আল আদিয়াত (উর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ানো)
Chapter 100, 11 verses
-
সমকালীন বাংলা
-
মুহিউদ্দীন খান
-
আবদুস শহীদ নাসিম
-
জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চলা
Note
এই সূরাতে সম্ভবত দ্রুত গতিতে ছুটে চলা ঘোড়া বা অশ্বসমূহের কথা বলা হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের,
আবদুস শহীদ নাসিম
শপথ (সেই সব ঘোড়ার) যারা দৌড়ায় উর্ধ্বশ্বাসে,
জহুরুল হক
ভাবো ঊর্ধ্বশ্বাসে ধাবমানদের কথা,
সমকালীন বাংলা
এবং যারা আঘাতে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বের করে,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের
আবদুস শহীদ নাসিম
আর (ক্ষুরার আঘাতে) ঝরায় আগুনের ফুলকি,
জহুরুল হক
ফলে যারা আগুনের ফুলকি ছোড়ে আঘাতের ছোটে,
সমকালীন বাংলা
এবং যারা ভোরে আক্রমণ করে,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং আক্রমণ চালায় একেবারে ভোর - সকালে,
জহুরুল হক
আর যারা ভোরে অভিযান চালায়,
সমকালীন বাংলা
এবং তাতেধুলিউড়িয়ে দেয়,
মুহিউদ্দীন খান
ও যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে
আবদুস শহীদ নাসিম
এসময় ধূলায় ধুসরিত করে বাতাস,
জহুরুল হক
আর তার ফলে যারা ধূলো উড়ায় - -
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তারা দলের মধ্যে ঢুকে পড়ে,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে -
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং এমনি করে তারা ঢুকে পড়ে কোনো (শত্রু) জনবসতির মাঝে।
জহুরুল হক
তখন এর ফলে সৈন্যদলকে ভেদ করে যায়।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই মানুষ তার প্রতিপালকের প্রতি অকৃতজ্ঞ,
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই (অবিশ্বাসী) মানুষ অকৃতজ্ঞ তার প্রভুর প্রতি,
জহুরুল হক
মানুষ নিশ্চয়ই তার প্রভুর প্রতি বড় অকৃতজ্ঞ,
সমকালীন বাংলা
এবং সে নিজেই এর সাক্ষী,
মুহিউদ্দীন খান
এবং সে অবশ্য এ বিষয়ে অবহিত
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং সে নিজেই এর (তার এ অকৃতজ্ঞতার) সাক্ষী।
জহুরুল হক
আর সে আলবৎ এ বিষয়ে অবশ্য প্রত্যক্ষদশ।
সমকালীন বাংলা
এবং সে সম্পদের প্রতি প্রবল আসক্ত,
মুহিউদ্দীন খান
এবং সে নিশ্চিতই ধন - সম্পদের ভালবাসায় মত্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর সম্পদের মোহে সে প্রচন্ড (উগ্র)।
জহুরুল হক
আর নিঃসন্দেহ সে ধনসম্পদের মোহে দুরন্ত।
সমকালীন বাংলা
তবে কি সে জানে না, যখন কবরগুলোয় যা আছে বের করে আনা হবে,
মুহিউদ্দীন খান
সে কি জানে না, যখন কবরে যা আছে, তা উত্থিত হবে
আবদুস শহীদ নাসিম
সে কি জানেনা, কবরে যা কিছু (দাফন করা) আছে সবই বের করে আনা হবে?
জহুরুল হক
তবে কি সে জানে না যখন কবরগুলোয় যা আছে তা তোলা হবে,
সমকালীন বাংলা
এবং যা অন্তরে আছে তা বের করে আনা হবে,
মুহিউদ্দীন খান
এবং অন্তরে যা আছে, তা অর্জন করা হবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং মানুষের অন্তরে যা কিছু আছে সেসবও প্রকাশ করে দেয়া হবে?
জহুরুল হক
এবং অন্তরে যা আছে তা প্রকাশ করা হবে?
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই সেদিন তাদের প্রতিপালক তাদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞ থাকবেন।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন তাদের কি হবে, সে সম্পর্কে তাদের পালনকর্তা সবিশেষ জ্ঞাত।
আবদুস শহীদ নাসিম
অবশ্যি সেদিন তাদের রব তাদের বিষয়ে থাকবেন সম্যক অবহিত।
জহুরুল হক
নিঃসন্দেহ তাদের প্রভু সেইদিন তাদের সন্বন্ধে সবিশেষে অবহিত থাকবেন।