You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আত্ তাগাবুন (লাভ ক্ষতি)
Chapter 64, 18 verses
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রকৃত প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
আবদুস শহীদ নাসিম
মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তসবিহ্ করছে আল্লাহর। সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁরই, আর সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই এবং প্রতিটি বিষয়ে তিনি সর্বশক্তিমান।
জহুরুল হক
রই জপতপ করছে যা - কিছু আছে মহাকাশমন্ডলে ও যা - কিছু আছে পৃথিবীতে, তাঁরই হচ্ছে সার্বভৌমত্ব ও তাঁরই সকল প্রশংসা, আর তিনি সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।
সমকালীন বাংলা
তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ অস্বীকারকারী, আর কেউ । আর তোমরা যা করো, তা দেখছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন। তারপর তোমাদের মধ্যে হয়েছে কেউ আর কেউ হয়েছে । তোমরা যা করো তা আল্লাহর দৃষ্টিতেই রয়েছে।
জহুরুল হক
তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদের কেউ - কেউ অবিশ্বাসী ও তোমাদের কেউ - কেউ । আর তোমরা যা কর তার সম্যক দ্রষ্টা।
সমকালীন বাংলা
তিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীকে সত্যসহ সৃষ্টি করেছেন। তিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেছেন এবং তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন। আর তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন সত্য ও যথাযথভাবে। তিনিই তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন এবং তোমাদের আকৃতিকে সুন্দর করেছেন। তাঁরই কাছে হবে প্রত্যাবর্তন।
জহুরুল হক
তিনি মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে, আর তিনি তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, তারপর তোমাদের আকৃতিকে কত সুন্দর করেছেন! আর তাঁরই কাছে শেষ - প্রত্যাবর্তন।
সমকালীন বাংলা
তিনি জানেন আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যা আছে। আর তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো, তাও তিনি জানেন। আর অন্তরসমূহে যা আছে, সে সম্পর্কে সব জানেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তিনি জানেন। তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো তাও তিনি জানেন। আল্লাহ্ই অন্তরযামী।
জহুরুল হক
মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে যা - কিছু আছে তা তিনি জানেন, আর তিনি জানেন যা তোমরা লুকোও ও যা তোমরা প্রকাশ কর। আর অন্তরের ভেতরে যা আছে সে - সন্বন্ধেও তিনি সর্বজ্ঞাতা।
সমকালীন বাংলা
তোমাদের কাছে কি তাদের সংবাদ পৌঁছেনি, যারা পূর্বে অবিশ্বাস করেছিল? অতঃপর তারা তাদের কাজের পরিণতি আস্বাদন করেছিল, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
আবদুস শহীদ নাসিম
আগেকার কাফিরদের বার্তা কি তোমাদের কাছে পৌঁছেনি? তারা তাদের কর্মকান্ডের প্রতিফল ভোগ করেছে। তাছাড়াও তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
জহুরুল হক
তোমাদের কাছে কি তাদের সংবাদ পেছেনি যাঁরা ইতিপূর্বে অবিশ্বাস পোষণ করেছিল, তারপর তাদের কাজের শাস্তি আস্বাদন করেছিল? আর তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
সমকালীন বাংলা
তা এজন্য যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসত, কিন্তু তারা বলত, “মানুষই কি আমাদের পথনির্দেশ করবে?” অতঃপর তারা অবিশ্বাস করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। আর অমুখাপেক্ষী। আর অভাবমুক্ত, সর্বপ্রশংসিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ, তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। কিন্তু তারা বলেছিল: ‘আমাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দেবে কি একজন মানুষ!’ ফলে তারা কুফুরি করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু এতে আল্লাহর কিছুই আসে যায়না। প্রাচুর্যশীল সপ্রশংসিত।
