আল মারিজ (ঊর্ধ্বগমন) , choose another chapter
আল মারিজ (ঊর্ধ্বগমন)
Chapter 70, 44 verses
সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান
Arabic, with marks
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Add book
List
Grid
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; একজন অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল।
মুহিউদ্দীন খান
১ একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ سَأَلَ سَائِلٌ بِعَذَابٍ وَاقِعٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ এক ব্যক্তি চাহিল সংঘটিত হউক শাস্তি, যাহা অবধারিত -
সমকালীন বাংলা
২ অস্বীকারকারীদের জন্য; যা প্রতিহত করার কেউ নেই,
মুহিউদ্দীন খান
২ কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।
Arabic, with marks
٢ لِّلْكَافِرِينَ لَيْسَ لَهُ دَافِعٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করিবার কেহ নাই।
সমকালীন বাংলা
৩ উচ্চ মর্যাদাসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
৩ তা আসবে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।
Arabic, with marks
٣ مِّنَ اللَّهِ ذِي الْمَعَارِجِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ ইহা আসিবে আল্লাহ্ র নিকট হইতে, তিনি সুমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
সমকালীন বাংলা
৪ ফেরেশতারা এবং রূহ তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
মুহিউদ্দীন খান
৪ ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
Arabic, with marks
٤ تَعْرُجُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ ফিরিশ্তা এবং রূহ্ আল্লাহ্ র দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় এমন এক দিনে, যাহার পরিমাণ পার্থিব পঞ্চাশ হাযার বৎসর।
সমকালীন বাংলা
৫ অতএব তুমি উত্তম ধৈর্য ধারণ করো।
মুহিউদ্দীন খান
৫ অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।
Arabic, with marks
٥ فَاصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর, পরম ধৈর্য।
সমকালীন বাংলা
৬ নিশ্চয়ই তারা এটিকে দূরে মনে করে,
মুহিউদ্দীন খান
৬ তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,
Arabic, with marks
٦ إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُ بَعِيدًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ উহারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর,
সমকালীন বাংলা
৭ আর আমরা এটিকে নিকটবর্তী দেখি।
মুহিউদ্দীন খান
৭ আর আমি একে আসন্ন দেখছি।
Arabic, with marks
٧ وَنَرَاهُ قَرِيبًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ কিন্তু আমি দেখিতেছি ইহা আসন্ন।
সমকালীন বাংলা
৮ সেদিন আকাশ গলিত ধাতুর মতো হয়ে যাবে,
মুহিউদ্দীন খান
৮ সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
Arabic, with marks
٨ يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সেদিন আকাশ হইবে গলিত ধাতুর মত
সমকালীন বাংলা
৯ এবং পাহাড়গুলো হবে রঙিন পশমের মতো,
মুহিউদ্দীন খান
৯ এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
Arabic, with marks
٩ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ এবং পর্বতসমূহ হইবে রঙ্গীন পশমের মত,
সমকালীন বাংলা
১০ এবং কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধুর খোঁজ নেবে না।
মুহিউদ্দীন খান
১০ বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
Arabic, with marks
١٠ وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব লইবে না,
সমকালীন বাংলা
১১ যদিও তাদেরকে একে অপরকে দেখানো হবে। অপরাধী কামনা করবে, সেদিনের শাস্তি থেকে মুক্তির বিনিময়ে দিতে তার সন্তানদের,
মুহিউদ্দীন খান
১১ যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,
Arabic, with marks
١١ يُبَصَّرُونَهُمْ ۚ يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ উহাদেরকে করা হইবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তাহার সন্তান - সন্ততিকে,
সমকালীন বাংলা
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,
মুহিউদ্দীন খান
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
Arabic, with marks
١٢ وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ তাহার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে,
সমকালীন বাংলা
১৩ তার সেই নিকট আত্মীয়দের, যারা তাকে আশ্রয় দিত,
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
Arabic, with marks
١٣ وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তাহার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে, যাহারা তাহাকে আশ্রয় দিত
সমকালীন বাংলা
১৪ এবং পৃথিবীতে সকলকে; তারপর যেন তা তাকে মুক্তি দেয়।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
Arabic, with marks
١٤ وَمَن فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ এবং পৃথিবীর সকলকে, যাহাতে এই মুক্তিপণ তাহাকে মুক্তি দেয়।
সমকালীন বাংলা
১৫ কখনোই নয়! নিশ্চয়ই তা এক প্রজ্বলিত আগুন,
মুহিউদ্দীন খান
১৫ কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
Arabic, with marks
١٥ كَلَّا ۖ إِنَّهَا لَظَىٰ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ না, কখনই নয়, ইহা তো লেলিহান অগ্নি,
সমকালীন বাংলা
১৬ যা মাথার চামড়া তুলে নেয়,
মুহিউদ্দীন খান
১৬ যা চামড়া তুলে দিবে।
Arabic, with marks
