Kitab

আল ইনশিকাক (চুর্ণ বিচুর্ণ হওয়া)

Chapter 84, 25 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফেটে (চুর্ণ বিচুর্ণ হয়ে) যাবে আকাশ,

জহুরুল হক

যখন আকাশ খন্ডবিখন্ড হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং তার প্রতিপালকের নির্দেশ মেনে চলবে—এবং সেটিই তার উপযুক্ত,

মুহিউদ্দীন খান

ও তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং আকাশ এরই উপযুক্ত

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সে তার প্রভুর ফরমান পালন করবে, আর তা করাটাই তার জন্যে হক (বাস্তব)।

জহুরুল হক

আর তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে - -

সমকালীন বাংলা

এবং যখন পৃথিবী প্রসারিত করা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন পৃথিবীকে করে দেয়া হবে প্রসারিত।

জহুরুল হক

আর যখন পৃথিবীকে সমতল করা হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং তা তার ভেতরের সবকিছু বের করে দেবে ও শূন্য হয়ে যাবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তার ভেতরে যা কিছু ছিলো, সব বাইরে নিক্ষেপ করে সে খালি হয়ে যাবে।

জহুরুল হক

আর তার ভেতরে যা - কিছু রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শূন্যগর্ভ হবে,

সমকালীন বাংলা

এবং তার প্রতিপালকের নির্দেশ মেনে চলবে—এবং সেটিই তার উপযুক্ত,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং পৃথিবী এরই উপযুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে সে তার রবের হুকুম পালন করবে, আর তা করাটাই তার জন্যে হক (বাস্তব)।

জহুরুল হক

ফলে তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে।

সমকালীন বাংলা

হে মানুষ! নিশ্চয়ই তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে কঠোর প্রচেষ্টায় অগ্রসর হচ্ছ, অতঃপর তুমি তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করবে,

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, তোমাকে তোমরা পালনকর্তা পর্যন্ত পৌছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তুমি তোমার (ভালো - মন্দ) কৃতকর্মের বোঝা নিয়ে ফিরে চলছো তোমরা মালিকের দিকে। এ এক অবধারিত প্রত্যাবর্তন। সামনে এগিয়েই তাঁর সাথে মুলাকাত (সাক্ষাত) করবে।

জহুরুল হক

ওহে মানব! নিশ্চয় তোমার প্রভুর তরফে তোমাকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে বিশেষ উদ্যমে, তাহলে তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যার আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে যার কিতাব (কৃতকর্মের রেকর্ড বা আমলনামা) দেয়া হবে তার ডান হাতে,

জহুরুল হক

সুতরাং তার ক্ষেত্রে যাকে তার নিবন্ধগ্রন্থ তার ডান হাতে দেওয়া হবে,

সমকালীন বাংলা

তার হিসাব সহজভাবে নেওয়া হবে,

মুহিউদ্দীন খান

তার হিসাব - নিকাশ সহজে হয়ে যাবে

আবদুস শহীদ নাসিম

তার কাছ থেকে নেয়া হবে একটা সহজ হিসাব,

জহুরুল হক

তাকে তো তবে হিসেব চুকিয়ে দেওয়া হবে সহজ হিসেবনিকেশে,

সমকালীন বাংলা

এবং সে আনন্দিত অবস্থায় তার আপনজনদের কাছে ফিরে যাবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং সে তার পরিবার - পরিজনের কাছে হৃষ্টচিত্তে ফিরে যাবে

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সে তার পরিবার - পরিজনের কাছে ফিরে যাবে হাসি খুশি, আনন্দ উৎফুল্ল চিত্তে।

জহুরুল হক

আর সে তার স্বজনদের কাছে ফিরে যাবে খুশি হয়ে।

সমকালীন বাংলা

আর যার আমলনামা তার পেছন দিক থেকে দেওয়া হবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাকে তার আমলনামা পিঠের পশ্চাদ্দিক থেকে দেয়া, হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যার কিতাব (কৃতকর্মের রেকর্ড বা আমলনামা) দেয়া হবে তার পেছন দিক থেকে,

জহুরুল হক

আর তার ক্ষেত্রে যাকে তার নিবন্ধগ্রন্থ তার পিঠের পশ্চাৎ দিকে দেওয়া হবে,

সমকালীন বাংলা

সে শীঘ্রই ধ্বংসকে ডাকবে,

মুহিউদ্দীন খান

সে মৃত্যুকে আহবান করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে ডাকবে মৃত্যুকে,

জহুরুল হক

সে তখনই ধ্বংসের জন্য আর্তনাদ করবে,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রজ্জ্বলিত আগুনে প্রবেশ করবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সে প্রবেশ করবে সায়ীরে (জলন্ত আগুনে)।

জহুরুল হক

আর জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সে তার আপনজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল,

মুহিউদ্দীন খান

সে তার পরিবার - পরিজনের মধ্যে আনন্দিত ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তো (দুনিয়ার জীবনে) তার পরিবার - পরিজনদের মধ্যে থাকতো আনন্দে মেতে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ সে তার স্বজনদের মধ্যে ফুর্তিতে ছিল।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সে মনে করত যে সে কখনো ফিরে যাবে না,

মুহিউদ্দীন খান

সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই সে মনে করতো, তার কখনো ফিরে আসতে হবেনা (আমার কাছে)।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ সে ভেবেছিল যে সে কখনো ফিরে আসবে না।

সমকালীন বাংলা

হ্যাঁ, অবশ্যই; নিশ্চয়ই তার প্রতিপালক তাকে দেখছিলেন,

মুহিউদ্দীন খান

কেন যাবে না, তার পালনকর্তা তো তাকে দেখতেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হ্যাঁ, অবশ্যি (তাকে ফিরে আসতেই হবে), কখনো তাকে দৃষ্টির আড়াল করেননি তার প্রভু।

জহুরুল হক

না, নিঃসন্দেহ তার প্রভু বরাবর তার প্রতি দৃষ্টিদাতা।

সমকালীন বাংলা

অতএব আমি শপথ করছি সন্ধ্যাকালের লাল আভার,

মুহিউদ্দীন খান

আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি শপথ করছি অস্ত লালিমার,

জহুরুল হক

কিন্ত না, আমি সাক্ষী করছি সূর্যাস্তের রক্তিমাভা,

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, এবং যা তা আচ্ছাদিত করে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ করছি রাতের, আর সে তার অন্ধকারে যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় (সেগুলোর)।

জহুরুল হক

আর রাত্রিকে ও যা - কিছু তা তাড়িয়ে নেয়,

সমকালীন বাংলা

এবং চাঁদের, যখন তা পূর্ণ হয়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ করছি চাঁদের, যখন সে উপনীত হয় পূর্ণিমায়।

জহুরুল হক

আর চন্দ্রকে যখন সে পূর্ণাঙ্গতা পায়,

সমকালীন বাংলা

অবশ্যই তোমরা এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় আরোহণ করবে,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহণ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমরা আরোহণ করতে থাকবে এক তবকা (স্তর) থেকে আরেক তবকায়।

জহুরুল হক

যেন তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করতে পারো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাদের কী হয়েছে যে তারা বিশ্বাস করে না?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তাদের কি হল যে, তারা ঈমান আনে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদের হলো কি যে, তারা ঈমান আনে না?

জহুরুল হক

সুতরাং তাদের কী হয়েছে যে তারা ঈমান আনছে না,

সমকালীন বাংলা

এবং যখন তাদের কাছে কুরআন পাঠ করা হয়, তারা সিজদা করে না?

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের কাছে কোরআন পাঠ করা হয়, তখন সেজদা করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন তাদের কাছে কুরআন পেশ করা হয়, তখন সাজদা করেনা (অবনত হয়না)? (সাজদা)

জহুরুল হক

আর যখন তাদের নিকট কুরআন পাঠ করা হয় তখন তারা সিজদা করে না?

সমকালীন বাংলা

বরং অবিশ্বাসীরা মিথ্যারোপ করে,

মুহিউদ্দীন খান

বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যারা কুফরির পথ অবলম্বন করে, তারা (এই কুরআনকে) অস্বীকার করে।

জহুরুল হক

পরন্তু যারা অবিশ্বাস করে তারা মিথ্যারোপ করে,

সমকালীন বাংলা

আর ভালো জানেন যা তারা অন্তরে সঞ্চয় করে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা সংরক্ষণ করে, তা জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ আল্লাহই অধিক জানেন (তারা তাদের আমলনামায়) কী জমা করছে?

জহুরুল হক

অথচ ভালো জানেন যা তারা লুকোচ্ছে।

সমকালীন বাংলা

অতএব তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদেরকে সংবাদ দাও যন্ত্রনাদায়ক আযাবের।

জহুরুল হক

অতএব তাদের সুসংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির,

সমকালীন বাংলা

তবে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত প্রতিদান।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে, - - তাদের জন্য রয়েছে এক নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme