আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময়, পরম দয়ালু; বলো, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি ভোরের প্রতিপালকের নিকট,
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে,
বল, ‘আমি শরণ লইতেছি ঊষার স্রষ্টার
Chapter 113, 5 verses
সর্বমহান আল্লাহ এই সূরা দিয়ে জানিয়ে দিলেন যে মুহাম্মদ (সা:) রাতের গভীর অন্ধকারে অনিষ্টকারী হিংসুকদের (জাদু) দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ (অসুস্থ) হয়েছেন, যখন এই সূরা ফালাক পড়লেন এবং এর পরবর্তী সূরা নাস পড়লেন তখন তিনি সর্বমহান আল্লাহের কৃপায় সুস্থ হয়ে উঠলেন।
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময়, পরম দয়ালু; বলো, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি ভোরের প্রতিপালকের নিকট,
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে,
বল, ‘আমি শরণ লইতেছি ঊষার স্রষ্টার
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে,
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে,
‘তিনি যাহা সৃষ্টি করিয়াছেন তাহার অনিষ্ট হইতে,
এবং অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়,
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়,
‘অনিষ্ট হইতে রাত্রির অন্ধকারের, যখন উহা গভীর হয়
এবং গিঁঠে ফুঁ দেয় এমনদের অনিষ্ট থেকে,
গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে,
‘এবং অনিষ্ট হইতে সমস্ত নারীদের, যাহারা গ্রন্থিতে ফুৎকার দেয়
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’।
এবং অনিষ্ট হইতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।’