Kitab

আল ওয়াক্বিয়া (বিশেষ ঘটনা)

Chapter 56, 96 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; যখন সেই ঘটনা ঘটবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন কিয়ামত ঘটিবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ঘটনা (কিয়ামত) সংঘটিত হবে,

সমকালীন বাংলা

থাকবে না ঘটনার অস্বীকারকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার সংঘটন অস্বীকার করিবার কেহ থাকিবে না।

মুহিউদ্দীন খান

যার বাস্তবতায় কোন সংশয় নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সেই ঘটনাকে অস্বীকার করার কেউ থাকবে না।

সমকালীন বাংলা

তা কাউকে নিচু করবে এবং কাউকে উচ্চ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কাহাকেও করিবে নীচ, কাহাকেও করিবে সম্মুন্নত ;

মুহিউদ্দীন খান

এটা নীচু করে দেবে, সমুন্নত করে দেবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা কাউকে নামাবে নিচে, কাউকেও উঠাবে উপরে।

সমকালীন বাংলা

যখন পৃথিবী প্রবলভাবে কাঁপানো হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হইবে পৃথিবী,

মুহিউদ্দীন খান

যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন পৃথিবী কেঁপে উঠবে প্রচন্ড রকম।

সমকালীন বাংলা

পাহাড়গুলোকে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতমালা চূর্ণ - বিচূর্ণ হইয়া পড়িবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে পাহাড় পর্বত,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সেগুলো ছড়িয়ে পড়া ধূলিকণা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহা পর্যবসিত হইবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণায়;

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে সেগুলো পরিণত হবে ছুঁড়ে মারা ধুলোবালির মতো।

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা তিন দলে ভাগ হয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা বিভক্ত হইয়া পড়িবে তিন শ্রেণীতে -

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমরা তিনভাবে বিভক্ত হয়ে পড়বে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়বে তিন ভাগে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ডানদিকের লোকেরা, কী সৌভাগ্য ডানদিকের লোকদের!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!

মুহিউদ্দীন খান

যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

একটি হবে ডানদিকের দল। কী যে ভাগ্যবান হবে ডানদিকের দল!

সমকালীন বাংলা

আর বামদিকের লোকগুলো, কী দুর্ভাগ্য বামদিকের লোকদের!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বাম দিকের দল; কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বামদিকে, কত হতভাগা তারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

একটি হবে বামদিকের দল। কী যে দুর্ভাগা হবে বামদিকের দল!

সমকালীন বাংলা

আর অগ্রবর্তীরাই তো অগ্রবর্তী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর অগ্রবর্তীগণই তো অগ্রবর্তী,

মুহিউদ্দীন খান

অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই।

আবদুস শহীদ নাসিম

আরেকটি হবে অগ্রগামী দল। তারা তো থাকবে অগ্রগামীই।

সমকালীন বাংলা

তারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত -

মুহিউদ্দীন খান

তারাই নৈকট্যশীল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হবে সান্নিধ্য প্রাপ্ত,

সমকালীন বাংলা

সুখময় বেহেস্তসমূহে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিয়ামতপূর্ণ উদ্যানে;

মুহিউদ্দীন খান

অবদানের উদ্যানসমূহে,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।

সমকালীন বাংলা

তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বহুসংখ্যক হইবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হইতে;

মুহিউদ্দীন খান

তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বেশিরভাগই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

সমকালীন বাংলা

আর অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অল্পসংখ্যক হইবে পরবর্তীদের মধ্য হইতে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্যে থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্বল্প সংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

সমকালীন বাংলা

নকশা করা আসনের উপর,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্বর্ণখচিত আসনে

মুহিউদ্দীন খান

স্বর্ণ খচিত সিংহাসন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে সোনা ও মনিমুক্তা খচিত আসনে।

সমকালীন বাংলা

তার উপর মুখোমুখি হেলান দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা হেলান দিয়া বসিবে, পরস্পর মুখোমুখি হইয়া।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাতে হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে তারা হেলান দিয়ে বসবে মুখোমুখি হয়ে।

সমকালীন বাংলা

তাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াবে চিরস্থায়ী কিশোরগণ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সেবায় ঘোরাফেরা করিবে চির - কিশোরেরা

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (সেবায়) তাওয়াফ করতে থাকবে চির বালকেরা,

