّهُۥ يَسْلُكُ مِنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِۦ رَصَدًا
সমকালীন বাংলা
২৮ যাতে তিনি জেনে নেন যে তারা তাদের প্রতিপালকের বার্তাসমূহ পৌঁছে দিয়েছে। আর তাদের কাছে যা আছে তা তিনি পরিবেষ্টন করে রেখেছেন, এবং তিনি সবকিছুকে সংখ্যায় গণনা করেছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ রসূলরা তাদের প্রভুর বার্তা পৌঁছে দিয়েছে কিনা তা জানার জন্যে। তাদের কাছে যা আছে তা তাঁর জ্ঞানের পরিবেষ্টনেই রয়েছে। তিনি গুণে গুণে হিসাব রাখেন সব কিছুর।
জহুরুল হক
২৮ যেন তিনি জানতে পারেন যে তাঁরা তাঁদের প্রভুর বাণীসমূহ পৌঁছে দিয়েছেন কি না, আর তিনি ঘিরে আছেন তাঁদের কাছের সব - কিছু, আর তিনি সব - কিছুর হিসাব রাখেন গোনে - গোনে।
Word by word
٢٨ لِّيَعْلَمَ أَن قَدْ أَبْلَغُوا۟ رِسَٰلَٰتِ رَبِّهِمْ وَأَحَاطَ بِمَا لَدَيْهِمْ وَأَحْصَىٰ كُلَّ شَىْءٍ عَدَدًۢا
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report