You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল কলম (কলম)
Chapter 68, 52 verses
সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান
বয়ান ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; নূন। কলমের শপথ এবং তারা যা লিখে তারও।
মুহিউদ্দীন খান
নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
নূন; কলমের কসম এবং তারা যা লিখে তার কসম!
আবদুস শহীদ নাসিম
নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।
সমকালীন বাংলা
তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
মুহিউদ্দীন খান
আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
সমকালীন বাংলা
এবং নিশ্চয়ই তোমার জন্য রয়েছে এমন প্রতিদান, যা কখনো শেষ হবে না।
মুহিউদ্দীন খান
আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর নিশ্চয় তোমার জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
আবদুস শহীদ নাসিম
অবশ্যি তোমার জন্যে রয়েছে পুরস্কার অফুরান।
সমকালীন বাংলা
তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
অবশ্যি তুমি এক মহান চরিত্রের অধিকারী।
সমকালীন বাংলা
অতএব অচিরেই তুমি দেখবে, এবং তারাও দেখবে,
মুহিউদ্দীন খান
সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে এবং তারাও দেখতে পাবে-
আবদুস শহীদ নাসিম
অচিরেই তুমি দেখবে, আর দেখবে তারাও,
সমকালীন বাংলা
তোমাদের মধ্যে কে বিভ্রান্ত।
মুহিউদ্দীন খান
কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত?
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের মধ্যে কে আপতিত ফিতনায়?
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকই সর্বাধিক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, এবং তিনিই সর্বাধিক জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের।
মুহিউদ্দীন খান
আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় তোমার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার প্রভুই সেই সত্তা, যিনি সর্বাধিক জানেন কারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত এবং তিনিই তাদের সর্বাধিক জানেন, যারা হিদায়াত প্রাপ্ত।
সমকালীন বাংলা
অতএব তুমি অস্বীকারকারীদের অনুসরণ করো না।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতএব তুমি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করো না।
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তুমি মিথ্যাবাদীদের আনুগত্য করোনা।
সমকালীন বাংলা
তারা চায়, যদি তুমি আপস করো, তবে তারাও আপস করবে।
মুহিউদ্দীন খান
তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা কামনা করে, যদি তুমি আপোষকামী হও, তবে তারাও আপোষকারী হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা চায়, তুমি যদি নমনীয় হও, তবেই তারা নমনীয় হবে।
সমকালীন বাংলা
আর তুমি অনুসরণ করো না প্রত্যেক অত্যাধিক শপথকারীর।
মুহিউদ্দীন খান
যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তুমি আনুগত্য করো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক কসমকারী, লাঞ্ছিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি আনুগত্য করোনা বারবার হলফকারী হীন ব্যক্তির,
সমকালীন বাংলা
নিন্দাকারী, কথা লাগিয়ে বেড়ানো ব্যক্তি,
মুহিউদ্দীন খান
যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
পিছনে নিন্দাকারী ও যে চোগলখুরী করে বেড়ায়,
আবদুস শহীদ নাসিম
যে পেছনে নিন্দা করে এবং একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়।
সমকালীন বাংলা
কল্যাণে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী,
মুহিউদ্দীন খান
যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,
বয়ান ফাউন্ডেশন
ভাল কাজে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী অপরাধী,
আবদুস শহীদ নাসিম
সে ভালো কাজে বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ।
সমকালীন বাংলা
কঠোরস্বভাব, তার উপর আবার বংশের দাবিদার।
মুহিউদ্দীন খান
কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;
বয়ান ফাউন্ডেশন
দুষ্ট প্রকৃতির, তারপর জারজ।
আবদুস শহীদ নাসিম
সে কর্কশ স্বভাবের, তারপর কুখ্যাত।
সমকালীন বাংলা
কারণ সে সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির অধিকারী।
মুহিউদ্দীন খান
এ কারণে যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