সমকালীন বাংলা

কলসীসমূহ এবং জগ এবং প্রবাহিত পানীয়ের পেয়ালা নিয়ে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পানপাত্র, কুঁজা ও প্রস্রবণ - নিঃসৃত সুরাপূর্ণ পেয়ালা লইয়া।

মুহিউদ্দীন খান

পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে,

আবদুস শহীদ নাসিম

পানপাত্র, কুঁজা এবং বহমান ঝর্ণা থেকে নেয়া সুরার পাত্র নিয়ে।

সমকালীন বাংলা

যাতে তাদের মাথাব্যথা হবে না এবং তারা মাতালও হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই সুরা পানে তাহাদের শিরঃপীড়া হইবে না, তাহারা জ্ঞানহারাও হইবে না -

মুহিউদ্দীন খান

যা পান করলে তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই সুরা পানে তাদের মাথাব্যথাও হবেনা এবং তারা জ্ঞান হারিয়ে মাতালও হবেনা।

সমকালীন বাংলা

আর তারা পছন্দমতো ফলমূল পাবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের পসন্দমত ফলমূল,

মুহিউদ্দীন খান

আর তাদের পছন্দমত ফল - মুল নিয়ে,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে বিপুল ফলফলারি বেছে বেছে পছন্দসইটি গ্রহণ করার,

সমকালীন বাংলা

এবং তাদের পছন্দমতো পাখির মাংস।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের ঈপ্সিত পাখির গোশ্‌ত লইয়া,

মুহিউদ্দীন খান

এবং রুচিমত পাখীর মাংস নিয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে পাখির গোশ্ত যেটা তাদের মন চাইবে,

সমকালীন বাংলা

আর থাকবে বড় বড় চোখের হুরগণ,

Note

হুরগণ= বেহেস্তের বিশেষ নারীরা

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের জন্য থাকিবে আয়তলোচনা হূর,

মুহিউদ্দীন খান

তথায় থাকবে আনতনয়না হুরগণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে আয়তলোচনা হুর (সুন্দরী নারীকুল)

সমকালীন বাংলা

যেন সুরক্ষিত মুক্তার মতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুরক্ষিত মুক্তাসদৃশ,

মুহিউদ্দীন খান

আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

(ঝিনুকের মধ্যে) লুকানো মুক্তার মতো,

সমকালীন বাংলা

তাদের কর্মের প্রতিদান হিসেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের কর্মের পুরস্কারস্বরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা কিছু করত, তার পুরস্কারস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আমলের প্রতিদান হিসেবে।

সমকালীন বাংলা

তারা সেখানে কোনো অনর্থক কথা বা পাপের কথা শুনবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা শুনিবে না কোন অসার অথবা পাপবাক্য,

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে শুনবেনা কোনো অর্থহীন কথা কিংবা পাপালাপ।

সমকালীন বাংলা

শুধু বলা হবে, “সালাম, সালাম।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

শুনবে কেবল সালাম আর সালাম।

সমকালীন বাংলা

আর ডানদিকের লোকেরা, কী সৌভাগ্য ডানদিকের লোকদের!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ডানদিকের দল, কত ভাগ্যবান ডানদিকের দল!

মুহিউদ্দীন খান

যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর ডানদিকের দল, কী যে ভাগ্যবান ডানদিকের দল!

সমকালীন বাংলা

কাঁটাবিহীন কুলবড়ই গাছের মধ্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা থাকিবে এমন উদ্যানে, সেখানে আছে কণ্টকহীন কুলবৃক্ষ,

মুহিউদ্দীন খান

তারা থাকবে কাঁটাবিহীন বদরিকা বৃক্ষে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুল বাগানে,

সমকালীন বাংলা

এবং স্তরে স্তরে সাজানো কলাগাছের মধ্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাঁদি ভরা কদলী বৃক্ষ,

মুহিউদ্দীন খান

এবং কাঁদি কাঁদি কলায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

কাঁদিভরা কলার বাগানে,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রসারিত ছায়ায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্প্রসারিত ছায়া,

মুহিউদ্দীন খান

এবং দীর্ঘ ছায়ায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিস্তীর্ণ ছায়ার মাঝে,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রবাহমান পানি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সদা প্রবহমান পানি,

মুহিউদ্দীন খান

এবং প্রবাহিত পানিতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সদা বহমান পানির মধ্যে,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রচুর ফলমূল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও প্রচুর ফলমূল,