١٦ نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ যাহা গাত্র হইতে চামড়া খসাইয়া দিবে।
সমকালীন বাংলা
১৭ তা আহ্বান করবে, যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল এবং বিমুখ হয়েছিল,
মুহিউদ্দীন খান
১৭ সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।
Arabic, with marks
١٧ تَدْعُو مَنْ أَدْبَرَ وَتَوَلَّىٰ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকিবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
সমকালীন বাংলা
১৮ এবং সম্পদ জমা করেছিল ও সঞ্চয় করে রেখেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
Arabic, with marks
١٨ وَجَمَعَ فَأَوْعَىٰ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছিল।
সমকালীন বাংলা
১৯ নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।
Arabic, with marks
١٩ ۞ إِنَّ الْإِنسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ মানুষ তো সৃজিত হইয়াছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।
সমকালীন বাংলা
২০ যখন তাকে অকল্যাণ স্পর্শ করে, তখন সে অধৈর্য হয়ে পড়ে।
মুহিউদ্দীন খান
২০ যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।
Arabic, with marks
٢٠ إِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوعًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ যখন বিপদ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় হা - হুতাশকারী।
সমকালীন বাংলা
২১ এবং যখন তাকে কল্যাণ স্পর্শ করে, তখন সে কৃপণ হয়ে যায়।
মুহিউদ্দীন খান
২১ আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।
Arabic, with marks
٢١ وَإِذَا مَسَّهُ الْخَيْرُ مَنُوعًا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ আর যখন কল্যাণ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় অতি কৃপণ ;
সমকালীন বাংলা
২২ তবে সালাত আদায়কারীরা ব্যতীত,
মুহিউদ্দীন খান
২২ তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায় কারী।
Arabic, with marks
٢٢ إِلَّا الْمُصَلِّينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ তবে সালাত আদায়কারীগণ ব্যতীত,
সমকালীন বাংলা
২৩ যারা তাদের সালাতে অবিচল থাকে,
মুহিউদ্দীন খান
২৩ যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
Arabic, with marks
٢٣ الَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَائِمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,
সমকালীন বাংলা
২৪ এবং যাদের সম্পদে নির্ধারিত অধিকার রয়েছে,
মুহিউদ্দীন খান
২৪ এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে
Arabic, with marks
٢٤ وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُومٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ আর যাহাদের সম্পদে নির্ধারিত হক রহিয়াছে
সমকালীন বাংলা
২৫ প্রার্থনাকারী এবং বঞ্চিতের জন্য,
মুহিউদ্দীন খান
২৫ যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের
Arabic, with marks
٢٥ لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,
সমকালীন বাংলা
২৬ এবং যারা প্রতিদান দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে,
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
Arabic, with marks
٢٦ وَالَّذِينَ يُصَدِّقُونَ بِيَوْمِ الدِّينِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ এবং যাহারা কর্মফল দিবসকে সত্য বলিয়া জানে।
সমকালীন বাংলা
২৭ এবং যারা তাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীত থাকে।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।
Arabic, with marks
٢٧ وَالَّذِينَ هُم مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشْفِقُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ আর যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত -
সমকালীন বাংলা
২৮ নিশ্চয়ই তাদের প্রতিপালকের শাস্তি থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
Arabic, with marks
٢٨ إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَيْرُ مَأْمُونٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ নিশ্চয়ই তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি হইতে নিঃশংক থাকা যায় না -
সমকালীন বাংলা
২৯ এবং যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে,
মুহিউদ্দীন খান
২৯ এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে
Arabic, with marks
٢٩ وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ এবং যাহারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,
সমকালীন বাংলা
৩০ তবে তাদের স্ত্রীদের অথবা যারা তাদের অধিকারভুক্ত তাদের ক্ষেত্রে নয়; কারণ নিশ্চয়ই তারা নিন্দনীয় নয়।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।
Arabic, with marks
٣٠ إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ তাহাদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত, ইহাতে তাহারা নিন্দনীয় হইবে না -
সমকালীন বাংলা
৩১ অতঃপর যে এর বাইরে কামনা করে, তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
Arabic, with marks
٣١ فَمَنِ ابْتَغَىٰ وَرَاءَ ذَٰلِكَ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْعَادُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ তবে কেহ ইহাদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করিলে তাহারা হইবে সীমালংঘনকারী -
সমকালীন বাংলা