জহুরুল হক
এটি এইজন্য যে তাদের কাছে তাদের রসুলগণ আসতেছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, কিন্ত তারা বলত - - ''মানুষই বুঝি আমাদের পথ দেখাবে?’’ সুতরাং তারা অবিশ্বাস করল ও ফিরে গেল, অথচ বেপরোয়া রয়েছেন। আর স্বয়ংসমৃদ্ধ প্রশংসার্হ।
সমকালীন বাংলা
যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা দাবি করে যে তাদের কখনো পুনরুত্থিত করা হবে না। বলো, “অবশ্যই হবে, আমার পালনকর্তার শপথ! তোমাদের অবশ্যই পুনরুত্থিত করা হবে। তারপর তোমরা যা করেছ, সে সম্পর্কে অবশ্যই তোমাদের অবহিত করা হবে। আর এটি আল্লাহর জন্য সহজ।”
আবদুস শহীদ নাসিম
অবিশ্বাসীরা ধারণা করছে, তাদেরকে কখনো পুনরুত্থিত করা হবেনা! তুমি বলো: ‘‘হ্যাঁ, আমার প্রভুর শপথ, অবশ্যি তোমাদের পুনরুত্থিত করা হবে। তারপর তোমাদের অবশ্যি অবহিত করা হবে সেসব (অপ)কর্ম, যা তোমরা (পৃথিবীর জীবনে) করতে। এ কাজ আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।’’
জহুরুল হক
যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা ধরে নিয়েছে যে তাদের কখনো তোলা হবে না। বলো - - ''হাঁ, আমার প্রভুর কসম, অতি - অবশ্য তোমাদের তোলা হবে, তারপর তোমাদের অবশ্যই জানানো হবে যা তোমরা করেছিলে।’’ আর এইটি র পক্ষে সহজ।
সমকালীন বাংলা
অতএব আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি এবং সেই নূরের প্রতি ঈমান আনো, যা আমরা অবতীর্ণ করেছি। আর তোমরা যা করো, সে সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি, তাঁর রসূলের প্রতি এবং আমাদের নাযিল করা নূরের প্রতি। তোমরা যা করো সে বিষয়ে খবর রাখেন।
জহুরুল হক
অতএব তোমরা তে বিশ্বাস করো, আর তাঁর রসূলে ও সেই আলোকে যা আমরা অবতারণ করেছি। আর তোমরা যা করছ সে - সম্পর্কে পূর্ণ - ওয়াকিফহাল।
সমকালীন বাংলা
যেদিন তিনি তোমাদেরকে সমবেত হওয়ার দিনে একত্র করবেন—সেদিনই হবে পারস্পরিক লাভ-ক্ষতির দিন। আর যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনে এবং সৎকর্ম করে, তিনি তার মন্দ কাজগুলো তার থেকে মুছে দেবেন এবং তাকে এমন উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়; সেখানে তারা অনন্তকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তিনি তোমাদের জমা করবেন জমায়েতের দিন, সেটাই হবে হারজিতের দিন। যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি এবং আমলে সালেহ্ করবে, তার থেকে মুছে দেয়া হবে তার পাপসমূহ এবং তাকে দাখিল করা হবে জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরকাল থাকবে তারা সেখানে স্থায়ীভাবে। এটাই মহাসাফল্য।
জহুরুল হক
সেইদিন তিনি তোমাদের সমবেত করবেন জমায়েৎ করার দিনের জন্যে - - এইটিই মোহ - অপসারণের দিন। আর যে কেউ তে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তার থেকে তার সব পাপ মোচন করে দেবেন এবং তাকে প্রবেশ করাবেন স্বর্গোউদ্যানসমূহে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি, সেখানে তারা অবস্থান করবে চিরকাল। এইটি এক বিরাট সাফল্য।
সমকালীন বাংলা
আর যারা অবিশ্বাস করেছে এবং আমাদের আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছে, তারাই আগুনের অধিবাসী। সেখানে তারা অনন্তকাল থাকবে। আর তা কতই না নিকৃষ্ট গন্তব্য!
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যারা কুফুরি করবে এবং প্রত্যাখ্যান করবে আমাদের আয়াত, তারাই হবে আগুনের অধিবাসী, চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। আর সেটা কতো যে নিকৃষ্ট ফিরে যাবার জায়গা!
জহুরুল হক
আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে এবং আমাদের নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করে, তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা - - তারা সেখানেই অবস্থান করবে। আর কত মন্দ সেই গন্তব্যস্থান!
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো বিপদ আসে না। আর যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনে, তিনি তার অন্তরকে পথনির্দেশ করেন। আর সবকিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
কোনো মসিবতই আসেনা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আর যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি, তার অন্তরকে পরিচালিত করবেন সঠিক পথে। প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।
জহুরুল হক
কোনো বিপদ আপতিত হয় না র অনুমতি ব্যতীত। আর যে কেউ তে বিশ্বাস করে তিনি তার হৃদয়কে সুপথে চালিত করেন। আর সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।
সমকালীন বাংলা
আর আল্লাহর আনুগত্য করো এবং রাসূলের আনুগত্য করো। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আমাদের রাসূলের দায়িত্ব শুধু সুস্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর, আনুগত্য করো এই রসূলের, যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে জেনে রাখো, আমাদের রসূলের দায়িত্ব কেবল স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া।
জহুরুল হক
আর র আজ্ঞাপালন করো ও রসূলকে মেনে চলো; কিন্ত যদি তোমরা ফিরে যাও তাহলে আমাদের রসূলের উপরে কেবল সুস্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া।
সমকালীন বাংলা
, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। অতএব মুমিনরা যেনো আল্লাহর উপরই নির্ভর করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ্ নেই। মুমিনরা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করুক।
জহুরুল হক
- - তিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই। সুতরাং র উপরেই তবে মুমিনরা নির্ভর করুক।
সমকালীন বাংলা
হে যারা ঈমান এনেছো, নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রীদের এবং সন্তানদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু; অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকো। আর যদি তোমরা ক্ষমা করো, উপেক্ষা করো এবং ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
Note
আল্লাহ স্ত্রীদের ও সন্তানদের মধ্যেও অনেককে শত্রু করেছেন, কিন্তু আমাদের সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে, তাদেরকে উপেক্ষা করতে এবং ক্ষমা করতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে রয়েছে তোমাদের শত্রু, সুতরাং তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। আর যদি তাদের মাফ করে দাও, তাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করো এবং তাদের ক্ষমা করে দাও তবে অবশ্যি পরম ক্ষমাশীল, দয়াবান।
জহুরুল হক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! নিশ্চয় তোমাদের কোনো - কোনো স্ত্রীরা ও তোমাদের ছেলেমেয়েরা তোমাদের শত্রু, অতএর তাদের ক্ষেত্রে হুশিয়াঁর হও। কিন্ত যদি তোমরা মাফ করে দাও ও উপেক্ষা কর ও উদ্ধার কর, তাহলে পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই তোমাদের সম্পদ ও সন্তানেরা একটি পরীক্ষা। আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে মহাপ্রতিদান।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই তোমাদের মাল সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি একটি পরীক্ষা, আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে মহাপুরস্কার।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ তোমাদের ধনদৌলত ও তোমাদের সন্তানসন্ততি তো এক পরীক্ষা। আর , তাঁরই কাছে রয়েছে বিরাট প্রতিদান।
সমকালীন বাংলা
অতএব তোমরা যতটুকু সক্ষম, আল্লাহকে ভয় করো, এবং শোনো, আনুগত্য করো ও ব্যয় করো; এটি তোমাদের নিজেদের জন্যই উত্তম। আর যারা নিজেদের মনের কৃপণতা থেকে রক্ষা পায়, তারাই ।
আবদুস শহীদ নাসিম
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তোমাদের সাধ্যমতো এবং শুনো, মেনে নাও আর খরচ করো (আল্লাহর পথে), এটাই তোমাদের নিজেদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত হয়, তারাই অর্জন করে সফলতা।
জহুরুল হক
অতএব কে ভয়ভক্তি করো যতটা তোমরা সক্ষম হও, আর শোনো, আর আজ্ঞাপালন করো, আর ব্যয় করো, - - এ তোমাদের নিজেদের জন্য কল্যাণময়। আর যে কেউ তার অন্তরের লোভ - লালসা থেকে সংযত রাখে তারাই তবে খোদ হয়।
সমকালীন বাংলা
যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও, তিনি তা তোমাদের জন্য বহুগুণ বৃদ্ধি করবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করবেন। আর গুণগ্রাহী, পরম সহনশীল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা যদি আল্লাহকে করজে হাসানা (উত্তম ঋণ) দাও, তিনি তা তোমাদের জন্যে বহুগুণে বৃদ্ধি করে ফেরত দেবেন, তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। অবশ্যি গুণগ্রাহী, ধৈর্যশীল।
জহুরুল হক
যদি তোমরা কে কর্জ দাও এক উত্তম কর্জ, তিনি সেটি তোমাদের জন্য বহু - গুণিত করে দেবেন, আর তিনি তোমাদের পরিত্রাণ করবেন। আর গুণগ্রাহী, অতি অমায়িক।
সমকালীন বাংলা
তিনি ও দৃশ্যমানের জ্ঞানী, মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি ও দৃশ্যের জ্ঞানী, মহাপরাক্রমশীল, মহাপ্রজ্ঞাবান।
জহুরুল হক
তিনি ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।