মুহিউদ্দীন খান

ও প্রচুর ফল - মূলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বিপুল ফলমূলের মাঝে,

সমকালীন বাংলা

যা শেষ হবে না এবং নিষিদ্ধও হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা শেষ হইবে না ও যাহা নিষিদ্ধও হইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

যা শেষ হবার নয় এবং নিষিদ্ধ ও নয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

যা কখনো শেষও হবেনা, নিষিদ্ধও হবেনা।

সমকালীন বাংলা

আর উঁচু বিছানাগুলোতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ;

মুহিউদ্দীন খান

আর থাকবে সমুন্নত শয্যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে উঁচু উঁচু শয্যায়,

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি বিশেষরূপে -

মুহিউদ্দীন খান

আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের (পৃথিবীর জান্নাতি স্ত্রীদের) সৃষ্টি করবো অপরূপ সৃষ্টিতে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাদেরকে কুমারী করেছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে করিয়াছি কুমারী,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বানিয়ে দেবো কুমারী,

সমকালীন বাংলা

প্রেমময়ী এবং সমবয়সী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সোহাগিনী ও সমবয়স্কা,

মুহিউদ্দীন খান

কামিনী, সমবয়স্কা।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্বামীগত প্রাণ এবং সমবয়স্কা,

সমকালীন বাংলা

ডানদিকের লোকদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডানদিকের লোকদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

ডান দিকের লোকদের জন্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ডানদিকের লোকদের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের অনেকে হইবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হইতে,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তী লোকদের থেকে,

সমকালীন বাংলা

এবং অনেকেই পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অনেকে হইবে পরবর্তীদের মধ্য হইতে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং একদল পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং অনেকেই হবে পরবর্তী লোকদের থেকে।

সমকালীন বাংলা

আর বামদিকের লোকেরা, কী দুর্ভাগ্য বামদিকের লোকদের!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বামদিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

মুহিউদ্দীন খান

বামপার্শ্বস্থ লোক, কত না হতভাগা তারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর বামদিকের লোকেরা, কী যে হতভাগ্য বামদিকের লোকেরা!

সমকালীন বাংলা

তারা থাকবে উত্তপ্ত বাতাস ও ফুটন্ত পানির মধ্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা থাকিবে অত্যুষ্ণ বায়ু ও উত্তপ্ত পানিতে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা থাকবে প্রখর বাষ্পে এবং উত্তপ্ত পানিতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা থাকবে প্রচন্ড গরম বাতাস আর টগবগে ফুটন্ত গরম পানির মধ্যে,

সমকালীন বাংলা

এবং কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কৃষ্ণবর্ণ ধূম্রের ছায়ায়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

থাকবে কালো ধুঁয়ার ছায়ায়,

সমকালীন বাংলা

যা ঠান্ডাও নয় এবং আরামদায়কও নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা শীতল নয়, আরামদায়কও নয়।

মুহিউদ্দীন খান

যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা ঠান্ডাও হবেনা, আরামদায়কও হবেনা।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তারা এর আগে বিলাসিতায় মগ্ন ছিলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইতিপূর্বে উহারা তো মগ্ন ছিল ভোগ - বিলাসে

মুহিউদ্দীন খান

তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা তো মত্ত ছিলো ভোগ বিলাসে

সমকালীন বাংলা

আর তারা মহাপাপের উপর অবিচল থাকতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা অবিরাম লিপ্ত ছিল ঘোরতর পাপকর্মে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সদাসর্বদা ঘোরতর পাপকর্মে ডুবে থাকত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা অবিরাম লিপ্ত ছিলো গুরুতর পাপ কাজে।

সমকালীন বাংলা

আর তারা বলতো, “আমরা যখন মারা যাবো এবং মাটি ও হাড় হয়ে যাবো, তখনও কি আমাদের পুনরুত্থিত করা হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহারা বলিত, ‘মরিয়া অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হইলেও কি উত্থিত হইব আমরা?

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলতো: ‘‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি আর হাড়ে পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরুত্থিত করা হবে?

সমকালীন বাংলা

অথবা আমাদের পূর্বপুরুষদেরও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও?’

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও!