৩২ এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকারের প্রতি যত্নবান,
মুহিউদ্দীন খান
৩২ এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে
Arabic, with marks
٣٢ وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ এবং যাহারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,
সমকালীন বাংলা
৩৩ এবং যারা তাদের সাক্ষ্যে অবিচল থাকে,
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান
Arabic, with marks
٣٣ وَالَّذِينَ هُم بِشَهَادَاتِهِمْ قَائِمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ আর যাহারা তাহাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
সমকালীন বাংলা
৩৪ এবং যারা তাদের সালাতের সুরক্ষা করে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
Arabic, with marks
٣٤ وَالَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান -
সমকালীন বাংলা
৩৫ তারাই সম্মানিত হবে জান্নাতে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
Arabic, with marks
٣٥ أُولَٰئِكَ فِي جَنَّاتٍ مُّكْرَمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ তাহারাই সম্মানিত হইবে জান্নাতে।
সমকালীন বাংলা
৩৬ অতঃপর অবিশ্বাসীদের কী হয়েছে যে তারা তোমার দিকে ছুটে আসে,
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।
Arabic, with marks
٣٦ فَمَالِ الَّذِينَ كَفَرُوا قِبَلَكَ مُهْطِعِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ কাফিরদের হইল কি যে, উহারা তোমার দিকে ছুটিয়া আসিতেছে
সমকালীন বাংলা
৩৭ ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে, দলে দলে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।
Arabic, with marks
٣٧ عَنِ الْيَمِينِ وَعَنِ الشِّمَالِ عِزِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ দক্ষিণ ও বাম দিক হইতে, দলে দলে।
সমকালীন বাংলা
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে তাকে নেয়ামতপূর্ণ বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
Arabic, with marks
٣٨ أَيَطْمَعُ كُلُّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ أَن يُدْخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ উহাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাহাকে দাখিল করা হইবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে?
সমকালীন বাংলা
৩৯ কখনোই নয়! নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তা থেকে, যা তারা জানে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
Arabic, with marks
٣٩ كَلَّا ۖ إِنَّا خَلَقْنَاهُم مِّمَّا يَعْلَمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ কখনো না, আমি উহাদেরকে যাহা হইতে সৃষ্টি করিয়াছি তাহা উহারা জানে।
সমকালীন বাংলা
৪০ অতএব পূর্বসমূহ ও পশ্চিমসমূহের প্রতিপালকের শপথ! নিশ্চয়ই আমরা অবশ্যই সক্ষম।
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!
Arabic, with marks
٤٠ فَلَا أُقْسِمُ بِرَبِّ الْمَشَارِقِ وَالْمَغَارِبِ إِنَّا لَقَادِرُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ আমি শপথ করিতেছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির - নিশ্চয়ই আমি সক্ষম,
সমকালীন বাংলা
৪১ তাদের পরিবর্তে তাদের চেয়ে উত্তমদের আনতে; এবং আমরা অক্ষম নই।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
Arabic, with marks
٤١ عَلَىٰ أَن نُّبَدِّلَ خَيْرًا مِّنْهُمْ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ উহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠীকে উহাদের স্থলবর্তী করিতে এবং ইহাতে আমি অক্ষম নই।
সমকালীন বাংলা
৪২ অতএব তাদেরকে ছেড়ে দিন; তারা অর্থহীন আলোচনায় লিপ্ত থাকুক এবং খেলায় মত্ত থাকুক, যতক্ষণ না তারা সেই দিনের সম্মুখীন হয়, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
Arabic, with marks
٤٢ فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا وَيَلْعَبُوا حَتَّىٰ يُلَاقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي يُوعَدُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ অতএব উহাদেরকে বাকবিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুকে মত্ত থাকিতে দাও, যে দিবস সম্পর্কে তাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
সমকালীন বাংলা
৪৩ যেদিন তারা দ্রুত কবরসমূহ থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোনো লক্ষ্যের দিকে ছুটে চলেছে,
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
Arabic, with marks
٤٣ يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ سِرَاعًا كَأَنَّهُمْ إِلَىٰ نُصُبٍ يُوفِضُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে দ্রুতবেগে, মনে হইবে উহারা কোন উপাসনালয়ের দিকে ধাবিত হইতেছে,
সমকালীন বাংলা
৪৪ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করে রাখবে। এ সে দিন, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।
Arabic, with marks
٤٤ خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۚ ذَٰلِكَ الْيَوْمُ الَّذِي كَانُوا يُوعَدُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ অবনত নেত্রে। হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে; ইহাই সেই দিন, যাহার বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল উহাদেরকে।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report