Kitab

আল আনফাল (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ)

Chapter 8, 75 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; লোকে তোমাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্বন্ধে প্রশ্ন করে ; বল, ‘যুদ্ধলব্ধ সম্পদ এবং রাসূলের; সুতরাং কে ভয় কর এবং নিজেদের মধ্যে সদ্ভাব স্থাপন কর, এবং ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা হও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

লোকেরা তোমার কাছে জানতে চাইছে আনফাল সম্পর্কে। তুমি বলো, আনফাল হলো আল্লাহর এবং রসূলের জন্যে। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সংশোধন করে নাও তোমাদের অবস্থা। আর আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের, যদি তোমরা হয়ে থাকো।

সমকালীন বাংলা

তো তাহারাই, যাহাদের হৃদয় কম্পিত হয় যখন স্মরণ করা হয় এবং যখন তাঁহার আয়াত তাহাদের নিকট পাঠ করা হয়, তখন উহা তাহাদের ঈমান বৃদ্ধি করে এবং তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের উপরই নির্ভর করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, প্রকৃত হলো তারা, আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে যাদের অন্তর কেঁপে উঠে, আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হলে যাদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং যারা তাদের প্রভুর উপর তাওয়াক্কুল করে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা কায়েম করে এবং আমি যাহা দিয়াছি তাহা হইতে ব্যয় করে;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হলো সেইসব লোক যারা কায়েম করে এবং আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে (আল্লাহর পথে) ব্যয় করে।

সমকালীন বাংলা

তাহারাই প্রকৃত । তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাদেরই জন্য রহিয়াছে মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক জীবিকা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারাই হক (প্রকৃত) । তাদের প্রভুর কাছে তাদের জন্যে রয়েছে অনেক মর্যাদা, মাগফিরাত এবং সম্মানজনক রিযিক।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইরূপ, যেমন তোমার প্রতিপালক তোমাকে ন্যায়ভাবে তোমার গৃহ হইতে বাহির করিয়াছিলেন অথচ মু’মিনদের এক দল ইহা পসন্দ করে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেমন, তোমার প্রভু তোমাকে বের করেছেন তোমার ঘর থেকে সত্যের ভিত্তিতে। কিন্তু মুমিনদের মধ্যে কিছু লোক তা পছন্দ করেনি।

সমকালীন বাংলা

সত্য স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হওয়ার পরও তাহারা তোমার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হয়। মনে হইতেছিল তাহারা যেন মৃত্যুর দিকে চালিত হইতেছে আর তাহারা যেন উহা প্রত্যক্ষ করিতেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার সাথে বিতর্ক করছিল সত্য বিষয় নিয়ে তা স্পষ্ট হয়ে যাবার পরও, যেনো তাদেরকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আর তারা তা তাকিয়ে দেখছি

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেন যে, দুই দলের একদল তোমাদের আয়ত্তাধীন হইবে; অথচ তোমরা চাহিতেছিলে, নিরস্ত্র দলটি তোমাদের আয়ত্তাধীন হউক। আর চাহিতেছিলেন যে, তিনি সত্যকে তাঁহার বাণী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং কাফিরদেরকে নির্মূল করেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন, দুটি দলের একটি দল তোমাদের আয়ত্তে আসবে, অথচ তোমরা চাইছিলে নিষ্কণ্টক দলটি তোমাদের আয়ত্তে আসুক। কিন্তু চাইছিলেন তাঁর বাণীর মাধ্যমে সত্যকে বাস্তবায়িত করবেন এবং কেটে দেবেন কাফিরদের শেকড়।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইজন্য যে, তিনি সত্যকে সত্য ও অসত্যকে অসত্য প্রতিপন্ন করেন, যদিও অপরাধীরা ইহা পছন্দকরে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তিনি সত্যকে সত্য হিসেবে আর বাতিলকে বাতিল হিসেবে প্রমাণিত করে দেন, যদিও অপরাধীরা তা অপছন্দ করছিল।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিয়াছিলে; তখন তিনি তোমাদেরকে জবাব দিয়াছিলেন, ‘আমি তোমাদেরকে সাহায্য করিব এক সহস্র ফিরিশ্তা দ্বারা, যাহারা একের পর এক আসিবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলে, তখন তিনি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করে বলেছিলেন: ‘আমি তোমাদের সাহায্য করবো এক হাজার ফেরেশতা দিয়ে, তারা যাবে একের পর এক।