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’

সমকালীন বাংলা

বলো, “নিশ্চয়ই পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘অবশ্যই পূর্ববর্তিগণ ও পরবর্তিগণ -

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: পূর্বের এবং পরের সবাইকে,

সমকালীন বাংলা

এক নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ে অবশ্যই সমবেত হবে।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সকলকে একত্র করা হইবে এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।

মুহিউদ্দীন খান

সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

একত্র করা হবে একটি নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যা প্রতিপন্ন কারীরা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর হে বিভ্রান্ত অস্বীকারকারীরা!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যারোপকারীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর হে বিভ্রান্ত অস্বীকারকারীরা!

সমকালীন বাংলা

তোমরা অবশ্যই যাক্কুম গাছ থেকে খাবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই আহার করিবে যাক্কূম বৃক্ষ হইতে,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা অবশ্যি খাবে যাক্কুম গাছ থেকে,

সমকালীন বাংলা

তারপর তা দিয়ে তোমরা পেট ভরবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহা দ্বারা তোমরা উদর পূর্ণ করিবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা দ্বারা উদর পূর্ণ করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তা দিয়ে পূর্ণ করবে তোমাদের উদর!

সমকালীন বাংলা

তারপর তার উপর ফুটন্ত পানি পান করবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে তোমরা পান করিবে উহার উপর অত্যুষ্ণ পানি -

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার উপর পান করবে উত্তপ্ত পানি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার উপর পান করবে টগবগে ফুটন্ত গরম পানি।

সমকালীন বাংলা

এবং তৃষ্ণার্ত উটের মতো পান করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পান করিবে তৃষ্ণার্ত উষ্ট্রের ন্যায়।

মুহিউদ্দীন খান

পান করবে পিপাসিত উটের ন্যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তা তোমরা পান করবে তৃষার্ত উটের মতো।

সমকালীন বাংলা

এটাই প্রতিদান দিবসে তাদের আপ্যায়ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের দিন ইহাই হইবে উহাদের আপ্যায়ন।

মুহিউদ্দীন খান

কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিদান দিবসে এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।

সমকালীন বাংলা

আমরাই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তবে তোমরা কেন সত্য মেনে নাও না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি, তবে কেন তোমরা বিশ্বাস করিতেছ না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরাই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছি, কেন তোমরা তা স্বীকার করছো না?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবেছো, যা তোমরা বীর্যপাত করো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ তোমাদের বীর্যপাত সম্বন্ধে?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে বীর্যপাত করো, সে বিষয়ে তোমরা ভেবে দেখেছো কি?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তা সৃষ্টি করো, নাকি আমরাই সৃষ্টিকর্তা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাকে সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তা কি তোমরা সৃষ্টি করো, নাকি আমরাই তার স্রষ্টা?

সমকালীন বাংলা

আমরা তোমাদের মধ্যে মৃত্যুকে নির্ধারণ করেছি এবং আমরা অক্ষম নই

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারিত করিয়াছি এবং আমি অক্ষম নই -

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের জন্যে নির্ধারণ করে রেখেছি মউত এবং আমরা অক্ষম নই

সমকালীন বাংলা

যে আমরা তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মতো অন্যদের নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন জগতে পুনরায় সৃষ্টি করি যা তোমরা জানো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের স্থলে তোমাদের সদৃশ আনয়ন করিতে এবং তোমাদেরকে এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করিতে যাহা তোমরা জান না।

মুহিউদ্দীন খান

এ ব্যাপারে যে, তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মত লোককে নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন করে দেই, যা তোমরা জান না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের বদল করে তোমাদের স্থলে তোমাদের অনুরূপ অন্যদের নিয়ে আসতে এবং তোমাদের এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জানো না।

সমকালীন বাংলা

আর অবশ্যই তোমরা প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে জেনেছো; তবুও কেন শিক্ষা গ্রহণ করো না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো অবগত হইয়াছ প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা অবগত হয়েছ প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তো কেবল প্রথম সৃষ্টির কথাই জানো। তবে কেন তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করোনা?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবেছো,  যা তোমরা চাষ করো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে চিন্তা করিয়াছ কি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে বীজ বপন কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে (ক্ষেত খামারে) বীজ বপন করে আসো, সে বিষয়ে তোমরা ভেবে দেখেছো কি?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তা উৎপন্ন করো, নাকি আমরাই উৎপন্ন করি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি উহাকে অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাকে উৎপন্ন কর, না আমি উৎপন্নকারী ?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি অংকুরিত করো কি তোমরা, নাকি আমরাই অংকুর সৃষ্টিকারী?

সমকালীন বাংলা

আমরা চাইলে অবশ্যই তা খড়কুটো করে দিতে পারি, তখন তোমরা বিস্মিত হয়ে বলবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে ইহাকে খড় - কুটায় পরিণত করিতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হইয়া পড়িবে তোমরা;

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে তাকে খড়কুটা করে দিতে পারি, অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইচ্ছা করলে তা খড় কুটায় পরিণত করে দিতে পারি, তাতে তোমরা হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে (এবং বলবে:)

সমকালীন বাংলা

“নিশ্চয়ই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছি’,

মুহিউদ্দীন খান

বলবেঃ আমরা তো ঋণের চাপে পড়ে গেলাম;

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আমরা তো দেউলিয়া হয়ে পড়েছি।

সমকালীন বাংলা

বরং আমরা বঞ্চিত হয়েছি।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং ‘আমরা হৃতসর্বস্ব হইয়া পড়িয়াছি।’

মুহিউদ্দীন খান

বরং আমরা হূত সর্বস্ব হয়ে পড়লাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবেছো, যে পানি তোমরা পান করো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে পানি পান কর তাহা সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করিয়াছ?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে পানি পান করো সে বিষয়ে ভেবে দেখেছো কি?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামাও, নাকি আমরাই নামাই?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি উহা মেঘ হইতে নামাইয়া আন, না আমি উহা বর্ষণ করি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি?

আবদুস শহীদ নাসিম

মেঘ থেকে তা কি তোমরা নাযিল করো, নাকি আমরা নামিয়ে আনি?

সমকালীন বাংলা

আমরা চাইলে তা লবনাক্ত করে দিতে পারি। অতএব কেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে উহা লবণাক্ত করিয়া দিতে পারি। তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে তাকে লোনা করে দিতে পারি, অতঃপর তোমরা কেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইচ্ছা করলে তা লোনা লবণাক্ত রেখে দিতে পারি, তবু কেন তোমরা শোকর আদায় করোনা?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যে আগুন তোমরা জ্বালাও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে অগ্নি কর তাহা লক্ষ্য করিয়া দেখিয়াছ কি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে আগুন জ্বালাও, তার প্রতি লক্ষ্য করে দেখেছো কি?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তার গাছ সৃষ্টি করেছো, নাকি আমরাই সৃষ্টি করেছি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরাই কি উহার বৃক্ষ সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরাই কি তার জ্বালানি সৃষ্টি করো, নাকি আমরাই তার স্রষ্টা?

সমকালীন বাংলা

আমরা এটিকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার বিষয় এবং পথিকদের জন্য উপকার করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহাকে করিয়াছি নিদর্শন এবং মরুচারীদের প্রয়োজনীয় বস্তু।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এটাকে করেছি একটি নিদর্শন এবং মরুচারীদের জন্যে অতীব প্রয়োজনীয়।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমার মহান প্রতিপালকের নামে পবিত্রতা ঘোষণা করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি তোমার মহান প্রভুর নাম নিয়ে তসবিহ করো।

সমকালীন বাংলা

অতএব না, আমি নক্ষত্রসমূহের অবস্থানগুলোর শপথ করছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি শপথ করছি নক্ষত্র রাজির অস্তাচলের,

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই এটি এক মহাশপথ, যদি তোমরা জানতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহা এক মহাশপথ, যদি তোমরা জানিতে -

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ - যদি তোমরা জানতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি এটা একটা বড় শপথ, যদি তোমরা এর গুরুত্ব বুঝতে!

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এটি সম্মানিত কুরআন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহা সম্মানিত কুরআন,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা সম্মানিত কোরআন,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এটি একটি সম্মানিত কুরআন।

সমকালীন বাংলা

যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।

মুহিউদ্দীন খান

যা আছে এক গোপন কিতাবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি রয়েছে সুরক্ষিত কিতাবে (উম্মুল কিতাবে)।

সমকালীন বাংলা

পবিত্রকৃতরা ছাড়া কেউ তা স্পর্শ করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা পূত - পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পাক - পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

পবিত্ররা (ফেরেশতারা) ছাড়া কেউ এটি স্পর্শ করেনা (নবীর কাছে বহন করে আনেনা)।

সমকালীন বাংলা

এটি সৃষ্টিজগতের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা বিশ্ব - পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি নাযিল হচ্ছে রাববুল আলামিনের পক্ষ থেকে।

সমকালীন বাংলা

তাহলে কি তোমরা এই বাণীকে হালকা করে দেখছো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?

মুহিউদ্দীন খান

তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি শৈথিল্য পদর্শন করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এই মহাবাণীকে তোমরা তুচ্ছ মনে করছো?

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা যে তোমাদের জীবিকাকে অস্বীকার করছো?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছ !

মুহিউদ্দীন খান

এবং একে মিথ্যা বলাকেই তোমরা তোমাদের ভূমিকায় পরিণত করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করাকেই কি তোমরা বানিয়ে নিয়েছো তোমাদের উপজীব্য?

সমকালীন বাংলা

অতএব যখন প্রাণ কণ্ঠনালিতে পৌঁছে যায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরন্তু কেন নয় - প্রাণ যখন কণ্ঠাগত হয়

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন কারও প্রাণ কন্ঠাগত হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তোমাদের প্রাণ এসে পড়বে কণ্ঠনালীতে,

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা তখন তাকিয়ে থাকো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তখন তোমরা তাকাইয়া থাক,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমরা তাকিয়ে থাক,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তোমরা তাকিয়ে থাকবে এক দৃষ্টিতে,

সমকালীন বাংলা

আর আমরা তার চেয়ে তোমাদের নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তাহার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখিতে পাও না।

মুহিউদ্দীন খান

তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তোমাদের চাইতেও তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা।

সমকালীন বাংলা

অতএব যদি তোমরা কারও অধীন না হও,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যদি কর্তৃত্বাধীন না হও!

মুহিউদ্দীন খান

যদি তোমাদের হিসাব - কিতাব না হওয়াই ঠিক হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি পুনরুত্থান ও প্রতিদান দিবসকে মেনে না নাও,

সমকালীন বাংলা

তবে সেই প্রাণকে ফিরিয়ে আনো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তোমরা উহা ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তোমরা তা (জীবন) ফিরাও না কেন তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে?

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,

মুহিউদ্দীন খান

যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়;

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যদি সান্নিধ্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,

সমকালীন বাংলা

তবে আরাম আর সুগন্ধি উদ্ভিদ আর সুখের বেহেস্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহার জন্য রহিয়াছে আরাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখদ উদ্যান;

মুহিউদ্দীন খান

তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তখন তার জন্যে থাকবে সুরভিত এবং ফুলেল উদ্যান আর জান্নাতুন নায়ীম (নিয়ামতে ভরা জান্নাত)।

সমকালীন বাংলা

আর যদি সে ডানদিকের লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যদি সে ডানদিকের একজন হয়,

মুহিউদ্দীন খান

আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সে যদি হয় ডানদিকের লোকদের একজন,

সমকালীন বাংলা

তবে তোমার জন্য শান্তি, কারণ সে ডানদিকের লোকদের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহাকে বলা হইবে, ‘হে দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী! তোমার প্রতি শান্তি।’

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তাকে বলা হবে: ‘হে ডান পাশবর্তী! তোমার প্রতি সালাম।’

সমকালীন বাংলা

আর যদি সে মিথ্যাপ্রতিপন্নকারী পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে যদি সত্য অস্বীকারকারী ও বিভ্রান্তদের অন্যতম হয়,

মুহিউদ্দীন খান

আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সে যদি হয় বিভ্রান্ত মিথ্যাবাদীদের একজন,

সমকালীন বাংলা

তবে তার আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে রহিয়াছে আপ্যায়ন অত্যুষ্ণ পানির দ্বারা,

মুহিউদ্দীন খান

তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে তার আতিথ্য হবে টগবগে ফুটন্ত গরম পানি,

সমকালীন বাংলা

এবং জাহিমে পোড়ানো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং দহন জাহান্নামের;

মুহিউদ্দীন খান

এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর জাহান্নামের দহন।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এটিই নিশ্চিত সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো ধ্রুব সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

এটা ধ্রুব সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ এক নিশ্চিত সত্য বিষয়।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমার মহান প্রতিপালকের নামে পবিত্রতা ঘোষণা করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, তুমি তসবিহ্ করো তোমার মহান প্রভুর নামের।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme