You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল ইনসান (মানুষ)
Chapter 76, 31 verses
সমকালীন বাংলা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; মানুষের ওপর কি এমন এক সময় অতিক্রান্ত হয়নি, যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কালপ্রবাহে মানুষের উপর তো এমন এক সময় আসিয়াছিল, যখন সে উল্লখযোগ্য কিছু ছিল না।
মুহিউদ্দীন খান
মানুষের উপর এমন কিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না।
জহুরুল হক
মানুষের উপরে কি দীর্ঘ সময়ের অবকাশ অতিবাহিত হয় নি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিল না?
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্রিত বীর্যবিন্দু থেকে, তাকে পরীক্ষা করার জন্য; অতঃপর আমরা তাকে শ্রবণশক্তিসম্পন্ন ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছি মিলিত শুক্রবিন্দু হইতে, তাহাকে পরীক্ষা করিবার জন্য; এইজন্য আমি তাহাকে করিয়াছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।
মুহিউদ্দীন খান
আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে, এভাবে যে, তাকে পরীক্ষা করব অতঃপর তাকে করে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি সংযুক্ত এক শুক্রকীট থেকে, আমরা তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছি, সেজন্য আমরা তা কে বানিয়েছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা তাকে পথ দেখিয়েছি—সে হয় কৃতজ্ঞ, নয়তো অকৃতজ্ঞ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তাহাকে পথের নির্দেশ দিয়াছি, হয় সে কৃতজ্ঞ হইবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হইবে।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছি। এখন সে হয় কৃতজ্ঞ হয়, না হয় অকৃতজ্ঞ হয়।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ আমরা তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি, - - হয় সে কৃতজ্ঞ হবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হবে।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা অস্বীকারকারীদের জন্য প্রস্তুত করেছি শৃঙ্খল, বেড়ি ও জ্বলন্ত আগুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি অকৃতজ্ঞদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি শৃংখল, বেড়ি ও লেলিহান অগ্নি।
মুহিউদ্দীন খান
আমি অবিশ্বাসীদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছি শিকল, বেড়ি ও অগ্নি।
জহুরুল হক
আমরা অবশ্য অকৃতজ্ঞদের জন্য তৈরি করেছি শিকল ও বেড়ি, আর জ্বলন্ত আগুন।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণরা পান করবে এমন এক পানপাত্র থেকে, যার মিশ্রণ হবে কর্পূরের মতন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সৎকর্মশীলেরা পান করিবে এমন পানীয় যাহার মিশ্রণ কাফূর -
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয়ই সৎকর্মশীলরা পান করবে কাফুর মিশ্রিত পানপাত্র।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ পুণ্যাত্মারা পান করবে এমন একটি পাত্র থেকে যার মেজাজ হবে কর্পূরের - -
সমকালীন বাংলা
এক ঝর্ণা থেকে, যেখান থেকে আল্লাহর বান্দাগণ পান করবে; তারা তা প্রবাহিত করবে যেভাবে খুশি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এমন একটি প্রস্রবণ যাহা হইতে র বান্দাগণ পান করিবে, তাহারা এই প্রস্রবণকে যথা ইচ্ছা প্রবাহিত করিবে।
মুহিউদ্দীন খান
এটা একটা ঝরণা, যা থেকে আল্লাহর বান্দাগণ পান করবে - তারা একে প্রবাহিত করবে।
জহুরুল হক
একটি ফোয়ারা - - যা থেকে র বান্দারা পান করবে, তারা এটিকে প্রবাহিত করবে অবিরাম ধারায়।
সমকালীন বাংলা
তারা প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং সে দিনকে ভয় করে, যার অকল্যাণ হবে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা কর্তব্য পালন করে এবং সেই দিনের ভয় করে, যেই দিনের বিপত্তি হইবে ব্যাপক।
মুহিউদ্দীন খান
তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।
জহুরুল হক
তারা মানত পালন করে, এবং ভয় করে সেই দিনটির যার ধ্বংসলীলা হবে সুদূরপ্রসারী।
সমকালীন বাংলা
এবং নিজেদের আসক্তি সত্ত্বেও তারা খাদ্য দান করে অভাবগ্রস্ত, এতিম ও বন্দীকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আহার্যের প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও তাহারা অভাবগ্রস্ত, ইয়াতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে,
মুহিউদ্দীন খান
তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে।
জহুরুল হক
আর তারা তাঁর প্রতি প্রেমবশতঃ খাবার খেতে দেয় অভাবগ্রস্তকে ও এতিমকে ও বন্দীকে - -
সমকালীন বাংলা
“আমরা তো তোমাদের আহার করাই কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য; আমরা তোমাদের নিকট থেকে কোনো প্রতিদান কিংবা কৃতজ্ঞতা চাই না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং বলে, ‘কেবল র সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি, আমরা তোমাদের নিকট হইতে প্রতি - দান চাই না, কৃতজ্ঞতাও নয়।
মুহিউদ্দীন খান
তারা বলেঃ কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না।
জহুরুল হক
''আমরা তোমাদের খেতে দিচ্ছি শুধু র সন্তষ্টিলাভের জন্য, তোমাদের থেকে আমরা কোনো প্রতিদান চাই না, কৃতজ্ঞতাও নয়।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা আমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে এক কঠিন ও ভীতিপ্রদ দিনের ভয় করি।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা আশংকা করি আমাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের।’
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের ভয় রাখি।
জহুরুল হক
''আমরা আলবৎ আমাদের প্রভুর নিকট থেকে এক ভীতিপ্রদ বিপদসংকুল দিনের ভয় করি।’’
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তাদেরকে সে দিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন এবং তাদের দান করবেন দীপ্তি ও আনন্দ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিণামে তাহাদেরকে রক্ষা করিবেন সেই দিবসের অনিষ্ট হইতে এবং তাহাদেরকে দিবেন উৎফুল্লতা ও আনন্দ,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তাদেরকে সেদিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন এবং তাদেরকে দিবেন সজীবতা ও আনন্দ।
জহুরুল হক
কাজেই তাদের রক্ষা করবেন সেইদিনের অকল্যাণ থেকে এবং তাদের সাক্ষাৎ করাবেন প্রফুল্লতার ও প্রশান্তির সাথে,
সমকালীন বাংলা
এবং তাদের ধৈর্যের কারণে তাদের প্রতিদান দেবেন বেহেশত ও রেশমবস্ত্র।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তাহাদের ধৈর্যশীলতার পুরস্কারস্বরূপ তাহাদেরকে দিবেন উদ্যান ও রেশমী বস্ত্র।
মুহিউদ্দীন খান
এবং তাদের সবরের প্রতিদানে তাদেরকে দিবেন জান্নাত ও রেশমী পোশাক।
জহুরুল হক
আর যেহেতু তারা অধ্যবসায় চালিয়েছিল সেজন্য প্রতিদানে তাদের দেবেন বাগান ও রেশমী পোশাক,
সমকালীন বাংলা
তারা সেখানে সুসজ্জিত আসনের ওপর হেলান দিয়ে থাকবে; সেখানে তারা দেখবে না সূর্যের তাপ, না তীব্র শীত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেখানে তাহারা সমাসীন হইবে সুসজ্জিত আসনে, তাহারা সেখানে অতিশয় গরম অথবা অতিশয় শীত বোধ করিবে না।
মুহিউদ্দীন খান
তারা সেখানে সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। সেখানে রৌদ্র ও শৈত্য অনুভব করবে না।
জহুরুল হক
তারা সেখানে সমাসীন থাকবে রাজকীয় আসনে, তারা সেখানে দেখতে পাবে না সূর্যোত্তাপ, না কোনো কনকনে ঠান্ডা,
সমকালীন বাংলা
এবং তার ছায়াসমূহ তাদের উপরে থাকবে, আর তার ফলসমূহ নাগালের মধ্যে এনে দেওয়া হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সন্নিহিত বৃক্ষছায়া তাহাদের উপর থাকিবে এবং উহার ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাহাদের আয়ত্তাধীন করা হইবে।
মুহিউদ্দীন খান
তার বৃক্ষছায়া তাদের উপর ঝুঁকে থাকবে এবং তার ফলসমূহ তাদের আয়ত্তাধীন রাখা হবে।
জহুরুল হক
আর তাদের সন্নিকটে থাকবে তাদের গাছের ছায়া, আর তাদের থোকা - থোকা ফল থাকবে নত হয়ে নাগালের মধ্যে।
সমকালীন বাংলা
এবং তাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াবে রৌপ্যপাত্র ও স্বচ্ছ স্ফটিকের পেয়ালা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদেরকে পরিবেশন করা হইবে রৌপ্যপাত্রে এবং স্ফটিকের মত স্বচ্ছ পানপাত্রে -
মুহিউদ্দীন খান
তাদেরকে পরিবেশন করা হবে রূপার পাত্রে এবং স্ফটিকের মত পানপাত্রে।
জহুরুল হক
আর তাদের সামনে পরিবেশন করা হবে রূপোর পেয়ালা ও ঝলমলে কাচের পানপাত্র, - -
সমকালীন বাংলা
রৌপ্যের স্ফটিক, যা তারা পরিমিতভাবে পূর্ণ করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
রজতশুভ্র স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশনকারীরা যথাযথ পরিমাণে উহা পূর্ণ করিবে।
মুহিউদ্দীন খান
রূপালী স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশনকারীরা তা পরিমাপ করে পূর্ণ করবে।
জহুরুল হক
চাঁদির তৈরি চক্মকে কাচের মতো, - - তারা তা মেপে নেবে একটি পরিমাপে।
সমকালীন বাংলা
এবং সেখানে তাদের পান করানো হবে এমন এক পানপাত্র, যা হবে আদা মিশ্রিত,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেখানে তাহাদেরকে পান করিতে দেওয়া হইবে যান্জাবীল মিশ্রিত পানীয়,
মুহিউদ্দীন খান
তাদেরকে সেখানে পান করানো হবে ‘যানজাবীল’ মিশ্রিত পানপাত্র।
জহুরুল হক
আর তাদের তাতে পান করানো হবে এমন একটি পাত্র যার মেজাজ হবে আদ্রকের, - -
সমকালীন বাংলা
এক ঝর্ণা থেকে, যার নাম সেখানে ‘সালসাবীল’।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জান্নাতের এমন এক প্রস্রবণের যাহার নাম সালসাবীল।
মুহিউদ্দীন খান
এটা জান্নাতস্থিত ‘সালসাবীল’ নামক একটি ঝরণা।
জহুরুল হক
তার মধ্যের একটি ফোয়ারাতে যার নাম দেয়া হয়েছে সাল্সাবীল।
সমকালীন বাংলা
এবং তাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াবে চিরস্থায়ী কিশোররা; তুমি যখন তাদের দেখবে, মনে হবে যেন তারা বিক্ষিপ্ত মুক্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদেরকে পরিবেশন করিবে চিরকিশোরগণ, যখন তুমি উহাদেরকে দেখিবে তখন মনে করিবে উহারা যেন বিক্ষিপ্ত মুক্তা,
মুহিউদ্দীন খান
তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরগণ। আপনি তাদেরকে দেখে মনে করবেন যেন বিক্ষিপ্ত মনি - মুক্তা।
জহুরুল হক
আর তাদের প্রদক্ষিণ করবে চিরস্ফুটিত কিশোরগণ, - - তোমরা যখন তাদের দেখবে তাদের তোমরা ভাববে ছড়ানো মুক্তো!
সমকালীন বাংলা
আর যখন তুমি সেখানে দেখবে, দেখতে পাবে সুখ-সম্ভার ও মহিমান্বিত রাজ্য।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি যখন সেখানে দেখিবে, দেখিতে পাইবে ভোগ - বিলাসের উপকরণ এবং বিশাল রাজ্য।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি যখন সেখানে দেখবেন, তখন নেয়ামতরাজি ও বিশাল রাজ্য দেখতে পাবেন।
জহুরুল হক
আর যখন তুমি সেখানে চেয়ে দেখবে, তুমি দেখতে পাবে অনুগ্রহ - সামগ্রী ও এক বিশাল রাজ্য।
সমকালীন বাংলা
৭৬–২১ : তাদের পরিধানে থাকবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও ঘন বস্ত্র; এবং তাদের অলংকৃত করা হবে রৌপ্য কংকণে; আর তাদের প্রতিপালক তাদের পান করাবেন পবিত্র পানীয়।
Note
‘শরাবান - তহুরা’ /পবিত্রপানীয়
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদের আবরণ হইবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও স্থূল রেশম, তাহারা অলংকৃত হইবে রৌপ্য নির্মিত কংকনে, আর তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে পান করাইবেন বিশুদ্ধ পানীয়।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের আবরণ হবে চিকন সবুজ রেশম ও মোটা সবুজ রেশম এবং তাদেরকে পরিধান করোনো হবে রৌপ্য নির্মিত কংকণ এবং তাদের পালনকর্তা তাদেরকে পান করাবেন ‘শরাবান - তহুরা’।
জহুরুল হক
তাদের পরিধেয় হবে মিহি সবুজ রেশমের ও পুরু জরির পোশাক, আর তাদের অলংকৃত করানো হবে রূপোর কাঁকন দিয়ে, আর তাদের প্রভু তাদের পান করাবেন এক পবিত্র পানীয়।
সমকালীন বাংলা
“নিশ্চয়ই এটি তোমাদের প্রতিদান, এবং তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবশ্য, ইহাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃত।
মুহিউদ্দীন খান
এটা তোমাদের প্রতিদান। তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃতি লাভ করেছে।
জহুরুল হক
''নিঃসন্দেহ এটি হচ্ছে তোমাদের জন্য পুরস্কার, আর তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।’’
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা তোমার প্রতি ধাপে ধাপে এই কুরআন অবতীর্ণ করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তো তোমাদের প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি ক্রমে ক্রমে,
মুহিউদ্দীন খান
আমি আপনার প্রতি পর্যায়ক্রমে কোরআন নাযিল করেছি।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ আমরা - - আমরা স্বয়ং তোমার কাছে এই কুরআান এক অবতারণে অবতীর্ণ করেছি।
সমকালীন বাংলা
অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের বিধানের প্রতি ধৈর্য ধারণ কর এবং তাদের কোনো পাপী কিংবা অবিশ্বাসীর অনুসরণ করো না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং ধৈর্যের সঙ্গে তুমি তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের প্রতীক্ষা কর এবং উহাদের মধ্যে যে পাপিষ্ঠ অথবা তাহার আনুগত্য করিও না।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের জন্যে ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করুন এবং ওদের মধ্যকার কোন পাপিষ্ঠ কাফেরের আনুগত্য করবেন না।
জহুরুল হক
সুতরাং তোমার প্রভুর নির্দেশের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, আর তাদের মধ্যেকার কোনো পাপিষ্ঠের অথবা সত্যপ্রত্যাখ্যান - কারীর আজ্ঞা পালন করো না।
সমকালীন বাংলা
এবং সকাল ও সন্ধ্যায় তোমার প্রতিপালকের নাম স্মরণ কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তোমার প্রতিপালকের নাম স্মরণ কর সকালে ও সন্ধ্যায়,
মুহিউদ্দীন খান
এবং সকাল - সন্ধ্যায় আপন পালনকর্তার নাম স্মরণ করুন।
জহুরুল হক
আর তোমার প্রভুর নাম কীর্তন করো সকালে ও বিকেলে,
সমকালীন বাংলা
এবং রাতের এক অংশে তাঁর প্রতি সিজদা কর এবং দীর্ঘ রাতে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং রাত্রির কিয়দংশে তাঁহার প্রতি সিজ্দাবনত হও আর রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।
মুহিউদ্দীন খান
রাত্রির কিছু অংশে তাঁর উদ্দেশে সিজদা করুন এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
জহুরুল হক
আর রাতের থেকে তাঁর প্রতি সিজদা করো, আর লন্বা রাত পর্যন্ত তাঁর গুণগান করো।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই এরা পার্থিব জীবনকে ভালোবাসে এবং তাদের সামনে থাকা গুরুতর দিনকে উপেক্ষা করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা ভালবাসে পার্থিব জীবনকে এবং উহারা পরবর্তী কঠিন দিবসকে উপেক্ষা করিয়া চলে।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় এরা পার্থিব জীবনকে ভালবাসে এবং এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ এরা ভালবাসে অস্থায়ী জীবন, আর অবহেলা করে এদের সামনের এক কঠিন দিনকে।
সমকালীন বাংলা
আমরা তাদের সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গঠনকে সুদৃঢ় করেছি; আর আমরা ইচ্ছা করলে তাদের পরিবর্তে তাদের সদৃশদের প্রতিস্থাপন করতে পারি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি উহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি এবং উহাদের গঠন সুদৃঢ় করিয়াছি। আমি যখন ইচ্ছা করিব উহাদের পরিবর্তে উহাদের অনুরূপ এক জাতিকে প্রতিষ্ঠা করিব।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন। আমি যখন ইচ্ছা করব, তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ লোক আনব।
জহুরুল হক
আমরাই তাদের সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন, কাজেই যখন আমরা চাইব তখন তাদের অনুরূপদের আমরা বদলে দেবো আমূল পরিবর্তনে।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই এটি একটি উপদেশ; অতএব যে ইচ্ছা করে, সে তার প্রতিপালকের দিকে পথ গ্রহণ করুক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা এক উপদেশ, অতএব যাহার ইচ্ছা সে তাহার প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করুক।
মুহিউদ্দীন খান
এটা উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা হয় সে তার পালনকর্তার পথ অবলম্বন করুক।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ এটি এক স্মরণীয় বার্তা, সুতরাং যে ইচ্ছা করে সে তার প্রভুর দিকে পথ ধরুক।
সমকালীন বাংলা
আর তোমরা ইচ্ছা করবে না, যদি না ইচ্ছা করেন। নিশ্চয়ই সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা ইচ্ছা করিবে না যদি না ইচ্ছা করেন। র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
মুহিউদ্দীন খান
আল্লাহর অভিপ্রায় ব্যতিরেকে তোমরা অন্য কোন অভিপ্রায় পোষণ করবে না। সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
জহুরুল হক
আর তোমরা চাও না র চাওয়া ব্যতিরেকে। নিঃসন্দেহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
সমকালীন বাংলা
তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তাঁর রহমতে প্রবেশ করান; আর সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য তিনি প্রস্তুত করেছেন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি যাহাকে ইচ্ছা তাঁহার অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু জালিমরা - উহাদের জন্য তো তিনি প্রস্তুত রাখিয়াছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের জন্যে তো প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
জহুরুল হক
তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তাঁর অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করান। কিন্ত অন্যায়কারীরা - - তাদের জন্য তিনি তৈরি করেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।