সমকালীন বাংলা

ইহা করেন কেবল শুভ সংবাদ দেওয়ার জন্য এবং এই উদ্দেশ্যে, যাহাতে তোমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করে; এবং সাহায্য তো শুধু আল্লাহর নিকট হইতেই আসে; নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ ব্যবস্থা করেন একটি শুভ সংবাদ হিসেবে এবং এর ফলে যেনো তোমাদের মন প্রশান্তি লাভ করে। আসলে সাহায্য তো আল্লাহর কাছ থেকেই আসে। নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তিনি তাঁহার পক্ষ হইতে স্বস্তির জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেন এবং আকাশ হইতে তোমাদের উপর বারি বর্ষণ করেন উহা দ্বারা তোমাদেরকে পবিত্র করিবার জন্য, তোমাদের মধ্য হইতে শয়তানের কুমন্ত্রণা অপসারণের জন্য, তোমাদের হৃদয় দৃঢ় করিবার জন্য এবং তোমাদের পা স্থির রাখিবার জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের স্বস্তির জন্যে তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেছিলেন এবং আসমান থেকে তোমাদের উপর পানি বর্ষণ করেছিলেন, যাতে করে তা দিয়ে তোমাদের পবিত্র করে দেন, তোমাদের থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা দূর করে দেন এবং তোমাদের অন্তরসমূহকে সংহত ও মজবুত করে দেন আর তোমাদের কদমকে করে দেন মজবুত।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তোমাদের প্রতিপালক ফিরিশ্তাগণের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন, ‘আমি তোমাদের সঙ্গে আছি, সুতরাং মু’মিনগণকে অবিচলিত রাখ।’ যাহারা করে আমি তাহাদের হৃদয়ে ভীতির সঞ্চার করিব ; সুতরাং তোমরা আঘাত কর তাহাদের স্কন্ধে ও আঘাত কর তাহাদের প্রত্যেক আঙ্গুলের অগ্রভাগে।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমাদের প্রভু ফেরেশতাদের প্রতি অহি করে বলেছিলেন: আমি তোমাদের সাথে আছি, তোমরা মুমিনদের অবিচল রাখো। অচিরেই আমি কাফিরদের অন্তরে সঞ্চার করে দেবো ভয় আর আতঙ্ক। অতএব তোমরা আঘাত করো তাদের গর্দানে আর আঘাত করো তাদের জোড়ায় জোড়ায়।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইহেতু যে, তাহারা আল্লাহ্ও তাঁহার রাসূলের বিরোধিতা করে এবং কেহ ও তাঁহার রাসূলের বিরোধিতা করিলে তো শাস্তিদানে কঠোর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, তারা ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করেছে, আর যে কেউ এবং তাঁর রসূলের বিরোধিতা করে, সে জেনে রাখুক, কঠোর শাস্তিদাতা।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং ইহার আস্বাদ গ্রহণ কর এবং কাফিরদের জন্য দোজখের শাস্তি রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা এরি উপযুক্ত, সুতরাং আস্বাদন করো। এ ছাড়াও কাফিরদের জন্যে রয়েছে আগুনের আযাব।

সমকালীন বাংলা

হে মু’মিনগণ! তোমরা যখন বাহিনীর সম্মুখীন হইবে তখন তোমরা তাহাদের পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে না;

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! যখনই তোমরা বাহিনীর সম্মুখীন হবে, তখন কিছুতেই পিছু হটবে না,

সমকালীন বাংলা

সেদিন যুদ্ধ - কৌশল অবলম্বন কিংবা দলে স্থান নেওয়া ব্যতীত কেহ তাহাদেরকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিলে সে তো আল্লাহর বিরাগভাজন হইবে এবং তাহার আশ্রয় জাহান্নাম, আর উহা কত নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল!

আবদুস শহীদ নাসিম

যুদ্ধের কৌশল কিংবা নিজেদের দলের সাথে মিলিত হবার উদ্দেশ্য ছাড়া। সেদিন যে কেউ বাহিনী থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে, সে আল্লাহর গজবে নিপতিত হবে এবং তার আশ্রয় হবে জাহান্নাম, আর সেটা খুবই নিকৃষ্ট ধরনের ফিরে যাবার জায়গা।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তাহাদেরকে হত্যা কর নাই, তাহাদেরকে হত্যা করিয়াছেন, এবং তুমি যখন নিক্ষেপ করিয়াছিলে তখন তুমি নিক্ষেপ কর নাই, আল্লাহ্ই নিক্ষেপ করিয়াছিলেন, এবং ইহা মু’মিনগণকে আল্লাহর পক্ষ হইতে উত্তমরুপে পরীক্ষা করিবার জন্য; সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাদের হত্যা করোনি, বরং তাদের হত্যা করেছেন । আর তুমি যখন (তাদের দিকে কংকর) নিক্ষেপ করেছিলে তখন তুমি নিক্ষেপ করোনি, বরং আল্লাহ্ই নিক্ষেপ করেছিলেন, যাতে করে মুমিনদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে উত্তমভাবে পরীক্ষা করা যায়। নিশ্চয় সব শুনেন, সব জানেন।

সমকালীন বাংলা

ইহাই তোমাদের জন্য, কাফিরদের ষড়যন্ত্র দুর্বল করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা ছিলো তোমাদেরই জন্যে, আর অবশ্যি কাফিরদের চক্রান্তকে করে দেন অকেজো।

সমকালীন বাংলা

তোমরা মীমাংসা চাহিয়াছিলে, তাহা তো তোমাদের নিকট আসিয়াছে; যদি তোমরা বিরত হও তবে উহা তোমাদের জন্য কল্যাণকর ; যদি তোমরা পুনরায় কর তাতে আমিও পুনরায় শাস্তি দিব এবং তোমাদের দল সংখ্যায় অধিক হইলেও তোমাদের কোন কাজে আসিবে না, এবং নিশ্চয়ই মু’মিনদের সঙ্গে রহিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে কাফিররা!) তোমরা তো ফায়সালা চেয়েছিলে। এখন ফায়সালা তোমরা পেয়ে গেছো। যদি তোমরা (যুদ্ধ সন্ত্রাস ও নির্যাতন করা থেকে) বিরত হও, তবে সেটা তোমাদের জন্যেই উত্তম। কিন্তু তোমরা যদি পুনরায় করো, তাহলে আমরাও পুনরায় শাস্তি দেবো এবং তোমাদের বাহিনী সংখ্যায় অনেক বেশি হলেও তা তোমাদের কোনো কাজেই আসবে না। অবশ্যি মুমিনদের সাথে রয়েছেন।

সমকালীন বাংলা

হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য কর এবং তোমরা যখন তাহার কথা শ্রবণ করিতেছ তখন উহা হইতে মুখ ফিরাইও না;