এ কারণে যে, সে ছিল ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততির অধিকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ, তার অনেক মাল সম্পদ আছে এবং আছে অনেক সন্তান সন্ততি।
সমকালীন বাংলা
যখন তার কাছে আমাদের আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, সে বলে, "এগুলো পূর্ববর্তীদের কাহিনী।"
মুহিউদ্দীন খান
তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, এগুলো পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনীমাত্র।
আবদুস শহীদ নাসিম
তার কাছে যখন আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে বলে: ‘এগুলো তো সেকালের কাহিনী।’
সমকালীন বাংলা
অচিরেই আমরা তার নাকের উপর চিহ্ন এঁকে দেব।
Note
খুরতূম (الخرطوم): আক্ষরিক অর্থে এমন একটি শব্দ যা প্রাণীর শুঁড় বা থুতনিযুক্ত নাক/মুখের জন্যও ব্যবহৃত হয়। এখানে সম্ভবত অপমানসূচক হিসেবে ব্যবহার রয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অচিরেই আমি তার শুঁড়ের* উপর দাগ দিয়ে দেব। *অর্থাৎ নাকের উপর। বিদ্রূপাত্মক অর্থে ব্যবহৃত।
আবদুস শহীদ নাসিম
অচিরেই আমরা দাগ লাগিয়ে দেবো তার শুঁড়ে (নাকে)।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের অধিকারীদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে তারা অবশ্যই ভোরবেলায় তার ফল সংগ্রহ করবে।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় আমি এদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের মালিকদেরকে। যখন তারা কসম করেছিল যে, অবশ্যই তারা সকাল বেলা বাগানের ফল আহরণ করবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা তাদের পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানওয়ালাদের, যখন তারা কসম খেয়ে বলেছিল তারা সকালে বাগানের ফল পাড়বে,
সমকালীন বাংলা
এবং তারা কোনো ব্যতিক্রম রাখেনি।
Note
আল্লাহ এখানে আমাদের উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন বিবিধ কারণে বা আল্লাহ না চাইলে আমাদের প্রতিশ্রুত কাজটি আমাদের দ্বারা করা সম্ভব নাও হতে পারে; তাই কারো সাথে কোনো প্রতিজ্ঞা বা চুক্তি করার সময় "ইন শাহ আল্লাহ" বলা বা Force Majeure / Act of God Exception Clause / Option রাখা উত্তম। তবে মূল আরবীতে "ইন শাহ আল্লাহ" কথাটি উল্লেখ নেই।
এখান থেকে আমরা আরো একটি শিক্ষা পাই যে, খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করতে নেই।
মুহিউদ্দীন খান
ইনশাআল্লাহ না বলে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা ইনশাল্লাহ ( চাহেন তো) বলেনি।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তারা যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তার উপর এক দুর্যোগ বয়ে গেল।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর তোমার রবের পক্ষ থেকে এক প্রদক্ষিণকারী (আগুন) বাগানের ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করে গেল, আর তারা ছিল ঘুমন্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সেই বাগানের উপর দিয়ে বয়ে গেলো একটি ঝাপটা। তখন তারা ছিলো ঘুমে।
সমকালীন বাংলা
ফলে তা হয়ে গেল কাটা ক্ষেতের মতো।
মুহিউদ্দীন খান
ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
ফলে তা (পুড়ে) কালো বর্ণের হয়ে গেল।
আবদুস শহীদ নাসিম
ফলে সেই বাগান হয়ে যায় কালো বর্ণ (কয়লার মতো)।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তারা ভোরবেলায় একে অপরকে ডাকল,
মুহিউদ্দীন খান
সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর সকাল বেলা তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
আবদুস শহীদ নাসিম
ভোরে তারা পরস্পরকে ডাকলো (বললো:)
সমকালীন বাংলা
“যদি তোমরা ফল সংগ্রহ করতে চাও, তবে সকালেই তোমাদের ক্ষেতে চলে যাও।”
মুহিউদ্দীন খান
তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল তোমাদের বাগানে যাও’।
অতঃপর তারা রওনা হলো, নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কথা বলতে থাকলো,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর তারা চলল, নিম্নস্বরে একথা বলতে বলতে-
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর তারা (বাগানের দিকে) চললো নিচু স্বরে (এই) কথা বলতে বলতে:
সমকালীন বাংলা
“আজ যেন কোনো দরিদ্র সেখানে তোমাদের কাছে প্রবেশ করতে না পারে।”
মুহিউদ্দীন খান
অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যে, ‘আজ সেখানে তোমাদের কাছে কোন অভাবী যেন প্রবেশ করতে না পারে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
আজ যেনো তোমাদের কাছে বাগানে দাখিল না হয় কোনো মিসকিন (অভাবী)।
সমকালীন বাংলা
এবং তারা ভোরে রওনা হলো, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, নিজেদের সক্ষম মনে করে।
মুহিউদ্দীন খান
তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তারা ভোর বেলা দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি নিয়ে সক্ষম অবস্থায় (বাগানে) গেল।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর তারা ভোরে ভোরেই বাগানে রওয়ানা করলো (মিসকিন) প্রতিরোধ করতে সক্ষম মনে করে।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর যখন তারা তা দেখল, তারা বলল, “নিশ্চয়ই আমরা পথ ভুল করেছি।”
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর তারা যখন বাগানটি দেখল, তখন তারা বলল, ‘অবশ্যই আমরা পথভ্রষ্ট’।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর যখন বাগানের অবস্থা দেখলো, বললো: ‘‘আমরা তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।
সমকালীন বাংলা
“বরং আমরাই বঞ্চিত হয়েছি।”
মুহিউদ্দীন খান
বরং আমরা তো কপালপোড়া,
বয়ান ফাউন্ডেশন
‘বরং আমরা বঞ্চিত’।
আবদুস শহীদ নাসিম
বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’
সমকালীন বাংলা
তাদের মধ্যে মধ্যপন্থী ব্যক্তি বলল, “আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা পবিত্রতা ঘোষণা করো না?”
মুহিউদ্দীন খান
তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা কেন (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠ করছ না’?
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের সবচে’ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি বললো: ‘আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা তসবিহ করছোনা?
সমকালীন বাংলা
তারা বলল, “আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। নিশ্চয়ই আমরাই ছিলাম অন্যায়কারী।”
মুহিউদ্দীন খান
তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা বলল, ‘আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমরা যালিম ছিলাম’।
আবদুস শহীদ নাসিম
(তারা বললো:) আমাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, অবশ্যি আমরা ছিলাম যালিম।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তারা পরস্পরের দিকে ফিরে পরস্পরকে দোষারোপ করতে লাগল।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর তারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তখন তারা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে থাকলো।
সমকালীন বাংলা
তারা বললো, “হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা বলল, ‘হায়, আমাদের ধ্বংস! নিশ্চয় আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম’।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বললো: ‘‘হায় ধ্বংস আমাদের, অবশ্যি আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।
সমকালীন বাংলা
হয়তো আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন। নিশ্চয়ই আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছেই প্রত্যাশী।”
মুহিউদ্দীন খান
সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সম্ভবতঃ আমাদের রব আমাদেরকে এর চেয়েও উৎকৃষ্টতর বিনিময় দেবেন। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের প্রতি আগ্রহী।
আবদুস শহীদ নাসিম
হয়তো আমাদের প্রভু আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম বদলা (বিনিময়) দেবেন, আমরা আমাদের প্রভুর অভিমুখী হলাম।’’
সমকালীন বাংলা
এভাবেই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরও বড়, যদি তারা জানত।
মুহিউদ্দীন খান
শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
বয়ান ফাউন্ডেশন
এভাবেই হয় আযাব। আর পরকালের আযাব অবশ্যই আরো বড়, যদি তারা জানত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আযাব এরকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের আযাব অবশ্যি এর চাইতে অনেক জঘন্যতর, যদি তারা জানতো!
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে বিলাসবহুল বেহেস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে ‘জান্নাতুন নায়ীম’।
সমকালীন বাংলা
তবে কি আমরা মুসলিমদেরকে অপরাধীদের মতো গণ্য করব?
মুহিউদ্দীন খান
আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তবে কি আমি মুসলিমদেরকে (অনুগতদেরকে) অবাধ্যদের মতই গণ্য করব?
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা কি আত্মসমর্পণকারী - মুসলিমদের গণ্য করবো অপরাধীদের সমতুল্য?
সমকালীন বাংলা
তোমাদের কী হয়েছে? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নাও?
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের কী হল, তোমরা কিভাবে ফয়সালা করছ?
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের কী হয়েছে - তোমরা কিভাবে ফায়সালা করছো?
সমকালীন বাংলা
নাকি তোমাদের কাছে এমন কোনো কিতাব রয়েছে, যা তোমরা অধ্যয়ন কর?
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করছ?
আবদুস শহীদ নাসিম
নাকি তোমাদের কাছে কোনো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে (এসব) তোমরা পাঠ করছো?
সমকালীন বাংলা
যাতে তোমাদের জন্য যা ইচ্ছা, তাই রয়েছে?
মুহিউদ্দীন খান
তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?
বয়ান ফাউন্ডেশন
যে, নিশ্চয় তোমাদের জন্য সেখানে রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?
আবদুস শহীদ নাসিম
তাতে কি লেখা রয়েছে তোমাদের পছন্দসই কথা?
সমকালীন বাংলা
নাকি আমাদের ওপর তোমাদের জন্য কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে—এমন কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে, যাতে তোমরা যা নির্ধারণ কর, সেটিই তোমাদের জন্য থাকবে?
মুহিউদ্দীন খান
না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
অথবা তোমাদের জন্য কি আমার উপর কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন অঙ্গীকার রয়েছে যে, অবশ্যই তোমাদের জন্য থাকবে তোমরা যা ফয়সালা করবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
নাকি আমার সাথে তোমাদের কোনো অংগীকার আছে যা কিয়ামতকাল পর্যন্ত বলবত থাকবে? নিশ্চয়ই তোমরা তাই পাবে, যা নিজেদের জন্যে ফায়সালা করবে।
সমকালীন বাংলা
তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, তাদের মধ্যে কে এর দায়িত্ব নিতে পারে?
মুহিউদ্দীন খান
আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে এ ব্যাপারে যিম্মাদার?
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের তুমি প্রশ্ন করো, এ ব্যাপারে তাদের যিম্মাদার কে?
সমকালীন বাংলা
নাকি তাদের কোনো শরীক রয়েছে? যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে তারা তাদের শরীকদের উপস্থিত করুক।
মুহিউদ্দীন খান
না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অথবা তাদের জন্য কি অনেক শরীক আছে? তাহলে তারা তাদের শরীকদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
নাকি তাদের শরিক করা (দেব দেবী) আছে? তবে তারা সেই শরিকদের নিয়ে আসুক যদি তারা হয়ে থাকে সত্যবাদী।
সমকালীন বাংলা
যেদিন পায়ের গোড়ালি উন্মোচিত হবে এবং তাদেরকে সিজদা করার জন্য ডাকা হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।
মুহিউদ্দীন খান
গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সে দিন পায়ের গোছা* উন্মোচন করা হবে। আর তাদেরকে সিজদা করার জন্য আহবান জানানো হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না। *এ কথার ব্যাপারে ইমাম বুখারী একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তা হল, আবু সাঈদ খুদরী রা. বলেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের রব তাঁর প
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, যেদিন তাদের পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে এবং তাদের ডাকা হবে সাজদা করতে, কিন্তু তাদের তা করার শক্তি থাকবেনা।
সমকালীন বাংলা
তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে সিজদার জন্য ডাকা হতো, যখন তারা সুস্থ-সক্ষম ছিল।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের দৃষ্টিসমূহ অবনত অবস্থায় থাকবে, অপমান তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে তো নিরাপদ অবস্থায় সিজদা করার জন্য আহবান করা হত (তখন তো তারা সিজদা করেনি)।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের গ্রাস করে নেবে যিল্লতি। অথচ (পৃথিবীতে) যখন তাদের সাজদা করতে ডাকা হতো তখন তারা নিজেদের (তা থেকে) রাখতো দূরে।
সমকালীন বাংলা
অতএব, আমাকে এবং এই বাণীকে যে অস্বীকার করে তাকে ছেড়ে দাও। অচিরেই আমরা তাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করব, যা তারা উপলব্ধিও করতে পারবে না।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতএব ছেড়ে দাও আমাকে এবং যারা এ বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে। আমি তাদেরকে ধীরে ধীরে এমনভাবে পাকড়াও করব যে, তারা জানতে পারবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাকে ছেড়ে দাও আর যারা এই বাণীকে (আল কুরআনকে) অস্বীকার করে তাদেরকে। আমরা ক্রমান্বয়ে তাদেরকে এমনভাবে ধরবো যে, তারা জানতেও পারবেনা।
সমকালীন বাংলা
আর আমি তাদেরকে অবকাশ দিচ্ছি। নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত দৃঢ়।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর আমি তাদেরকে অবকাশ দেব। অবশ্যই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমি তাদের অবকাশ দিই, আমার কৌশল মজবুত।
সমকালীন বাংলা
নাকি তুমি তাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাও, ফলে তারা ঋণের বোঝায় ভারাক্রান্ত?
মুহিউদ্দীন খান
আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাচ্ছ? ফলে তারা ঋণের কারণে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছো আর তারা সেটাকে মনে করছে দুর্বহ বোঝা?
সমকালীন বাংলা
নাকি তাদের কাছে অদৃশ্যের জ্ঞান রয়েছে, তাই তারা তা লিখে রাখে?
মুহিউদ্দীন খান
না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অথবা তাদের কাছে কি ‘’ (লওহে মাহফুয) আছে যে, তারা লিখে রাখছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
নাকি তাদের কাছে গায়েবের জ্ঞান আছে আর তারা তা লিখে রাখছে?
সমকালীন বাংলা
অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না, যখন সে আহ্বান করেছিল, আর সে ছিল গভীর দুঃখে আচ্ছন্ন।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতএব তুমি তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্যধারণ কর। আর তুমি মাছওয়ালার মত হয়ো না, যখন সে দুঃখে কাতর হয়ে ডেকেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার প্রভুর হুকুমের অপেক্ষায় সবর করো, মাছওয়ালার (ইউনুসের) মতো (অধৈর্য) হয়োনা। সে চরম হতাশায় আচ্ছন্ন অবস্থায় (আমাকে বিনীতভাবে) ডেকেছিল।
সমকালীন বাংলা
যদি না তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ তার কাছে পৌঁছাত, তবে অবশ্যই সে উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতো, নিন্দিত অবস্থায়।
মুহিউদ্দীন খান
যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে নিন্দিত অবস্থায় উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তার প্রভুর অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছুলে সে চরম লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতো উন্মুক্ত প্রান্তরে।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তার প্রতিপালক তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর তার রব তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর তার প্রভু তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে তাঁর সালেহ্ বান্দাদের অন্তরভুক্ত করলেন।
সমকালীন বাংলা
আর যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা যখন এই স্মারক শুনে, তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টির দ্বারা তোমাকে পিছলিয়ে দিতে উদ্যত হয়। আর তারা বলে, “সে তো অবশ্যই একজন উন্মাদ।”
মুহিউদ্দীন খান
কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কাফিররা যখন উপদেশবাণী শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়ে ফেলবে, আর তারা বলে, ‘এ তো এক পাগল’।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা যখন আয যিক্র (আল কুরআন) শুনে, তখন যেনো তারা তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছাড় মারবে। তারা বলে: ‘এতো এক পাগল।’
সমকালীন বাংলা
অথচ এটি তো সমগ্র জগতের জন্য এক উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।
মুহিউদ্দীন খান
অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর এ কুরআন তো সৃষ্টিকুলের জন্য শুধুই উপদেশবাণী।
আবদুস শহীদ নাসিম
অথচ এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে এক (কল্যাণময়) উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।