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের। আর তোমরা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়োনা, অথচ তোমরা তার কথা শুনছো।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমরা তাহাদের ন্যায় হইও না, যাহারা বলে, ‘শ্রবণ করিলাম’, বস্তুত তাহারা শ্রবণ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা ঐসব লোকের মতো হয়োনা, যারা বলে, ‘আমরা শুনেছি’, অথচ তারা শুনেনি।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম জীব সেই বধির ও মূক যাহারা কিছুই বোঝে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর কাছে নিকৃষ্ট জীব হলো সেই বধির ও বোবা লোকেরা - যারা বেআকল।

সমকালীন বাংলা

যদি তাহাদের মধ্যে ভাল কিছু দেখিতেন তবে তিনি তাহাদেরকেও শুনাইতেন, কিন্তু তিনি তাহাদেরকে শুনাইলেও তাহারা উপেক্ষা করিয়া মুখ ফিরাইত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি তাদের মধ্যে ভালো কিছু আছে বলে জানতেন, তাহলে অবশ্যি তাদের শুনাতেন। তবে তাদের শুনালেও তারা উপেক্ষা করে মুখ ফিরিয়ে নিতো।

সমকালীন বাংলা

হে মু’মিনগণ! রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহ্বান করে যাহা তোমাদেরকে প্রাণবন্তকরে, তখন ও রাসূলের আহ্বানে সাড়া দিবে এবং জানিয়া রাখ, মানুষ ও তাহার অন্তরের মধ্যবর্তী হইয়া থাকেন, এবং তাঁহারই নিকট তোমাদেরকে একত্র করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! রসূল যখন তোমাদেরকে এমন কোনো বিষয়ের দিকে ডাকে, যা তোমাদের প্রাণবন্তু করবে, তখন তোমরা ও রসূলের আহবানে সাড়া দেবে। জেনে রাখো, ব্যক্তি ও তার অন্তরের মধ্যবর্তী হয়ে থাকেন এবং তাঁরই কাছে তোমাদের হাশর করা হবে।

সমকালীন বাংলা

তোমরা এমন ফিত্নাকে ভয় কর যাহা বিশেষ করিয়া তোমাদের মধ্যে যাহারা কেবল তাহাদেরকেই ক্লিষ্ট করিবে না এবং জানিয়া রাখ, নিশ্চয়ই শাস্তিদানে কঠোর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা সেই ফিতনা থেকে আত্মরক্ষা করো, যা শুধুমাত্র তোমাদের মধ্যকার যালিমদেরই আক্রান্ত করবে না। জেনে রাখো কঠিন শাস্তিদাতা।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তোমরা ছিলে স্বল্পসংখ্যক; পৃথিবীতে তোমরা দুর্বলরূপে পরিগণিত হইতে। তোমরা আশংকা করিতে যে, লোকেরা তোমাদেরকে অকস্মাৎ ধরিয়া লইয়া যাইবে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে আশ্রয় দেন, স্বীয় সাহায্য দ্বারা তোমাদেরকে শক্তিশালী করেন এবং তোমাদেরকে উত্তম বস্তুসমূহ জীবিকারূপে দান করেন, যাহাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমরা ছিলে কয়েকজন মাত্র। দেশে তোমাদের দুর্বল করে রাখা হয়েছিল। তোমরা আশংকা করছিলে লোকেরা তোমাদের ছোঁ মেরে ধরে ফেলবে। সে অবস্থা থেকে উদ্ধার করে তোমাদের আশ্রয় দিয়েছেন, নিজ সাহায্যের মাধ্যমে তোমাদের শক্তিশালী করেছেন এবং উত্তম জীবিকার ব্যবস্থা করেছেন, যাতে তোমরা শোকর আদায় করো।

সমকালীন বাংলা

হে মু’মিনগণ! জানিয়া - শুনিয়া ও তাঁহার রাসূলের সঙ্গে বিশ্বাস ভংগ করিবে না এবং তোমাদের পরস্পরের আমানত সম্পর্কেও বিশ্বাস ভংগ করিও না

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা জেনে শুনে এবং রসূলের খিয়ানত করোনা এবং তোমাদের পরস্পরের আমানতেরও খিয়ানত করোনা।

সমকালীন বাংলা

এবং জানিয়া রাখ, তোমাদের ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি তো এক পরীক্ষা এবং নিকট মহাপুরস্কার রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, তোমাদের মাল - সম্পদ এবং সন্তান - সন্ততি একটি পরীক্ষা, আর বড় পুরস্কার তো মূলত আল্লাহর কাছেই রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

হে মু’মিনগণ! যদি তোমরা কে ভয় কর তবে তোমাদেরকে ন্যায় - অন্যায় পার্থক্য করিবার শক্তি দিবেন, তোমাদের পাপ মোচন করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন এবং অতিশয় মঙ্গলময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে ভালো - মন্দের মধ্যে পার্থক্য করার একটি মানদন্ড দেবেন এবং তোমাদের থেকে মুছে দেবেন তোমাদের পাপগুলো আর ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের ত্রুটি বিচ্যুতি। তো মহা অনুগ্রহের মালিক।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, কাফিররা তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তোমাকে বন্দী করিবার জন্য, হত্যা করিবার অথবা নির্বাসিত করিবার জন্য এবং তাহারা ষড়যন্ত্র করে এবং কৌশল করেন; আর আল্লাহ্ই সর্বশ্রেষ্ঠ কৌশলী।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা যখন তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছিল তোমাকে বন্দী করার, কিংবা হত্যা করার, অথবা দেশ থেকে বের করে দেয়ার; তারা চক্রান্ত করছিল আর আল্লাহ্ও কৌশল করছিলেন, আর আল্লাহ্ই সর্বোত্তম কৌশলী।

সমকালীন বাংলা

যখন তাহাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তাহারা তখন বলে, ‘আমরা তো শ্রবণ করিলাম, ইচ্ছা করিলে আমরাও ইহার অনুরূপ বলিতে পারি, ইহা তো শুধু সেকালের লোকদের উপকথা।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের কাছে আমাদের আয়াত শুনানো হয়, তারা বলে: ‘আমরা শুনলাম, ইচ্ছা করলে আমরাও এর মতো বলতে পারি। এতো সেকালের লোকদের কাহিনী ছাড়া আর কিছু নয়।’

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তাহারা বলিয়াছিল, ‘হে ইহা যদি তোমার পক্ষ হইতে সত্য হয়, তবে আমাদের উপর আকাশ হইতে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দাও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তারা বলেছিল: ‘হে ! এ (দীন, এ কুরআন) যদি তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের উপর আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করো, অথবা আমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবে নিমজ্জিত করো।’

সমকালীন বাংলা

এমন নন যে, তুমি তাহাদের মধ্যে থাকিবে, অথচ তিনি তাহাদেরকে শাস্তিদিবেন, এবং এমনও নন যে, তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিবে অথচ তিনি তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী!) তুমি তাদের মধ্যে থাকবে আর তাদের শাস্তি দেবেন এমনটি করবেন না। আর যতো দিন তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে, ততোদিন তাদের শাস্তি দেয়া আল্লাহর নীতি নয়।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদের কী বা বলিবার আছে যে, তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন না, যখন তাহারা লোকদেরকে মসজিদুল হারাম হইতে নিবৃত্ত করে? তাহারা উহার তত্ত্বাবধায়ক নয়, শুধু মুত্তাকীগণই উহার তত্ত্বাবধায়ক; কিন্তু তাহাদের অধিকাংশ ইহা অবগত নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কী বলার আছে, কেন তাদের শাস্তি দেবেন না, যখন তারা মসজিদুল হারাম থেকে (মুমিনদের) বাধা দেয়। তারা তো এই মসজিদের মুতাওয়াল্লি (তত্ত্বাবধায়ক) নয়, শুধু মুত্তাকিরাই হতে পারে এর মুতাওয়াল্লি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানেনা।

সমকালীন বাংলা

কা‘বাগৃহের নিকট শুধু শিস ও করতালি দেওয়াই তাহাদের , সুতরাং কুফরীর জন্য তোমরা শাস্তি ভোগ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

কা’বা ঘরের ওখানে তাদের তো হলো শুধু শিস দেয়া আর তালি দেয়া। সুতরাং তোমরা আযাবের স্বাদ ভোগ করো তোমাদের কুফুরির কারণে।

সমকালীন বাংলা

পথ হইতে লোককে নিবৃত্ত করার জন্য কাফিররা তাহাদের ধনসম্পদ ব্যয় করে, তাহারা ধন - সম্পদ ব্যয় করিতেই থাকিবে; অতঃপর উহা তাহাদের মনস্তাপের কারণ হইবে; ইহার পর তাহারা পরাভূত হইবে এবং যাহারা করে তাহাদেরকে জাহান্নামে একত্র করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরির পথ অবলম্বন করেছে তারা তাদের অর্থ - সম্পদ ব্যয় করে মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার জন্যে। তারা তাদের সম্পদ ব্যয় করেই যাবে এবং এটা তাদের হতাশার কারণ হবে। অবশেষে তারা পরাজিত হবে। যারা কুফুরি করে তাদেরকে শেষ পর্যন্ত জাহান্নামে হাশর (সমবেত) করা হবে।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইজন্য যে, কুজনকে সুজন হইতে পৃক করিবেন এবং কুজনদের এককে অপরের উপর রাখিবেন, অতঃপর সকলকে স্তূপীকৃত করিয়া জাহান্নামে নিক্ষেপ করিবেন, ইহারাই ক্ষতিগ্রস্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটি করার কারণ হলো, মন্দকে ভালো থেকে আলাদা করে দিতে চান এবং মন্দদের কাউকেও কারো উপর স্থান দিতে চান, তারপর তাদের সবাইকে জমা করে নিক্ষেপ করবেন জাহান্নামে। আর তারাই হবে আসল ক্ষতিগ্রস্ত।

সমকালীন বাংলা

যাহারা করে তাহাদেরকে বল, ‘যদি তাহারা বিরত হয় তবে যাহা অতীতে হইয়াছে তাহা ক্ষমা করিবেন; কিন্তু তাহারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে তবে পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত তো রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরি করে তাদের বলো, তারা যদি বিরত হয় তবে অতীতের কর্মের জন্যে তাদের ক্ষমা করা হবে, কিন্তু তারা যদি পুনরাবৃত্তি করে, তবে আগেকার লোকদের (করুণ) দৃষ্টান্ত তো তাদের সামনেই রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমরা তাহাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করিতে থাকিবে যতক্ষণ না ফিত্না দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দীন সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং যদি তাহারা বিরত হয় তবে তাহারা যাহা করে

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাও, যতোক্ষণ না ফিতনা দূর হয়ে যায় এবং দীন পুরোপুরি আল্লাহর জন্যে হয়ে যায়। তারা যদি (ফিতনা থেকে) বিরত হয়, তবে তারা যা করবে তার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।

সমকালীন বাংলা

যদি তাহারা মুখ ফিরায় তবে জানিয়া রাখ, তোমাদের অভিভাবক; কত উত্তম অভিভাবক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী!

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখো, তোমাদের মাওলা (অভিভাবক) তো । তিনিই উত্তম মাওলা এবং উত্তম সাহায্যকারী।

সমকালীন বাংলা

আরও জানিয়া রাখ, যুদ্ধে যাহা তোমরা লাভ কর তাহার এক - পঞ্চমাংশ রাসূলের, রাসূলের স্বজনদের, ইয়াতীমদের, মিস্কীনদের এবং মুসাফিরদের, যদি তোমরা ঈমান রাখ এবং তাহাতে যাহা মীমাংসার দিন আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম, যেই দিন দুই দল পরস্পরের সম্মুখীন হইয়াছিল এবং সর্ববিষয়ে শক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে নাও, তোমরা যে গনিমত লাভ করেছো, তার পাঁচ ভাগের একভাগ আল্লাহর, রসূলের, রসূলের নিকটাত্মীয়দের, এতিমদের, মিসকিনদের এবং পথিকদের জন্যে নির্ধারন করা হলো। যদি তোমরা ঈমান রাখো আল্লাহর প্রতি এবং সেই বিষয়ের প্রতি যা আমরা নাযিল করেছি আমাদের দাসের প্রতি মীমাংসার দিন, যেদিন দুই দল পরস্পরের মোকাবেলা করেছিল। সব বিষয়ে শক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তোমরা ছিলে উপত্যকার নিকটপ্রান্তেএবং তাহারা ছিল দূরপ্রান্তেআর উষ্ট্রারোহী দল ছিল তোমাদের অপেক্ষা নিুভূমিতে। যদি তোমরা পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত করিতে চাহিতে তবে এই সিদ্ধান্তসম্পর্কে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটিত। কিন্তু যাহা ঘটিবার ছিল, তাহা সম্পন্ন করিলেন, যাহাতে যে কেহ ধ্বংস হইবে সে যেন সত্যাসত্য স্পষ্ট প্রকাশের পর ধ্বংস হয় এবং যে জীবিত থাকিবে সে যেন সত্যাসত্য স্পষ্ট প্রকাশের পর জীবিত থাকে; তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, (বদর প্রান্তরে) তোমরা ছিলে উপত্যকার নিকট প্রান্তে, তারা ছিলো দূরপ্রান্তে আর আরোহী কাফেলা দল ছিলো অপেক্ষাকৃত নিম্নাঞ্চলে। তোমরা যদি পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধের (অবস্থান) সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চাইতে, তবে সে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তোমাদের মধ্যে মতবিরোধ ঘটতো। কিন্তু যা করার তা করে দিলেন। ফলে যারা হালাক হবার তারা যেনো সত্য প্রকাশের পর হালাক হয়, আর যারা জীবিত থাকবে তারাও যেনো সত্য প্রকাশের পর জীবিত থাকে। নিশ্চয়ই সব শুনেন, সব জানেন।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তোমাকে স্বপ্নে দেখাইয়াছিলেন যে, তাহারা সংখ্যায় অল্প; যদি তোমাকে দেখাইতেন, তাহারা সংখ্যায় অধিক তবে তোমরা সাহস হারাইতে এবং যুদ্ধ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করিতে। কিন্তু তোমাদেরকে রক্ষা করিয়াছিলেন এবং অন্তরে যাহা আছে সে সম্বন্ধে তিনি বিশেষভাবে অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, (বদর প্রান্তরে) তোমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তারা সংখ্যায় অল্প। তিনি যদি তোমাকে দেখাতেন তারা সংখ্যায় অনেক, তাহলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলতে এবং যুদ্ধের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করতে। কিন্তু তোমাদের রক্ষা করেছেন। নিশ্চয়ই অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে তিনি অবগত।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, তোমরা যখন পরস্পরের সম্মুখীন হইয়াছিলে তখন তিনি তাহাদেরকে তোমাদের দৃষ্টিতে স্বল্পসংখ্যক দেখাইয়াছিলেন এবং তোমাদেরকে তাহাদের দৃষ্টিতে স্বল্পসংখ্যক দেখাইয়াছিলেন, যাহা ঘটিবার ছিল তাহা সম্পন্ন করিবার জন্য। সমস্ত বিষয় আল্লাহর দিকেই প্রত্যাবর্তিত হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যুদ্ধের ময়দানে তিনি তাদেরকে তোমাদের দৃষ্টিতে অল্প সংখ্যক দেখিয়েছেন এবং তোমাদেরকেও তাদের দৃষ্টিতে স্বল্প সংখ্যক দেখিয়েছেন, যা ঘটার ছিলো তা সম্পন্ন করার জন্যে। সব বিষয় শেষ পর্যন্ত আল্লাহর দিকেই রুজু হয়।

সমকালীন বাংলা

হে মু’মিনগণ! তোমরা যখন কোন দলের সম্মুখীন হইবে তখন অবিচল থাকিবে এবং কে অধিক স্মরণ করিবে, যাহাতে তোমরা হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! যখনই তোমরা কোনো সৈন্যদলের সাথে যুদ্ধের সম্মুখীন হবে, তখন অবশ্যি অটল অবিচল থাকবে, এবং আল্লাহকে অধিক অধিক স্মরণ করবে, তাহলে অবশ্যি তোমরা সফল হবে।

সমকালীন বাংলা

তোমরা ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিবে ও নিজেদের মধ্যে বিবাদ করিবে না; করিলে তোমরা সাহস হারাইবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হইবে। তোমরা ধৈর্য ধারণ কর;

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের। আর তোমরা নিজেদের মধ্যে বিবাদে লিপ্ত হয়োনা। তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং এর ফলে তোমাদের প্রতিপত্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং সবর করো। নিশ্চয়ই সবর অবলম্বনকারীদের সাথেই রয়েছেন।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তাহাদের ন্যায় হইও না যাহারা দম্ভভরে ও লোক দেখাইবার জন্য স্বীয় গৃহ হইতে বাহির হইয়াছিল এবং লোককে পথ হইতে নিবৃত্ত করে। তাহারা যাহা করে তাহা পরিবেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা ঐসব লোকদের মতো হয়োনা যারা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও লোক দেখানোর জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিল এবং যারা মানুষকে আল্লাহর পথে চলতে বাধা সৃষ্টি করে। তারা যা করে তা পরিবেষ্টন করে আছেন।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, শয়তান যখন তাহাদের কার্যাবলী তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল এবং বলিয়াছিল, ‘আজ মানুষের মধ্যে কেহই তোমাদের উপর বিজয়ী হইবে না, আমি তোমাদের পাশেই থাকিব;’ অতঃপর দুই দল যখন পরস্পরের সম্মুখীন হইল তখন সে পিছনে সরিয়া পড়িল ও বলিল, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক রহিল না, তোমরা যাহা দেখিতে পাও না আমি

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল এবং বলেছিল: ‘আজ কোনো মানুষই তোমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না, আমি তোমাদের পাশেই আছি।’ তারপর উভয় দল যখন মুখোমুখি হলো, তখন সে পেছন থেকে কেটে পড়লো এবং বললো: ‘তোমাদের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এমন কিছু দেখছি, যা তোমরা দেখছোনা। আমি আল্লাহকে ভয় পাই। কঠিন শাস্তিদাতা।’

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, শয়তান যখন তাহাদের কার্যাবলী তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল এবং বলিয়াছিল, ‘আজ মানুষের মধ্যে কেহই তোমাদের উপর বিজয়ী হইবে না, আমি তোমাদের পাশেই থাকিব;’ অতঃপর দুই দল যখন পরস্পরের সম্মুখীন হইল তখন সে পিছনে সরিয়া পড়িল ও বলিল, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক রহিল না, তোমরা যাহা দেখিতে পাও না আমি তো তাহা দেখি, নিশ্চয়ই আমি কে ভয় করি, ‘আর শাস্তিদানে কঠোর।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন মুনাফিকরা এবং যাদের মনে রোগ ছিলো তারা বলছিল: ‘এদের দীন এদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।’ যে কেউ আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, সে জেনে রাখুক, মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

তুমি যদি দেখিতে পাইতে ফিরিশ্তাগণ কাফিরদের মুখমণ্ডলে ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করিয়া তাহাদের প্রাণ হরণ করিতেছে এবং বলিতেছে, ‘তোমরা দহনযন্ত্রণা ভোগ কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি দেখতে, ফেরেশতারা যখন কাফিরদের ওফাত (মৃত্যু) দিতে আসে তাদের চেহারা ও পিঠে আঘাত করতে থাকে এবং বলে, স্বাদ গ্রহণ করো দহন যন্ত্রণার।

সমকালীন বাংলা

ইহা তাহা, তোমাদের হস্ত যাহা পূর্বে প্রেরণ করিয়াছিল, তো তাহার বান্দাদের প্রতি অত্যাচারী নন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ তো সেই জিনিস যা তোমাদের দুই হাত কামাই করে আগেই পাঠিয়েছে। আর তাঁর বান্দাদের প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুম করেন না।

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওনের স্বজন ও উহাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের ন্যায় ইহারা আল্লাহর নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করে; সুতরাং ইহাদের পাপের জন্য ইহাদেরকে শাস্তি দেন। নিশ্চয়ই শক্তিমান, শাস্তিদানে কঠোর;

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্ববর্তীদের মতোই এরা অস্বীকার করেছে আল্লাহর আয়াত। ফলে তাদের পাপের জন্যে তাদের শাস্তি প্রদান করেন। নিশ্চয়ই শক্তিমান, কঠোর শাস্তিদাতা।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইজন্য যে, যদি কোন সম্প্রদায় নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করে তবে এমন নন যে, তিনি উহাদেরকে যে সম্পদ দান করিয়াছেন, উহা পরিবর্তন করিবেন; এবং নিশ্চয়ই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ আল্লাহর নীতি হলো, তিনি কোনো জনগোষ্ঠীকে যে নিয়ামত দান করেন, তা ততোক্ষণ পর্যন্ত পরিবর্তন করেন না, যতোক্ষণ পর্যন্ত তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন না করে। সব শুনেন, সব জানেন।

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওনের স্বজন ও তাহাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের ন্যায় ইহারা ইহাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করে। তাহাদের পাপের জন্য আমি তাহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছি এবং ফির‘আওনের স্বজনকে নিমজ্জিত করিয়াছি এবং তাহারা সকলেই ছিল ।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের অনুসারীদের মতো এবং তাদের পূর্ববর্তীদের মতো এরাও আল্লাহর আয়াত প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে তাদের পাপের জন্যে আমরা তাদের হালাক করেছি আর ফেরাউনের অনুসারীদেরও আমরা ডুবিয়ে মেরেছিলাম। এরা সবাই ছিলো যালিম।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট জীব তাহরাই যাহারা করে এবং ঈমান আনে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর কাছে সবচে’ নিকৃষ্ট জীব হলো তারা, যারা কুফুরি করে এবং ঈমান আনেনা।

সমকালীন বাংলা

উহাদের মধ্যে তুমি যাহাদের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ, তাহারা প্রত্যেকবার তাহাদের চুক্তি ভঙ্গ করে এবং তাহারা সাবধান হয় না;

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের মধ্যে তুমি যাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ, তারা চুক্তি করার পর প্রত্যেকবার তাদের চুক্তি ভেঙ্গে ফেলে এবং তারা সতর্ক হয়না।

সমকালীন বাংলা

যুদ্ধে উহাদেরকে তোমরা যদি তোমাদের আয়ত্তে পাও তবে উহাদেরকে উহাদের পশ্চাতে যাহারা আছে, তাহাদের হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া এমনভাবে বিধ্বস্ত করিবে, যাহাতে উহারা শিক্ষা লাভ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি যুদ্ধে তাদেরকে বাগে পাও, তাহলে তাদের উত্তরসূরীদের থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে এমনভাবে বিধ্বস্ত করবে, যাতে করে তারা শিক্ষা লাভ করে।

সমকালীন বাংলা

যদি তুমি কোন সম্প্রদায়ের চুক্তিভঙ্গের আশংকা কর তবে তোমার চুক্তিও তুমি যথাযথ বাতিল করিবে; নিশ্চয়ই চুক্তি ভঙ্গকারীদেরকে পছন্দ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যদি তোমরা কোনো সম্প্রদায় থেকে চুক্তি ভঙ্গের আশংকা করো, সে ক্ষেত্রে তোমার চুক্তি তুমি ঠিক সেভাবেই বাতিল করবে, কারণ খিয়ানতকারীদের পছন্দ করেন না।

সমকালীন বাংলা

কাফিররা যেন কখনও মনে না করে যে, তাহারা পরিত্রাণ পাইয়াছে ; নিশ্চয়ই তাহারা মু’মিনগণকে হতবল করিতে পারিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা যেনো মনে করেনা যে, তারা পার পেয়ে গেছে। তারা নিশ্চয়ই মুমিনদের দুর্বল করতে পারবে না।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তাহাদের মুকাবিলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখিবে - এতদ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত করিবে শত্রুক, তোমাদের শত্রুকে এবং এতদ্ব্যতীত অন্যদেরকে যাহাদেরকে তোমরা জান না, তাহাদেরকে জানেন। আল্লাহর পথে তোমরা যাহা কিছু ব্যয় করিবে উহার পূর্ণপ্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হইবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাদের সাথে মোকাবেলার জন্যে সাধ্যমতো শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে, যা দিয়ে তোমরা আল্লাহর দুশমন ও তোমাদের দুশমনদের আতংকিত করে রাখবে। তাছাড়া অন্যদেরকেও, যাদেরকে তোমরা জানোনা। তাদের জানেন। তোমরা আল্লাহর পথে যা - ই খরচ করো না কেন, তার পুরো প্রতিদান তোমাদের দেয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা।

সমকালীন বাংলা

তাহারা যদি সন্ধির দিকে ঝুঁকিয়া পড়ে তবে তুমিও সন্ধির দিকে ঝুঁকিবে এবং আল্লাহর উপর নির্ভর করিবে; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি সন্ধির জন্য হাত বাড়ায়, তুমিও সন্ধির জন্যে হাত বাড়িয়ে দেবে এবং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবে, নিশ্চয়ই তিনি সব শুনেন, সব জানেন।

সমকালীন বাংলা

যদি তাহারা তোমাকে প্রতারিত করিতে চায় তবে তোমার জন্য যথেষ্ট; তিনি তোমাকে স্বীয় সাহায্য ও মু’মিনদের দ্বারা শক্তিশালী করিয়াছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তোমাকে ধোকা দিতে চায়, সে ক্ষেত্রে আল্লাহই তোমার জন্যে যথেষ্ট। তিনি তো তোমাকে তাঁর নিজ সাহায্য আর মুমিনদের দিয়ে শক্তিশালী করেছেন।

সমকালীন বাংলা

এবং তিনি উহাদের পরস্পরের হৃদয়ের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করিয়াছেন। পৃথিবীর যাবতীয় সম্পদ ব্যয় করিলেও তুমি তাহাদের হৃদয়ে প্রীতি স্থাপন করিতে পারিতে না; কিন্তু তাহাদের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করিয়াছেন; নিশ্চয়ই তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাদের অন্তরে সম্প্রীতি স্থাপন করে দিয়েছেন। তুমি যদি পৃথিবীর সমস্ত সম্পদও ব্যয় করতে, তাদের অন্তরে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করতে পারতে না। কিন্তু তাদের অন্তরে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করে দিয়েছেন, তিনি মহাক্ষমতাশালী, বিজ্ঞানময়।

সমকালীন বাংলা

হে নবী! তোমার জন্য ও তোমার অনুসারী মু’মিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তোমার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট এবং মুমিনদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে তারা।

সমকালীন বাংলা

হে নবী ! মু’মিনদেরকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর; তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকিলে তাহারা দুই শত জনের উপর বিজয়ী হইবে এবং তোমাদের মধ্যে এক শত জন থাকিলে এক সহস্র কাফিরের উপর বিজয়ী হইবে। কারণ তাহারা এমন এক সম্প্রদায়, যাহার বোধশক্তি নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করো যুদ্ধের জন্যে। তোমাদের মধ্যে যদি বিশজন অবিচল ব্যক্তি থাকে, তারা বিজয়ী হবে দুইশ জনের উপর। আর তোমাদের মধ্যে যদি একশজন থাকে, তারা বিজয়ী হবে এক হাজার কাফিরের উপর। কারণ তারা নির্বোধ লোক।

সমকালীন বাংলা

এখন তোমাদের ভার লাঘব করিলেন। তিনি অবগত আছেন যে, তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে; সুতরাং তোমাদের মধ্যে এক শত জন ধৈর্যশীল থাকিলে তাহারা দুই শত জনের উপর বিজয়ী হইবে। আর তোমাদের মধ্যে এক সহস্র থাকিলে অনুজ্ঞাক্রমে তাহারা দুই সহস্রের উপর বিজয়ী হইবে। ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন তোমাদের ভার লাঘব করেছেন। তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে। এখন যদি তোমাদের একশ অবিচল ব্যক্তি থাকে, তারা দু’শ জনের উপর বিজয়ী হবে। তোমাদের যদি এক হাজার থাকে তারা বিজয়ী হবে দুই হাজারের উপর আল্লাহর অনুমতিক্রমে। অবিচল লোকদের সাথেই আছেন।

সমকালীন বাংলা

দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবীর জন্য সংগত নয়। তোমরা কামনা কর পার্থিব সম্পদ এবং চান পরলোকের কল্যাণ; পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

দেশে শত্রুদেরকে ব্যাপকভাবে পরাস্ত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোনো নবীর জন্যে উচিত নয়। তোমরা চাইছো দুনিয়ার সম্পদ, আর চান । ক্ষমতাশালী, প্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

পূর্ববিধান না থাকিলে তোমরা যাহা গ্রহণ করিয়াছ তজ্জন্য তোমাদের উপর মহাশাস্তি আপতিত হইত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছো সেটার জন্যে তোমাদের উপর বড় ধরনের আযাব আপতিত হতো।

সমকালীন বাংলা

যুদ্ধে যাহা তোমরা লাভ করিয়াছ তাহা বৈধ ও উত্তম বলিয়া ভোগ কর এবং ভয় কর; ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

যুদ্ধে তোমরা যে হালাল ও উত্তম গণিমত পেয়েছো, তা খাও আর আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল দয়াময়।

সমকালীন বাংলা

হে নবী ! তোমাদের করায়ত্ত যুদ্ধবন্দীদেরকে বল, যদি তোমাদের হৃদয়ে ভাল কিছু দেখেন তবে তোমাদের নিকট হইতে যাহা নেওয়া হইয়াছে তাহা অপেক্ষা উত্তম কিছু তিনি তোমাদের কে দান করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন। যদি তোমাদের হৃদয়ে ভাল কিছু দেখেন তবে তোমাদের নিকট হইতে যাহা নেওয়া হইয়াছে তাহা অপেক্ষা উত্তম কিছু তিনি তোমাদেরকে দান করিবেন। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তোমার হাতে যেসব বন্দী আছে তাদের বলো, যদি তোমাদের মধ্যে ভালো কিছু আছে বলে দেখেন, তাহলে তোমাদের থেকে যা কিছু নেয়া হয়েছে, তোমাদেরকে তার চাইতে উত্তম কিছু দান করবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। বড়ই ক্ষমাশীল, দয়াময়।

সমকালীন বাংলা

তাহারা তোমার সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করিতে চাহিলে, তাহারা তো পূর্বে আল্লাহর সঙ্গেও বিশ্বাস ভঙ্গ করিয়াছে; অতঃপর তিনি তোমাদেরকে তাহাদের উপর শক্তিশালী করিয়াছেন। সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তোমার সাথে খেয়ানত (বিশ্বাস ভঙ্গ) করতে চায়, তবে ইতোপূর্বে তো তারা আল্লাহর সাথেও খেয়ানত করেছে। তারপর তিনি তোমাদেরকে তাদের উপর শক্তিশালী করেছেন। অবশ্যি জ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

যাহারা ঈমান আনিয়াছে, হিজরত করিয়াছে, নিজেদের জীবন ও সম্পদ দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করিয়াছে ; আর যাহারা আশ্রয় দান করিয়াছে ও সাহায্য করিয়াছে তাহারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। আর যাহারা ঈমান আনিয়াছে কিন্তু হিজরত করে নাই, হিজরত না করা পর্যন্ত তাহাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমাদের নাই ; আর দীন সম্বন্ধে যদি তাহারা তোমাদের সাহায্য প্রার্থনা করে তবে তাহাদেরকে সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য, কিন্তু যে সম্প্রদায় ও তোমাদের মধ্যে চুক্তি রহিয়াছে তাহাদের বিরুদ্ধে নয়। তোমরা যাহা কর উহার সম্যক দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে, নিজেদের জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে আর যারা (তাদেরকে) আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে, তারা পরস্পরের অলি। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরত করেনি, হিজরত না করা পর্যন্ত তাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমার উপর নেই। তারা যদি দীনের ব্যাপারে তোমাদের কাছে সাহায্য চায়, সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। তবে যদি তোমাদের এবং কোনো কওমের মধ্যে চুক্তি থাকে, সে চুক্তি ভঙ্গ করবে না। তোমরা যা আমল করো তা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা করিয়াছে তাহারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু, যদি তোমরা উহা না কর তবে দেশে ফিত্না ও মহাবিপর্যয় দেখা দিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করে তারা পরস্পরের অলি। তোমরা যদি তা না করো তবে দেশে ফিতনা ও বড় ধরনের ফাসাদ সৃষ্টি হবে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা ঈমান আনিয়াছে, হিজরত করিয়াছে ও আল্লাহর পথে জিহাদ করিয়াছে আর যাহারা আশ্রয় দান করিয়াছে ও সাহায্য করিয়াছে, তাহারাই প্রকৃত ; তাহাদের জন্য ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে ও সাহায্য করেছে তারাই সত্যিকার । তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত ও সম্মানজনক রিযিক।

সমকালীন বাংলা

যাহারা পরে ঈমান আনিয়াছে, হিজরত করিয়াছে ও তোমাদের সঙ্গে থাকিয়া জিহাদ করিয়াছে। তাহারাও তোমাদের অন্তর্ভুক্ত এবং আত্মীয়গণ আল্লাহর বিধানে একে অন্য অপেক্ষা অধিক হকদার। নিশ্চয়ই সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা পরে ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং তোমাদের সাথে জিহাদে শরিক হয়েছে, তারাও তোমাদের অন্তরভুক্ত। আর আত্মীয়রা আল্লাহর বিধানে একজন অন্যজন অপেক্ষা বেশি হকদার। অবশ্যি সব বিষয়ে জ্ঞানী।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme